somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... SRISTISukh.com
Answer the followings:
Do you

-- always nag about the unavailibilty of contemporary Bengali Literature in internet?
-- yell in friendly adda about the goddamn design of Bengali Websites?
-- think that, it is really difficult to get a web designer for your website at a moderate cost?
-- imagine one day your little magazine, which is getting published from Kolkata, will be available in California?

Take a look.

SRISTISukh, the first official web designer for bengali websites, got its first client on June, 2007. The appreciation started coming alongwith new clients. Today we have 15 websites in our gallery at an average of 1 website a month and with an aim of 50 by the end of 2010. Those, who are still asking 'why?', should go through this entire website and revise their prejudice about the silent revolution in Bengali web designing.

What We Offer

A standard and professional look for your site.
Easiest way to communicate with your viewers.
Friendly support whenever you need.
An i-don-believe-it quote for all-i-got site.
Regular maintenance to meet your need.

Still cannot believe your eyes? Contact us at SRISTISukh.com.

Regards,
Rohon]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28828599 http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28828599 2008-08-08 01:55:43
সৃষ্টি ১৫ প্রকাশিত হয়েছে http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28774133 http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28774133 2008-02-26 02:52:34 সংবাদপত্রকে ধিক্কার জানাই... অনিল আম্বানিকেও http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28763345 http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28763345 2008-01-22 23:49:11 সব্জিবাগানে ঘুরে বেড়াচ্ছেন রোহণ কুদ্দুস তাঁর বুকপকেটের মধ্যে এ.টি.এম. কার্ড
আর যা যা সন্দিগ্ধ জিনিসপত্র
(তালিকা অপ্রকাশিত এখনও)

তোমাদের মধ্যে যারা হাজারদুয়ারী যাওনি
কখনও গাইডের কাজ করেছি
সাড়ে সাত সাল মালিক
সুড়ঙ্গ খননকারীদের সর্দার
এখন মূত্রাশয়ে খেলে বেড়ায় গিরগিটির লার্ভা
অথচ ক'দিন আগেও কুলসুম নামে কিরা কেটেছি
আদিগন্ত

বাগানের ধারে কারা যেন বৌদ্ধ সন্ন্যাসীদের কাপড়
শুকোতে দিয়েছে গর্হিত ভঙ্গিতে তিনি ডানা
প্রসারিত ক'রে উড়ে গেলেন সেই সমস্ত নিস্পহের
ওপর দিয়ে]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28762509 http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28762509 2008-01-20 01:18:23
স্কার্ট পরে রাস্তা পার হওয়া নিষিদ্ধ http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28760700 http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28760700 2008-01-13 23:17:41 স্নানঘরের আরশিতে যারা মুখ দেখতে ভয় পায় http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28757498 http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28757498 2008-01-07 09:09:16 পরবর্তী আত্মজীবনীর নাম ধর্মান্তর ও ছায়াবাজি তবু তো ঊনপুংশক হ'য়ে দাঁড়িয়ে রইলাম
খাদের মুখে একটা ছোট্ট ঠেলা দরকার

পুশ... পুশ... পুশ...

মোচনের সম্মুখে আমায় আঁকড়ে ধরে যেচে চলেছে
বিদেশী ছাত্রী
তার ছোট্ট ক্রুশে গেঁথে যাচ্ছে চোখ
দরদর রক্ত বয়ে চলেছে আমার নাজুক মুসলমানির
ওপর দিয়ে

আমি তার দেহচর্চার শিক্ষক
মুক্ত হ'তে শেখাই
(মুগ্ধ হ'তে শেখাই)

দেহমুগ্ধ দুটো ছায়ার পাশে দেওয়ালে এসে বসলো
দুটো প্রেমার্ত টিকটিকি]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28753396 http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28753396 2007-12-23 17:38:24
সৃষ্টি ১৪ প্রকাশিত হয়েছে
সৃষ্টি`র নতুন সংখ্যা প্রকাশিত হল। এবারের সংখ্যায় ৩০ জন কবির দেড়শো`র ওপর কবিতা এবং কিছু মনোগ্রাহী গদ্য আছে। আপনাদের মতামত জানার অপেক্ষায় রইলাম। সৃষ্টি দেখুন এখানে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28748965 http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28748965 2007-12-02 15:09:54
সৃষ্টি-র নতুন সংখ্যা সম্পর্কে এইখানে। তা এই ম্যাগের পরের ইস্যু বেরোবে ২৫শে নভেম্বর। কেউ লেখা দিতে চাইলে ঐ সাইটের "লেখা পাঠান" ট্যাবটি দেখতে পারেন।

ধন্যবাদ!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28739975 http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28739975 2007-10-26 14:00:31
আজ আমার জন্মদিন ওর জন্মদিনে আমি লিখেছিলাম -- "তোকে কী আর দেব? তুই যা ভালোবাসিস তাই দিলাম। অনেক ঘাস নিস।" যাই হোক, মা-ও ম্যাসেজ করেছিল। সকালে ফোন করল। অরকুটে গাদা-গাদা শুভেচ্ছা। অফিসেও। লোকজনকে চকোলেট খাওয়ালাম।

সবই হল। কিন্তু বার্থডে কেক কাটা হল না। (আম্মাআআ) তাই মন কেমন করছে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28739771 http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28739771 2007-10-25 18:46:40
প্রান্তর এবং অন্যান্য কবিতা #৬ http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28739692 http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28739692 2007-10-25 14:57:37 প্রান্তর এবং অন্যান্য কবিতা #৫ http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28739048 http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28739048 2007-10-22 17:02:16 প্রান্তর এবং অন্যান্য কবিতা #৪ http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28736684 http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28736684 2007-10-10 17:13:16 প্রান্তর এবং অন্যান্য কবিতা #৩ http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28736415 http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28736415 2007-10-09 12:53:19 প্রান্তর এবং অন্যান্য কবিতা #২ http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28735595 http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28735595 2007-10-05 12:54:32 প্রান্তর এবং অন্যান্য কবিতা #১ http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28735429 http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28735429 2007-10-04 16:13:45 সফট্‌ওয়্যার ইঞ্জিনীয়ার বৈশম্পায়ন কহিলেন, 'হে নরবর, আমি এক্ষণে সেই বিচিত্রবুদ্ধি, স্বার্থপর, পলায়নকুশলী সফট্ওয়্যার ইঞ্জিনীয়ারদের আখ্যাত করিব। আপনি শ্রবণ করুন। বর্ণনার সুবিধার্থে আমি ইহাদের এক্ষণ হইতে সফো বলিয়াই উল্লেখ করিব।'
'যাহারা কর্মক্ষেত্রে প্রভাতে কফি পান করিবে, অপরাহ্নে চ্যাট করিবে এবং সায়াহ্নে ঊর্দ্ধতনকে গালিদানপূর্বক আপনার কর্ম সম্পাদন করিবে, তাহারাই সফো। যাহারা শৈশব কনভেন্ট স্কুলে, যৌবন ইঞ্জিনীয়ারিং কলেজে এবং অকালবার্ধক্য আপিসে অতিবাহিত করিবে, তাহারাই সফো।'
'কর্মক্ষেত্রে ইহাদের প্রভুরা ইহাদিগকে পিঞ্জরসদৃশ স্থানে বন্দী করিয়া রাখিবেন। সেই স্থানের নাম হইবে কিউবিকল। সফোরা সেই কিউবিকলের মধ্যে আপন আপন কেদারায় বসিয়া মেদিনী জয় করিবে এবং মেদিনীপুরের পুলিশি অত্যাচার লইয়া অন্য সফোর সঙ্গে দীর্ঘ দূরভাষ-আলাপ চালাইবে।'
'হে নরেন্দ্র! আরও শ্রবণ করুন। যাহারা প্রেয়সীর সম্মুখে প্রভুর মস্তক চর্বণ করিবে, প্রভুর সম্মুখে সহকর্মীর মস্তক চর্বণ করিবে এবং সহকর্মীর সম্মুখে প্রেয়সীর মস্তক চর্বণ করিবে তাহারাই সফো। যাহাদের দৃষ্টি দিনান্তে আপনার পর্বতপ্রমাণ অকৃতকার্যে, মাসান্তে স্যালারি স্লিপে এবং বৎসরান্তে প্রতিদ্বন্ধী কোম্পানীর ভ্যাকান্সীতে হইবে, তাহারাই সফো।'
'মহাদেবের ন্যায় ইহাদেরও দুই বিশ্বস্ত সহচর থাকিবে। প্রথমটির নাম বাগ এবং দ্বিতীয়টির নাম ইস্যু। সফোরা ব্রহ্মার ন্যায় বাগ এবং ইস্যুর জন্মদানের মাধ্যমে আপন আপন কর্মপন্ডের নিত্যনতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করিবে এবং আপনার ঊর্দ্ধতনের প্রিয়পাষণ হইয়া উঠিবে। বিষ্ণুর ন্যায় ইহাদিগেরও দশ অবতার থাকিবে। যথা ট্রেনী, বেঞ্চার, ডেভেলপার, প্রোগ্রাম অ্যানালিস্ট, মডিউল লিডার, প্রোজেক্ট লিডার, প্রোজেক্ট ম্যানেজার, সিনিয়ার প্রোজেক্ট ম্যানেজার, জেনারেল প্রোজেক্ট ম্যানেজার এবং ডেলিভারী ম্যানেজার। প্রত্যেক সফোই এই দশটি অবতারে অবতীর্ণ হওয়ার সুযোগ পাইবে। কিন্তু প্রত্যেক অবতারেই ইহারা আগের অবতার জন্ম সম্পর্কে বিস্মৃত থাকিবে এবং ডারউইন নামক এক সত্যদ্রষ্টার গণনা অনুসারে প্রত্যেক অবতারেই ইহারা তাহার আগের অবতারে অবতীর্ণ নিম্নতন সফোকে বধ করিবে।'

'হে রাজন্! যাহাদের কর্ম কম্পিউটারে, ধর্ম প্রোগ্রামে এবং অর্থ ক্রেডিট কার্ডে তাহারাই সফো। ইহাদের কম্পিটারে শত জিবি সঙ্গীত, প্রোগ্রামে অসংখ্য ভ্রান্তি এবং ক্রেডিট কার্ডে অপরিমেয় ঋণ থাকিবে। ফলস্বরূপ ইহারা ঊর্ধ্বতনের নিকট গালি এবং বান্ধবীর নিকট অর্ধচন্দ্র খাইবে। যাহাদের শক্তি কন্ট্রোল সি- কন্ট্রোল ভি'তে, বুদ্ধি গুগল সার্চে এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণ মিনি স্কার্টে, তাহারাই সফো। ইহাদের অঙ্গুলি দুটি বিশেষ ইংরাজী বর্ণের প্রতি বিশেষভাবে দূর্বল হইবে। সেই কারণে ইহাদের কীবোর্ডে সি ও ভি চাবি দুটি প্রায় বিলুপ্ত হইয়া যাইবে। ইন্টারনেট নামক এক অসাধারণ অস্ত্রের সহায়তায় চুরি এবং নকল জাতীয় শব্দকে ইহারা লজ্জা দিবেন এবং কোড মডিফিকেশান নামক এক নতুন শব্দকে আপ্তবাক্য হিসাবে প্রতিষ্ঠা করিবেন।'
'যাহারা কর্মে মনোমধ্যে এক, প্রোগ্রামিং-এ অর্ধেক, একজিকিউশানে এক-চতুর্থাংশ এবং ডেলিভারীতে অদৃশ্য, তাহারাই সফো। যাহারা বাক্যে আপনার কিউবিকলে এক, ঊর্ধ্বতনের সম্মুখে দশ, ক্লায়েন্ট মিটিং-এ শত এবং প্রোজেক্ট পার্টিতে সহস্র, তাহারাই সফো। যাহারা নিজেদের ঊর্ধ্বতনের নিকট পন্ডিত, ক্লায়েন্টের নিকট দিগ্গজ এবং বান্ধবীর নিকট সফট্ওয়্যার বিধাতা প্রতিপন্ন করিবার চেষ্টা করিবে, তাহারাই সফো।'
'সফোদের বিদেশযাত্রা ঘটিবে এবং সেই বিপর্যয়ের নাম রাখা হইবে অনসাইট গমন। অনসাইটে থাকিয়া সফোরা অ্যালায়েন্সের নামে কোম্পানীর ভান্ডার লুটিতে থাকিবে এবং পূর্বকথিত বাগের সাহায্যে ক্লায়েন্টের শিরঃপীড়ার কারণ হইয়া দাঁড়াইবে। লক্ষ্মীদেবীর অকৃপণ সহযোগিতায় ইহারা অর্থ উপার্জন করিবে, কিন্তু মহাদেবের বরে সে সকল অর্থ বিদেশী সুরায় রূপান্তরিত হইয়া বহিতে থাকিবে। ফলস্বরূপ দেশে প্রত্যাবর্তনের পর ইহাদের নিকটাত্মীয়রা আবিষ্কার করিবেন যে, প্রকৃতপক্ষে ইহারা অর্থ অপেক্ষা অধিক ওজন উপার্জন করিয়া ফিরিয়াছে।'

'মহারাজ, যাহাদের আসক্তি আহারগ্রহণের সময় পিজ্জায়, সম্বোধনের সময় আমেরিকান শব্দাবলীতে এবং সংকট মূহুর্তে সিগারেটে হইবে, তাহারাই সফো। যাহারা বন্ধুবর্গকে দেখিয়া ডিউড, প্রেয়সীকে দেখিয়া সেক্সি এবং ম্যানেজারকে দেখিয়া শিট বলিবে, তাহারাই নিশ্চিতরূপে সফো।'
'ইহাদের সময়জ্ঞান অত্যন্ত শোচনীয় হইবে। ইহাদের ঊর্ধ্বতন ডেডলাইন বলিয়া একটি বিবর্ধনযন্ত্র আমদানি করিবেন। সেই যন্ত্রে সফোরা দিনকে সপ্তাহ, সপ্তাহকে মাস এবং মাসকে বৎসর হিসাবে গণ্য করিবে। ডেডলাইনের সহিত তাল মিলাইতে নিজেদের কর্ম সম্পাদনের সময় উল্লেখ করিয়া সফোরা অ্যাক্টিভিটি রিপোর্ট নামক একটি প্রহসন রচনা করিতে থাকিবে। ইহাতে উল্লেখিত কর্ম সময় যেগ করিলে সফোদের বয়সের দ্বিগুণ হইয়া যাইবে।'
'হে নরবর, যাহারা বান্ধবীর সান্নিধ্যে মহব্বতেঁ, বান্ধবের সান্নিধ্যে হে বেবী এবং কোম্পানীর প্রদত্ত ল্যাপটপে পর্ণো দেখিয়া মনোরঞ্জন করিবে, তাহারাই সফো। ইহারা অবসরে পিতামাতার সহিত বিড়লা মন্দিরে, বান্ধবীর সহিত মকবুল ফিদার প্রদর্শনীতে এবং বান্ধবের সহিত প্যান্টালুন্স-এর সেলে যাইবে।'

জনমেজয় কহিলেন, 'মহর্ষে, আপনি এতক্ষণ যা শোনাইলেন, তা কেবল পুরুষ সফোদের উদ্দেশ্য করিল। সফোদের কী স্ত্রী লিঙ্গ হইব না? হইলে তাহারা কীরূপ হইবে তা জানিতে ইচ্ছা করি।'
বৈশম্পায়ন মৃদু হাসিয়া কহিলেন, 'হে রাজন্, ইতিমধ্যে যা আখ্যাত করিলাম, তা সফোদের উভয় লিঙ্গের জন্যেই সমান প্রযোজ্য হইবে। কিন্তু বিশেষতঃ স্ত্রী সফোদের কর্মকান্ড কিছু কিছু ক্ষেত্রে পুরুষ সফোদের ছাড়াইয়া কয়েক ক্রোশ অগ্রবর্তী হইবে। ইহারা কর্মক্ষেত্রে ফর্মাল ওয়্যার বলিতে মিনিস্কার্ট, কর্মী বলিতে পুরুষ এবং কর্ম বলিতে বান্ধবীর সহিত দূরভাষে সাম্প্রতিক চলচ্চিত্র সমালোচনা গণ্য করিবে। ইহাদের নাসাগ্র মাথার একফুট উপরে উত্থিত থাকিবে এবং মেজাজ বসিয়া কর্মে ত্রুটি দেখিলেই সংজ্ঞা হারাইবে এবং নিজের ক্ষেত্রে সেই একই ত্রুটি যাতে না ঘটিতে পারে, সেইজন্য সতর্কতা স্বরূপ ইহারা কর্মে হাত লাগাইবে না।'
'স্ত্রী সফোরা দিনান্তে কোম্পানী-বাসের আসন, সপ্তাহান্তে চলচ্চিত্রগৃহের আসন এবং কর্মক্ষেত্রের জনসংযগের আসন অধিকার করিয়া পুরুষ সফোদের ধন্য করিবে। এক্ষেত্রে চন্ডীর সহিত ইহাদের দারুণ সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হইবে। কর্মক্ষেত্রে রণচন্ডী হইয়া সমগ্র সফট্ওয়্যার জগতকে পুরুষ সফোদের হাত হইতে রক্ষা করিবে।'
জনমেজয় কহিলেন, 'হে মুনিবর, সফট্ওয়্যার ইঞ্জিনীয়ারদের জয় হউক। আপনি অন্য প্রসঙ্গ আরম্ভ করুন।'

[পাদটীকা : সফট্ওয়্যার ইঞ্জিনীয়ারের হাত থেকে বঙ্কিমচন্দ্রও রক্ষা পেলেন না। কন্ট্রোল এ- কন্ট্রোল সি- কন্ট্রোল ভি।]
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28730755 http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28730755 2007-09-12 12:38:41
হিম্মত http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28729317 http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28729317 2007-09-04 03:02:12 ধ্বংসস্তুপে আলো http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28728934 http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28728934 2007-09-02 01:25:05 সৃষ্টি-র ১৩তম সংখ্যা এখানে ক্লিক করুন।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28726207 http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28726207 2007-08-16 18:17:24 বান্দ্রা লোকালের জানালা http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28715353 http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28715353 2007-06-10 02:56:55 অনীশের মেল এবং কিছু ভালো সমীকরণ
অনীশের অনেকদিন পর্যন্ত ধারণা ছিল শুভেচ্ছা মানে হল শুয়ারের বাচ্চা। ও তখন জয়, রানা আর মৃন্ময়ের সঙ্গে একই রুমে ছিল। তাই চাপে পড়ে সমস্ত কথা ওকে বাংলাতেই বলতে হত। একবার জয়ের গা-হাত চুলকাচ্ছিল গরমে। সেই নিয়ে ও একেবারে জেরবার হ’য়ে পড়েছে। আর মাঝে মাঝে ‘ধুত! ধ্যাত!’ ইত্যাদি শব্দ করছে। অনীশ একপাশে রানার এনে দেওয়া বর্ণপরিচয়ের পাতা ওলটাচ্ছিল।

ও জয়কে প্রশ্ন করল--‘চুল কেন কাচ্ছে?’ অর্থাৎ ‘চুলকাচ্ছে কেন?’-র অনীশীয় সংস্করণ। অনীশকে ভালো লাগার আরও কয়েকটা কারণ আছে। কিন্তু সেসব লিখলে ধান ভানতে শিবের গীত হয়ে যাবে। তাই এবার আসি অনীশের মেলের প্রসঙ্গে।

গল্পটা একটু ঘষেমেজে শোনাচ্ছি। কিন্তু কাঠামোটা ঐ মেল থেকেই পাওয়া। গল্প না বলে সিনেমা বলাই ভালো। তবে এখনকার সিনেমা নয়। আরও এক দশক পরের সিনেমা। ২০২০-র। সময় বদলেছে। তাই প্রেক্ষাপটও বদলেছে। বদলেছে কাহিনীর উপকরণ। কিন্তু প্রধান চরিত্র সেই তিনজনই-- নায়ক, নায়িকা আর ভিলেন। তিনজনই সফট্‌ওয়্যার ইঞ্জিনীয়ার।

নায়ক দিনের আঠারো ঘন্টা ইন্টানেটে মুখ গুঁজে বসে থাকে। আর নায়িকা আট ঘন্টা। বাকি সময়টা সে টিভি দেখে বা ঘুমোয়। নায়ক-নায়িকার প্রথম দেখা হয় প্রোজেক্ট পার্টিতে। নায়কের ফ্লপি ডিক্সের মতো চওড়া বুক আর ৫ জি.বি. হার্ডহিস্কের মতো পেটানো চেহারা দেখে নায়িকার আর চোখ সরেনা। নায়কও নায়িকার পেনড্রাইভসুলভ কমনীয়তায় মুগ্ধ হয়ে গেল। কিন্তু চিত্রনাট্যের জন্যে প্রথম মোলাকাত মধুর হল না।

দু’চারটে বাক্যালাপের পরই মেল আই.ডি. চেয়ে বসল নায়িকা। মেল? নায়কের দুচক্ষের বিষ। মাইক্রোসফট্ আউটলুক ২০১৮-র দোষত্রুটি নিয়ে সরব হ’য়ে উঠল সে। একবার একটা মেল এক বন্ধুকে ফরওয়ার্ড করতে গিয়ে আউটলুকের গুণপনায় তার বসের কাছে চলে গিয়েছিল। মেলের বিষয় ছিল --"How DUMB ur Boss is?' এর ফলস্বরূপ এক তো ইমেল এটিকেটের ওপর ঝাড়া পঁয়তাল্লিশ মিনিট লেকচার শুনতে হয়েছিল; তার ওপর সেইবার এ্যাপ্রেজালে যা গ্রেড মিলেছিল, তা না বলাই ভালো। তাই নায়কের মতে ইন্সট্যান্ট মেসেঞ্জারই ভালো।

হুঁ। মেসেঞ্জার? নায়িকার মুখ রাগে ফুলে ৭০০ এম.বি.-র সি.ডি. হয়ে যায়। অফিসের ছেলেগুলো তো ওটা দিয়েই জ্বালিয়ে মারে মেয়েদের। খেয়েদেয়ে সব কাজ নেই--- ‘গুড মরনিং।’ সাথে একটা দাঁত বের করা স্মাইলিং। ওদের ব্লক করতে করতে আঙুল ব্যথা হয়ে যায়্ তার থেকে বরং আউটলুক অনেক ভালো। যাকে পছন্দ করো তাকেই শুধু মেল করো। অ্যাড্রেসবুকে বসের মেল আই.ডি. না রাখলেই হলো... বসের সাথে অতো পিরীতের দরকার কী? কাজ থাকলে বস নিজেই যোগাযোগ করবে। যত্তোসব! ভিলেন কাছেই দাঁড়িয়ে সব শুনছিল। সে এই সুযোগটা কাজে লাগালো। আউটলুক ২০১৮ কত্তো ভালো পাঁচমুখে বলতে লাগলো নায়িকার সামনে। ফলস্বরূপ নায়িকার সাথে এক টেবিলে বসলো ভিলেন। আর উলটোদিকে বেজার মুখে ডিনার সারলো নায়ক।

কিন্তু প্রমের গতি বিচিত্র। নায়িকা আর আগের মত কোডিং-এ মন বসাতে পারে না। প্রোজেক্ট মিটিং-এ বসে প্রোজেক্টারে ভেসে ওঠে তারই মুখ। খেতেও অরুচি। ভিলেন মাঝে একদিন তাকে কাফে কফি ডে--তে নিয়ে গিয়ে জন্মদিনের ট্রিট দিল। কিন্তু সে কিছুই খেল না প্রায়। নায়কের অবস্থাও তথৈবচ। রাত জেগে সে লাইব্রেরী থেকে চেয়ে আনা ‘জীবনকে ভালোবাসার ১০০ উপায়’ পড়তে থাকে। অনিদ্রায় তার চোখের কোলে কালি পড়ে যায়।

অবশেষে একদিন নায়ক খুঁজেপেতে নায়িকার মেল আই.ডি. যোগাড় করে লজ্জার মাথা খেয়ে আউটলুক থেকেই একটা মেল করে বসলো--- ‘তোমার জন্যে মন খারাপ। দেখা করবে?’ সাথে সাথে এল-- ‘২ নম্বর ফুডকার্টে ১২টা ৩৫শে দাঁড়িয়ে থেকো।’ তারপর যা হয়... এতক্ষণ পর সিনেমার দ্বিতীয় গানটা এলো (প্রথমটার কথা বলিনি বুঝি? ওটা সেই প্রোজেক্ট পার্টিতে হয়েছিল; কিন্তু সেটা নেহাতই আইটেম নাম্বার ছিল। তাই বলা হয়নি।)। গানের সাথে নায়ক আর নায়িকা হালকা চালে একটু নাচলো। এমনকি ফুডকার্টে যারা খাচ্ছিল তারাও কোমর দোলালো। এই গানের পর দুজনের প্রায়ই দেখা হতে লাগলো। কখনও জিমে তো কখনও বারিস্তায়। আর ভিলেন এইসব দেখেশুনে প্রতিশোধের উপায় খুঁজতে লাগলো।

এবার সিনেমার শেষদিক। একদিন দুপুরে নায়কের মেজাজ খারাপ। একটা প্রোগ্রাম কমপাইল করা যাচ্ছেনা... হঠাৎ মেসেঞ্জারে নায়িকার মেসেজ-- ‘হেল্প মি!’ ব্যাস... তারপরই অফলাইন হয়ে গেল সে। নিশ্চয় ভিলেন কিছু শয়তানি করছে। দুরুদুরু বুকে নায়ক ছুটতে লাগলো নায়িকার কিউবিকল্ লক্ষ্য করে। সেখানে পৌঁছে দেখে নায়িকা হাত-পা-মুখ বাঁধা অবস্থায় চেয়ারে আর ভিলেন তার কম্পিউটারে ঝুঁকে কি যেন করছে। নায়ক একটা ধাক্কা মেরে তাকে সরিয়ে দিল। কিন্তু কী--বোর্ড থেকে গেল থেকে গেল ভিলেনের হাতে।

অট্টহাস্য করে উঠল সে --- ‘এবার আমাকে কেউ আটকাতে পারবেনা।’ নায়ক দ্রুত দেখল নায়িকার কম্যান্ড প্রম্পটে ফুটে উঠছে-- ‘Format C:' অর্থাৎ সি-ড্রাইভ ফর্ম্যাট করতে চাইছে শয়তানটা। একদিকে অসহায় নায়িকা, অন্যদিকে কী-বোর্ড হাতে ভিলেন। ব্যাকগ্রাউন্ডে বাজছে "I will... I will rock u... rock u...' (কবে যে এরা হলিউড থেকে নকল করা বন্ধ করবে. খোদায় মালুম!)। নায়ক কী-বোর্ড লক্ষ্য করে ঝাঁপালো এবং ছিনিয়ে নিল সেটা ভিলেনের হাত থেকে। কিন্তু ধরাশায়ী ভিলেন তখনও হাসছে। ঠোঁটের কষ থেকে রক্ত মুছে নিয়ে বলল-- ‘নায়ক, আমায় আটকানোর সাধ্য তোমার নেই। আমি Enter টিপে দিয়েছি।’ তাচ্ছিল্যের হাসি ফুটে ওঠে নায়কের মুখে -- ‘ ভিলেন, বেঞ্চে থেকে থেকে তুমি মাইক্রোসফট্ ডস ভুলে গেছো।’ এবার সরে দাঁড়ালো সে।

পর্দায় দেখা গেল ফুটে উঠেছে-"Are you sure? (y/n)' । নায়ক n টিপে দিল। আর্তনাদ করে উঠলো ভিলেন --- ‘না-আ-আ-আ-আ!’ সেই সময় এসে গেল সিকিউরিটি গার্ড (কফি ব্রেকে ছিল এতক্ষণ)। ভিলেনকে ধরে নিয়ে গেল। নায়িকার বাঁধন খুলে নায়ক তাকে তুলে নিল নিজের বুকে।

লজ্জাবনতা নায়িকা নায়কের বুকে মুখ রেখে বলল -- ‘তোমার মেসেঞ্জারের জন্য আজ আমার কেলভিন হবসের পুরো কালোকশান বেঁচে গেল। হিমেশ রেশম্মাইয়ার কিছু অ্যান্টিক গানও ছিল।’ (কিছু কিছু দর্শক দীর্ঘশ্বাস ফেলল। কেন যে ফর্ম্যাট করে দিল না সি ড্রাইভটা!) নায়কও এবার ফিল্মি-- ‘আর তোমার আউটলুক যে আমাদের প্রথম দেখা করিয়ে দিয়েছিল।’

এই সিনেমা সবার হয়তো ভালো লাগবে না। স্বাভাবিক। ২০২০-র সিনেমা এখন রিলিজ হলে ফ্লপতো হবেই। তার থেকে বরং শোনাই প্রনভীর সিং-এর পাঠানো একটা মেলের গল্প। এই মেলে কয়েকটা দর্শন ঘেষাঁ সমীকরণ আছে। শোনা যাক।

মানুষ= আহার+নিদ্রা+কর্ম+উপভোগ
গাধা= আহার+নিদ্রা
---------------------------------------
অতএব, প্রতিস্থাপন পদ্ধতি অনুযায়ী--
মানুষ = গাধা + কর্ম + উপভোগ বা, মানুষ - উপভোগ = গাধা + কর্ম অন্য ভাষায় --- মানুষ, যে জীবন উপভোগ করতে জানেনা= গাধা, যে কাজ করে।

এবার দ্বিতীয় সমীকরণ--
পুরুষ = আহার + নিদ্রা + উপার্জন
গাধা = আহার + নিদ্রা
----------------------------------------------
(বিয়োগ করলে) পুরুষ - গাধা = উপার্জন বা, পুরুষ - উপার্জন = গাধা

অন্যভাষায় --- পুরুষ, যে উপার্জন করেনা= গাধা।---- (ক)

আবার অন্য দিক দিয়ে,
মহিলা = আহার + নিদ্রা + ব্যয়
গাধা = আহার + নিদ্রা
---------------------------------------------
আগের মতোই, মহিলা - ব্যয় = গাধা

অন্যভাষায় --- মহিলা, যে ব্যয় করেনা = গাধা। ----- (খ)

(ক) আর (খ) থেকে এটাই বোঝা যায় যে.
পুরুষ উপার্জন করে যাতে মহিলা না গাধা হয়ে যায় এবং মহিলা ব্যয় করে পুরুষকে গাধা না হতে সাহায্য করে।

(ক) আর (খ) যোগ করে পাওয়া যায় --- পুরুষ ও মহিলা = ২টি গাধা। কী উদ্ভট সমীকরণ!

এই পর্যন্ত পড়ে যারা হাই তুলছেন। তাঁদের এবার একটা তুলনামূলক ভালো গল্প শোনানো যাক। বলাই বাহুল্য, এটাও আমার মস্তিষ্কপ্রসূত নয়। একটা সত্যি গল্প। আমি পেয়েছি অবশ্যই একটা ফরওয়ার্ড মেল থেকে। আসুন গল্পটা শোনা যাক।

২৩শে মার্চ, ১৯৯৪। চিকিৎসকরা একমত হয়ে রায় দিলেন রোনাল্ড ওপাসের মৃত্যু হয়েছে মাথায় শটগানের গুলি লেগেই। ওপাস আত্মহত্যার জন্যে লাফিয়ে পড়েছিলেন দশতলার একটা বাড়ির মাথা থেকে। সুইসাইড নোটও পাওয়া গেছে তাঁর ঘর থেকে। তদন্তে জানা গেল, ছাদ থেকে পড়ে ওপাসের মৃত্যু হওয়া সম্ভব ছিল না। কারণ কিছু মেরামতির জন্যে চারতলার লাগোয়া একটা জাল বিছিয়ে রেখেছিলেন কিছু মিস্ত্রি। কিন্তু মারে হরি রাখে কে.. লাফিয়ে নিচে পড়ার সময় ন’তলাতে শটগানের গুলি এসে লাগে তাঁর মাথায়। আইন অনুসারে, আত্মহত্যাকারী যেভাবেই মারা যান না কেন আত্মহত্যার প্রয়াসে তিনি মারা গেলে সেটা আত্মহত্যা হিসাবেই পরিগণিত হবে।

কিন্তু শটগান থেকে কে গুলি করলো? জানা গেল, এক বয়স্ক দম্পতি ঝগড়ায় মেতে ছিলেন। পতিদেবতাটি শটগান হাতে স্ত্রীকে ভয় দেখাচ্ছিলেন। উত্তেজনার মাথায় গুলি চালিয়ে বসেন এবং স্ত্রীর বদলে জানালার বাইরে তিনি পতনশীল ওপাসকে লক্ষ্যবিদ্ধ করে বসেন। আইনের কচকচানিতে না গিয়েও বোঝা যায়, একজনকে হত্যার প্রয়াসে অন্য একজনের হত্যা ঘটালেও সেটা তো আদপে হত্যাই। তাই এই পর্যন্ত এসে বোঝা গেল ওপাসের মৃত্যু আত্মহত্যা নয় হত্যা।

কিন্তু ন’তলার ঝগড়ারত দম্পতি এটা মানতে নারাজ। দুজনেই জানালেন শটগানটিতে কখনো গুলি ভরা থাকতো না। ভদ্রহমিলা জানালেন ঝগড়া হলেই তাঁর স্বামী শটগান হাতে নিয়ে ভয় দেখাতেন। দুজনেরই অজ্ঞাতে কেউ ওতে গুলি ভরে রেখেছিল। সেদিন ঝগড়ার সময় দুর্ঘটনাবশতঃ ট্রিগারে আঙুল পড়ে এবং গুলি চলে যায়। ঐ বাড়ির কাজের লোক সাক্ষ্য দিল যে, ঘটনার প্রায় সপ্তা ছয়েক আগে সে ঐ দম্পতির ছেলেকে দেখে শটগানে গুলি ভরতে। কেন? বেকার ছেলের অকর্মণ্যতার জন্যে তার হাতখরচের টাকা এক্কেবারে কমিয়ে দিয়েছিলেন ঐ ভদ্রমহিলা। প্রতিশোধ নিতে তার মাকেই মারতে চেয়েছিল ছেলেটি। সে জানতো তার বাবা মাকে শটগান নিয়ে ভয় দেখাবে এবং ভাগ্য ভালো থাকলে মা মরবেই। তাহলে ব্যাপারটা এরকম রোনাল্ড ওপাসের হত্যার জন্যে দায়ী ঐ দম্পতির ছেলেই।

এবার সবথেকে বড় চমক। ঐ বয়স্ক দম্পতির ছেলে আর কেউ নয়... রোনাল্ড ওপাস নিজেই। মাকে মারতে চেয়ে ছ’সপ্তার অপেক্ষায় সে সব আশা ছেড়ে দিয়ে নিজের ওপর ঘৃণায় আত্মহত্যার রাস্তা বেছে নেয়। ভাগ্যের পরিহাস, নিজের গুলিতেই মরেছে সে। তাই শেষ পর্যন্ত সেই আমড়াতলার মোড়েই ঘুরে এল ঘটনা। রোনাল্ড ওপাসের মৃত্যু আত্মহত্যাই। আর নয়, এর পরেরবারও যদি সম্পাদক আমায় ছাপতে রাজি হন; আবার আসবো আমার ড্রাফট্ ফোল্ডার নিয়ে। তব তক্ কে লিয়ে...

-- এই লেখাটি গতকাল মুখোমুখি ডট কম-এ প্রকাশিত হয়েছে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28711800 http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28711800 2007-05-21 13:54:10
নিমসাহিত্যের কমিউনিটি http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28711550 http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28711550 2007-05-20 05:28:52 কষ্ট হয়... আমার ভাই প্রাণ হারিয়েছেন...
এই তো শেষ ঈদেও ওখানে নামাজ পড়ে এসেছি। অনুযোগ করি না, কিন্তু মাওলা, ওঁরা তখন পরম নির্ভরতায় মাথা নুইয়ে ছিলেন তোমার সম্মুখে। হয়তো ঈদের দিন এঁদেরই কাউকে বুকে টেনে নিয়েছিলাম। ওঁরা তো ভাই আমার, আমার চাচা কেউ, আমার দেশবাসী... তাই এই রাত দুটোতেও আমি কষ্টে চোখ বুজতে পারছি না।

চোখের সামনে ভেসে উঠছে প্রার্থনারত কয়েকটা নিরীহ মুখ। আমার দেশবাসী শান্তির প্রার্থনা করছে। রক্তপাতের এই কালো দিনে গান্ধীজীকে মনে পড়ে। বাপু এখনও বলছেন -- 'হে রাম!']]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28711341 http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28711341 2007-05-19 03:38:23
মানস-এর নতুন ই-বুক Click This Link]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28711326 http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28711326 2007-05-19 00:37:25 তোমার স্তনের গন্ধ ওমলেটের মতো খেতে
ছিঁড়ে ছিঁড়ে পুরে রাখি মুখের ভেতরে
বৃন্ত ঘিরে ধরার স্মৃতি

রোদের মাঝেও যারা বাগানচেয়ার পেতে
টিপয় রেখেছে কাচের পিরিচে আর
সহ্যসীমার বাইরে গিয়ে বলছে আপোশ
তারাও চেয়ে রইলো বিপন্ন সমাধানে

নিয়েছি তোমার ঊরুর রোদঘেঁষা
বাদামদুধের মতো ঢেলেছি
চলকে পড়ে গেলাসের চুঁইয়ে নামা
আমার ঠোঁটের কষে জ্বালামুখ

আরও কিছু লাইন লিখে ফেলতে পারি
পরবর্তী কয়েকটা কবিতায় যদি তোমার
ওমলেটগন্ধী স্তনে কাগজ মেলতে দাও
সুপারিশ ক্রমে উঁচু মইয়ের নীচে বসে

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28711077 http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28711077 2007-05-17 18:21:29
আমার মেলবাক্স এবং ফরওয়ার্ড বার্তাপ্রবাহ
শুধু তাই নয়। মাঝে মাঝে সাইবাবা বা মা মেরীর ‘বিরল’ ফটোগ্রাফও পেয়ে থাকি। সেইসব মেল গাণিতিক হারে সৌভাগ্য বয়ে আনে। যথা, ৫ জনকে মেলটি ফরওয়ার্ড করলে ৫ সপ্তার মধ্যে তুমি ভালো খবর পাবে। ৫-এর জায়গায় ফরওয়ার্ড-এর সংখ্যা ৫০ ক’রে দাও। ৫ মিনিটে ছাপ্পড় ফাড়কে নসিব তোমার মাথার ওপর আছড়ে পড়বে। এখানেই ক্ষান্তি নেই। সাথে থাকে সতর্কবার্তা--এই মেল কাউকে না পাঠিয়ে ডিলিট ক’রে দেওয়ার ফলে চিলির কোন এক প্রেসিডেন্ট ৩ দিনের মাথায় মারা গিয়েছিলেন। পাকিস্তানের নওয়াজ শরিফও বোধহয় এমন কোনও মেলকে অবজ্ঞা করার ফলেই তার গদি খুইয়েছিলেন। তা এইসব মেলের জ্বালায় তিতিবিরক্ত কোন এক বান্দা একটা মেল পাঠিয়েছিল। তার বয়ান ছিল অনেকটা এইরকম।

তোমাদের পাঠানো মেল পড়ে আমি জেনেছি কোকাকোলা খেলে পেটে আরশোলা জন্মায় এবং পিজ্জা খেলে মাথায় চিজের পাহাড় তৈরী হয়। তোমাদের পাঠানো সতর্কবার্তায় আমি পাঁচবার বিদেশী গুপ্তচরদের ফাঁদ থেকে বেরিয়ে এসেছি। তার সাথেই পঁচিশ বোতল ও-নেগেটিভ রক্তদান ক’রে হাজার হাজার শিশুর প্রাণ বাঁচিয়েছি। বলা বাহুল্য, আমার কিডনিও চার-পাঁচবার দান করা হ’য়ে গেছে। শুনলে খুশি হবে তোমাদের পাঠানো মেল ফরওয়ার্ড করার পুরস্কার হিসাবে মাইক্রোসফট্ আমায় পঁচাত্তর হাজার পাউন্ড দান করেছে। তোমাদের সবাইকে অনেক ধন্যবাদ।

আশা করব আমার জীবনকে আরো মসৃণতর ক’রে তুলতে আরো অনেক অনেক মেল ফরওয়ার্ড করতে থাকবে আমায়।

বোঝাই যাচ্ছে, কতটা বিরক্ত হ’য়ে এ মেল লিখেছেন সেই ভদ্রলোক। মজার কথা, ফরওয়ার্ড মেলের বিরুদ্ধে লেখা এই মেলটিকেও বারবার ফরওয়ার্ড করা হয়েছে। আমিই বার তিনেক পেয়েছি বিভিন্ন সময়ে। আসুন পাঠক, আমার মেলবক্সের আর একটু ভেতরে ঢোকা যাক।

রিমি চ্যাটার্জি আমার সহকর্মিনী। অফিসিয়ালি আমাদের কোম্পানীর মেল আই.ডি. অফিসিয়াল কাজের জন্যেই। কিন্তু রিমি ঐ মেল আই.ডি. থেকেই আমাদের তিতিবিরক্ত ক’রে তুলেছিল। কীভাবে? সকালে অফিস পৌঁছেই সুন্দর লাল-নীল-সবুজ ব্যাকগ্রাউন্ডের একখানা সুপ্রভাত মেল আমরা সবাই পেতাম। এটা ছিল দিনের শুরুবাদ। প্রভাতেই পুরো দিনের পূর্বাভাষ মিলত। সারাদিন ধরে চলত বিভিন্ন নকশার এবং নানাবিধ রঙের মেল। তাদের সারা শরীর জুড়ে থাকত বাচ্চাদের ছবি। কখনও মানুষের, মানুষের বাচ্চা কম পড়লে কুকুর-বেড়ালের।

তখন সদ্য-সদ্য জয়েন করেছি। ট্রেনিং-এর চাপ প্রচন্ড। কাঁহাতক আর ভালো লাগে সারাদিন ধরে ‘কিউট’ বাচ্চা দেখতে। রিমি আমার সামনেই বসত। তাকে একদিন সবিনীত অনুরোধ জানালাম-মেলের প্রাত্যহিক সংখ্যা পনেরো থেকে পাঁচে নামিয়ে আনলে কেমন হয়? তা শুনে ভদ্দরমহিলা এক্কেবারে খড়গহস্ত আমার ওপর। ‘আমি মেল না পাঠালে তোর মেলবক্সে কখনও মেল আসত? সারাদিন বসে বসে মাছি তাড়াতিস।’

শুধু তাই নয়। নিজের স্ক্রীনে ঝুঁকে পড়ে আবার দুটো বাচ্চাওয়ালা মেল ফরওয়ার্ড ক’রে দিল ঝটপট। বোঝো ঠ্যালা ! অগত্যা ব্রহ্মাস্ত্র প্রয়োগের ধান্ধায় লাগলাম। মেল আই.ডি.ব্লক করা ছাড়া আর কোনও রাস্তা নেই এবার। কিন্তু অনেক চেষ্টা ক’রেও রিমির মেল আই.ডি. আমি ব্লক করতে পারলাম না। শেষে আমাদের কোম্পানীর সংশ্লিষ্ট বিভাগের টেকনিশিয়ানদের ফোন করলাম। ওরা জানালো আমাদের কোম্পানীর দুটো আই.ডি. একে অপরকে ব্লক করতে পারে না।

কী আর করি? নিজের মনেই গর্জাতে লাগলাম আর সুলভে রিমির শিশুসুলভ মেল দেখতে লাগলাম। সাধে কী আর শ্রীকৃষ্ণ শিশুপাল বধ করেছিলেন?

তা এই বাচ্চাদের মেলের কথা লিখতে গিয়ে মনে পড়ে গেল অন্য আর একটা মেলের কথা। পাঠিয়েছিল আমার কলেজবন্ধু প্রনভীর। ছবিতে একটা শিশু মেয়ে জন্মদিনের পোশাকে হামা দিচ্ছে। নীচে ইংরাজীতে লেখা - ‘এর বয়স ১৬ হলে এই বিজ্ঞাপন বেআইনি ঘোষিত হত।’ এটা ছিল একটা বিজ্ঞাপন সংস্থার নিজেদের প্রচার।

কিন্তু অবাণিজ্যিক এবং নেতাই জনস্বার্থে প্রচারিত বিজ্ঞাপনেও এইধরনের ফোক্কুড়ি ঐ একই মেলে দেখেছি। এক হাইওয়ের পাশে দৈত্যাকার হোর্ডিং। তার দৈর্ঘ্যের অর্ধেকটা জুড়ে মোটা মোটা ক’রে তিন অক্ষরে লেখা -- ‘সেক্স!’ তার নীচে ছোট ছোট অক্ষরে লেখা-- ‘আশা করি আপনাদের মনোযোগ আকর্ষণ করা গেছে। দয়া ক’রে গাড়ির গতি কমান, সামনে বিপজ্জনক বাঁক।’ এগুলো যদি মনে হয় দুষ্টুমীর আবরণে নিরীহ বিজ্ঞাপন, তাহলে চাঁদের উল্টো পিঠ দেখাই? এটা পাঠিয়েছিল আমার আর এক সহকর্মী সাধন। ছবি নয়। অ্যাটাচমেন্টে ছিল একটা ভিডিও ক্লিপ।

শপিং কমপ্লেক্সে কেনাকাটা করছেন এক ভদ্রলোক্ সাথে পাঁচ-ছ বছরের ছেলে। হঠাৎ সে বাবার শপিং কার্টে এনে রাখল চকোলেটের একটা বড় বাক্স। কিন্তু ভদ্রলোক আবার সেটা র‌্যাকে তুলে রেখে দিলেন। তিনি রাজি নন অত দামী আর বড় চকোলেচের বাক্স কিনতে (উনি পেপসোডেন্টের নাম জানেন না নিশ্চিত)। ব্যাস! ঐটুকু ছেলের বাঁদরামী শুরু হ’য়ে গেল। দোকানের জিনিস ছুঁড়ে ছুঁড়ে ফেলতে লাগলো সে এদিক-ওদিক। সাথে চিল-চিৎকার। একটা ছোটোখাটো ভিড় জমে গেল তাকে ঘিরে। বিব্রত ভদ্রলোকের মুখ এল ক্লোজ আপ শটে। তখনও আন্দাজ করছি কীসের বিজ্ঞাপন হ’তে পারে। আমার কৌতুহলে নিরসন ঘটিয়ে পর্দা জুড়ে হাজির হল -- ‘কন্ডোম ব্যবহার করুন।’

এমন অভাবনীয় বিজ্ঞাপন সচরাচর দেখতে পাই না। তবে এ প্রসঙ্গে আরো একটা মেল-অ্যাটাচমেন্টের উল্লেখ না করলে অপরাধ হবে। মেলটা কে পাঠিয়েছিল খেয়াল নেই। তবে মেলের শুরুতে একটা ভূমিকা ছিল। লাতিন আমেরিকার বিজ্ঞাপননির্মাতাদের প্রায়ই অশ্লীলতার দোষে অভিযুক্ত করা হয়। নীচের ছবিটা লাতিন আমেরিকায় বানানো সবচেয়ে ‘ডিসেন্ট’ বিজ্ঞাপন। এবার ছবিতে আসা যাক।

একটা জাহাজঘাটা। ছবিতে দেখা যাচ্ছে সমান দূরত্বে বসানো আছে কাছি বাঁধার মোটা মোটা খুঁটি। পরপর তিনটে খুঁটি। চতুর্থ খুঁটি নেই। তার জায়গায় লঙস্কার্ট পরে বসে আছে এক মেয়ে। পরিচ্ছন্ন ছবি। কীসের বিজ্ঞাপন বলুন তো? ব্রাজিলের এক জনপ্রিয় লুব্রিকেন্টের। সত্যিই ‘ডিসেন্ট অ্যাড’।

আর বিজ্ঞাপন নয়। এবার আসা যাক, কিছু জোকস্-এর কথায়। জানি ফরওয়ার্ড জোকসের কথায় অনেকেই হাই তুলছেন। মোটামুটি কয়েকটা ভাগ থাকে এই মেলগুলোর-সান্টা-বান্টা, হাম-তুম, বস-অফিস আর এক্কেবারে রগরগে স্থূল রসিকতা। মনে রাখতে হবে আমায় যারা মেল পাঠায়, তারা আমার মতোই সফটওয়্যার ইঞ্জিনীয়ার। তাই সেসব হাস্যকৌতুকের মান নিয়ে মাথা না ঘামানোই ভালো। আমি এখানে একটা মাত্র মেলেরই উল্লেখ করব। আমাদের চন্ডিগড় অফিস থেকে জনৈক ভদ্রলোকের লেখা। এ বাক্স, সে বাক্স ঘুরে আমার বাক্সে জমা পড়েছিল।

‌একটা গল্প। পিন্টু আর চিন্টু দুই আরশোলা ঘুরে বেড়াত কফি ভেন্ডার মেশিনের আশেপাশেই। কখনও চিনি, কখনও দুধ খেয়ে তারা সুখেই দিন অতিবাতিহ করছিল। পিন্টুর একদিন দুমর্তি হল, সে কফি পানের লোভে এক কফি মাগে ডাইভ দিল। যে ভদ্রলোকের মাগে পিন্টু পড়েছিল, তিনি এলাচ ভেবে পিন্টুকে মুখেও তুলে নিয়েছিলেন (কফিতে এলাচ!)। অবশ্য একটু পরেই সন্দেহ হওয়ায় মুখ থেকে বের ক’রে আনেন। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। ঘটনাস্থলেই পিন্টু দেহত্যাগ করে। এখানেই শেষ নয়, চিন্টু সেই একইদিনে অন্য আর একজনের লেবু চায়ে প্রাণ বিসর্জন দেয়। জীবন্ত অবস্থায় তারা ছিল এক প্রাণ। মরণেও তারা একইভাবে গন্তব্য বেছে নিল। বন্ধুত্বের এই অমর কাহিনী যুগ যুগ ধরে অক্ষয় হ’য়ে থাকবে চন্ডিগড়ের কফি মেশিনে।

তবে আজকাল এই জোকসের তালিকায় যুক্ত হয়েছে বিবাহের বিজ্ঞাপন। বিভিন্ন ম্যাট্রিমনি সাইটে অসাধারণ ইংরাজিতে পোস্ট করা বিজ্ঞাপন পেয়ে থাকি মাঝে মাঝে। তবে সেগুলো নেহাতই ভাষাগত বিভ্রান্তি। ভাবনার দিক থেকে অসামান্য এক বিজ্ঞাপন পাঠিয়েছিল কোমরুলদা-মিশনের সিনিয়ার এবং বর্তমান সহকর্মী। ঐ একই মেল পেয়েছিলাম কবি যশোধরা রায়চৌধুরীর কাছ থেকেও ( কবিরাও মেল ফরওয়ার্ড করেন বৈকি)। এই মেলটা বাংলা ভাষায় সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিকের ‘পাত্রী চাই’ কলাম থেকে স্ক্যান ক’রে পাঠানো-- যা ছিল আমি হুবহু তা-ই টুকে দিলাম।

অতি সৎ, সচ্ছ্বল ও নির্লোভ, শিক্ষিত পরিবারের সুপ্রতিষ্ঠিত ভাইদের বোন কাম্য। পার্থিব বস্তু নয়, মানবতাই যাঁর একমাত্র লক্ষ্য এরকম সত্যবাদিনী, মৃদুভাষিণী, শান্তিপ্রিয়া, প্রাণবন্ত দৃঢ় মনের আদর্শবতী/নৈতিক মূল্যবোধ সম্পন্না, উদার, নম্র, ভদ্র, নিঃরোগ, মাতৃত্বে অক্ষম (ডাক্তারী পরীক্ষা সাপেক্ষে)/ অনিচ্ছুক অপরিহার্য। ভাগ্যই সর্বোপরি হলেও, আগে বিয়ে করে, পরে মানিয়ে চলার কিংবা ডিভোর্সের অশান্তি এড়াতে, আগে বন্ধুত্ব করে, পরে উভয়ের সম্মতিতে বিয়েই শান্তির একমাত্র উপায়। তাই অভিভাবকের অনুমতিতে পাত্রীর সাথে নূন্যতম ১-১০০০ ঘন্টার সার্থক আলোচনাও অপরিহার্য। পাত্রীর নিরাপত্তার খাতিরে সাক্ষাৎ বর্জনীয় হলে, ফোন কিংবা পত্রালাপ গ্রহনীয়। কলকাতা ভিত্তিক মুম্বাইবাসী, ব্রাহ্মণ (পূঃবঃ হলে ভাল, শ্রীহট্ট হলে আরও ভাল), ৩৫-৪০, ৫‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌’-৫’২, ফর্সা, স্লিম, সুশ্রী, লাবণ্যময়ী, রন্ধনে পটীয়সী, সুকেশী, ঘরোয়া, সমস্ত ইতিবাচক অভ্যাসযুক্তা, মাতৃত্বে অনিচ্ছুক অগ্রগণ্যা। অত্যাধিক সৎ, ঈশ্বরভীরু, সংবেদনশীল, স্পষ্টবাদী, আদর্শবান, নেশাহীন, স্বঅভিবাভক, ৪৭ (দেখতে ৩৫-৪০), ৫’৪, উঃমাঃ, উঃ শ্যামবর্ণ, চশমাধারী) +.৫-১.৫), ২৮ বছরের কর্মজীবন ত্যাগী, পাত্রের কোন দাবি নেই।

মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন। সুপ্রিয় পাঠক-পাঠিকা, মেলবক্স থেকে এবারের মতো সাইন অফ।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28710974 http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28710974 2007-05-17 00:52:15
কেলভিন এ্যান্ড হবস্‌ দিবস উদ্‌যাপন )। আমার ভাই বাপাইকে ফোন করলাম। সমস্যা পেশ করলাম। কী ক'রে কেলভিন এ্যান্ড হবস্‌ দিবস পালন করা যায়? সে শুনে বলে কিনা 'তোর অফিসে কি খুব চাপ এখন?' কেন? 'শুনে মনে হচ্ছে তোর মাথা খারাপ হ'য়ে গেছে।' কী আর করি... বেজার মুখে অফিস গেলাম।

অবশেষে ফেরার পথে মতলব এলো একটা। বাসার পাশের সুপার মার্কেট থেকে টিউনা ফিশ-এর (আমি যদিও টুনা ফিশ বলি) একটা ছোট টিন কিনে ঘরে ফিরলাম। কেলভিনদের অন্যতম প্রিয় খাবার। যাই হোক, কিনে তো আনলাম। কিন্তু টিন খুলে বমি আসে। কী বাজে গন্ধ!

আমার রুমমেট পবন বললো, 'ওটা ভালো ক'রে রান্না করতে হবে।' শেষে পবনের সহায়তায় রান্নাও হল। ভাত আর টুনা ফিশ নামক অমৃত দিয়ে রাত সাড়ে এগারোটায় কেলভিন এ্যান্ড হবস্‌ দিবস পালন করে ঘুমোতে গেলাম।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28710926 http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28710926 2007-05-16 18:52:07
রবি ঠাকুর নামক ক্যানভাস #২
সংযোজন : (আম্মাআআ) সাথে দেওয়া ইমেজটা আসছে না। অনুরোধ করি নিচের থাম্বনেলে ক্লিক ক'রে দেখতে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28710919 http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28710919 2007-05-16 18:04:36
রবি ঠাকুর নামক ক্যানভাস http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28710776 http://www.somewhereinblog.net/blog/rohonkuddusblog/28710776 2007-05-15 19:24:37