আমার প্রিয় পোস্ট
- ফেসবুকে বাংলা অক্ষর ছোট দেখার সমস্যা দূর করে নিন সহজেই.... - সুনীল সমুদ্র
- প্রোগ্রামার এবং ওয়েব-ডেভেলপারদের জন্য 'হেড ফার্স্ট' সিরিজের অসাধারণ-ব্যতিক্রমী কিছু বই - বজ্রাহত
- ই-বুক কালেকশনঃ পর্ব-৬ [শুধুমাত্র ১৮+ দের জন্য] - বিডি আইডল
- পর্বঃ২ মেমোরি প্রশিক্ষন - যেভাবে সব কিছু মনে রাখবেন - শ্রাবনের ফুল
- ১৮+ কৌতুক প্লিজ ব্যান করবেন না, অথবা করার ইচ্ছা থাকলে ,একটা কারণ দর্শাও নোটিশ পাঠাবেন।এক্সট্রিমলি ম্যাচিউরডদের জন্য। - বিলাল
- হুমায়ূন আহমেদ এর হিমু-বিয়ষক সকল উপন্যাসের ডাউনলোড লিংক - রনি রাজশাহী
- Anti হ্যাকার - পাসওয়ার্ড সেভার
- আমড়া কাঠের ঢেকি
- কম্পিউটারে আজ উইন্ডোজ 7 Install করলাম....... - নতুন
- আগামীবার যখন উইন্ডোজ নতুন করে সেটআপ দেবেন....... - নাফিস ইফতেখার
- আইপি বের করুন ই-মেইল সেন্ডারের....! - তাজুল ইসলাম মুন্না
- রেপিড শেয়ার থেকে ফাইল ডাউনলোড করুন বিকল্প/পেইনলেস উপায়ে: as smooth as silk (প্রিমিয়াম ইউজারদের জন্য নয়) - ক্যানন কার্ণেগী
- আরো কিছু সোভিয়েত্স্কি কৌতুকভ।(প্রায় সবই পলিটিক্যাল) - হাসান মাহবুব
- আপনার ফায়ারফক্সের স্পিড বাড়িয়ে তুলুন ১০ গুনঃ টিপস - আহমাদ মুজতবা
- হুমায়ুন আহমেদ এর কিছু বই
- জটিল
- ব্লগারস ব্লাড ব্যাংকঃ ১২৯ ব্লগারের তথ্য (আপডেট পোস্ট) - ভবঘুরে
- লিনাক্স :: একটি বিশ্বস্ত, শক্তিশালী এবং স্বপ্নের অপারেটিং সিস্টেম (ইতিহাস, ইন্সটল, ব্যবহার) - নরকের পাপী
- পোস্ট না পড়ে কিংবা অল্প পড়ে কিভাবে সুন্দর মন্তব্য করবেন? (নতুন ও কর্মজীবী ব্লগারদের জন্য পরামর্শ) - ফিউশন ফাইভ
- অথ: সেরা পোস্ট এ্যান্ড/অর নির্বাচিত পোস্ট সমাচার - হাসিব
- কিভাবে আপনি শেয়ার ব্যবসা শুরু করেতে পারেন? - কিবয়াল
- সামহয়ারইন দেখুন আপনার মোবাইল থেকেই!
- দুর্লভ
- কে কবে বিয়ে করছেন? (একটি ফান জিজ্ঞাসা পোস্ট) - রিজভী
- প্রেসিডেন্ট বুশ...[জুতার বাড়ি...
] - নষ্ট মাথার দুষ্ট বালিকা...
- ২০০৮ : আপনার চোখে ব্লগের বর্ষসেরা লেখা কোনটি? (আপডেট-১২ : একটি বিশেষ ঘোষণা) - ব্রিগেড সিক্সটিন
- বড়দের পোস্ট:
সেরা গরম ছবির তালিকা
- শওকত হোসেন মাসুম
- আমার বিবেচনায় সেরা ১০ হট/সেক্সি মুভি [ছোটদের পড়া নিষেধ] - হাসান বিপুল
- কিভাবে পাঠাবেন ফ্রি SMS...??(আপডেটেড) - অতিথি_পথিক_মানুষ
- একটি জিজ্ঞাসা (ফানি পোস্ট)
- রিজভী
- সঞ্জীবদা, উই মিস ইউ ....
- রিজভী
- পিসির পারফরমেন্স কিভাবে বাড়াবেন - আফরোজ_জাহান
- ১৮৯ জন ব্লগার এবং তাদের জন্মতারিখ - শাহবাজ
- বাংলা সাইটগুলো ব্রাউজ করুন মোজিলাতে - সাইফুর
- Yahoo! Messenger এ বাংলায় Chat করুন... - মৃত হাসানের প্রেতাত্মা
- একটি অসমাপ্ত পেরেম কাহানী
- রিজভী
- সামহোয়ারইনে আমার ডাবল সেঞ্চুরী
- রিজভী
- ব্লগ ঘাইটা মুভি-লিস্ট বানাইলাম ;মুভি কিনবো বহুত দিন পর - - আগলিআগলি
- সকল ব্লগারের নামের লিস্ট ও লিংক এক জায়গায় জড়ো করা হচ্ছে, আপনারা সহযোগীতা করুন - বহুরূপী মহাজন
- ফটোশপ টিউটোরিয়াল: ফটোশপ সিএস এ পানির ইফেক্ট - মুহাম্মাদ তারিক সাইফুল্লাহ
- "চলচ্চিত্র সমাজ পরিবর্তন করতে পারে না, কখনো করেও নি" -- সত্যজিৎ রায়ের সাক্ষাৎকার - ফাহমিদুল হক
- কেন কিনবেন বই যখন ফ্রী পাচ্ছেন? - তামিম
- আজ রিজভীর জন্মদিন - মিলটন
- না বলতে সমস্যা? - তামিম
- কতোটা আত্মবিশ্বাসী আপনি ? - তামিম
- রোমান্টিকতায় মেতে ওঠার ৬০ টিপস - তামিম
- নবীনদের জন্য - নাদান
- টেকি পোস্টঃ ভোট দিন বারবার বাংলাদেশকে অটো সিস্টেমে কোন খাটুনি ছাড়া
- শয়তান
- টেকি পোস্ট ঃ কমেন্টে ফটো দিবেন কিভাবে ?? - শয়তান
- ফ্রীতে নিজের একটা সাইট করুন ডমেইন সহ সবেই ফ্রী... - নিঃসঙ্গ
- চড়ুইভাতি লাইভ আপডেট - সারিয়া তাসনিম
- সাময়িক পোষ্ট: আপনার জন্মদিন কবে?? (সবাইকে অংশগ্রহন করার বিনীত অনুরোধ) - শফিউল আলম ইমন
- আয় করুন Google Adsense এর মাধ্যমে - গাজী মো: সাইফুল ইসলাম
- যৌথ পোষ্ট (যেমন করে কাটলো ভালবাসা দিবসের রাত!) - সুখী মানুষ
- সামহোয়ারইনের ব্যান, রাজনীতি ও কিছু কথা - রিজভী
- ২০০৭ সালের জনপ্রিয় শীর্ষ ১০ টি ওয়েবসাইট - মিলন মাহমুদ
- ব্লগারদের সঙ্গে আমার স্মৃতি এবং আমার কথোপকথন - একরামুল হক শামীম
- ব্লগার আড্ডার কয়েকটি ছবি.. - নতুন পৃথিবী
- ব্লগার আড্ডায় আসার জন্য ধন্যবাদ সবাইকে
- রিজভী
- ব্লগারদের মিলন মেলার কিছু ছবি !!! - সুখী মানুষ
- ফেসবুক : বন্ধুত্বের হাতছানি পেরিয়ে আরো কিছু - রিজভী
- ঘুরে এলাম যাযাদি, দেখে এলাম রিজভী ভাইকে.. - সুখী মানুষ
- ডক্টরস্ বিডি ডট কম : একটি গুড সাইট - রিজভী
- সঞ্জীব চৌধুরীর যত গান ... - রিজভী
- মিস ইউ সঞ্জীবদা
- রিজভী
- রেখে যাবো অন্য চোখে জল : (আমার প্রকাশিত নির্বাচিত কবিতা-৭) [* শততম পোস্ট *] - রিজভী
- সব মেয়েদেরই ঠোঁট সুন্দর!
- রিজভী
- কফি হাউজের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই - মোসতফা মনির সৌরভ
- লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার ২০০৭ ফাইনাল কাল - রিজভী
- ৪ সেপ্টেম্বর, ০৭: যায়যায় দিনে একদিন.... - ত্রিভুজ
- কেন? - রিজভী
- একটি জিজ্ঞাসা? - রিজভী
- আয়ের উপায় হতে পারে ওয়েব কনটেন্ট রাইটিং - নিশাত শাহরিয়ার
- ইউটিউব থেকে ভিডিও ডাউনলোড যেভাবে করবেন - শাওন
- কিভাবে পোস্টে ইউটিউব ভিডিও যোগ করবেন? - হাসিন
সঞ্জীবদাকে মূল্যায়ন করার সাধ্য ও সাহস কোনোটিই আমার নেই : (লিখেছেন- বাপ্পা মজুমদার)
২৩ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৫৮
মানুষ জন্মায়, পৃথিবীতে জীবনযাপন করে কিছুদিন; তারপর মৃত্যুতে ঘটে তার পরিসমাপ্তি। এভাবে যতো মানুষ এসেছে, সবাই চলে গেছে, দু’-চারদিন পর তাকে ভুলে গেছে সবাই। এটাই সাধারণের ক্ষেত্রে ঘটে থাকে। কিন্তু যিনি কীর্তিমান, মানুষের মনে অপার ভালোবাসা যিনি রেখে যান, তাকে কেউ বিস্মৃত হন না। তিনি থাকেন এবং নানা প্রসঙ্গে ঘুরেফিরে আসেন আমাদের মধ্যে। মৃত্যুও তার মৃত্যু ঘটাতে পারে না।
সঞ্জীব চৌধুরী, আমাদের প্রিয় সঞ্জীবদা ছিলেন এমনই একজন মানুষ। যে কোনো মানুষের জন্যই মৃত্যু অবধারিত, প্রকৃতির অমোঘ নিয়মে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতেই হয়। তবু কিছু কিছু মৃত্যু মেনে নেয়া যায় না। সঞ্জীবদার মৃত্যু আমি কোনোদিনই মেনে নিতে পারবো না। এতো তাড়াতাড়ি সঞ্জীবদার চলে যাওয়া ঠিক হয়নি। তার কাছ থেকে আমাদের আরো অনেক কিছু পাওয়ার ছিল।
আমাদের শিল্পীরা, আমাদের গীতিকার-সুরকাররা, সাংবাদিকরা, সর্বোপরি আমাদের দেশের মানুষ সঞ্জীবদার কাছ থেকে আরো অনেক কিছু পেতে পারতো। সঞ্জীবদাকে মূল্যায়ন করার সাধ্য এবং সাহসের কোনোটিই আমার নেই। সঞ্জীবদা সব মূল্যায়নের ঊর্ধ্বে।
শিল্পী হিসেবে সঞ্জীবদা
সঞ্জীবদা ছিলেন সত্যিকারের শিল্পী। একজন শিল্পীর মধ্যে যেসব গুণ থাকলে তাকে সত্যিকারের শিল্পী বলা যায় সঞ্জীবদার মধ্যে তার সবকয়টি গুণই ছিল। প্রকৃতিগতভাবেই গড়ে উঠেছে তার শিল্পবোধ। পরবর্তী সময়ে প্রবল ইচ্ছা, দৃঢ়তা আর চর্চার মাধ্যমে নিজের ভেতরের শিল্পীটাকে তিনি বাইরে নিয়ে এসেছিলেন।
তবে সেটা তিনি করেছেন সম্পূর্ণ শৈল্পিকভাবে। অন্য শিল্পীদের মতো শিল্পী হতে চাননি বলেই হয়তো গান করাটাকে উনি পেশা হিসেবে নেননি। এর ফলে গানের ব্যাপারে তার মধ্যে কিছুটা উদাসীনতাও ছিল। শুধু গান নয়, জগতের অনেক কিছুর প্রতিই তার উদাসীনতা ছিল খুব।
তিনি বাস করতেন সম্পূর্ণ নিজের ভেতরে। বাইরের পৃথিবী, তার কলরোল কোলাহল তাকে ছুতে পারতো না খুব একটা। আবার প্রয়োজনে ঠিকই তিনি ঝাপিয়ে পড়তেন। মূলত দাদা গানের প্রতি অনেক বেশি ইনভলভড ছিলেন।
দলছুটের সতীর্থ হিসেবে সঞ্জীবদা
’৯৩ সালে সঞ্জীবদার সঙ্গে আমার প্রথম পরিচয়। শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেটে শিল্পী হাসান আবিদুর রেজা জুয়েলের একটা অফিস ছিল। আমারও খুব যাতায়াত ছিল সেখানে। জুয়েল ভাই একদিন পরিচয় করিয়ে দেন সঞ্জীবদার সঙ্গে। গান করি শুনে দাদা আমাকে দু’-একটা গান শোনাতে বললেন। গান শুনে দাদা খুব খুশি হলেন। এরপর প্রায় প্রতিদিন দাদার সঙ্গে দেখা হতো, আড্ডা হতো, গান হতো।
’৯৬ সালে শিল্পী অশোক কর্মকারের একটা সলো একজিবিশনের ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক করার দায়িত্ব পাই। কাজটা করার সময় দাদা আমার খুব কাছাকাছি ছিলেন আর এ কাজটা করতে করতে দুজনেরই উপলব্ধি হলো যে, গান নিয়ে, মিউজিক নিয়ে আমাদের চিন্তা-চেতনা, আমাদের রুচিবোধ পুরোপুরি একরকম। দাদা একদিন বললেন, তুমিও গান করো, আমিও গান করি, কিন্তু আমাদের তো কোনো প্লাটফর্ম নেই। চলো, আমরা একটা গানের দল করি।
তৈরি হলো আমাদের গানের দল দলছুট। তারপর এতো বছর কেটে গেল। দলছুটের চারটি ব্যান্ড অ্যালবাম বের হলো। শত ব্যস্ততার মধ্যেও প্রতিটি অ্যালবামের সময় দাদা আমাদের সঙ্গে ছিলেন। রাতের পর রাত জেগেছেন। বয়স, শিক্ষা, মেধা, মনন সব দিক থেকে সিনিয়র হলেও দাদা কখনো কাউকে ডমিনেট করতেন না। সবার প্রতিই দাদার স্নেহ-ভালোবাসা ছিল অফুরান।
গীতিকার হিসেবে সঞ্জীবদা
আমার প্রথম সলো অ্যালবাম তখন ভোর বেলায় দাদাকে আমি প্রথম গীতিকার হিসেবে পেয়েছি। এ অ্যালবামে দাদা আমার জন্য রানী ঘুমায়, চক্ষু খুলে দেখ, হাট্টিমাটিম টিমসহ বেশ কিছু গান লিখেছেন এবং সুর করেছেন। এক জীবনে দাদা খুব বেশি গান লিখেননি। কিন্তু যে কয়টি গানই লিখেছেন, তার প্রতিটি গানই হয়ে উঠেছে এক একটি জীবন, এক একটি দর্শন।
দাদার লেখায় রূপক, প্রতীক, চিত্রকল্পের ব্যবহার ছিল অসাধারণ। এমন শব্দের চয়ন, এমন বাক্যের গাথুনি আমি আজ পর্যন্ত কোনো গীতিকারের লেখায় পাইনি। এখন যারা গান লিখছেন তাদের অধিকাংশই প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে দাদার ছাত্র। সবাই কোনো না কোনোভাবে দাদাকে অনুসরণ করছেন। আমার সঙ্গে কিংবা দলছুটের জন্য যারা এখন গান লিখছেন, তাদের অনেককেই আমি চিনতাম না। দাদাই আমাকে চিনিয়েছেন। এ ব্যাপারে দাদা খুব উদার ছিলেন।
কারো মধ্যে লেখার প্রতিভা খুজে পেলেই দাদা তাকে নিয়ে উঠেপড়ে লাগতেন। গানের কথার ব্যাপারে দাদার বলা একটা কথা প্রায়ই কানে বাজে। দাদা বলতেন, গানের কথায় যদি সময়ের টঙ্কার না থাকে তাহলে সে কথা আধুনিক নয়, যেই অর্থে আধুনিক নয় একটা কবিতা কিংবা একটা পেইন্টিং। দাদার লেখা শেষ গান ছিল জোছনা বিহার। মজার ব্যাপার হচ্ছে, এ গানটি লিখেছেন দাদা অ্যালবামের প্রচ্ছদের ওপর ভিত্তি করে। এক ভোরবেলা হঠাৎ করে আমার মাথায় একটা সুর আসে, দাদাকে সেটা শোনালে দাদা আগেই তৈরি হয়ে থাকা অ্যালবামের কভারের সঙ্গে মিল রেখে গানটি লিখে দেন।
সুরকার হিসেবে সঞ্জীবদা
দাদার সুর করা গানের সংখ্যা খুবই কম। সুরের ব্যাপারে দাদার মধ্যে সম্ভবত একটা অলৌকিক ব্যাপার কাজ করতো। দাদার বেশির ভাগ সুরই উঠে এসেছে দাদার নিজের অজান্তে। সুর করার জন্য দাদা কখনো অন্যদের মতো আয়োজন করে বসতেন না। তার মাথায় যখন যা আসতো, তাই তিনি লিখতেন, তাই তিনি সুর করতেন।
হয়তো হাটতে হাটতে কোথাও যাচ্ছিলেন, তখন মাথায় কোনো সুর বাজতে থাকলো। কিংবা আড্ডা দিচ্ছিলেন, আড্ডার মধ্যেই হঠাৎ আনমনা হয়ে গেলেন আর একটু পরই আমাদের একটা সুর শোনালেন। এভাবেই তৈরি হয়েছে দাদার অধিকাংশ সুর। যার ফলে, অন্য কারো সুরের সঙ্গেই দাদার সুরের কোনো মিল ছিল না কখনো।
কবি হিসেবে সঞ্জীবদা
গানের চেয়েও কবিতা লেখার প্রতি একটু বেশি ঝোক ছিল দাদার। দেশের প্রায় সব পত্রিকাতেই দাদার কবিতা ছাপা হয়েছে। রাশপ্রিন্ট শিরোনামে দাদার একটি কবিতার বইও প্রকাশিত হয়েছে। কবি হিসেবে দাদা কেমন ছিলেন তা মূল্যায়নের ভার দাদা নিজেই দিয়ে গেছেন সময়ের ওপর। কবিতা আমি খুব ভালো বুঝি না। অন্যরা যখন দাদার কবিতার প্রশংসা করে, তখনই কেবল বুঝতে পারি।
সাংবাদিক হিসেবে সঞ্জীবদা
সাংবাদিক হিসেবে দাদা কেমন ছিলেন এটা আমি বলতে পারবো না। কারণ সাংবাদিকতার ‘স’ও বুঝি না আমি। এটা সবচেয়ে ভালো বলতে পারবেন সাংবাদিকরাই। আমি যতোদূর জানি, প্রিন্ট মিডিয়ায় এখন যারাই কাজ করছেন তাদের অধিকাংশই কোনো না কোনোভাবে দাদার শিষ্য। দাদার হাত ধরেই উঠে এসেছেন বহু সাংবাদিক, যারা এখন বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন।
বন্ধু হিসেবে সঞ্জীবদা
দাদা ওয়াজ এ ওয়ান্ডারফুল ফ্রেন্ড। শুধু আমার কাছেই নয়, সবার কাছেই দাদা বন্ধুর মতো ছিলেন। আমি ও আমরা সবাই দাদার কাছ থেকে অনেক সাপোর্ট পেয়েছি। চমৎকার আড্ডারু ছিলেন দাদা। দাদার আড্ডার জায়গাগুলো হয়তো লিমিটেড ছিল। সব জায়গায়, সবার সঙ্গে হয়তো আড্ডা দিতেন না। তবে দাদার আড্ডার একটি প্রিয় জায়গা ছিল আমার স্টুডিও।
কারণ সুযোগ পেলেই দাদা আমার স্টুডিওতে চলে আসতেন। এখানে এসেই দাদা প্রাণখোলা হয়ে যেতেন। আড্ডা দিতে, জীবনের খুটিনাটি বিষয় নিয়ে মজা করতে পছন্দ করতেন। নিজে যেমন হাসিখুশি, প্রাণবন্ত থাকতেন সবসময়, তেমনি মজার মজার কথা বলে আড্ডার সবাইকে প্রাণবন্ত রাখতেন। আমরা যেসব কথা কাউকে বলতে পারতাম না দাদাকে সেটা নির্দ্বিধায় বলে দিতে পারতাম। দাদাও সবার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনতেন, ভালো এবং সৎ পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করতেন। দাদাকে সারা জীবন মিস করবো।
কারণ খুব কম মানুষই আছেন, যাদের সঙ্গে বেশি কথা বলা যায়। আমাকে মনে হয় দাদা একটু বেশি ভালোবাসতেন। তাই আমার প্রতি দাদার রাগও ছিল বেশি। প্রায়ই বলতেন, এতো বেশি মিউজিক করিস কেন? দাদা চাইতেন আমি মিউজিকে বেশি ইনভলভড না হয়ে যেন গানের প্রতি বেশি মনোযোগী হই।
অভিভাবক হিসেবে সঞ্জীবদা
দাদাকে আমি শুরুতেই একজন অভিভাবকের মতো করে পেয়েছি। আমার মিউজিক ক্যারিয়ারে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে দাদা সবসময় একজন অভিভাবকের ভূমিকা পালন করেছেন। শুধু গানের ব্যাপারে নয়, জীবনের যে কোনো ব্যাপারেই দাদা আমাকে সব দিক থেকেই সহযোগিতা করেছেন। কোনো সমস্যায় পড়লেই দাদার কাছে ছুটে যেতাম, দাদাও হাসিমুখে আমার যন্ত্রণা সহ্য করতেন। কোনোদিন দাদা বিরক্ত হননি। বরং খুশিই হতেন।
মানুষ হিসেবে সঞ্জীবদা
মানুষ হিসেবে দাদা এক কথায় অসাধারণ। একজন ইউনিক মানুষ। সব মানুষই ইউনিক, সব মানুষই ভিন্ন। তবে দাদা ছিলেন ভিন্নদের থেকেও ভিন্ন। চিন্তা-ভাবনা, চেতনা আর নীতির দিক থেকে তাকে যে কোনো জায়গা থেকে যে কোনো মানুষ থেকে অ্যাবসলুটলি আলাদা করে ফেলা যায়। সদা হাস্যোজ্জ্বল, প্রাণবন্ত একজন মানুষ। খুব সাধারণ জীবনযাপন করতেন। নিজের প্রতি যতœ নিতেন না।
নিজেকে সবার মধ্যে বিলিয়ে দেয়াই যেন দাদার একমাত্র ব্রত ছিল। সব মানুষের মধ্যেই কিছু না কিছু নেগেটিভ ব্যাপার থাকে। দাদার মধ্যেও যে ছিল না, তা নয়। তবে দাদার এতো বেশি পজিটিভ ব্যাপার ছিল যে তার মধ্যে দু’-একটি নেগেটিভ ব্যাপার ম্লান হয়ে যেতো।
দাদা, তোমাকে মিস করছি আমি!
ভীষণ মিস করছি তোমাকে দাদা!
[অনুলিখন : টি আই অন্তর]
ফটো ক্যাপশন :
* (বাম থেকে) মারজুক রাসেল, সঞ্জীব চৌধুরী, বাপ্পা মজুমদার ও (নিচে বসা) হাসান মাসুদ।
বন্ধুদের সঙ্গে সঞ্জীবদার এমন হাস্যোজ্জ্বল দৃশ্য আর কখনো চোখে পড়বে না *
প্রকাশ করা হয়েছে: সঞ্জীবদা বিভাগে ।
রিজভী বলেছেন:
আজকের যায়যায়দিনে লেখাটি প্রকাশিত হয়েছে
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন:
৫, ধন্যবাদ শেয়ারের জন্য।
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
অসাধারণ লেখা।ধন্যবাদ বাপ্পা দা।
সেই সঙ্গে ধন্যবাদ রিজভী ভাই এবং অন্তর ভাইকে।
কেএসআমীন বলেছেন:
অনুরূপ একটি লেখা সংক্ষিপ্ত আকারে প্রথমআলোতেও দেখেছি। আমি "গাড়ি চলে না" গানটির একজন ভক্ত। প্রায় সময়ই গুনগুনিয়ে গাই। রিজভীকে ধন্যবাদ। তবে আমার মনে হয় সঞ্জীব চৌধুরীর এই অকাল মৃত্যুর জন্য বাপ্পাও কিছুটা দায়ী। কারণ একটা মানুষ সারাক্ষণ আকণ্ঠ মদ্যপান করবেন আর তার ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা তাকিয়ে তাকিয়ে দেখবেন, এটাতো হতে পারে না। বলা হয়ে থাকে "অসত্ত সংগে সর্বনাশ"। বাপ্পা সম্পর্কে আমার ব্যক্তিগত ধারনা নেই। এ বিষয়ে জানতে আগ্রহী...
কেএসআমীন বলেছেন:
@রিজভী ভাই, যায়যায়দিনের সর্বশেষ খবর কী?
তারিফএজাজ বলেছেন:
দারুণ লাগল।
রিজভী বলেছেন:
সঞ্জীবদা'র মৃত্যুর পর আমাদেরকেই প্রথম ইন্টারভিউ দিয়েছেন বাপ্পাদা। প্রথম আলোতে যা ছাপা হয়েছে তা ওরা কিভাবে লিখেছে বলতে পারবো না।আর যায়যায়দিন চলছে...
@ েকএসআমীন।
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
যায়যায়দিনেই লেখাটি পড়েছি।তবুও পড়লাম।৫দিলাম।
চতুরভূজ বলেছেন:
ভাল নেই বেশি একটা। অনেকদিন জ্বরে ভুগেছি! আজ একটু ভাল লাগছে। আপনি ভালো আছেন রিজভী?
রিজভী বলেছেন:
আমার কাছে আপনার সঙ্গে যোগাযোগের কোন মাধ্যম না থাকায় খোঁজ নিতে পারিনি। আমি ভালো আছি। আমাকে মেইল করবেন আশা করি @ চতুরভূজ।
চতুরভূজ বলেছেন:
ঠিক আছে রিজভী।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
সুন্দর রিজভী। আসলেই মেধাবীরা ক্ষনজন্মাই হয়!৫!
নির্ভয় বলেছেন:
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন :২০০৭-১১-২৪ ১৮:২৯:৫৭
সুন্দর রিজভী। আসলেই মেধাবীরা ক্ষনজন্মাই হয়!৫!৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫
রিজভী বলেছেন:
ধন্যবাদ উদাসী স্বপ্ন ও নির্ভয়।
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
মেধাবীরা কেন এতো ক্ষণজন্মা হয় !
শেহাব বলেছেন:
৫

















.jpg)
