নারী বনাম পুরুষ
- পুরুষ জীবনে স্বেচ্ছায় একটিই ভুল সিদ্ধান্ত নেয়, সেটা হলো বিয়ে করা। আর নারী সারাজীবনে একটি সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়, তা হলো বিয়ের পিঁড়িতে বসা।
- নারীরা বিয়ের সময় এই ভেবে কাঁদে যে, তার আসল রূপটি যেন হবু স্বামী বুঝতে না পারে। আর পুরুষ বিয়ের সময় এই ভেবে হাসে যে, যা হওয়ার তা তো হয়েই গেছে, এখন কেঁদে আর লাভ কী?
- নারী ও পুরুষের সবচেয়ে বড় মিল হলো বিয়ের পর তারা একসঙ্গে থাকে। আর নারী ও পুরুষের অমিল হলো বিয়ের পর নারী সংসারে একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য যুদ্ধ চায়। পুরুষও গণতন্ত্র চায় না, শুধু শান্তি চায়।
- পুরুষকে সবচেয়ে বেশি সন্দেহ করে তার বিবাহিত স্ত্রী। আর নারীকে সবচেয়ে বেশি সন্দেহ করে তার প্রেমিক।
- একজন নারী একসঙ্গে ক'টি প্রেম করে, তা বুঝতে দেয় না। আর সম্ভবত সবচেয়ে বেশিসংখ্যক পুরুষই প্রেমহীন জীবন কাটায়।
- সব নারীই তার ছেলেবন্ধুর কাছ থেকে প্রেমের প্রস্তাব আশা করে। কিন্তু সব বুদ্ধিমান পুরুষই তার প্রেমিকাকে কখনও জানতে দেয় না তার আরও মেয়েবন্ধু আছে।
- কোনো পুরুষের কাছে প্রথম প্রেমের প্রস্তাব পাওয়ার পর নারী প্রচণ্ড রাগ রাগ ভাব দেখায়; কিন্তু বাস্তবে এর চেয়ে বেশি খুশি আর সে কোনোদিন হয় না।
- নারী জানে যে, তার প্রেমিক তাকে যেসব প্রতিশ্রুতি দেয় তার সবই অলীক কল্পনা এবং সেসবের অধিকাংশই কোনোদিন পূরণ করতে পারবে না। তারপরও নারীরা প্রেম করার সময় তার প্রেমিকের কাছে এ রকম প্রতিশ্রুতিই বেশি বেশি আশা করে।
- বুদ্ধিমান নারী বিয়ের পর তার স্বামীকে অতীত জীবনের কোনো কথাই গোপন করতে বলে না। আর বুদ্ধিমান পুরুষ বিয়ের পর তার স্ত্রীকে কখনোই অতীত সম্পর্কে প্রশ্ন করে না।
- বিয়ের পর নারী আশা করে তার স্বামী অন্য কোনো মেয়ের সঙ্গে প্রেম করেনি। আর পুরুষও তার স্ত্রীকে সারাজীবন খুশি রাখার অংশ হিসেবে এই বলে শুরু করে যে, সত্যিই তার জীবনে এর আগে অন্য কোনো মেয়ে আসেনি।
- দু'জন সুন্দরী নারী আড্ডা দেওয়ার সময় অনেক গোপন বিষয় একে অপরের কাছে ফাঁস করে দেয়, এমনকি পোশাকেরও প্রশংসা করে। কিন্তু তারা ভুল করেও একে অপরের রূপের প্রশংসা করে না।
- একজন নারী তার জীবনের সিংহভাগ সময় রান্নাঘরে কাটিয়ে দেয়, তারপরও অধিকাংশ পুরুষের অভিযোগ, তার স্ত্রীর হাতের রান্না খাওয়া যায় না।
- পুরুষ কষ্ট করে পড়াশোনা করে এই ভেবে যে, সে একটি ভালো চাকরি পাবে। আর নারী কষ্ট করে পড়াশোনা করে এই ভেবে যে, সে ভালো একটি স্বামী পাবে।
- প্রেমে সফল হোক অথবা ছ্যাঁকা খাক, যে কোনো অবস্থাতেই পুরুষ কবিতা লিখতে পারে। কিন্তু কেবল ছ্যাঁকা খাওয়ার পরই নারীরা কবিতা লিখতে শুরু করে।
- গবেষণা করে দেখা গেছে, আসলে পুরুষ ও নারী কেউ কাউকে ভালোবাসে না, একে অপরকে ভোলায়। যে বেশি ভোলায় সে নারী আর যে বেশি ভোলে সেও নারী।
- সুযোগ না দিলে কোনো পুরুষই নারীর মন জয় করতে পারে না। আবার এটিও সত্য, পুরুষকে সুযোগ করে দেওয়ার জন্য নারীরাই সুযোগ খোঁজে।
- প্রেমের অফার পেলে সব নারীই অনেক স্মার্ট হয়। আর যদি কোনো পুরুষ নারীর প্রেমের অফার গ্রহণ করে, তবে সে স্মার্ট, যদি ফিরিয়ে দেয় তবে সে ওভারস্মার্ট।
- একজন বিবাহিত পুরুষের বাড়ি ফিরতে দেরি হওয়ার সবচেয়ে কমন অজুহাত রাস্তায় জ্যাম ছিল। আর একজন বিবাহিত নারীর বাসা থেকে বের হওয়ার সবচেয়ে কমন অজুহাত মার্কেটে যাব।
- পুরুষতান্ত্রিক সমাজ বলে নারীরা পুরুষদের দোষী সাব্যস্ত করে। কিন্তু ক্ষমতা পেলেও নারীরা কখনও পুরুষহীন পৃথিবী চাইবে না।
- পুরুষ স্বাধীনতা পাওয়ার পর নারীকে শৃঙ্খলে বেঁধে ফেলেছে। আর নারী স্বাধীনতা না পেয়েই পুরুষকে শৃঙ্খলে বাঁধতে পেরেছে। কিন্তু কেউ কারও শৃঙ্খল খুলে দিচ্ছে না।
- একটি আপেল দু'জন নারী-পুরুষকে সমানভাবে ভাগ করে নিতে বলা হলে পুরুষ কোনো রকম শর্ত ছাড়াই নারীকে পুরো আপেলটি দিয়ে দেবে। কিন্তু নারী প্রথমে আপেলটি সমানভাবে ভাগ করে নিজের অংশটি নিয়ে নেবে, বাকি অংশটুকু পাওয়ার জন্য পুরুষটির সঙ্গে প্রেম করবে।
- এ পর্যন্ত নারী-পুরুষ একে অপরকে সবচেয়ে বেশি যে মিথ্যা কথাটি বিশ্বাস করিয়েছে সেটি হলো, আমি তোমাকে ভালোবাসি।
********************************************************

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

