আমার প্রিয় পোস্ট

আদর্শটাকে আপাতত তালাবদ্ধ করে রেখেছি...

দ্যা ৪০০ ব্লোজ : (সিনেমাখোর পোষ্ট)

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫৪

শেয়ারঃ
0 3 0

ব্লগে মাসুম ভাইকে দেখতাম মুভি নিয়ে পোষ্ট দেন। তার ব্লগ খেয়াল করলে ভাল ভাল মুভির সন্ধান পাওয়া যায়, তারপর দেখলাম আরও অনেকেই আসলে ব্লগে মুভি নিয়ে পোষ্ট দেন, হাসান বিপুল , দারাশিকো , ফাহমিদুল হক , দুরন্ত , মেহরাব আরও অনেকে। সিনেমাখোর নামে চমৎকার একটা গ্রুপও হয়েছে। সেখানে ভীষন ভাল ভাল পোষ্ট। ভয়ংকর ভাল লাগছে আসলে এসব দেখে। আমি নিজে ওতটা সিনেমাখোর নই। সিনেমা দেখার সময় করে উঠতে পারি না তেমন একটা ছাইপাশ নানা হাবিজাবি করে। তবুও মাঝে মাঝে একটা দুটা সপ্তাহান্তে দেখার চেষ্টা করি, মাঝে মাঝে অনেক ভাল মুভি দেখা হয়ে যায়, মাথাটা কিছুক্ষন ঝিম ঝিম করে। মনে হয় দুনিয়ায় কতকিছুই না হয়ে যাচ্ছে তার কটা খবরই বা রাখছি, দেখছি। মানুষ কেমনে বানায় এসব!
সে যাই হোক, চিন্তা করছি মাঝে মাঝে নিজের দেখা কিছু মুভি নিয়ে একটু গপশপ করব ব্লগে পোষ্ট দিয়ে। কারনটা সহজ, ব্লগই এমন একমাত্র জায়গা, যেখানে আমি আজাইরা কিছু বলতে গেলেও কেউ মানা করবে না। তাই বলতে যাচ্ছি ছাইপাশ।



এই সেদিন দেখলাম ফ্রান্সিস ট্রুফোর দ্যা ৪০০ ব্লোজ। এটি ফ্রেন্চ এই চিত্রপরিচালকের ফরাসী মুভির ইংরেজি নাম। আসল নামটা এত খটমটে যে বলতে গিয়ে দাত ভেঙে যাবে। ট্রুফোর প্রথম ছবি যা সমালোচকদের দৃষ্টি দারুন ভাবে কেড়েছিল। আধুনিক চলচিত্রে এ মুভি বেশ আলোরনই তুলেছিল। এই মুভিতেই ট্রুফো তৈরি করেন তার বিখ্যাত সিনেমাটিক চরিত্র এনটইন ডনিয়েল। এই চরিত্র নিয়ে ট্রুফো ২০ বছর ধরে মুভি বানিয়েছেন। সিনেমার ইতিহাসে বন্ড, স্পাইডারম্যান এ জাতীয় সুপারহিরো ছাড়া এমন সিরিয়াল মুভি বিরল।



৪০০ ব্লোজ মুভিতে এনটন ডনিয়েল একজন ১২/১৩ বছর বয়সের কিশোর, যে কিনা প‌্যারিসের একটা ছোট্ট জীর্নশীর্ণ এপার্টমেন্টে মা আর সৎবাবার সাথে বসবাস করে, যে কিনা তার মায়ের বিয়ের আগে অবিবাহিত মায়ের গর্ভে জন্মেছিল যে কারনে তার মা তাকে ওতটা পছন্দ করে না, তার মা চায় নি সে জন্মাক। তার সৎবাবা তার সাথে ভাল ব্যবহার করলেও অভাবের সংসারে তার প্রতি আসলে স্বাভাবিক কিশোরদের মত আচরন হয় না। তাকে শুতে হয় তাদের এপার্টমেন্টের বারান্দায় স্লিপিংব্যাগের ভেতরে।
স্কুলেও তার একই দশা। তার ক্লাসটিচার তাকে কোন কারন ছাড়াই গালমন্দ করে, তার দোষ ধরে এবং হাস্যকর বানিয়ে ফেলে। এইসমস্ত কারনে ডনিয়েল তার বন্ধু রেনের সাথে স্কুল পালিয়ে ঘুরে বেড়ায়, সিনেমা দেখে রাইডে চড়ে, স্কুল ফাকি দিয়ে ডনিয়েল একদিন দেখতে পায় তার মা অফিস কলিগের সাথে অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। সবকিছু তার মনকে পরিবার সমাজের প্রতি বিতশ্রদ্ধ করে তোলে। একদিন ডনিয়েল ও তার বন্ধু রেনে ডনিয়েলের সৎবাবার অফিস থেকে টাইপরাইটার চুরি করে, পরে তা বিক্রি করতে না পেরে ফেরত রাখতে গিয়ে ধরা পড়ে। তার সৎবাবা তাকে পুলিশ স্টেশনে দিয়ে আসে। সেখান থেকে তাকে সংশোধন কেন্দ্রে পাঠানো হয়। তার বাবা তাকে আর পরিবারে নিতে অস্বীকার করে। তার মা কতৃপক্ষের কাছে একটিই অনুরোধ করে তাকে যেন সমুদ্রের কাছের কোন ওয়ার্ক ক্যাম্পে দেয়া হয়, কেননা ডনিয়েল কখনও সমুদ্র দেখেনি।

পুরো মুভিটি দেখতে দেখতে ডনিয়েলের প্রতি সবার মায়া জন্মাবেই। একটি কিশোরের ভাগ্যে যা ঘটা উচিত ছিল না তাই ঘটে তার জীবনে। মুভিটির শেষ হয়ে গেলেও দর্শকের মনে এর পরবর্তী সিকুয়েল গুলো দেখার ইচ্ছে জাগবেই। ট্রুফো পরবর্তী বিশ বছরে এনটন ডনিয়েল সিরিজের আরও চারটি ফিল্ম তৈরি করেছেন। এগুলো হল এনটইন এন্ড কলেইট, স্টোলেন কিসেস, বেড এন্ড বোরড এবং লাভ অন দ্যা রান।

প্রত্যেকটি মুভিরই ফ্রেন্চ নাম আছে এত কটমটে গুলো উল্লেখ করলাম না। সাবটাইটেল সহ দেখতে মুভিগুলোর স্বাদ এতটুকুও কমে না। যারা ৪০০ ব্লোজ বা স্টোলেন কিসেস দেখবেন তারা টুফ্রোর আর সব মুভি গুলো দেখার জন্য উদগ্রীব হবেন তাতে কোন সন্দেহ নাই। তবে আমার মনে হয় ৪০০ ব্লোজ থেকেই ট্রুফো দেখা শুরু করা উচিত।

মুভিটি দেখতে পারেন এখান থেকে

অথবা টরেন্ট লিংক

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): মুভিসিনেমাখোরফিল্মফিল্ম রিভিউ ;
প্রকাশ করা হয়েছে: সিনেমাখোর  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে মে, ২০০৯ সকাল ৮:১১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:০৫
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: মুভি দেখার জন্য যে লিংক দিয়েছি সেখান থেকে ডাউনলোড করতে গেলে আগে veoh web player ডাউনলোড করতে হবে।
২. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:০৮
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: একটা ভাল সিডের টরেন্ট লিংক চাই রন্টি ভাই ।
নামটা জানানোর জন্য অনেক থ্যাংকস , পোস্টটা পড়লাম না । মুভি দেখার পর পোস্ট পড়ব , রেস্ট্রিকশন ফলো করলাম :)
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২৫

লেখক বলেছেন: টরেন্ট লিংক যোগ করে দিয়েছি। পুরনো মুভি গুলোর ওত সীড পাওয়া যায় না। ৪৫ আছে। মনে হয় ভালই চলবে। এছাড়া ভিও থেকেও তো ডাউনলোড করতে পার। ভাল প্রিন্ট।

৩. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১৪
নষ্ট মাথার দুষ্ট বালিকা... বলেছেন: টরেন্ট থেকে করব...নাম মনে থাকেনা, তাই প্রিয়তে নিলাম...অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া...
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২৮

লেখক বলেছেন: টরেন্ট লিংক যোগ করে দিয়েছি পোষ্টে।
আপনাকেও ধন্যবাদ।

৪. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১৯
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: আমরা যারা ডিভিডি ছাড়া দেখতে পারি না, তাদের কি হইবে?
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২৭

লেখক বলেছেন: হাহ হা...মেহরাবের উত্তর প্রযোজ্য :)

বিদেশে থাকার একটাই মজা। যত খুশি ডাউনলোড করা যায় হাইস্পীডে। দুনিয়ার সব ভাল ভাল মুভি ডাউনলোডের পাইলট প্রজেক্ট হাতে নিছি। ৫০০০ পুরা হইলে দেশে একেবারে ফিরা আসব :)

৫. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২৪
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: মাসুম ভাই , সেক্ষেত্রে ডিভিডি রাইট করিয়ে নিতে হবে :)
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩২

লেখক বলেছেন: হ! কিন্তু দেবে কে?

৬. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২৭
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: কে দেবে? আমি তো নামাইতেই পারি না।
০৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:১৯

লেখক বলেছেন: শিখে নেন।

৭. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২৮
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: রন্টি, দেশে থাকারও একটা মজা আছে। ৬০ টাকায় ডিভিডি। কৈ পাইবেন। আমি তো বিদেশ যাইয়া কোনোদিনও একটা মুভিও কিনতে পারি নাই।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩১

লেখক বলেছেন: হ। এইখানে মুভি ভাড়া আনতেও ১২ ইউরো লাগে!!! চিন্তা করছেন কেমন ডাকাত! থোড়াই যাই..টরেন্ট আছে কি করতে। ২৫ ইউরো নেট বিলে ১০০ মুভি ডাউনলোড।

৮. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩২
নাজিম উদদীন বলেছেন: অসাধারণ মুভি। আমার দেখা প্রথম ফ্রেঞ্চ মুভি, ঢাকায় কোন একটা চলচ্চিত্র সংসদের কল্যাণে দেখেছিলাম।
০৬ ই মার্চ, ২০০৯ ভোর ৪:৩৪

লেখক বলেছেন: অসাধারন। অনুভুতিটা ছিল যাতে মুভিটা শেষ না হয়।

৯. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪৩
হাসান বায়েজীদ বলেছেন: ফ্রেঞ্চ মুভি বরাবরই আমার প্রিয়তে...সম্ভব হলে দেখুন Le Retour de Martin Guerre, La Belle et la Bête..

পুনশ্চ: এইমুহুর্তে কোনো লিংক দিতে পার্ছিনা
০৬ ই মার্চ, ২০০৯ ভোর ৪:৪৫

লেখক বলেছেন: নামগুলোর জন্যেও আন্তরিক ধন্যবাদ।

১০. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫০
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:

মুফতে সব সিনেমাখোরেরে এক সাথে পাইয়া গ্যালাম... এই মাসে মুভি দেখার উপায় নাই... আপাততে শোকেসে... পরে... যাই ... বাই...
১১. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫০
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: হুমমমমমম , কে দেবে

মাসুম ভাইয়ের সাথে আমার একটা কর্পোরেট চুক্তি থাকা দর্কার ছিল
১২. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫৪
ফাহমিদুল হক বলেছেন: Have watched several times. Really a good cinema. The most famous one by Francoise Truffaut. The background music I can remember the most, also cinematography. And the last freez shot is referred by critics to depict what a freez shot is. The ending is very despairing.

Masum Vai, I bought its DVD few years ago from Rifles Square. And the print was excellent. I usually show this film to my students as a representative of French Nouvell Vague.

Thanks for the post.

(Bangla ase na)
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:০৬

লেখক বলেছেন: হ্যা। শেষ দৃশ্যটা নিয়ে অনেক কথা হয়েছে।
ডনিয়েল সমুদ্রপাড়ের ওয়ার্কক্যাম্প থেকে পালিয়ে সাগরসৈকতে দৌড়ে থামে ক্যামেরা মিডশট থেকে ক্লোজআপ হয়ে তার মুখে এসে স্থীর হয়। ক্যামেরার কাজ আর অভিনেতার চাহনি.. দৃশ্য শেষটিকে বিষাদে ভরে তোলে।

১৩. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫৮
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: মুভিটির এক কপি আমার কাছে আছে।মুভিপ্লাস থেকে বছর তিনেক আগে শখানেক টাকায় কিনছিলাম :)

আর ফরাসী উচ্চারণে সিনেমাটির নাম "লে কাতহ(হ-এর নীচে টান হবে, দিতে পারছিনা) শ কু"।

ত্রুফোর এই একটি সিনেমাই ভালো লেগেছে।শেষের দৃশ্যটা নিয়ে আঁতেলরা খুব শলাপরামিশ করে।

১৪. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:০৮
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: একটা কথা বলতে ভুলে গিয়েছি পোষ্টে।

ট্রুফোর এই সিনেমাটি কে মোটামোটি তার জীবনী সিনেমা ধরে নেয়া হয়। কেননা সিনেমার ডনিয়েলের মতই ট্রুফোর শৈশব আর কৈশোর এমনই ছিল প্রায়। স্কুল থেকে বিতারিত, দাদীর সাথে থাকা, দারিদ্র সবমিলিয়ে মনে করা হয় ট্রুফো এই সিনেমায় তার নিজের কাহিনীই তুলে এনেছেন।
১৫. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪৭
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন: আমার খালি লিংক পাইলেই চলে ... ;)
নেটতো পুরা ফ্রি :)
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৫৬

লেখক বলেছেন: ক্যান?? :-*

১৬. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০১
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: +। ফ্রেঞ্চ ছবি নিয়ে তথ্য দেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ। আমি বেশ কিছু ফ্রেঞ্চ মুভি দেখেছি তার মধ্যে লা লেকট্রিস La Lectrice সবচেয়ে ভাল লেগেছে। এটা ১৯৯৭ সালে দেখেছিলাম।

http://www.us.imdb.com/title/tt0095511/

আসলে বিদেশের বিশেষ করে ইউরোপের শিল্প সম্মত ছবি পছন্দ করে তাদের কাছে ঐ ফরাসী ছবিটি দেখার জন্য অনুরোধ রইল। আশা করি শুধু ফরাসী নয় ইউরোপের আরো দেশের উল্লেখযোগ্য ছবির তথ্য রান্টি সাহেবের থেকে পাব।
১৭. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:১৫
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: পেয়েছি ঐ ছবির নাম Les Quatre cents coups লে কাত স্ কুউপ।

http://www.us.imdb.com/title/tt0053198/
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪৮

লেখক বলেছেন: নামটা উচ্চারন করতে পারছিলাম না। তবে মুভিটির পোষ্টারে তো ইংরেজী অক্ষরে নামটি দেয়া আছে।
আপনাকে ধন্যবাদ।

১৮. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:২৮
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: আরও কিছু যোগ করতে চাই François Truffaut ফঁসোয়া তখুফও মাত্র ২৭ বছর বয়সে ঐ ছবির পরিচালনা করেন ১৯৫৯ সালে এবং ছবির সিনারিওর লেখক (মূল Marcel Moussy)। স্পষ্টতই অসাধারণ দক্ষতা। তার অভিনয় সহ বিভিন্ন ছবির পরিচালনার তথ্য নিম্নের লিংকে পাওয়া যাবে;

http://www.us.imdb.com/name/nm0000076/
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৮:২৩

লেখক বলেছেন: এত অল্পবয়সে এমন জীবনবোধ সম্পন্য ফিল্ম কি করে যে বানালেন সেটিই আশ্চর্য!

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:১৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

২০. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:১৩
মৃন্ময় আহমেদ বলেছেন: পড়ি নাই। ডাউনলোড দিলাম। পরে পড়ে মন্তব্য..

তা কেমন আছিস?
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:১৫

লেখক বলেছেন: ভাল করছস।
দেখে নে আগে।
আছি ভালই।
দেশে যাচ্ছি ১৬ তারিখ, দেশে যাবার আগে খানিক ওজন কমে গেছে দেখে মনটা ভীষন খারাপ :(

২১. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:২২
হাসান মাহবুব বলেছেন: ছবিটার নাম শুনসি অনেক।দেক্তেইব।
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:৩১

লেখক বলেছেন: দেখেন...ভাল লাগব...ভাল আছে এইটা

২২. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:৩২
রিসাত বলেছেন: ষোন্দর চবি,,, আমি ভালা ফাই;)
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:৩৩

লেখক বলেছেন: বানান ঠিক করে লেখেন।
ষোন্দর চবি মানে কি?

২৩. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:৪০
রিসাত বলেছেন: এইডা সামহয়ার এফেক্টো,,, আফনি মাইন্ড করিচেন মনি অয়!!

...সুন্দর ছবি...

বানান কড়িয়া ফড়েন
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:৫৯

লেখক বলেছেন: ঠিক আছে।

২৪. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:৫৩
চাচামিঞা বলেছেন: খুব ভালো পোস্ট, অনেক ইনফরমেশন পাওয়া গেলো। +
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৩২

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

২৫. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:২৫
বাবুয়া বলেছেন: সময়াভাবে মুভি দেখা হয়না। তবে মুভি বিশয়ে আগ্রহী। আপনি এক একটা ছবি নিয়ে লিখলে পড়ে দুধের স্বাদ ঘোলে মিটাবো আশা করি।
২৬. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:২৫
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ।
২৭. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:১৮
প্রচেত্য বলেছেন: রবিবার-টা সময় যতটুকু পায়, চেষ্টা করি মুভী দেখার
২৮. ০২ রা জুন, ২০০৯ রাত ৩:৩৮
ফেরারী পাখি বলেছেন: সময়ের অভাবে লেখাটি চোখ এড়িয়ে গিয়েছিল। আমি সিনেমাখোর নই তবে সিনেমা দেখতে বড্ড ভালবাসি। বলা যায় ভালোই দেখি।

এই ছবিগুলো এখনও দেখা হয়নি। দেখি আপনার লিংকটা কাজে লাগাবো।

ধন্যবাদ চমৎকার একটা লিংকের জন্য।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৩৮৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
..
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ