আমার প্রিয় পোস্ট

সাধারন , অসাধারন আর অস্বাভাবিক এর মাঝে পার্থক্য কি নানা কারনে এর উত্তরটা বড় গোলমেলে লাগে।

আমার যাপিত জীবন.......(হাবামিসমগ্র-১)(ছেলেবেলা)

৩১ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:৩৩

শেয়ার করুন:                   Facebook

কঠিন ছেলেবেলা। কিন্ডারগার্টেনে যাই। রোজ সকালে শতাধিকবার ডেকে কুম্ভকর্নের কানে বার্তা পৌছাতে ব্যর্থ হয়ে আম্মা বিছানা থেকে টেনে তুলে কোলে করে নিয়ে মুখ ধুইয়ে, পরিপাটি করে সাজিয়ে, খাইয়ে ছোটভাইয়া বা আপাদের কারও হাতে ধরিয়ে দেন, এরপর রিক্সা করে দুলতে দুলতে, কখনও বা ভাইয়ার হোন্ডার পেছনে চড়ে আমার স্কুল যাত্রা। গেট পেরিয়ে যখন আমি ক্লাসে ঢুকতে যাব তখনই ঘুম থেকে জেগে উঠে পৃথিবীটাকে আবিস্কার করি ক্লাসরুমে! এর আগের এইসব ধুন্ধুমার কান্ডগুলো, ঘুম থেকে উঠা, গায়ে পোষাক চড়ানো, খাওয়া বাস্তব কেবলি আম্মার জন্য..আমার কাছে এ সবই স্বপ্ন ঠেকে।
ক্লাসে পেছনের সারিতেই আমার সবসময়ের স্থান, পছন্দেরও, যে বেঞ্চগুলো নিয়ে কারও কোন কাড়াকাড়ি দাবীদাওয়া নেই সেগুলোতেই আমার ঝোক! যদিও বা এডমিশন টেষ্ট এ সবার চোখ কপালে তুলে কিভাবে জানি নাম্বার ওয়ার প্লেস পেয়েগিয়েছিলাম, তা কোন পার্থক্য তৈরি করে না আমার বসার ব্যাপারে, শুধু মাঝে মধ্যেই সামান্য দেরী করে ক্লাসে আসায় রোলকলটা মিস করে ফেলি। প্রথম বেঞ্চিতে বসার সাহস আমার কোনকালেই হয় না। প্রথম বেঞ্চিওয়ালাদের চোখ দেখলেই চুপসে যাই। সেকেন্ড ক্যাপটেনের সাগরেদ এরা। সেকেন্ড ক্যাপটেনই ক্লাসের সরদার। আমিতো...তার সহকারী হতে পারি মাত্র!

টিফিন পিরিয়ডের নামে যে আধাঘন্টা বিরতি, ক্লাসের প্রায় সবাই তখন ছোট্টমাঠটায় লাফজাফে ব্যস্ত আমি তখন ক্লাসের সামনের বারান্দাটার পিলার আকড়ে দাড়িয়ে সাদাচোখে তাদের খেলা দেখি। ইছড়ে পাকা কজন তখন আমার জাপান থেকে ছোটচাচার পাঠানো লাল টকটকে ব্যাগটা বর্বরের মত খুলে মায়ের বানিয়ে দেয়া স্যান্ডউইচ আর রঙিন ফ্লাক্সের তরল উজার করতে ব্যস্ত। চুরি করে খাচ্ছে, বোঝার কি সাধ্য? আর জিনিসগুলো যদি আমার হয় তাহলে সেটা সরকারী ট্যাগ সমৃদ্ধ! এগুলো খাওয়া যায়!

'এই! এটা কি? শরবত নাকি?' বিকট চিৎকার শুনে পেছনে তা। বকাই, দেখি ক্লাসের গুন্ডা বলে খ্যাত ছেলে আর মেয়েদের কটা আমার প্লাষ্টিকের সুদৃশ্য লাল ফ্লাক্সটা থেকে মুখ নামিয়ে কড়া দৃষ্টি নিয়ে আমার পানেই তাকিয়ে!

এই গাধা! পানি খেতে চাইলাম, এইটা কি? শরবত নিয়ে এসছিস? তুই শরবত খাস? দুদু খাস? বেটা খাটাস!!
আমি হতভম্ভ। বিরাট অপরাধ করেছি বুঝতে পেরে হতচকিত কিংকর্তব্যবিমূঢ়। এই ফাঁকে দুষ্টকুলের শিরোমনি বাহ্যিক সুন্দরী মেয়েটা (ইদানিং ওকে ক্ষেপিয়ে শোধ তুলি অতীতের, দান পাল্টে গেছে এখন) চেচিয়ে ওঠে....ওই..ওই...ও তো দেখি লাল শরবত খায়...দুদু খায়...বাচ্চা একটা ..লাল শরবত খাওয়া লালু একটা...এর নাম আজকে থিকা লালু...ওই লালু...ওই লালু...!

আর যায় কোথায়! পিঠে সীল পড়ে গেল। ফ্লাক্সের সবটুকু কোকাকোলা শেষ হল, তারপর ক্লাসময় উড়াউড়ি করতে লাগল ফ্লাক্সটি পাখা ছাড়াই অবালীলায়! খেলার মাঠ থেকে ছুটে এল গুনী সহপাঠীরা..তাজা খবর কে মিস করতে চায়? আর আমি তখন খুব কষ্টে সটকে পড়ে টিচার্স কমনরুমে গিয়ে নিজের পৈতৃক সম্পত্তি নোনাজল পান করি।

বাসায় ফিরে তোতলাতে তোতলাতে বলতে যেয়ে ঢুকড়ে কেদে উঠি...'আম্মা...আম্মা...আমার সব কোকাকোলা...'

আমি তখন নিতান্তই শিশু। কিন্ডারগার্টেনের অতিস্মার্ট সহপাঠীদের নিষ্টুর আচরেনর স্বীকার হয়ে বাসায় ফিরে ভাবছি এটাই আমার আসল জায়গা, সকল দুঃখ ঘোচাবার জায়গা...। কিসের কি! হাসির হলকা ছুটে...বয়ে যায় আমার কানের পাশ দিয়ে গুলির মত..চোখে আবার সেই পৈতৃক নোনা শরবত। ভাইয়া, বড়পা,মেজপা,ছোটপা,ছোটভাইয়া,আম্মা সবাই এখন আমার সহপাঠী সাদৃশ। নিঃশেষিত হয়ে আমি যখন পৃথিবীকে একটা যন্ত্রনার আস্তাকুড় ভেবে ধিক্কার দিচ্ছি নিজের জীবনের প্রতি, তখন এল ঘোষনা আম্মার..সাথে সাথে সমস্বর সমর্থন সব ভাইবোনদের। ''এখন থেকে সপ্তাহে পাচদিনই তোমাকে কোকাকোলা দেয়া হবে, তুমি খেতে না পারলে তোমার দোষ, তোমাকে লোকে লালু বললে আমরা কি করতে পারি।'
আগে হয়ত সপ্তাহে দুদিন আমার কাকুতি মিনতিতে কোক দেয়া হত আমি লুকিয়ে তা সাবার করতাম, এখন আজকের ঘটনায় তা তো সবদিনের জন্য হল..কিন্তু এখন আমি কি চাই আর?

করুন দৃষ্টি নিয়ে সবার মুখ পানে তাকাই আমি। কোথাও একবিন্দু মায়া মমতার চিহ্ন নেই। কী নিষ্ঠুর পৃথিবী, তবে কি সত্যিই আমি কুড়িয়ে পাওয় ছেলে..?

আগামীদিনগুলোতে ক্লাসের মাঝে খালি ফ্লাক্সের উড়াউড়ি দিব্যচোখে ভাসতে লাগল, কানে যন্ত্রনার মিছিল....লালু...ওই লালু...লালুরে...আজও লাল শরবত...ওই লালু...এহ...হে..হে..!

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ছেলেবেলাহাবামিসমগ্র ;
প্রকাশ করা হয়েছে: ছেলেবেলা  বিভাগে ।

 

  • ১৯৭ টি মন্তব্য
  • ৯৭০ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২৬ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ৩১ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:৩৮
comment by: আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: ব্যাপক মজা পাইলাম।এই ভাবে তাহারা তোমাকে অত্যাচার করিতো।
৩১ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:৪২

লেখক বলেছেন: তা আর কি বলি...অভিশপ্ত শৈশব। সবকাহিনী বললে সবাই দু্ঃখে কাদবে রে ভাই /:)

২. ৩১ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:৩৯
comment by: দূরন্ত বলেছেন: :) :)
মজার তো।
এক নিশ্বাসে পড়লাম।
চলতে থাকুক.....
৩১ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:৪৩

লেখক বলেছেন: দুঃখের কাহিনী আপনের কাছে মজার লাগে? X(
অপরের দু্ঃখ দেখে হাসতে নাই।

৩. ৩১ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:৪০
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন: হা হা হা.... হুমমমমমমম
৩১ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:৪৪

লেখক বলেছেন: আপনেও হাসলেন...ত্রিভুজ ভাই? আমি কই যাই../:)

৪. ৩১ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:৫৩
comment by: আসিফ আহমেদ বলেছেন: আহারে, মজা পেলাম পড়ে।
৩১ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:০৯

লেখক বলেছেন: মানুষের দুঃখে দুখি হওয়াই কি ভাল নয়? :((

৫. ৩১ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:৫৪
comment by: দূরন্ত বলেছেন: আমাকে দিয়ে বন্ধুরা বহু কাজ করিয়ে নিতো। আবার টাকা পয়সা সব নিয়ে যেতো। সেসব বোকামির দিক থেকে আপনার সাথে আমার মিল আছে...
৩১ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:১০

লেখক বলেছেন: তাহলে আরেকজন পাওয়া গেল আমার মত। কিন্তু কষ্টের ব্যাপার হচ্ছে আমার ক্লাসে আমি আমার মত আর কাউকে পাইনি। /:#)

৬. ৩১ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:৫৬
comment by: আসিফ আহমেদ বলেছেন: আমি খুব বেশি মনে করতে পারছিনা। প্রজেক্ট নিতে হবে মনে করার। :)
০১ লা জুন, ২০০৮ ভোর ৪:০৪

লেখক বলেছেন: স্বাগতম!! আপনিও কি ভাই হাবা ছিলেন শৈশবে? তাহলে কিন্তু মনে করার দরকার নেই কোনো :)

৭. ৩১ শে মে, ২০০৮ সকাল ৮:২১
comment by: সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন: আহারে.....মনটা খারাপ হয়ে গেলো।ছোট্ট রন্টির ছবিটা মনে পড়লো।
ক'দিন যেটা ডিস্‌প্লে তে ছিলো।
শুভেচ্ছা থাকলো।
৩১ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:১২

লেখক বলেছেন: সাজি বলেছেন: আহারে...মনটা খারাপ হয়ে গেল।

আপু একমাত্র আপনিই এক অসহায় বালকের দুঃখ বুঝলেন। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।

ছবিটা আবার এসেছে :)

৮. ৩১ শে মে, ২০০৮ সকাল ৮:৫২
comment by: দোলাহাসান বলেছেন: হাই লালু কেমন আছেন? আপনি নিশ্চয়ই আর কোক খান না;)
আহারে কতদিন কষ্টে ছিলেন? বাচ্চারা আসলেই বড় নির্মম হয়:( ভাল লাগলো।
৩১ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:১৫

লেখক বলেছেন: কি বলব!! আপনার ব্লগেও দেখলাম! X(

৯. ৩১ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:১১
comment by: মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন: খুব যত্ন নিয়ে লেখা, পড়লেই বোঝা যায়।
০১ লা জুন, ২০০৮ ভোর ৪:০৪

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ রিপন ভাই।

১০. ৩১ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:১৭
comment by: চিটি (হামিদা আখতার) বলেছেন: চমৎকার লিখেছেন।
ধারাবাহিক ভাবে লিখতে পারেন...................

ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা রইল।
০১ লা জুন, ২০০৮ ভোর ৪:০৬

লেখক বলেছেন: আউলার ধারাবাহিক হাবামী লেখাটা দেখে এটা লেখার কথা মাথায় আসল। আমার শৈশবের হাবামির কাছে ওর হাবামি পাত্তাই পাবে না :)

আপনাকেও শুভেচ্ছা।

১১. ৩১ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:৪৬
comment by: মাইনুল বলেছেন: ভালো লেগেছে।
০১ লা জুন, ২০০৮ ভোর ৪:১১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আপনার অর্ধেক ছবিটা সরিয়ে দিলেন কেন?

১২. ৩১ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:৫৭
comment by: মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন: 'গেট পেরিয়ে যখন আমি ক্লাসে ঢুকতে যাব- তখনই ঘুম থেকে জেগে উঠে পৃথিবীটাকে আবিস্কার করি ক্লাসরুমে!'

'টিফিন পিরিয়ডের নামে যে আধাঘন্টা বিরতি, ক্লাসের প্রায় সবাই তখন ছোট্ট মাঠটায় লাফঝাফে ব্যস্ত আমি তখন ক্লাসের সামনের বারান্দাটার পিলার আঁকড়ে দাঁড়িয়ে সাদাচোখে তাদের খেলা দেখি।'

আপনার বাক্যের এই বুননটি আমার ভালো লাগে।

০১ লা জুন, ২০০৮ ভোর ৪:১৮

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ রিপনভাই।

এত খেয়াল করে আমার লেখা পড়েন আমি জানতাম না। খুব ভাল লাগছে জেনে। অদ্ভুত একটা অনুভূতি হল। এটা উপহারের মত। ধন্যবাদ আপনাকে আবারও।

১৩. ৩১ শে মে, ২০০৮ সকাল ১১:৪০
comment by: অক্ষর বলেছেন: চমৎকার লিখেছেন।
০১ লা জুন, ২০০৮ ভোর ৪:২৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৪. ৩১ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১২:২৬
comment by: বৃত্তবন্দী বলেছেন: আহা আহা আহারে............
০১ লা জুন, ২০০৮ ভোর ৪:৪১

লেখক বলেছেন: :((

১৫. ৩১ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:১৫
comment by: নাদান বলেছেন: ভাল লাগছে লালু। আমরা শিঙ্গারা কে হ্যন্ড গ্রেনেড বানিয়ে যুদ্ধ করতাম। :)
০১ লা জুন, ২০০৮ ভোর ৬:৩৪

লেখক বলেছেন: খাবারের কি নিদারুন অপচয়.../:)
শয়তান পোলাপানরাই এমুন করে।

১৬. ৩১ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:৪৯
comment by: একরামুল হক শামীম বলেছেন: হুমমম ....আহারে.....লালু :);)
০১ লা জুন, ২০০৮ ভোর ৬:৩৪

লেখক বলেছেন: কে? তুমি?

১৭. ৩১ শে মে, ২০০৮ রাত ১০:৫৭
comment by: উত্তরাধিকার বলেছেন:
০১ লা জুন, ২০০৮ ভোর ৬:৩৫

লেখক বলেছেন:

১৮. ৩১ শে মে, ২০০৮ রাত ১০:৫৯
comment by: ভাঙা চাঁদ বলেছেন: আহালে, লালু.........
০১ লা জুন, ২০০৮ ভোর ৬:৩৫

লেখক বলেছেন: কারে বলিলেন ? :-*

১৯. ৩১ শে মে, ২০০৮ রাত ১১:০৩
comment by: উত্তরাধিকার বলেছেন: +++

আগের বার কিছুই লেখা গেল না।

মনে হয় ঘোরে ছিলাম... ;)

মনে হলো আমি লালুর পাশে পাশেই ছিলাম এতক্ষন।

প্রতিটি দৃশ্য খুব্বি প্রানবন্ত।

এক কথায় চমৎকার।

মনে ধরছে রে ভাই...। :)
০১ লা জুন, ২০০৮ ভোর ৬:৩৭

লেখক বলেছেন: মনে ধরল? :-*
আমার ভোগান্তির গল্প আপনার মনে ধরল?
আপনাকে তো নিজের লোক মনে করেছিলাম ভাই।
মাইনাসX(

২০. ৩১ শে মে, ২০০৮ রাত ১১:০৮
comment by: অদ্ভুত আঁধার এক বলেছেন: আলু ভাই ভালু আচেন?

লেখাটা পড়ে খুব মজা পেলাম।
নিজের এ টাইপ কিছু লিখতে ইচ্ছে হল।

ভাল থাকুন......
০১ লা জুন, ২০০৮ ভোর ৬:৩৮

লেখক বলেছেন: সরি! আপনি ভুল নাম্বারে ডায়াল করেছেন। অনুগ্রহ করে ঠিক নাম্বারটি জেনে নিন। মইন ইউ আহমেদের ব্লগ এটা না :)

২১. ৩১ শে মে, ২০০৮ রাত ১১:০৯
comment by: অদ্ভুত আঁধার এক বলেছেন: সরি ভাই লালু লিখতে গিয়ে আলু লিখে ফেললাম
২২. ৩১ শে মে, ২০০৮ রাত ১১:১৮
comment by: আউলা বলেছেন: লালু ভাই বড্ডো হাসাইলেন :#)
০১ লা জুন, ২০০৮ ভোর ৬:৩৮

লেখক বলেছেন: সহজ হইছে? :)

২৩. ৩১ শে মে, ২০০৮ রাত ১১:২৬
comment by: আউলা বলেছেন: লালু ভাই একিদকে আপনি আমার সিনিয়র আরেকদিক থেকে আমি আপনার সিনিয়র বলেন তো কেমনে? ;)
০১ লা জুন, ২০০৮ ভোর ৬:৩৯

লেখক বলেছেন: জে না। আমি কোনমতেই তোমার সিনিয়ার না। হাবামির কেচ্ছা বলতেও তুমি সিনিয়র, অন্য সবদিকেও সিনিয়র..হেহ হে.. ;)

২৪. ৩১ শে মে, ২০০৮ রাত ১১:২৬
comment by: স্বাপ্নিক বলেছেন: দু:খে কাঁদতে গিয়ে দেখি হেসে ফেলেছি, বুঝলাম, আমিও আপনার ভাইবোনদের মতই :)
ছবি ফিরিয়ে আনার জন্য ধন্যবাদ ...
০১ লা জুন, ২০০৮ ভোর ৬:৪০

লেখক বলেছেন: দুঃখে হেসেছেন? শিউর?
তাহলে ওকে...:)

২৫. ০১ লা জুন, ২০০৮ রাত ১২:১৫
comment by: রিয়াজ শাহেদ বলেছেন: রন্টিদা ভালো।
০১ লা জুন, ২০০৮ ভোর ৬:৪০

লেখক বলেছেন: রিয়াজভাই ভালো।

২৬. ০১ লা জুন, ২০০৮ রাত ১:০১
comment by: মৈথুনানন্দ বলেছেন: মেয়ে-খেপানো ঘন্টি - খিক খিক! ;)
০১ লা জুন, ২০০৮ ভোর ৬:৪১

লেখক বলেছেন: এইটাও কি হিন্দী :-*?
বুঝি না তো!!

২৭. ০১ লা জুন, ২০০৮ রাত ১:০৮
comment by: প্রিয়তমা বলেছেন: :(... ... :#)
০১ লা জুন, ২০০৮ ভোর ৬:৪২

লেখক বলেছেন: :((

২৮. ০১ লা জুন, ২০০৮ ভোর ৪:১৭
comment by: সঞ্জিব বলেছেন: হা হা ভালো লাগলো...
০১ লা জুন, ২০০৮ ভোর ৬:৪২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পড়ার জন্য সঞ্জিব।

২৯. ০১ লা জুন, ২০০৮ ভোর ৪:৪৫
comment by: তামিম ইরফান বলেছেন: আপনার তো শুধু কোক নিয়ে টানাটানি করতো....আমারে তো ক্লাশের মেয়েগুলি সুযোগ পাইলেই গালে চিমটি মারতো আর টিফিনের সময় বক্স কেড়ে নিয়ে নিয়ে খাবার সব শেষ করে সিংহ মার্কা মেলামাইনের থালার মতো ফকফকা করে দিয়ে যেত....একজন আবার নায়িকা মার্কা হাসি দিয়ে বলতো টিফিনটা খুব মজার হইছে :((:((
০১ লা জুন, ২০০৮ ভোর ৪:৪৯

লেখক বলেছেন: কে বলছে খালি শরবত খেত? টিফিন তো আগেই সাবার করত। পানি খেতে গিয়ে কোক পাওয়াতেই না এ নিয়ে লংকাকান্ড বাধল। তার আগে পর্যন্ত তো তারা খেতই, আমি কি কোনদিন পেতাম নাকি? আমার কিন্ডারগার্টেন লাইফে খুব কমদিনই নিজের টিফিন নিজে খেতে পেরেছি।

আর সবকিছু মেয়েরা করত না। সাথে ছেলেরাও থাকত।

৩০. ০১ লা জুন, ২০০৮ ভোর ৪:৪৬
comment by: তামিম ইরফান বলেছেন: পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম লালুদা:):)
০১ লা জুন, ২০০৮ ভোর ৪:৫০

লেখক বলেছেন: নাম না দিলে খুশি হই। ওই কিন্ডারগার্টেন আমি পরের বছরই কিন্তু ছেড়ে এসেছিলাম X(

৩১. ০১ লা জুন, ২০০৮ ভোর ৫:১৫
comment by: তামিম ইরফান বলেছেন: লালুদা দেখি একেবারে টমেটোর মতো লাল হয়ে গেছে:D:D
০১ লা জুন, ২০০৮ ভোর ৫:১৭

লেখক বলেছেন: এই পুলা। আমরা কিন্তু একদলের....

৩২. ০১ লা জুন, ২০০৮ ভোর ৫:১৮
comment by: তামিম ইরফান বলেছেন: তো:((:((
০১ লা জুন, ২০০৮ ভোর ৫:২০

লেখক বলেছেন: তো...পাছে লোকদের কিছূ বলবার সুযোগ আমরা যেন না করে দেই...:#)

চাদেরও কলংক থাকে...হেহ হে

৩৩. ০১ লা জুন, ২০০৮ ভোর ৫:১৯
comment by: তামিম ইরফান বলেছেন: ভুইলা গেছিলাম:)
০১ লা জুন, ২০০৮ ভোর ৫:২০

লেখক বলেছেন: ;)

৩৪. ০১ লা জুন, ২০০৮ সকাল ৭:১৪
comment by: দূরন্ত বলেছেন: =p~
০১ লা জুন, ২০০৮ সকাল ৭:১৯

লেখক বলেছেন: আপনি আছেন? আমি তো ভাবলাম আজকে আপনাকে পাচ্ছি না।

৩৫. ০১ লা জুন, ২০০৮ সকাল ৭:২০
comment by: দূরন্ত বলেছেন: আছি। আগামী এক মাস কোনো পোস্ট দিবনা ভাবতেছি। খালি পড়বো আর মন্তব্য করবো :)
০১ লা জুন, ২০০৮ সকাল ৭:২২

লেখক বলেছেন: কেন? সমস্যা কোথায়? আপনি পোষ্ট না দিলে আমরা পড়ব কি?

৩৬. ০১ লা জুন, ২০০৮ সকাল ৭:২৪
comment by: দূরন্ত বলেছেন: =p~ হাসালেন বটে। আপনার লেখা আগে নিয়মিত দেন :)
আমার এই সেমিস্টারটা শেষ হলেই মোটামুটি ঝামেলা শেষ। এর পরে ইচ্ছামতো ব্লগিং আর ছবি তোলা .......
০১ লা জুন, ২০০৮ সকাল ৭:২৮

লেখক বলেছেন: মানে কি? আমার লেটেষ্ট পারফরমেন্স দেখছেন? কত্ত বড়বড় লেখা দিতেছি নিয়মিত বিরতীতে?

ও একটা খবর দিই। কালকে আমি একটা ক্যামেরা কিনা ফালাইছি:)
তবে কম দাইম্মা। টাকা নাই, তবুও এই রঙীন সামারে ছবি না তুললে হয়ই না, আবার ভাল ক্যামেরা কেনার পয়সা নাই। কি করব :|
৫ মেগাপিক্সেল, অবশ্য ৩ বছরের ওয়ারেন্টি দিছে আর জলের দাম।

৩৭. ০১ লা জুন, ২০০৮ সকাল ৭:৩৪
comment by: দূরন্ত বলেছেন: ভাল ভাল। আপনার লেখাগুলো ভাল হয়, তা ঠিক। কোন ব্র্যান্ডের ক্যামেরা কিনেছেন?
এবার ক্যামেরা নিয়ে বার্মিংহামে আসেন। ছবি তোলাও হবে। আর ছবি কিন্তু ব্লগে শেয়ার করবেন।
০১ লা জুন, ২০০৮ সকাল ৭:৩৭

লেখক বলেছেন: সুইজারল্যান্ডে যাবার জন্য আল্টিমেটাম দিয়েছে আমার সবচেয়ে কাছের বন্ধুটি, আর সুইজারল্যান্ডে যেতে ভিসা সংক্রান্ত ঝামেলাও নাই :) কিন্তু পকেটে গড়ের মাঠ...পারব বলে বুঝতে পারতেছি না। বার্মিংহামে আসতে ভিসার জন্য ঝামেলা করতে ভাল লাগে না। দেখি সহ্য হলে একবার বাসে করে চলে আসতে পারি!

লেখা ভালর কথা বলি নাই তো! বেশী বেশী লেখা দিচ্ছি, সেটা বলছি :)

৩৮. ০১ লা জুন, ২০০৮ সকাল ৭:৪৪
comment by: দূরন্ত বলেছেন: ভিসা ছাড়া বিদেশে গেলে যাওয়ার মজাই থাকলো কি? এর চেয়ে বামিংহাম আসেন।
প্লেন ভাড়া কিন্তু বেশি না। বার্মিংহাম থেকে সুইজারল্যান্ড নাকি ফানফেয়ার ভাড়া ১৫ পাউন্ড। সাথে নানা ট্যাক্স যুক্ত হয়।
লেখা শুধু বেশি বেশিই দেন নাই। কয়দিন আগে একটা পোস্টে একই লেখা দুইতিন বার দিসিলেন। কাজ করে বাসায় ফিরেই আপনার লেখা পড়ে কিছু বুঝতেছিলাম না। পরে ভাবলাম লেখাটাই মনে হয় এইরকম :) :)
০১ লা জুন, ২০০৮ সকাল ৭:৫০

লেখক বলেছেন: আরি , ওইটা টাইপ করতে করতে ঘুমিয়ে পড়ছিলাম বারবার, সে সুযোগে কন্ট্রোল ভির কারসাজিতে ওই অবস্থা হয়েছিল!

আমাদের এখান থেকে ভাড়া তো ওত কম না সুইজারল্যা্ন্ডে। দুখের কথা হল রায়ানএয়ার সুইজারল্যান্ড যায় না, ওরা গেলে তো ২০/৩০ টাকায় যাওয়া যেত। রায়ানএয়ারে বাসের চেয়ে কম খরচে বার্মিংহাম আসা যায়, বাসে নেয় ৩৫ ইউরো রিটার্ন, রায়ান ১ টাকায়ও আসে। সাথে ১০ টাকা ট্যাক্স। মাঝে মাঝে ট্যাক্সও ফ্রি। হুদা ১ টাকায় ভ্রমন!!

৩৯. ০১ লা জুন, ২০০৮ সকাল ৭:৫৯
comment by: দূরন্ত বলেছেন: বার্মিংহামে আসেন। সি বিচ নাই কিন্তু সিটি কাউন্সিল থেকে সামারে সি বিচের আমেজ তৈরি করে। এছাড়াও ঘোরার জায়গা প্রচুর আছে। আর আছে বার, ক্লাব, পার্ক ইত্যাদি।

গত সামারে আমি এসেই এ জিনিস দেখলাম
০১ লা জুন, ২০০৮ সকাল ৮:০৭

লেখক বলেছেন: এরা পারেও !

ভাইরে। ভিসার ঝামেলা করতে ইচ্ছা করে না। আগে তো পোষ্টে পাসপোর্ট পাঠিয়ে দিলেই হত। এখন আবার ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে আসতে হয়। তবুও দেখি। টাকা পয়সা হাতে যদি আসে :) কিন্তু সে চিহ্ন দেখছি না /:) ওভারড্রাফট নিছি, মেজপার কাছ থেকে লোনও নিচ্ছি এই সপ্তাহে মোটা অংকের। সামনের মাসেই টিউশন ফি দিতে হবে..হেহ হে..

৪০. ০১ লা জুন, ২০০৮ সকাল ৮:১৯
comment by: দূরন্ত বলেছেন: ভাল ভাল। আমার কাছেও টাকা চেয়ে আল্টিমেটাম দিয়েছে। আমি অবশ্য এসব চিন্তা করতেছি না। টাকা থাকলে তো দিবো :)
তবে আমাদের সাধারণত টাকা না দিলেও সব সেমিস্টার শেষ করতে দেয়। কিন্তু সার্টিফিকেট দেয় না।
(আমি অবশ্য এই চিন্তাতেই ইউরোপ ঘুরতে পারছি না :) )
০১ লা জুন, ২০০৮ সকাল ৮:২৭

লেখক বলেছেন: আমার কাজ হবে না :(( আমার ভিসা রিনিও। টাকা না দিলে এডমিশন হবে না। এখানে এডভান্স এক বছরের ফিস দেবার নিয়ম। আবার স্টেটম্যান্ট ও দেখাতে হবে। ছাইয়ের এ দেশে বছর বছর ভিসা রিনিও করতে হয়। তারউপর আবার ৮০% এর নিচে উপস্থিতি হলে ৩ মাসের ভিসা দেয় :((


অফটপিক : প্রশাশনের পোষ্টটি একটু দেখেন। সিএনজি নিয়ে। এ বিষয়ে আপনার কি অভিমত বা কি জানা আছে। একটু বলবেন কি? পোষ্ট আকারে আসলে আরও ভাল। সিরিয়াসলি জানা প্রয়োজন।

৪১. ০১ লা জুন, ২০০৮ সকাল ৮:২৮
comment by: এক পশলা বৃষ্টি বলেছেন: হা হা হা

লালু বেচারা..

০১ লা জুন, ২০০৮ সকাল ৮:৩৯

লেখক বলেছেন: হাসলেন :#)

০১ লা জুন, ২০০৮ সকাল ৮:৪০

লেখক বলেছেন: ভূল ইমোকটিন চলে এসেছে :((

৪২. ০১ লা জুন, ২০০৮ সকাল ৮:৪৩
comment by: দূরন্ত বলেছেন: এবার একটা অফটপিক প্রশ্ন করি...... এখনও আপনার টাকা-পয়সা, খাবার দাবার অন্য মানুষজন নিয়ে যায় নাকি?
প্রশাসনের পোস্টটা পেয়েছি। পড়ছি...
০১ লা জুন, ২০০৮ সকাল ৮:৪৯

লেখক বলেছেন: তখনকার মত এত নগ্নভাবে নিয়ে যায় না। তবে যায়...আমি এখনও হাবাই রয়ে গেছি :#) মনে হয় এগুলো কোন ব্যাপার না। পড়ে ভেবে দেখি ঠকলাম বোধহয়। জীবনটা সরল চোখে দেখলে ঠকেছি মনে হয় না। কিন্তু সরল ভাবতে পারি না সবসময়, কিন্তু আসলে পৃথিবীটা আমরা যে চোখে দেখি তেমনি, তাই না?

৪৩. ০১ লা জুন, ২০০৮ সকাল ৮:৪৩
comment by: একজন ব্লগার বলেছেন: +++ সবাইকেই তাইলে ছ্যাকুঢ়শূর ভূতে ধর্লো!

আপনার অনেক পোস্ট ডিউ হয়ে গেছে। সময় করে একদিন সব পড়বো। আজ উইকএন্ড বলে পুরোটা রাত আর পুরোটা সকাল ব্লগালাম।

এম এস এনে আসেন্না কেন?
০১ লা জুন, ২০০৮ সকাল ৮:৫১

লেখক বলেছেন: এমএসএন এ আমি সারাক্ষনই তো থাকি! ইয়াহু আর জিটকেও। কিন্তু ইনভিজিবল থাকি। তুমি আসো নাকি ইদানিং? দেখি নাতো! দেখলে নক করব নে। আমি আসলে অত চ্যাট করি না তো। মানুষের আসা যাওয়া দেখি, ভাল লাগে।

ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

৪৪. ০১ লা জুন, ২০০৮ সকাল ৮:৫৭
comment by: একজন ব্লগার বলেছেন: আমিও তো ইনভিজিবল থাকি!B-)

মানুষের যাওয়া আসেন দেখেন? হা হা হা। ম্যাসেন্জার কি চৌরাস্তার মোড়?=p~

আমি বাংলাদেশ টাইম সারা রাতই নেটে থাকি (উইকডেজে না)। যে কোন সময় নক করলেই পাবেন।:)

আসি এখন। ঘুম ধর্ছে খুব। আল-বিদা।:)
০১ লা জুন, ২০০৮ সকাল ৯:০০

লেখক বলেছেন: ওকে।

হ্যা। চাররাস্তার মোড়ই। আমার নিরব নির্জন ঘরে আমি একাকী বোধ করি না। মেসেন্জারে মানুষ দেখলে মনে হয়, এইত সবাই আছে আশেপাশে, আমার সাথে কথা না হয় নাই হোক। আমি তো আর একা নই!!

৪৫. ০১ লা জুন, ২০০৮ সকাল ৯:০০
comment by: এস্কিমো বলেছেন: ভাল লাগলো।
০১ লা জুন, ২০০৮ সকাল ৯:০৫

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস এস্কিমো ভাই। আপনি বোধহয় প্রথমবার কমেন্ট করলেন আমার ব্লগে।

অসংখ্য ধন্যবাদ।

৪৬. ০১ লা জুন, ২০০৮ সকাল ৯:০৫
comment by: আউলা বলেছেন: লালু ভাইরে যে ক্যান সবাই লালু ডাকতো এইবার আমার ক্লিয়ার হইছে ;)
০১ লা জুন, ২০০৮ সকাল ৯:০৭

লেখক বলেছেন: কি ক্লিয়ার হইল :| কেন ডাকত?

৪৭. ০১ লা জুন, ২০০৮ সক