somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... অর্থহীন কবিতা-থামলে ভালো লাগে। ধার্মিক না হলেও কখনো আমি যেপ র্কতো খাইনা
মেদটা বাড়াই খাইয়া চিপস, কুকি কোক
খারাপ জেনেও কেন যে ধুমপান করে লোক
ভালোতো লাগেনা যাইতে অনলাইন এ্যাটাকে
যদিও পিটাইতে চাই আজ, কতই ব্যাটাকে
দেখিয়া কাদা ছোড়াছুড়ি গাত্র জ্বলে রাগে
চেঁচায়া বলিয়া উঠি, থামলে ভালো লাগে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/29344480 http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/29344480 2011-03-14 22:26:24
আমি হতে চাই একজন ........
এই যে ছোটবেলায় আমরা আমার জীবনের লক্ষ্য রচনা লিখতাম- সেটি মূলত ডাক্তার হবার গল্প বয়ান করা। মানুষের জীবনের লক্ষ্য কি শুধু একটি নির্দিষ্ট পেশাতে ঢোকাতেই সীমিত?

নাকি মানুষের জীবনের লক্ষ্য অন্য কিছু? কেউ মানুষের সেবা করতে চায়। কেউ ধনী হতে চায়। কেউ দেশ বিদেশ ঘুরতে চায়। বা কেউ চায় খ্যাতি।
কেউ ক্ষমতা। জীবনে কত কিছুই চেয়েছি। ফুটবল-ক্রিকেট দুটো খেলাই খুব ভালো লাগতো। খুব মনে হতো বামপাশ দিয়ে চারপাশ দিয়ে কাটিয়ে নিয়ে একদম করনারে গিয়ে শরীরটা ১৮০ ডিগ্রী ঘুরিয়ে ডানপায়ে বলটা তুলে দেবো স্ট্রাইকারের মাথায়-আর তার আলতো হেডে - গোওওওওল। নিতানতই আকাশকুসুম কল্পনা। আমি পাড়ার সবচেয়ে খারাপ খেলোয়াড়দের একজন ছিলাম। বাট করে খেলার সময় আমার নাম আসতো সবার শেষে। একদম ছোটবেলা থেকেই গানে শুনতে পছনদ করি। গায়ক হতেও মন চাইত। ভাবা যায় একজন অন্যদেশে গিয়ে এক লাইন গাইবার পর স্টেডিয়াম ভর্তি হাজার হাজার মানুষ একসাথে গেয়ে উঠছে "ফার্স্ট কাট ইজ দ্যা ডিপেস্ট"। নাহ আমি এমনকি বাথরুম সিংগারও হতে পারিনি। ৮০র দশকে বড় হয়েছি। রাজনীতি করতেও ইচছা করতো। করা হয়নি। সাহিত্যিক হতেও ইচছে করতো। বলাই বাহুল্য, সেটাও হয়নি।

পেশাগত জীবনে ৩টা ইচ্ছে ছিলো, কিছুদিনের জন্য হলেও সরকারী চাকরি করা, কিছুদিনের জন্য হলেও শিক্ষকতা করা, ব্যবসা করা। ১মটা হয়েছে। বাকি দুটো হয়নি, হবেও না। ৮ বছর আগে যে পজিশনে চাকরি্তে ঢুকেছি, সেই পজিশনেও সারাজীবন কাটিয়ে দিতে হতে পারে। সুতরাং ইনজিনিয়ার হিসেবে সাফল্যের দাবী করতে পারিনা।

তবে কি আমার জীবনে কোন লক্ষ্য নেই? আমি কি আসলেই কম্পাস ছাড়া জাহাজ? জীবনের শেষ পর্যন্ত মানুষ কিন্তু একটা কাজ করে যেতে পারে, সেটি হলো ভালো মানুষ হবার চেষ্টা করা। একবার একটা বা কিছু ভালো কাজ করলেই মানুষ ভালো মানুষ হতে পারে না। প্রতিক্ষণই তাকে চেষ্টা করে যেতে হয়। ভালো মানুষ হবার চেষ্টাটা একটা এন্ডলেস প্রসেস, সেজন্য এটাই আমার জীবনের লক্ষ্য। আমি হতে চাই একজন ভালো মানুষ।

***********************************************
(চতুরমাত্রিক ব্লগে পুর্বপোস্টিত)

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/29279383 http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/29279383 2010-11-28 11:32:43
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পিতার নামের জায়গাটি খালি রাখুন নাটোরের ঘটনাটা দেখলাম ইউটিউবে। এভাবে দিনে দুপুরে হত্যা। রামদা হাতে এভাবে ঘুরছে মানুষ। কেউ কি দেখার নাই? এই সব নৃশংসতার বিচার/শাস্তি হবে না? আওয়ামী লীগ করলেই কি সাত খুন মাফ?
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
মনে পড়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একদিনে সাতজনকে খুন করেছিলো সরকারী ছাত্রসংগঠনের* সভাপতি। সেই ছাত্রনেতাকে গ্রেফতারের নির্দেশ দিতে তখন আপনার পিতার বিন্দুমাত্র দ্বিধা হয়নি। আপনার দ্বিধাটা কোথায়? আর দ্বিধা যদি থাকেই তবে অনুগ্রহ করে নিজ পিতার নাম শেখ মুজিবুর রহমান লিখবেন না।

*এডিটেড। সরকারী ছাত্রদল বলায় অনেকে (এই দলে শামসীরকে এক্সপেক্ট করি নাই) জানতে চাইলেন আমি কি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল বুঝিয়েছি কিনা, তাহলে সরকারী দল বললে কি তাঁরা বলতেন আমি জাতীয়তাবাদী দল বুঝিয়েছি নাকি? ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/29252313 http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/29252313 2010-10-10 07:57:47
রমজানের পবিত্রতা রক্ষার সেইসব কৃতি বান্দারা-সাময়িক পোস্ট ১। প্রথমেই বলছি রাজনীতিবিদদের কথা। পবিত্র রমজান মাসে গীবত, সন্ত্রাস, দুর্নীতির মাধ্যমে তাঁরা যেভাবে রমজানের পবিত্রতা রক্ষায় এগিয়ে এসেছেন তা সত্যিই প্রশংসনীয়।
২। এক বিরাট সংখ্যক সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীর জোহর নামাজের আগে ও পরে যেভাবে সার্ভিস চার্জ (ঘুষ আর কি) ও প্রফিট শেয়ারিং প্ল্যান (পারসেন্টেজ) এ অংশ নিয়েছেন তা সত্যি অবিশ্বাস্য সাফল্যের পরিচয়দায়ক।
৩। রমজানের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিষের বিশাল মুল্যবৃদ্ধির যে ঐতিহ্য ব্যবসায়ীরা দেখান তাতে যা তাদের দোজাহানের অশেষ নেকী হাসেল হয় তাতে কোনই সন্দেহ নাই।
৪। রমজানে ইফতারীর খাদ্যযজ্ঞ, ইদ শপিংএর নামে টাকার ফুলঝুড়ি ঝরান যারা তারা নিশচয়ই আল্লার পেয়ারা বান্দা।
৫। রোজার মধ্যে একশ্রেণীর ব্লগার যেভাবে প্রভার পর্নভিডিওর (যেটি গণপ্রচারের জন্য তোপিরী হয়েছে বলে শোনা যায়নি) লিংক চালাচালি করেছেন তাতে যে তারা অশেষ সোয়াব হাসিল করেছেন তাতে কোনই সনদেহ নাই। প্রভার ভিডিও আপলোড করে সেটা যে স্টিকি পোস্ট হয়নি সেটাই বিস্ময়কর।


(তীব্র উপহাস করার ইচছে নিয়ে লিখলাম। উপরের কোন একটি কর্মে যারা ছিলেন তাদের কাউকে মানসিকভাবে আহত করতে পারলে আমার পোস্ট সার্থক।)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/29235974 http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/29235974 2010-09-06 12:11:02
তানহা নামের শিশুটিকে বাঁচাতে চাই http://www.amrabondhu.com/atia-bilkis-mitu/764 । হ্যাঁ মেয়েটির ক্যানসার।
যারা আমাকে এখানে চেনেন তাঁরা জানেন আমার মেয়েটিও ঐ বয়সী। বোধ করি সেজন্যই মনের কোথায় যেন একটু খোঁচা লাগলো। তার কদিন আগেই আরেকটা লেখা পড়লাম মিতুর। তার আরেক ভাই আর ভাবী সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। রেখে গেছেন তিনটি বাচ্চা কে। http://www.amrabondhu.com/atia-bilkis-mitu/805
তানহাকে যখন ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়তে হচ্ছে তখন তার বাবার হয়েছে হেপাটাইটিস সি। তিনিও শয্যাশায়ী।
লালকেল্লা উপন্যাসের কথাটা কি তীব্রভাবেই না সত্যি হয়ে যায় কারো কারো জীবনে- "মানুষের জীবনে সুখ আসে একা, চোরের মতো। দুঃখ আসে দল বেঁধে, ডাকাতের মতো। "
নিশ্চয়ই বলতে হবে না ঐ পরিবারটির অনেক কিছুই দরকার। দরকার তাঁদের মনে সাহস জোগানো। আমাদের সামান্য আয় থেকে হয়ত পারি তাদের এই বিশাল চিকিৎসা ব্যয়ের বোঝা (আগামী দুই আড়াই বছরে লাখবে বারো লাখ টাকা) কমাতে। হয়ত একজন, পাচ জন বা দশজন পারবো না। একশ জন,পাঁচশ জন বা হাজার জন হলেতো ঠিকই পারবো। যাদের নিকটজনের ক্যনসার হবার দূর্ভাগ্য হয়েছে তাঁরা জানেন কি ব্যয়বহুল এই রোগ। কি কঠিন এ রোগ।
কেউ কেউ এগিয়ে এসেছে। তাঁদের একজন শিল্পী রুনা লায়লা। ডেইলী স্টারে ওনার লেখা: Click This Link
সামু ব্লগে কয়েক মাস আগে পোস্ট দিয়েছিলেন ব্লগার ডলুপুত্র। ওনার পোস্ট: Click This Link

সময়মত চিকিৎসা হলে ক্যানসারের রোগীও সারে। মনে আছে সাবিনা ইয়াসমিনের কথা। আমরা কি পারি একটি দুঃখী পরিবারে আশার আলো জ্বালাতে?

যোগাযোগের ঠিকানা:

সৈয়দা আতিয়া বিলকিস, এসবি/ একাউন্ট নম্বর- ২৬৭৯৪- ইউসিবিএল, কাওরান বাজার শাখা, ঢাকা। বিদেশ থেকে পাঠালে- এভি সুইফট ইউসিবিএলবিডিএইচকেবি ২, সৈয়দা আতিয়া বিলকিস, এসবি/ একাউন্ট নম্বর- ০০৪৪১২১০০০২৬৭৮৪।
বিস্তারিত যোগাযোগ- চাইল্ড ক্যান্সার ইউনিট, ডি ব্লক, তৃতীয় তলা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়।
ফেইসবুকে গ্রুপ খোলা হয়েছে তানহা ট্রিটমেন্ট ফান্ড:
Click This Link

Nahid Jabed
SB/AC NO-56997
UCBL Bank,Karwanbazar Branch,
(online bnk, accnt holders can send money frm any UCBL bank of Bangldsh),or frm any other bnk, in any currncy frm anywhr in the world)
SWIFT:UCBLBDDHKBZ 004412100056997



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/29194249 http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/29194249 2010-07-07 11:01:57
এই কি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নমুনা?
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ২ টার দিকে তানোর উপজেলার মুন্ডুমালা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামেল মারান্ডি ও রাজশাহী জেলা হিন্দু-বৌদ্ধ খ্রীষ্টান কল্যাণ ট্যাষ্টের সহ-সভাপতি ভরত হেমরমসহ প্রায় ৫ জন আদিবাসী (সাঁওতাল) সম্প্রদায়ের লোক খাবার খেতে রুচিতা হোটেলে যায়। এ সময় হোটেল কর্র্তৃপক্ষ আদিবাসী হওয়ায় খাবার নেই বলে তাদের চলে যেতে বলে।

টাকা দিয়ে খাবার কেন খেতে দেয়া হবে না তারা এমন প্রশ্ন করলে এর জবাবে হোটেল কর্তৃ্পক্ষ তাদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করে।

এরই সূত্র ধরে কামেল মারান্ডি তানোর উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তাকে বিষয়টি মৌখিকভাবে অভিযোগ করেন। নির্বাহী কর্মকর্তা অভিযোগের তোয়াক্কা না করে বলেন, "কোন হোটেল কর্তৃপক্ষ কাওকে খাবার না দিলে আমার কী করার আছে।"

কামেল মারান্ডি বলেন, "এই স্বাধীন দেশের সভ্য সমাজে জাতির ভেদাভেদ দেখিয়ে মানুষ হয়ে মানুষের খাবার দেয় না। এর চেয়ে দুঃখজনক ঘটনা আর কি হতে পারে।"

তিনি বলেন, আদিবাসী শিক্ষক হয়ে সকল ধর্মের ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়া শিখিয়ে সু-শিক্ষায় শিক্ষিত করছি। এক্ষেত্রে জাতির ভেদাভেদের প্রশ্ন আসে না তাহলে খাবারের বেলায় কেন প্রশ্ন উঠে। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এর প্রতিকার চেয়েছেন।

এ বিষয়ে রুচিতা হোটেল মালিক হাজী সালাউদ্দিন বলেন, আদিবাসিদের হোটেলে খাবার দিলে মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকজন একটু আপত্তি করে। এজন্য আদিবাসিদের খাবার দেয়া হয় না।

উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মেহেদি-উল-সহীদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, মৌখিকভাবে অভিযোগ হয়েছে, লিখিত হয়েছে কি না জানি না। তিনি বলেন "অভিযোগ হলেই এমন কি বড় ঘটনা যে ব্যবস্থা নিতে হবে। এরকম ঘটনা অহরহ ঘটেই থাকে।"
http://www.media4media.net/bn/node/6366

*****************************************************

এটা যদি বর্ণবাদ না হয়, সাম্প্রদায়িকতা না হয় তা হলে বর্ণবাদ কি? সাম্প্রদায়িকতা কি? এটা কি হেইট ক্রাইম না?

যারা আদিবাসী (আইচ্ছা না হয় উপজাতিই কৈলাম)দের রেস্টুরেন্টে খাওয়া দিলে আপত্তি করে সেইসব "মুসলমান"কে কেন বর্ণবাদী/সামপ্রদায়িক বলা হবে না বলতে পারবেন? ইউরোপে হিজাব/নিকাব নিয়া যারা ব্লগে তোলপাড় করেন তাঁরা কি একটা পোস্ট লিখবেন? আমরা কি স্থানীয় মসজিদের ইমামের কাছে কোন ফতোয়া পাবো যে এটা অনৈসলামিক? ইউএনও ও হোটেল মালিক কে কেন গ্রেফতার করা হবে না কেউ কি বলতে পারবেন?

ডিসক্লেইমার: এটা কপি পেস্ট পোস্ট। সামুতেই এরকম আরেকটা পোস্ট ছিলো। সেখান থেকে লিংকে গিয়ে কপি করে নিয়ে আসলাম। আমার প্রশ্ন গুলার জবাব পেলেই পোস্ট ড্রাফট করা হবে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/29173115 http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/29173115 2010-06-08 21:46:31
হ্যাপী বার্থডে টু রাভিন টেগোড়
টুডে উই হ্যাভ দি বার্থডে অফ দ্য পোয়েট রাভিন টেগোড়। সো সেজন্য আমরা আজকে লটস অফ মাস্তি করবো। আমরা টেগোরের হিন্দি সং লিসন করবো।
হ্যাভ কেইক এন্ড বিয়ার এন্ড হ্যাভ ফান। গো টু এনি ইন্ডিয়ান হিন্দি সাইট, আর আপনারাতো জানেনই দে হ্যাভ লট অফ হিন্দি সংস। ইফ ইউ ডু নট ফাইন্ড এনি রবীন্দ্র সংগীত, এই স্পেশাল ডেতে ইউ ক্যান অলওয়েজ লিসেন টু বলিউড মুভি সংস ।




(রবীন্দ্র জন্মবার্ষিকীতে একটি ডিজুস শ্রদ্ধান্জলী)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/29150712 http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/29150712 2010-05-07 23:04:38
আমার প্রিয় গান ২ - ইংলিশ গান
Click This Link

কারেন নামের এক মহিলা আর তার ভাই রিচার্ড এর এই ব্যান্ড আমার মাথা খারাপ করে দিলো। কি মায়াবী কন্ঠ এ মহিলার। কি দারুণ পরিমিতিবোধ রিচার্ড নামের সুরকার/সংগীত পরিচালকের। তারপর মুগধ হয়ে শুনলাম টপ অফ দ্য ওয়ার্ল্ড (Click This Link ), প্লিজ মিসটার পোসটম্যান, সিং, সুইট সুইট স্মাইল, দেয়ারস এ কাইন্ড অফ হাশ, বিচউড ৪৫৭৮৯, রিজন টু বিলিভ কত নাম বলবো। শুধু শুনলাম বলা ঠিক না । এখনো শুনি। একসময় শুনলাম ১৯৮৩ সালে মারা গেছেন কারেন কারপেন্টার। তবে কারপেনটার্স এর যে গানটা বোধ হয় সব মানুষ জানে সেটা হোল ইয়েসটারডে ওয়ান্স মোর। ( Click This Link ) মনে পড়ে জীবন বীমার এ্যাড?- বুড়োবুড়ি হেঁটে যায়। ব্যাকগ্রাউন্ডে বাজে গানটা। এ মহিলার আয়ু কেন মাত্র ৩৩ বছর হলো-উপরওয়ালার এ বড় অবিচার।

আমি আরেক ভক্ত হলাম জন ডেনভারের। ঠিক টিপিক্যাল কান্ট্রি /ফোক বলা যায় না। পশ্চিমা জগতের লোক হয়েও আমরা ৩য় বিশ্বে বড় হওয়া মানুষগুলোর বিরহ-বেদনার প্রকাশে চলে এসেছেন কতবার। শুধু তার গান শুনেই কল্পনা করেছি আমেরকার প্রকৃতির। মনটানার বিশাল আকাশ, কলোরাডোর রুক্ষ পাহাড়, শেনানডোয়া নদী। মানবতার ডাকে বারবার সাড়া দেয়া এই লোক ১৯৯৭ সালে এক প্লেন দূরঘটনায় মারা যান। বয়স বোধ হয় তখন ৫০ তার। তাঁর মারা যাবার খবর শুনে খুব কাছের মানুষ হারানোর ব্যথা পেয়েছিলাম। এ্যানিস সং, কান্ট্রি রোড টেক মি হোম, থ্যাংক গড আয়ম আ কান্ট্রি বয় ( http://www.youtube.com/watch?v=kzldLJcorbo ), রকি মাউন্টেইন হাই ( Click This Link ) , ওয়াইল্ড মন্টানা স্কাইস ( http://www.youtube.com/watch?v=fqeDLFYzN2Y ) , ক্যালিপ্সো, ড্রিমল্যান্ড এক্সপ্রেস- সবগুলোই এখনো মন টানে।

আরেক ভাল লাগা ব্যন্ড বিটলস। ইয়েসটার্ডে, লেট ইট বি, হেই জুড, ওব্ লাডি ওব লাডা, হেয়ার কামস দ্য সান, হোয়েন আয়ম সিক্সটি ফোর - কত অসংখ্য গান যে তাদের ভালো লাগে। লেনন-হ্যারিসনের মত ২ জন কালজয়ী শিল্পী যে ব্যান্ডে আছে তাঁদের ভালো না লেগে উপায় কি বলুন?

বাংলাদেশে খুন জনপ্রিয় না হলেও আমার খব পছন্দের শিলপী ডন ম্যাকলিন। ভিনসেন্ট ( http://www.youtube.com/watch?v=dipFMJckZOM )এ্যামেরিকান পাই, ক্যাসলস ইন দি এয়ার, লাভ ইন মাই হার্ট- সবগুলৈ কথা-সুর-গায়কীতে দুর্দান্ত।

ভালো লাগে ক্যাট স্টিভেনস। ভীষণ। ফারস্ট কাট ইজ দ্য ডিপেস্ট - কি যে ভালো লাগা একটা গান। যখন মেইনে থাকতাম লং ড্রাইভে ক্যাসেটে ক্যাটস্ স্টিভেন্স ছাড়া কেমন অপু্র্ণ লাগতো। (ডিসক্লেইমার: তার ধর্ম বদলের সাথে তার গান ভালো লাগার কোন সম্পর্ক নাই) মুনশ্যাডোও খুব ভালো লাগে।

শুধু এ পাঁচজনের কথা বলেকি শেষ করা যাবে? জ্যামাইকা ফেয়ারওয়েল ( http://www.youtube.com/watch?v=o4r5C6MUqO4 ) মেলাদিন আমার জাতীয় সংগীত ছিলো। ব্রেড, স্টিং, ব্রায়ান এ্যাডামস, ইগলস, ফ্রেডি আগুইলার, সাইমন এন্ড গারফানকেল, পিটার-পল-মেরী, এয়ার সাপলাই, রড স্টুয়ার্ট, বনিএম, এ্যাবা, ক্লিফ রিচার্ড, ডন উইলিয়ামস, ডায়ার স্ট্রেইট, উইলি নেলসন, বব মারলি, ক্রিসডিবার্গ, আহা- কতজন-কত ব্যান্ডের কথা বলবো। এমনিতে বেশী ভালো না লাগলেও এরিক ক্ল্যাপটনের টিয়ারস ইন হেভেন গানটা বুঝলাম নিজের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধু যখন ঘাতকের গুলিতে হারিয়ে গেলো ।

ইংলিশ গান আমার জীবনে খুব বড় একটা অংশ জুড়ে ছিলো। হ্য়ত প্রবাস জীবনে কম শুনি ইংলিশ গান, তবু আমার ইমোশনের-এক্সপ্রেশনের একটা বড় অংশ গড়ে তুলেছে এইসব গায়ক-গায়িকারা। সুরকার-গীতিকাররা। শিল্প যখন সত্যই আমাদের আশা-আনন্দ- দুঃখ-বেদনার কথা বলে তখন ভিন্ন ভাষা হলেও নিজের কথা বলেই মনে হয়, হয় না?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/29115278 http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/29115278 2010-03-13 02:42:02
ছাগুপিডিয়া হৈতে ইতিহাস ও রাজনীতি শিক্ষা স্টপ জেনোসাইড কি?
এটি জহির রায়হানের বানানো একটি সিনেমা যেখানে তিনি ৭১এ কলকাতায় আওয়ামী লীগের নেতাদের বিলাসী জীবন নিয়ে প্রামাণ্য চলচ্চিত্র বানান। (তথ্যসূত্র: সামু ব্লগের জনৈক ঐতিহাসিক)
শেখ মুজিব কিভাবে নিহত হন?
ইন্দিরা গান্ধীকে টেলিফোনে দেশ বিক্রির সময় মেজর ডালিম গুলি করে শেখ মুজিবকে খুন করেন। (তথ্যসূত্র: প্রাইমারী স্কুলের বন্ধুরা)
গোলামী চুক্তি কি?
এটি মুজিবামলে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে সম্পাদিত একটি গোপন চুক্তি যা কেউ দেখেনি, তবে এর মাধ্যমেই ভারতের কাছে বাংলাদেশের বিক্রি সমপন্ন হয় বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। (তথ্যসূত্র: মিল্লাত জাতীয় কোন পত্রিকা)
গোলাম আজমের ৭১এ কি বাংলাদেশ বিরোধী কোন ভূমিকা ছিলো?
না, তিনি ওনার আত্মকাহিনীতে বলেছেন ৭১এ তিনি বাংলাদেশ বিরোধী কোন ভূমিকা ছিলো না। (তথ্যসূত্র: সামু ব্লগের জনৈক ঐতিহাসিক)
ওসমানী কি পাকিস্তানের সাথে মৈত্রী চাইতেন?
হ্যাঁ। (তথ্যসূত্র: বিডিচ্যাটরুমের জনৈক ব্যক্তি। চিরকুমার ওসমানী ওনার ফুফা ছিলেন)
আওয়ামী আমলের নির্যাতনের একটি কাহিনী বলুন?
কথাবার্তা নামে একটা ফোরাম ছিলো ২০০১এ। সেখানে একজন লিখসিলো ৭৪এ নাকি তার মামাকে আওয়ামী লীগ খুন করে কারণ তিনি পরের বছরের সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতার শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন।
শেখ কামাল কে ছিলো?একজন ব্যাংক ডাকাত। মেজর ডালিমের স্ত্রীকে সারারাত ধর্ষণ করে। (তথ্যসূত্র: আমার ধারণা এটা আপনারা সবাই শুনেছেন)
------------------------------------------------------------------------------
বিশ্বাস হয় এগুলা সত্যি মানুষ বিশ্বাস করে সত্যি হিসাবে, আবার প্রচারও করে। তবে অমি পিয়াল, মনজুরুল হক, নুরুজজামান মানিক - এঁরা ব্লগ থেকে এসব আবর্জনা দুর করার চেষ্টা করেন। ওনাদের চেষ্টা সফল হোক।




]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/29096564 http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/29096564 2010-02-13 11:12:00
অবাস্তব ভাবনাচিন্তা, অর্থহীন কথাবার্তা ৫: অপরাধীর মন
অথবা ভাবুন যে মানুষ খুন করেছে ঠান্ডা মাথায় সে কিভাবে রাতে ঘুমায়? ঠিক যে মুহুর্তে খুন করে তখন কি একবারও হাত কাঁপেনা ট্রিগারটা টিপতে অথবা চাপাতির কোপটা দিতে? খুন টুন করে সেকি মেতে উঠে আবাহনী-মোহামেডান খেলা নিয়ে, কিংবা সরকারী চাকুরীজীবিরা কতটুকু দুর্নীতিবাজ সে বিতর্কে?

মানছি ছোটখাটো অপরাধ আমরা সবাই করি। অপরাধ করে মেতে উঠি দৈনন্দিন কাজকর্মে। হয়ত ব্যস্ত হয়ে পড়ি আরো দশজনের দোষ ধরতে। মেতে উঠি হাসিঠাট্টা-গলপগুজবে। ঠিক কখন একজন মানুষ অপরাধ করতে গিয়ে থমকে দাঁড়ায়। আইনের ভয় -সেতো কমবেশী সবারই আছে। কেন সবাই সিরিয়াল কিলার হয়না? ধর্ম করলে মানুষ অপরাধ করবে না - এটাও পুরো সত্য না। তাহলে সব অপরাধীই নাস্তিক হতো।

জানি পাঠক কপাল কুঁচকে বলছেন, সবই বিবেকের কাজ। ঠিক তাই। কিনতু ঠিক কখন মানুষ ধর্মের বিধিনিষেধ, আইনী শাস্তির অপেক্ষা না করে বিবেকের শাসনে অপরাধ করা থেকে বিরত থাকতো। এটা জানা থাকলে অবশ্য আমাকে এই পোস্ট লিখতে হোত না, আপনাদেরকেও এটা পড়তে হোত না। বেশ হোত তাহলে, হোত না?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/29078850 http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/29078850 2010-01-15 09:47:46
১টি মিনি ব্লগাড্ডা সংক্রান্ত ধন্যবাদমূলক পোস্ট
আড্ডার বিষয় ব্লগের প্যাচাল, দেশের রাজনীতি, বু্যেটের বদনাম, পেশাগত পরিকল্পনা কিছুই বাদ ছিলো না। তবে বুঝলাম আমি অনেক বুড়া, অথবা এরা সব পোলাপাইন।

আডডার ব্যবস্থা করার জন্য কাউয়া, মুক্ত, তনুজা, এপুকে বিশেষ ধন্যবাদ। এরকম একটা কিছু করার জন্য কাউয়া ৩ সপ্তাহ ধরে লেগে আছে। কচ্ছপের মত কাউয়াও যে কোন কিছু ধরলে ছাড়ে না, তা জানতাম না। এই ছেলের হবে। বুয়েটে প্রায়ই ব্লগাড্ডা করে মুক্ত প্রমাণ করেছে, ও বর্ন ম্যানেজার। ওকে যাতে পাশ করার পর সরাসরি ম্যানেজার পদে চাকরি দেয়া হয় এ ব্যাপারে ওর ভবিষ্যত এম্প্লয়ারের কাছে আকুল আবেদন জানায় রাখলাম।

মানুষের সবচেয়ে দামী/দুর্লভ রিসোর্স হল সময়। আমি ছুটিতে, আর কেউ তো না। আমার সময় আছে, অন্যদের নেই। সবাইকে ধন্যবাদ চাকরী/পড়াশোনা/সংসারের মাঝে সময় বের করার জন্য। কোনতো দরকার ছিলোনা। কোন কারণ না থাকলেও কিছু মানুষ হঠাৎ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরী করে, এটাই মনে হয় কমিউনিটি ব্লগিংয়ের মজা।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/29063309 http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/29063309 2009-12-21 23:42:04
চ্যাটরুম ব্লগারের দুই বছর কিভাবেব্লগিংএ এলাম:

আমি ব্লগিং শুরুকরি দৃষ্টিপাতে। ইংলিশে। তবে সেখানে শুধু কমেন্ট করতে পারতাম। পোস্ট না। দুস্কের ব্যাপার। দৃষ্টিপাতেই কে যেন সামহোয়ারের কথা বলেছিলো। টেস্ট করার জন্য এলাম। সবার পোস্ট/কমেন্ট পড়তাম। কয়েকমাস যাবার পর করলাম রেজিস্ট্রেশন । তারপর থেকে সামুর মূল্যবান প্রথম পাতা নষ্ট করে আসছি।

কেন ব্লগাই
মূলত এম্নি এম্নি। ইন্টারেস্টিং কত লেখা পড়ি। স্মৃতি।গল্প। রম্য। বিবর্তনবাদী উদ্ভাবিত কমেন্ট পোস্টের মাধ্যমে আড্ডাবাজি। মনে আছে একদিন নিবিড় অভ্র আর বিমার ফান কমেন্ট পড়তে পড়তে হো হো করে হেসে উঠলাম। যদিও খুব মন খারাপ করা অবস্থায় ব্লগে ঢুকেছিলাম। এদের একজন আজ ব্লগে বিনা কারণে অবান্ছিত।
আমি বেশীরভাগ ব্লগারের চেয়ে বয়সে অনেক বড়। বুদ্ধি-শুদ্ধি বেশী নাই। ঘটনাচক্রে জীবনে অনেক কিছু দেখে ফেলেছি। চাই সেগুলো শেয়ার করতে। এটা ভাবতে ভালো লাগে আমার ভুল থেকে অন্যরা শিখবে। আমার অভিজ্ঞতা থেকে মানুষ কিছু জানুক।

মডারেশন
সামু মূলত কমিউনিটি ব্লগ। এমন ব্লগে মডারেশন থাকতেই হবে।সামহোয়ারের মডারেশন কখনো ভালো লাগেনি। হাসিবের ১০০০ দোষ থাকতে পারে কিনতু তার ব্যানেরকোন কারণ ছিলো না। একজন ব্লগার আরেকজন ব্লগারকে শুয়রের বাচ্চা বলার পর গালিবাজের কিছু হয়নি। (রিপোর্ট করা হয়েছিল) কিন্তু শুধু লুলপুরুষ কথাটা বলে ব্যান হয়েছে শুন্য। তবে ভালো ব্যাপার হলো অন্যায় ব্যানের বিরোধিতা করার জন্য অন্যরাও ব্যান হতে দ্বিধা করেননি। ব্লগার হিসেবে বিমা বা তামিম ইরফান যে মেরুর, ফারহান/বিডিআইডল সেটার পুরো উলটো মেরুর। কিন্তু বিমা বা বিডির ব্যানের বিরোধিতা করেছে ফারহান বা তামিম। হাফপ্যান্ট থিওরীর জনকের মত কেউকেউ অবশ্য সেটা ধরতে পারেন না।
তারা শুধু কন্সপিরেসি, কন্সপিরেসি করে জিকির করে যান।

তুমি/তোমারি
২০০৯এর শুরুর দিক থেকেবয়সে ছোট ব্লগারদের সাথে একটু ভালোসম্পর্ক হলেই তুমিকরে ডাকা শুরু করলাম। সেটা নারী-পুরুষ নির্বিশেষে। এমনকি ব্লগের নানী নুশেরাকেও। ইদানিং দেখি অনেক ব্লগারকেই তুমিতোমারি করতে কেমন লাগে। তবে বুয়েটের পোলাপান জুনিয়র হলেই তুমি ডাকি। (ব্যতিক্রম- সাইফশেরিফ ও আরো কয়েকজন)

কারা নিয়মিত আসে আমার ফালতু ব্লগে

কাকভূষুন্ডি, নুশেরা, কাঁকন, এপু, হামা, শাওন ৩৫০৪, ফারহান, মুক্ত, রোহান, সাঝু, শুভ, অক্ষর,
- এরা বেশ নিয়মিত আমার ব্লগে। ক্যানো আসে এরা?

সংযোজনী/ডিসক্লেইমার
বাফড়া, তনুজা ও অন্যান্য যারা আগে নিয়মিত এসে দয়ার্দ্র কমেন্ট করতো কিনতু এখন ব্যান খেয়ে বা পোস্ট বিরতির কারণে আসতে পারে না তাদের নাম উল্লেখ করা হলো না।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/29051696 http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/29051696 2009-11-30 23:22:22
আমার প্রিয় গান ১- নজরুলের গান ****************************************************************
আমার বিজ্ঞাপন তরংগ ছাড়া গান শোনার ১ম উৎস হলেন আমার মা। মামণির নজরুলের গান খুব পছন্দ ছিলো তখন। বেশীর ভাগই যতটা বুঝি রাগ নির্ভর। "আজো কাঁদে কাননে কোয়েলিয়া" , "সই ভালো করে বিনোদ বেণী বাঁধিয়া দে", "রিমঝিম রিমঝিম ঝিম ঘন দেয়া বরষে", "অন্জলী লহ মোর সংগীতে" "মোরা আর জনমে হংস মিথুন ছিলাম" এসব গানের কথা বেশ মনে আছে।
"জোছনা করেছে আড়ি" এটা মনে হয় নজরলের না, তবে কেন যেন মনে হয় নজরুলের গান। "আজি নিঝুম রাতে কে বাঁশি বাজায়" এটাকেও নজরুল গীতি বলে জেনে এসেছি। কি অসম্ভব সব মনকাড়া গান। ২য় গানটা শুনিনি গত ২৫ বছর।

আমাদের ক্যাসেট প্লেয়ার হয় ১ম বোধ হয় ৮০-৮১ সালে। ৭-৮টা অডিও ক্যাসেট থাকলেও তাতে নজরুলের গানের কোন ক্যাসেট ছিলো না। বিস্ময়কর।

সেভেন এইটে থাকতে থাকতে শুনলাম "মেঘমেদুর বরষায় কোথায় তুমি", "শাওন রাতে যদি"। পরের গানটা খালিদ হোসেনের গলায় কিযে ভালো লাগতো। এর মধ্যে শুনেছি নজরুলের "কারার ঐ লৌহ কপাট", "চল চল চল"। ৮৫ র সাফ গেমসের সময় শুনলাম "মোরা ঝঞ্ঝার মত উদ্দাম"। এখনো খুব প্রিয় একটা গান। এখনমনে হয় তখন আহ একদিন যদি ক্লাসের সব ছেলে মিলে যদি ডেস্কে ড্রাম-তবলা বাজিয়ে গানটা গাইতে পারতাম। অবশ্য সেটা করলে টিচাররা আমাদের পিঠকে আরো জোরে ড্রাম তবলা বাজাতেন বলে মন হয়।

একসময় মানবেন্দ্রর নজরুল গীতি শুনেছি নেশাসক্তের মত। "এতো জল ও কাজল চোখে" "আলগা করগো খোঁপার বাঁধন"- কিন্তু এখন আর কোনটার কথা মনে পড়ছে না। অনুপ জালোটার ভজনও বেশ লাগতো " হৃদি পদ্মে চরণ রাখো" -এটার কথা না বললেই না। অনুপ ঘোষাল এখনো প্রিয়। মূলত নজরুল গীতির জন্য। ওনার একটা গানের আসরে গিয়েছিলাম ২০০২ সালে। একটা নজরুল গীতিও করেননি। আফসুস আর রাগের খিচূড়ী। মাঝখানে(মাস ছয়েক আগে) "বসিয়া বিজনে কেন একা মনে" আমার জাতীয় সংগীত ছিলো। "আকাশে আজ ছড়িয়ে দিলাম প্রিয়", "আমারও ঘরের মলিন দীপালোকে" এদুটোও খুব প্রিয় গান আমার। মোঃ রফির গলায় "আজো মধুর বাঁশী বাজে" কি যে ভালো লাগে।

রাগ সংগীত নিয়ে কোন পড়াশোনা নেই। তারপরও নজরলের রাগ প্রধান গানগুলো কিযে ভালো লাগে/লাগতো। আমার কাছে বাংলা গানের সুরকার দের মধ্যে নজরুল সবচেয়ে প্রিয়। কিন্তু কেন যেন, নজরুলের এই পরিচয়টা কেউ মনে রাখতে চায় না। মুসলিমকবি নজরুলের মর্যাদা বাড়াতে গিয়ে কখন যেন সুরকার নজরুলের কথা আমরা বেমালুম ভূলে গিয়েছি। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/29039811 http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/29039811 2009-11-08 14:02:20
এলোমেলো কথাবার্তা, অবাস্তব ভাবনা-চিন্তা ৪: আপনার দেশ কোথায়?
সেই ইতিহাসটাই বলছি। আমার বাবা-দাদার জন্ম ভারতে। পশ্চিম বাংলা। নাঃ ওখানে আমার পুর্বপুরুষরা কোন জমিদার ছিলেন না। একেবারেই সাধারণ পরিবার। আমার বাবা যখন ক্লাস ৫/৬এ পড়েন তখন দাদা মারা যান। আব্বা ৬/৭ ক্লাসে পড়ার সময় শেষ হয় ওখানকার পর্ব। তার কিছুদিন পর ভারতভাগ। পাকিস্তান আমলেই ওনার সরকারী চাকরী পর্ব শুরু হয়। ৯০এ রিটায়ারমেন্ট। ৯৮এর আগে আব্বা আর ভারতে পা দেননি। এতো ত্যানা প্যাঁচানোর উদ্দেশ্য পশ্চিম বাংলাকে দাদাবাড়ি বলতে আমার যে ব্যাপক আপত্তি সেটা জানানো।

আমাদের জীবন কেটেছে কলোনীতে। আগারগাঁর এক কলোনীর বাসায় আমরা ১৬ বছর ছিলাম। চাচারা একেকজন একেক যায়গায় থেকেছেন। আমাদের স্থায়ী ঠিকানা বলতে আসলে কিছু ছিলোনা। বাংলাদেশের সরকার/মানুষকে কি করে বোঝাই সে কথা?

কোন একটা বিচিত্র কারণে আমার বাবা-চাচারা ভারতের জন্ম নেয়ার ব্যাপারটা ঠিক বলতে চাইতেন না। ঘটিদের মানুষ খুব পছন্দ করতো না, হয়ত এখনও করেনা। রিকশা ভাড়া শেয়ার করার সময় যার কখনোই ভাংতি থাকে না, সেও জানায় ঘটিরা খুব কৃপণ। বাসায় কখনো খাওয়ায় না। ঘটিরা মেয়েরাও বেশী সুবিধার হয়না - নির্ভীকের মত জানান অনেকেই। নাহ, আমার বোনেরা (আপন অথবা কাজিন) তাঁদের কারো পাকা ধানে মই দেননি। তবু বলেন।

কেউ বলতে পারেন, নানাবাড়িকেই তো দেশের বাড়ি হিসেবে চালানো যায়। হে হে অভাগা যেদিকে চায়....... নানার বাড়ি নোয়াখালী।
নোয়াখালীর লোকতো খুবই ট্রিক্সবাজ। দাওয়াতে খেয়েই চলে আসে।

জেলা ভিত্তিক জেনারাইলেজেশন জিনিষটা যে কত খারাপ সেটা বুঝতে বেশী দেরী হয়নি। সারা দেশের সব জেলাকেই নিজের জেলা ভাবতে ভালো লাগতো। দৈনিক সংবাদে মোনাজাতউদ্দিনের সিরাজগন্জের কৃষকের কষ্টকে নিজের কাছের মানুষের কষ্ট ভাবতে পারতাম। আবার কুমিল্লার রসমালাইকে পৃথিবীর সেরা খাবারের একটা বলতাম (এখনো বলি) উঁচু গলা করে। সারা জীবন ঢাকায় থাকলেও ঢাকার চেয়ে চাটগাঁ যে অনেক সুন্দর শহর সেটা মানতে দ্বিধা করিনি কখনো।

প্রবাসে এসেও দেখি "দেশপ্রীতি" (বাংলাদেশ অর্থে না) যায় না কারো কারো। কয়েকশ বাংগালির মধ্যেও দেখি কেউ কেউ মেশার সময় নিজের জেলা খোঁজে। নিউইয়র্কে বসে গড়ে তোলেন "বাঞ্ছারামপুর সমিতি"।

সব জেলার মানুষের মাঝে ভালো মন্দ পেয়েছি। যেসব চমৎকার মানুষকে দেখেছি, কোন ফরমুলায় ফেলতে পারি নি যে কোন জেলার মানুষ কেমন হবে। গণিতের ভাষায়, মানুষের চরিত্র জেলার ফাংশন নয়।

দেখতে দেখতে ৯ বছর হয়ে গেলো প্রবাসজীবন। দেশ বলতেতো কোন নির্দিষ্ট গ্রাম/উপজেলা/জেলা মনে পড়ে না। জীবনে কোনদিন বগুড়া যাইনি। দেশের টান বল্লে তো বগুড়ার কথাও মনে পড়ে। বিষণ্ণ মনে দুটো লাইন মনে করি "সতত হে নদ তুমি পড় মোর মনে, সতত তোমার কথাভাবি এ বিরলে"। নাহ পাঠক, জীবনে কোনদিন কপোতাক্ষ নদও দেখিনি। (একবারই যশোর গিয়েছিলাম)

কোন জেলাই আমার জেলা না। সেজন্যই কি ৬৪ জেলাকেই নিজের জেলা মনে হয়?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/29012939 http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/29012939 2009-09-19 12:16:51
এসো ব্যাকরণ শিখি- এক কথায় প্রকাশ (সামু বিষয়ক) পোস্ট করেন যিনি= পোস্টক
ব্লগ করেন যিনি=ব্লগক
বানান ঠিক করার রোগ = নুশেরাইটিস (সমার্থক শব্দ তনুজায়েড, আইরিনেরিয়া, আমোকালিস, এপুটাইটিস, ফারহান্যানিয়া) <img src=" style="border:0;" />
বানান ভুল করার রোগ =কঁাকনাইটিস <img src=" style="border:0;" />
লুল ফেলেন যে পুরুষ=লুলক (সমার্থক শব্দ লুলকুমার)
লুল ফেলেন যে নারী=লুলিনী (সমার্থক শব্দ লুলবানু)
লুল ফেলেন যে ব্লগার=লুগার
লুল ফেলার রোগ=লুলাইটিস
ব্যান হৈবার আতংক=ব্যানাতংক
ব্যান করার রোগ=ব্যানাইটিস
প্লাস দেন যিনি=প্লাসক
মাইনাস প্রদানে পারংগম যিনি=মিনেসোটা
+ টাইপ করেন যিনি= সৈয়দ ____জ্জামান
বিবাহের জন্য পাগল যে বালক=মানুষ (ব্লগার/ব্লগক অর্থে, মানব জাতি অর্থে না)
মডুর ভয়ে ভীত যিনি=ম্যাংগোব্লগার
কমেন্ট মডারেশন করেন যিনি= __ আবদুল্লাহ
সান গ্লাস পরেন যিনি= __ আলম
নিজের ব্লগে সবাইকে ব্লক করেন যিনি= ___ এনাম
তর্কে কোণঠাসা হলে জরুরী কাজে বাইরে যান যিনি=/_\ (সমার্থক শব্দ চিফ)
পোস্ট স্টিকি হবার জন্য লালায়িত যিনি=রোবোট




এই পোস্ট ভালো লাগলে আমাকে প্লাস দিন। খারাপ লাগলে নুশেরান্টির পোস্টে মাইনাস দিয়ে আসেন। (ওনার কুমন্ত্রণায় এই পোস্ট লিখলাম)
<img src=" style="border:0;" />




]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/29007333 http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/29007333 2009-09-09 10:58:31
অটিজম, নুশেরার পোস্ট, ফারহানের কমেন্ট ও আমার কিছু অর্থহীন রোবোটিক প্রলাপ রোবোটকে না বলুন।

নুশেরার এই পোস্ট পড়ার পর এ পোস্ট দিতে চাইলাম।
Click This Link

***************************************************************

নুশেরার নাম প্রথম পড়েছিলাম ভোরের কাগজে। ব্লগে ওর প্রথম পোস্টের শিরোনাম ভালো না লাগায় ওর ব্লগে বেশি যেতাম না। তবে অল্পকিছুদিন যাবার পর বুঝলাম, এ ব্লগে সাধারণ ব্লগারদের সবচেয়ে প্রিয় একজন ব্লগার নুশেরা। গত ৭-৮ মাসে আমি ওর ব্লগের নিয়মিত পাঠক হয়েছি। আরো কয়েকশ ব্লগারের মত। জেনেছি অপনার অটিজমের কথা। (অপনা আমার মেয়ের চেয়ে খুব বড় না। আমার ভাতিঝি-ভাগ্নেদের বয়সী।) আমার ব্লগেও হাতে গোণা যে কজন আসে, তার মধ্যে নুশেরা ১জন।

অটিজম শব্দটা শুনি প্রথম মনে হয় আমার স্ত্রীর কাছ থেকে। অটিজম সম্পর্কে খুব বেশী জানিনা, তারপর যতটুকু জানি তার অনেকটাই নুশেরার পোস্ট থেকে। বাকিটা অনলাইন। টিভি। আমি বিশ্বাস করি মানুষের জীবনটা হচ্ছে স্বপ্ন আর লড়াই। বেশীরভাগ লড়াইয়ে আশা থাকে হয়ত জিতব।

আমি নিজে প্যারেন্ট (ভালো বাংলা পেলাম না)। সেজন্য জানি একজন প্যারেন্টের কাছে তার সন্তান কত প্রিয়। মা-বাবার জীবন ঘোরে তার সন্তানকে কেন্দ্র করে। (বাবা হবার আগে বুঝতাম না) ।

সেই সন্তানের যখন অটিজমের মত অসুখ হয়, তখন বাবামার মনের বিপর্যয় হয় সেটা অন্যরা বুঝবে না। বুঝতে না পারুক। তার কষ্টকে সম্মান করতে কেন পারিনা? একজন ডাক্তার কিকরে বলে ওরকম কুৎসিত একটা অনুবাদ করে। নুশেরা আর ওর হাজব্যান্ড বড় বেশী ভদ্র। ঐ লোকের গালে ঠাস করে চড় বসালেও কম শাস্তি দেয়া হ্ত। নুশেরা আবার ঐ লোকের নামও নেয়নি। মনে হয় নিজেদের স্বার্থেই ঐ লোকের নাম জানা দরকার। নিজের বা নিজের প্রিয়জনের সন্তানকে নিশ্চয়ই এমন লোকের কাছে নেয়া ঠিক না।

আমি যতটুকু জানি এর কোন চিকিৎসা নেই। শুধু চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া নিরনতর । ঠিক যেমন নুশেরা বলেছে তার পোস্টে। অটিজমের সাথে মেধার কোন কোরিলেশন নেই। আবার স্ট্যাটিসটিক্সকে কাচকলা দেখিয়ে একই পরিবারে একাধিক সন্তান হতে পারে অটিস্টিক। ইশ্বর কি নির্মম। টিভিতে একটা সিরিয়ালে দেখেছিলাম, অটিজম আক্রান্ত বাচচাদের বাবামাদের অনেক সময় এই স্ট্রেস, অমানুষিক ধৈর্য আর পরিশ্রমের কারণে ডিভোর্সও হয়।


নুশেরার পোস্টে আমার আরেক প্রিয় ব্লগার ফারহান বলেছে "৪ মাস পরে টেস্ট করে আভাস পেলে শিশুটার আসার পথ রুদ্ধ করে দেয়া আমার কাছে অমানবিকই মনে হলো, এমনকি কেউ আমাদের সাথে না মিললেও তার বেঁচে থাকার পূর্ণ সুযোগ পাবার অধিকার আছে।" ভাইরে, জীবনটা অত সরল না। মাবাবার জীবনের সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তার বিষয় তার সন্তানের নিরাপত্তা-ওয়েল বিয়িং। অটিজম অথবা পংগুত্ব আক্রান্ত সন্তানের বাবামা কি মৃত্যর আগেও নিশ্চিত হতে পারেন সে ব্যাপারে? অনেক নিষ্ঠুর সিদ্ধান্তও অনেক সময় কাম্য। "আই হ্যাভ টু বি ক্রুয়েল ওনলি টু বি কাইন্ড"।

নুশেরাদের এ লড়াইয়ে আমরা যোদ্ধা না। আমরা কেবল পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কখনো দেখা না হওয়া ঐ দম্পতির (এবং এরকম আর সব পরিবারের) শুভকামনায় থাকবো। ঘটবে ভালো কিছু। কোন এক কাজ পাগল আবিস্কারক একদিন বের করবেন এর চিকিৎসা। শুধু সেইদিনের আশায় থাকি।





]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/28987659 http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/28987659 2009-08-02 14:04:07
বন্ধু তোমায় না পাঠানো এই চিঠি
যতই দিন গেল তোমার সাথে ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকলো। একসাথে চলাফেরা-খাওয়াদাওয়া-পড়াশোনা। হলে-ক্লাসে-ক্যাফে-ক্যান্টিনে-নীরবে। হলে কেউ কেউ ডাকা শুরু করলো মাণিকজোড় হিসেবে। জানলাম তোমার পছন্দের নারীর কথা। নিজেও অনেক কিছু শেয়ার করলাম। স্কুল কলেজে থাকতেই গলা ছেড়ে গান গাওয়ার অভ্যাস তৈরী হয়েছিল, যদিও জানতাম গলায় খুব বেশী সুর নেই। তোমার মুখে তাও আমার গানের গলার প্রশংসা শুনলাম। ভালোই লাগলো। প্রশংসা শুনতে কার খারাপ লাগে বলো?

তুমি ছাত্রফ্রন্টের সক্রিয় কর্মী। আমি রাজনীতি সচেতন, কিন্তু কোন দলে নিজেকে মানাতে পারছি না। নির্দিষ্ট দলের চেয়ে রাজনীতিতে কিছু সুস্থ উপাদানের গুরুত্ব নিয়ে বেশী সচেতন। বন্ধু মহলে বলতাম আমি নির্দলীয় রাজনীতি করি। নির্মূল কমিটির প্রোগ্রামে টিয়ার গ্যাসের ধোয়ায় আক্রান্ত হয়েছি। মিছিলে থেকেছি পাশাপাশি। আমাদের কি সহযোদ্ধা বলা যায়?

তখন আমরা ফোর্থ ইয়ারে। পরদিন তোমার আর আমার প্রজেক্ট পার্টনারের বাসায় আসার কথা। রাত ১১টায় হল থেকে ফোনে জানালে তুমি আসছো না পরদিন। আমি একবার ভাবলাম বলি কেন আসবে না। কি মনে করে যেন আর বল্লাম না। তার মাস কয়েক আগে তোমার ভালোবাসার নারী সম্পর্ক চুকিয়ে দিয়েছে। বুঝতাম তোমার মন খারাপ থাকে। অনেক সময় মনে হয় একটু যেন আনমনা। পরদিন আমার প্রজেক্ট পারটনার আর আসেনা। তখন বোধহয় ২ টার মত বাজে। হঠাৎ ফোন এলো এক ক্লাসমেটের। সে জানালো যে তুমি খুন হয়েছে। আমাকে বললো তাড়াতাড়ি বু্য়েটে আসতে। বাস শেষ, আর কিছু না। হলের কয়েনব্ক্স থেকে ফোন। কোন রকমে চলে আসলাম হলে। শুনলাম কারা যেন তোমাকে গুলি করে হত্যা করেছে। তুমি আর তোমার খুনীরা আহসানউল্লা হল আর বকশীবাজার গেটের পথে। পয়েন্ট ব্ল্যান্ক রেইন্জ।

তোমার দাফনে যাবো, শেষবারের মত তোমাকে দেখবো, এজন্য ছুটলাম শ্যাওড়া পাড়া। আমি যখন গেলাম তখন দাফনের শেষ পর্যায়। ওখানে কিছু বন্ধুকে পেয়েছিলাম। বাসায় ফিরতে ফিরতে বোধহয় রাত দশটা। একবারও কাঁদিনি। সেদিন ডিনারও করেছি। রাতে একসময় ঘুমও এলো।

পরদিন গেলাম ইউনিভারসিটিতে। ব্যাচের ছেলেমেয়েরা শোকদিবস করলো। এর মধ্যে ছাত্র খুনের বিচারকে কেউ কেউ (জুনিয়ররা) সাফল্যের সাথে পরীক্ষা পিছানোর আন্দোলন বানিয়ে ফেললো। ভাংচুর। পরীক্ষা পেছালো ওদের। ভার্সিটি অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ হোলো। স্যাররা জানালেন যে "আহসানুল্লাহ হল থেকে বকশহিবাজার গেইট" বুয়েট ক্যাম্পাসের মধ্যে পড়েনা, তাই আহমেদ হত্যায় ওনাদের কিছু করার নেই। তারপর আমি ও আমার মত কিছু ২ পয়সার মানুষ চেষ্টা করলাম তোমার হত্যার বিচার নিয়ে চারদিক নাড়া দিতে। কেউ দেখলাম গা করেনা। চরম অসহযোগিতা দেখালো ছাত্রনেতারা। দলবাজি, গোষঠীবাজির চরম উৎকর্ষ দেখলাম। ও থাকলে আমি কোন প্রোগ্রামে থাকব না, এমন শর্ত দেয়ার লোকও কম না। একসময় সবই সয়ে যায়। পড়াশোনা নিয়ে আবার ব্যস্ত হয়ে গেলাম। নতুন কিছু ছেলেমেয়ে বন্ধু হলো। আস্তে আসতে দেখা গেলো আন্দোলন বলে কিছু নেই। অনেক ক্লু থাকা স্বত্বেও পুলিশ চুপচাপ।

র‌্যাগের সময় দেখলাম ১০০ টাকা চাঁদা তোলা হলো তোমার পরিবারের জন্য। আমরা যারা বুয়েটের ২ পয়সার ছাত্র ছিলাম তাদের কাছে ব্যাপারটা পরিস্কার হলো না। আমরা তো জানি তোমার পরিবারের দরকার হত্যার বিচার। হ্য়তো আমাদের সহানুভূতি। হোক তোমার পরিবার নিম্নবিত্ত কয়েক হাজার টাকা দিয়ে তারা কি করবে। এখন আমরা ছাত্র সংগঠনের পান্ডাও না, ক্যাফের সামনে আডডা দেয়া হাই প্রোফাইল ছাত্রও না। সুতরাং আমাদের কথা গুরুত্ব পেলো না। র‌্যাগের পর শুনলাম র‌্যাগের হর্তাকর্তারা জানালো তাদের কত টাকা তাদের নিজের পকেট থেকে খরচ গেছে। মজার ব্যাপার হলো র‌্যাগের চার বছর পর ব্যাচের কিছু হাই প্রোফাইল মানুষ আবার পিকনিকও করে র‌্যাগের উদ্বৃত্ত টাকা দিয়ে। আর হ্যাঁ, তোমার ফ্যামিলিকে কখনই কোন টাকা দেয়া হয়নি। সে টাকা দিয়েই কি পিকনিক .....

ঠিক ১৪ বছর হয়ে গেলো তোমার মৃত্যুর। অস্বীকার করবো না যেটুকু আমার করা উচিত ছিলো তোমার হত্যার বিচার বাস্তবায়নে সেটুকু করিনি। মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান, সীমাবদ্ধতা আর অসামর্থ্যের তো শেষ নেই। কখনো তোমার মার কাছে যাইনি। তোমার কবরের পাশে কখনো বসে থাকিনি। যে যায়গাটাতে তুমি লাশ হয়ে পড়েছিলে সেখানে মাঝে মাঝে ফুল দিতাম শুধু। ভাবতাম তাতে যদি আমাদের আশেপাশের মানুষরা মনে করে তোমার কথা।

মানুষের নিষ্ঠুরতা যেমন দেখেছি, আবার কত চমৎকার মানুষই না দেখেছি। তোমাকে কখনো দেখেনি, এমন মানুষও তো তোমার জন্য দীর্ঘশ্বাস ফেলেছে। কত বন্ধুই না পেয়েছি। তবু তোমার অভাব বোধ করি। দেশে গেলে। কিংবা প্রবাসে। ভাবি তোমার বাবা-মার কথা। ওনারা কি এখনো কাঁদেন? তোমার ভাইবোনেরা? তোমাকে নিয়ে তো ওদের তো অনেক স্বপ্ন ছিলো। আমাকে বা তোমার অন্য বন্ধুদের কথা ভাবলেই ওদের কি গা গুলিয়ে উঠে? ঠিক একটা পোকাকে কিলবিল করতে দেখলে যেমন মনে হয়।

নিজেকে নিজের কাছে বড় অপরাধী মনে হয়। ক্ষমা কোরনা আমাকে। কক্ষনো না।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/28959496 http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/28959496 2009-06-03 09:33:31
রোবোটের বলগিং খোয়াব কেএসপি পদ্য <img src=" style="border:0;" />
মাঝেসাঝে লিখে ফেলে হাবিজাবি গদ্য <img src=" style="border:0;" />
আশায় বসিয়া থাকে ভরিয়া যাবে গাদা গাদা পিলাসে <img src=" style="border:0;" />
বলগার হিসাবে উঠে যাবে সেলিব্রিটি কিলাসে <img src=" style="border:0;" />
বাধা নাই কোন তার খোয়াব যে দেখিতে
পোস্টখানি উঠে গেছে সামুরই স্টিকিতে :-*
তার নামে পোস্ট নাই মনে জাগে সন্দ<img src=" style="border:0;" />
সহ বলগার হিসাবে কি সে অতিশয় মন্দ/<img src=" style="border:0;" />
কমেন্টে হিটে হায় থাকে যে কি খরা
খোয়াব দেখিয়া যায় সব থাকে অধরা
দেখিয়া শুননিয়া রোবোটের মনে চায় জানিতে
ভাসিয়া এসেছে সেকি বানেরও পানিতে?


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/28956747 http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/28956747 2009-05-28 00:58:54
এলোমেলো কথাবার্তা, অবাস্তব ভাবনা-চিন্তা ৩: বিষন্নতার গান কাছাকাছি সময়েই শুনলাম "আমি নেই, আমি নেই ভাবতেই ব্যথায় ব্যথায় মন ভরে যায়, যেই ভাবি আর কোন খানে আমি নেই.." । চটুল গানের ওসতাদ কিশোর কুমার ভারী করে দেন এক বালকের মন। মৃত্যু চিন্তা হয়ত না, তবুও কেমন বেদনা-বিষন্নতা মাখানো গান। ঠিক একইরকম অনুভূতি হয় যখন রবীন্দ্রনাথের চির-আমি (যখন পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন এই বাটে) শুনতাম। বয়সজনিত আবেগ না গায়ক-গীতিকার-সুরকারের ক্যারিশমা- জানিনা।
তবে এক মান্না দে যত বিষন্নতার মায়াজাল জড়াতে পেরেছেন, আর কি কোন শিল্পী পেরেছেন। নিজের ছোট ভাইবোন নেই। "সে আমার ছোটবোন, বড় আদরের ছোট বোন" শুনলাম, সেদিন না থাকা ছোটবোনের কষ্টে বেদনার্ত হই। "কফিহাউসের সেই আডডাটা আজ আর নেই" যখন প্রথম শুনি তখন আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে। বয়স প্রায় ২০। পশ্চিমা সুরের এই গানে কেবলি বিষন্নতার হাহাকার। হ্য়ত সবার জীবনে এমন বন্ধু থাকেনা যাকে অসময়ে হারিয়ে যেতে হয় পৃথিবী থেকে। তারপরও পুরনো বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার কারণ অনেক সময়ই করুন।
ইংলিশ গানেও কিন্তু কম আসেনি বিষন্নতা। এরিক ক্ল্যাপটন ১৪ বছরের ছেলের অকাল মৃত্যতে লিখলেন, "উড ইউ নো মাই নেইম ইফ আই স ইউ ইন হেভেন"। এটা কি যে এক অসাধারণ বেদনার সুরের গান। আমি বুঝেছিলাম, অনেক মুল্য দিয়ে। কারো যেন সে দূর্ভাগ্য না হয়। "জ্যামাইকা ফেয়ারওয়েল" ও কি এক বিষন্নতার গান না?
আমার বেশীরভাগ প্রিয় গানই বিষন্নতার গান। বেদনার গান। কোন এক বিচিত্র কারণে আমার মেয়েও মেলোডী পছন্দ করে। মুখ করুণ করে সালমা গায়, "লালন তোমার আরশিনগর আর কতদূর"। খুবই ব্যাকুল গলায় আমার আড়াই বছরের মেয়ে আরো করুণ গলায় বলে, "দ্যাকো কান্না কচ্ছে"
ইদানীং হ্য়ত ঐভাবে গান শুনিনা। তাও যতটুকু শুনি বেদনার গানই শুনি, তবু গান শুনে আর ওরকম মন খারাপ হয় না। মনে হয় সুকুমার দিকগুলো নাই হয়ে যাচ্ছে আজকাল।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/28954081 http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/28954081 2009-05-22 09:35:33
অনুস্বাতে পাখি, বিসর্বতে বাসা আমার মেয়ের বয়স যখন ৯-১০ মাস তখনই বুঝতাম ও গান নকল করার চেষ্টা করছে। বছর খানেক হবার আগেই টুকটাক কথা শিখলো (যেমন- এ্যা পিততি) বাচচার মা বাবা দুজনেই হলো "বাবা"। "তটিনী হিল্লোল তুলে কল্লোলে চলিয়া যায়" থেকে শিখলো "কাললালে"। ১৫-১৬ মাস থেকে ২ বছর বয়সে ভাষা শিখায় খাইলো বিরাট ডাববা। কোন অগ্রগতি নাই। মেয়ে প্রাণপণ চেষ্টা করলো বাবার ঐতিহ্য রাখতে (আমিও দেরীতে কথা শিখেছি)। ওর বয়সী বাচচারা যারা ওর চেয়ে কথায় পিছিয়ে ছিলো, তারাও কঠিন বাক্যালাপ শুরু করলো (২ বছরের ছেলে মাকে বলে "আম্মু তোমাকে খুব সুন্দর লাগছে" "আমি গরুর মাংস খাব")
আগেই দেশ থেকে কিছু বাংলা ছড়া গানের সিডি ছিলো। "নোংগর তোল তোল" শুনলে মেয়ে হাতটা উচুতে তুলে বলে "হোল হোল"। কি হোল কে জানে। হাত তুলে হোলো হলো বলতে হবে এটা শিখ গেছে দিবি (ডিভিডি) থেকে। "বায়স্কোপ" হলো বায়সসোপ, আরেকটা হিট গান। "তিংকা, তিংকা লিশাতা" গানটার কথাতো আমার আগের একটা পোস্টে বলেইছি।
আড়াই-তিনে শুরু হলো বিদ্যা চর্চা। অ-আ-ক-খ। অক্ষর চেনার একটা বই ছিলো। কোন এক বিচিত্র কারণে ব্যন্জন বর্ণের শেষের দিকের বর্ণ গুলাই তার পছন্দ হলো। ক খ চেনে না তবে বিসর্ব (বিসর্গ), অনুস্বাত (অনুস্বর), চন্নবিন্নু (চন্দ্রবিন্দু) এগুলায় কোন সমস্যা রৈলোনা।
একদিন দেখি জানালার সামনে দাঁড়িয়ে বলছে, "অনুস্বাতে পাখি, বিসর্বতে বাসা।" অনুস্বারের সাথে পাখির কি সম্পর্ক বা বিসর্গর সাথে বাসারই বা কি মিল কে জানে।
তিন বছর হবার পর শুরু হলো বাংলা ভোলার পালা। কারণ বাচচা এখন ডেকেয়ারে যায়। প্রবাস জীবনের আরেক যন্ত্রণা। ডেকেয়ারে সব বাচচারই ভাষা ইংরেজি। এখন মোট ৫-১০টা বাংলা বর্ণও চেনে কিনা কে জানে। রাতে ঘনটা চারেক সময়ে কি আর বাংলা চেনানো যায়। ভয় হয়, ভবিষ্যতে তো আরো খারাপ অবস্থা হবে, বিশেষত যখন স্কুলে যাবে। তখন তো বাসায় এসে হোম ওয়ার্ক।
প্রবাসীর মেয়ে, বাংলা আমাডের মত জানবে এটা কখনো ভাবতাম না, তবে আমরা যতটুকু ইংলিশ জানি ততটুকু বাংলাও জানবে না। তবে কি আমাদের মেয়েটাও আর দশটা প্রবাসী বাচচার মত ভাঙা ভাঙা বাংলা বলবে






(বানান বিশারদের যন্ত্রণায় বানান ঠিক করা হোল)
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/28946521 http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/28946521 2009-05-05 07:56:03
আমার কমিটি সমূহ এ্যাসাবিবাক- এ্যালন সাহেবের বিবাহ বাস্তবায়ন কমিটি
কপ্রক- কবিতা প্রতিরোধ কমিটি
অবাবক- অপরবাস্তব বয়কট কমিটি

আমি ১ম তিনটার সভাপতি, শেষেরটার গুরুত্বপূর্ণ সদস্য]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/28941031 http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/28941031 2009-04-22 01:23:48
এলোমেলো কথাবার্তা, অবাস্তব ভাবনা-চিন্তা ২: - আজি ঘুম নাহি নিশি জাগরণ চাকরিতে ঢুকার পর সোজা হতে বাধ্য হলাম। ইদানিং আবার ব্লগের উছিলায় প্রায়ই রাত জাগা হয়। অফিসে খালি ঘুম পায়। চাকরিটা হারাতে চাইনা এ বাজারে।

আমার দুই ভাগনে (৬ ও ৮ বছর)র জীবনে বড় এক্সাইটিং ঘটনা হলো রাত জাগা। আমার মেয়েটাও (৪ বছর) প্রায়ই তাল তুলে "আমি ঘুমাইবে না, আমি জাইগা থাকবে"

রাত জাগা কি জেনেটিক?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/28939926 http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/28939926 2009-04-19 09:46:07
এলোমেলো কথাবার্তা, অবাস্তব ভাবনা-চিন্তা ১: তবুও আশায় থাকি, তবুও স্বপ্ন দেখি যে মানুষটা মিছিলে আপনার বিশ্বস্ত কমরেড, সে আবার আপনার সবচেয়ে কাছের বন্ধুও। হঠাৎ এক বিচিত্র দুপুরে জানতে পারলেন সে খুন হয়েছে পয়েন্ট ব্ল্যাংক রেন্জের গুলিতে। চোখ ফেটে কান্না আসতে চায় কিন্তু চোখের পানি কখন শুকিয়ে গেছে। আশা করেন, ধরা পড়বে খুনী। মেধাবী সহপাঠী, সতীর্থরা চারদিক কাঁপিয়ে উঠবে- এমন আশায় বুক বাঁধেন। যতটুকু আশা, ততটুকুই আশাভংগ। সহপাঠী, সতীর্থরা হত্যার বিচারের দাবীকেও নোংরা পলিটিক্স বানাতে দ্বিধা করেনা। মানুষের বিচিত্র চেহারা দেখেন। দিন যায়। মাস যায়। মাস গড়িয়ে বছর। বছরের পর বছর। হ্ত্যার বিচারের যে কোন দাবী ছিল এটাই সবাই ভূলে যায়। হয়ত আজো কাঁদেআপনার বন্ধুটির মা-বাবা-ভাই-বোনেরা। আপনার বুকটা ভারী হয়ে আসে কোন নির্জন রাতে। অথবা ব্যস্ত এক দুপুরে। মনের ভিতর কে যেন বলে, একদিন ঐ খুনী নিশ্চয়ই সাজা পাবে। এ জীবনে, অথবা আরেক জীবনে।
একটি শিশু। সদ্য কথা শিখেছে। বাড়ির প্রথম শিশু। সবার আদর-ভালবাসা সব তাকে ঘিরে। একসময় জানা গেল সে ভূগছে মস্তিষ্কের জটিল অসুখে। পৃথিবীর সব চিকিৎসা, সব চেষ্টাকে বৃথা প্রমাণ করে একদিন সে পৃথিবীর মায়া ছেড়ে চলে গেল অন্য পৃথিবীতে। চার বছরের সন্তানের মৃতদেহ হয়ে উঠে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ভারের নাম। তবু একসময় জীবন স্বাভাবিক হয়ে ওঠে। সেই বাবামার ঘর আলো করে আসে আরো সন্তান।
আবার শুরু হয় স্বপ্ন দেখা। আশা করা।
শুধু কি এরাই, যে বাবামা তার একমাত্র সন্তানকে হারান তার ১৮ বছর বয়সে তারাও একসময় শুরু করেন স্বাভাবিক জীবন যাপন করা।
আডডায় যাকে দেখেন সবচেয়ে উঁচু গলায় হাসতে, ভাবেন সে খুব সুখী। সে জানেনা তার মৃত্যর পর তার পংগু সন্তান টির ভার কে নেবে? তবু সেও স্বপ্ন দেখে।
পেশাগত জীবনের শেষ দিক। পুরোপুরি ব্যর্থ একজন মানুষ আপনি। তবু মনে করেন, একদিন একটা অন্যরকম দিন আসবে। জীবনে সফলতার মুখ দেখবেন। শেষ হবে অবিচারের পালা। আপনার বহু বছরের অমানুষিক পরিশ্রমের যোগ্য প্রতিদান পাবেন।
মানুষের জীবনই তাই। শুধু স্বপ্ন দেখে যাওয়া, শুধু আশা করে যাওয়া। এছাড়া যে আমাদের বাঁচার আর কোন উপায় নেই।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/28939578 http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/28939578 2009-04-18 10:14:16
ব্লগারদের দৃষ্টি আকর্ষণ জরীপ - দ্রুত অংশ নিন ক) ০-১৫
খ) ১৫-২০
গ) ২০-২৫
ঘ) ২৫-৩০
ঙ) ৩০-৩৫
চ) ৩৫-৪০
ছ) ৪০-৪৫
জ) ৪৫-৫০
ঝ) ৫০-

২। আপনি কি করেন?

ক) চাকরী
খ) ছাত্র
গ) ব্যবসা
ঘ) বেকার
ঙ) গৃহিনী

৩। আপনার কোন পোস্ট স্টিকি হ্য়ছে কি?
ক) হ্যা
খ) না]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/28920590 http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/28920590 2009-03-06 03:21:24
২য় নিক চাহিয়া মডুদের কাছে আবেদন পত্র হুজুরের কাছে সবিনয় নিবেদন এই যে আমি "মডারেটর" নামে আমার ২য় নিক প্রস্তুত করি। দু্‌:খের বিষয় আমাকে আমার স্বনির্মিত নিকে প্রবেশ করিতে দেয়া হইতেছে না। ইহাতে আমার পক্ষে নিজেকে নিজে + দেয়া সমভব হইতেছে না। ইহাতে আমার পোস্টের+ সংখ্যা বাড়ানো অসম্ভব হইয়া পড়িতেছে। এমতাবস্থায় ব্লগার সমাজে আমার ভাবমূর্তি রক্ষা করা খুবই কঠিন।
অতএব অধীনের বিনীত নিবেদন এই যে, আমাকে আমার মডারেটর নিকে প্রবেশ করিতে দেয়া হউক।

আপনার একান্ত অনুগত ব্লগার রোবট]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/28910450 http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/28910450 2009-02-13 02:17:25
আমার প্রথম কবিতা বলগ -

যে জন বলগে মনের হরষে করেছে লুগারবাজি
জীবনে তাহার বেগম হইতে কেহ হবে না রাজি

শব্দার্থ
লুল ব্লগার= লুগার
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/28901301 http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/28901301 2009-01-23 11:06:59
অবশেষে ১ বছর - ২য় ইনিংস কাদের লেখা খারাপ লাগে?
- যারা জামাতের হয়ে পোস্ট করে, ভাব দেখায় তারা ইসলামের এজেন্ট । সেই দেশদ্রোহীরা যারা পাকিস্তান ও রাযাকার-আলবদরদের সমর্থনে কথা বলে।
- যারা গালিগালাজ করে
- যারা যাকে তাকে রাজাকার ট্যাগ লাগায়। মিরাজকেও এখানে কেউ কেউ রাজাকার বানিয়েছে
- যারা কাউকে প্রশংসা করতে পারে না। আলগা মাতবর প্রজাতি।

২য় ইনিংস আসতে দেরী হয়ে গেলো। ছরি।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/28887671 http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/28887671 2008-12-25 10:27:45
একটি সংগীত বিষয়ক কুইজ একই "শিল্পী"র বছর দেড়-দুয়েক আগের গান, তিনকা তিনকা লিশাদা.।
বলেন তো এগুলা কি গান?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/28874372 http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/28874372 2008-11-26 11:36:30
আমি কি বানের পানিতে ভেসে আসছি? ঝাতি ঝানতে চায়




]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/28859388 http://www.somewhereinblog.net/blog/robotrobotblog/28859388 2008-10-25 09:05:22