somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... এবার আমি পাখি হয়ে গেছি.... শ্রান্ত লাগে এখন। মাথা উঁচু, বুক টানটান,
দৃপ্ত পদক্ষেপ, সুপার কনফিডেন্ট......
আর কতো?

এক মুহূর্তেও জন্যও কাঠিন্য হারানোর
সুযোগ নেই আমার। অথচ
ভেতরে ভেতরে এতোটা নরম,
তা আর কেউ না জানুক,
এই অন্তর তো জানে!

কতটা অসহায় এই আমি
তা প্রকাশ করতে পারি না।

মাঝে মাঝে মনে হয়
পাহাড়টার শেষ কিনারে
পা বুঝি চলেই এসেছে!

অপেক্ষায় আছি,
যেন বুঝতে পারি-

এবার আমি পাখি হয়ে গেছি....
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rizvirahmanblog/28874521 http://www.somewhereinblog.net/blog/rizvirahmanblog/28874521 2008-11-26 17:03:48
নির্বাচনের আলোচ্য সমস্যাটি সমাধানের উপায় পূর্বের পোস্টেই করা হয়েছে। আরিফ জেবতিক ভাইয়ের মতে, গতবারের মতন এবারও যদি ছবি ছাড়া ভোটার তালিকা সরবরাহ করা হয় তাতে কিন্তু খুব বেশি পৃষ্টা লাগার কথা নয়। অথচ আমার পোস্টের বক্তব্যই ছিলো, ছবিসহ ভোটার লিস্টের কালার পৃন্ট করতে গেলে কি ধরণের সমস্যা ও সময় লাগতে পারে তা নিয়ে। এক্ষেত্রে আমার যে শঙ্কাটি কাজ করেছিলো তা হলো, ছবিসহ কালার পৃন্ট করতে হলে অবশ্যই প্রতিটি পৃষ্টা পৃন্ট করতে বেশ সময় লাগবে। এক্ষেত্রে এভারেজ যে ১০ হাজার পৃষ্টার কথা সেখানে উল্লেখ করা হয়েছিলো তা যদি পৃন্ট করতে হয় এভারেজ ৩ হাজার প্রার্থীকে, তবে প্রার্থীদেরকে এসব ভোটার লিস্টের কালার পৃন্ট করতে বেশ সময় খরচ করতে হবে। এছাড়া সারা দেশে পর্যাপ্ত পৃন্টার পাওয়া বিষয়ক সমস্যাও থাকতে পারে।

এক্ষেত্রে ছবিসহ ভোটার লিস্টের কালার পৃন্ট বিষয়ক সমস্যাটির সমাধান হতে পারে এমন যে, প্রার্থীরা তাদের নির্বাচনী এলাকাকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করে প্রথমেই নির্বাচন কমিশন থেকে পাওয়া সিডিটি বেশ কিছু কপি করে তারপর সেসব এলাকার ভোটারদের লিস্টই শুধু পৃন্ট করার ব্যবস্থা নিতে পারেন। এভাবে যদি ১০টি ভাগে ভাগ করে পৃন্ট করা হয়, তবে ছবিসহ গড়ে এক হাজার পৃষ্টা পৃন্ট করতে আশা করা যায় তেমন একটা সময় লাগার কথা নয়।

এছাড়া ছবিসহ ভোটার লিস্টের কালার পৃন্ট করা বিষয়ে আরো কারো কোন ভালো সাজেসন থাকলে এখানে তা শেয়ার করতে পারেন।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rizvirahmanblog/28874492 http://www.somewhereinblog.net/blog/rizvirahmanblog/28874492 2008-11-26 16:01:00
যে সমস্যাটি নির্বাচনে বড় হয়ে দেখা দেবে ...... " style="border:0;" />

এতে কতো দিন কত ঘন্টা হয় তা আমি হিসাব করার আর ধৈর্য পাচ্ছি না। কিন্তু এতে করে ২৪ ঘন্টাও যদি পৃন্টার চালু থাকে এবং একজন প্রার্থী লাগাতার পৃন্ট করতে থাকেন তাহলেও তার ভোটার লিস্ট পৃন্ট করতে করতে জাতীয় নির্বাচন পার হয়ে যাবে। <img src=" style="border:0;" />

প্রতিবার যেটা হয়, ৬ মাস আগে থেকেই প্রাইভেট ফার্মের কাছে টেন্ডারের মাধ্যমে ভোটার লিস্ট পৃন্ট করার কাজ করানো হয়। কিন্তু এবার যে কিভাবে কি হবে তা বোঝার মতোন ক্ষমতা বোধ হয় এখনও হয় নি বলেই বুঝতে পারছি না! <img src=" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rizvirahmanblog/28872721 http://www.somewhereinblog.net/blog/rizvirahmanblog/28872721 2008-11-22 21:02:26
টুকরো কবিতা তোমায় হয়তো একলা ছেড়ে
হয়তো থাকবো অনেক দূর,
সেই দূরেরই পথটি বেয়ে
আসবে কোন অচীন সুর।

২.
মনটি যদি ভেঙ্গেই যাবে
হৃদয় গড়ো তবে কেন,
মনের মানুষ দূরেরই যদি
শ্রাবণ ঝরে তবে যেন।

৩.
রাত শেষে ভোরের দেখা
খুঁজে পেলাম পথের দিশা,
রাত নিশিথে হারালো চাঁদ
চন্দ্রগ্রহণে আজ কাঁদে রাত।

৪.
এতো কথা বললে তুমি
আমায় কিছু বললে না,
রাতের শেষে আলো দেখেও
আমায় তুমি ডাকলে না।

৫.
বাঁশ বাগানের মাথার ওপর
চাঁদ উঠেছে ঐ,
এমন রাতে একলা জাগি
সখী তুমি কৈ?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rizvirahmanblog/28872610 http://www.somewhereinblog.net/blog/rizvirahmanblog/28872610 2008-11-22 15:58:50
হাসিনা-খালেদা একসঙ্গে!!!!!!!!!!!
নিজের চোখকেও বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছিল।

আসলেই কি ঠিক দেখলাম???

যাক, রাজনীতির সু-বাতাস বইতে শুরু করছে তাহলে ......... <img src=" style="border:0;" />

আরো দেখুন : বিডি নিউজে ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rizvirahmanblog/28872249 http://www.somewhereinblog.net/blog/rizvirahmanblog/28872249 2008-11-21 20:17:52
একটি পোস্টের জবাবে ১৮+ উত্তর <img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" /> একটি নারীর ভার্জিনিটি নিয়ে জনৈক ব্লগার ফারিহান মাহমুদ একটি পোস্ট দিয়েছেন। সেখানে ৩৫ বছর বয়সেও মেয়েদের ভার্জিনিটি থাকে কিনা <img src=" style="border:0;" /> তা নিয়ে প্রশ্ন রেখেছেন তিনি। তার এই লেখাটি পড়ে একটা জোকস মনে পড়ে গেলো। আর সেটির মাধ্যমে আশা করি উক্ত পোস্টদাতা তার প্রত্যুত্তরটি পাবেন। <img src=" style="border:0;" />

" এক ব্যক্তির ইচ্ছা ছিলো ভালো চরিত্রের একটি মেয়েকে বিয়ে করার। তাই মেয়ে দেখে পছন্দ হলে সেই মেয়েকে কিছুদিন পরেই সে অফার করতো যে, "কিছুদিন পরেই তো আমাদের বিয়ে;তাই আসো দুজন আরো কাছাকাছি হই।"

এই কাছাকাছি মানে ... <img src=" style="border:0;" />

তারপর তার উদ্দেশ্য হাসিল হলেই সে বলতো যে, ''ছিঃ ছিঃ তুমি বিয়ের আগেই এসব আমার সাথে করতে পারলে? তুমি এতো খারাপ! তোমাকে অবশ্যই আমি বিয়ে করবো না।" এরপর যথারীতি সেই মেয়ের সাথে সে বিয়ে ভেঙ্গে দিতো ও অন্য কারো খোজে বের হতো।

এভাবে বিয়ের আগেই অনেকগুলো মেয়ের সঙ্গে থাকার পর একটি মেয়ে হঠাৎ বেকে বসলো। কিছুতেই রাজি নয় সেই মেয়েটি বিয়ের আগে এসব করার! <img src=" style="border:0;" />

সেই ব্যক্তি ভাবলো যাক, এতো দিনে তাহলে ভালো একটি মেয়ের সন্ধান সে পেয়েছে! <img src=" style="border:0;" />

অবশেষে বিয়ে হয়ে যাবার পর বাসর রাতে মেয়েকে সেই লোক প্রশ্ন করলো, "আচ্ছা তুমি কেন তোমার 'না'-তেই এতো বন্ধপরিকর ছিলে?"

উত্তরে নববধূ সলাজ হেসে বললো, "আগে দুই বার এভাবে ঠকেছি। আর ঠকতে চাই নাই বলেই তোমার প্রস্তাবে রাজি হই নাই!" <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rizvirahmanblog/28872168 http://www.somewhereinblog.net/blog/rizvirahmanblog/28872168 2008-11-21 16:59:40
যাক, বিএনপি তাহলে নির্বাচনে যাচ্ছে (আপডেট).....
নির্বাচনে বিএনপি যাচ্ছে বলে তিনি সবাইকে আশ্বস্থ করেন।

যাক, বিএনপি তাহলে নির্বাচনে যাচ্ছে.....

বেগম খালেদা জিয়া যদিও তার পূর্বের শর্তগুলো বহাল রেখেছেন এখনও।

৭ দফা ও ৪ দফার পর এবার বক্তব্যে তিনি যে ৩ দফা মূল হিসেবে উলে।লখ করেছেন তা হলো-

* ২৮ ডিসেম্বর নির্বাচন,
* জরুরি অবস্থা মনোনয়ন দাখিলের শেষ দিনে হলেও তুলে নিতে হবে,
* ৯১ ই বাদ দিতে হবে।

তবে অবস্থা দৃষ্টে যা মনে হচ্ছে তা হলো বিএনপি তার নিজের অস্তিত্ব রক্ষার্থে নির্বাচনে যাবে...

এক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন যদি নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তন নাও করে তবুও আশা করা যায় খালেদা জিয়ার বক্তব্যের তেমন একটা নড়চড় হবে না।

তিনি ইতিমধ্যেই বুঝে ফেলেছেন যে, নির্বাচনে জয়-পরাজয়ের চেয়ে তার নিজের দল গোছানোটাই এখন মুখ্য। নেতা-কর্মীরা জেলে বা পালিয়ে থেকে গত ২ বছরে দলের যে অবস্থা করেছে তাতে করে আগামীতে অন্তত বিরোধী দলে থেকে হলেও দল গোছানোটা তার জন্য জরুরী।

নইলে বিএনপি'র অস্তিস্থই হয়তো হুমকীর মুখে পড়বে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rizvirahmanblog/28871838 http://www.somewhereinblog.net/blog/rizvirahmanblog/28871838 2008-11-20 20:53:37
একটি জিজ্ঞাসা (ফানি পোস্ট) <img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" /> "এক পায়ে নুপুর তোমার, অন্য পা খালি..."

অনেকেই এই গানটি পছন্দ করেন। আমিও করি। তবে চিন্তাটা অন্য জায়গায়। পুরো গানের কোথাও বলা নাই, আরেক পা খালি ক্যান? <img src=" style="border:0;" />

সম্ভাব্য কি কারণ হতে পারে তা উৎঘাটনের জন্য এই পোস্টের অবতারণা! <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rizvirahmanblog/28871729 http://www.somewhereinblog.net/blog/rizvirahmanblog/28871729 2008-11-20 16:15:27
সঞ্জীবদা, উই মিস ইউ .... <img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_51.gif" width="23" height="22" alt="/:)" style="border:0;" /> নিউজ আপডেট দিয়ে বিকেলে সবাইকে আশ্বস্ত করলাম যে, দাদা এখনও আমাদের ছেড়ে যান নি।

সন্ধ্যার মধ্যেই সকল কাজ শেষ হয়ে যায় আমার। কিন্তু সেদিন ২য় এডিশন ছাড়া পর্যন্ত মধ্য রাত অবধি অফিসে থেকে বিভিন্ন ভাবে দাদার খোঁজ রাখার চেষ্টা করেছি ও ব্লগে যতটা সম্ভব আপডেট দেবার চেষ্টা করেছি।

পরের দিন ১৮ নভেম্বর বাংলাদেশ ইনফো তো খবরই দিয়ে দিলো যে, সঞ্জীবদা মারা গেছেন! অথচ বিকেলে যখন রাগ করেই পোস্টটা দিলাম যে, সঞ্জীবদা এখন বেঁচে আছেন, তখন শুধু আমি কেন, সকলেই মনে প্রাণে চাইছিলেন সঞ্জীবদা আবার যেনো আমাদের সবার মাঝে আবারো ফিরে আসেন। অবশ্য ডাক্তার এর আগেই তাকে কিনিক্যালি ডেড ঘোষণা করেছিলেন। মাত্র ১% এ থেকে সারভাইব করে। মিরাকল ব্যাপারটার প্রতি অনেকেই আস্থা রাখেন না। কিন্তু সঞ্জীবদার ফিরে আসার মতন সেদিনের কোন মিরাকল ঘটনাটি সকলেই যেন মনে প্রাণে চাইছিলেন! /<img src=" style="border:0;" />

অথচ পরের দিন ১৯ নভেম্বর আমি আর সেই আগের মতন জোর নিয়ে বলতে পারছিলাম না যে, ‘ভুল তথ্য দেন কেন, সঞ্জীবদা এখনও বেচে আছেন!’ /<img src=" style="border:0;" />

কারণ ততণে সঞ্জীবদা আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। <img src=(" style="border:0;" />

********************************************************************

কত স্মৃতি জড়িয়ে আছে সঞ্জীবদার সঙ্গে আমাদের। সেটি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ যেভাবেই হোক না কেন। সঞ্জীবদাকে কৃতজ্ঞতা জানানোর কথাগুলো ব্লগেই কেবল থেকে গেলো। তার অসামান্য গায়কী প্রতিভা দিয়ে এখন তিনি বেচে আছেন। ক্ষণজন্মা হয়ে যে ক'টি গানই তিনি গেয়েছেন সকলেরই হৃদয় ছুয়ে গেছে সেগুলো। সঞ্জীবদার সবচেয়ে কাছের বাপ্পা মজুমদারও তার লেখাতেও জানিয়ে ছিলেন সঞ্জীবদার প্রতি তার অপরিসীম ভালোবাসা আর বিনয়।

কিন্তু সবই তো অতীত। /<img src=" style="border:0;" />

********************************************************************

একটি বছর চলে গেছে। সঞ্জীবদাকে মনে করার সময় কি তার কাছের লোকদের আর মনে আছে? <img src=" style="border:0;" />

পার্থ বড়ুয়া আর বাপ্পা মজুমদার, সঞ্জীবদার স্মরণে যুগ্মভাবে একটি অ্যালবাম করার ঘোষণা দিয়েছিলো এক বছর আগে। অথচ একটি বছরেও সেই প্রতিশ্রুতির কোন সুরাহা হলো না! <img src=(" style="border:0;" />

সঞ্জীবদার একমাত্র কন্যা কিংবদন্তীর জন্য এতো বড় মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রির কেউ কি এখন পর্যন্ত কিছু করতে পেরেছে? <img src=" style="border:0;" />

মিউজিশিয়ান প্রিন্স মাহমুদ গত সপ্তাহে বেশ আক্ষেপ করেই বলছিলেন যে, সঞ্জীবদার গান এখন এফএম রেডিও বা চ্যানেলগুলোতে প্রচারিত হয়। কিন্তু এর ন্যূনতম রয়ালিটিও কি কিংবদন্তীর পাওয়ার অধিকার নেই? সঞ্জীবদার কাছের মানুষরা কি পারে না কিংবদস্তী জন্য কিছু উদ্যোগ নিতে? নাকি বছরের এই একটি দিনেই সঞ্জীবদাকে স্মরণ করবে কেবল? <img src=(" style="border:0;" />

আগামীকাল দলছুট ব্যান্ড ও জি সিরিজ সঞ্জীব চৌধুরীকে নিয়ে এক স্মরণসভার আয়োজন করেছে। এই আয়োজনে সঞ্জীব চৌধুরীর লেখা ‘টুকরো কথা’ গানটি নিয়ে একটি সিডিও প্রকাশ করা হবে। এই অ্যালবামটিতে স্থান পেয়েছে বাপ্পার একটিই গান। বাণিজ্যিক ব্যাপারের বাইরেও কি সত্যিকারের কোন উদ্যোগ নিয়ে সঞ্জীবদাকে স্মরণ করার কোন পথ কি এদের জানা নেই? <img src=" style="border:0;" />

********************************************************************

সঞ্জীবদা আজ নেই কিন্তু রয়ে গেছে কেবল তার গানগুলো আর তার মেয়ে কিংবদন্তী। এই দুটোকেই রক্ষার কোন উপায় কি এইসব মিডিয়া নিয়ন্ত্রকদের জানা নেই? /<img src=" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rizvirahmanblog/28870725 http://www.somewhereinblog.net/blog/rizvirahmanblog/28870725 2008-11-18 16:09:03
৭ম ওয়েজ বোর্ড অনুসারে দৈনিক সংবাদপত্রের সাংবাদিকদের বেতন কাঠামো ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুবিধা সংবাদপত্রে কর্মরত সাংবাদিকদের বেতন কাঠামো নিয়ে অনেকের মাঝেই জানার বেশ আগ্রহ রয়েছে। কোন পদবীর সাংবাদিক কোন স্কেলে বেতন পান তা জানার আগ্রহ ছাড়াও যারা সংবাদপত্রে আসতে চান, তাদের প্রথমেই জিজ্ঞাসা থাকে, কেমন বেতন-ভাতা পাওয়া যাবে। তাদের জন্যই মূলত এই পোস্টটি। এ পোস্টে প্রথমে পত্রিকার শ্রেণী বিন্যাস দেখানো হবে। এরপর বিভিন্ন পোস্টে কর্মরত সাংবাদিকদের গ্রেড উল্লেখ করা হবে ও সর্বশেষে কোন গ্রেডে কি বেতন স্কেল রয়েছে তা উল্লেখ করা হবে। এছাড়া অন্যান্য আর্থিক ও আনুষঙ্গিক সুবিধাগুলোও এ পোস্টে উল্লেখ করা হবে।


সংবাদপত্রের শ্রেণী বিন্যাসকরণ :

শ্রেণী ক : দৈনিক পত্রিকার ক্ষেত্রে মোট রাজস্ব আয় (গ্রস রেভিনিউ) বার্ষিক চার কোটি টাকা ও তদূর্দ্ধ পরিমাণ অর্জিত হলে এবং দৈনিক প্রচার সংখ্যা বাংলা দৈনিকের ক্ষেত্রে ন্যূনতম বিশ হাজার এবং ইংরেজি দৈনিকের ক্ষেত্রে দশ হাজার হলে।

শ্রেণী খ : দৈনিক পত্রিকার ক্ষেত্রে মোট রাজস্ব আয় বার্ষিক দুই কোটি টাকা কিন্তু চার কোটি টাকার নিচে অর্জিত হলে এবং দৈনিক প্রচার সংখ্যা বাংলা দৈনিকের ক্ষেত্রে পনের হাজারের ঊর্ধ্বে কিন্তু বিশ হাজারের নিচে এবং ইংরেজি দৈনিকের ক্ষেত্রে সাত হাজারের ঊর্ধ্বে কিন্তু দশ হাজারের নিচে হলে।

শ্রেণী গ : দৈনিক পত্রিকার ক্ষেত্রে মোট রাজস্ব আয় বার্ষিক দুই কোটি টাকার নিচে অর্জিত হলে এবং দৈনিক প্রচার সংখ্যা বাংলা দৈনিকের ক্ষেত্রে পনের হাজারের নিচে এবং ইংরেজি দৈনিকের ক্ষেত্রে সাত হাজারের নিচে হলে।

[বিঃদ্রঃ সংবাদপত্রে শ্রেণী বিভাগের ক্ষেত্রে সংবাদপত্র মালিকগণ তাদের নিজ নিজ পত্রিকার ঘোষণাপত্রে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তার তদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে সংবাদপত্রের শ্রেণী ‘ক’, ‘খ’ ও ‘গ’ নির্ধারিত হবে।]



কর্মরত সাংবাদিকদের পদবী ও পদগুলো বিভিন্ন গ্রেড :


বিশেষ গ্রেড :
সম্পাদক

গ্রেড-১ :
১. নির্বাহী সম্পাদক ২. যুগ্ম-সম্পাদক ৩. সহযোগী সম্পাদক ৪. বার্তা সম্পাদক ৫. উপ-সম্পাদক ৬.ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ৭. সহকারী সম্পাদক ৮. ফিচার এডিটর ৯. বিশেষ সংবাদদাতা ও নগর সম্পাদক।

গ্রেড-২ :
যুগ্ম-বার্তা সম্পাদক, প্রধান প্রতিবেদক, প্রধান সহ-সম্পাদক, সিনিয়র সহ-সম্পাদক, সিনিয়র প্রতিবেদক, সিনিয়র সংবাদদাতা, ব্যুরো প্রধান, প্রধান আলোকচিত্র সাংবাদিক, সিনিয়র আলোকচিত্র সাংবাদিক, সিনিয়র কার্টুনিস্ট, সিনিয়র আর্টিস্ট, ক্রীড়া সম্পাদক, বাণিজ্য সম্পাদক, মফঃস্বল সম্পাদক, সম্পাদকীয় সহকারী, রেফারেন্স এডিটর/ প্রধান সংবাদ গ্রন্থাগারিক, শিফ্ট-ইনচার্জ ও প্রধান সম্পাদনা সহকারী।

গ্রেড-৩ : সহ-সম্পাদক, নিজস্ব প্রতিবেদক, আলোকচিত্র সাংবাদিক, নিজস্ব সংবাদদাতা, ক্রীড়া প্রতিবেদক, আর্টিস্ট, কার্টুনিস্ট, সিনিয়র সম্পাদনা সহকারী ও সংবাদ গ্রন্থাগারিক।

গ্রেড-৪ :
শিক্ষানবিস সহ-সম্পাদক, শিক্ষানবিস নিজস্ব প্রতিবেদক, শিক্ষানবিস নিজস্ব সংবাদদাতা ও সম্পাদনা সহকারী।

গ্রেড-৫ :
শিক্ষানবিস সম্পাদনা সহকারী।


কর্মরত সাংবাদিকদের জন্য বেতনক্রম

ক,খ ও গ শ্রেণীর জন্য বেতন স্কেল চিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়েছে।



প্রান্তিক সুযোগ-সুবিধা (ফ্রিঞ্জ বেনিফিট)

১. উৎসব ভাতা : সকল শ্রেণীর সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থার সকল সাংবাদিক, প্রশাসনিক কর্মচারী এবং প্রেস শ্রমিকগণ বছরে দুইটি উৎসব ভাতা প্রাপ্য হবেন, প্রতিটি উৎসব ভাতার ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী মাসে উত্তোলনকৃত এক মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ প্রদেয় হবে।

২. আয়কর (ইনকাম ট্যাক্স) : সকল শ্রেণীর সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থার সকল কর্মরত সাংবাদিক, প্রেস শ্রমিক এবং প্রশাসনিক কর্মচারীগণের বেতনের ওপর আরোপিত আয়কর সংশি−ষ্ট সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থার কর্তৃপ কর্তৃক প্রদেয় হবে।

৩. ভবিষ্য তহবিল (প্রভিডেন্ট ফান্ড) : সকল শ্রেণীর সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থার সকল শ্রেণীর কর্মচারীগণ তাদের চাকুরির প্রথম এক বছর সমাপনের পর প্রতি মাসে তাদের মাসিক মূল বেতনের ন্যূনতম ৮% হইতে সর্বোচ্চ ১০% সমপরিমাণ ভবিষ্য তহবিলের জন্য প্রদান
করবেন এবং নিয়োগকারী কর্তৃপ সমপরিমাণ অর্থ কনট্রিবিউট করবেন।

৪. ওভারটাইম ভাতাঃ
নির্ধারিত সময়ের অতিরিক্ত কাজের জন্য ভাতা : (ক) প্রেস শ্রমিকগণ ব্যতীত সকল শ্রেণীর সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থার সকল কর্মরত সাংবাদিক ও প্রশাসনিক কর্মচারীগণ প্রতি দিনের কাজের অতিরিক্ত দিবস ওভারটাইম করার জন্য মূল বেতনের দেড় দিনের ভাতা প্রাপ্য হবেন।

(খ) সকল শ্রেণীর সংবাদপত্রের প্রেস শ্রমিকগণ সাধারণ কর্তব্যকালীন সময়ের বাইরে কাজ করলে এবং বন্ধ (অফ) বা ছুটির দিনে কাজ করলে ফ্যাক্টরী রুলস মোতাবেক ১ ঘন্টা অতিরিক্ত কাজ করার জন্য দেড় ঘন্টার হিসেবে অতিরিক্ত মজুরী প্রাপ্য হবেন।

৫. বদলি ভাতা (ট্রান্সফার এ্যালাউন্স) : সকল শ্রেণীর সংবাদপত্র / সংবাদ সংস্থার সকল শ্রেণীর কর্মচারীগণ এক স্টেশন থেকে অন্য স্টেশনে বদলী বা ট্রান্সফার-এর ক্ষেত্রে অর্ধ মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ বদলি ভাতা / ট্রান্সফার এ্যালাউন্স হিসেবে প্রাপ্য হবেন। এ ছাড়া সংশি−ষ্ট কর্মচারী ও তার পরিবারবর্গের (স্ত্রী ও ছেলেমেয়ে) যাতায়াত খরচ, নিয়োগকারী কর্তৃপ কর্তৃক পরিশোধিত হবে।

৬. আনুতোষিক (গ্রাচ্যুইটি) : সকল শ্রেণীর সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থার সকল কর্মরত সাংবাদিক, প্রেস শ্রমিক এবং প্রশাসনিক কর্মচারীগণ প্রত্যেক বছরে অথবা তার অংশ বিশেষ ছয় মাস বা এর-অধিক সময় চাকুিরর জন্য সর্বশেষ প্রাপ্ত বেতনের ভিত্তিতে নির্ধারিত দুই মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ গ্রাচ্যুইটি হিসেবে প্রাপ্য হবেন এবং এই গ্রাচ্যুইটি সংক্রান্ত কর্মচারীর বরখাস্ত, অব্যাহতি, অপসারণ, ছাটাই, অবসরগ্রহণ, মৃত্যু ও পদত্যাগের ক্ষেত্রে তাকে অথবা তার উত্তরাধিকারী/ উত্তরাধিকারীগণকে অথবা তার মনোনীত ব্যক্তি/ ব্যক্তিবর্গকে প্রদান করতে হবে। তবে এই গ্রাচ্যুইটি অর্জনের অধিকারী হতে হলে তিন বছর অব্যাহত চাকুরী (কনটিনিউয়াস সার্ভিস) সম্পন্ন করা বাঞ্ছনীয়। যেক্ষেত্রে অব্যাহত চাকুরীর মেয়াদ তিন বৎসরের কম হবে সেক্ষেত্রে এক মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ প্রদেয়।

৭. কেমিক্যাল পয়জনিং এ্যালাউন্স : বিভিন্ন ক্যাটাগরির সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থার আলোকচিত্র সাংবাদিক, ডার্ক রুম সহকারী ডিটিপি/প্রসেস বিভাগ ও এরূপ অন্যান্য যে সকল কর্মচারীগণ তিকর রাসায়নিক দ্রব্যাদির সাথে যুক্ত থেকে কাজ করেন, তারা প্রতি মাসে পাঁচশত টাকা কেমিক্যাল পয়জনিং এ্যালাউন্স প্রাপ্য হবেন।

৮. যাতায়াত ভাতা (কনভেয়ানস এ্যালাউন্স) : (ক) সকল শ্রেণীর সংবাদপত্রের সম্পাদকগণ অফিসে আসা-যাওয়া ও অফিসের অন্যান্য কাজে ব্যবহারের জন্য ফ্রি ট্রান্সপোর্ট-এর সুবিধা পাবেন অথবা বিকল্প হিসেবে ক, খ ও গ ক্যাটাগরির সংবাদপত্রের সম্পাদকগণ প্রতি মাসে যথাক্রমে সাত হাজার, চার হাজার ও তিন হাজার টাকা করে সাধারণ যাতায়াত ভাতা প্রাপ্য হবেন।

(খ) সকল শ্রেণীর সংবাদ সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদকগণ সার্বণিক ব্যবহারের জন্য গাড়ী পাবেন (সরকারি নিয়ম অনুযায়ী) অথবা বিকল্প হিসেবে ‘ক’ ও ‘খ’ ক্যাটাগরির সংবাদ সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদকগণ প্রতি মাসে যথাক্রমে সাত হাজার ও চার হাজার টাকা করে সাধারণ যাতায়াত ভাতা প্রাপ্য হবেন।

(গ) ‘ক’, ‘খ’ ও ‘গ’ শ্রেণীর সংবাদপত্রের উপ-সম্পাদক/যুগ্ম-সম্পাদক/ সহকারী সম্পাদক, নির্বাহী সম্পাদক, বার্তা সম্পাদক ও একই গ্রেডভুক্ত অন্যান্য পদ এবং ‘ক’ ও ‘খ’ ক্যাটাগরির সংবাদ সংস্থার প্রধান বার্তা সম্পাদক ও বার্তা সম্পাদকগণ প্রতি মাসে যথাক্রমে তিন হাজার, দুই হাজার ও এক হাজার পাঁচশত টাকা করে সাধারণ ভাতা প্রাপ্য হবেন।

(ঘ) ‘ক’, ‘খ’ ও ‘গ’ শ্রেণীর সংবাদপত্রের মহাব্যবস্থাপক ও প্রেস ব্যবস্থাপক/ পূর্তব্যবস্থাপক এবং ‘ক’ ও ‘খ’ ক্যাটাগরির সংবাদ সংস্থা প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা প্রতি মাসে যথাক্রমে তিন হাজার, দুই হাজার ও এক হাজার পাঁচশত টাকা করে সাধারণ ভাতা প্রাপ্য হবেন।

(ঙ) উপরের কর্মচারীগণ ব্যতীত ‘ক’, ‘খ’ ও ‘গ’ শ্রেণীর সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থার সকল কর্মরত সাংবাদিক, প্রশাসনিক কর্মচারী এবং প্রেস শ্রমিকগণ প্রতি মাসে যথাক্রমে এক হাজার ছয়শত, এক হাজার চারশত ও এক হাজার দুইশত টাকা করে সাধারণ যাতায়াত ভাতা প্রাপ্য হবেন।

(চ) ‘ক’, ‘খ’ ও ‘গ’ শ্রেণীর সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থার সাংবাদিক শ্রেণীভুক্ত বিশেষ সংবাদদাতা, নিজস্ব প্রতিবেদক, আলোকচিত্র সাংবাদিক, নিজস্ব সংবাদদাতা এবং গ্রেড-১, গ্রেড-২ ও গ্রেড-৩-এর আওতাভুক্ত অন্যান্য সাংবাদিকগণ স্ব স্ব কার্যালয়ের আঞ্চলিক এখতিয়ারের মধ্যে স্থানীয়ভাবে সংবাদ সংগ্রহের জন্য প্রতি মাসে যথাক্রমে চার হাজার পাঁচশত, তিন হাজার পাঁচশত ও দুই হাজার টাকা করে স্থানীয় যাতায়াত ভাতা (লোকাল ট্রাভেলিং এ্যালাউন্স) ভাতা প্রাপ্য হবেন। এই যাতায়াত ভাতা সাধারণ যাতায়াত ভাতার অতিরিক্ত হিসেবে পরিগণিত হবে।

৯. বাড়ী ভাড়া ভাতা : সকল শ্রেণীর সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থার সকল শ্রেণীর কমচারীর জন্য সংশ্লিষ্ট সংবাদপত্র বা সংবাদ সংস্থা কর্তৃপ কর্তৃক হাউজিং ব্যবস্থা প্রবর্তিত না হওয়া পর্যন্ত নিম্নরূপ বাড়ী ভাড়া ভাতা প্রযোজ্য হবেঃ

(১) (ক) ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহরের ‘ক’ ও ‘খ’ শ্রেণীর সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থার বিশেষ গ্রেডভুক্ত সম্পাদক এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক প্রতি মাসে যথাক্রমে বিশ হাজার ও আঠার হাজার টাকা বাড়ী ভাড়া ভাতা প্রাপ্য হবেন।

(খ) ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহর ব্যতীত অন্যান্য সকল স্থানে ‘ক’, ‘খ’ ও ‘গ’ শ্রেণীর সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থার বিশেষ গ্রেডভুক্ত সম্পাদক এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদকগণ প্রতি মাসে যথাক্রমে তের হাজার, বার হাজার ও দশ হাজার টাকা বাড়ী ভাড়া ভাতা প্রাপ্য হবেন।

(গ) ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহরের সকল শ্রেণীর সংবাদ সংস্থার বিশেষ গ্রেডভুক্ত সম্পাদক এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক ব্যতীত ২০,৫০০-৮০০-৩২,৫০০ বেতনক্রমের অন্যান্য সকলে আঠার হাজার টাকা বাড়ি ভাড়া ভাতা প্রাপ্য হবেন।

(২) (ক) ধারা ১১ (১) এর ‘ক’, ‘খ’ ও ‘গ’ ব্যতীত অন্যান্য সাংবাদিক-কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ঢাকা শহরের ক্ষেত্রে মূল বেতনের শতকরা ৭০% এবং অন্যান্য শহরের ক্ষেত্রে মূল বেতনের শতকরা ৬৫% হারে বাড়ি ভাড়া প্রাপ্য হবেন। তবে সর্বনিম্ন গ্রেডে কর্মরত কর্মচারীরা ঢাকা শহরের ক্ষেত্রে মূল বেতনের শতকরা ৭৫% হারে বাড়ি ভাড়া ভাতা প্রাপ্য হবেন।

১১. গোষ্ঠী বীমা (গ্রুপ ইনসিওরেন্স) : ‘ক’, ‘খ’ ও ‘গ’ শ্রেণীর সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থার সকল শ্রেণীর কর্মচারী ঝুঁকি বীমাসহ (যেখানে প্রযোজ্য) যথাক্রমে পঞ্চাশ, পঁয়তাল্লিশ ও চল্লিশ মাসের সমপরিমাণ মূল বেতনের গোষ্ঠী বীমার সুবিধা প্রাপ্য হবেন; এই বীমার যাবতীয় বিধানাবলী সংশি−ষ্ট সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থার কর্তৃপ কর্তৃক প্রণীত এবং প্রিমিয়ামও কর্তৃপ কর্তৃক পরিশোধিত হবে।

১২. চিকিৎসা সুবিধা (মেডিক্যাল ফ্যাসিলিটিজ) : সকল সাংবাদিক, কর্মকর্তা-কর্মচারী-মালিক ১০০০ (এক হাজার) টাকা নির্ধারিত হারে চিকিৎসা ভাতা প্রাপ্য হবেন। তবে যারা এর চাইতে বেশি হারে চিকিৎসা সুবিধা পাচ্ছেন তা অব্যাহত থাকবে।

১৩. নৈশ পরিবহন সুবিধা (নাইট ট্রান্সপোর্ট ফ্যাসিলিটিজ) : সকল শ্রেণীর সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থার সকল শ্রেণীর কর্মচারী নৈশ পালায় (নাইট শিফট) কাজ করার ক্ষেত্রে কাজ শেষে অফিস থেকে বাড়িতে প্রত্যাবর্তনের জন্য ফ্রি ট্রান্সপোর্ট -এর সুবিধা পাবেন।

৪. নৈশ পালা ভাতা (নাইট শিফট এ্যালাউন্স) :
সকল শ্রেণীর সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থার সকল শ্রেণীর কর্মচারীগণ রাত্র ১২ টার পর নৈশ পালায় কাজ করার ক্ষেত্রে প্রতি রাতের জন্য প্রতি দিনের মূল বেতনের ২৫% হারে অতিরিক্ত নৈশ পালা ভাতা প্রাপ্য হবেন।

১৪. আউটফিট ভাতা :
সকল শ্রেণীর সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থায় নিয়োজিত বিশেষ সংবাদদাতা, নিজস্ব প্রতিবেদক, নিজস্ব সংবাদদাতা এবং আলোকচিত্র সাংবাদিক বার্ষিক যথাক্রমে তিন হাজার সাতশত পঞ্চাশ, তিন হাজার ও দুই হাজার চারশত টাকা আউটফিট ভাতা প্রাপ্য হবেন। উপরোক্ত ভাতা প্রদানের বিষয়টি কর্তৃপরে বিবেচনাধীন থাকবে। যারা এ সুবিধা পেয়ে আসছেন তাদের সুবিধা অব্যাহত থাকবে।

১৫. দায়িত্ব ভাতা (চার্জ এ্যালাউন্স) :
(ক) ‘ক’, ‘খ’ ও ‘গ’ শ্রেণীর সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থার গ্রেড-
১ এর অধীনে যে সকল কর্মরত সাংবাদিক, প্রশাসনিক কর্মচারী এবং প্রেস শ্রমিক তার নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসাবে কোন শাখা/ বিভাগ/শিফটের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন, তারা প্রতি মাসে যথাক্রমে এক হাজার পাঁচশত, এক হাজার ও আটশত টাকা করে দায়িত্ব ভাতা প্রাপ্য হবেন।

(খ) ‘ক’, ‘খ’ ও ‘গ’ শ্রেণীর সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থার গ্রেড-২ এর অন্তর্ভুক্ত যে সকল কর্মরত সাংবাদিক, প্রশাসনিক কর্মচারী এবং প্রেস শ্রমিক তার নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসাবে কোন শাখা/বিভাগ/শিফটের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন, তারা প্রতি মাসে যথাক্রমে এক হাজার, আটশত ও ছয়শত টাকা করে দায়িত্ব ভাতা প্রাপ্য হবেন।

(গ) ‘ক’, ‘খ’ ও ‘গ’ শ্রেণীর সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থার গ্রেড-৩ এর অধীনে যে সকল কর্মরত সাংবাদিক, প্রশাসনিক কর্মচারী এবং প্রেস শ্রমিক তার নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসাবে কোন শাখা/ বিভাগ/শিফটের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন, তারা প্রতি মাসে যথাক্রমে পাঁচশত, তিনশত পঞ্চাশ ও তিনশত টাকা করে দায়িত্ব ভাতা প্রাপ্য হবেন।

(ঘ) এ ছাড়া ‘ক’, ‘খ’ ও ‘গ’ শ্রেণীর সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থার কর্মচারীরাও কোন শাখা/ বিভাগ/শিফটের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকলে, প্রতি মাসে যথাক্রমে তিনশত পঞ্চাশ ও দুইশত পঞ্চাশ ও দুইশত টাকা করে দায়িত্ব ভাতা প্রাপ্য হবেন।

১৬. পত্র-পত্রিকার সুবিধা (ম্যাগাজিন ফ্যাসিলিটিজ) : সকল শ্রেণীর সংবাদপত্রের সম্পাদক, উপ- সম্পাদক/যুগ্ম-সম্পাদক, সহকারী সম্পাদক, ফিচার এডিটর, নির্বাহী সম্পাদক, বার্তা সম্পাদক, বিশেষ সংবাদদাতা, নগর সম্পাদক, প্রধান প্রতিবেদক, প্রতিবেদক, সাব-এডিটর, সম্পাদনা সহকারী, রেফারেন্স এডিটর, প্রধান সংবাদ গ্রন্থাগারিক ও সংবাদ গ্রন্থাগারিক, বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক, বিজ্ঞাপন ব্যবস্থাপক, কালেকশন ম্যানেজার/ কালেকশন-ইন-চার্জ, সার্কুলেশন ম্যানেজার, সিনিয়র এক্সিকিউটিব, প্রধান হিসাবরণ কর্মকর্তা, উপ-প্রধান হিসাবরণ কর্মকর্তা, সিনিয়র হিসাবরণ কর্মকর্তা ও বিজ্ঞাপন সহকারীদেরকে সংশি−ষ্ট সংবাদপত্র কর্তৃপ প্রয়োজনীয় পত্র-পত্রিকা সরবরাহ করবেন অথবা মাসিক দুইশত পঞ্চাশ টাকা হারে পত্র-পত্রিকার ভাতা প্রাপ্য হবেন। পত্র-পত্রিকার এই সুবিধা সংবাদ সংস্থায়ও প্রয়োজনানুযায়ী প্রযোজ্য হবে।

১৭. আপ্যায়ন ভাতা :
(ক) সম্পাদক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকগণ প্রতিমাসে শ্রেণী অনুসারে যথাক্রমে আটশত ও ছয়শত টাকা করে আপ্যায়ন ভাতা প্রাপ্য হবেন।

(খ) ‘ক’, ‘খ’ ও ‘গ’ শ্রেণীর সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থায় নিয়োজিত ব্যবস্থাপনা সম্পাদক, নির্বাহী সম্পাদক, প্রধান প্রতিবেদক, বার্তা সম্পাদক, সহকারী সম্পাদক, চিফ রিপোর্টার, বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক, বিজ্ঞাপন ব্যবস্থাপক, প্রধান বার্তা সম্পাদক, সার্কুলেশন ম্যানেজার, কালেকশন ম্যানেজার, কালেকশন ইনচার্জ, প্রেস ম্যানেজার/ ওয়ার্ক ম্যানেজার, প্রোডাকশন ম্যানেজার, চিফ ফোরম্যান ও ডিপিটি-ইন-চার্জ/ কম্পিউটার ইনচার্জগণ প্রতি মাসে যথাক্রমে তিনশত ষাট, দুইশত চলি−শ ও একশত আশি টাকা করে আপ্যায়ন ভাতা প্রাপ্য হবেন।

১৮. নৈমিত্তিক ছুটি (ক্যাজুয়াল লিভ) :
সকল ক্যাটাগরির সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থার সকল কর্মরত সাংবাদিক, প্রশাসনিক কর্মচারী এবং প্রেস শ্রমিকগণ প্রতি বছরে বেতনসহ ১৫ (পনের) দিন নৈমিত্তিক ছুটি ভোগ করার অধিকারী হবেন।

১৯. অর্জিত ছুটি (আর্নড লিভ) :
সকল শ্রেণীর সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থার সকল শ্রেণীর কর্মচারী শ্রম আইন, ২০০৬ এর বিধান মোতাবেক অর্জিত ছুটি প্রাপ্য হবেন।

২০. বিনোদন ছুটি (রিক্রিয়েশন লিভ) : সকল শ্রেণীর সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থার সকল শ্রেণীর কর্মচারী তিন বছর অব্যাহত চাকুরি (কনটিনিউয়াস সার্ভিস) সমাপনের পর এক মাসের বেতন
(ওয়েজ অর্থাৎ গ্রস বেতন) সহ এক মাসের বিনোদন ছুটির সুবিধা প্রাপ্য হবেন। এক্ষেত্রে বেতন বলতে ছুটি মঞ্জুরকালীন সময়ে প্রাপ্ত বেতনকে বুঝাবে। কোন কর্মচারী প্রাপ্য বিনোদন ছুটি পরবর্তী তিন বছরের মধ্যে ভোগ না করলে তা বাতিল বলে গণ্য হবে। অবশ্য কোন কর্মচারীর বিনোদন ছুটি ভোগ করার ইচ্ছা থাকা সত্তে¡ও যদি প্রতিষ্ঠান কর্তৃপ তার ছুটি পরবর্তী ৩ (তিন) বছরের মধ্যে মঞ্জুর না করেন, তাহলে সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মচারী আরও এক মাসের বেতনসহ মোট দুই মাসের বেতন প্রাপ্য হবেন। এ ক্ষেত্রে বেতন বলতে ছুটি নামঞ্জুরকালীন সময়ে প্রাপ্ত বেতনকে বুঝাবে।

২১. চিকিৎসা ছূটি (মেডিক্যাল লিভ) :
সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থার সকল শ্রেণীর সাংবাদিক- শ্রমিক-কর্মকর্তা- কর্মচারী শ্রম আইন, ২০০৬ এর বিধান অনুযায়ী চিকিৎসা ছুটির সুবিধা পাবেন।

২২. প্রসূতি ছুটি (মেটারনিটি লিভ) :
সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থার সকল শ্রেণীর মহিলা সাংবাদিক- কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ পূর্ণ বেতন (ফুল ওয়েজ) সহ ৪(চার) মাসের প্রসূতি ছুটি প্রাপ্য হবেন, তবে এই ছুটি দুই বারের অধিক গ্রহণযোগ্য হবে না।

২৩. পরবর্তী উচ্চতর গ্রেডের বেতনক্রমে উন্নীত হওয়ার সুবিধা :
সকল শ্রেণীর সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থার সকল শ্রেণীর কর্মচারী তাদের স্ব স্ব গ্রেডের বেতনক্রমের সর্বোচ্চ সীমায় উপনীত হলে পরবর্তী দুই বছর কোন ইনক্রিমেন্ট পাবেন না; দুই বছর পর সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর বেতন পরবর্তী উচ্চতর গ্রেডের বেতনক্রমে নিয়মানুযায়ী নির্ধারিত হবে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rizvirahmanblog/28869530 http://www.somewhereinblog.net/blog/rizvirahmanblog/28869530 2008-11-15 21:35:55
সংবাদপত্রে কর্মরত সাংবাদিকদের পদবী ও কাজ সংবাদপত্র সম্পর্কে অনেকেরই আগ্রহ রয়েছে। বিশেষত যারা সংবাদপত্রের বিভিন্ন পদবী ও এই পদবী রিলেটেড কাজ সম্পর্কে জানতে আগ্রহী তাদের জন্য ৭ম ওয়েজ বোর্ডে বর্ণিত সংবাদপত্রে কর্মরত সাংবাদিকদের পদবী ও কাজ নিচে দেয়া হলো :

সম্পাদকঃ সম্পাদক সংবাদপত্রের প্রধান কার্যনির্বাহী। সমগ্র প্রতিষ্ঠানটির সম্পূর্ণ দায়িত্ব তার হাতেই ন্যস্ত। তিনি পত্রিকাটির সম্পাদনা, নীতি নির্ধারণ, নিয়ন্ত্রণ ও বাস্তবায়ন করেন।

নির্বাহী সম্পাদকঃ প্রধান উপ-সম্পাদকীয় এবং বিশেষ নিবন্ধ লেখা ছাড়াও নির্বাহী সম্পাদক পত্রিকার সম্পাদকীয়, রিপোর্টিং, বার্তা, সম্পাদনা সহকারী বিভাগের কার্য পরিচালনা, পরিকল্পনা এবং সমন্বয় সাধন করবেন। এছাড়া সম্পাদক তাকে যখন যে কাজের দায়িত্ব দেবেন তিনি তা সম্পাদন করেন।

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক সংবাদপত্র-এর সম্পাদককে তার ব্যবস্থাপনা ও সম্পাদকীয় কর্তব্য পালনে সহযোগিতা করে থাকেন।

উপ-সম্পাদক/যুগ্ম-সম্পাদক/ উপ-সম্পাদক/যুগ্ম-সম্পাদক/সহযোগী সম্পাদক সাধারণতঃ সহযোগী সম্পাদক সম্পাদকের কাজে সহায়তা করেন এবং সম্পাদক কর্তৃক প্রদত্ত দায়িত্ব পালন করেন।

বার্তা সম্পাদকঃ বার্তা সম্পাদক বার্তা বিভাগের কাজের সমন্বয় সাধন ও তদারক করেন। তিনি পত্রিকার সংবাদ সংক্রান্ত সকল সংস্করণের পরিকল্পনা প্রণয়নের দায়িত্ব পালন করে থাকেন।

সহকারী সম্পাদকঃ সহকারী সম্পাদক সাধারণতঃ কোন বিষয়ে মন্তব্য ও মতামত লেখার দায়িত্ব পালনে সম্পাদককে সাহায্য করে থাকেন। তিনি প্রধান উপ-সম্পাদকীয়, সম্পাদকীয় রচনা করেন এবং পর্যালোচনা ও সমালোচনামূলক নিবন্ধও লেখেন।

ফিচার এডিটরঃ ফিচার এডিটর একটি পত্রিকার ফিচার লেখা, সংগ্রহ ও তৈরি করার কাজে নিয়োজিত থাকেন। তিনি ঐ ধরনের প্রবন্ধ-নিবন্ধের সম্পাদনা ও সেগুলো দর্শনীয়ভাবে ছাপানোর কাজও করে থাকেন। তিনি কোন বিশেষ কলাম বা পৃষ্ঠার দায়িত্বেও থাকতে পারেন।

বিশেষ সংবাদদাতাঃ বিশেষ সংবাদদাতা একজন বিশেষভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংবাদিক হিসেবে সরকারি সদর দপ্তর বা বহির্বিশ্বের কোন স্টেশনের সংসদীয়, রাজনৈতিক ও সাধারণ গুরুত্বপূর্ণ সকল প্রকার সংবাদপত্র-এর প্রতিবেদন রচনা, তার ব্যাখ্যা ও বিশে−ষণ করেন। তিনি এ দায়িত্ব একাধিক কার্যস্থল বা যেকোন জায়গা থেকে, যেখানে তাকে দায়িত্ব দেয়া হবে, সম্পাদন করতে পারেন।

নগর সম্পাদকঃ নগর সংক্রান্ত ডেস্কের দায়িত্বে থাকেন। তিনি শহরের সংবাদদাতাদের কাছ থেকে প্রাপ্ত সংবাদ নির্বাচন করে তা সম্পাদনা করেন।

যুগ্ম-বার্তা সম্পাদকঃ যুগ্ম-বার্তা সম্পাদক পত্রিকার বার্তা সম্পাদকের সাথে বার্তা বিভাগের কাজের সমন্বয় সাধন ও তদারক করে থাকেন এবং পত্রিকায় সংবাদ সংক্রান্ত সকল সংস্করণের পরিকল্পনা প্রণয়নের দায়িত্ব পালন করেন।

প্রধান প্রতিবেদকঃ প্রধান প্রতিবেদক একটি পত্রিকার প্রকাশনা কেন্দ্রে কর্মরত সকল নিজস্ব প্রতিবেদকদের পরিচালনার দায়িত্বে থেকে তিনি তাদের কাজের তদারক করেন। তিনি নিজে অধিক গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ সংগ্রহের কাজেও নিয়োজিত থাকেন।

প্রধান সহ-সম্পাদকঃ প্রধান সহ-সম্পাদক পত্রিকার কর্মরত সহ-সম্পাদকদের মধ্যে কাজ বন্টন ও তাদের কাজের সমন্বয় সাধন করেন। তিনি সাধারণতঃ পত্রিকায় সংবাদ ছাপানোর জায়গার পরিমাণ ও প্রদর্শনের স্থান নির্ধারণ করেন।

শিফ্ট-ইন-চার্জঃ শিফট-ইন-চার্জ সাধারণতঃ বার্তা বিভাগের একটি শিফ্টের দায়িত্বে থাকেন। সহ-সম্পাদকদের মধ্যে কাজ বন্টন ও তার সুষ্ঠু সম্পাদনা নিশ্চিত করা ছাড়াও তিনি পত্রিকা প্রকাশের দায়িত্ব পালন করে থাকেন।

মফঃস্বল সম্পাদকঃ মফঃস্বল সম্পাদক মফঃস্বল ডেস্কের দায়িত্বে থাকেন। তিনি মফঃস্বল সংবাদদাতাদের কাছ থেকে প্রাপ্ত সংবাদ নির্বাচন করে তা সম্পাদনা করেন।

ক্রীড়া সম্পাদকঃ ক্রীড়া সম্পাদক ক্রীড়া বিষয়ক নিবন্ধের উপাদান সংগ্রহ, তা লেখা, তৈরি এবং সম্পাদনার দায়িত্বে থাকেন। তিনি পত্রিকার বিশেষ কলাম বা পৃষ্ঠার জন্য ফিচার লেখার দায়িত্বেও ন্যস্ত থাকেন।

সম্পাদকীয় সহকারীঃ সহকারী সম্পাদকদের মন্তব্য ও মতামত লেখায় সম্পাদকীয় সহকারী সাহায্য করে থাকেন। তিনি দায়িত্ব প্রাপ্ত হয়ে নিজেও মন্তব্য, সমালোচনামূলক লেখা চিঠিপত্র সম্পাদনা করে থাকেন।

সহ-সম্পাদকঃ সহ-সম্পাদক পত্রিকার জন্য কপি নির্বাচন করেন। তিনি সংবাদ শিরোনাম লিখেন। পত্রিকার স্থান সংকুলানের বিষয় বিবেচনায় রেখে সংবাদটি প্রয়োজনমত সম্পাদনা করেন এবং পত্রিকার রচনাশৈলী ও রীতিনীতির প্রতি দৃষ্টি রেখে তার দায়িত্ব পালন করেন। তিনি উপরোক্ত দায়িত্বের আংশিক বা সম্পূর্ণটাই পালন করতে পারেন।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ নিজস্ব প্রতিবেদক পত্রিকার প্রকাশনা কেন্দ্রে নিযুক্ত থেকে খবর সংগ্রহ, লেখা এবং তা উপস্থাপনার দায়িত্ব পালন করে থাকেন।

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ নিজস্ব সংবাদদাতা সংবাদ সংগ্রহ করে তার, ডাক বা যে কোন মাধ্যমে সংবাদপত্র প্রকাশনা কেন্দ্রে প্রেরণ করে থাকেন।

ক্রীড়া প্রতিবেদকঃ ক্রীড়া প্রতিবেদক পত্রিকার জন্য ক্রীড়া বিষয়ক সংবাদ সংগ্রহ, লেখা ও তা উপস্থাপন করে থাকেন।

আলোকচিত্র সাংবাদিকঃ আলোকচিত্র সাংবাদিক পত্রিকার জন্য বিভিন্ন ঘটনা ও জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের আলোকচিত্র তুলে তার দায়িত্ব পালন করে থাকেন।

কার্টুনিস্টঃ কার্টুনিস্ট পত্রিকার জন্য কার্টুন আঁকেন।

আর্টিস্টঃ আর্টিস্ট নক্শা, চিত্র, মানচিত্র, গ্রাফ এবং এই জাতীয় অন্যান্য সৃজনশীল চিত্রকর্ম প্রকাশনার জন্য প্রস্তুত করেন। তিনি এ ধরনের কাজ আংশিক বা সম্পূর্ণটাই সম্পাদন করতে পারেন।

রেফারেন্স প্রধান/ প্রধানঃ সংবাদপত্র/সংবাদ সংস্থায় বার্তা, প্রতিবেদন, সম্পাদকীয়, উপ- সংবাদ গ্রন্থাগারিক সম্পাদকীয়, ফিচার ইত্যাদি লেখার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ, সংরণ ও প্রয়োজনে তা সরবরাহের দায়িত্ব পালন করেন। রেফারেন্স প্রধান বা প্রধান সংবাদ গ্রন্থাগারিক বিভাগ/ সংবাদ গ্রন্থাগার বিভাগের সার্বিক দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। তিনি অন্যান্য সংবাদ গ্রন্থাগারিকদের কাজের সমন্বয় সাধন করেন।

সংবাদ গ্রন্থাগারিকঃ তিনি রেফারেন্স প্রধান/ প্রধান সংবাদ গ্রন্থাগারিকের কাজে সহযোগিতা করাসহ তার ওপর অর্পিত অন্যান্য দায়িত্ব পালন করেন।

প্রধান সম্পাদনা সহকারীঃ তিনি পত্রিকার সম্পাদনা সহকারী বিভাগের প্রধান এবং সম্পাদনা সহকারীদের মধ্যে কাজ বন্টন ও তাদের কাজের তদারক করেন।

সম্পাদনা সহকারীঃ সম্পাদনা সহকারীগণ মুদ্রিত বিষয়বস্তু সম্পাদিত কপির সাথে সুক্ষভাবে মিলিয়ে দেখেন যাতে একটির সাথে অপরটির সম্পূণ মিল থাকে। তিনি তথ্যগত গরমিল, বানান, ব্যাকরণ ও বাক্যগঠনের ভুল ধরতে পারেন এবং তা তিনি নিজে সংশোধন করতে পারেন বা করিয়ে নিতে পারেন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rizvirahmanblog/28867329 http://www.somewhereinblog.net/blog/rizvirahmanblog/28867329 2008-11-10 19:37:15
ফ্রুটিকা জুস ও খালেদা জিয়ার ভাষণ [এলোমেলো ভাবনা : পর্ব ৯] ১.
সাম্প্রতিক সময়ে দেশি চ্যানেল ও রেডিওগুলোতে একটি জুসের অ্যাড বেশ নাম করেছে। ফ্রুটিকা নামের এই জুসের বেশ কিছু সিক্যুয়েল অ্যাড তৈরি হয়েছে। এগুলোর মধ্যে একটি এমন যে, "একজন রাজনৈতিক নেতা মঞ্চে ভাষণের সময় নানা ধরণের কথা বলছেন, যেগুলোর মধ্যে সত্যের ছোঁয়া আছে কিনা সন্দেহ! বক্তৃতার মাঝ পর্যায়ে সে গলা ভেজানোর জন্য ফ্রুটিকা জুস পান করে। কিন্তু এরপর দাঁড়িয়ে আবারো বক্তৃতা শুরু করলে দেখা গেলো যে তার ভেতরের সত্য কথাগুলো সব একে একে বের হয়ে আসছে। তখন উপস্থিত সকলেই আসল বিষয়টি জানতে পারেন।" ........... অ্যাডের সারাংশে বলা হয়, ফ্রুটিকা খেলে নাকি মন কখন বদলে যাবে টেরই পাওয়া যাবে না!

এই অ্যাডটি দেখে অত্যন্ত গাঁজাখুঁড়ি টাইপের মনে হলেও আইডিয়াটা কিন্তু বেশ মজার ও চমৎকার! <img src=" style="border:0;" />

২.
আজ বিকেলে চট্টগ্রামের লালদীঘির ময়দানে বেগম খালেদা জিয়া মোটামুটি মানের একটি ভাষণ দিলেন। বেসরকারী স্যাটেলাইট চ্যানেল এনটিভি তার ভাষণটি সরাসরি সম্প্রচার করে। ভাষণে বেগম জিয়া অনেক কথাই বলেন। অনেক ক্ষেত্রে তার বক্তব্য দেখে কেউ কেউ মন্তব্য করছিলেন তিনি বোধহহয় সেন্সর করে কথা বলছেন! <img src=" style="border:0;" />

বাকি কথা আর উল্লেখ নাই-ই বা বললাম। তবে বেগম খালেদা জিয়ার ভাষণের মাঝ পর্যায়ে এক কলিগ হঠাৎ বলে উঠলেন, খালেদা জিয়া এখন ফ্রুটিকা জুস খেলে ভালো হতো!

এরপর আর কোন মন্তব্য আছে কি? <img src=" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rizvirahmanblog/28865960 http://www.somewhereinblog.net/blog/rizvirahmanblog/28865960 2008-11-07 18:34:41
আন-ব্লক করলাম সবাইকে <img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" /> " style="border:0;" />

বিশেষ বিশেষ আনন্দের দিনে কারাগার থেকে বন্দীদের মুক্ত করার প্রথা অনেকদিন থেকেই দেশে প্রচলিত। তাই আমিও সিদ্ধান্ত নিলাম এতো ভালো ব্যাপারগুলো যখন ঘটছে তখন যাদেরকে এ পর্যন্ত ব্লক করেছি তাদের সবাইকে আন-ব্লক করার! <img src=" style="border:0;" />

ব্লক করেছি অনেককেই। তাদের সংখ্যা দেখে রীতিমতো বিস্মিত আমি।

তবে যা হোক, সবাইকে আন-ব্লক করলাম এটাই বড় কথা। <img src=" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rizvirahmanblog/28865536 http://www.somewhereinblog.net/blog/rizvirahmanblog/28865536 2008-11-06 16:05:20
একটি অসমাপ্ত পেরেম কাহানী <img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" /> একদিন সকালে
ঘুম থেকে উঠেরে
বারান্দা গিয়েরে
দেখি এক নারীরে!<img src=" style="border:0;" />

২.
এরপর সেই নারীরে
দিলাম আমার মনটারে
মনের খবর আর নিস নারে
মনের খবর ভালো নারে!/<img src=" style="border:0;" />

৩.
দোতালার বারান্দায় মেরেছিলাম ঢিলা
এরপর থেইক্যা তোমার বাপে
আমার ওপর বিলা!<img src=" style="border:0;" />

৪.
রোদ মাথায় যাচ্ছ কোথায়
ছাতা হাতে আমি
একটু তাকাও ফিরে আমায়
বলোনা কিছু রূপরাণী!<img src=" style="border:0;" />

৫.
মন নিয়েছো বেশ করেছো
তোমার তাতে কি
কিন্তু আমার কপাল পুড়েছে
কেউ জেনেছে কি?<img src=" style="border:0;" />

৬.
তোমার মামাত ভাই
থাকে নাকি বিলাতে
তার সাথে এত কি
ঘুড়ে বেড়াও কি লাভে?<img src=" style="border:0;" />

৭.
বিয়ের বয়স হয়েছে তোমার
আমার কি এখনও হয় নি?
এসব কথা বলছো কেন
মতলবে কিছু আছে কি? :-*

৮.
চাঁদের বুড়ি চরকা কাটে
একলা বসে চাঁন্দে,
আমি এখন প্রহর গুণি
নেক্সট প্রজেক্টের জইন্যে!<img src=" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rizvirahmanblog/28863585 http://www.somewhereinblog.net/blog/rizvirahmanblog/28863585 2008-11-02 18:24:32
অসমাপ্ত কবিতা-৪: মিথ্যা ছবির চরিত্রগুলোও হয়তো মিথ্যাই হবে
মিথ্যা হবে কারও চোখের পানি;

কিংবা-

অব্যক্তে চাওয়া কারো
সেই সব পাওয়ার
মিথ্যাগুলোও!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rizvirahmanblog/28863527 http://www.somewhereinblog.net/blog/rizvirahmanblog/28863527 2008-11-02 16:07:13
অসমাপ্ত কবিতা-৩ : মেঘ পথের ধারে
নীল জলের বুকে মেতে ওঠা
চাঁদের বাঁকে,

আলতো করে ছুঁয়ে কাশফুলের
আবেশে
কার স্বপ্ন যেন ভাসে-
মনেরই মেঘে‍!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rizvirahmanblog/28863016 http://www.somewhereinblog.net/blog/rizvirahmanblog/28863016 2008-11-01 16:23:56
অসমাপ্ত কবিতা-২ : যদি এক রিকশায় উঠবো,
কিছুটা পথ একাকী না যেয়ে
তোমার সঙ্গ নেবো,
তোমার হাতে হাত রাখবো-
শোনাবো তোমায় ভালোবাসার গান....

তোমার পাশে বসে বাতাসে
তোমার এলো চুলের ঘ্রাণ নেবো
তোমার হাসিতে মাতাল হবো
তোমার স্বপ্নে স্বাপ্নিক হবো
তোমার আবেগে উদ্বেলিত হবো
তোমার মনটাকে আমার করে নেবো....

যদি তুমি পাশে বসতে!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rizvirahmanblog/28862684 http://www.somewhereinblog.net/blog/rizvirahmanblog/28862684 2008-10-31 21:53:22
প্রথম আলো ব্লগের মডারেট সমীপেষু-
প্রিয় বন্ধু,
প্রথম আলো ব্লগের পরীক্ষামূলক সংস্করণ উদ্বোধনে আপনাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ আমাদের অনুপ্রেরণার মূল উৎস। আমাদের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে অনেকেই ব্লগে নিবন্ধন করেছেন। আবার অনেকে এখনো যোগ দেয়ার ফুসরৎ পাননি। আপনাদের আবার মনে করিয়ে দিতে এই পোস্টের অবতারণা। এখনো যারা নিবন্ধন করেননি তারা ১১২১২১ এই আমন্ত্রণ সংকেত ব্যবহার করে নিবন্ধন করতে পারবেন। নিবন্ধন বা ব্লগ লেখার ক্ষেত্রে যে কোনো সমস্যা হলে আমাদের মেইল করে জানাতে পারেন এই ঠিকানায় : । আগামী ৪ নভেম্বর প্রথম আলোর দশম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ব্লগ সবার জন্য উন্মুক্ত হবে। আমরা আশা করবো, আপনার ব্লগে আপনি লিখবেন, ব্লগ পড়বেন। এবং বন্ধুদের পড়তে বলবেন।
এভাবেই আমরা সবাই মিলে বাংলাভাষায় একটি অকপট কথার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে পারবো।
আপনাদের সবাইকে শুভেচ্ছা।
মাহবুব মোর্শেদ
বিভাগীয় সম্পাদক, প্রথম আলো ব্লগ

Dear Friend,
We are enjoying your active participation on the opening of beta version of prothom-aloblog.com . Many of our friends registered on our blog and some did not yet. So, we again sending you the invitation code 112121. Use this and register. If there is any problem to register or to write blog please let us know through this email : . The blog will be open for all on 4 November 2008 on 10th anniversary of the Daily Prothom Alo.
We expect you to write, read and participate on the blog. We also request you to invite your friends to do so.
We wish that through this blog we all can make a sphere of free voice in Bangla.
Best wishes for you.

Mahbub Morshed
Divisional Editor, prothom-aloblog.com
http://prothom-aloblog.com/

তার প্রত্যুত্তরে বলছি-

জনাব প্রথম আলো ব্লগের মডারেটর সাহেব,

পোস্ট দিলে তা অল্প সময়ে ব্লগে প্রকাশ করার ব্যবস্থা নিন। এত দেরী করে পোস্ট ছাড়লে পোস্টের আমেজ কমে যায় তা একজন নিয়মিত ব্লগার হয়েইও কি আপনি বোঝেন না? না কি, প্রথম আলো ব্লগের মডারেটর হয়ে বেমালুম ব্লগার থেকে মালিক পক্ষের তাবেদার হয়ে গেছেন? ব্লগারদের পোস্ট মডারেশন করা বা ব্লগারদের ব্যান করার মতন কাজ থেকে বিরত থাকার মতন সহনশীল হোন, না হলে সব পানিযুক্ত পোস্টই ব্লগে পাবেন। আর সেগুলো পড়ার জন্য কেবল পোস্টদাতা ছাড়া আর কাউকেই ব্লগে পাবেন না!

ধন্যবাদ।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rizvirahmanblog/28862520 http://www.somewhereinblog.net/blog/rizvirahmanblog/28862520 2008-10-31 15:38:39
সামহোয়ারইনে আমার ডাবল সেঞ্চুরী <img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" />
যা হোক, ব্লগ তো খুললাম এখন কি লিখবো তাই ভেবেই আমি অস্থির। প্রতিদিনই চেষ্টা করি কিছু লেখার, কিন্তু অন্যদের পোস্ট পড়ে মন্তব্য করা ব্যতিত আর কিছু লেখার বিষয় পাচ্ছিলাম না। অবশেষে ১৫ জুন লিখে ফেললাম মাত্র চার শব্দের একটি পোস্ট!

বৃষ্টি শিরোনামের সেই পোস্টটি ছিলো আসলে টেস্ট পোস্ট। তখন সামহোয়ারইনে যে কোন ব্লগারই সাইন ইন করে পোস্ট দিলে তা প্রথম পাতায় আসার সুযোগ ছিলো, এখন যেটি নতুন ব্লগারদের ক্ষেত্রে হয় না।

যা হোক, এক শব্দের হেডিং এর সেই চার শব্দের পোস্টেই ব্যাপক সাড়া পেলাম। সেই পোস্টের ২য় কমেন্টই ছিলো সামহোয়ারইনের উদ্দোক্তা আরিলের। বাংলা ভাষায় ভাবের তাৎণিক আদান-প্রদানের এই প্রক্রিয়াটিতে আমি ব্যাপক খুশি ও মজা পেলাম। বাংলা ভাষাভাষীদের জন্য এমন সুযোগ করে দেবার জন্য ......................... Thanx to Arild.

এরপর থেকে ব্লগে নিয়মিতই পোস্ট দিতাম। আর হয়তো এ কারণেই মাত্র সাড়ে চার মাসের মাথায় শততম পোস্ট শততম পোস্ট লেখার সৌভাগ্য আমার হয়েছিলো! <img src=" style="border:0;" />

আমার আর মাহবুব মোর্শেদের দেখাদেখি যায়যায়দিনের অন্যান্য স্টাফ আর কনট্রিউটররাও ব্লগিং এ ঝুঁকতে শুরু করে। এক সময় আমাদের হাউসেই সবচেয়ে বেশি ব্লগার জন্ম নেয়। কারণ একই হাউসে এতজন ব্লগার বোধহয় খুব কমই তখন হয়েছে। প্রায় ৩০ জনের বেশি ব্লগার তখন এই হাউস থেকেই লগ ইন করতো। আর তখন ব্লগার ছিলোও অনেক কম। এখন প্রায় সময়ই ৬০ জনের বেশি ব্লগার লগ ইন থাকলেও তখন মাঝে মাঝে এমনও হতো যে মাত্র ১০/১৫ জন ব্লগারকে লগ ইন অবস্থায় দেখা যেতো! আর এখনকার মতন প্লাস/মাইনাসের বদলে তখন ছিলো ১ থেকে ৫ পর্যন্ত রেটিং সিস্টেম। আর টম রেটেড পোস্টটি ব্লগে আলাদা ভাবে দেখানোর নিয়ম থাকায় অনেক সময় এমনও হয়েছে যায়যায়দিনের কারো পোস্ট যদি অন্যান্যদের রেটিং ভালো পাওয়া শুরু করতো তাহলে আমরা নিজেরা উদ্বোগী হয়ে তার পোস্টটিতে রেটিং করে তা টপ রেটেড পোস্টে উঠিয়ে দিতাম। পুরো হাউসের সকলের মধ্যেই তখন ব্যাপারটা পেস্টিজ ইস্যু হিসেবেই কাজ করতো! <img src=" style="border:0;" />

১৬ ডিসেম্বরে সামহোয়ারইনের ২য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সকলের সহযোগিতায় শামীম আর আমি ঢাকা ইউনিভার্সিটির চারুকলার ভেতরে আয়োজন করলাম একটি ব্লগার আড্ডার। প্রথমে এই আড্ডার আয়োজনকে সবাই অসম্ভব মনে করে মজা পেয়েছিলো। কিন্তু আমরা দুজন ও পরিচিত আরো ক’জন ব্লগার যে কোন ভাবেই হোক ব্লগার আড্ডাকে সফল করবো বলেই পণ করলাম। কারণ অনেক ব্লগারকে কেবল ব্লগেই চিনতাম, সামনা সামনি দেখার একটি গোপন ইচ্ছা আমিসহ অন্যান্য অনেকের মধ্যেই ছিলো। আরিল ও জানার সঙ্গে নিয়মিত কট্রাক্ট করতাম তারা যেন আমাদের আড্ডাতে অবশ্যই আসেন। তারা দুজনেই স্বতস্ফূর্তভাবে আমার এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন। আমি চিন্তিত ছিলাম ব্লগারদেরকে কি ধরণের হালকা নাস্তা দিয়ে আপ্যায়ন করা যায়। এ ব্যাপারে জানার সাজেশন আমার বেশ কাজে লেগেছে ......................... Thanx to Jana.

যা হোক সেদিনের সেই ব্লগার আড্ডায় আরিল, জানাসহ সামহোয়ারইনের প্রায় ৭০ জনের বেশি ব্লগার এসেছিলেন। সন্ধ্যায় মশা দূর করার জন্য মাহবুব মোর্শেদের পরামশে যখন শুকনো পাতা জোগাড় করে আগুন জ্বালানো হয় তখন ক্যাম্প ফায়ারের মতনই মনে হচ্ছিল। ব্লগার শামীম অনেক হেল্প করেছে আমাকে সেদিন ......................... Thanx to Samim.

আর সেই ব্লগার আড্ডার রেশ ধরেই এখনও ব্লগাররা চেষ্টা করেন মাঝে মধ্যেই একত্রিত হবার।

যা হোক, এরপর এক বছর লেগেছে আরেকটি শয়ের ঘর পেরুতে। কারণ মাঝে কাজ কর্মের অনেক চাপ বেড়েছে। এছাড়া মাঝে তো ব্লগে কিছু ব্লগারদের কটু কথার জ্বালায় ঢুকতেই ইচ্ছা করতো না। হয়তো এদের পাকা ধানে কদাচিৎ মই দিয়েছিলাম বলেই এরা এখনো আমাকে তাদের জাত শত্র“ বলেই বিবেচনা করে। এদেরকে আমার ব্লগে আমি ব্লক করে রেখেছি অনেক আগে থেকেই। তবু নিত্য নতুন নিক নেয়া এসব ব্লগারদের আমার পোস্টে এসে বর্তমানে মাইনাস রেটিং করা ছাড়া অন্য কিছুই করার মতাই আর নাই। আহারে ............ কি অসহায় এরা!

আমার নাম ধরে বাজে কথা বলার মতন সাহসের ঘাটতি আছে বলেই ব্লগের তথাকথিত এসব ব্লগার (যাদের পোস্টেও সংখ্যা নগন্য হলে কমেন্টের সংখ্যা অসংখ্য) আমার নাম ব্যঙ্গ করে ডাকে বিভিন্ন পোস্টে যেখানে আমার সঙ্গে তাদের হঠাৎ দেখা হয়!

এর কারণ কি এটা হয়তো পুরনো ব্লগাররা বেশ ভালো করেই জানলেও নতুন ব্লগারদের জানার অনেক আগ্রহ থাকবে। ব্লগে গত বছরের শুরুতে এক শ্রেণীর ব্লগার ব্লগের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যেই নানা ধরণের গালিগালাজ সম্বলিত পোস্ট ও কমেন্ট করার ক্ষেত্রে হয়ে ওঠে ইউনিক! এদের নগ্ন আক্রমণের শিকার হতেন মূলত অরজিনাল নিক বা পরিচয় দিয়ে ব্লগিংকারীরা। এদের ভয়াবহ আক্রমণে অনেক ব্লগারই সে সময় ব্লগ থেকে দূরে সরেও গিয়েছিলেন। অথচ গোঁড়া এসব ব্লগারদের বিরুদ্ধে কেউ একজন টুঁ শব্দ করলে সমগোত্রীয় অন্যরা সেই ব্লগারকে এমন ভাবে আক্রমণ করতো যেন অন্য আর সব ব্লগাররা মান সম্মানের ভয়ে কোন কথা বলা থেকে বিরত থাকেন। বলা বাহুল্য, এই শ্রেণীর ব্লগারদের নিকগুলো থাকতো বানানো। ফলে এদের সনাক্ত করার কোন উপায়ই ছিলো না। ফলে মান সম্মান খোয়ানোর কোন ব্যাপারই এদের মধ্যে ছিলো না। অবশ্য আদৌ এদের মান সম্মান আছ কিনা তা নিয়ে গবেষণার অবকাশ থাকতে পারে! <img src=" style="border:0;" />

সরকারের আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হোক বা সাংবাদিকই সে হোক না কেন, আমি কিন্তু সত্য বলতে জীবনে কখনও ভয় পাই নি। আর তাই ৯ম পোস্টেই আমি এসব ব্লগারদের বাজে এই ব্যাপারটিকে পোস্টের মাধ্যমে সবার কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করি। পরবর্তীতে মডারেটররা গালি গালাজ করার জন্য কিছু ব্লগারকে ব্যান করলে মডারেটরদেও এই কাজের সমর্থনের প্রথম তালিকাতেই আমার নাম থাকাতে এরা হয়ে ওঠে আমার ওপর ক্ষুব্ধ। যার প্রভাব এখনো হয়তো অন্য ব্লগারা দেখতে পান। কিন্তু সহনশীলতাই যে ব্লগিং করার মূল শর্ত, এসব গোঁড়া ব্লগার হয়তো তা এখনও জানে না!

এমনই মরিয়া এরা যে, আমাকে রাজাকার বলেও একবার সম্বোধনের চেষ্টা করেছিলো এরা। তাৎণিকভাবে অন্য ব্লগারা তা প্রটেস্ট করেছিলেন তখন। তাই এটা তো শিউর যে, রাজাকার কি তাই হয়তো এই নির্বোধরাই জানে না!

আর এজন্যই হয়তো তিনগুণ বেশি সময় লাগলো আমার আরেকটি সেঞ্চুরী করতে। অধিকাংশ বাংলা ব্লগেই আমার রেজিস্ট্রেশন করা আছে। কিন্তু তারপরও আমার মতে Somewhereinblog is the Best!

যাদের জন্য স্পেশাল ধন্যবাদ রইলো তারা হলেন-
ব্লগার সাইমুম ভাই ............ Miss ur company!
ব্লগার সুখী মানুষ ............ Real good man!
ব্লগার সাদেক সামী ............ Always support me!
ব্লগার ত্রিভুজ ............ Genius!
ব্লগার কে এস আমিন ............ Great man!
ব্লগার সারিয়া ............ Thanx to arrange picnic!
ব্লগার রঞ্জু ............ Nice guy!
ব্লগার নাইম ............ <img src=" style="border:0;" />
ব্লগার মহারাজা ............ Co-operative!
ব্লগার জাকিয়া ............ Always support me!
ব্লগার কালপুরুষ ............ Great poet!
ব্লগার আইরিন ............ Lovely girl!
ব্লগার শরিফ রনি ............ Always plus my post!
ব্লগার অ্যামাটার ............ Good boy!
ব্লগার ফোরা ফেরদৌসী ............ Always support me!
ব্লগার আবদুর রাজ্জাক শিপন ............ Thanx for with me!
ব্লগার চতুর্ভুজ ............ No contact a long time!
ব্লগার আরিফ জেবতিক ............ Inspire from ur writing!
ব্লগার নিশা ............ Funny girl!
ব্লগার হাসান বিপুল ............ Nice writing!
ব্লগার শরৎ ............ :p!
ব্লগার আরজু ............ Good Writer!
ব্লগার কৌশিক ............ Direct Action!
ব্লগার মদন ............ Nice Joking in ur writing!
ব্লগার কোপা শামসু ............ Miss ur blogging!

.....................................................................

এছাড়া আর যাদের নাম মনে পড়ছে না তারা সহ সামহোয়ারইনের সবার প্রতিই আন্তরিক ধন্যবাদ রইলো।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rizvirahmanblog/28862087 http://www.somewhereinblog.net/blog/rizvirahmanblog/28862087 2008-10-30 16:19:38
জগন্নাথ ইউনিভার্সিটির নিয়ম না মানা নিয়ম
এক্ষেত্রে মেয়েরাই বেশি সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন। জগন্নাথ ইউনিভার্সিটির অবস্থান রাজধানীর একেবারে প্রান্তিক স্থানে হওয়ায় সেখানে যাতায়াত বেশ ঝামেলাজনক। পুরো ফরমে তিনটি স্থানে ছবি লাগানোর ব্যবস্থা ছিলো। তারপর প্রবেশপত্রের ছবিটি আলাদা টেপ দিয়ে কর্তৃপক্ষ লাগিয়ে দিচ্ছিলেন। এ