গভীর কিছু শেখার আছে ....

যায়যায়দিনের বর্তমান অবস্থা নিয়ে একজন পাঠকের কিছু কথা (লিখেছেন-মিনার রশীদ)

০৯ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৮:৩১

শেয়ারঃ
0 0 0

ফান্ডের অপ্রতুলতায় আজকের কাগজ পত্রিকাটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। যায়যায়দিন সম্পাদক নিজের কাগজের ব্যাপারে যে বিবৃতি দিয়েছেন তাতে এর পাঠক ও শুভাকাক্সক্ষীরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। এর মাধ্যমে দেশের প্রিন্ট মিডিয়ার বর্তমান নাজুক পরিস্থিতিই ফুটে উঠেছে। শফিক রেহমান এ ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টিটুকু হাতছাড়া করে তার এ সৃষ্টিটুকু বাচিয়ে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন। দীর্ঘ সময় তিনি তার নিজের বেতনটাও তুলতে পারছেন না। কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও কর্মচারীরাও তাদের বেতন-ভাতা ঠিকমতো পাচ্ছেন না। তারপরও এ মশালটিকে তারা জ্বালিয়ে রেখেছেন। অপশক্তির বিরুদ্ধে সংগ্রামরত সৈনিকরা দেখতে পান তাদের অস্ত্র বহনকারী বাহনটিই হুমকির মুখে পড়েছে।

এ অবস্থা এর যোদ্ধাদের মনোবল সঙ্গত কারণেই ভেঙে দেবে। মিডিয়ার প্রভাব সম্পর্কে অনেকটা ঘুমন্ত এ সমাজকে জাগ্রত করার দায়িত্ব যারা কাধে নিয়েছেন তারাই আজ অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রামে পড়েছেন।

সবকিছু দেখে নিজেকে খুব অসহায় মনে হয়। পর মুহূর্তেই কেমন একটি শক্তি অনুভব করি। যায়যায়দিনের কেন বেচে থাকা দরকারÑ সে আহ্বানটি জানানোর পর অসংখ্য চিঠি পেয়েছিলাম। যায়যায়দিনের প্রতি পাঠকদের ভালোবাসা আমাকে সত্যিই অবাক করেছে। নিজের সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন তারপরও প্রিয় এ পত্রিকাটি বাচিয়ে রাখার জন্য এক বোন নিজের সংসারের অতি প্রয়োজনীয় খরচ থেকে বাচিয়ে আমার প্রস্তাব মতো ছয় মাসের টাকা অগ্রিম পাঠিয়ে দিতে রাজি হয়েছেন। নিজে বেকার তারপরও কিভাবে এ পত্রিকাটি বাচিয়ে রাখা যায় তার চিন্তা-ভাবনা করছেন।

এসব আবেগের খড়কুটো বাস্তবতার ঢেউয়ের সামনে যেন টিকে থাকতে পারছে না। তবুও আমার মনে হচ্ছে, এ খড়কুটোগুলো একসঙ্গে করতে পারলে বাস্তবতার এ ঢেউ তার উদ্ধত ফণাকে নামিয়ে আনতে বাধ্য হবে।

সেহরি খাওয়ার পর ফজরের নামাজের আগের সময়টিতেই সাধারণত যায়যায়দিনের ইন্টারনেটের সংস্করণের ওপর প্রথম বারের মতো চোখটি বুলিয়ে নিই। তখন বাংলাদেশে সময় রাত ৩টার মতো হয়। কাল রাতে ঘুমানোর আগে জানতে পারি রবিবারের ছুটির দিনটিতেও আমার জন্য অফিসে একটা কাজ তৈরি হয়ে আছে। কাজেই এ সপ্তাহে নিজের নিয়মিত লেখার (শুক্রবারে যেটি লিখে থাকি) জন্য বরাদ্দকৃত সময়ে এমনিতেই চাপ পড়ে গেছে। এদিকে ৮ অক্টোবর মালিক পক্ষের সঙ্গে যায়যায়দিনের সাংবাদিক ও কর্মকর্তাদের মিটিং হবে।

তাতে পজিটিভ কিছু বেরিয়ে না এলে পত্রিকাটি আবারো সঙ্কটে পড়ে যাবে। একটি দৈনিকের জন্য একটি দিন যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। কাজেই এ ব্যাপারে শিগগিরই কিছু লেখার তাগিদ অনুভব করছি। শফিক রেহমানকে ধন্যবাদ ঠিক সময়ে তিনি এ ব্যাপারটি তার পাঠকদের গোচরে এনেছেন।

একটি দৈনিকের জন্মলগ্নে এ জাতীয় টানাপড়েন বা সমস্যার সৃষ্টি অস্বাভাবিক নয়। একটা ভিশনকে সামনে নিয়ে এ দৈনিকটির যাত্রা। জন্মের আগেই এ পত্রিকাটির অপেক্ষায় প্রহর গুনেছে হাজার হাজার ভক্ত। মিশনের এ দিক পরিবর্তন বা সাময়িক হোচট খাওয়া সুদৃঢ় কোনো ভিশনকে টলাতে পারে না। আমরা যদি মনে করি, এ কাগজটির বেচে থাকা দরকার। কেউ বা কোনো প্রতিকূল পরিস্থিতি একে গলা টিপে মারতে পারবে না। কাজেই এর পাঠক ও শুভাকাক্সক্ষীদের প্রতি প্রথম অনুরোধ, আমরা যেন হতাশ না হয়ে পড়ি।

হাজার হাজার শুভাকাক্সক্ষীর পক্ষ থেকে বর্তমান কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন, আপনারা যথাসম্ভব সাংবাদিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধ করুন এবং তা রেগুলার দেয়ার ব্যবস্থা করুন। এভাবে বেতন-ভাতা বাকি রেখে কারো পক্ষেই নিজের সর্বোচ্চ ক্যাপাসিটির সার্ভিস দেয়া সম্ভব নয়। যে মিশন নিয়ে যায়যায়দিনের যাত্রা সেটি বাস্তবায়ন করতে হলে প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ ক্যাপাসিটিকে ব্যবহার করতে হবে।

আপনারা এমন একটা ভিশনকে সাপোর্ট করছেন তার আনন্দ বা পরিতৃপ্তি মাপা যাবে না। অন্যান্য ব্যবসায়ের মতো এটা অর্থনৈতিকভাবে ততোটুকু লাভজনক না হলেও দেশ ও জাতির স্বার্থে এর অবদান অপরিসীম। আপনারা যদি এ ভিশনের স্বাভাবিক গতিপ্রবাহে বাধার সৃষ্টি না করেন অর্থাৎ বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতাকে আপন ইচ্ছায় বিকশিত হওয়ার সুযোগ দেন তবে এর পুরস্কারস্বরূপ ব্যবসায়িক সাফল্যও একদিন করায়ত্ত হবে। তবে ব্যবসায়িক হিসাব-নিকাশ যা-ই হোক যায়যায়দিনের ওপর কিছু জাতীয় দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে। একে ঘিরে কিছু প্রত্যাশা সৃষ্টি হয়েছে। কাজেই এ টানাপড়েন স্থায়ীভাবে দূর হওয়া প্রয়োজন।
শুভাকাক্সক্ষীদের প্রতি অনুরোধ, আসুন আমরা অতি দ্রুত সবাই মিলে কিছু একটা করি। অনেক পাঠকের কাছ থেকে প্রস্তাব এসেছিল বন্ড বা শেয়ার ছাড়ার মাধ্যমে একটা ফান্ড সৃষ্টি করার। এ বিষয়টিও ভেবে দেখা যেতে পারে। যায়যায়দিনের সাংবাদিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতনের টাকা এ বন্ড বা শেয়ারের মধ্যে চলে আসতে পারে। তারপর পর্যাপ্ত ফান্ড হলে আপনারা ইচ্ছা করলে তা ভাঙিয়ে নিতে পারবেন। কাজেই যে কোনো পরিস্থিতিতে এ মিশনটুকুকে ধরে রাখুন। কারণ আপনারা মাথার ওপরে এ ভারটি কোনোভাবে ধরে রাখতে পারলেই তা দেখে অন্যরা এসে যোগ দিতে পারবে এবং তা হালকা করার সুযোগ নিতে পারবে। কাজেই আপনারা এ পরিকল্পনার বাস্তব চেহারাটুকু তাড়াতাড়ি পাঠকদের সামনে হাজির করুন।

যায়যায়দিনের ভক্ত সব ভাই ও বন্ধুদের অনুরোধ জানাবো, আপনারা কিছু করার জন্য প্রস্তুতি নিন। বিশেষ করে সব প্রবাসীর কাছে অনুরোধ, আপনারা এগিয়ে আসুন। ৫ হাজার বা ১০ হাজার টাকার বন্ড বা শেয়ার নিজের সামর্থ্য মতো কিনে নিন। আমরা আগামী তিন বছরে সবাই মিলে এ বিনিয়োগ করবো। আমরা যতো বেশি সংখ্যক মানুষকে এখানে জড়িত করতে পারবো ততো ভালো হবে।

যারা আর্থিকভাবে এ পরিকল্পনায় অংশগ্রহণ করতে পারবো না তারা যেন অন্য কাউকে এ ব্যাপারে উৎসাহিত করি। এর প্রচার ও প্রসারে সম্মিলিতভাবে প্রচেষ্টা চালাই। এ প্রক্রিয়ায় ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি হিসেবে শফিক রেহমান ও তার পরিবারের কাছে কিছু মালিকানা হস্তান্তরের ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে। তাতে তার ভেতর থেকে সর্বোচ্চ অবদানটি বের করে আনা সম্ভব হবে। এর সঙ্গে জড়িত কলাকুশলীরাও নিজেদের মালিকানার অধিকার অনুভব করবেন। এতে তারাও তাদের মেধা ও সামর্থ্যরে সর্বোচ্চ প্রয়োগ করতে উৎসাহী হবেন।

সবচেয়ে বড় কথা হলো, এতোগুলো মানুষ এ ভিশনে তাড়িত হয়ে ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত হলে দুনিয়ার কোনো শক্তিই তা থামিয়ে রাখতে পারবে না। পরবর্তী যুদ্ধের প্রস্তুতি হিসেবে নিজের বাহনটি মেরামতের এ চ্যালেঞ্জটি আমাদের সামনে হাজির হয়েছে। আসুন সবাই মিলে তার মোকাবেলা করি।
কারণ এখান থেকে আমাদের পিছিয়ে যাওয়ার উপায় নেই।

চায়না থেকে
০৭.১০.০৭

(যায়যায়দিনে গতকাল এই লেখাটি প্রকাশিত হবার পর পাঠক শুভানুধ্যায়ীদের ব্যাপক সাড়া পেয়ে আমরা অভিভূত। তাই ব্লগার বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করলাম লেখাটি।)

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৮:৩৪
রিজভী বলেছেন: বিঃদ্রঃ যায়যায়দিনের সাংবাদিক-কর্মচারিদের আগস্ট মাসের বেতন আজ কমপ্লিট করা হয়েছে।
২. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৮:৩৬
জিয়াদ বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
৩. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৮:৪০
খ! বলেছেন: সাইমুম কিমুন আচে রিজবী?
৪. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৮:৪১
অজানা অচেনা বলেছেন: আমি এর সাথে একাত্বতা ঘোষণা করছি। ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য। খবরটা শুনে ভাল লাগল (আপনার মন্তব্যের খবর)। ৫।
৫. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৮:৪৭
আমি কে বলেছেন: দুঃখজনক ঘটনা। পত্রিকা বন্ধ হওয়া কাম্য নয়।
৬. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৮:৫০
কোবরা বলেছেন: আমিও যায়যায়দিনের ভক্ত ছিলাম কিন্তু শফিক রেহমান যখন তারেক জিয়ার চামচামি করা শুরু করলো তখন থেকে আর যায়যায়দি ভাল লাগেনা......তবে আমি চাই না যে যায়যায়দি বন্ধ হয়ে যাক.....
৯. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৮:৫৩
'ভিমরু' বলেছেন: আশা করা যায় পত্রিকাটি আবার বেঁচে ওঠবে। আমরা আছি.... এগিয়ে যাক যায়যায়দিন।
১০. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৮:৫৪
মাহবুবা আখতার বলেছেন: আশা করছি যায়যায়দিন বন্ধ হবে না।৫
১১. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:০২
এস্কিমো বলেছেন: যে নদী হারায়ে পথ চলিতে না পারে
...শৈবালদাম তাকেই বেধে ফেলে।

জন্মের সময় যে যায়যায়দিন ছিল..শফিক রেহমান সেটাকে কোথায় নিয়ে এসেছে আজ।

একসময় নিজের পয়সায় প্রেস থেকে মঙ্গলবার ভোরে যায় যায় দিন কিনে (২টাকা করে) হলের গেটে বিনামূল্যে বিতরন করতাম।

এখন দেখি যায় যায় দিনের জন্ম দিনের শুভেচ্ছা জানায় এক রাজাকার পুত্র ...হায়!

যায় যায় দিনের জন্যে রইল মরনোত্তর শুভেচ্ছা।
১৪. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:৩৩
প্রশ্ন কত বলেছেন: @এস্কিমো ,
মুক্তিযোদ্ধারা রাজাকারদের চেয়ে বেশী ধর্ষণ(জাবিতে),সন্তাস(সারাদেশে)করায়,শফিক রহমান মন্দের ভালো হিসাবে রাজাকারকে সমর্থন করছেন।
১৫. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:৩৭
হাতুড়ে ডাক্তার বলেছেন: হ মন্দের ভালো হিসাবে জামাত আর বিএনপির চুরিতে অংশ গ্রহনকরেছেন শফিক রেহমান
১৬. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:৪৩
রকি ভাই বলেছেন: বেতন দিসে, মাগার বুনাস এখনো পাইনাইক্কা
১৭. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:৫২
বসুরহাট বলেছেন: Thank's রিজভী ভাই। পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
বেতন যখন পেয়েছেন এবার আমাদের কিছু খাওয়ান।
আর একটা শুভ সংবাদ হচ্ছে আপনার সাথে দেখা করে। শুক্রবার রাতে বাড়ি ফিরলাম। পরদিন শনিবার (৬অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭:২৫ মি: আমার স্ত্রী একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। তার মানে আমি প্রথম বাবা হলাম।
আপাতত বেতনের টাকা দিয়ে সামি ভাইসহ সবাইকে কিছু খাওয়ান। আমি পরে খাব।
ভালো থাকবেন।
১৮. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:৫৩
হাতুড়ে ডাক্তার বলেছেন: বুনাস বেশী পায়লে আয়কর দিতে হইবেক না পাওন ভালা
১৯. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:৫৬
সুখী মানুষ বলেছেন: আর বেতন বোনাস :(, সিএসবি তো একেবারে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ৪৮৭ জন এম্পলয়ী এখন করবেটা কি?
প্রতিষ্টান বন্ধ হয়ে যাওয়া বা করে দেওয়া যে কতটা ধ্বংসাত্বক তা যারা এই পরিস্থিতিতে পরেন নাই তারা চিন্তাও করতে পারবেননা।
২০. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১০:০৭
শামসুজ্জামান সিদ্দিকী শাহীন বলেছেন: প্রিয় যায়যায়দিন বেচে থাক সারা জীবন, এই প্রত্যাশা।
২১. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১০:১১
মুকুল বলেছেন: শফিক রেহমানকে নিয়ে আমার কোন চিন্তা নেই। নিজের স্বার্থ সে ভালোই বোঝে!

প্রতিষ্ঠান হিসেবে যায় যায় দিন টিকে থাকুক, এই কামনা...
২২. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১১:৪০
এস্কিমো বলেছেন: @প্রশ্ন কত -

শফিক রেহমানের জন্যে কারো সমর্থন করা প্রয়োজনীয় ছিল কি? প্রচন্ড প্রতিকুল পরিবেশে এরশাদের সময়ে যায়যায়দিকে যারা বাচিয়ে রেখেছিলো..তাদের মুখে চপোটাকাঘাত করে উনি রাজাকারদের পদসেবা শুরু করেছে...সুতরাং যতক্ষন রাজাকারদের প্রয়োজন ততক্ষন যায়যায়দিনের জীবন প্রদীপ জ্বলবে ..পরে চলে যাবে আস্তাকুড়ে।

আর ধর্ষনের কথা বলেন..এক শত কেন মানুষকে ধর্ষন আর পুরো দেশকে ধর্ষনের কি কোন তুলনা হয়। ১০০ ধর্ষনের তো বিচার হয়েছে...কিন্তু দেশটাকে যারা ধর্ষন করেছে ..তারা নির্লজ্জের মতো এই দিকে ঐদিকে দোষারোপ করছে।

@মুকুল - প্রতিষ্টান কোন বিষয় নয় - ইথিকসটাই বিষয়, এক যায়যায়দিন গেলে একশতটা আসবে...কিন্তু দালালীর প্রতিষ্টানের জন্যে কষ্ট পাওয়ার কোন কারন নেই।
২৩. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৩:০১
নাজিরুল হক বলেছেন: যায়যায় দিনের অনেক ভক্ত আছে।
আমি আশা করি এই পত্রিকাটি বন্ধ হবে না।
২৪. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৩:০৩
এস্কিমো বলেছেন: কতজনে অনেক জন হয় @নাজিরুল
২৫. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৩:০৫
নাজিরুল হক বলেছেন: সেইটা হিসাব করে বলতে হইবে।
২৬. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৩:০৮
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: ম্যাগাজিন যায়যায়দিনের ভক্ত আমিও । গত বছর দৈনিক হিসেবে বের হওয়ার পর যায়যায়দিনের ঝকঝকে তকতকে গেটাপ দেখে ভীষণ ভালো লেগেছিল । নি্উজ কনটেন্ট ছিল প্রচন্ড সমৃদ্ধ । কেন এমন অবস্থায় এসে দাড়ালো পত্রিকাটি ?
আশা করি পত্রিকাটি আবার জেগে উঠবে
২৭. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৩:২০
এস্কিমো বলেছেন: রাজনীতিতে একবার ভুল করলে সেটা আর ফিরিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। যতটুকু জানি বাংলাদেশে পত্রিকাগুলো এখনও সরকারী বিজ্ঞাপনের উপর নির্ভরশীল। সুতরাং...যায় যায় দিনের সম্ভাবনা কম। @মেহরাব
২৮. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৭:২৪
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: যায় যায় দিন বেচে থাকুক।
২৯. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ১২:০২
রিজভী বলেছেন: কমেন্ট করার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।
৩০. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ২:০৩
দেশপ্রেমিক বলেছেন: এছকিমো (এবং অন্যান্য আওয়ামী লীগাররা) দেখি সুযোগ পাইলেই যায়যায়দিন/শফিক রেহমানের বিরুদ্ধে বিষোদগার করেন। ১৯৯৬-২০০১ পিরিয়ডে শফিক রেহমানের ছোড়া মিজাইলগুলা মনে হয় ঠিক জায়গাতেই লাগছে। কি বলেন এছকিমো! শফিক রেহমান আসলেই খুব খারাপ লোক। আওয়ামী লীগরে তথ্য সন্ত্রাসটাও ঠিকমতো করতে দেয়নাই ...
৩২. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ২:২১
দেশপ্রেমিক বলেছেন: হ ... মিনার রশীদরে ৫ লেখার জন্য। রিজভীরে ৫ পোস্ট করার জন্য।
৩৩. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৪:৪৭
ঠোঁটফাটা ব্লগার বলেছেন: টিকে থাকুক যায়যায়দিন।
৩৪. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৫:০৩
নিশাত শাহরিয়ার বলেছেন: আমরা আছি.... এগিয়ে যাক যায়যায়দিন।টিকে থাকুক যায়যায়দিন।



৩৫. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৫:৫৯
রাশেদ বলেছেন: দুঃখজনক ঘটনা। যাই ঘটুক, পত্রিকা বন্ধ হওয়াটা ঠিক না, এর সাথে অনেকের রুটিরুজি জড়িত।
৩৬. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:১১
চতুরভূজ বলেছেন: ৫
ওহ রিজভী, আমিতো যায়যায়দিন পড়ি সবসময়!
শেয়ারের ব্যাপারে পরে কথা বলব।
৩৭. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:৪২
রিজভী বলেছেন: চতুরভূজ @ আমরা এখনও টিকে আছি এবং চেষ্টা করছি যায়যায়দিনকে টিকিয়ে রাখতে। আপনাদের সকলের শুভাশিষ আমাদের সাথে আছে, এটাই আমাদের বড় অনুপ্রেরণা। ধন্যবাদ আপনাকে।
৩৮. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ২:৪১
মো: খায়রুল বাসার বলেছেন: একসময় ছিলো যায়যায়দিন মানে শফিক রেহমান ।
এখন অনেক ইয়ং প্রতিশ্রুতিবান সাংবাদিক ভাইরা এটাকে অনেক অনেকদূর এগিয়ে নিয়ে গেছেন ।
শুধু টিকে থাক এটা বলবো না, বরং বলবো যায়যায়দিন আরো অনেকদূর এগিয়ে যাক ।
৩৯. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ২:৪৪
রিজভী বলেছেন: ধন্যবাদ মো: খায়রুল বাসার ভাই, আপনার কমেন্টের জন্য।
৪০. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৩:০২
সুপান্থ রহমান বলেছেন: আমি যায় যায় দিনে চাকরী করি,তারপরও আমি চাই এই পত্রিকাটি শফিক রহমান(রেহমান)মুক্ত হোক। এই লোক যে কতটা খারাপ যায় যায় দিনে চাকরী না করলে বুঝতে পারতামনা...শিক্ষিত হলেই যে মানুষ সবকিছু ভালোভাবে বুঝতে শেখেনা..সে তার জ্বলন্ত প্রমাণ। একজন মানসিকভাবে অসুস্থ মানুষ...বাংলাদেশের নিরদ সি চৌধুরী। অথচ এই হারামজাদা একদিন আমার আইডল ছিলো। কত স্বপ্ন নিয়ে একটা ভালো দৈনিক এর ভালো জব ছেড়ে এই হারামীর খপ্পরে পড়েছিলাম।। আজ সব কিছু গেছে আমাদের।। আর ওই শালা জ্ঞানীগুনীর ভাব ধরে...ভন্ড কোথাকার।.....কত নিউজ যে এই হারামী বিএনপির বিরুদ্ধে গেছে বলে সেন্সর করেছে তা বলে শেষ করা যাবেনা....যায় যায় দিনের সর্বশেষ প্রতিনিধি সম্মেলণে এই শয়তান যেসব কথা বলছে তা বাইরে রেকর্ড করে প্রকাশ করলে বর্তমান সরকার তার পিঠের চামড়া তুলে নিতো...
৪১. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৫:১৩
দূরন্ত বলেছেন: সুন্দর পোস্টের জন্য রিজভিকে ধন্যবাদ।
আমি এক সময় যায়যায়দিনে চাকরি করতাম। বর্তমানে চাকরি ছেড়ে বিদেশে পড়াশোনা করছি। ঢাকায় যে কয়টা চাকরি করেছি সেগুলোর মধ্যে যায়যায়দিনের সম্পাদকই আমার জন্য সবচেয়ে ভাল ছিল। তবে প্রত্যেক মানুষেরই নিজস্ব ধ্যান ধারণা ও বিশ্বাস আছে। যা অন্য সবার সাথে মিলবে না। এ কারণে কাউকে গালি দেওয়াটা খুব খারাপ।
পোস্টের জন্য ৫।
৪৩. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৮:৪৬
কেএসআমীন বলেছেন: যায়যায়দিনের এই রকম যায়যায় অবস্থার জন্য রাজনৈতিক লেজুরবৃততি দায়ী।
৪৪. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৩:৩৩
কেএসআমীন বলেছেন: রিজভী ভাই। আপনার যায়যায়দিনের এখন কী অবস্থা। সর্বশেষ অবস্থা জানান। আপনার ব্লগ দেখি না কয়েকদিন ধরে। প্লিজ লিখুন। আমার ব্লগগুলো দেখুন। ধন্যবাদ।
৪৫. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৩:৩৫
কেএসআমীন বলেছেন: রমএসএমএস-এ দিয়ে ফ্রী এসএমএস করার চেষ্টা করলাম। কিন্তু মাত্র ৫টি ফ্রী এস্এমএসের সুযোগ আছে দেখছি এখানে। আপনার অভিজ্ঞতার কথা বলুন। ধন্যবাদ।
৪৬. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৪:০৬
রিজভী বলেছেন: ঈদের পর আজ থেকে যায়যায়দিন অফিস ওপেন হয়েছে। আমাদের পূর্বের অফিশিয়াল সমস্যা কিছুটা দূর হয়েছে। ঈদের ব্যস্ততার জন্য এ ক'দিন ব্লগে আসতে পারিনি। আশা করছি এখন থেকে নিয়মিতই ব্লগে পাবেন ইনশাল্লাহ্।

কমেন্ট করার জন্য ধন্যবাদ @ েকএসআমীন।
৪৭. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৫:০৫
দুরন্ত পিথক বলেছেন: লেখাটা দেখে ভালো লাগল। আমি যাযাদির একজন ভক্তের চেয়ে বেশী কিছু। এবং এত কিছুর পরও এখনো যাযাদি পড়ি।
আমার মনে হয় যাযাদির এই অবস্থা হয়েছে অতিরিক্ত তেল দেয়া স্বভাব + পূর্বে বিশেষ সংখ্যাগুলোকে চটি পত্রিকা করে ফেলার জন্য। ভক্ত পাঠক হিসেবে আমি সবসময় চেষ্টা করেছি অন্য আরেকজনকে পত্রিকাটি পড়াতে। কিন্তু পূর্বের চটিবৃত্তির জন্য কেউ যাযাদি পড়তে চায়না। সবাই বলে পত্রিকাটা ফালতু । খারাপ। খারাপ।
৪৮. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৫:১১
রিজভী বলেছেন: @ দুরন্ত পিথক,
ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
৪৯. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৪৫
সাতিয়া মুনতাহা নিশা বলেছেন: মনটা খারাপ হয়ে যায় যখন দেখি যাযাদি'কে নিয়ে অনেকের মনেই ভুল ধারণা আছে।
যাযাদি তো সেইসব পত্রিকার চাইতে অনেক অ-নে-ক ভালো যারা কিনা নিরপেক্ষতার ধুয়ো তুলে কোন একটি বিশেষ পক্ষের দালালি করে।
তবে আগের মতো বিশেষ সংখ্যা পাই না বলে কষ্ট লাগে।
সত্য ও সুন্দরের পথে এগিয়ে যাক যাযাদি-এই প্রত্যাশা করি.............জ্ঞান হবার পর থেকে যাযাদি'র সঙ্গে আছি,থাকবও....।
৫০. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:১৮
রিজভী বলেছেন: অসাধারণ সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ নিশা।

তা, কেমন আছেন আপনি?

আপনার লাস্ট লেখাটি আমি পেয়েছিলাম দেরীতে, তাই ছাপতে পারিনি। কিন্তু লেখাটি খুব ভালো হয়েছিলো। সো, হতাশ হবেন না।
৫১. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:২৫
নতুন পৃথিবী বলেছেন: দিন যাবে চলে দিনের পর দিন..
ভূবন হবে আমরাবিহীন..
তবুও রবে যায়যায়দিন...

আপনাদের মত যায়যায়দিন যোদ্ধাদের পাশে ছিলাম, আছি, এবং থাকবো!
ধন্যবাদ!
৫!
৫২. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪৬
রিজভী বলেছেন: ধন্যবাদ নতুন পৃথিবী। আপনারা পাশে আছেন বলেই আমরা চলার অনুপ্রেরণা পাই।
৫৩. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫৪
ষড়ভূজ বলেছেন: সাপ্তাহিক যায়যায়দিন আমার খুব প্রিয় পত্রিকা ছিল

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৯৯২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
২০০০ সালে দৈনিক আজকের কাগজের মাধ্যমে সংবাদপত্রে যাত্রা শুরু করে বর্তমানে দৈনিক জনকন্ঠের Cultural page in-charge হিসেবে কর্মরত রয়েছি .......
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ