"পবিত্র ও প্রশস্ত মুখমন্ডল, প্রিয় স্বভাব, পেট উঁচু নয়, মাথায় টাক নেই, সুদর্শন, সুন্দর, কালো ও ডাগর ডাগর চোখ, লম্বা ঘন চুল, গুরুগম্ভীর কন্ঠস্বর। উঁচু ঘাড়, সুর্মাযুক্ত চোখ, চিকন ও জোড়া ভ্রু, কালো কোকড়ানো চুল। নীরব গাম্বীর্য, আন্তরিক, দুর থেকে দেখলে সুন্দর ও চিত্তাকর্ষক। নিকট থেকে দেখলে অত্যন্ত মিষ্ট ও সুন্দর। মিষ্টভাষী, স্পষ্টভাষী, নিস্প্রয়োজন শব্দের ছড়াছড়ি থেকে মুক্ত কথাবার্তা। সমস্ত কথাবার্তা মুক্তার হারের মত পরস্পরের সাথে যুক্ত। মধ্যম ধরনের লম্বা, ফলে তাকে কেউ ঘৃণাও করে না, তাচ্ছিল্যও করে না। সুদর্শন, তরুণ, সর্বক্ষণ সাহচর্য দানকারীদের প্রিয়জন। যখন সে কিছু বলে সবাই নিরবে শোনে, যখন সে কোন নির্দেশ দেয়, তৎক্ষনণাত সবাই তা পালন করতে ছুটে যায়। সকলের সেবা লাভকারী, সকলের আনুগত্য লাভকারী, প্রয়োজনের চেয়ে স্বল্পভাষীও নয়; অমিতভাষীও নয়।"
উম্মে মাবাদের বিবরণ থেকে এটা জানা যায়। মহানবী (সা.) সুর পর্বতের গুহা থেকে মদীনায় হিজরত করার জন্য রওনা দিলেন, তখন প্রথম দিনই খুযায়া গোত্রের এই মহিয়সী বৃদ্ধার বাড়ীতে যাত্রা বিরতি করেন। উম্মে মাবাদের স্বামী বাড়ী ফিরলে তিনি একজন আগন্তুকের আগমনের কথা বলেন। তখন তাঁর স্বামী বলেন, এই কুরাইশী যুবকের আকৃতির বিবরণ দাও তো, সে সেই বহুল প্রত্যাশিত ব্যক্তি কিনা দেখি। তখন উম্মে মাবাদ উপরোক্ত ভাষায় সেই বিবরণ দেন। উম্মে মাবাদ সেই সময় রাসুলকে (সা.) চিনতেন না। ফলে তাঁর বিবরণ সম্পূর্ণরুপে পক্ষপাতদুষ্টমুক্ত।
লেখাটি নঈম সিদ্দিকীর মানবতার বন্ধু মুহাম্মদ রাসুলুল্লাহ সা. থেকে নেয়া। বইটি প্রকাশ করেছে শতাব্দী প্রকাশনী। রাসুলের জীবনী নিয়ে একটি অনবদ্য গ্রন্থ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

