হে আল্লাহ্, আমার রক্ত ...আমার মাংস..আমার মগজ অস্থি মজ্জা তুমি খেতে পারার সাহস দাও....
০৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:৫৩
নগরের এক প্রান্তে আমি অসহায়ের মত দাড়িয়ে আছি..আমার মাথা থেকে খসে পড়া ঘামে ভিজে যাচ্ছে রাস্তার শুষ্ক ধূলো...আমি একা নই আজ...আমার সাথে মানুষের ঢল আজ...কেননা, পিচাশেরও খাবারের দরকার হয়...আমিও.... একমুঠো খাদ্যের আশায়..
অস্তমিত সূর্যের দোহায় তোমাদের ..হে ত্রাণ কর্তা গণ..হে প্রগাঢ় হিতৈষী...আমার সন্তান আজ ক্ষুধার যন্ত্রনায় চোখ মেলে তাকাবার শক্তি হারিয়ে ফেলেছে..এ কোন দুঃসহ যন্ত্রনার চিৎকার?
আমার পিতা সানিপড়া চোখে মৃত্যুর ভয়াল যন্ত্রনা ছাড়া আর কিছুই দেখছেননা....এক মুঠো ভাত দেবেন কেউ...এক মুঠো ভাত.. এ কেমন লজ্জা আমার ...আমার সন্তান আমার সামনে এক মুঠো ভাতের অভাবে মিশে যাচ্ছে শ্মশানের অন্তহীন অন্ধকারে....হে আল্লাহ্, আমার রক্ত ...আমার মাংস..আমার মগজ অস্থি মজ্জা তুমি খেতে পারার সাহস দাও....
এ লজ্জা কি আমাদের ...শুধুই আমাদের ..? ক্ষুধার যন্ত্রনায় মরার লজ্জা...কাজ না থাকার লজ্জা..? মানুষের রক্ত পায়ে পিষে টাকা বানাতে না পারার লজ্জা?...
হে আল্লাহ...শুয়োরের কি লজ্জা বোধ নেই?
(মনটা এত খারাপ ,নতুন পোষ্ট লিখতে ইচ্ছে হলো না...কালকেরটাই আবার দিলাম ...দুঃখিত...)
সুজনবাঙালী বলেছেন:
একাত্তরে আমরা লড়েছিলাম ''বলেছিলাম হেমন্তে ধান দেবো/অভুক্ত আর অনাশ্রিত যারা/তাদের আমি সঙ্গে করে নেবো/''। অথচ এখন এখানে ''সম্প্রতি মাতা তার /ছোট শিশু বেচেছে কেননা /চাল প্রয়োজন/''। কারন একাত্তরের রাজাকারদের আমরা ক্ষমা করেছি , কারন ২০০৭ এর রাজাকারদের আমরা ক্ষমা করছি ।
লেখক বলেছেন: সুজনবাঙ্গালী...আমাদের স্বপ্ন গুলো কেন এমন হঠাৎ ঝড়ে ভেঙ্গে যায় বলতে পারেন,,?
সুজনবাঙালী বলেছেন:
কারন আমরা এখনও রাজনৈতিক হয়ে উঠিনি।আমরা এখনো আমাদের শত্রু-মিত্র আলাদা করে চিনতে পারিনা।
লেখক বলেছেন: তবে কি আমাদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত প্রিয় আবাস ভূমি ভয়াল শত্রুর নখের থাবায় ছিন্ন ভিন্ন হতে হতে থাকবে?...আমরা কি আমাদের পূর্ব পুরুষের রক্তের দামও দিতে পারবো না ..?
রাগ ইমন বলেছেন:
ভাইয়া , কেমন আছেন ? দেশ একটা নিশ্চিত সংঘর্ষের দিকে এগিয়ে চলেছে । কিন্তু , প্রশ্ন হইলো , শেষ পর্যন্ত বিজয় কার হবে ?
মানুষের নাকি শোষকের ?
লেখক বলেছেন: কালের যাত্রায় রক্তের ধারা বয়ে যায় শোষকের প্রাচির চিঁরে...আমরা কি পারবো নিজের মায়ের শরীর পায়ে পিষে ফেলতে? আমরা তো ভাই আগ্রাসী অভিজাত্যের পা চাটা কুত্তা...যে খানে শুধু লাভের কথা ভাবা হয়..আর প্রোফিট ওরিয়েটেন্ট কোন ধারায় আবেগের , মমতার , ভালোবাসার কোন স্থান থাকে না..আমার সে রকম শাসকের অধীনে....প্রত্যাশা...শুধু একটু নতুন আলোর..জয় আমাদের হবে ইনশাল্লাহ..
রাগ ইমন বলেছেন:
বিজয় হয়তো অস্তিত্ব রক্ষার সাধারন নিয়মেই আসবে কোন একদিন । কিন্তু ভাইয়া , সেইটা খুব দ্রুত আসার কোন সম্ভাবনাই বেঁচে নেই এখন, ভাতের জন্য রীতিমত খুন, ডাকাতি , চুরির দিকে ঠেলে দে ওয়া হচ্ছে । দেখেন , যারা ঠেলে দিচ্ছে , তাদের তো কোন চিন্তা নেই । মারা মারি , কাটাকাটি করে অর্ধেক লোক ও ( ৭ কোটি) মানুষ ও যদি মরে যায় , তাদের কিছু যায় আসে না । স্রেফ যারা বেঁচে থাকবে , তারা শোষকের কথায় উঠলে বসলেই হলো ।
একটা হীরক রাজার দেশ তৈরী করা হচ্ছে । এই দুর্ভিক্ষ মানবের সৃষ্ট , প্রাকৃতিক নয় । তেলের দাম বাড়িয়ে , খাদ্য রপ্তানি বন্ধ করে দিয়ে , কৃত্রিম সংকট তৈরী করে যুদ্ধ করছে আমেরিকা আর চায়না , মাঝখানে মারা পড়ছি বাংলাদেশ ।
লেখক বলেছেন: আমরা কি ভাবে যুদ্ধে যাব বলেন?..আমাদের অনুভুতি গুলো কে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে..তারুন্যের মধ্যে তো স্পার্ক করার সেই ক্ষমতা আর নেই..ভেবে দেখুন, ৭১..৯০..প্রত্যেকটি আন্দোলোন,,,তারুন্যে দীপ্ত..তরুনের ধর্মইতো প্রতিরোধ করা ..অন্যায়কে না বলা..কিন্তু আমাদের অস্থিত্ব দীর্ঘদিন আগেই মেলে ফেলার ষড়যন্ত্র হয়েছে..ও রা সফল হয়েছে...কারন আমাদের তরুনের ইচ্ছা এখন এমবিএ করে বিদেশী কোম্পানীর চাকরী করা আর সুন্দরী মেয়ে বিয়ে করা..বিপ্লব কিংবা প্রতিবাদের ভাষা তাদের অজানা..
মামুন বাংলা বলেছেন:
বড্ড হাসি পায় আর মনে পড়ে একটা গল্প! এখানে নয় ওখানে পড়ুন।
আর এমন সূদূর প্রসারী লক্ষ্যেই কর্পোরেট কোম্পানী গুলো নতুন জেনারেশন কে স্তব্ধ করে দিতে , পা-চাটার দল তৈরী করতে তৈরী করে ডিজুস জেনারেশন!!!!!
যা হতে তরুনরা লাফিয়ে পড়ে পলকে..পলকে.....
আর জাতি , মা, মাটি স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব গুনে লজ্জ্বাকর পরিণতি!!!
মুহিব বলেছেন:
আমার সন্তান আমার সামনে এক মুঠো ভাতের অভাবে মিশে যাচ্ছে শ্মশানের অন্তহীন অন্ধকারে....জটিলস্


















