আমার প্রিয় পোস্ট

সাধারন , অসাধারন আর অস্বাভাবিক এর মাঝে পার্থক্য কি নানা কারনে এর উত্তরটা বড় গোলমেলে লাগে।

বাক্যমুক্তি...................... (গল্প)

১৬ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:৪১

শেয়ার করুন:                   Facebook

ধুলোমাখা পথটা যেন খেলছে হাওয়ার বেগে। চকদার স্যারের চুলদাড়ি সব এমনিতেই সাদা, তা একটু ধুসরই হয়ে গেল ধুলার প্রলেপে। পাশে উচু বাধের ওপাশটায় ফুসছে প্রমত্তা খোয়াই। শীতকালের সুতাসম নদীর এমনই রুদ্ররূপ যেন বাধ কেটে চলে আসবে দুপাশের নিচু সমতল ভুমিতে। আ তা হলে লাকুড়ীপাড়া গ্রামটাকে আর বাচানো যাবে না। খুব স্বাভাবিকভাবেই ভাবনাটা এল চকদার স্যারের মনে। প্রতিবছরই বন্যা মৌসুমে এ কথাটা মনে হয় তার। লাকুরীপাড়া হাইস্কুলে অংক পড়াতে পড়াতেই তিনি ভাবেন-এতদিন ধরে টিকে থাকা এ গ্রামটি কি এবার সত্যিই খোয়াই এর গ্রাসে পরিনত হবে?

সকল চিন্তা ঝেড়ে হাটায় মন দেন তিনি। ঘড়িতে বাজে মাত্র ছটা অথচ এরই মধ্যে চারিদিক রীতিমত অন্ধকার। তারমাঝে আবার তাকে যেতে হবে ভুতুরে শিমুলগাছটার নিচ দিয়ে। স্কুল থেকে তার বাড়ির দুরত্ব অনেকখানি আর পথের মাঝেই পড়ে গাছটা যাতে একটা ভুত পরিবার বাস করে বলে গুজব আছে। অবশ্য এসব চকদার স্যার একদম পাত্তা দেন না। বরং এখন তার চিন্তা বৃষ্টি নিয়ে, পিনপিন করে পড়া বৃষ্টি এবার ঝুমঝুমে রূপ নিয়েছে। ওইতো, একটু দুরেই বিশাল পুরনো গাছটা। জোরে হেটে গিয়ে ওর নিচে আশ্রয় নিলেন তিনি। গাছের বিশাল ডালপালা বৃষ্টিকে প্রায় আটকে দিয়েছে। গাছের কান্ডে হেলান দিয়ে দাড়িয়ে ফুসে ওঠা খোয়াই নিয়ে ভাবতে লাগলেন তিনি। খেয়ালই করলেন না আশেপাশে একটু ফোটা ফোটা পানি ডালপালা ফাকি দিয়ে পড়লেও আশ্চর্যজনক ভাবে তার উপর একটুও পড়ছে না। তার চিন্তার সুত্র ভাঙল তখনই যখন তিনি তার কাধে একটা ভারী বোঝা অনুভব করলেন। অন্যমনস্কভাবেই কাধে হাত দিতে চাইলেন চকদার স্যার। ওমনি কে যেন কিনকিনে কন্ঠে কথা বলে উঠল, 'কাধে হাত দিবেন না স্যার'।

ভ্যাবাচেকা খেয়ে উঠলেন চকদার স্যার। এদিকওদিক তাকিয়ে কঠিন স্বরে বললেন,
-'কে কথা বলল?'
-'আমি।'
-'আমি কে?'
-জ্বি, আমি কিকির।'

একটু যেন বিরক্ত হলেন এবার তিনি।
-'কিকির কে?'
-'জি, আমি ভূতের বাচ্চা। আমার বাবার নাম মিকির, উনি জন্মগ্রহন করেন এক দুর্যোগময়....'
-'চুপ। একদম চুপ, ফালতু কথা রাখ।' এবার রেগে গেলেন চকদার স্যার । নিশ্চই কোন দুষ্ট ছেলে গাছের ডালে লুকিয়ে আছে।
কিন্তু দুষ্টটা দুষ্টুমি থামাল না।
-'আমি সত্যিই ভুতের বাচ্চা স্যার। আপনার কাধে বসে আছি।'

চমকে উঠে নিজের কাধের দিকে তাকালেন চকদার স্যার।
-'কই, কিছু তো নেই কাধে।'
-'আমি তো অদৃশ্য স্যার। আমাকে দেখবেন কিভাবে, আমার ওজন অনুভব করছেন না?'

এবার সত্যিকার অর্থেই চমকালেন স্যার।সত্যি সত্যি তিনি কাধে ওজন অনুভব করছেন, লোকজনের গুজব কি তাহলে সত্যি...?
-' আপনি কি লক্ষ্য করেছেন স্যার আপনার উপর বৃষ্টি পড়ছে না?' ভাবনায় বাধা দিল ভূতটা।
-'তাই নাকি?' বললেন তিনি।
-'মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে। আমাদের কথা বলাটা কিন্তু এত স্পষ্ট হবার কথা না স্যার। কিভাবে আপনি আমার কথা এত স্পষ্ট শুনতে শুনছেন জানেন স্যার?' প্রশ্ন করল কিকির।
-'না।'
-' আমরা আসলে কথাই বলছি না।'
বিরক্তিতে নাক উচু করলেন স্যার। 'মানে?'
-' মানে স্যার আমরা মনে মনে কথা বলছি, আপনার যাকে বলেন টেলিপ‌্যাথি। টেলিপ‌্যাথিতে কথা বলা খুব নিরাপদ, কেউ শুনে ফেলবে এমন ভয় নেই।সবচেয়ে বড় কথা হল এতে ঠোট নাড়ার কষ্টুটুকুও করতে হয় না...।'
-'এ্যাই।' হেকে উঠলেন স্যার। ' ভূতেদের আবার ঠোট হয় নাকি?'
-' হয় স্যার হয়। মানুষের যাযা আছে ভূতেদেরও তাই তাই আছে। মানুষ মরেই তো স্যার ভুত হয়। তবে কারও কারও অবশ্য চেহারা পাল্টে যায়।যেমন ধরুন পাশের গ্রামের কানা মফিইজ্জা। ওই বেটা মরার পর বান্দরের রূপ নিয়ে ভুত হয়েছে। যেমন স্বভাব ছিল। খালি বাদরামী করে বেড়াত...এখনও ক্ষান্ত দেয় নি। যদিও আমরা তাকে পাত্তা দিই না। আর এই গ্রামে ঢোকা তার জন্য বারন....।'
-' তা ,তোমার কিভাবে মৃত্যু হয়েছিল? বৃষ্টিতে আটকে পড়ায় সময় কাটানোর পন্থা বের করেন চকদার স্যার। তার নির্লিপ্ত জীবনে এমন অবাক করা ঘটনাও তেমন কোন ছাপ ফেলতে পারে না সহজে।
-' জি স্যার, আমার তো মৃত্যু হয়নি...'
-' মানে?'
-' মানে স্যার, আমার দাদার দাদার মৃত্যু হয়েছিল। তারপর আমার দাদার দাদা আমার দাদার দাদীকে বিয়ে করেন। আমার দাদার দাদা আর দাদার দাদীর ছেলে আমার দাদার বাবা। আমার দাদার বাবা বিয়ে করেন আমার দাদার মাকে । তাদের ছেলে আমার দাদা। তিনি বিয়ে করেন আমার....'
-'চুপ কর।'
-'কেন স্যার বলব না?'
-'না, আমি বুঝেছি।' শোনার অত্যাচার থেকে মুক্তি চান চকদার স্যার। বুঝে গেছেন বৃষ্ঠি সহজে না থামলে আজকে তাকে ভীষন অত্যাচার সহ্য করতে হবে। এ বড় বাচাল ভুতের বাচ্চা। এ কথা বলেই যাবে। এমনও করা যাবে না যে কান মুচরে থামানো যাবে। তবু চেষ্টা করে দেখা যাক এর ভেতরে কোন ভয় ঢুকানো যায় কিনা, ভাবলেন চকদার স্যার।
প্রশ্ন করলেন-' তোমার বাবা মা কোথায়?'
প্রশ্নটা যেন লুফে নিল বাচ্চাভুতটা। আজকে বড্ড একা বোধ করছিল ও। এই নিপাট ভাল অথচ সাহসী মানুষটাকে পেয়ে ভাল লাগছে তার। এমনিতো কেউ তার কথা শুনতেই পারে না। ভিরমি খায়।
-'উনারা ইউনিয়ন কমিশনার এর কাছে গেছেন...ভীষন জরুরী কা....।
-'কার কাছে গেছে?; প্রায় হতবুদ্ধি স্যার।
-' ভুত কমিশনার এর কাছে স্যার। আমার বাবা বেশ অবস্থাপন্য ভূত। তিনি এই গ্রামের ভুতপ্রধান। জানেন তো এই গ্রামে অসংখ্য ভুতের বাস, তিনি তাদের নেতা।তাই এলাকার সুবিধা অসুবিধার কথা তিনি বলবেন ইউনিয়ন ভুত কমিশনার এর কাছে। ইউনিয়ন ভূত কমিশনার বলবেন উপজেলা ভুত কমিশনার এর কাছে, উপজেলা ভুত কমিশনার বলবেন জেলা ভুত কমিশনার এর কাছে , জেলা ভুত কমিশনার বলবেন বিভাগীয় ভুত কমি....
-'চুপকর।' দাত কিড়মিড় করে উঠে চকদার স্যারের। ভুতে কথার তোড়ে মাথায় চিনচিনে ব্যাথা শূরু হয়েছে তার। একে থামাতেই হবে।
-' কেন স্যার । আমি কি ব্যাপারটা বুঝিয়ে বলব না।? আমার শিক্ষক বলেছেন যখন যা বলব স্পষ্ট করে বুঝিয়ে বল...
-' আমি বুঝেছি বাপু।' বৃষ্টি এখনও কমছে না। অথচ এ হারে কথা শুনতে থাকলে শূধু মাথা ব্যাথা না, মনেহয় পাগর ই হয়ে যাবেন, ভেবে অস্থির হলেন চকদার স্যার । একে জব্দ করারা একটা পরিকল্পনা কষলেন। ভুতটা তার শিক্ষকের কথা বলেছে, তারমানে পড়াশোনা করে..নিশ্চই গনিৎ পছন্দ করে না। দেখা যাক এক অংক ধরে।
-' তা তুমি এখানে একা?' জিজ্ঞেস করলেন তিনি।
-' জি । আজকে আমি একা। বাবামা তো ইউনিয়ন ভুত...,'
-' আমি জানি সেটা, তোমাদের কি স্কুল আছে?'
-' হ্যা আছে। আমারদের অনেক রকম স্কুল। আমরা স্কুল পাস করে কলেজে যাই , কলেজ পাশ....।
-'তুমি অংক জান?' ভুতটাকে থামিয়ে দিলেন।
-জি। জানি' ভূতের নির্বিকার উত্তর।
-' আচ্ছা, তিন লক্ষ ষাট হাজার পাচশ পচিশকে পনের দিয়ে ভাগ করে দেখাও তো দেখি।' বাচ্চা ভুত। এইটা কি পারবে? ভাবলেন স্যার।
-' এটাতো স্যার বাশের মত সোজা'। ভুতের বাচ্চার পিলে চমকানো জবাব। ; উত্তর হল চব্বিশ হাজার পয়ত্রিশ।
বাহ। মনে মনে খুশিই হলেন চকদার স্যার। এতবছর ধরে মানুষ ছাত্র পড়িয়ে এত মুগ্ধ হননি তিনি। ভুতটাকে একটু যেন ভাল লাগতে শূরু করল তার। একবার ভাবলেন আরও কটা অংক বিষয়ক প্রশ্ন করবেন বাচ্চাভুতটাকে। কিন্তু প‌্যানপ‌্যানির কথা মনে হতেই লোভটা সামাল দিলেন তিনি।
-' এবার আরেকটা প্রশ্ন করি। উত্তর শেষ না করে থামবে না।' এবার আসল চাল চাললেন স্যার। বুঝতে পেরেছেন ভুতের বাচ্চাটা একবার বলা শুরু কররে কেউ না থামালে থামতে পারে না। ' বাইশকে সাত দিয়ে ভাগ করে দেখাও তো।
হো হো করে হেসে উঠল ভুতের বাচ্চা টা। বলল-' এটা কোন প্রশ্ন হল স্যার, এ তো তালগাছের মত সোজা। এর উত্তর হবে, তিন দশমিক এক চার দুই আট পাচ সাত এক চার দুই আট পাচ সাত এক...চার...দুই ...আট....পাচ...সাত...এক...চার...দুই ...আট....পাচ...সাত...এক.......

নিজের কাজে মজা পেয়ে মুচকি হাসলেন লাকুড়ীপাড়া হাইস্কুলের অংক শিক্ষক।
ইতিমধ্যেই বৃষ্টি অনেকখানি থেমে এসেছে। আর অপেক্ষা করলেন না চকদার স্যার। বকবক করার শাস্তি হিসেবে এমন এক সমস্যা দিয়ে আসলেন যার উত্তরের কোন শেষ নেই। একসময় হয়ত থেমে যাবে বাচ্চাভূতটা। হয়ত বা থামবেই না।তাতে কি আর আসে যায়! ভূতের বাচ্চা বরে কথা , কিছুই হবে না। তারতো কথা শোনার অত্যাচার আর সহ্য করতে হল না।

যেতে যেতে একবার পিছন ফিরে বিশাল গাছটার দিকে তাকালেন চকদার সাহেব, একটু চমকে উঠে হাত দিলেন কাধে...নাহ..কাধটা হালকাই লাগছে এখন।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): গল্প ;
প্রকাশ করা হয়েছে: গল্প  বিভাগে ।

 

  • ১২৯ টি মন্তব্য
  • ৬১১ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২১ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৬ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:৪৯
comment by: দূরন্ত বলেছেন: বাপরে বাপ। ভালোই লিছেছেন।
১৬ ই মে, ২০০৮ সকাল ১০:০২

লেখক বলেছেন: একটি বড় হয়ে গেছে মনে হয়।
অবশ্য পরবর্তীটা মনে হয় আরও অনেক বড় হবে। লোকজন পড়বে না হয়ত /:)। কিন্তু কি করি বলেন তো। আকার তো আর ব্লগের চাহিদামত করলে হবে না।

ধন্যবাদ।

২. ১৬ ই মে, ২০০৮ সকাল ১০:০৮
comment by: দূরন্ত বলেছেন: লিখতে থাকেন। আকার বড় হলে সমস্যা কি?
ব্লগের জন্য কাটছাট করে ছোট ভার্সন করতে পারেন অবশ্য। তবে আমি বড়টাই দেখতে চাই।
১৭ ই মে, ২০০৮ রাত ৩:৪০

লেখক বলেছেন: ব্লগের জন্য ছোট ভার্সন, এমন কোন ব্যাপারে আমার মোটেও সমর্থন নেই। লেখা তো আর চাহিদা বিবেচনায় আসা ঠিক না। কিন্তু তবুও সময়ে অসময়ে শব্দসংখ্যা নির্দিষ্ট করে লিখতে হয়, যা মোটেও ভাল না একটা লেখার জন্য।

আপনাকে ধন্যবাদ।

৩. ১৬ ই মে, ২০০৮ সকাল ১০:৩৭
comment by: দোলাহাসান বলেছেন: ভাল লাগলো। কিন্তু মাঝখানে লেখাটা ডবল পোস্ট হয়ে গেল মনে হচ্ছে, যেখানে শেষ হয়ে যাবার কথা সেখানে আবার নতুন করে শুরু হলো, একটু দেখবেন নাকি!
১৬ ই মে, ২০০৮ রাত ৯:২৩

লেখক বলেছেন: ঠিক করে দিয়েছি।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু। কেমন আছেন?

৪. ১৬ ই মে, ২০০৮ সকাল ১১:০১
comment by: রেটিং বলেছেন: ভাল লেগেছে। কিছু অংশ রিপিট হইসে। মজার গল্প।
১৭ ই মে, ২০০৮ রাত ৩:৪১

লেখক বলেছেন: মুছে দিয়েছি।

৫. ১৬ ই মে, ২০০৮ সকাল ১১:১৭
comment by: রুখসানা তাজীন বলেছেন: পাই বিষয়ে রোবটকে বিভ্রান্ত করার ঘটনা জাফর স্যারের লেখায় এসেছে। ভূতকে ঝামেলায় ফেলার আইডিয়া আর ভাষার ব্যবহার প্রশংসাযোগ্য।
১৭ ই মে, ২০০৮ রাত ৩:৪৩

লেখক বলেছেন: হ্যা , ওটা বোধহয় তার কপোট্রনিক সুখ দু্ঃখে এসেছে। আমি অনেক আগে ওটা পড়েছিলাম।

আমার ব্লগে আসার জন্য আর এইটা পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

৬. ১৬ ই মে, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৯
comment by: এক্স ফাইলস্‌ বলেছেন: রন্টি ভাই, লেখার ভিতর একটা বেশ বড় অংশ দুইবার চলে এসেছে। একটু মুছে দিয়েন। অনেক দিন পর এরকম ফ্লেভারের লেখা পড়ে খুব মজা পেলাম।
১৭ ই মে, ২০০৮ রাত ৩:৪৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধণ্যবাদ। হ্যা মুছে দিয়েছি। তাই তো বলি অত তাড়াতাড়ি ওত বিশাল একটা লেখা কিভাবে টাইপ করলাম!! কন্ট্রোল ভি যে একে বড় বানিয়ে দিয়েছিল সেই খবর রাখি নাই :)

৭. ১৬ ই মে, ২০০৮ দুপুর ১:২১
comment by: (অ)গাণিতিক বলেছেন: মজার গল্প!!

একটা মজার ব্যপার হল আমিও একটা ভুতের গল্প ১/২ লিখে বসে আছি। আজ শেষ করি কাল শেষ করি করে আর বসা হচ্ছেনা।
আপনাকে দেখে এখন আমার টাও শেষ করতে ইচ্ছা হচ্ছে!! :)
১৭ ই মে, ২০০৮ রাত ৩:৪৫

লেখক বলেছেন: আলসেমী, না? আমার একটা প্রিয় গল্প আছে, যেটা আমার মাথায় অ-নে-ক দিন ধরে বসে আছে, শুরু করেছিলাম, এরপর অনেক গ্যাপে গ্যাপে অর্ধেক পর্যন্ত এসেছিলাম, এরপর বন্ধ!! আজ মনেহয় ৩/৪ বছর হয় বন্ধ!!! এবং ওটাই আমার শেষ গল্প লেখার চেষ্টা ছিল।

৮. ১৬ ই মে, ২০০৮ দুপুর ১:৪৩
comment by: রিয়াজ শাহেদ বলেছেন: রন্টিদা ভালো।
১৭ ই মে, ২০০৮ ভোর ৪:০৩

লেখক বলেছেন: থ্যাংক ইউ।
তোমার তিন গোয়েন্দা জরিপ কবে শুরু হবে?

৯. ১৬ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৪২
comment by: রাশেদ বলেছেন: হা হা! ভালো লাগছে।
১৭ ই মে, ২০০৮ ভোর ৬:০২

লেখক বলেছেন: পড়ছ? ;)

১০. ১৬ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৫
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: কন্ট্রোল ভি জনিত সমস্যা সমাধান করা হয়েছে।
একটু ব্যস্ত আছি। পরে দেখা হবে /:)
১১. ১৬ ই মে, ২০০৮ রাত ৮:১০
comment by: যূঁথী বলেছেন: হি হি হি!!! পুচকি অনেক মজা পাইসি। ভূতের বাচ্চাটা খুবই কিউট। ঐটারে পাসান্দ হুয়া। আর সাইজ টাইজ ভুলে বিন্দাস লিখতে থাক। মজা পাইসি খুবই।
১৭ ই মে, ২০০৮ ভোর ৬:০৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে ব্লগার যূথী।

১২. ১৬ ই মে, ২০০৮ রাত ৯:৩৮
comment by: ভুতের আড্ডা বলেছেন: হা হা হা ......................দারুন মজা পেলাম।
১৭ ই মে, ২০০৮ ভোর ৬:০৪

লেখক বলেছেন: আমিও একটু ভুত সাহিত্য করার চেষ্টা করলাম আর কি! :)

১৩. ১৬ ই মে, ২০০৮ রাত ১০:০২
comment by: েজবীন বলেছেন: হা: হা: হা:.... বকবকানি ভূতবাচ্চাটাকে অনেক মজা লাগছে.... :):):)

১৭ ই মে, ২০০৮ ভোর ৬:০৫

লেখক বলেছেন: এই গল্পের পুরনো নাম ছিল 'ভুতের বাচ্চার বকবকানী'।

ধন্যবাদ। ভুতটাকে কি দরকার? পাঠিয়ে দেব?

১৪. ১৬ ই মে, ২০০৮ রাত ১০:৫৭
comment by: একরামুল হক শামীম বলেছেন: পইড়া মজা পাইছি ভাইজান :):):)
১৭ ই মে, ২০০৮ ভোর ৬:০৫

লেখক বলেছেন: থ্যাংক ইউ।

১৫. ১৭ ই মে, ২০০৮ রাত ১২:৩৬
comment by: আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: হে হে হে:)
দারুন লাগলো :)
১৭ ই মে, ২০০৮ ভোর ৬:০৭

লেখক বলেছেন: খুশি হলাম, শান্ত।

১৬. ১৭ ই মে, ২০০৮ ভোর ৬:০৭
comment by: তামিম ইরফান বলেছেন: দারুন হইসে রন্টি ভাই।
১৭ ই মে, ২০০৮ ভোর ৬:০৮

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস তামিম।

১৭. ১৭ ই মে, ২০০৮ সকাল ৭:৪৮
comment by: যূঁথী বলেছেন: কিরে কেমন আছিস? আর ব্লগার যূঁথী মানে কি রে? আমার এক্সাম ২০ মে থেকে দোয়া করিস। কেমন?
১৭ ই মে, ২০০৮ সকাল ৭:৫৮

লেখক বলেছেন: ভাল আছি। মনটা একটু ভার। তাই ভারী ভারী কথা বলছি। এজন্য খালাম্মা হয়ে গেছে ব্লগার যুথী। সব কমেন্টেই আতলামী করছি।

পরীক্ষা কতদিন চলবে? ভাল হবে আশা করি।
বিরাট বাচা বেচেছি দেশ ছেড়ে এসেছি...পরীক্ষাকে আর এখন পরীক্ষা মনে হয় না।

১৮. ১৭ ই মে, ২০০৮ সকাল ৮:১০
comment by: যূঁথী বলেছেন: মন কেন ভার হয়ে আছে? ১৯ শে জুন পর্যন্ত চলবে।
১৭ ই মে, ২০০৮ সকাল ৮:১১

লেখক বলেছেন: আমি জানি না। তবে ভার হওয়াতে ভালই হয়েছে। নিজেকে ফিরে পাচ্ছি।
বিষাদ মানুষকে স্থীর করে। জানিস না?

১৯. ১৭ ই মে, ২০০৮ সকাল ৮:১৮
comment by: যূঁথী বলেছেন: না, জানতাম না, ফিরে পেলেই ভাল। আবার না ফিরে পেলেও বা দোষ কি? সবই এক।

ভাল থাকিস। আসি এখন। বাইওওওও।
১৭ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:১৯

লেখক বলেছেন: জীবন সুন্দর। তারচেয়ে সুন্দর বেচে থাকা।

২০. ১৭ ই মে, ২০০৮ সকাল ৮:২৮
comment by: রাজীব আহমেদ বলেছেন: ভাল গল্প। ধন্যবাদ।
১৭ ই মে, ২০০৮ সকাল ৮:৪২

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধণ্যবাদ।

২১. ১৭ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:২৬
comment by: (অ)গাণিতিক বলেছেন: এবং ওটাই আমার শেষ গল্প লেখার চেষ্টা ছিল

মানে?!! এর পর আর গল্প লিখেন নাই নাকি?? B:-)
১৭ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:৩০

লেখক বলেছেন: না। লিখিনি। এগুলো সবই পুরনো। অনেক পুরোনো।

২২. ১৭ ই মে, ২০০৮ সকাল ১১:২০
comment by: রোডায়া বলেছেন: হুম, এরকম জ্ঞানী ভুতের কথা জিন্দেগীতে শুনি নাই, ব্যাটা টেলিপ্যাথীর কথা জানে!

পড়ে মজা পাইছি৷ সবাই ভুতকে দিয়ে পিছলা তেলঅলা বাঁশ বাওয়ায় আর আপনি তাকে একটা বাজে অংক দিলেন৷ বাঁশ না বাওয়ান, অন্তত বাঁশ বাওয়ার অংক করতেতো দিতে পারতেন!
১৮ ই মে, ২০০৮ ভোর ৫:৪৫

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধণ্যবাদ পড়ার জন্য। ভুতের গল্প জীবনে এই একটাই লিখেছি :)

২৩. ১৮ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:২৩
comment by: কেএসআমীন বলেছেন: হুমম... ভাল লিখেছেন...
১৮ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:৪৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আমীন ভাই :)

২৪. ১৮ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:৪১
comment by: যূঁথী বলেছেন: কিরে কেমন আছিস? মন কি এখনও উদাস? মন থাকলে সে তো একটু আকটু উদাস হবেই এইটা ভেবে তুই উদাস হইস না আবার। ভাল থাকিস।একলিস্ট থাকার চেষ্টা করিস।

~ ব্লগার যূঁথী।
১৮ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:৪৫

লেখক বলেছেন: ভাল আছিবে....দেখস না কেমন উড়ুক্কু কমেন্ট মারতেছি!

ব্লগে আমি সবসময় স্বভাবমত কমেন্ট দিতাম তা দেখে রাশেদ আমাকে কিযে সম্মান করে কথা বলত...হিহাহাহাহ....পুরা বুইড়া বানাইদিছিলো!! এর পর থেকেই তো রাশূ বিষু আমার ভাইগ্না, গুলাবী, হনুলুলু, রাতমজুর আমার নাতী হইল :D

২৫. ১৮ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:৪৫
comment by: যূঁথী বলেছেন: আর মন খারাপ হলে এই গানটা শুনতে আমার খুব ভাল লাগে। লিঙ্কটা তোকে দিয়ে গেলাম। হয়ত শুনেছিস। তারপরও-

Click This Link
১৮ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:৪৭

লেখক বলেছেন: শুনব। এখন শুনছি চাহে জুবাসে কুচ না কাহো এ মেরে সানাম...এইটা শেষ হলেই শুনব।

২৬. ১৮ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:৫২
comment by: ফকির ইলিয়াস বলেছেন: মন ছুয়ে গেল। গল্প ভালোই লিখেন আপনি। চর্চা অব্যাহত রাখুন।
১৮ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:৫৮

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে আমার ব্লগে আসার জন্য।

চর্চা অব্যহত রাখতে পারিনি। এগুলো সবই অনেক আগের। চেষ্টা করছি আবার শুরু করার।

২৭. ১৮ ই মে, ২০০৮ সকাল ১০:০৮
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: ব্লগার যূথী, এই গানটা আমাকে আলী আরাফাত শান্ত মেইল করে পাঠিয়েছিল...এরপর আমি পাগল হয়ে গিয়েছিলাম...গানটা মনখারাপ করলে বাজাবো কি...গানটাই অদ্ভুত মন খারাপ করে দেয়।

তবে সত্যি সত্যি কদিন আগে আমার মন খারাপ সময়ে Click This Link এই গানটা শুনেছি বহুবার। এইগানটা, সন্জীব চৌধুরীর চোখটা এত পোড়ায় কেন, আর পার্থর আগের জীবন। সারাদীন বেজেছে। হয়ত শতিনেক বার ননস্টপ।

ধণ্যবাদ।
২৮. ২০ শে মে, ২০০৮ রাত ২:৫৮
comment by: আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: গল্পটা ভালো লাগলো কিন্তু গল্পের নামটা একেবারেই পছন্দ হয়নি। বাইশ কে সাত দিয়ে ভাগ করার আইডিয়াটা অবশ্য বেশ পুরনো। অনেকবার ব্যবহার করা হয়েছে। ভূতের মুখে প্রাইম নাম্বার ( যে সংখ্যাগুলো অন্য কোনো সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য নয়, যেমন ২, ৩, ৫, ৭, ১১, ১৩, ১৭, ১৯, ২৩, ২৯... এইরকম) বলার কাজটা ধরিয়ে দিলে মন্দ হতো না!
২১ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:০২

লেখক বলেছেন: নামটা আমার নিজেরও পছন্দনা। আগে এটার নাম ছিল ভুতের বাচ্চার বকবকানী। ওটাও পছন্দ হল না। তাই ব্লগে দেবার আগে তাড়াহুড়ায় এই নামটা দিয়ে দিছি।

প্রাইম নাম্বারের কাজটাও বেশ...!

২৯. ২০ শে মে, ২০০৮ রাত ৩:২৮
comment by: প্রিয়তমা বলেছেন: দারুন লাগলোতো !!! :)
২১ শে মে, ২০০৮ ভোর ৫:২৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনার গল্পটাও বেশ ভাল লেগেছে।

৩০. ২০ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৩
comment by: অভিক শাওন বলেছেন: লেকেন দেকচি বালোই।
আপনে আমারে এভাট করার পরামিশ্য দেচ্চেন দেকচি লোকের পুইস্টে। বেপারকানা কি? খুইলে বইলতে হবি।
২১ শে মে, ২০০৮ ভোর ৫:৩০

লেখক বলেছেন: আমি দিচ্ছি? আপনাকে চিনতে পারিনি..সরি। মনেহয় আপনার অন্য কোন নিকের ব্যাপারে বলে থাকতে পারি...। তবে কাজটা ঠিক করি নি মনে হচ্ছে। সরি..;)

৩১. ২১ শে মে, ২০০৮ ভোর ৫:৩৩
comment by: হনলুলু বলেছেন: নানাভাই এতো সুন্দর গপ্পো লেখে !!!
অনেক ভাল্লাগছে ........ :)
২১ শে মে, ২০০৮ ভোর ৫:৪০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। গল্প তো আমি লেখলাম। এখানে নানাভাই কোথথেকে আসল? :-*

৩২. ২১ শে মে, ২০০৮ ভোর ৬:৫০
comment by: রাশেদ বলেছেন: মামু কি সব আত্মীয়স্বজন লইয়া বল্গাও নাকি! নানা, মামু, ভাইগ্না সব দেকি আছে এইখানে তোমার! :D :D
২১ শে মে, ২০০৮ ভোর ৬:৫৮

লেখক বলেছেন: হিহি..বিরাট সংসার =p~

৩৩. ২১ শে মে, ২০০৮ ভোর ৬:৫৯
comment by: রাশেদ বলেছেন: তাই তো দেক্তেছি! :P
২১ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:০৬

লেখক বলেছেন: হেহে///

৩৪. ২১ শে মে, ২০০৮ সকাল ৮:৫৩
comment by: যূঁথী বলেছেন: তোকে আরেকটা গান শুনাবো বলে ঠিক করেছিলাম কিন্তু গানটা একটু ক্যারা টাইপ তাই তোর ভাল লাগবে কিনা ভাবছিলাম!!! আবার দেখা যাবে তুই গানটা আগেও শুনেছিস। "আজব" - গানটা শুনেছিস???
২১ শে মে, ২০০৮ সকাল ৮:৫৫

লেখক বলেছেন: লিরিক বললে বুঝি না। লিংক দে শুনে দেখি।

আর গানের ক্যারাব্যারা নিয়ে আমার রুচি বিষয়ে সন্দেহ করার কিছু নাই। আমি জাতে উচ্চমানের আতেল হলেও আমার পছন্দের তালিকায় তিশমাও আছে /:)

মাইনসে শুনলে মানইজ্জত সব শেষ!!!

৩৫. ২১ শে মে, ২০০৮ সকাল ১১:০৯
comment by: যূঁথী বলেছেন: এখানে জিপ করা আছে। অন্য কোথাও পেলাম না। কোয়ালিটি কেমন তাও বলতে পারছি না। জিপ করা কেন তাও বলতে পারতেসিনা। শুনে দেখ কেমন লাগে। মনে হয় না ভাল লাগবে। কিন্তু কোন একটা অদ্ভুত কারণে গানটা আমার খুব পছন্দের। যদিও আমি ম্যানম্যানা গান ছাড়া তেমন শুনি না। হা হা হা । বেস্ট অফ লাক।

Click This Link

"কেবা কারে রাখে মনে দুঃখের দিনে
সুখের তরী দিল পাড়ি বল ক'জনা
বিরহের অনলেতে পুড়িয়া অন্তরে
হারাইলাম আপন ঠিকানা স্বপন বাসর
তাই-
জটিল মনের জটিল পাশা জটিল মন্দিরা
জটিল দেবীর জটিল ভাষা জটিল রঙিলা"
২১ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:০২

লেখক বলেছেন: বিকেলে বাসায় এসে শুনব। এখন টাইম নাই হাতে দৌড়ের উপর আছি।
তোরে ধন্যবাদ, বল্টু।

৩৬. ২১ শে মে, ২০০৮ সকাল ১১:১৫
comment by: যূঁথী বলেছেন: আমি শুনে দেখেছি। পুরাটা নাই। শেষের দিকটা নাই। এইটা ট্র্যাপের গান ছিল মনে হয়।
২২ শে মে, ২০০৮ সকাল ৮:২২

লেখক বলেছেন: আমি শূনিনি আগে। অদ্ভুত গানটা।
গাইল কে?
গানটার কি আরেকটা অন্তরা বাদ পড়ছে নাকি?
আরিব্বাস। আমার পুরো গানটা দরকার।
কেমতে পাই বল্টু?

৩৭. ২১ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৪:২৪
comment by: অভিক শাওন বলেছেন: বালো বালো।তয় দেইকলাম যে আ মো কামালের পুস্টে ওইরাম এককান কিছু।তয় সরির উপরে কতা নাই।
জলদি জলদি গানখানা মুরে মেইল করইন-
২১ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:০৩

লেখক বলেছেন: আহমেদ মোস্তফা কামালের ব্লগে তাকে সত্যি আমি আপনাকে এভয়েড করতে বলেছিলাম, এখন গিয়ে দেখে আসলাম। আসলে আপনার একটা কমেন্ট ছিল তো একটু অন্যরকম, তাই।

এনিওয়ে কিছু মনে নিবেন না।

তা, কোন গানটা পাঠাতে বলছেন?

৩৮. ২২ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:০৩
comment by: যূঁথী বলেছেন: দাড়া ব্যবস্থা হয়ে যাবে চিন্তা নট। আমার হার্ডডিস্ক পুরা শেষ সো আমার কাছে নাই কিন্তু দোস্তদের কার কাছে যে পাওয়া যাবে ফর সিওর।
২২ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:০৫

লেখক বলেছেন: আমার কানে বেদনা ধরাইয়া দিছে গানটা আজকে। ভালই গাইছে বেটা।

কে ওটা?

৩৯. ২২ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:০৪
comment by: যূঁথী বলেছেন: আর তোর মুরগি রান্না কি এখন শিখবি?
২২ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:১৩

লেখক বলেছেন: আরি...যে মুরগি রান্না করছি ওটাই খাব এখন। সন্ধায় বাসায় এসে ঘুম দিছিলাম ৭ থেকে একেবারে ২ টা পর্যন্ত ঘুম। মনেহয় বছর দুয়েক পর সন্ধায় ঘুমালাম। ক্ষিদা লাগছে মারাত্বক। খাব এখন।

৪০. ২২ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:১০
comment by: যূঁথী বলেছেন: বেটার নাম জানিনা। শুধু জানি ব্যান্ডের নাম "দি ট্র্যাপ" আর আমার একটা প্রব আছে আমি সৃষ্টি দেখি , সৃষ্টিকর্তাকে দেখে কি লাভ। হে হে হে। ভাবস রে বাই।
২৫ শে মে, ২০০৮ রাত ১০:২৩

লেখক বলেছেন: কঠিন ভাবস!

৪১. ২২ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:১২
comment by: যূঁথী বলেছেন: ঐ শোন আমি ভাগলাম। আজকে না । আমি তোরে মেইল করে দিচ্ছি রান্নার কাজ কারবার। বাইওওও।
২২ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:১৪

লেখক বলেছেন: যা ভাগ!

৪২. ২৩ শে মে, ২০০৮ রাত ১:৪৭
comment by: ভুতের আড্ডা বলেছেন: নতুন গল্প কই???????
২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ৩:৩৩

লেখক বলেছেন: আমাকে কি গল্পকার ধরলেন নাকি? আমি তো তা না।

তবু দেখাযাক। আসবে।

(কানে কানে একটা কথা বলিঃ খূবই খুশি হয়েছি তাগাদা দেয়ায়, উ্ৎসাহ পাচ্ছি):)

৪৩. ২৩ শে মে, ২০০৮ রাত ১:৫১
comment by: তামিম ইরফান বলেছেন: হেলুঊঊঊঊঊঊ নানা:)
২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ৩:৩৪

লেখক বলেছেন: হেরে নাতি!
কালকা সারা রাত নেট কানেকশন ছিল না কি এক অদ্ভুত কারনে।

এয়ারকমে দিছি কমপ্লেইন।

৪৪. ২৩ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৫:১২
comment by: মুনিয়া বলেছেন: আমি অঙ্ক ভয় পাই :(
লেখায় +
২৫ শে মে, ২০০৮ রাত ১০:১৫

লেখক বলেছেন: আমিও:)

৪৫. ২৪ শে মে, ২০০৮ ভোর ৬:০২
comment by: যূঁথী বলেছেন: কেমন আছিস?