আমার প্রিয় পোস্ট

অবাস্তব ভাবনাচিন্তা, অর্থহীন কথাবার্তা ৫: অপরাধীর মন

১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৪৭

শেয়ারঃ
0 0 0

একজন মানুষ যখন অপরাধ করে তার ঠিক কি অনুভূতি হয়? না, ছোটখাট অপরাধের কথা বলছি না। বড়সড় কিছুর কথাই বলছি। ধরুন যে লোক জেনেশুনে নিয়মিত মাছে ফরমালিন মেশানোর আদেশ দেয় সে কি বাজার থেকে মাছ কিনে স্ত্রীকে বলে মাছের পেটিগুলো ভাজতে আর পিঠেরটার ঝোল করতে? খাবার টেবিলে সন্তানকে বলে আরেকটুকরো মাছ নিতে।

অথবা ভাবুন যে মানুষ খুন করেছে ঠান্ডা মাথায় সে কিভাবে রাতে ঘুমায়? ঠিক যে মুহুর্তে খুন করে তখন কি একবারও হাত কাঁপেনা ট্রিগারটা টিপতে অথবা চাপাতির কোপটা দিতে? খুন টুন করে সেকি মেতে উঠে আবাহনী-মোহামেডান খেলা নিয়ে, কিংবা সরকারী চাকুরীজীবিরা কতটুকু দুর্নীতিবাজ সে বিতর্কে?

মানছি ছোটখাটো অপরাধ আমরা সবাই করি। অপরাধ করে মেতে উঠি দৈনন্দিন কাজকর্মে। হয়ত ব্যস্ত হয়ে পড়ি আরো দশজনের দোষ ধরতে। মেতে উঠি হাসিঠাট্টা-গলপগুজবে। ঠিক কখন একজন মানুষ অপরাধ করতে গিয়ে থমকে দাঁড়ায়। আইনের ভয় -সেতো কমবেশী সবারই আছে। কেন সবাই সিরিয়াল কিলার হয়না? ধর্ম করলে মানুষ অপরাধ করবে না - এটাও পুরো সত্য না। তাহলে সব অপরাধীই নাস্তিক হতো।

জানি পাঠক কপাল কুঁচকে বলছেন, সবই বিবেকের কাজ। ঠিক তাই। কিনতু ঠিক কখন মানুষ ধর্মের বিধিনিষেধ, আইনী শাস্তির অপেক্ষা না করে বিবেকের শাসনে অপরাধ করা থেকে বিরত থাকতো। এটা জানা থাকলে অবশ্য আমাকে এই পোস্ট লিখতে হোত না, আপনাদেরকেও এটা পড়তে হোত না। বেশ হোত তাহলে, হোত না?

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৫৯
কঁাকন বলেছেন: বিবেকের শাসনে বেশ কিছু আমেরিকান সৈন্য নাকি আত্মহত্যা করেছিলো কিন্তু তারা তো পুতুল যারা এই যুদ্ধের নীল নকশা করে তাদের বিবেক কিন্তু কখনোই ঐভাবে দংশিত হবে না কারন যুদ্ধক্ষেত্রটা তারা রিয়ল লাইফে অনুভব করছে না
১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:০৪

লেখক বলেছেন: ঠিক কোন সময় করে? ৭১এর কথা ধরো, পাকিসতান আরমির ফিল্ডলেভেল যারা ছিলো তারাই তো খুন/রেইপ করেছে। নিষঠুরতা করেছে। কেন গুটি কয়েকের বিবেক কাজ করেছে? বা ঠিক কোন সময় করেছে? কেনইবা করেছে?

২. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:০২
কঁাকন বলেছেন: ছোট অপরাধ বড় অপরাধ ও আপেক্ষিক

হুমায়ূন আহমেদের একটা উদাহরন দেই"মনে করেন আপনি কোন কোম্পানির বস আপনি আপনার পিওন কে ছাটাই করলেন আপনার কাছে ছোট অপরাধ কিন্তু চাকরী যাওয়ায় তার সংসারে উপার্জনের কেউ রইলো না, ছেলেটার স্কুল বন্ধ হয়ে গেলো, সে বখাটেদের সাথে ভীরে নেশাখোর হোলো, মেয়েটার বিয়ে হোলো না সে যোয়নকর্মি হয়েগেলো সেক্ষেত্রে তাদের কাছে তো আপনি বড় অপরাধ ই করেছেন"

ভালো থাকবেন
১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:০৫

লেখক বলেছেন: গুড পয়েন্ট

৩. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০০
মেহবুবা বলেছেন: আমার মনে হয় মানুষ কখনো কখনো মানুষ থাকে না । শয়তান হয়ে যায় অথবা শয়তানের দাস । তারপর ঘটনা ঘটে অমানবিক ।
১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৩৪

লেখক বলেছেন: মানুষের মন বড় জটিল

৪. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৩২
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন: রোবোট কেন এতো কঠিন কঠিন মানবিক কথা ভাববে? :P

আপনার আলোচনার প্রসঙ্গটি চমৎকার। যারা সমাজবিজ্ঞানের ছাত্র তারা খুব ভাল কিছু কন্ট্রিবিউট করতে পারবেন এখানে।

আচ্ছা, রোবোট, মানুষ কখন অপরাধ করে? অপরাধ সংগঠনের জন্য কি 'বিশেষ' মানসিক অবস্থায় পৌঁছুতে হয় আমাদের?

অপরাধের বেশ কয়েকটা একটা ক্লাসিক্যাল থিওরি আছে। এগুলোর মধ্য বেশ জনপ্রিয় একটা থিওরি হচ্ছে, অপরাধ হচ্ছে এক ধরনের অনৈতিক আচরণ (Immoral Form of Behaviour), যা জন্মগতভাবেই (Natural Instinct) মানুষ প্রাপ্ত হয়। তো, এক কথার মানে হচ্ছে, অধরাধ প্রবণতা নিয়েই আমরা জন্মাই। বড় হওয়ার সাথে সাথে আমরা সামাজিক কাঠামো আনুযায়ী- কোন কাজটি ঠিক, কোনটি বেঠিক এমন ধারনাগুলো পাই। ঠিক-বেঠিকের সংজ্ঞা সারা পৃথিবীতে মোটামুটি একই রকম। তবে, একটা কাজ যত অনৈতিকই হোক, তা যদি বারবার ঘটতে থাকে আমরা সেটিকে স্বাভাবিক ভাবে নেই। যেমন, যুদ্ধের সময় মানুষ খুন, মাছে ফরমালিন মেশানো ইত্যাদি ইত্যাদি।

খাবারে বিষাক্ত কিছু মেশানো, কিংবা মানুষ খুন কি খারাপ? যারা কাজটি করেছেন, তারাই জবাব দেবেন- এগুলো খুবই খারাপ কাজ। তাহলে খারাপ কাজ আমরা করি কেন? একই ক্লাসিক্যাল থিওরি বলছে- শক্তি, লোভ, রাগ, হিংসা, লাভ, বিরক্তি, ভয়, সুযোগ, অন্যের চাপ, ভাল লাগা, ভাল-মন্দের পার্থক্য না বোঝা, পরিনাম চিন্তা না করা... এসবের প্রভাবে আমরা মন্দ কাজ করি।

কথা হচ্ছে, মন্দ জিনিসটা কী? কে নির্ধারন করবে কাজটি মন্দ কি মন্দ না? এই প্রশ্নগুলো কিন্তু খুব জরুরী। একটি উদাহরণ দেই, '৭১-এ জামায়াত যুদ্ধাপরাধ করেছে, আবার সেই অপরাধীদের রাষ্ট্রক্ষমতায়ও বসিয়েছি। কোন কাজটি নৈতিক এক্ষেত্রে?

যদি কাজগুলো অনৈতিক হয়, তবে জামায়াতকে আমরা টিকিয়ে রেখেছি কেন? রাজনীতিতে কি বিবেক ভিন্ন ভাবে কাজ করবে? ষোল কোটি মানুষের বিবেক এমন হবে কেন?

উত্তরটি হচ্ছে- আমাদের সামাজিক কাঠামোয় 'বিবেক' ঠিক এভাবেই কাজ করে।

নৈতিকতা প্রতিষ্ঠার উপায় কী? যে থিওরির কথা বললাম, ওটিতে বলছে, অপরাধের শাস্তি নিশ্চিতকরন।
১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৩৮

লেখক বলেছেন: শরম দিয়ে ভালোই হলো বিরাট কমেন্ট পাওয়া গেলো। অপরাধ কমানোর জন্য শাস্তি নিশ্চিত করার বিকল্প নাই। শাস্তির ভয় থাকলেও কিছু মানুষ অপরাধ করে। আবার, শাস্তির ভয় না থাকলেও কিছু মানুষ অপরাধ করে না। জটিল এ মানব মন।

৫. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:১০
এরশাদ বাদশা বলেছেন: বেশ ক প্যারা টাইপ করেও আবার ডিলিট মারলাম। ইচ্ছে হলোনা প্রকাশের। ভালো আছেন তো?
১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৩৮

লেখক বলেছেন: চাইলাম আলোচনা হোক। কমেন্ট না করলে কৈ যাই?

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩১

লেখক বলেছেন: এইতো।

৭. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৩৪
নরাধম বলেছেন:

মোস্তাফিজ রিপনের কমেন্টে "মানুষ স্বভাবতই অপরাধপ্রবণ" কথাটার সাথে দ্বিমত পোষণ করছি। আমি বরং বলব ১-৫% মানুষ স্বভাবতই শুদ্ধ, কোন ধরণের পরিস্থিতিই এদেরকে খারাপ করবেনা। সাইকপ্যাথ যেরকম এরা তার উল্টা, ইনকরিজিবলি অনেস্ট। এদেরকে মহাপুরুষ বা মহামহিলা হিসেবে ধরা যায়। আর ৯০% মানুষ হচ্ছে সাধারণ মানবসন্তান। এরা ভাল থাকার চেষ্টা করবে, কিন্তু পরিবেশ-পরিস্থিতি, বেঁচে থাকার তাগিদ, এসবের জন্য হয়ত খারাপ হতে পারে। খারাপ হলে এরা মনের মধ্যে একটা চাপ অনুভব করবে, কিন্তু পাপ যদি বারবার করতে থাকে একসময় সেটাকে রেশনালাইজ করবে এবং স্বাভাবিক ধরে নিবে।
আর ১-৫% লোক মনে হয় খারাপ হবেই। তাদেরকে যতই ভাল থাকার সুযোগ দেওয়া হোক, তারা খারাপ হবেই। এরা মহাশয়তান, ইনকরিজিবলি ডিসঅনেস্ট, সাইকপ্যাথ।

এটাকে একটা গসিয়ান ডিস্ট্রিবিউশান কার্ভে (বেল-শেইপড) ফেলা যায়। গড় থাকবে মাঝখানে, গড়ের কাছাকাছি বেশিরভাগ মানুষই পড়বে। এক্সট্রিম লেফটে হ্যাবিচুয়ালি খারাপ মানুষগুলা থাকবে, এক্সট্রিম রাইটে হ্যাবিচুয়ালি ভাল মানুষরা। মাঝখান থেকে যতই দুদিকে প্রান্তের দিকে কার্ভটা যাবে, ততই ঘনত্ব কমবে।

আইন এবং শাস্তির প্রয়োগ দরকার হ্যাবিচুলয়ালি যে ১-৫% লোক খারাপ তাদেরকে কনটেইন করার জন্য। তাদেরকে কনটেইন্ড দেখলে ৯০% সাধারণ মানব কোন অপরাধ করতে চাইবেনা। কিন্তু হ্যাবিচুয়াল অপরাধীরা পার পেয়ে গেলে সাধারণ মানবদের মধ্যে কেউকেউ যখন দেখবে অপরাধ করলে কোন শাস্তি হচ্ছেনা, তখন তারাও অপরাধ করতে শুরু করবে।

আপনি যে জিজ্ঞেস করেছেন অপরাধ করলে খারাপ লাগে কিনা, সেট ডিপেন্ড করে কে অপরাধ করেছে তার উপর। সাইকপ্যাথদের এবং মহাপুরুষদের একধরণের নির্লিপ্ততা থাকবে, তারা একই প্র‌্যাকটিকামের দুটা ভিন্ন অপজিট প্রান্ত, তাই তাদের মধ্যে মিল হচ্ছে তারা নির্লিপ্ত থাকে। মহাপুরুষরা মহাপুরুষ কারন বাই ডিফল্ট তারা পাপ করার ক্ষমতা রাখেনা। সাইকপ্যাথরা সাইকপ্যাথ কারন তাদের কাছে অপরাধ বলতে কিছুই নেই। তাই সাইকপ্যাথরা অপরাধ করলে খারাপ লাগবেনা, যেমন সিরিয়াল কিলাররা।

মাঝখানে ৯০% মানুষের অপরাধ করলে প্রথম প্রথম খারাপ লাগবে। কিন্তু সে যদি পরিস্থিতিতে পড়ে অপরাধটা আবার করতে থাকে তাহলে তার অন্তরে একটা করে কালদাগ পড়বে, যত বেশি অপরাধ ততবেশি কালদাগ। একসময় কালদাগ পড়তে পড়তে সে তার অপরাধকে রেশনালাইজ করবে, নানারকম যুক্তি খাড়া করবে নিজের কাজকে ভ্যালিডিটি দেওয়ার জন্য নিজের কাছে। এবং একসময় তার কাছে অপরাধ করলে খারাপ লাগবেনা আর, তবে সে কখনও সাইকপ্যাথদের লেভেলে যেতে পারবেনা, তার অন্তরের গভীরে একটা খারাপ লাগা থাকবে, যেটা কদাচিৎ মাথাচাড়া দিতে পারে কোন কোন পরিস্থিতিতে।


অনেক বকবক করে থিয়রী দিলাম। সমাজবিজ্ঞানী হলে হয়ত সেটাকে একটা নাম দিয়ে বিরাট বই লিখে ফেলতাম!!

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৩৮

লেখক বলেছেন: পছনদ হৈসে তোমার কমেন্ট। পোস্ট হিসাবেও আসতে পারে। একটু মালমশলা দিতে হবে। পরে এইটা "রোবোট-নরাধম" যৌথ থিওরী হিসাবে আসবে। :)
তোমার এরিয়া কি প্রফেশনে? (নাকি স্টুডেন্ট)

৮. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৪১
হাসান মাহবুব বলেছেন: আসলে ব্যাপারটা হইলো গিয়া.....পরে কমুনি :-B

কেমন আছেন রোবোটাঙ্কেল?
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৪৩

লেখক বলেছেন: মোটামুটি।

এরে ফাঁকিবাজ।

৯. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৫৯
নরাধম বলেছেন:
হ ইস্টুডেন্ট!! আরো ৪-৫ বছর ইস্টুডেন্ট থাকন লাগব ভ্রাত!! উপায় নেই গোলাম হোসেন (স্যরি, রোবট হোসেন)! ঠিকাছে তাইলে আমি থিয়রীটার প্যাটেন্ট কইরালাই:)
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৩৫

লেখক বলেছেন: :)

১০. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৩৯
কঁাকন বলেছেন: নানা অনেক দিন কোন পোস্ট দেন না যে?
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৪৫

লেখক বলেছেন: কেউ পড়েনা, তাই দেইনা।

১২. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৫০
ভাঙ্গন বলেছেন: অনেক ভাল লেগেছে।
...........
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৫৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। একটু বক্তব্য দিলে আরো ভালো হৈত।

১৩. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৪৮
শাহানা বলেছেন: আমার ধারনা ফরমালিন মেশান যিনি, তিনি হয়তো মেশানোর আগে ভাল মাছ নিজের পরিবারের জন্য তুলে রাখেন। খুনি যদি ভাবতেন তাহলে হয়তো আর খুন করতেন না, দূর্নিতি বাজরা একবারও এসব নিয়ে আফসোস করেন না কারন তাদের ছেলে মেয়ে এই দেশে থাকেন না। আমরাও জেনে শুনে চুপচাপ খেয়ে যাচ্ছি এসব, থামানোর বা কমানোর কোন চেষ্টা নেই। এসব কারো মাথা ব্যাথা থাকলে সমস্যা আর বাড়তো না।
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৫৪

লেখক বলেছেন: ঠিক তাই।
মানুষের মন বড় জটিল, তাইনা?

১৪. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০৪
রাগ ইমন বলেছেন: আরেক বার পড়ে আসুন, ভালো লাগতেও পারে।
১৫. ১১ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ১০:৪৫
আহাদিল বলেছেন: শাহানার কথায় যুক্তি আছে।
আবার ভাবুন, আপনি বড় অপরাধগুলোর কথা বলছেন, ছোট অপরাধগুলোও কিন্তু আসলে ছোট নয়- ওগুলো জমে জমে বড় অপরাধ তৈরী করে অথবা সারা বাংলাদেশের মানুষের ছোট ছোট অপরাধ দেশটাকে বড় শাস্তি দেয়, পুরো দেশ ভোগে- কত্ত বড় অপরাধ!

ভাইয়া- আপনার প্রোফাইলের বক্তব্যটুকুন মানে মা ঘা কু পা প্রায়ই আমার ফেসবুক স্ট্যাটাসে থাকে। :P

আমার প্রোফাইলে তো আর আসেন না, নাকে কানে খত দিচ্ছি ভাইয়া।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০২৯৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
মাথার ঘায়ে কুত্তা পাগল (মাঘাকুপা)- ডগ ম্যাড বাই হেডস ইনফেকশন
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই