আমার প্রিয় পোস্ট
- জনস্বার্থের পোস্ট: ব্লগে আপনার নিজের সেরা লেখা কোনটি? (সবার অংশগ্রহন বাধ্যতামূলক)
- জ্বিনের বাদশা
- ২০০৮ : আপনার চোখে ব্লগের বর্ষসেরা লেখা কোনটি? (আপডেট-৬ : নতুন ক্যাটাগরি ও নতুন লেখা) - ব্রিগেড সিক্সটিন
- একটু শুইনা দেখেন পিলিজ.... - রায়হান(তন্ময়)
- সৌরজগৎ ফুঁসছে রাগে - তুষার আহাসান
- ওপেনসোর্স সফটওয়্যারের জগতে আপনাকে স্বাগতম (অনেকগুলো সফটওয়্যারের বর্ননাসহ ডাউনলোড লিংক) - নাফিস ইফতেখার
- মেডিটেশন এবং আমার কথা - মাহবুবুল আলম লীংকন
- যুক্তরাষ্ট্রে ফান্ডিং নিয়ে পড়তে আসুন -১(GMAT)। - কুম্ভকর্ণ
- তবু দিন কাটে, অপেক্ষায় - সুলতানা শিরীন সাজি
- জিজ্ঞাসা [পদ্য] - রোডায়া
- 'রন্টি চৌধুরী' আজ আপনার জন্মদিন - মিলটন
- সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড । - নাজিম উদদীন
- মেয়ে তুমি কষ্ট বোঝ? - সাগর সরোয়ার
- বাংলা সিনেমার ডায়ালগ লিখি আসেন
- জটিল
- জীবনানন্দ দাশ : কবিতায় খুঁজি বাংলার রূপ - একরামুল হক শামীম
- বাংলাদেশের গান - যূঁথী
- নক্ষত্রের আলাপচারিতা - সুলতানা শিরীন সাজি
- জ্ঞানপিপাসুদের জন্য কিছু ফ্রি ই-বুক সাইট - রাকিব
- কাছে এসে ফেরা - এক্স ফাইলস্
- অতঃপর নোকিয়ার হাই এন্ড মোবাইল সেটে বাংলা এবং সামহয়্যারইন ব্লগে মোবাইল থেকে বাংলায় মন্তব্য প্রেরণ....। - সুনীল সমুদ্র
- স্মার্টনেসের সংজ্ঞা ও আমাদের প্রচলিত ব্যাখ্যা - হুমায়রা ফেরেদৌস তানিয়া
- কল্প-গল্পঃ বিকল্প প্রোটিন - মোস্তাফিজ রিপন
- নেটে কিছু ছবি পেলামঃঅদ্ভূত। - অদ্ভূত একজন
- না এলেই ভালো হতো...! - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- গ্রহনের সমাপ্তির পর - তামিম ইরফান
- সাময়িক পোষ্ট: আপনার জন্মদিন কবে?? (সবাইকে অংশগ্রহন করার বিনীত অনুরোধ) - শফিউল আলম ইমন
- সব ব্লগার বন্ধুদের জন্মদিন বিষয়ক একটি জরিপ - মিলটন
- স্মৃতির স্বর্ণালী আভায় কানাডা ...... - প্রীটি সোনিয়া
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস,গল্প ও কবিতা সংকলনের তালিকা - ফারহান দাউদ
- "বিহারী"একটি অভাগা বীষবৃক্ষের নাম - মাহবুব সুমন
- কিচেনের কিছু প্রয়োজনীয় টিপস - ইরতেজা
- ইয়াহু ম্যসেন্জার এর ছোট্ট মজা!.... - আমি............
- কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের চোখের যত্ন - প্রবাস কন্ঠ
- সাম্প্রতিক খাদ্য সংকট ও আমাদের কৃষি - দিনমজুর
- বুটের তলায় দেখি ছাপ্পান্নো হাজার বর্গমাইল - সামী মিয়াদাদ
- এসো ৭১ এর গল্প শোনাই সবাই মিলে - জ্বিনের বাদশা
- না পাঠানো চিঠি - তামিম ইরফান
- জনপ্রিয় কিছু ওয়েব সাইট এর ঠিকানা.......... - গিফার
- বাংলা ইউনিকোড ভিত্তিক ওয়েব সাইট - ক্যামেরাম্যান
- গানালাপ: রিচার্ড মার্ক্সের "Hazard" - মাহবুবা আখতার
- ওয়েব সার্চ টিপস: গুগুলে ফাইল খুঁজতে খুঁজতে হয়রান? - ত্রিভুজ
- বাংলা বই এর সাইট - মাহবুব জামান আশরাফী
সাধারন , অসাধারন আর অস্বাভাবিক এর মাঝে পার্থক্য কি নানা কারনে এর উত্তরটা বড় গোলমেলে লাগে।

আমার যাপিত জীবন.......(হাবামিসমগ্র-১)(ছেলেবেলা)
৩১ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:৩৩
কঠিন ছেলেবেলা। কিন্ডারগার্টেনে যাই। রোজ সকালে শতাধিকবার ডেকে কুম্ভকর্নের কানে বার্তা পৌছাতে ব্যর্থ হয়ে আম্মা বিছানা থেকে টেনে তুলে কোলে করে নিয়ে মুখ ধুইয়ে, পরিপাটি করে সাজিয়ে, খাইয়ে ছোটভাইয়া বা আপাদের কারও হাতে ধরিয়ে দেন, এরপর রিক্সা করে দুলতে দুলতে, কখনও বা ভাইয়ার হোন্ডার পেছনে চড়ে আমার স্কুল যাত্রা। গেট পেরিয়ে যখন আমি ক্লাসে ঢুকতে যাব তখনই ঘুম থেকে জেগে উঠে পৃথিবীটাকে আবিস্কার করি ক্লাসরুমে! এর আগের এইসব ধুন্ধুমার কান্ডগুলো, ঘুম থেকে উঠা, গায়ে পোষাক চড়ানো, খাওয়া বাস্তব কেবলি আম্মার জন্য..আমার কাছে এ সবই স্বপ্ন ঠেকে।
ক্লাসে পেছনের সারিতেই আমার সবসময়ের স্থান, পছন্দেরও, যে বেঞ্চগুলো নিয়ে কারও কোন কাড়াকাড়ি দাবীদাওয়া নেই সেগুলোতেই আমার ঝোক! যদিও বা এডমিশন টেষ্ট এ সবার চোখ কপালে তুলে কিভাবে জানি নাম্বার ওয়ার প্লেস পেয়েগিয়েছিলাম, তা কোন পার্থক্য তৈরি করে না আমার বসার ব্যাপারে, শুধু মাঝে মধ্যেই সামান্য দেরী করে ক্লাসে আসায় রোলকলটা মিস করে ফেলি। প্রথম বেঞ্চিতে বসার সাহস আমার কোনকালেই হয় না। প্রথম বেঞ্চিওয়ালাদের চোখ দেখলেই চুপসে যাই। সেকেন্ড ক্যাপটেনের সাগরেদ এরা। সেকেন্ড ক্যাপটেনই ক্লাসের সরদার। আমিতো...তার সহকারী হতে পারি মাত্র!
টিফিন পিরিয়ডের নামে যে আধাঘন্টা বিরতি, ক্লাসের প্রায় সবাই তখন ছোট্টমাঠটায় লাফজাফে ব্যস্ত আমি তখন ক্লাসের সামনের বারান্দাটার পিলার আকড়ে দাড়িয়ে সাদাচোখে তাদের খেলা দেখি। ইছড়ে পাকা কজন তখন আমার জাপান থেকে ছোটচাচার পাঠানো লাল টকটকে ব্যাগটা বর্বরের মত খুলে মায়ের বানিয়ে দেয়া স্যান্ডউইচ আর রঙিন ফ্লাক্সের তরল উজার করতে ব্যস্ত। চুরি করে খাচ্ছে, বোঝার কি সাধ্য? আর জিনিসগুলো যদি আমার হয় তাহলে সেটা সরকারী ট্যাগ সমৃদ্ধ! এগুলো খাওয়া যায়!
'এই! এটা কি? শরবত নাকি?' বিকট চিৎকার শুনে পেছনে তা। বকাই, দেখি ক্লাসের গুন্ডা বলে খ্যাত ছেলে আর মেয়েদের কটা আমার প্লাষ্টিকের সুদৃশ্য লাল ফ্লাক্সটা থেকে মুখ নামিয়ে কড়া দৃষ্টি নিয়ে আমার পানেই তাকিয়ে!
এই গাধা! পানি খেতে চাইলাম, এইটা কি? শরবত নিয়ে এসছিস? তুই শরবত খাস? দুদু খাস? বেটা খাটাস!!
আমি হতভম্ভ। বিরাট অপরাধ করেছি বুঝতে পেরে হতচকিত কিংকর্তব্যবিমূঢ়। এই ফাঁকে দুষ্টকুলের শিরোমনি বাহ্যিক সুন্দরী মেয়েটা (ইদানিং ওকে ক্ষেপিয়ে শোধ তুলি অতীতের, দান পাল্টে গেছে এখন) চেচিয়ে ওঠে....ওই..ওই...ও তো দেখি লাল শরবত খায়...দুদু খায়...বাচ্চা একটা ..লাল শরবত খাওয়া লালু একটা...এর নাম আজকে থিকা লালু...ওই লালু...ওই লালু...!
আর যায় কোথায়! পিঠে সীল পড়ে গেল। ফ্লাক্সের সবটুকু কোকাকোলা শেষ হল, তারপর ক্লাসময় উড়াউড়ি করতে লাগল ফ্লাক্সটি পাখা ছাড়াই অবালীলায়! খেলার মাঠ থেকে ছুটে এল গুনী সহপাঠীরা..তাজা খবর কে মিস করতে চায়? আর আমি তখন খুব কষ্টে সটকে পড়ে টিচার্স কমনরুমে গিয়ে নিজের পৈতৃক সম্পত্তি নোনাজল পান করি।
বাসায় ফিরে তোতলাতে তোতলাতে বলতে যেয়ে ঢুকড়ে কেদে উঠি...'আম্মা...আম্মা...আমার সব কোকাকোলা...'
আমি তখন নিতান্তই শিশু। কিন্ডারগার্টেনের অতিস্মার্ট সহপাঠীদের নিষ্টুর আচরেনর স্বীকার হয়ে বাসায় ফিরে ভাবছি এটাই আমার আসল জায়গা, সকল দুঃখ ঘোচাবার জায়গা...। কিসের কি! হাসির হলকা ছুটে...বয়ে যায় আমার কানের পাশ দিয়ে গুলির মত..চোখে আবার সেই পৈতৃক নোনা শরবত। ভাইয়া, বড়পা,মেজপা,ছোটপা,ছোটভাইয়া,আম্মা সবাই এখন আমার সহপাঠী সাদৃশ। নিঃশেষিত হয়ে আমি যখন পৃথিবীকে একটা যন্ত্রনার আস্তাকুড় ভেবে ধিক্কার দিচ্ছি নিজের জীবনের প্রতি, তখন এল ঘোষনা আম্মার..সাথে সাথে সমস্বর সমর্থন সব ভাইবোনদের। ''এখন থেকে সপ্তাহে পাচদিনই তোমাকে কোকাকোলা দেয়া হবে, তুমি খেতে না পারলে তোমার দোষ, তোমাকে লোকে লালু বললে আমরা কি করতে পারি।'
আগে হয়ত সপ্তাহে দুদিন আমার কাকুতি মিনতিতে কোক দেয়া হত আমি লুকিয়ে তা সাবার করতাম, এখন আজকের ঘটনায় তা তো সবদিনের জন্য হল..কিন্তু এখন আমি কি চাই আর?
করুন দৃষ্টি নিয়ে সবার মুখ পানে তাকাই আমি। কোথাও একবিন্দু মায়া মমতার চিহ্ন নেই। কী নিষ্ঠুর পৃথিবী, তবে কি সত্যিই আমি কুড়িয়ে পাওয় ছেলে..?
আগামীদিনগুলোতে ক্লাসের মাঝে খালি ফ্লাক্সের উড়াউড়ি দিব্যচোখে ভাসতে লাগল, কানে যন্ত্রনার মিছিল....লালু...ওই লালু...লালুরে...আজও লাল শরবত...ওই লালু...এহ...হে..হে..!
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ছেলেবেলা, হাবামিসমগ্র ;
প্রকাশ করা হয়েছে: ছেলেবেলা বিভাগে ।
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
ব্যাপক মজা পাইলাম।এই ভাবে তাহারা তোমাকে অত্যাচার করিতো।
লেখক বলেছেন: তা আর কি বলি...অভিশপ্ত শৈশব। সবকাহিনী বললে সবাই দু্ঃখে কাদবে রে ভাই ![]()
লেখক বলেছেন: দুঃখের কাহিনী আপনের কাছে মজার লাগে? ![]()
অপরের দু্ঃখ দেখে হাসতে নাই।
ত্রিভুজ বলেছেন:
হা হা হা.... হুমমমমমমম
লেখক বলেছেন: আপনেও হাসলেন...ত্রিভুজ ভাই? আমি কই যাই..![]()
আসিফ আহমেদ বলেছেন:
আহারে, মজা পেলাম পড়ে।
লেখক বলেছেন: মানুষের দুঃখে দুখি হওয়াই কি ভাল নয়? ![]()
দূরন্ত বলেছেন:
আমাকে দিয়ে বন্ধুরা বহু কাজ করিয়ে নিতো। আবার টাকা পয়সা সব নিয়ে যেতো। সেসব বোকামির দিক থেকে আপনার সাথে আমার মিল আছে...
লেখক বলেছেন: তাহলে আরেকজন পাওয়া গেল আমার মত। কিন্তু কষ্টের ব্যাপার হচ্ছে আমার ক্লাসে আমি আমার মত আর কাউকে পাইনি। /![]()
লেখক বলেছেন: স্বাগতম!! আপনিও কি ভাই হাবা ছিলেন শৈশবে? তাহলে কিন্তু মনে করার দরকার নেই কোনো ![]()
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
আহারে.....মনটা খারাপ হয়ে গেলো।ছোট্ট রন্টির ছবিটা মনে পড়লো।ক'দিন যেটা ডিস্প্লে তে ছিলো।
শুভেচ্ছা থাকলো।
লেখক বলেছেন: সাজি বলেছেন: আহারে...মনটা খারাপ হয়ে গেল।
আপু একমাত্র আপনিই এক অসহায় বালকের দুঃখ বুঝলেন। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
ছবিটা আবার এসেছে ![]()
দোলাহাসান বলেছেন:
হাই লালু কেমন আছেন? আপনি নিশ্চয়ই আর কোক খান নাআহারে কতদিন কষ্টে ছিলেন? বাচ্চারা আসলেই বড় নির্মম হয়
লেখক বলেছেন: কি বলব!! আপনার ব্লগেও দেখলাম! ![]()
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন:
খুব যত্ন নিয়ে লেখা, পড়লেই বোঝা যায়।
লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ রিপন ভাই।
চিটি (হামিদা আখতার) বলেছেন:
চমৎকার লিখেছেন।ধারাবাহিক ভাবে লিখতে পারেন...................
ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা রইল।
লেখক বলেছেন: আউলার ধারাবাহিক হাবামী লেখাটা দেখে এটা লেখার কথা মাথায় আসল। আমার শৈশবের হাবামির কাছে ওর হাবামি পাত্তাই পাবে না ![]()
আপনাকেও শুভেচ্ছা।
মাইনুল বলেছেন:
ভালো লেগেছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আপনার অর্ধেক ছবিটা সরিয়ে দিলেন কেন?
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন:
'গেট পেরিয়ে যখন আমি ক্লাসে ঢুকতে যাব- তখনই ঘুম থেকে জেগে উঠে পৃথিবীটাকে আবিস্কার করি ক্লাসরুমে!''টিফিন পিরিয়ডের নামে যে আধাঘন্টা বিরতি, ক্লাসের প্রায় সবাই তখন ছোট্ট মাঠটায় লাফঝাফে ব্যস্ত আমি তখন ক্লাসের সামনের বারান্দাটার পিলার আঁকড়ে দাঁড়িয়ে সাদাচোখে তাদের খেলা দেখি।'
আপনার বাক্যের এই বুননটি আমার ভালো লাগে।
লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ রিপনভাই।
এত খেয়াল করে আমার লেখা পড়েন আমি জানতাম না। খুব ভাল লাগছে জেনে। অদ্ভুত একটা অনুভূতি হল। এটা উপহারের মত। ধন্যবাদ আপনাকে আবারও।
অক্ষর বলেছেন:
চমৎকার লিখেছেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
আহা আহা আহারে............
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: খাবারের কি নিদারুন অপচয়...![]()
শয়তান পোলাপানরাই এমুন করে।
লেখক বলেছেন: কে? তুমি?
উত্তরাধিকার বলেছেন:
লেখক বলেছেন:
ভাঙা চাঁদ বলেছেন:
আহালে, লালু.........
লেখক বলেছেন: কারে বলিলেন ? ![]()
উত্তরাধিকার বলেছেন:
+++আগের বার কিছুই লেখা গেল না।
মনে হয় ঘোরে ছিলাম...
মনে হলো আমি লালুর পাশে পাশেই ছিলাম এতক্ষন।
প্রতিটি দৃশ্য খুব্বি প্রানবন্ত।
এক কথায় চমৎকার।
মনে ধরছে রে ভাই...।
লেখক বলেছেন: মনে ধরল? ![]()
আমার ভোগান্তির গল্প আপনার মনে ধরল?
আপনাকে তো নিজের লোক মনে করেছিলাম ভাই।
মাইনাস![]()
অদ্ভুত আঁধার এক বলেছেন:
আলু ভাই ভালু আচেন?লেখাটা পড়ে খুব মজা পেলাম।
নিজের এ টাইপ কিছু লিখতে ইচ্ছে হল।
ভাল থাকুন......
লেখক বলেছেন: সরি! আপনি ভুল নাম্বারে ডায়াল করেছেন। অনুগ্রহ করে ঠিক নাম্বারটি জেনে নিন। মইন ইউ আহমেদের ব্লগ এটা না ![]()
অদ্ভুত আঁধার এক বলেছেন:
সরি ভাই লালু লিখতে গিয়ে আলু লিখে ফেললাম
লেখক বলেছেন: সহজ হইছে? ![]()
লেখক বলেছেন: জে না। আমি কোনমতেই তোমার সিনিয়ার না। হাবামির কেচ্ছা বলতেও তুমি সিনিয়র, অন্য সবদিকেও সিনিয়র..হেহ হে.. ![]()
ছবি ফিরিয়ে আনার জন্য ধন্যবাদ ...
লেখক বলেছেন: দুঃখে হেসেছেন? শিউর?
তাহলে ওকে...![]()
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন:
রন্টিদা ভালো।
লেখক বলেছেন: রিয়াজভাই ভালো।
লেখক বলেছেন: এইটাও কি হিন্দী
?
বুঝি না তো!!
লেখক বলেছেন: ![]()
সঞ্জিব বলেছেন:
হা হা ভালো লাগলো...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পড়ার জন্য সঞ্জিব।
লেখক বলেছেন: কে বলছে খালি শরবত খেত? টিফিন তো আগেই সাবার করত। পানি খেতে গিয়ে কোক পাওয়াতেই না এ নিয়ে লংকাকান্ড বাধল। তার আগে পর্যন্ত তো তারা খেতই, আমি কি কোনদিন পেতাম নাকি? আমার কিন্ডারগার্টেন লাইফে খুব কমদিনই নিজের টিফিন নিজে খেতে পেরেছি।
আর সবকিছু মেয়েরা করত না। সাথে ছেলেরাও থাকত।
লেখক বলেছেন: নাম না দিলে খুশি হই। ওই কিন্ডারগার্টেন আমি পরের বছরই কিন্তু ছেড়ে এসেছিলাম ![]()
লেখক বলেছেন: এই পুলা। আমরা কিন্তু একদলের....
লেখক বলেছেন: তো...পাছে লোকদের কিছূ বলবার সুযোগ আমরা যেন না করে দেই...![]()
চাদেরও কলংক থাকে...হেহ হে
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: আপনি আছেন? আমি তো ভাবলাম আজকে আপনাকে পাচ্ছি না।
লেখক বলেছেন: কেন? সমস্যা কোথায়? আপনি পোষ্ট না দিলে আমরা পড়ব কি?
দূরন্ত বলেছেন:
আমার এই সেমিস্টারটা শেষ হলেই মোটামুটি ঝামেলা শেষ। এর পরে ইচ্ছামতো ব্লগিং আর ছবি তোলা .......
লেখক বলেছেন: মানে কি? আমার লেটেষ্ট পারফরমেন্স দেখছেন? কত্ত বড়বড় লেখা দিতেছি নিয়মিত বিরতীতে?
ও একটা খবর দিই। কালকে আমি একটা ক্যামেরা কিনা ফালাইছি![]()
তবে কম দাইম্মা। টাকা নাই, তবুও এই রঙীন সামারে ছবি না তুললে হয়ই না, আবার ভাল ক্যামেরা কেনার পয়সা নাই। কি করব ![]()
৫ মেগাপিক্সেল, অবশ্য ৩ বছরের ওয়ারেন্টি দিছে আর জলের দাম।
দূরন্ত বলেছেন:
ভাল ভাল। আপনার লেখাগুলো ভাল হয়, তা ঠিক। কোন ব্র্যান্ডের ক্যামেরা কিনেছেন?এবার ক্যামেরা নিয়ে বার্মিংহামে আসেন। ছবি তোলাও হবে। আর ছবি কিন্তু ব্লগে শেয়ার করবেন।
লেখক বলেছেন: সুইজারল্যান্ডে যাবার জন্য আল্টিমেটাম দিয়েছে আমার সবচেয়ে কাছের বন্ধুটি, আর সুইজারল্যান্ডে যেতে ভিসা সংক্রান্ত ঝামেলাও নাই
কিন্তু পকেটে গড়ের মাঠ...পারব বলে বুঝতে পারতেছি না। বার্মিংহামে আসতে ভিসার জন্য ঝামেলা করতে ভাল লাগে না। দেখি সহ্য হলে একবার বাসে করে চলে আসতে পারি!
লেখা ভালর কথা বলি নাই তো! বেশী বেশী লেখা দিচ্ছি, সেটা বলছি ![]()
দূরন্ত বলেছেন:
ভিসা ছাড়া বিদেশে গেলে যাওয়ার মজাই থাকলো কি? এর চেয়ে বামিংহাম আসেন।প্লেন ভাড়া কিন্তু বেশি না। বার্মিংহাম থেকে সুইজারল্যান্ড নাকি ফানফেয়ার ভাড়া ১৫ পাউন্ড। সাথে নানা ট্যাক্স যুক্ত হয়।
লেখা শুধু বেশি বেশিই দেন নাই। কয়দিন আগে একটা পোস্টে একই লেখা দুইতিন বার দিসিলেন। কাজ করে বাসায় ফিরেই আপনার লেখা পড়ে কিছু বুঝতেছিলাম না। পরে ভাবলাম লেখাটাই মনে হয় এইরকম
লেখক বলেছেন: আরি , ওইটা টাইপ করতে করতে ঘুমিয়ে পড়ছিলাম বারবার, সে সুযোগে কন্ট্রোল ভির কারসাজিতে ওই অবস্থা হয়েছিল!
আমাদের এখান থেকে ভাড়া তো ওত কম না সুইজারল্যা্ন্ডে। দুখের কথা হল রায়ানএয়ার সুইজারল্যান্ড যায় না, ওরা গেলে তো ২০/৩০ টাকায় যাওয়া যেত। রায়ানএয়ারে বাসের চেয়ে কম খরচে বার্মিংহাম আসা যায়, বাসে নেয় ৩৫ ইউরো রিটার্ন, রায়ান ১ টাকায়ও আসে। সাথে ১০ টাকা ট্যাক্স। মাঝে মাঝে ট্যাক্সও ফ্রি। হুদা ১ টাকায় ভ্রমন!!
দূরন্ত বলেছেন:
বার্মিংহামে আসেন। সি বিচ নাই কিন্তু সিটি কাউন্সিল থেকে সামারে সি বিচের আমেজ তৈরি করে। এছাড়াও ঘোরার জায়গা প্রচুর আছে। আর আছে বার, ক্লাব, পার্ক ইত্যাদি।গত সামারে আমি এসেই এ জিনিস দেখলাম
লেখক বলেছেন: এরা পারেও !
ভাইরে। ভিসার ঝামেলা করতে ইচ্ছা করে না। আগে তো পোষ্টে পাসপোর্ট পাঠিয়ে দিলেই হত। এখন আবার ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে আসতে হয়। তবুও দেখি। টাকা পয়সা হাতে যদি আসে
কিন্তু সে চিহ্ন দেখছি না
ওভারড্রাফট নিছি, মেজপার কাছ থেকে লোনও নিচ্ছি এই সপ্তাহে মোটা অংকের। সামনের মাসেই টিউশন ফি দিতে হবে..হেহ হে..
দূরন্ত বলেছেন:
ভাল ভাল। আমার কাছেও টাকা চেয়ে আল্টিমেটাম দিয়েছে। আমি অবশ্য এসব চিন্তা করতেছি না। টাকা থাকলে তো দিবো তবে আমাদের সাধারণত টাকা না দিলেও সব সেমিস্টার শেষ করতে দেয়। কিন্তু সার্টিফিকেট দেয় না।
(আমি অবশ্য এই চিন্তাতেই ইউরোপ ঘুরতে পারছি না
লেখক বলেছেন: আমার কাজ হবে না
আমার ভিসা রিনিও। টাকা না দিলে এডমিশন হবে না। এখানে এডভান্স এক বছরের ফিস দেবার নিয়ম। আবার স্টেটম্যান্ট ও দেখাতে হবে। ছাইয়ের এ দেশে বছর বছর ভিসা রিনিও করতে হয়। তারউপর আবার ৮০% এর নিচে উপস্থিতি হলে ৩ মাসের ভিসা দেয় ![]()
অফটপিক : প্রশাশনের পোষ্টটি একটু দেখেন। সিএনজি নিয়ে। এ বিষয়ে আপনার কি অভিমত বা কি জানা আছে। একটু বলবেন কি? পোষ্ট আকারে আসলে আরও ভাল। সিরিয়াসলি জানা প্রয়োজন।
লেখক বলেছেন: হাসলেন ![]()
লেখক বলেছেন: ভূল ইমোকটিন চলে এসেছে ![]()
দূরন্ত বলেছেন:
এবার একটা অফটপিক প্রশ্ন করি...... এখনও আপনার টাকা-পয়সা, খাবার দাবার অন্য মানুষজন নিয়ে যায় নাকি?প্রশাসনের পোস্টটা পেয়েছি। পড়ছি...
লেখক বলেছেন: তখনকার মত এত নগ্নভাবে নিয়ে যায় না। তবে যায়...আমি এখনও হাবাই রয়ে গেছি
মনে হয় এগুলো কোন ব্যাপার না। পড়ে ভেবে দেখি ঠকলাম বোধহয়। জীবনটা সরল চোখে দেখলে ঠকেছি মনে হয় না। কিন্তু সরল ভাবতে পারি না সবসময়, কিন্তু আসলে পৃথিবীটা আমরা যে চোখে দেখি তেমনি, তাই না?
একজন ব্লগার বলেছেন:
+++ সবাইকেই তাইলে ছ্যাকুঢ়শূর ভূতে ধর্লো! আপনার অনেক পোস্ট ডিউ হয়ে গেছে। সময় করে একদিন সব পড়বো। আজ উইকএন্ড বলে পুরোটা রাত আর পুরোটা সকাল ব্লগালাম।
এম এস এনে আসেন্না কেন?
লেখক বলেছেন: এমএসএন এ আমি সারাক্ষনই তো থাকি! ইয়াহু আর জিটকেও। কিন্তু ইনভিজিবল থাকি। তুমি আসো নাকি ইদানিং? দেখি নাতো! দেখলে নক করব নে। আমি আসলে অত চ্যাট করি না তো। মানুষের আসা যাওয়া দেখি, ভাল লাগে।
ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
একজন ব্লগার বলেছেন:
আমিও তো ইনভিজিবল থাকি!মানুষের যাওয়া আসেন দেখেন? হা হা হা। ম্যাসেন্জার কি চৌরাস্তার মোড়?
আমি বাংলাদেশ টাইম সারা রাতই নেটে থাকি (উইকডেজে না)। যে কোন সময় নক করলেই পাবেন।
আসি এখন। ঘুম ধর্ছে খুব। আল-বিদা।
লেখক বলেছেন: ওকে।
হ্যা। চাররাস্তার মোড়ই। আমার নিরব নির্জন ঘরে আমি একাকী বোধ করি না। মেসেন্জারে মানুষ দেখলে মনে হয়, এইত সবাই আছে আশেপাশে, আমার সাথে কথা না হয় নাই হোক। আমি তো আর একা নই!!
এস্কিমো বলেছেন:
ভাল লাগলো।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস এস্কিমো ভাই। আপনি বোধহয় প্রথমবার কমেন্ট করলেন আমার ব্লগে।
অসংখ্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: কি ক্লিয়ার হইল
কেন ডাকত?















