আমার প্রিয় পোস্ট

সাধারন , অসাধারন আর অস্বাভাবিক এর মাঝে পার্থক্য কি নানা কারনে এর উত্তরটা বড় গোলমেলে লাগে।

অন্তর্দহন অতঃপর ...................... (গল্প)

১৩ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৪:৪২

শেয়ার করুন:                   Facebook

কি করে যে এতগুলো টাকা খরচ হয়ে গেল ভাবতে গিয়ে হুশ ফিরে পান ওসমান সাহেব। খাঁচাটা হাতে হাটার গতিবাড়িয়ে দেন। ওদের কাছ থেক টাকাটা নেবার পর তিনদিন পেরিয়ে গেছে এখনও তিনি কিছুই করেননি। আজ ভোরেই আবার তাগাদা দিয়ে গেল। তার পক্ষে কাজটা করা কঠিন কিছু না, মফিজ সাহেব তার ৩৫ বছরের পুরনো বন্ধু। মিথি তার কোলে কোলেই বড় হয়েছে। ওসমান চাচাকে ভালবাসে সে।

স্কুলের থেকে মিথিকে নিয়ে এসে বাশেঁর শলার তৈরি ছোট্ট খাচাঁটা তার হাতে তুলে দেন ওসমান সাহেব। খাচাঁ কিনতে মহামূল্য পয়তাল্লিশ টাকা পকেট থেকে বেরিয়ে গেছে তার।
পাখিশূন্য খাচাঁটা দেখে একটু ম্লান হয় ছোট্ট মিথি, ` পাখি কোথায় চাচা? '
বলতে যেয়ে একটু থমকে যান ওসমান সাহেব। যেন বাধা পড়েন বিবেকের টানে, আবারও ঘাম মুছেন তিনি, মনে পড়ে পকেটটা গড়ের মাঠ। সমূহ অন্ধকারাচ্ছন্ন ভবিষ্যতের কথা মনে হতেই সব ঝেড়ে বাজারের দিকে পা বাড়ান।

চোখের সামনে এত পাখি দেখে আপ্লুত ছোট্ট মিথি, গভীর আগ্রহে বলে সে, 'কোন পাখিটা আমার হবে চাচা?'
কথাট্ বলতে যেয়ে হাসঁফাসঁ করে আবারও নিঃশ্বাস আটকে যাবার উপক্রম হয়, দুই ভূরু বেদনার ভারে কুঁচকে একাত্রীভুত হয়ে যায় প্রায়। তবু শেষপর্যন্ত বলেন তিনি, `পাখিটা তুমিই পছন্দ করবে মা।'
`সত্যি চাচা?' এতক্ষন স্কুলে থাকার ক্লান্তি মুহুর্তে উধাও হয়ে আলোকিত হয় মিথির চেহারা। নিজের পছন্দে একটা ময়না নেবে সে। আনন্দে তার চোখে পানি এসে যায়। ভাবতে থাকে তার এ সৌভাগ্য দেখে সহপাঠিদের কার কি অবস্থা হবে, ইস্ ওসমান চাচটা এত ভাল কেন?

ওসমান সাহেবের হৃদ স্পন্দ বেড়ে যায়।পাতলা সুতি রুমালটা ঘামের ভারে ন্যাতান্যাতা হয়ে গেছে অনেক আগে, তবু ভিজে রুমালটা দিয়ে সারা মুখে জমা ঘাম মুছেন তিনি। মনে মনে অস্থির লাগছে তার। একটু আগেও যে সিদ্ধান্তে স্থির ছিলেন ক্ষনকাল পরে তা এখন নড়বড়ে। তবু তিনি এক করতে চান মনসংযোগ, কঠিন হতে চান আরও, অথচ সারাজীবন সবাই তাকে নরম মনের বলে জেনেছে। সেই ছেলেবেলা থেকেই, কোন বিড়ালকে কেউ মারচে দেখলেই অস্থির হতের তিনি, কেদে ফেলতেন বিড়ালের দু্ঃখে। এ নিয়ে সবার কত যে হাসাহাসি, তবু শিশুসূলভ অভ্যাসটা কৈশোরেও ছাড়তে পারেননি তিনি।
আনন্দঘেরা কৈশোরে তিনি আর মফিজ ছিলেন জানের দোন্ত। একজনকে ছাড়া আরেকজন থাকতেনই না। দুরন্ত কৈশোরে সংঘাতময় খলায় ডানপিটে মফিজের হাতে কতযে মার খেয়েছেন। মারগুলো ফিরিয়ে দেবার মানসিকতা ফিল না তার। বোকা ওসমান- নাম রেখেছিল মফিজ। সেই ডানপিটে মফিজ আজ বিরাট সম্পদশালী তিনি বিশ্বাস করেন দুরন্তরা সবখানেই দুরন্ত। আর বোকা ওসমান আজও বোকা ওসমানই রয়ে গেলেন, বোকারা সবখানেই বোকা।
ভাবতে ভাবতে মুষ্ঠিবদ্ধ হঢ ওসমান সাহেবের দুহাত, দৃঢ় হয় চোয়াল, কঠোর হয় চোখের দৃষ্টি, বিকৃতভাবে কুচকে যায় গালের পেশি। দীপ্ত উচ্চারণ করেন তিনি, `আর না'।
এতক্ষন ধরে দ্বিবাস্বপ্ন দেখা মিথি তার দিকে তাকেতেই দ্রুত স্বাভাবিক হন তিনি, হাসেন। স্বস্তি পায় মিথি।
`চাচা চাচা, দেখেন কী সুন্দর ময়না'। আনন্দে হাততালি দিয়ে লাফায় মিথি, কাধের স্কুলব্যাগের ভারী বোঝার কথা ভুলে হেছে সে।
গভীর দৃষ্টিতে মিথির দিকে তাকান ওসমান সাহেব ।
`চাচা, এটা আমি নেব।'
উত্তর না দিয়ে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকেন ওসমান সাহেব। তার অন্তর্জগৎে যে কঠিন যুদ্ধ চলছে তা প্রকাশ পায় না চোখে।
মিথি হটাৎ একটু ম্লান হয় যেন, বলে-`এটা নিলে বাবা বকবে না তো চাচা?'
কঠিন থেকে কঠিনতর হয় যুদ্ধ, ভেজা রুমাল দিয়ে ঘাম মোছার ব্যর্থ চেষ্টা করেনওসমান। এদিকসেদিক তাকান উদভ্রান্তের মত, অস্থিরতায় মটকান হাতের, নিজের চুলহীন মাথাটাকে যেস মনে হয় ফুটন্ত সূর্য।
মিথি ভয় পেয়ে যায়।
একসময় শেষ হয় যুদ্ধ। কোমল হযে আসে ওসমান সাহেবের দৃষ্টি, যেস জ্বর থেকে সেরে উঠা রোগীর মত স্মিত হাসেন তিনি।
অবাক হলেও আবারও প্রান ফিরে পায় মিথি, চঞ্চল হয়ে বলে-`বাবা বিছু বলবে না তো?'
`নাহ্ নারে, মফিজ কিচ্ছু বলবে না।' অন্তরের গভীর থেকে বেরোয় ওসমান সাহেবের আন্তরিক কথামালা। সামনে দাড়ানো পুতুলসাদৃশ মেয়েটির জন্য আদ্র হয় তার দুচোখ, মুখে জমা ঘামের স্রোতে মিশে যায় নোনাজল। মিথি তখন ময়নাকে ঘিরে চঞ্চল, সে দেখে না মুর্তিমান ভালবাসা।

মিথিকে বাড়ি পৌছে দিয়ে ফেরার পথে ভাবনা উদয় হয় ওসমান সাহেবের মনে, বায়নার একহাজার টাকা তো খরচ হয়ে গেল, মিথিকে ওদের হাতে তুলে দিলে আরও চৌদ্দ হাজার টাকা পাওয়া যেত, চৌদ্দ হাচার টাকা ... ভাবনাটা ঝেটিয়ে বিদেয় করতে চান তিনি। এত কঠিন,নিষ্ঠুর,নীচ তিনি হতে পারেন না। দীর্ঘশ্বাস ফেলেন তিনি,স্বস্তির শ্বাস। বিড়বিড় করেন আপন মনে, মফিজের কাছে গেলে এক হাজার টাকা ধার পাওয়া যাবে। পরক্ষনে বিদ্যুতচমকের মত একটা কথা মনে আসে তার, ` নাহ্। আর না।' এবার সত্যি সত্যি কঠোর হন তিনি। একে একে মনে করেন ওদের সবার চেহারা। ঘুরে হাটা দেন উল্টোপথে...থানার দিকে।







(কদিন ধরে কিছু পোষ্ট করা হচ্ছে না, আরও কদিন হবে বলেও মনে হচ্ছে না। ব্যস্ততা একটু চেপে ধরেছে। তাই এই গল্পটি রিপোষ্ট করে দিলাম। অনেক আগে এটি পোষ্ট করেছিলাম। কি জানি কেন এটা কারও চোখে পড়ে নি। তাই এটি প্রায় নতুন পোষ্টের মতই লাগবে। তারপরেও যাদের কাছে এটি পুরনো তাদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী)

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): গল্পbangla short story ;
প্রকাশ করা হয়েছে: গল্প  বিভাগে ।

 

  • ১২৬ টি মন্তব্য
  • ৭৭১ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২৪ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৩ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৪:৫৪
comment by: দোলাহাসান বলেছেন: ভাল লাগলো। কি সাংঘাতিক , আমিতো ভাবলাম টাকার জন্য বোকালোকটা মেয়েটাকে চুরি করবেই। ভাল লাগলো যে লোকটা মানুষ হয়ে উঠল। টাকার কাছে হার মানেনি।
১৩ ই জুন, ২০০৮ রাত ৮:৫২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। মন্তব্য খুবই ভাল হয়েছে, +

২. ১৩ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৫:১৯
comment by: সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন: দারুণ........।
আমিও তো ঘেমে শেষ।কি হবে?
ভালো লাগলো।অনেক ভালো লাগলো রন্টি।তোমার লেখা অসাধারণ।ভালো থেকো।শুভেচ্ছা।
১৩ ই জুন, ২০০৮ রাত ৮:৫৩

লেখক বলেছেন: আপু কিযে বল!
অসংখ্য ধন্যবাদ।
শুভেচ্ছা।
(শুভেচ্ছা দেয়া তোমাকে দেখে শিখেছি :))

৩. ১৩ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৫:৩৮
comment by: রুবেল শাহ বলেছেন: সাংঘাতিক তো--------------------- +
১৩ ই জুন, ২০০৮ রাত ৯:২৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪. ১৩ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৫:৪৭
comment by: তামিম ইরফান বলেছেন: আমার রেটিং টা কে জানি আগেই দিয়া দিছে?#)

গল্প খুব ভালো হইছে:)(আগেও একবার পড়ছি:))
১৩ ই জুন, ২০০৮ রাত ৯:২৪

লেখক বলেছেন: আবারও পড়ার যন্ত্রনা দিলাম :)

৫. ১৩ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৫:৪৮
comment by: যীনাত বলেছেন: একটু পরিচিতই লাগছে। রিপোস্ট করেছেন ঠিকই কিন্তু পড়ে নতুন পোস্ট পড়ার আনন্দ পেলাম।
খুব সুন্দর হয়েছে গল্পটা।+
১৩ ই জুন, ২০০৮ রাত ৯:২৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আপনি নিয়মিত হচ্ছেন দেখে ভাল লাগছে।

৬. ১৩ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৬:৩০
comment by: নিলু বলেছেন: +++++++++++
১৪ ই জুন, ২০০৮ রাত ৩:০৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

৭. ১৩ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৬:৪৪
comment by: দূরন্ত বলেছেন: খুব ভালো লাগলো।
আগেরবার পড়িনি।
১৪ ই জুন, ২০০৮ রাত ৩:২৩

লেখক বলেছেন: আপনার ভিসা টিকেট বিষয়ক কাহিনী আসিতেছে .... :)

৮. ১৩ ই জুন, ২০০৮ সকাল ৭:২৫
comment by: রুখসানা তাজীন বলেছেন:
থানাতে কেন গেলেন? আত্মসমর্পণ নাকি অপহরণের হোতাদের ধরিয়ে দেয়ার জন্য?

আমি টিউবলাইট তো /:)
১৪ ই জুন, ২০০৮ রাত ৩:২৫

লেখক বলেছেন: ''বিড়বিড় করেন আপন মনে, মফিজের কাছে গেলে এক হাজার টাকা ধার পাওয়া যাবে। পরক্ষনে বিদ্যুতচমকের মত একটা কথা মনে আসে তার, ` নাহ্। আর না।' এবার সত্যি সত্যি কঠোর হন তিনি।''

৯. ১৩ ই জুন, ২০০৮ সকাল ৯:০৯
comment by: মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন: ভাল্লাগছে।
১৪ ই জুন, ২০০৮ রাত ৩:২৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রিপনভাই।

১০. ১৩ ই জুন, ২০০৮ সকাল ৯:৫৩
comment by: রিয়াজ শাহেদ বলেছেন: গল্পতো যথারীতি ভালো, কিন্তু প্রথম বাক্যটা আরেকটু খেয়াল করতো রন্টিদা। আর দ্বিতীয় বাক্যে খাচা বানানে চন্দ্রবিন্দু হবে তাইনা?

তুমি ভালো থেকো।
১৩ ই জুন, ২০০৮ রাত ৯:২৯

লেখক বলেছেন: চন্দ্রবিন্দু প্রায়ই মিস হয়ে যায় টাইপের সময়। এইটাতে দিয়ে দিলাম :)
প্রথম লাইনটিও দেখলাম:)
থ্যাংকস।

১১. ১৩ ই জুন, ২০০৮ সকাল ৯:৫৪
comment by: আসিফ আহমেদ বলেছেন: অনেক সময় গল্প পড়ে মনে হয় জীবন কি এত নির্মম আর নিষ্ঠুর হয় ?

বাস্তবে জীবন কখনো কখনো এর থেকেও নিষ্ঠুর হয়...

১৪ ই জুন, ২০০৮ রাত ৩:২৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আসিফভাই সুন্দর মন্তব্যের জন্য।

১২. ১৩ ই জুন, ২০০৮ সকাল ৯:৫৯
comment by: আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: আবার পঢ়লাম।এইটা মাষ্টারপিচ লেখা তোমার।যতপড়ি তত মুগ্ধ হই।
১৩ ই জুন, ২০০৮ রাত ৯:২৫

লেখক বলেছেন: হাহ হা। আমি তো ফুলে যাচ্ছি :P
থ্যাংকু...

১৩. ১৩ ই জুন, ২০০৮ রাত ৮:৫৭
comment by: মানুষ বলেছেন: অতি মাত্রায় ভাল হইছে। শোকেছে রাখলাম।
১৩ ই জুন, ২০০৮ রাত ৯:২৭

লেখক বলেছেন: থ্যাংকসসসসসসস।

১৪. ১৩ ই জুন, ২০০৮ রাত ৯:২৫
comment by: তামিম ইরফান বলেছেন: ভালো গল্প বারবার পড়তে যন্ত্রনা হয় না:)....প্রিয়তে ঢুকাইছি:)
১৩ ই জুন, ২০০৮ রাত ৯:২৭

লেখক বলেছেন: :)
খুশি হইছি।
আগামী দিনে এই খুশিতে একলগে বুইড়াদের ছ্যাচা দিব ;)

১৫. ১৩ ই জুন, ২০০৮ রাত ৯:৩৩
comment by: আউলা বলেছেন: ভাল লেগেছে। আগে পড়ি নাই তাই লজ্জিত :(

আপনি ওই পাড়া থেকে ভাগছেন ক্যানো?!!

আপনার নামে কি কি সব বলে গেল কামের পুলা রাশুভাই!! ছি! ছি!
১৩ ই জুন, ২০০৮ রাত ৯:৩৭

লেখক বলেছেন: কি বলছে X(?
আমারে দেখলেই ডরাইয়া যে দৌড়ান দেয়, আপনে তো এটার সাক্ষী।
এখন কদিন ব্লগে বেশী আসতে পারতেছি না দেখে মনের সুখে বলতেছে...
খাড়ান..দিব একটা ছ্যাচা আইজকা রাইতে।
আপনে সাথে থাইকেন।

১৬. ১৩ ই জুন, ২০০৮ রাত ৯:৩৪
comment by: মৈথুনানন্দ বলেছেন: ----- রূপকের ব্যবহার লাজওয়াব ----- রন্টি মনে হয় কোনো প্রথিতযশা বাঙলাদেসি সাহিত্যিক ----- এখানে ছদ্মনামে লিখে থাকে -----
১৩ ই জুন, ২০০৮ রাত ৯:৩৮

লেখক বলেছেন: :)
আপনে মিয়া ভাল লজ্জা দিতে পারেন।
আটখানা হইয়া গেলাম :P

১৭. ১৩ ই জুন, ২০০৮ রাত ৯:৪৪
comment by: আউলা বলেছেন: আমি তো সবসময়ই আপনাদের সাথে আছি।:#)
১৪ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৪:১১

লেখক বলেছেন: :#)
আপনেও কটু কথা বলছেন দেখছি...X(

১৮. ১৩ ই জুন, ২০০৮ রাত ১০:৫২
comment by: উত্তরাধিকার বলেছেন:
রন্টি ,

আপনার জবাব নাই !
আমাদের আলোর পথ দেখিয়ে যান অবিরত ...
১৪ ই জুন, ২০০৮ সকাল ৮:৩৬

লেখক বলেছেন: লজ্জা পাচ্ছি :P
অসংখ্য ধন্যবাদ উৎসাহ দেবার জন্য।
ভাল থাকবেন।

১৯. ১৩ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:০২
comment by: রিয়াজ শাহেদ বলেছেন: রন্টিদা, গল্পের শিরোনামে "অন্তর্দহন" শব্দটার পরে একটা কমা বসালে অর্থটা বেশ পাকাপোক্ত হয়; তুমি কী বলো?
১৪ ই জুন, ২০০৮ সকাল ৮:৩৭

লেখক বলেছেন: তা হয়। কিন্তু রিয়াজ, সব যদি নাটকের স্ক্রিপ্টের মত পাকাপোক্ত করে দিতে হয় তাহলে তো পাঠকের কিছু করার থাকে না।

২০. ১৩ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:৫৯
comment by: প্রিয়তমা বলেছেন: আগে এটা পড়া হয়নি। ধন্যবাদ। (মাঝে মধ্যে একটু বানান সংক্রান্ত ভুল আছে) তবে এক কথায় বরাবরের মতোই দারুন হয়েছে :)। শুভেচ্ছা রইল।
১৪ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১০:১৫

লেখক বলেছেন: বানান সংক্রান্ত ভুল টাইপের কারনে প্রায়ই হয়ে যায়। ঠিক করে নেব।
ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা।

২১. ১৪ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:১০
comment by: রাতমজুর বলেছেন:
পুরনা কাহিনির লাইগ্যা মাইনাচ, নানা ভাই ;)
১৪ ই জুন, ২০০৮ সকাল ৮:৩৮

লেখক বলেছেন: দুর হ হতভাগা !
এতই কানা যে ঠিক জায়গায় ক্লিকও করতে পারে নাই।

২২. ১৪ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৬:৪০
comment by: এক্স ফাইলস্‌ বলেছেন: কালকে পড়েছি, ভালো লেগেছে।
আসলে মানুষ মানবিক, এটাই তার বড় পরিচয়।
১৪ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৬:৫১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পড়ার জন্য, এবং এইবার মন্তব্য দেবার জন্য।

কিন্তু এক্স ফাইলস এর আড়ালে এটি কে? ডেভিড ডুকোভনি?

২৩. ১৪ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৬:৪২
comment by: আউলা বলেছেন: আমি কিছু কই নাই /:) আপনি ভুল বুঝতাছেন :(
১৪ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৬:৫০

লেখক বলেছেন: আমার চোখটা তাইলে গেছে...বয়স হইছে তো, পুলাপানের ভাষা বুঝি না....
আইচ্ছা, ভাতটা খাইয়া আসি, তারপরে ভাল কইরা দেখমু নে, একটু খাড়ান বাইদানী'পু

২৪. ১৪ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৬:৫৩
comment by: আউলা বলেছেন: আমারে বাইদানী কইলে আমার কিছুই যায় আসে না এইটা শুনতে শুনতে আমার এক কানে কম শুনি এখন।


আর ভাত খাইয়া আসেন, তারপর চশমা টা সযত্নে চোখে লাগিয়ে পড়ুন ।
১৪ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৬:৫৬

লেখক বলেছেন: হ্যা হ্যা। আল্লাহ রহমতে আমার চোখে এই বয়সেও চশমা ওঠাতে হয় নি। মাঝে সাঝে ভাব মারার জন্য লাগাই প্রিয় কটা ফ্রেম....!

হেহ হে আচ্ছা যান ওই নামে ডাকব না।
খেয়ে আসি।

২৫. ১৪ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৬:৫৪
comment by: এক্স ফাইলস্‌ বলেছেন: এক্সফাইলস এর আড়ালে আপনার পরিচিত কেউ...
১৪ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৬:৫৭

লেখক বলেছেন: তাহলে তো বিরাট ভাল :)

২৬. ১৪ ই জুন, ২০০৮ সকাল ৭:০৫
comment by: আউলা বলেছেন: লালু ভাই ডরাইছে .....ভাবছে কানে কম শুনি ডাকলো বাইদানী আপা আমি শুনলাম না
১৪ ই জুন, ২০০৮ সকাল ৭:৩০

লেখক বলেছেন: অপরকে দেখে শিক্ষাগ্রহন করে যে, সেই প্রকৃত জ্ঞানী।

আপনাকে তাই মনে করি।

চাচ্চুদের অবস্থা তো দেখেছেনই, হাহ হা। :)

২৭. ১৪ ই জুন, ২০০৮ সকাল ৭:৩৭
comment by: আউলা বলেছেন: চাচ্চুরা সবাই আমার হাতে নাজেহাল হয়েছেন আগেই কাজেই আপনি যদি ওদের সাথে আমার তুলনা করতে যান তাহলে ভুল করবেন :#)


আর ওই পাড়ায় যান না ক্যানো?
১৪ ই জুন, ২০০৮ সকাল ৭:৪০

লেখক বলেছেন: ওই পাড়ায় আমি নিয়মিত কাষ্টোমার ছিলাম। পড়ে ছেদ পড়ল। এখন যেতে চেষ্টা করি তো। ওখানটা একটু স্লো, আর সেদিন গিয়ে কজনের এমন আলোচনা দেখলাম, যাবার উৎসাহ নষ্ট হয়ে গেল সেদিনের জন্য। তবে যাব।

২৮. ১৪ ই জুন, ২০০৮ সকাল ৭:৪৫
comment by: আউলা বলেছেন: আমি যাই মাঝে মাঝে তবে সবপোস্টে যাই না, আর এখন স্লো না ঠিকাছে। আপনারা না আসলে আমরা তো থাকতে পারবো না :(
১৪ ই জুন, ২০০৮ সকাল ৭:৫৪

লেখক বলেছেন: যাব তো।
তবে আমার কাছে মনে হচ্ছে ওইপাড়াটা বোধহয় এক প্রকার ফরমেটেড হয়ে যাবে। সচলায়তন যেমন গম্ভীর, সিরিয়াস টাইপ একদল লোকের জায়গা হয়ে গেছে, ওখানটা হয়ে যেতে পারে তার উল্টো। সেটা ভাল হবে না। দুয়ের মিশ্রন থাকলেই সবচেয়ে ভাল হত। যেমনটা প্রথমে ভেবেছিলাম তেমনটি হচ্ছে না ওখানটা। যাহোক ভবিষ্যতে হতে পারে। আশায় আছি।

২৯. ১৪ ই জুন, ২০০৮ সকাল ৮:১০
comment by: আউলা বলেছেন: আমিও আশায়ই আছি :(
১৪ ই জুন, ২০০৮ সকাল ৮:১৭

লেখক বলেছেন: হুমম। নতুন প্রযেক্ট সবসময়ই অস্থির টাইপের হয়। সময় গেলে এথিকস আসবে। পরিবেশ আরও ভাল হবে। গতি আসবে, নীতিও আসবে।


গম্ভীর আলোচনার ইতি টানলাম। :)

৩০. ১৪ ই জুন, ২০০৮ সকাল ৮:৩৮
comment by: আউলা বলেছেন: আইচ্ছা :)
১৪ ই জুন, ২০০৮ সকাল ৮:৫৪

লেখক বলেছেন: :)

৩১. ১৪ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১০:৪৭
comment by: চিটি (হামিদা আখতার) বলেছেন: বরাবরের মত অসাধারণ হলো!!

তবে থানাতে যাওয়ার কারণটা বুঝতে পারি নাই।

আগে পড়া হয় নাই
ধন্যবাদ রিপোষ্ট করার জন্য
পড়ার সুযোগ পেলো

ভালো থাকুন

শুভেচ্ছা রেখে গেলাম ।
১৪ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:০৩

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।
কেমন আছেন।
আপনার নতুন গল্প কবে আসছে?
প্রথমটা তো ভালই হল।
শুভেচ্ছা।

৩২. ১৪ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১:১৭
comment by: (অ)গাণিতিক বলেছেন: আগের দুই বার কমেন্ট করতে গেছি ! যেই 'মন্তব্য প্রকাশ করুন' এ ক্লিক করতে যাব অমনি কারেন্ট যায়!!

দারুন গল্প! আমি নতুন পড়লাম।

আচ্ছা ইদানিং লিখছেন না কেন? সময় নাকি রাইটার্স ব্লক?
১৪ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ :)
নতুন কিছু লেখা হয় না, কারন টেবিলে বসা হয় না।
সময় তো বহুত। কিন্তু বসার অভ্যাসটা চলে গেছে। আর টাইপ করে কিছু লিখতে পারি না।

তবে মনে হচ্ছে লিখব শীগগীর।
ভাল থাকো।

৩৩. ১৪ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:২৮
comment by: রোডায়া বলেছেন: আগেই পড়ছি, নববর্ষ উপলক্ষে যে সংকলন ছাড়া হয়েছিলো সেটাতে৷ গল্প ভালো লাগছে, আপনার যে কয়টা গল্প পড়লাম তার মধ্যে সেরা৷
১৪ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৬

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।
আপনার শেষ পর্ব আগুনগল্প পড়ে নিয়েছি অফলাইনে :)
শুভেচ্ছা।

৩৪. ১৪ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৪০
comment by: মুনিয়া বলেছেন: আগে কোথায় দিয়েছিলেন বলুনতো? এ গল্প তো আমার পড়া। ঠিক কোথায় পড়েছি তা মনে করতে পারছি না। আবার লেখকের নামও মনে থাকে না (মেমোরি খারাপ)। কিন্তু পড়েছিলাম এবং ভাল লেগেছিল। এখন দেখছি আপনার লেখা!

১৪ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৮

লেখক বলেছেন: আগে এখানেই পড়েছিলেন। এবং সেটা আমার ব্লগেই...ফেব্রুয়ারীতে
আপনাকে ধন্যবাদ।
আপনার অসুখ কি ছাড়ে নি?
কোন লেখা আসছে না যে?
ভাল থাকবেন।

৩৫. ১৪ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৩
comment by: রেটিং বলেছেন: টার্নিংটা জটিল লাগছে । খুব ভাল লাগল থানায় গেল বলে। রন্টিভাই আমআর লিন্কসটা চেক কইরেন একবার, সময় হইলে।
১৪ ই জুন, ২০০৮ রাত ১০:১১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ :)

৩৬. ১৪ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৭
comment by: মুনিয়া বলেছেন: অসুখ এখনো সারে নি। কি আর করা। দোয়া করবেন আরকি। আপনিও ভাল থাকুন।
১৪ ই জুন, ২০০৮ রাত ১০:২২

লেখক বলেছেন: এত দীর্ঘদিন ধরে অসুখ?!!??
সিরিয়াস কিছু?

৩৭. ১৪ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:১৪
comment by: স্বাপ্নিক বলেছেন: অসাধারন লাগল। আমি প্রথম পড়লাম। সময় পাচ্ছি না, শুরু থেকে আপনার লেখাগুলো পড়ব ভাবছি।

অফটপিক: এক কাজ করেন, আপনার ইমেইল ঠিকানাটা দেন আমিই আপনাকে মেইল করি। :(
১৪ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:৩০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ :)
শুরু থেকে খালি গান পাবেন। গল্পের শুরু মে থেকে।

মেইল আজকেই যাবে :)

৩৮. ১৪ ই জুন, ২০০৮ রাত ১০:৩৫
comment by: মেহরাব বলেছেন: একটা গল্প বলার চেষ্টা করা হয়েছে কিন্তু নতুনত্ব কিছু নাই। গতানুগতিক। চাচার চোয়াল শক্ত হওয়া টাইপের বর্ননা মানিক বন্দোপাধ্যায়ের লেখাতে পাওয়া যায় আর পাওয়া যায় আমাদের দেশের থিয়েটার গুলোর নাটকের স্কৃপ্টে। যাইহোক আপনি তো আর সুলেখক নন সুতরাং চর্চা চালিয়ে যান। একদিন হয়তো নতুন কিছু পেতে পারি আপনার কাছথেকে। ঈশপ টাইপের গল্প লেখায় বোধহয় একপ্রকার আনন্দ পাওয়া যায়, কারন বেশীর ভাগ নতুনদের লেখায় মোরালিটির প্রার্দুভাব লক্ষনীয়। আপনার মধ্যে তা প্রবল। ভাল থাকবেন রন্টি।
১৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ৩:৩০

লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
আসলে গল্পের কাঠামোতে খুব বেশী নতুনত্ব আনতে আমি পক্ষপাতী নই। এক্সপিরিমেন্ট করার আগে তো বেসিকটা ভাল করতে হবে, বেসিকের উপরে নিয়ন্ত্রন আসতে হবে, তারপর ভাঙাগড়ার খেলায় যাওয়ার সাহস করা যেতে পারে। শুরুতেই নতুনত্ব আনার চেষ্টা অনেক নবীনকে অংকুড়েই থামিয়ে দেয় এমন তো হরহামেশা চোখে পড়ে।
চোয়াল শক্ত হওয়া বর্ননার ব্যাপারে মানিক বন্দোপধ্যায়কে ডেকে নিয়ে এসে আপনি আমাকে রীতিমত সম্মানিত করে ফেলেছেন...অসংখ্য ধন্যবাদ।
''আপনি তো সুলেখক নন-সুতরাং চর্চা চালিয়ে যান'' এই বাক্যটিতে বোধহয় আপনার মনের ভাবের সঠিক প্রকাশটি করতে পারে নি। শব্দটা মনে হয় হবে ''আপনি তো লেখক নন-সুতরাং চর্চা চালিয়ে যান।'' কেননা লেখক হলে পড়ে না, সুলেখক আর কুলেখকের প্রসঙ্গ আসে, তাই নয় কি? :)
গল্পে মোরালিটি থাকাটা বাধ্যতামুলক নয়। আমার মধ্যে তা আসে কিনা তা হয়ত যারা আমার গল্প পড়ছেন তারা বলতে পারবেন, যেমন আপনি বলছেন, কিন্তু আসলে মোরালিটি গল্পের প্রয়োজনেই আসে। আরোপিত হয়ে নয়। যেমন এই গল্পটিতে মোরালিটি এসেছে...কিন্তু তা না আনলে কিভাবে এই গল্পটি বলা যেত? সেক্ষেত্রে কাহিনীতেই পরিবর্তন আনতে হত। কথা হচ্ছে মোরালিটি গল্পের পুর্নতার প্রয়োজনেই আসে, একে প্রাদুর্ভাব বিশেষন দেয়াটা কতটা যৌক্তিক এ সিয়ে আমার ঘোরতর সন্দেহ আছে।

৩৯. ১৫ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১০:২৬
comment by: (অ)গাণিতিক বলেছেন: সুপার ম্যান টা কে?
১৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:৩৫

লেখক বলেছেন: সুপারম্যানটা কে সেটা তোমাকে মেইলে বলব নে :)

৪০. ১৫ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১১:১৬
comment by: রোডায়া বলেছেন: গল্প পড়ছেন ভালো কথা, তয় মতামত কই?
১৬ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৫:২৩

লেখক বলেছেন: পুরনো হয়ে গেলে আর মন্তব্য করতে ইচ্ছে হয় না। তাই মন্তব্য করা হয়নি, যেহেতু অফলাইনে পড়া হয়েছিল। তবে অফটপিক একটা কমেন্ট করেছি মনেহয়।

৪১. ১৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ৯:৪৯
comment by: মেহরাব বলেছেন: আপনার বিনয় আমার ভাল লেগেছে। যদিও ঠ্যাস মারার একটা গতিপ্রকৃতি ছিল আপনার মন্তব্য লেখার মধ্যে কিন্তু আমি তা সহজ ভাবে নিয়েছি। যাইহোক চর্চা চালিয়ে যান। লোক দেখানো বিনয়ের দরকার নাই।
১৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:৩৩

লেখক বলেছেন: না, কোন ধরনের অন্যরকম গতিপ্রকৃতি ছিল না আমার মন্তব্যে। আপনি হয়ত তা আশা করেছিলেন, তাই আমার নিরপেক্ষ মন্তব্য আপনার কাছে এমন লেগেছে। আবার পড়ে দেখুন, দেখবেন ওখানে কোন বাড়তি ঠ্যাসও নেই, বাড়তি বিনয়ও নেই।

আর একটা কথা, আপনার মন্তব্য করার স্টাইলটা দেখেই আমি আপনাকে চিনতে পেরেছিলাম। আপনার নতুন নিকটার ছবিটা একটু অদ্ভুত। পরিবর্তন করলে ভাল হয়।

৪২. ১৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ৯:৫৯
comment by: হনলুলু বলেছেন: পেলাচ ......... :)
১৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ১০:১২

লেখক বলেছেন: থ্যাংকুসসসসস :)

৪৩. ১৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ২:৩৬
comment by: রিয়াজ শাহেদ বলেছেন: এইখানের অনেক কিছুই বুঝতে পারতাছিনা, বুঝায়া দেও (মেইলে? :) )।
১৭ ই জুন, ২০০৮ সকাল ৭:৪৫

লেখক বলেছেন: কি বুঝতে চাও, খোলাসা করে বল। মেইলেও বলতে পার :)

৪৪. ১৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ২:৫৮
comment by: নাতিস বলেছেন: রণ্টিদা আমি আগে পড়ি নাই গল্পটা। ভালো লাগছে। আর আমি এটাও ঠিক বলে মনে করি, যারা বোকা তারা আগা-পাশ-তলা আর কিসে কি হবে এই ভাবতে গিয়ে ঘেমে নেয়ে অস্থির হন, কিন্তু কখনো যদি ভাবতে পারেন "নাহ্‌ , আর না"; তবে হয়তো তারা একদিন তাদের মনের ভালোবাসাটুকু বিসর্জন না দিয়েও ঐ সব দূরন্ত(!) দের জবাব দিতে পারবেন।
আমার নিজের একটা কথা অনেক পছন্দের সেটা আপনাকে বলি, আমার এখন মাঝে মাঝেই সবাইকে চিৎকার করে বলতে ইচ্ছা হয় ," আমি দুঃখিত হতে হতে বড় বেশি ক্লান্ত। তোমাদের অনেকের যাদের দুঃখিত হবার কথা, তারা যখন আর কিছুতেই কোন কাজের জন্য দুঃখিত হওনা, তাই আজ থেকে তোমাদের(!) জন্য আমি আমার কোন কাজের জন্য দুঃখ বোধ করবো না"।

বলতে বড় ইচ্ছা হয়, কিন্তু কখনো করা হয়ে উঠে না। বলতে পারিনা, "নাহ্‌, আর না।"

ভালো থাকুন।
১৭ ই জুন, ২০০৮ সকাল ৭:৪৭

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ।
আপনার কি মনে হয় আপনার বোধটা ভুল?
যদি তা না হয়,তাহলে মনের ক্ষেদ কেন?
দুঃখিত হতে হতে ক্লান্ত হতে নেই।
দু্ঃখিত হতে হতে মহৎ হতে হয়।

শুভেচ্ছা থাকল।

৪৫. ১৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ৩:৩০
comment by: আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: অসাধারণ.....। রূপকধর্মী।
১৭ ই জুন, ২০০৮ সকাল ৮:৪৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।