ফলে মঞ্চ অভিনেতা-অভিনেত্রী ও কলাকুশলীরা নাট্যোৎসবের এই একটি মাস বাদে বাকি এগার মাসেই ঘুরেফিরে কিছু পরিচিত মুখই তাদের নাটক উপভোগ করতে দেখেন। আর এই নাট্যপ্রেমীদের সংখ্যাও যে খুব বেশি এমন নয়। বরং বলা যায়, খুবই অল্প কিছু মানুষ যারা মঞ্চকে ভালবাসেন, তারাই মূলত মঞ্চ নাটককে টিকিয়ে রাখছেন। অথচ বিষয়টা কিন্তু এমন হওয়ার কথা ছিল না।
আমাদের দেশে বিনোদনের মাধ্যম বা উপকরণ খুবই কম। বন্ধু বা বান্ধবী নিয়ে অল্প কিছু স্থান কিংবা ফাস্ট ফুডে যাওয়া ছাড়া অন্য কোথাও অবসরে যাওয়ার জায়গা খুঁজে পাওয়া যায় না। এক্ষেত্রে মঞ্চ নাটক বিনোদনের ভাল মুহূর্ত কাটাতে টনিকের মতো কাজ করতে পারে। সিনেমা হলে গিয়ে দেশীয় ছবি দেখা থেকে সাধারণ ও মধ্যবিত্ত শ্রেণী অনেক আগেই মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। সমাজের নির্দিষ্ট একটি শ্রেণী ছাড়া বর্তমানে দেশীয় ছবি দেখতে অন্য আর কেউ সিনেমা হলমুখী হন না। এ কারণে মঞ্চ নাটক দেশীয় ছবির পরিপূরক হিসেবে কাজ করতে পারে।
একঘেয়ে টেলিভিশন নাটক থেকে রিলাক্স পেতেও মঞ্চ নাটক দেখা যেতে পারে। বিভিন্ন গ্রুপ থিয়েটারের কাজের মধ্যে ভিন্নতা থাকে অনেক বেশি। এ কারণে মঞ্চ নাটক নিয়মিত দেখলেও বিরক্তি আসার কোন কারণ নেই। বরং সরাসরি নাটকের কুশীলবদের অভিনয় দেখার দারুণ সুযোগের কারণে মঞ্চ নাটক বিনোদনের অন্যতম ক্ষেত্র হতে পারে। তাই অবসর সময়টুকু কাটাতে প্রিয় মানুষের পাশাপাশি বসে মঞ্চ নাটক দেখার মুহূর্তগুলো অবশ্যই মিস করা উচিত নয়।
দৈনিক জনকণ্ঠে প্রকাশিত

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

