somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... খেলা খেলা
কে যাবে ভাংতে খোলস, চতুরীয় খেলা? প্রজাপতি কি দেখেনি তার ডানার হলুদ ডানা, কালো দাগ-বৈকুণ্ঠ থেকে ঝরে পড়া আলোর মাতম; তারপর কী এক বিস্মরণে জাগেনি কি আপহৃত বিকেল-লাল, কেবলই বিকেল হয়ে যায়, বিকল হয়ে যায়- সুতো বাঁধতে; সুতোরা থাকে সব মগজে ,মননে; হায় পলাতকা বিকেল, সোনালী আভাটুকু নিয়ে প্রজাপতিসম কেন ফেরে না অতীতে? যেখানে যূথাবদ্ধ আমি ও সে -অবিরল চেয়ে থাকা, সোনালী প্রজাপতি?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28868149 http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28868149 2008-11-12 15:24:14
ছড়াকার ও শ্রাবণ প্রকাশন-এর স্বত্বাধিকারী রবীন আহসান সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে। ছড়াকার ও শ্রাবণ প্রকাশন-এর স্বত্বাধিকারী রবীন আহসান সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে।

ছড়াকার ও শ্রাবণ প্রকাশন-এর স্বত্ত্বাধিকারী রবীন আহসান সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে। তার বাম হাত ও পা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। বর্তমানে অতিরিক্ত ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার( হাসের ডিম, কবুতরের মাংস, গরুর দুধ, আপেল, কমলা, বিস্কুট ইত্যাদি) গ্রহণের কারণে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে শয্যাশায়ী। তার আশু রোগমুক্তি কামনা করছি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28866374 http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28866374 2008-11-08 18:07:24
প্রচেষ্টার ১০ বছর বদলে যাও, বদলে দাও-বহুরূপী বচনে প্রথম আলো-র ১১ যাত্রা! প্রচেষ্টার ১০ বছর বদলে যাও, বদলে দাও-বহুরূপী বচনে প্রথম আলো-র ১১ যাত্রা!
রবিউল করিম

প্রথম আলো ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে তাদের নতুন শ্লোগান উন্মোচন করে- বদলে যাও, বদলে দাও। আমার কাছে এটি বহুরূপী বলেই প্রতিভাত হয়। কেন একটি প্রতিষ্ঠান ১০ বছর পর মনে করল যে তাদের বদলে যাওয়া দরকার, আর আমাদেরকে বদলে দেয়া দরকার। আর এই আমাদেরকে বদলে দেয়ার দায়িত্বই-বা তাদের কে দিল? আমরা আর কত বদলাবো? নাকি এটা বিদেশী কোনো এজেন্ডা? নাকি যা কিছু ভালো তার সাথে প্রথম আলো এই শ্লোগানে তারা আর বিশ্বাস রাখতে পারছে না, এখন মন্দ কিছুর সাথে যুক্ত হতে চাইছে!<img src=" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28865051 http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28865051 2008-11-05 16:15:34
কে কে দাওয়াত পেল সা. ইন.. ব্লগের ব্লগার আজ প্রথম আলো ব্লগ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে কে কে দাওয়াত পেল সা. ইন.. ব্লগের ব্লগার আজ প্রথম আলো ব্লগ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে

জানতে ইচ্ছে করে সা.ইন... ব্লগের কোন্ কোন্ ব্লগার আজ প্রথম আলো ব্লগ উদ্বোধন অনুষ্ঠানের দাওয়াত পাইলেন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28864591 http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28864591 2008-11-04 17:14:15
ঘরে ফেরা ঘরে ফেরা
রবিউল করিম

ঠিক ঠিক দেখবেন, সোয়া ছটার সময় একজোড়া নীলকণ্ঠ পাখি উড়ে এসে এই বায়ুপাখার পিলারের মাথায় বসবে। বেশ কয়েকবছর তো আছি, কোনোদিন এর ব্যতিক্রম দেখি নি। কী আশ্চর্য একবার ভাবুন! যেদিন প্রথম দেখেছিলাম, সেদিনের কথা আজো বেশ স্পষ্ট মনে আছে। সারাদিন কী একটা নিয়ে ঘাটাঘাটি করে ক্লান্ত হয়ে, এই দার€চিনি গাছটার নিচে বসেছিলাম; বেশ আগাছা জমে আছে না এখন, তখন কিন্তু এতটা ছিল না। মালিটা সপ্তাহ দুয়েক ধরে আসছে না। কী করব বলুন! এখানে ভিনদেশের একজন মানুষ আমি। কাকেই বা কী বলতে পারি। জানেন, এখানে কাজের-মানুষ পাওয়া মুশকিল। ঐ যে কলাবাগান দেখছেন ; ঠিক দেখা যাŽচ্ছে না এখান থেকে, তার ওপাশেই কিন্তু বিশাল একটা নীচু জমি। পাহাড়ি এলাকা তো, শুধু এঁটেল মাটি। চাষাবাদের উপযুক্ত জমি কম, তাই মাটি কাটতে কাটতে ঐ রকম হয়ে গেছে। ঐরকম নীচু জমিতে ধান যদি না বুনেন তাহলে শষ্যের দেখা মিলবে না। একটু নীচুর সুবিধা আরো যে, বৃষ্টি হলে চারিপাশের পানি ঐখানে জমা হবে, তাতে জমিতে চাষের পানি দেয়ার ঝামেলাও অনেকখানি কমে যায়। তো যা বলছিলাম, ঐ নীচু জমির পাশেই মালির বাড়ি। মনীন্দ্র নাগ। বেসিক্যালি সে আদিবাসী। অনেক বলে কয়ে তাকে এ বাগানের মালির কাজে লাগিয়েছিলাম। হাজার হলেও বনের মধ্যেই তো তাদের বসবাস ছিল। গাছগাছালি তাদের চেয়ে আর ভাল কে চিনবে বলুন ? কার কী যত্ন নিতে হবে, কখন নিতে হবে, এসব তো তারা জন্মগতভাবেই পায়। কিন্তু বয়েস হয়েছে তো। ৭০/৭৫ তো হবেই। আপনার দেখে কিন্তু মনে হবে ৪০/৪৫। শরীর এতো মজবুত যে, আমাদের মতো দুজনকে দুহাতে তুলে দশ হাত দরে ছুড়ে ফেলে দিতে পারে। এখানকার মাটি, জলবায়ু আর তাদের জন্মগুন। তাড়ি, ভাং খেতে খেতেই এখন অকালে মরতে বসেছে। ওদের বিনোদন তো একটাই, সন্ধ্যা হলেই কিছু নেশা খেয়ে মাতাল। আমার বা আপনার বয়েসইবা কত হলো। এরি মধ্যে মনে হয় বুড়িয়ে গেছি। চুল, দাড়ি পেকে গেছে, শরীরের চামড়ায় জড়তা চলে এসেছে। আসলে এটা একধরনের অপুষ্টি কিন্তু! আমাদের খাওয়ার ঠিক নেই, কাজের ঠিক নেই। এভাবে তো চলে না। শরীরের দুধরনের শক্তি আছে, একটা যান্ত্রিক আর একটা মানবিক। বুঝেছেন তো। যান্ত্রিক দিকটার ফুয়েল হলো খাওয়া-দাওয়া, সেটি ঠিক মতো সরবরাহ করা না হলে আপনি কাৎ; আর মানবিক দিকটার খাদ্য অবশ্য একেক জনের কাছে একেক রকম। এই যেমন ধর€ন, আপনি এখানে এসেছেন কেন বলুন তো, মনটাকে একটু ফ্রেশ করবার জন্যই নয় কি ? মনটার খাদ্য না দিলেও কিন্তু মানুষ অচল হয়ে পড়বে। আমাদের দুটো দিকেরই সামঞ্জস্য তো নেই, যা আছে তা হলো-ভড়ং। ভড়ং দিয়ে কিছু হয় না বুঝলেন। যাক, অনেক তাত্ত্বিক কথা বলে ফেললাম। বিরক্ত লাগছে নিশ্চয় ? বলবেন কিন্তু।
আমি না হেসে পারলাম না। আরে না, ভালই লাগছে। কথা না বললেই বরং খারাপ লাগবে। আপনার পাখি দুটি এখনো কিন্তু এল না।
আসবে আসবে, কোনোদিন ব্যতিক্রম হয় নি। ঠিক সর্য ডোবার ৪৫ মিনিট আগে। গ্রীষ্মের সময় যদি ৬টা ৩৫ মিনিট হয়, শীতের সময় কিন্তু একই সময় হবে না। ওদের তো ঘড়ি ঐ সর্য। সর্য যখনই ডুবুক ঠিক ৪৫ মিনিট আগে। আমি অনেকদিন এ নিয়ে ভেবেছি। গবেষণা করতে করতে এমনটা দাঁড়িয়ে গেছে। যা একটু কৌতূহল সৃষ্টি করে, তাই নিয়ে লেগে পড়ি। এখন আমার গবেষণার বিষয়বস্তু কি জানেন ? কেঁচো!
আমি অবাক হয়ে তার মুখের দিকে তাকিয়ে বলি, কেঁচো ?
হ্যাঁ, কেঁচো। তাহলে আপনাকে খুলেই বলি। এই বছরখানেক আগের কথা। আমাদের হেড অফিস তো ধানমন্ডিতে। ঐ যে ৩২ নম্বর শেখ মুজিবের বাড়ি ছাড়িয়ে ডানে যে রাস্তাটা ঢুকে গেল; তারই তিন/চার শ গজ সামনে হাতের ডানে। তো হলো কী ? ভেরি ইন্টারেসটিং। আমাদের মলত ডাকা হয়েছিল, এক নতুন ধরনের সারের উদ্ভাবন প্রসংগে। প্রাকৃতিক সার। কলকাতার পৌরসভা ফ্রান্স নাকি ইটালি থেকে এক ধরনের কেঁচো আমদানী করে এনেছে বেশ কয়েক হাজার ডলার মল্যে। সেই কেঁচোগুলোর ভারী মজার বৈশিষ্ট। ঐগুলিকে আপনি ময়লার ভাগাড়ে ফেলে দিন। দিনকয়েক পরে গিয়ে দেখবেন, ময়লার ভাগাড় সার হয়ে গেছে! আশ্চর্যের কথা না বলুন। বিশাল বিশাল কেঁচো তো। তাদের খাদ্যই হŽচ্ছে ঐ ময়লা। ব্যাটারা ঐ ময়লা খায় আর হাগে। কী সুন্দর সিস্টেম। ধর€ন, সায়েদাবাদের ময়লার বিশাল আড়তে কয়েক কেজি কেঁচো ছেড়ে দিলেন, সপ্তাহ চারেক পরে গিয়ে ঐ ভাগাড়টি সার হিসাবে প্রতি কেজি দু টাকা করে বিক্রি করে দিলেন। বেশ লাভজনক ব্যবসা হতে পারে এটি। কিন্তু কে করবে? লক্ষ লক্ষ ডলার খরচ করে বিদেশ থেকে যšপাতি আনা হবে। দুদিন পর ইথেন, মিথেন, পটাশিয়াম যতসব ক্ষতিকর গুনাগুন মিশ্রিত সার বস্তাকে বস্তা কারখানা থেকে বের হবে। পত্রপত্রিকায় বিজ্ঞাপনের কলেরা ছুটবে-এই সার প্রতি বিঘা জমিতে এক কেজি ব্যবহার করলে এত মন ধান উৎপন্ন হবে, পোকা মরে সাফ হয়ে যাবে, আলাদা করে কীটনাশক ব্যবহার করতে হবে না। ইত্যাদি ইত্যাদি। আর সে চাল খেয়ে আমাদের ক্যান্সার হবে, জিনের বৈশিষ্ট বদলে যাবে, শিশুরা জন্ম নেবে ক্রুটিপর্ণ কাঠামো নিয়ে। এমন তো হরহামেশাই ঘটছে আমাদের আশেপাশে। শুধু কথার শাখাপ্রশাখা বেরিয়ে যায়। একা থাকি তো, হাজার হাজার কথা, ভাবনা সবসময়ই জমা হয়ে থাকে মাথার মধ্যে। কতক্ষণ আর গাছ, পাতা, ঘাসের সাথে কথা বলা যায়। অনেকে তো আমাকে গাছের সাথে কথা বলতে দেখে বলে, পাগল। ভাবে ভাবুক। আমার কথা বোঝার মতো মানুষ এ অঞ্চলে কজন আছে বলুন। বিরক্ত হŽচ্ছেন না তো ?
আরে না, বলুন তো।
আপনি বুঝবেন শিক্ষিত মানুষ। তো কোথায় থেকে কোথায় চলে এসেছি দেখুন। হ্যাঁ, অফিসের সেই সেমিনারে আমাদেরকে বলা হলো, কেঁচো কেনার মতো আর্থিক সামর্থ তো আমাদের নেই। আমরা দেশীয় পদ্ধতিতে কেঁচো দিয়ে সার প্রস্তুত করবো এবং কৃষকদের বোঝাব ঐ রাসায়নিক সারের কুফল সম্পর্কে। কালকে সকালে আপনাকে আমাদের সে-প্রোজেক্ট দেখাব। বেশি প্রচারণা পায় নি তবুও সচেতন ৬/৭জন কৃষক আসে সার নিতে। আপনার বোধ হয় বিরক্ত লাগছে। পাখি দুটোর আসতে এখনও সময় বাকী আছে। ততক্ষণে আমি চা করে নিয়ে আসি। মিনিট দশেক। এর মধ্যে আপনি বাগানটা ঘুরে দেখতে পারেন। শতখানেক গাছ আছে। গাছ চেনেন তো। অদ্ভুত রকমের কয়েকটা গাছ আছে। দেখুন তো, চিনতে পারেন কি না।
আমি বাগানের মধ্যে হাঁটতে হাঁটতে ভাবছিলাম, ঢাকা থেকে মোটেই ঘণ্টা দুয়েকের পথ অথচ এত কাছেই যে এমন একটা নির্জন জায়গা আছে, তা কেন আরো আগে আবিস্কার করি নি। সকালে বাস থেকে নেমে রিক্সাভ্যানে করে যখন এখানে এসে পৌঁছেছিলাম তখন সকাল ১১টা। ভ্যানচালক আমাকে নামিয়ে দিয়ে চলে গেলে কিছুটা অসহায় হয়ে পড়েছিলামনির্জনতায়। চারিদিকে শুধু শালবন। মাঝে মধ্যে কোথাও একটু ফাঁকা। সেখানে কলার কিংবা কাঁঠালের ক্ষেত। একটি মানুষও চোখে পড়ে নি। ভেতরে ভেতরে একটা আতঙ্কও কাজ করছিল গবেষণা কেন্দ্রটি নির্জন দেখে। চারিদিকে কাঁটা তারের বেড়া, প্রবেশপথে বিশাল লোহার গেট এবং তালাবন্ধ। বার কয়েক কলিং বেল চাপ দেয়ার পর গলা শুকিয়ে এসেছিলতবে কি ফিরোজি ভাই নেই। হায় কপাল! তাকে আসবার আগে অšত একটা চিঠি লেখা উচিত ছিল। কে জানে, হয়ত সে এ ছুটিতে বাড়িতে গেছে। কিন্তু বাবন তো বলেছিল, ফিরোজি বছরে দুই ঈদেই শুধু বাড়িতে যায়। ওর কথা বিশ্বাস করে চলে আসাটা ঠিক হয় নি। বিধ্বস্ত শরীরে ধপ করে ঘাসের উপর বসে পড়েছিলাম। মনে মনে আন্দাজ করার চেষ্টা করেছিলাম, বাসস্ট্যান্ড ছেড়ে ভ্যানে করে কতদর এসেছি। কিন্তু অবাক হয়েছিলাম, পথের দুপাশের মুগ্ধতা আমাকে এমনভাবে আŽছন্ন করেছিল যে, আমি দিক এবং দরত্ব দুটোকেই কোনো আমল দেয় নি। শেষে চিৎকার করে উঠেছিলাম, ফিরোজি ভাই, ও ফিরোজি ভাই। বার তিনেক গলা ফাটিয়ে ডাকার পর আমাকে আশ্বস্ত করে ভেতর থেকে তখন ফিরোজি বলে উঠেছিল, আসছি। ফিরোজি যখন গাছ-গাছালির ফাঁক দিয়ে আমার কাছে এসে উপস্থিত হয়েছিল, আমি তাকে চিনতে পারি নি। অবশ্য তাকে চেনার কথাও আমার ছিল না। কেননা ইতোপর্বে আমি কখনো তাকে দেখি নি। ফিরোজির পরনে ছিল তখন লুঙ্গি, তাও আবার উঁচু করে বাঁধা, ঊর্ধ্বাঙ্গ নগ্ন এবং ঘামে ভেজা, মুখে খোঁচা খোঁচা দাড়ি-একেবারে আনইমপ্রেসিভ চেহারা। কামলাটামলা হবে ভেবে বলেছিলাম, ফিরোজি ভাই কি আছেন ? ফিরোজি তখন বলেছিল, আমিই ফিরোজি কিন্তু আপনাকে তো ঠিক চিনতে পারলাম না। আমি তখন ভীষণ বিব্রত হয়ে বলেছিলাম, সরি, কিছু মনে করবেন না। চিনতে পারি নি। আমি বাবনের বন্ধু। ঐ যে গল্প লিখে। ফিরোজি হাসতে হাসতে বলেছিল, আর বলতে হবে না। আসুন। সে আসলো না কেন ? অনেকদিন এদিকে আসে না। তার গল্পের প্লটের অভাব বুঝি আর নেই। আমি তার সাথে যেতে যেতে বলেছিলাম, না, না, ও কি একটা কাজে গ্রামের বাড়ি গেছে। সে খুব মিস করছে আপনাকে, এখানকার গল্প শুনতে শুনতে তো আর থাকতে পারলাম না। একাই চলে এলাম। কোনো অসুবিধে নেই তো! প্রথমে তো ভয়ই পেয়ে গিয়েছিলাম। অনেকক্ষণ ধরে বেল টেপাটেপি করেও কোনো সাড়াশব্দ নেই। ভেবেছিলাম, না জানিয়ে আসার মজাটা এখন বুঝবে মনা। ফিরোজি বিব্রত হয়েছিল সে-সব কথায়। লাজুক হেসে বলেছিল, অনেকক্ষণ দাঁড়িয়েছিলেন তাই না। আমারই দোষ। কদিন থেকে কলিং বেলটা নষ্ট। ঠিক করব করব করেও ঠিক করা হয়ে ওঠে নি। কেউ এদিকে আসে না তো। প্রয়োজনটা তাই ওভাবে অনুভব করি নি। সরি। তারপর দুপুরে গোসল করে খেয়েদেয়ে একচোট ঘুমিয়েও পড়েছিলাম। ফিরোজি না ডাকলে হয়ত সন্ধ্যা পর্যন্তই ঘুমাতাম। এমন নিঃশব্দ, নিঝুম জায়গায় মরে যাবার মতো ঘুমিয়ে গেলেও কাউকে দোষ দেয়া যায় না।
এই যে আপনার চা, বলে ফিরোজি এককাপ চা হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলল, আর ঘণ্টা খানেক, এরি মধ্যে এসে পড়বে। আমি কথাটার অর্থ না বুঝতে পেরে অবাক হয়ে তার দিকে তাকালাম।
নীলকণ্ঠ পাখি। এরি মধ্যে ভুলে গেছেন।
ও হ্যাঁ। আŽছা, এই গাছটা কি?
কফি গাছ। কফি খান না ?
আমি অবাক হয়ে গেলাম কফি গাছ দেখে। আমার ধারণা ছিল, বাংলাদেশের আবহাওয়া কফি গাছের জন্য মোটেই উপযুক্ত নয়। কিন্তু দেখলাম, কফি গাছটি বেশ সজীব। ফিরোজি আমাকে বললো, এই গাছটি নিশ্চয় চেনেন না। আমি গাছটিকে চিনতে চেষ্টা করলাম কিন্তু চিনতে পারলাম না; কোনো আহামরি বৈশিষ্টও আমাকে আকৃষ্ট করল না। ফিরোজি বলল, এর নাম তুড়িতচন্ডাল। কেন জানেন, নিজেই পরীক্ষা করে দেখুন। একটা তুড়ি বাজন তো। আমি বললাম কেন ? আহ্ বাজান না। আমি তুড়ি বাজালাম কিন্তু কিছুই ঘটল না। ফিরোজি বলল, একটু গাছটার পাতার কাছে বাজান। আমি তুড়ি বাজালাম। আমাকে আশ্চর্য করে গাছের পাতারা গুটিয়ে যেতে থাকল। এমন আশ্চর্য ঘটনা আমি এর আগে কখনো দেখি নি। ছোটবেলায়, লজ্জাবতি গাছের পাতা ছুঁয়ে দিলে যে পাতা বন্ধ হয়ে যায়; এটা যেদিন জেনেছিলাম, স্পষ্ট মনে আছে, তারপর থেকে বেশ কয়েকমাস আমার কেটেছিল, লজ্জাবতি গাছ খোঁজা আর ছুঁয়ে দেয়া। একটা নেশা আমাকে আŽছন্ন করে রেখেছিল। আমি সে কথা ফিরোজিকে জানাতেই তিনি বললেন, কিন্তু জানেন তো ওরা সর্য থেকে প্রাণ সংগ্রহের জন্যই অমন পাতা খুলে রাখে। আমার সে-তথ্য জানা ছিল না। ফিরোজি বলল, চলুন একটু বাইরে থেকে হেঁটে আসি। আমি তো ঘোরার জন্যই এখঅনে এসেছি। সে বলতেই আমি বললাম, চলুন। ফিরোজি বলল, আপনি গেটর দিকে যেতে থাকুন আমি তালাটা মেরে আসি। গেটের দিকে যেতে যেতে মনে হলো, মানুষটার মাথায় কিছুটা ছিট আছে। অবশ্য ট্যালেন্ট মানুষরা এরকম হয় শুনেছি। আর এরকম নির্জন জায়গায় মাসের পর মাস একা থাকাটা সত্যিই কি আনন্দদায়ক ? এমন প্রশ্নও মাথার মধ্যে ঘুরপাক খাŽিছল। অবশ্য আমার খুব ভাল লাগাছিল কিন্তু কেন যেন মনে হŽিছল, দিন কয়েক পর আর ভাল লাগবে না।
ফিরোজি বেশ তাড়াতাড়িই আমাকে ধরে ফেলল, গেট অতিক্রম করার আগেই। কোনদিকে যাবেন বলুন ? ফিরোজি জিজ্ঞাসা করতে বললাম, যেদিকে খুশি। সবই তো আমার কাছে নতুন। সে মাথা নেড়ে সম্মতি দিল। আমরা হাঁটতে থাকলাম, বিকেলের রোদের রঙ যে এমন কাচা হলুদের মতো হয় তা আমার দেখা হয় নি কোনোদিন, শুধু শুনেই এসেছিলাম এতদিন। আজ চোখ-মন ভরে সে সৌন্দর্য দেখলাম। লম্বা লম্বা শাল গাছের ফাঁক ফোঁকর দিয়ে যে আলো ঠিকরে এসে পথের উপরে পড়ছে তা যেন তরল সোনা। চারিদিকে এত সবুজ। মাথাটা ঝিমঝিম করে। ফিরোজি একটা ছোট শালগাছের কচি জগা ছিড়ে আমার কপালে ঘষে দিলেন, আমি হঠাৎ তার এ আচরণে কিছুই বুঝলাম না। তার দিকে সপ্রশ্নে তাকালে সে বলল, তিলক এঁকে দিলুম। লাল টকটকে তিলক। এই বলে সে আমার দুহাতে কচি ডগাটি ভাল করে ঘষে দিল। মুহর্তেই লাল হয়ে উঠল আমার দুহাত। আমি চিৎকার করে উঠলাম, এ তো রক্ত! ফিরোজি হা হা করে হেসে উঠল। আমিও শিশুর মতো তার কপালেও তিলক এঁকে দিলাম। ফিরোজি হঠাৎই চুপচাপ হয়ে পড়ল। আমি আনন্দে কি করব ভেবে উঠতে পারলাম না। মাটিতে বহুদিন পর একটা ডিগবাজি খেলাম। ফিরোজি বলল, আপনি কখনো কোনো উজ্জ্বল আলোর দিকে তাকিয়েছেন ? আমি আশ্চর্য হয়ে বললাম, কেন বলুন তো ? ফিরোজি বলল, তাহলে অদ্ভুত একটা জিনিস লক্ষ করতেন। ধর€ন আপনি দুশো ওয়াটের বাল্বের দিকে একদৃষ্টিতে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকলেন। তারপর চোখ বন্ধ করলে অনেকক্ষণ বাল্বটা জ্বলছে আপনি দেখতে পাবেন। খুব নিবিষ্ট হয়ে চোখ বুঁজে থাকলে দেখবেন, আস্তে আস্তে সে-আলো ফিকে হয়ে আসছে, নীল হতে হতে মিলিয়ে যাŽচ্ছে অনন্তে। মানুষের এতটুকুই ক্ষমতা। ঐ কিছুক্ষণ ধরে রাখা। আপনার এই আনন্দ দেখে হঠাৎ মনে পড়ল কথাটা। কিছু মনে করলেন নাতো আবার। যখন চলে যাবেন, এখানকার কিছু স্মৃতি-আলোকে সাথে নিয়ে যাবেন; আস্তে আস্তে এই সবুজ বনাঞ্চল, আমি, আপনি, এ উজ্জ্বল রোদ, ভাল লাগা সবই নীল হয়ে শন্যে মিলিয়ে যাবে। আমার মনটা খারাপ হয়ে গেল। দুজনে চুপচাপ কিছুক্ষণ পাশাপাশি হাঁটলাম। কী বলব, কী করব, কিছুই বুঝে উঠতে পারলাম না। মনে হলো, নিরবতাই একমাত্র অবলম্বন। ফিরোজি একসময় সে-নিরবতা ভেঙে বলল, চলুন ফেরা যাক। সময় হয়ে এসেছে ওদের আসবার। ফেরার পথে আবার মৌনতা। বিজ্ঞান চর্চা কেন্দ্রের ভেতরে পৌঁছে ফিরোজি বলল, ঐ গাছের নিচে বসি চলুন। চা খাবেন আবার নিশ্চয়। আমি চুলায় পানিটা তুলে দিয়ে আসি। আপনি ততক্ষণে একটু রেস্ট নিয়ে নেন। আমি ঘাসের উপর বসে পড়লাম। সন্ধ্যা হতে আর বেশি বাকী নেই। ফিরোজি ফিরে এসে বলল, খারাপ লাগছে নাকি! আমি হেসে বললাম, না। হঠাৎ সে চেঁচিয়ে বলে উঠল, এই যে এসে গেছে আমার নীলকণ্ঠ। দেখুন কী বাহারি তার রূপ! লেজ দেখেছেন।
আমি পাখি চিনি না। এর আগে এমন পাখি আমি দেখি নি। আসলেই পাখি দুটির রূপের তুলনা হয় না।
ওরা কিন্তু বেশিক্ষণ থাকবে না। এই মিনিট দশেক তারপর সোজা দক্ষিণ দিকে চলে যাবে। সম্ভবত দক্ষিণে কোথাও তারা থাকে। আপনার কি মনে হয় ? আমি বললাম, হয়তবা। না হলে সন্ধ্যার আগে আগে আর কোথায় যেতে পারে। অবশ্য অন্য কোথাও যদি তাদের কোনো সিডিউল না থাকে। আমরা দুজনেই সে-কথায় হেসে উঠলাম।
সন্ধ্যা হবে হবে করছে। সর্যকে যে এভাবে কোনোকালে দেখব তা আমি কল্পনাও করি নি। টকটকে লাল। কোথায় যেন কি পোড়ানো হŽচ্ছে। তার ধোঁয়া আকাশে উঠছে। আমার হঠাৎ মনে হলো, এ নিশ্চয় মা কালির টিপ। কেন মনে হলো পরক্ষণেই তা আর ধরতে পারলাম না। ফিরোজি বলল, আসুন আমরা সর্যকে একটু প্রণাম করি। হাজার হলেও সেই আমাদের প্রাণের উৎস। আমার কিছুটা অবাক লাগল। আগে কখনো এভাবে ভেবে দেখি নি। আমরা দুজনে দুই করজোড়ে সর্যকে প্রণাম করলাম। নীলকণ্ঠ দুটি তখনো একে অপরের সাথে খুনসুটি করে চলছে। দেখলাম, পাখনায় বেশ গাঢ় লাল রঙের দাগ। প্রথমে ভেবেছিলাম, হয়ত কোনো ক্ষতটত হবে। ভাল করে লক্ষ করে বুঝলাম, না, ওটা ওদের বিশেষত্ব। কিন্তু ভেবে পেলাম না, ফিরোজি কেন প্রথম সাক্ষাতেই এই পাখি দুটির প্রসঙ্গ টেনে এনেছিল। বিশেষ কোনো কারণ নিশ্চয় আছে।
কোনো এক ফাঁকে জিজ্ঞাসা করা যাবে ভেবে ফিরোজিকে বললাম, আŽছা ফিরোজি ভাই এখানে আপনারা কতজন আছেন। তিনি বোধকরি কিছুটা বে-খেয়ালে ছিলেন। প্রথমে আমার কথা ঠিক বুঝে উঠতে পারেন নি। তাই আবারো জিজ্ঞাসা করতেই বললেন, ছিলাম তো পাঁচজন। কিন্তু এখন তিনজন। তাও আবার একজন তিনমাস ছুটিতে, অন্যজন সপ্তাহে তিন/চার দিন আসেন। বলতে পারেন সারাটা সপ্তাহ জুড়ে আমি একা। আমি কিছুটা আঁতকে উঠলাম; বলে কী লোকটা। পাগল নাকি?
যে-জন মাঝেমধ্যে আসে তিনি থাকেন কোথায় ?
সিরাজগঞ্জ ?
সিরাজগঞ্জ ? বলেন কী! ওখান থেকে কিভাবে অফিস করা সম্ভব ?
চাইলেই সম্ভব। কয় ঘণ্টা লাগবে আসতে। যদি ধর€ন সকাল সাতটায়ও রওয়ানা দেয়া হয় তবুও তো দশটার মধ্যে পৌঁছে যাবার কথা। আর দশটাতেই যে আপনাকে উপস্থিত হতে হবে এমন তো নয়। একটু দেরী হলে কি আসে যায়। কে দেখতে আসছে বলুন। আমাদের তো এই একটাই সুবিধে। এখানে দেখার কিছু নেই। বছরে দু/তিন বার হয়ত হেড অফিস থেকে লোক আসে। আর এখানে তো গবেষণার চাকুরী। গবেষণা কি ঘড়ির কাঁটা ধরে হয় নাকি ?
আমি সব কথা মেনে নেয়ার পরও কিছুতেই ভাবতে পারলাম না, আমি হলে ঠিক কী করতাম। ফিরোজি বলল, এই দেখুন ওরা চলে যাŽেছ। আমিও তাকিয়ে দেখলাম, নীলকণ্ঠ দুটি দক্ষিণে চলে যাŽচ্ছে। এবার আর তাকে না জিজ্ঞাসা না করে পারলাম না; আŽছা ফিরোজি ভাই, কিছু মনে করবেন না পাখি দুটির সাথে কি কোনো বিশেষ স্মৃতি জড়িয়ে আছে ? আমার কিন্তু কেমন যেন লাগছে। যদিও এভাবে বলাটা বোধ হয় ঠিক হলো না।
ফিরোজি কেমন যেন অন্যমনস্ক হয়ে গেল। মাথা কিছুটা নিচু করেই উত্তর দিল, একা থাকি তো। আমারও তো কারো সঙ্গ দরকার। ওরাই আমার সঙ্গী। চলুন ঘরে ফেরা যাক।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28863455 http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28863455 2008-11-02 13:51:09
সংস্কৃতিজন, নাট্যজন, অভিনেতা আসাদুজ্জামান নূর-এর জন্মদিন সংস্কৃতিজন, নাট্যজন, অভিনেতা আসাদুজ্জামান নূর-এর জন্মদিন

গতকাল ছিল সংস্কৃতজন, নাট্যজন, অভিনেতা আসাদুজ্জামান নূর-এর জন্মদিন। গতকাল ছুটির দিন ছিল বিধায় আজ তাঁকে কেন্দ্র করে সহকর্মীদের জন্মদিন উৎসব।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28862982 http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28862982 2008-11-01 14:36:35
জন্মদিনে হাতে হারিকেন জন্মদিনে হাতে হারিকেন

আমাদের প্রিয় পরাগ ভাইয়ের আজ জন্মদিন। তাকে কেন্দ্র করে আমাদের জন্মদিন উৎসব ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28862146 http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28862146 2008-10-30 18:50:33
রিক্সাঅলা, বাস ও তাজমহলের কাহিনী রিক্সাঅলা, বাস ও তাজমহলের কাহিনী

ইদানিং রিক্সাঅলাদের প্রেস্টিজ জ্ঞান বেড়ে গেছে মনে হয়। আপনি প্রতিদিন হয়ত আগারগাঁ মোড় থেকে বাবর রোড পর্যন্ত ১০ টাকায় যাতায়াত করেন। নিত্যদিনের মতো কোনো এক রিক্সায় চড়ে বসলেন তারপর নেমে হয়ত বিশ টাকার নোট দিলেন। সে আপনাকে ৫ টাকা ফেরত দিল। এ নিয়ে আপনি কথা বললে সে বলবে, এই জন্যই রিক্সায় ওঠার আগে দরদাম ঠিক করে ওঠানো উচিত। আপনি তাকে বললেন যে, ভাই আমি তো প্রতিদিন ১০ টাকা ভাড়া দেই, কেউ তো আপত্তি করে না, আপনি করছেন কেন? সে বলবে, আপনার ভাড়া লাগবে না যান। এই যে আপনাকে সে করুণা করল। এতে আপনি ক্ষিপ্ত হয়ে তার সাথে ঝগড়া করতে পারেন বা ১৫ টাকায় ভাড়া দিয়ে দিতে পারেন আর সেরকম আপনার মেজাজ খারাপ হলে বলতে পারেন, তুমি তো আমার চাইতেও বড়লোক। যাও, নায্য ভাড়া না নিলে আমার করার কী? আমার এরকম অভিজ্ঞতা হয়েছে। রিক্সাঅলারা প্রচণ্ড শারিরীক পরিশ্রম করে, রক্ত ঘামে পরিণত করে টাকা উপার্জন করে, তাই তাদের সাথে ভাড়া নিয়ে ঝগড়া করতে ইচ্ছে করে না। মানবিক কারণেই তাই যা চায় তাই দিয়ে দেই। অনাকাক্সিক্ষত এরকম ঘটনার থাক থেকে রেহাই পেতে তাই স্বল্প দূরত্ব হেঁটে আর বেশি দূরত্ব বাসে যাতায়াত শুরু করলাম। সেখানেও বিপত্তি। টিকিটি কেটেও ভিড় এড়ানো দায়, বাসের মধ্যে দাঁড়ানোরও জায়গা থাকে না। তার উপর হকারের অদ্ভুত কাহিনী বর্ণনা। গতকাল দাঁতের মাজন বিক্রেতার কাছে শুনলাম যে, একদিন নাকি মমতাজ সম্রাট শাজাহানকে বললেন যে, জাঁহাপনা আমার একটা দাঁত ভেঙে গেছে। আমাকে একটা ভালো দাঁতের ব্যবস্থা করে দেন। সম্রাট বলল, বেগম আমি দাঁত কোথায় পাবো বলো। তবে তোমাকে দাঁতের মতো ঝকঝকে তাজমহল বানিয়ে দিচ্ছি।
আমি আশ্চর্য হয়ে তাজমহল তৈরির পেছনের কাহিনী শুনলাম। এটা কি সত্যি নাকি রে ভাই!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28861526 http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28861526 2008-10-29 13:10:37
আজ সাংবাদিক, সংস্কৃতিজন সুকান্ত গুপ্ত অলকের জন্মদিন আজ সাংবাদিক, সংস্কৃতিজন সুকান্ত গুপ্ত অলকের জন্মদিন

আজ সাংবাদিক, সংস্কৃতিজন সুকান্ত গুপ্ত অলকের জন্মদিন। তাঁকে কেন্দ্র করে সহকর্মীদের জন্মদিন উদযাপন এবং সেই মুহূর্তের কিছু ছবি।




]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28861034 http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28861034 2008-10-28 14:10:42
প্রথম আলো ব্লগ নিয়ে কিছু কথা, কিছু মত, ভিন্নতা প্রথম আলো ব্লগ আসার আগেই তাকে কেন্দ্র করে একধরনের বিতর্ক জমে উঠেছে। এ বিষয়ে সকলের মতো আমারও কিছু ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ আছে। যেমন :

১) প্রথম আলো ব্লগের জন্য প্রথম ৩/৪ মাস খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেননা আমার ধারনা যে, তারা আক্রান্ত হবে ব্লগারদের দ্বারা। প্রথম আলো পত্রিকার যা কিছু ভালো তার সাথে প্রথম আলো মার্কা শ্লোগানের সাথে বর্তমান তরুণ প্রজন্ম একমত নয়। তারা প্রথম আলোকে একটু বাঁকা চোখেই দেখে। এ সামরিক সরকারের সমর্থনদাতা, খতিবের কাছে নিলর্জ্জ আত্মসমর্পন, গুড়োদুধে মেলামাইন নিয়ে তাদের দেরিতে প্রতিক্রিয়াসহ নানান কার্যক্রমে প্রশ্নবিদ্ধ এই প্রতিষ্ঠানটির সততা এবং উদ্দেশ্য। ফলে তাদের বিরুদ্ধে কথা বলার একটা প্লাটফর্ম পেয়ে মনের সুখে তারা ঝাল ঝাড়বে মনেই আমার মনে হয়।
২) প্রথম আলোর ব্লগীয় নীতিমালায় দেখতে পাই যে, তারা ব্লগে প্রকাশিত কোনো লেখাকে তাদের দৈনিকে প্রচারের উপযোগী মনে করলে লেখকের সম্মতি নিয়ে তা প্রকাশ করবে। এর সাথেও ব্লগাররা অনেকক্ষেত্রে আপত্তি করতে পারে বলে আমার ধারনা। তাদের এরকম ভাবনার আর একটি অর্থ হতে পারে যে, প্রথম আলো তাদেরকে তাদের পত্রিকার লেখক, সাংবাদিক মনে করছে। তারা তো প্রথম আলোর কাছে দায়বদ্ধ না। এটা ভার্চুয়াল জগত। আমার এ ধারনার পেছনে কারণ হচ্ছে যে, ব্লগে এমন অনেক ভালো লেখা পাঠ করেছি যার লেখকরা অনেকেই দৈনিকে লেখেন না কিংবা দৈনিকের বিরুদ্ধভাবাপন্ন।
৩) ব্লগে অনেক খ্যাতনামা ব্যক্তি আছেন যাঁরা ছদ্মনামে লেখেন। এখন সমস্যা দেখা দেবে যে তাদের লেখা যখন মনোনীত হবে তখন কি নামে তাদের লেখা ছাপা হবে। যদি ছদ্মনামে ছাপা হয় তবে প্রথম আলোর ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ হবে আবার যদি মূল নাম প্রকাশিত হয় তবে ঐ লেখকের ছদ্মনামের প্রয়োজনীয়তা ফুরাবে। তবে কি প্রথম আলো ব্লগ ছদ্মনামে লেখাকে নিরুৎসাহিত করতে চায়। যদি তাই হয় তবে ব্লগারের সংখ্যা কমবে বলে মনে হয়।
৪) প্রথম আলো ব্লগে প্রচলিত ধর্মীয় ও সামাজিক কোনো শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিকে হেয় করে কোনো বক্তব্য প্রকাশ করা যাবে না। তাহলে, তাদের অনাচারগুলোর বিপক্ষে কি ব্লগাররা কিছু বলতে পারবেন না? কোনো রাজাকার যদি সমাজে প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তি বনে যায়। তাহলে কি আমরা তার বিরুদ্ধে কিছু বলতে পারব না বা কোনো রাজনৈতিক নেতার দূর্নীতির চিত্র আমরা প্রকাশ করতে পারব না?
৫) একই ব্লগার জরুরি প্রয়োজন ছাড়া প্রথম পাতায় একটির বেশি পোস্ট দিতে পারবে না। তার মানে দাঁড়ায়, ব্লগারদের মত প্রকাশের ক্ষমতাকে খর্ব করা।

তাদের নিয়মকানুন নিয়ে আরো মতামত আছে কিন্তু পোস্টটার আকার বেড়ে যাবে বলে আপাতত ক্ষান্ত দিলাম। সার্বিক দিক দিয়ে ভেবে আমার মনে হয়েছে যে, এটা সচলায়তনের একটা ওপেন ভার্সন হতে যাচ্ছে। এবং এটি কোনো ভাবেই সামহয়ায়ের জনপ্রিয়তাকে অতিক্রম করতে পারবে না। এটা তথাকথিত বুদ্ধিজীবিদের একটা ভার্চুয়াল প্লাটফর্ম হবে বা যারা বুদ্ধিজীবি হতে চান তাদের জন্য প্রথম আলো ব্লগ সাহায্যকারী হবে। সাধারণ ব্লগারদের এটা প্রাণের জায়গা হবে না বলেই আমার বিশ্বাস।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28860483 http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28860483 2008-10-27 13:16:54
বাস, সুন্দরী ও হকার বিষয়ক কিছু জটিলতা বাস, সুন্দরী ও হকার বিষয়ক কিছু জটিলতা

এই প্রচণ্ড রোদ্দুরে কোথাও ঠাঁই দাঁড়িয়ে থাকা মানে হচ্ছে, জ্বলতে জ্বলতে শরীরটাকে কয়লা করা। বাসের জন্য দাঁড়িয়ে আছি। কিন্তু বাস কোথায়? দিবানিশি বাস মানেই হচ্ছে ধৈর্যের পরীক্ষা। এই পরীক্ষায় সফল হলেই তবেই না আপনি একটা ভালো সিট পাবেন, গন্তব্যে যেতে পারবেন। ২৭ নম্বরে এইভাবেই দাঁড়িয়েছিলাম। হঠাৎ করে এক সুন্দরী এসে দিবানিশির টিকিট কাটল। তাকে দেখেই মনটা ভালো হয়ে গেল। ঐ প্রচণ্ড রোদ্দুরে কয়লা হতে হতেও মনটা চনমন করে উঠল। মাঝ দুপুরে গুনগুন গান গলায় উঠে আসলো, কবিতা পড়ার সময় এসেছে...।
একসময় বাস এল, উঠলাম। ভাগ্যক্রমে তার পাশেই সিট পড়ল। মনটা এই গরম, জ্যাম, ঘামের গন্ধের মাঝেও অসম্ভব রকম ফুরফুরে। বসুন্ধরা সিটি মার্কেটের সামনে এসে লম্বা অপেক্ষা। আমি জানালার পাশে বসে বসুন্ধরার অপরূপ রূপ দেখে ঐ রমনীর রূপের তারিফ করছিলাম মনে মনে। সরাসরি আর কতক্ষণ তাকিয়ে থাকা যায়। যা হোক হঠাৎ দেখি ৭/৮ বছরের একটা ছেলে পপকর্নের কয়েকটা প্যাকেট নিয়ে এই পপকর্ন করতে করতে রাস্তার ধারে বসে পড়ল। প্রথমে আমি ভাবলাম তার পপকর্নের প্যাকেট বোধহয় পড়ে গিয়ে থাকবে। কিন্তু না। সে বমি করতে শুরু করল। ফেনামিশ্রিত ফ্যাকাসে-হলদে পানি। একটার পর একটা গমকে উঠে আসছে তার পেটের অভ্যন্তরে যা কিছু আছে। সে বমি করছে আর মাথাটা চেপে ধরছে। তার বমি দেখে মনে হলো, সকাল থেকে তার পেটে কোনো কিছুই পড়েনি। একসময় তার বমি শেষ হলে দেখি, পাশেই একটা নল থেকে বসুন্ধরার ভেতর থেকে একটা পানির ধারা গড়িয়ে নামছে। ছেলেটি অবলীলায় সেই পানি দিয়ে মুখ ধুলো, পানি খেল। আমি চোখ ফেরাতে পারলাম না। যেমনটা পারিনি প্রথম দেখা সেই সুন্দরীকে দেখে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28858597 http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28858597 2008-10-23 13:02:06
শরীরটা নাস্তিক, আত্মাটা আস্তিক শরীরটা নাস্তিক, আত্মাটা আস্তিক

আমার কাছে শরীরটাকে নাস্তিক মনে হচ্ছে, আর আত্মাটাকে আস্তিক মনে হচ্ছে। আমি সংশয়বাদী মানুষ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28838728 http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28838728 2008-09-04 17:34:49
পোল্যান্ডের কবি চেসোয়াভ মিউজ-এর কবিতা পতন
চেসোয়াভ মিউজ

কোনো মানুষের মৃত্যু আসলে কোনো শক্তিশালী জাতির পতনের মতো
যার ছিলো সাহসী সেনাদল, কাপ্তান আর প্রবক্তা,
আর সমৃদ্ধ সব বন্দর আর সাত সাগরে যত জাহাজ,
কিন্তু এখন তো সে আর উদ্ধার করবে না কোনো আক্রান্ত নগরী,
কোনো মৈত্রীচুক্তিতেই সে আর প্রবিষ্ট হবে না,
কারণ তার নগরীগুলো প‘ড়ে আছে শূন্যে, তার জনগণ ছত্রভঙ্গ,
তার যে-মাটি একদিন ফসল ফলাতো এখন তা কাঁটাঝোপে ছাওয়া,
তার আদিষ্ট কাজ বিস্মৃত, তার ভাষা অপহৃত,
অনধিগম্য-সব পাহাড়ের চূড়োয় কোনো গ্রামের আঞ্চলিক ভাষা।
(অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়)
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28835568 http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28835568 2008-08-27 13:29:14
সেলিম আল দীন কেন দীন হলেন না আরো অনেকের মতন! সেলিম আল দীন কেন দীন হলেন না আরো অনেকের মতন!
রবিউল করিম

সেলিম আল দীনকে নিয়ে, তাঁর নাটক নিয়ে নানান পণ্ডিতজন নানা ভাষণ দিয়েছেন এবং তা নমস্য। আমার এই লিখনের সাথে তার কোনো মিল-অমিল খুঁজতে চাওয়াটা বোকামী হবে পূর্বেই পাঠককে এটি জানিয়ে রাখতে চাই। আমি একজন সাধারণ দর্শক হিসাবে এ ক’দিন তাঁর জন্মোৎসবকে ঘিরে নাটক উপভোগ করলাম শিল্পকলা মিলনায়তনে। যার অন্যতম আয়োজক ছিলো ঢাকা থিয়েটার। যৈবতী কন্যার মন, প্রাচ্য, নিমজ্জন, হরগজ এই চারটি নাটক সেখানে মঞ্চস্থ হয়েছে। প্রতিটি নাটক দেখার পরই একরাশ মৃত্যু, মৃত্যুকেন্দ্রিক চিন্তা আমাকে অবশ, বিপর্যস্ত করে ফেলেছিল। আমার মাঝে প্রশ্ন জেগেছিল, কেন তিনি শুধু মৃত্যু নিয়ে, মানবিক বিপর্যয় নিয়ে নাটক লিখেছেন। হাসি নিয়ে নয়, জয় নিয়ে নয়। শুধু কেন পরাজয়, হতাশা, মৃত্যু। প্রাচ্য রীতিতে যখন থেকে তিনি লিখতে শুরু করলেন তখন থেকেই তাঁর ভেতরে এই চৈতন্য আমাকে বিস্মিত করে। অথচ এই তিনিই তো লিখেছিলেন, মুন্তাসির ফ্যান্টাসি, জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন এসব। তবে কি এই প্রাচ্যই মৃত্যুকে ঘেরা এক উপাখ্যান। নাকি সেই তুমুল আলোচিত সেই বাক্য, মৃত্যু কেন্দ্রিক সাহিত্য বা শিল্পই জগতে টিকে থাকে, অন্য সব মরে যায়। সেই দার্শনিক জায়গা থেকেই কি তিনি অমর হবার বাসনায় ক্রমাগত লিখে চলেছিলেন এসব? দ্বৈতাদ্বৈতবাদ। তখন তাঁকে ভয়াবহ চতুর বলে মনে হয়। তার চতুরতার আরো বিবরণ শুনি যখন তার ছাত্ররা বলে যে, জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নাট্যকলা বিভাগে তিনি এমন সব মূর্খদের শিক্ষক বানিয়ে দিয়ে গেছেন যা কল্পনাতীত। কেননা তিনি ভালো করেই জানতেন, জ্ঞানীরা পূজা করেনা, মুর্খরা পুজা করে। তিনি পুজিত হতে ভালবাসতেন। তিনি গুরুবাদী তরিকায় বিশ্বাস করতেন। গুরু-শিষ্য পরম্পরা। অথচ দেখি তার শিষ্যের সংখ্যা প্রচুর হওয়া সত্ত্বেও কেউই তাঁকে ধারন করতে পারেন নি সমূহভাবে। তবে কি তিনি প্রকৃতঅর্থেই কোনো শিষ্য তৈরি করতে চাননি? নাকি অক্ষমতা? এক্ষেত্রেও তাকে চতুর বলে মনে হয়। কেননা, তিনি জানতেন একালের শিষ্যরা বড়ই অকৃতজ্ঞ। তাঁর মুত্যৃর পর হয়ত সমূহ কীর্তিই শিষ্যের দ্বারা অবমূল্যায়িত হতে পারে এই ভেবে তিনি তেমন কাউকে রেখে যাননি আমাদের কাছে। তিনি বরং ভরসা রেখেছিলেন আপামর মানুষের উপর। যারা তাকে ঠকাবে না। তিনি ঠকতে চাননি। এখানে তাকে ভীষণ ভীতুমানুষ ছিলেন বলে আমার মনে হয়! তাঁর মনোজগত কেন এসব দ্বারা তাড়িত ছিল তা বিস্ময়কর ঠেকে। আমাকে ভীষণ দোদুল্যমান করে তোলে তার এইসব চেতনা। তাঁর দ্বৈতাদ্বৈতবাদ। এই জন্যই কি তিনি মৃত্যু নামক এমন একটি বিষয় নিয়ে লিখতে শুরু করলেন যাকে প্রশ্ন করা যায় না। যাকে শুধু পুজা করা যায়। আমি আবারো ভাবি, আচ্ছা, সেলিম আল দীন যদি ঢাকা থিয়েটারের সাথে যুক্ত না হতেন তবে কি ঘটত? এগুলো কি নাটক পদবাচ্য হতো? নাসিরুদ্দিন ইউসুফ যদি তার বন্ধু না হতেন? তবে কি একটা নাট্যসংগঠন ক্রমাগত তাঁরই নাটক নিয়ে পড়ে থাকত? এসব প্রশ্ন আমাকে ভাবায়। আর আমি ভাবি, সংগঠন জিনিসটাই কি ভয়াবহ! যা নিজেই একসময় অস্বীকার করে বসে নিজেকে। আর বন্ধ্যাত্বের কথা নাই বা বললাম। তবে কি ভেবে সেলিম আল দীন সংগঠনের খপ্পরে পড়তে গেলেন? তখনও আমার মনে হয় তিনি ভীষণ চতুর। তিনি জানতেন যে সংগঠন ছাড়া কোনো আদর্শকে বা চিন্তাকে জনগণের মধ্যে প্রচার করা তার পক্ষে সম্ভব নয়। তিনি সংগঠনের ভয়াবহতার কথা মাথায় রেখেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। ভেবেছিলেন, তার লেখনীর শক্তিই একসময় সংগঠনের কুপমন্ডুকতার বাইরে নিয়ে আসবে, তিনি সবার হয়ে উঠবেন। এমন প্রত্যাশা তাঁর ছিল। তিনি দেখেছিলেন, আরো আরো সব মহারথীদের মৃত্যু। যা কিনা সংবাদের শিরোনাম ভিন্ন কিছু নয়। তাই তিনি আয়োজন করে গিয়েছিলেন এসব অমর হবার উপকরণ। তাই তো দেখি তাঁর মৃত্যুকে ঘিরে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে হাজার হাজার মানুষ। শামসুর রাহমান মারা গেলেন, মাহমুদুল হক মারা গেলেন, সমুদ্র গুপ্ত মারা গেলেন, আবদুল্লাহ আল মামুন মারা গেলেন কিন্তু বিস্ময়করভাবে তাঁদের ঘিরে কোনো উৎসব পালিত হয় না, মনে রাখে না মানুষ, দুএকটা সভা-সেমিনার ভিন্ন। অথচ সেলিম আল দীনের দিকে তাকান, তিনি কি ভয়াবহরূপে উপস্থিত। আমার মনে হয় যে মৃত্যুসাধনা তিনি করে গিয়েছিলেন জীবদ্দশায় শবসাধকের ন্যায়। এ যেন তারই প্রতিদান। মৃত্যুর মধ্য দিয়ে তার পুনর্জন্ম ঘটেছে। এইবার তার প্রতিদ্বন্দ্বি শুধু তিনি। এখানে তাকে হারাবার কেউ নেই। সারা জীবন যে অমূল্য সম্পদ নিয়ে শংকিত ছিলেন হারানোর ভয়ে। তাকে তিনি জয় করলেন। এখানেও তিনি দ্বৈতাদ্বৈতবাদী।
তাঁর নাটক দেখতে দেখতে আরো একটি বিষয় আমাকে ভাবিত করল, কোথায় তাঁর নিজস্বতা বা মৌলিকত্ব? তাঁকে তো ব্লেন্ডার মেশিন ভিন্ন কিছু মনে হয় না! আমাদের প্রাচীন যেসব সাহিত্য, ভাবনা তাকেই তিনি বর্তমানের সাথে মিশিয়ে দিচ্ছেন, এ আর নতুন কি? নাট্যকার হিসাবে তখন তার দেশজোড়া খ্যাতিকে অস্বীকার করতে ইচ্ছে করে। বরং মনে হয় তিনি বড় কবি। কথার যে ইন্দ্রিয়জাল বুনে তিনি একবার আমাদের নিয়ে যান প্রাচীনে আবার বর্তমানে, যে অভাবিত দৃশ্যকল্প তৈরি করেন তা তো এক কবিরই কাজ। অথচ শুনেছি জীবদ্দশাই তিনি নাকি কবি এই ডাকটির জন্য মুখিয়ে থাকতেন। কেউ যদি তাঁকে কবি বলে ডাকত তবে তিনি খুব খুশি হতেন। তিনিও জানতেন, তিনি কবি ভিন্ন কিছু নয়। একমাত্র কবিরই কল্পনায় থাকে জগতের সমূহ জ্ঞান।
তাই একেকবার মনে হয়, সারাটি জীবন তিনি শুধু দ্বৈতেরই চর্চা করে গেছেন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28834713 http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28834713 2008-08-25 12:48:32
গোলাপচাদরে শুয়ে, দোলনায় দুলে ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে যায় স্বপ্ন শিশুরা।
গোলাপচাদরে শুয়ে, দোলনায় দুলে ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে যায় স্বপ্ন শিশুরা।

যখন আপনি শুয়ে থাকবেন, ধরুন কোনো প্রান্তরে- খোলা আকাশের নিচে; মাথার ওপরে তারকাখচিত সামিয়ানা ও চাঁদ, দু একটা গাছ খেজুর বা নারিকেল, পাশেই নদীর কুলকুলু শব্দে বয়ে যাওয়া, কাশবন, গরুর পাল, রাখাল; যেমনটা একটা ল্যান্ডস্কেপ এঁকে থাকে আবহমান মাটির শিল্পীরা কিংবা ধরুন আপনার নিজের ঘরটিতেই পরিপাটি বিছানায়, আপনার শরীরের সাথে লেগে আছে চাদরের গোলাপ, দেয়ালে আঁটকানো বসন্ত দিনপঞ্জি, নীলাভ আলোর মায়াময় রাত আপনাকে ঘিরে; একটা বিস্তৃর্ণ চরাচর জুড়ে শুধু আপনার স্বপ্নরা হেসেখেলে, গায়ে জল ছিটিয়ে দোলনায় ঝুলে ক্লান্ত হয়ে শুয়ে পড়েছে- আপনিও। কিন্তু ঠিক এ রকমই কোনো রাতে, কোনো প্রান্তরে সে স্থানটিতেই গোলাপ ছোঁয়া শরীর, স্বপ্নশিশুর কলহাস্য, এরকম সামিয়ানা, চাঁদ, কত যুগ, নিযুত আলোকবর্ষ ধরে ঠিক এভাবেই, একই প্রান্তরে, গোলাপচাদরে শুয়ে, দোলনায় দুলে ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে যায় স্বপ্ন শিশুরা।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28830470 http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28830470 2008-08-13 16:48:59
কম্পিউটার গুরুরা সমাধান দেন কম্পিউটার গুরুরা সমাধান দেন

.avi file ওপেন করতে পারছি না। open করতে চাইলেই ম্যাসেজ আসছে
Fatal error: installation corrupted- pls reinstall NERO.
আমি কথামতো নিরো আবার ইনস্টল করেছি। কোনো এরর ছ্ড়াাই ইনস্টল হয়েছে। কিন্তু আবার ঐ এভিআই ফাইল ওপেন
করতে চাইলে একই ম্যাসেজ আসছে। আমি Divx player দিয়ে ফাইলটি চালাতে গেলেও একই ম্যাসেজ আসছে। মিডিয়া প্লেয়ার দিয়ে চালালে শুধু একটা মিউজিক বাজে। কম্পিউটার গুরুরা এর সমাধান দেবেন কি?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28827973 http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28827973 2008-08-06 13:20:40
হে বন্ধু আমার হে বন্ধু আমার

আজকের দিনটিতে মনে পড়ে তোমাদের...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28826868 http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28826868 2008-08-03 12:08:31
মাতৃত্ব মাতৃত্ব

মা এমনই, তা সে মানুষই হোক, কুকুর, বিড়াল যাই হোক না কেন, সন্তানের প্রতি মাতৃত্ব থাকে তার একইরকম। এরকম আমার তোলা ছবি নিয়ে এ পোস্ট। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।

ছবির কপিরাইট : লেখকের।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28826838 http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28826838 2008-08-03 10:57:25
নদীচিত্র নদীচিত্র


কয়েকদিন আগে বাবার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিলাম। আমাদের গ্রামের বাড়ি একেবারে নদীর পাড়ে। তাই ইঞ্জিনচালিত নৌকায় করে পরিবারের সবাই যাত্রা শুরু করেছিলাম। যাত্রাপথে নদীকেন্দ্রিক কিছু ছবি তুলেছিলাম- যা আমার শৈশব।
আপনাদেরও ভালো লাগবে এমন ভেবে কিছু ছবি পোস্ট দিলাম।

ছবির কপিরাইট : লেখকের]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28824299 http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28824299 2008-07-26 12:15:00
টিভির পর্দায় মুখ দেখানো জন্য এভাবে আপনাদের স্বজনদের আপনারা বিকিয়ে দেবেন না, প্লিজ। টিভির পর্দায় মুখ দেখানো জন্য এভাবে আপনাদের স্বজনদের আপনারা বিকিয়ে দেবেন না, প্লিজ।

আমাদের প্রিয় কবি সমুদ্র গুপ্তের মরদেহ আজ সকালে প্রথমে আজিজ সুপার মার্কেটে আনা হয় সেখানে মার্কেট কেন্দ্রিক তাঁর জীবৎকালের সুহৃদরা শেষবারের মতন শ্রদ্ধা জানায়। তারপর সেখান থেকে শহীদ মিনার চত্তরে তাঁর মরদেহ আনা হলে কবি, লেখক, বুদ্ধিজীবি, আবৃত্তিজন, রাজনীতিবিদ, নাট্যব্যক্তিত্বসহ সর্বস্তরের মানুষ ফুল দিয়ে, চোখের জলে এই সদা কর্মচঞ্চল, আড্ডাবাজ প্রিয় মানুষটিকে শ্রদ্ধা জানায়।
কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে লক্ষ করা গেছে যে, আজিজ সুপার মার্কেট এবং শহীদ মিনার চত্তরে অসংখ্য টিভি ক্যামেরার মাঝে একটি বিশেষ টিভি ক্যামেরায় “আজিজ মার্কেট শাহবাগ ঢাকা ১০০০” নাটকের শ্যুটিং। আরো দুঃখজনক যে, সেসব দৃশ্য চিত্রায়নে তাঁর জীবৎকালের বন্ধুরা এক একজন চরিত্র হিসাবে আড্ডা দিয়েছে এবং সেসব ধারন করা হয়েছে।
এখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে যে, যেখানে আমাদের শোকের সাগরে ভাসিয়ে একজন কবি পরলোকে যাত্রা করছেন সেখানে আমাদের এই কান্নাকে কি এভাবেই বিপণন করব আমরা?
কজন কাণ্ডজ্ঞানহীন মানুষ আমাদের এই শোককে ধারন করে টিভিতে চালিয়ে দেবে আর আমরা তা মেনে নেব?
যখন সমুদ্রগুপ্ত স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি, আমরা তাঁর চিকিৎসার জন্য ব্লগে লিখছি, টাকা তুলছি, অনুষ্ঠান করছি তখন কোথায় ছিল সেই আজিজ সুপার মার্কেটে নাটকের পরিকল্পনাবিদ, পরিচালক? তারা কত টাকা দিয়ে সাহায্য করেছেন এই কবিকে? মানুষের এই বিশেষ মুহূর্তের অনুভুতি নিয়ে না খেলার জন্য অনুরোধ করছি সেই জ্ঞানপাপীদের। জানিনা তাদের কর্ণকুহরে এই বাণী পৌঁছবে কিনা।
আমাদের প্রাণপ্রিয় আজিজ সুপার মার্কেটটিকে আপনাদের অভিনয় প্রতিভা দিয়ে এমনিতেই আপনারা যেভাবে বিকৃত করেছেন তাতে এখন পরিবার পরিজনের সামনে বলতে সংকোচ হয় যে, আমি এখনো আজিজ মার্কেটে আড্ডা দেই। যেন, আজিজ সুপার মার্কেট মানেই, কিছু পাগল, গাঁজাখোর, কবি যশপ্রার্থী, উদ্ভট মানুষ এবং প্রেমকলা শেখার একটা আদর্শ স্থান। জানিনা মার্কেট কর্তৃপক্ষকে কত টাকায় বশ করা হয়েছে।

টিভির পর্দায় মুখ দেখানো জন্য এভাবে আপনাদের স্বজনদের আপনারা বিকিয়ে দেবেন না, প্লিজ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28823018 http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28823018 2008-07-22 16:24:54
কপিরাইট বিষয়ে কর্তৃপক্ষের মতামতের জন্য ধন্যবাদ। কপিরাইট বিষয়ে কর্তৃপক্ষের মতামতের জন্য ধন্যবাদ।
কপিরাইট নিয়ে যে অচলাবস্থা এবং সন্দেহ শুরু হয়েছিল আমার কপিরাইট বিষয়ক পোস্টটিকে ঘিরে তার প্রেক্ষিতে কতৃপক্ষের উত্তর আমাদের সকল সন্দেহ দূর করবে বলে আমি বিশ্বাস করি। অতএব ব্লগারগণ এখন থেকে মৌলিক লেখা ব্লগে প্রকাশের আর েকানো বাধা রইল না। এজন্য সকল সহমত পোষণকারী ব্লগার ও ব্লগ কতৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

comment by: নোটিশবোর্ড বলেছেন: 'বাঁধ ভাঙ্গার আওয়াজ' এ প্রকাশিত প্রতিটি লেখার স্বত্ব ও দায়দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট লেখকের। ব্লগে প্রকাশিত যেকোন লেখা সংশ্লিষ্ট ব্লগারের পূর্বানুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সামহোয়্যার ইন সমর্থন করে না। সামহোয়্যার ইন এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ব্লগারদের অনুমতি ছাড়া কোন লেখা অন্য কোথাও প্রকাশ করে নি এবং সেরকম কোন ইচ্ছাও সামহোয়্যার ইন এর নেই।

ব্লগ রেজিস্ট্রেশনের শর্তাবলীতে এ ব্যাপারে কিছুটা অস্পষ্টতার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। ব্লগ শর্তাবলীতে কপিরাইট সংক্রান্ত অস্পষ্টতা দূর করার জন্য অতি শীঘ্রই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

শুভ ব্লগিং।


বিস্তারিত:http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28812493]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28812533 http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28812533 2008-06-22 18:23:00
ব্লগ কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করছি, কপিরাইট নিয়ে আলোচনায় বসুন, পুনরায় ভাবুন। ব্লগ কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করছি, কপিরাইট নিয়ে আলোচনায় বসুন, পুনরায় ভাবুন।
গত২/৩ আগে ব্লগে আমাদের মৌলিক লেখালেখির কপিরাইট নিয়ে একটি পোস্ট দিয়েছিলাম। যাতে সকল ব্লগার এই বিষয়ে আলোচনার দাবী উত্থাপন করেছিল। আমি শুধু কয়েকিট লাইন উদ্ধৃত করছি:
সকল ব্লগার ভাইকে অনুরোধ করছি অনুগ্রহ করে তাদের এই শর্তগুলো পড়ুন এবং উপলব্ধি করুন। আপনি কি জেনেই আপনার সকল সৃষ্টিশীল কর্মের কপিরাইট বা ব্যবহারের অধিকার দিয়ে দিচ্ছেন? আপনার ব্লগে লেখা গল্প, কবিতা বা অন্য কোনো লেখা হয়ত আগামীকালই প্রথমআলো, দিনকাল, সংগ্রাম-এ প্রকাশিত হচ্ছে বা হবে। ভেবে দেখেছেন কি? আপনার মৌলিক লেখার কপিরাইটটা কার? আপনার না সামহোয়ারের?
সামহোয়্যার ইন... ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলী:
কপিরাইটের ব্যাপারে সতর্ক থাকুন। আপনার স্বত্তাধিকার থাকলে তা উল্লেখ করুন (যদি প্রয়োজন হয়)। মনে রাখুন, আপনি যে সমস্ত লেখা এখানে পোস্ট করছেন, তা 'সামহোয়্যার ইন নেট লিমিটেড' কোম্পানীর অন্যান্য মিডিয়া চ্যানেল গুলোতেও ব্যবহারের অধিকার রাখে।;
বিস্তারিত লিংক :http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007
সে প্রেক্ষিতে কবি ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব পারভেজ চৌধুরি প্রথম আলোর সূত্র ধরে এপির সাথে ব্লগারদের আলোচনা নিয়ে একটি পোস্ট দেন তাতেও ব্লগাররা সহমত পোষণ করে মতামত দেন। লিংক:http://www.somewhereinblog.net/blog/pc

আজ কবি ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব আলফ্রেড খোকন আমাকে উদ্ধৃত করে একটি পোস্ট দেন যাতে তার মৌলিক লেখা ব্লগ থেকে মুছে দেন। লিংক :http://www.somewhereinblog.net/blog/alfredblog
কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক যে কতৃপক্ষ তার সে লেখাটি সরিয়ে ফেলে প্রথম পাতা থেকে। এতে করে তাদের প্রতি আমাদের সন্দেহ আরো ঘনীভুত হয়। তারা েয কপিরাইট নয়ে একটা টালবাহানা করছেন এবং সুযোগ খুছছেন তা স্পষ্ট হয়। তা অত্যন্ত ঘৃন্য।
আমি অনুরোধ করছি তারা যেন আর সময় ক্ষেপন না করে অত্যন্ত দ্রুত এ ব্যাপারে ব্লগারদের সাথে আলোচনায় বসেন। আমরা কেউই চাই না, মৌলিক লেখা ব্লগ থেকে হারিয়ে যাক। ব্লগ শুধু রাজনীতির আখড়ায় পরিনত হোক। ধন্যবাদ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28812493 http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28812493 2008-06-22 16:06:34
সকল ব্লগারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। অতীব জরুরি!!! সামহোয়ার শর্ত ভালো করে পড়ুন। সামহোয়্যার ইন... ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলী:
উদারতা: ব্লগ ব্যবহারের নিয়মকানুন এবং শর্তগুলো মনে রাখুন। অন্যদের সেভাবে দেখুন, নিজেকে এখানে যেভাবে দেখতে চান। সহনশীলতা: বিভিন্ন জনের বিভিন্ন মতামত প্রকাশের এটি একটি খোলা জায়গা। ধর্ম, রাজনীতি বা সাংস্কৃতিক দিক থেকে চিন্তাধারা এবং মতামতের ভিন্নতা থাকবেই। তবে অবশ্যই তা আক্রমনাত্বক বা উষ্কানীমূলক নয়। এক্ষেত্রে সকলের সহনশীলতা একান্ত প্রয়োজন। প্রাসঙ্গিকতা: আলোচনা, সমালোচনা বা যে কোন ধরনের পোষ্টয়ের ক্ষেত্রে সবসময় প্রাসঙ্গিক থাকুন। আপনার সুস্পষ্ট, গঠনমূলক ও প্রগতিশীল লেখা,লেখক ও পাঠক তথা গোটা সমাজের পরিবেশের মঙ্গলের জন্যই। উৎস উল্লেখ করা: আপনার লেখায় অন্য কারো লেখা বা বই (তা সে বিখ্যাত বা অখ্যাত যাই হোক) থেকে উদ্ধৃতি আসতেই পারে।সেক্ষেত্রে পরিস্কারভাবে তা উল্লেখ করুন। কপিরাইটের ব্যাপারে সতর্ক থাকুন। আপনার স্বত্তাধিকার থাকলে তা উল্লেখ করুন (যদি প্রয়োজন হয়)। মনে রাখুন, আপনি যে সমস্ত লেখা এখানে পোস্ট করছেন, তা 'সামহোয়্যার ইন নেট লিমিটেড' কোম্পানীর অন্যান্য মিডিয়া চ্যানেল গুলোতেও ব্যবহারের অধিকার রাখে।;

আবার তাদের ঘোষণায় বলা হচ্ছে:

কোন পণ্য কিংবা সেবা বিষয়ে তথ্যভিত্তিক পোস্ট না দিয়ে তার বিজ্ঞাপণমূলক পোস্ট সরিয়ে দেয়া হতে পারে।

তাহলে কি ধরে নেব তারা যে বিজ্ঞাপন প্রকাশ করবে তাতে বিস্তারিত তথ্য থাকবে। যদি না থাকে তবে কি তাদের জন্যও এটি প্রযোজ্য হবে। আর তারা বিজ্ঞাপন দিতে পারলে আমরা কেন দিতে পারব না।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28811342 http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28811342 2008-06-19 14:59:55
জামিন অধিকার নয়!!! আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদে ঘোষিত অধিকার সম্পর্কে বলা হয়েছে, রাষ্ট্র এ ধরনের অধিকার স্থানীয় আইনে আন্তভূক্ত না করা পর্যন্ত এর কোনো কিছুই কার্যকর বা বহাল করার এখতিয়ার আদালতের নেই।
আপনাদের মতামত আশা করছি।
সমকালের লিংকটা কাজ করছে না বলে লিংক দিতে পারলাম না। দুঃখিত।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28811321 http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28811321 2008-06-19 14:29:21
শুরু হয়ে গেছে মামু। http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28811246 http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28811246 2008-06-19 11:39:22 সামহয়ারে বিজ্ঞাপন বিতর্ক। ১. বিজ্ঞাপন দাতাদের সম্পর্কে আমাদের ধারনা কতটুকু স্বচ্ছ?
আমার মনে হয় আমাদের ধারনা তেমন স্বচ্ছ নয়, কেননা আমার অভিজ্ঞতায় বলে যে, যারা বিজ্ঞাপন দেয় তারা একটা এডিটরিয়াল লাইনও ঠিক করে দেয়। কি প্রকাশ করা যাবে, কি প্রকাশ করা যাবে না। আমার মনে হয় এটা স্বাধীন মতপ্রকাশে হস্তক্ষেপ করে। অতীতেও কেরেছে, এখনো করছে, ভবিষ্যতেও করবে। তার নিকট অতীত উদাহরন, আমাদের সময়ের প্রথম পৃষ্ঠা ফাকা। এটা দিয়েই প্রমাণিত হয় তারা কতটা শক্তিশালী।
এখন আমরা কি বিজ্ঞাপনের পক্ষে দাঁড়িয়ে তাদের এই অবস্থানকেই শক্তিশালী করব না?
২. কর্পোরেট বিজ্ঞাপনদাতা যেমন গ্রামীন ফোন, বাংলা লিংক এরা যেহেতু বিদেশী কোম্পানী সেহেতু তাদের কাছ থেকে বিজ্ঞাপন নিয়ে মনের ঝাল কিছুটা মেটানো।
সত্যি কি তা সম্ভব? তারা কিন্তু তাদের প্রয়োজনের স্বার্থেই বিজ্ঞাপন দেয়। করুনা করে নয়। বিজ্ঞাপন না দিলে তাদের বিপনণে ধস নামে। একটা ছো্ট্ট উদাহরণ দেই, বাংলা লিংক তাদের দিন বদলের পালা বিজ্ঞাপন দিয়ে গ্রামীণ ফোনের ব্যবসার ধস নামিয়ে দিয়েছিল ১ বছর। বাধ্য হয়ে গ্রামীণ ফোন তাদের পে-অফ লাইন আমরা আপনাদের পাশে সবসময় বদলে কাছে থাকুন-এ আসতে বাধ্য হয়েছে। এই যে বিজ্ঞাপন দিয়ে মানুষের কাছে থাকা এটা তো করতে তারা বাধ্য। আমরা কেন ভাবছি যে তাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে আমরা বাহাদুর সাজব? তারা বাধ্য হয়েই বিজ্ঞাপন দেবে, এটা সেটা গিফট দেবে তারপর আপনাকে তাদের অন্তুভূক্ত করবে।
উদাহরণ: ইংরেজরা আমাদের বিনে পয়সায় চা খাওয়া শিখিয়েছিল কিন্তু পরে তারা চা কিনতে বাধ্য করেছিল।
এরকম নানান কথাই বলা যায়। কিন্তু তাতে কি কোনো লাভ আছে? সামহোয়ার তো আগেই সিদ্ধান্ত নিয়ে বসে আছে তারা বিজ্ঞাপন নেবে। আমাদের কাছ থেকে শুধু একটু মতামত নেয়া। যেমনটা আমরা বাড়িতে হরহামেশাই করে থাকি, ছোটদের বলি তাদের কিকি আবদার অথচ আগেই ঠিক করে রাখি কাকে কি দেব।
যাই হোক, আমার বক্তব্য পরিস্কার আমি কারো হাতের বল হতে চাই না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28810971 http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28810971 2008-06-18 16:57:10
বাবাকে নিয়ে কি বলব? বাবা মারা গেলেন প্রায় বছর দুয়েক হলো - ফুসফুস ক্যাস্সারে। অসুখটা ধরা পড়ার পর মাত্র বেঁচেছিলেন ২১ দিন। এই ক'টা দিনই বাবার সাথে আমার সবচাইতে নিবিড় মুহূর্ত।
বাবাকে আমি বরাবরই ভয় পেয়ে বড় হয়েছি। তবে শেষদিকে তাকে অনেক সহজ মনে হয়েছে আমার কাছে। তিনি কথা বলতেন, খোঁজখবর রাখতেন, আমরা কেমন আছি, বউমা কেমন আছে , তার দাদুভাইটা কেমন আছে। মা স্টো্কের পর থেকে শয্যাশায়ী। বাবাই তাকে দেখাশোনা করতেন। ঢাকায় এনে রাখতে চাইলে বলতেন, না রে তোদের ওখানে ৩/৪দিন থাকলেই দম বন্ধ হয়ে আসে। খোলা বাতাস, আলো ছাড়া তোরা থাকিস কেমন করে?
সেই বাবা হাসপাতালে যখন। তিনি তখন অনেক গল্প করছেন, শৈশব বলছেন, কি করা উচিত, না-উচিত তা বলছেন।আমি সারাক্ষণ তার পাশাপাশি। কাছ থেকে দেখছি একটা মানুষ কিভাবে ধীরে ধীরে মৃতু্র দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
একদিন তাকে প্রশ্ন করলাম, আব্বা আপনি কি মৃতুকে ভয় পাচ্ছেন?
তিনি আমার দিকে শান্ত চোখে তাকালেন, তারপর বললেন, না। মৃতুকে ভয় পাওয়ার কি আছে? এটাই তো স্বাভাবিক, তাই না। আর আমি তো জীবনে জ্ঞানত কোনে াঅন্যায় করি নি। এই বলে তিনি আমার মাথায় হাত রাখেছিলেন।
আমি তখন কেবিন থেকে পালিয়ে এসেছিলাম। করিডোরে দাঁড়িয়ে চোখের পানি মুছতে মুছতে ভেবেছিলাম, তার মত বড় হওয়া আমার পক্ষে সম্ভব না।
আর একটা কথা আজ খুব মনে পড়ছে, তিনি শৈশব থেকে সবসময় বলতেন, কারো প্রতি অন্যায় করবে না। যা তুমি সত্য মানো, তাকে ধারণ করবে। আর যাই হও বড় হও।ছোটরা এই পৃথিবীতে টিকে থাকতে পারে না। চোর হলে বড় চোর, খেলোয়াড় হলে বড় খেলোয়াড়, লেখাপড়া করলে ১ নম্বর।
আমি কিছুই হতে পারি নি, বাবা তা তো তুমি জানোই। তবে তোমার মতো মানুষ হওয়ার চেষ্টা করছি। আমাকে ক্ষমা করো।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28809758 http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28809758 2008-06-15 12:31:23
হ্যামিলটনের তৈরী করা প্রথম পাজেলের অন্যরকম সমাধান http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28808441 http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28808441 2008-06-11 11:53:47 একজন কবির অধঃপতন http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28807429 http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28807429 2008-06-08 13:33:38 ব্লগার ও কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28805187 http://www.somewhereinblog.net/blog/robiul007/28805187 2008-06-01 16:36:35