আমার প্রিয় পোস্ট
- সুখের রুপটা কেমন? কি-ই বা তার উৎস - মাহমুদ রহমান
- প্রিয় গান: মোরা হতে চাই প্রিয়তম তোমার - মাহমুদ রহমান
- প্রিয় গানঃ আজ খুব পড়ছে মনে মাকে - মাহমুদ রহমান
- ঐ ব্যক্তিই সর্বাপেক্ষা বুদ্ধিমান যে মৃত্যুর কথা স্মরণ করে - মাহমুদ রহমান
- আপনি আমার কাছে নিরাপদ - মাহমুদ রহমান
- ভালোবাসার পরশ - মাহমুদ রহমান
- প্রিয় গান: আল্লাহকে ভালবাসি দিয়ে মন ও প্রাণ - মাহমুদ রহমান
- Show me: Hamza Robertson - মাহমুদ রহমান
- সিরাতুল মোস্তাকিম কোনটা? - মাহমুদ রহমান
- মানুষকে আর কত অপমানিত করা হবে? - মাহমুদ রহমান
- গল্প লেখার চেষ্টাঃ ইয়াসির ফাজাগার প্রতি কৃতজ্ঞতা - মাহমুদ রহমান
- মহানবীর (সা.) একটি সামগ্রিক ছবিঃ পক্ষপাতহীনের দৃষ্টি থেকে - মাহমুদ রহমান
- জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি ২০০৮ নিয়ে কিছু কথা - মাহমুদ রহমান
- অন্য রকম এক বিয়ের অনুষ্ঠান - মাহমুদ রহমান
- আমার দাদার মৃত্যু প্রস্তুতি সম্পন্ন - মাহমুদ রহমান
- ভাষার প্রতি ভালোবাসা, বাংলা লিংকের একটি এড এবং আমার কিছু কথা। - মাহমুদ রহমান
- নির্বোধের সন্ধানে - মাহমুদ রহমান
- জবাবঃ আই ওয়ান্ট টু বি এ গুড ম্যান-হাওয়া ইরফান (কাউন্সেলর) - মাহমুদ রহমান
- প্রশ্নঃ আই ওয়ান্ট টু বি এ গুড ম্যান-- মুস্তফা (ইজিপ্ট) - মাহমুদ রহমান
- ইউনিক আইডিয়া: ফ্যামিলি স্কলারশিপ - মাহমুদ রহমান
- তুমি আমার সবই জান - মাহমুদ রহমান
- মন-মাতানো আযানের ধ্বনি শুনতে ঘুরে আসুন ডিআইটিএফ - মাহমুদ রহমান
- সোসাইটি ধ্বংশের মারাত্নক হাতিয়ার গীবত - মাহমুদ রহমান
- স্পেশাল উপহার - মাহমুদ রহমান
- ইসলামী আন্দোলন পুনরুজ্জীবনের কৌশলঃ আল্লামা ইউসুফ আল কারযাভী - মাহমুদ রহমান
- নাস্তিকের ধর্মকথার পোস্টপ্রসঙ্গেঃ সবাইকে সতর্ক করার জন্য এ পোস্ট - মাহমুদ রহমান
- নতুন ফিকাহঃ ইউসুফ আল কারদাওয়ী - মাহমুদ রহমান
- আল্লামা ইউসুফ আল কারযাভী - মাহমুদ রহমান
- ন্যচারাল সেভেন ওয়ান্ডার্সঃ নমিনেশনের জন্য ভোট করুন - মাহমুদ রহমান
- ইসলামের প্রকৃত শিক্ষাঃ ইউসুফ আল কারদাওয়ী - মাহমুদ রহমান
- মুক্তিযুদ্ধের চেতনা - মাহমুদ রহমান
- ডেইলি স্টারের ধরা খাওয়া সেই ছবি...... - মাহমুদ রহমান
- ইনকাম ট্যাক্স কেন? - মাহমুদ রহমান
- ঈদুল ফিতর উদযাপনঃ ভালোবাসা ছড়িয়ে যাক অন্তরে অন্তরে - মাহমুদ রহমান
- প্রথম আলোর বিদ্রুপ মেগাজিন আলপিন প্রসংগে - মাহমুদ রহমান
- রমযান বিষয়ক পোস্ট - মাহমুদ রহমান
- হালাল যথেষ্ট, হারাম অপ্রয়োজনীয়ঃ ইউসুফ আল কারদাওয়ী - মাহমুদ রহমান
- অন্তর যখন পাথরের মত কঠিন বা তারও বেশি - মাহমুদ রহমান
- যেই হাসিতে প্রাণটা জুড়ায় সেই হাসিটা চাই আমরা, সেই হাসিটা চাই - মাহমুদ রহমান
- বাংলাদেশ সেনাবাহিনীঃ বাংলাদেশের স্বাধীনতার রক্ষাকবচ - মাহমুদ রহমান
- দেশকে ভালবাসেন না এমন লোক আছে নাকি? - মাহমুদ রহমান
- লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার - মাহমুদ রহমান
- ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স-২ - মাহমুদ রহমান
- ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স-১ - মাহমুদ রহমান
- কেবল মায়েরায় পারে....... - মাহমুদ রহমান
- নিরপেক্ষতা একটি সুবিধাবাদী নীতি - মাহমুদ রহমান
- রসুল সা. এর চারের অধিক বিয়ে প্রসংগঃ ইউসুফ আল কারদাওয়ী - মাহমুদ রহমান
- মায়ের জন্য ভালোবাসা, করো তোমরা অনুভব - মাহমুদ রহমান
- বেহেস্তের ভাবনা-২ - মাহমুদ রহমান
- কি পরিমাণ বিদ্বেষ থাকলে ২৮ অক্টোবরের জন্ম হতে পারে? - মাহমুদ রহমান
- প্রিয় গানঃ তুমি রহমান তুমি মেহেরবান - মাহমুদ রহমান
- বাস্তব জীবন থেকে পাওয়া কতিপয় শিক্ষা (শেষ): ড. আহমাদ তুতুনজী - মাহমুদ রহমান
- বাস্তব জীবন থেকে পাওয়া কতিপয় শিক্ষা (এক): ড. আহমাদ তুতুনজী - মাহমুদ রহমান
- গ্রিটিং অব অল গ্রিটিংসঃ আসসালামু আলাইকুম - মাহমুদ রহমান
টাকা পয়সার এখন অনেক দাম
১০ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:০১
মানুষের অভাব বেড়ে গেছে। এমন অনেক মানুষ রয়েছেন যাদেরকে অর্জিত অর্থে কেবল ক্ষুধা নিবারণ করতে সংগ্রাম করতে হচ্ছে।
গত পরশু দিনের কথা। গুলশানের রাস্তায় হাঁটছিলাম। সাথে পরিচিত একজন ছিলেন। হঠাৎ দেখলাম একটি লোকের অন্যায় আচরণের কারণে একটি ছেলে কান্না করছে, লোকটি তাকে মারতে উদ্যত। সাথের ভাইকে বললাম, চলেন ঠিক করে দিয়াসি। কাছে গিয়ে বললাম, কি হয়েছে? ছেলেটি কান্না রেখেই বলল, আমার বই এই লোক জোর করে বিক্রি করে দিয়েছে। উল্লেখ্য, তারা দুজন পরস্পরের কলিগ। ইংরাজী ম্যাগাজিন বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে। লোকটি বলছে, সে আমাকে বলেছে বিক্রি করে দিতে। পুরো ব্যাপার শুনে যা বুঝলাম, ম্যাগাজিনটির ক্রয়মূল্য ৬০ টাকা। লোকটি তা বিক্রি করেছে ২০০ টাকায়, এখন সে ছেলেটিকে দিচ্ছে ৮০ টাকা। সে বলছে, আমি তাকে বেশিই দিচ্ছি। বইটির গায়ে দাম লেখা আছে ৮০ টাকা। ছেলেটি দাবী করছে ১০০ টাকা। আমি ছেলেটিকে বললাম, তুমি কি তাকে স্বেচ্ছায় দিয়েছো? বলল, না; জোর করে নিয়েছে। আমরা লোকটিকে প্রেসার দিলাম, ধমক দিলাম। বললাম, তুমি তো বইটি চুরি করে বিক্রি করেছ...... তুমি লাভ করবা ১২০ টাকা আর তাকে দিবা মাত্র ২০ টাকা? তাকে টাকা ফেরত দাও। চাপাচাপির পর সে ২০ টাকা দিল। উপস্থিত অনেকের রাগ তখনও না কমলেও ছেলেটি এই ২০ টাকার দাবীই মেনে নিল।
মানুষ আসলে কষ্টে আছে, তার সাইকোলজি দেখলে বোঝা যায়। এখন আমি অল্প পথও রিক্সায় যায়। আগে কোন আশ্রয় প্রার্থী হাত পাতলে সামনে অনেক যুক্তি কাজ করতো...... এসব ভন্ড, ব্যবসা ইত্যাদি ইত্যাদি। এখন চেষ্টা করি , ফিরিয়ে না দিতে। অনেক কিছুই করতে ইচ্ছা করে, মনে হয় প্রতিদিন না হলেও কোন কোন দিন কাউকে বাসায় ধরে এনে খাওয়ায়, পেট ভরে আহার করুক। পারি না, লজ্জা করে.......অন্যরা অতি মহানুভবতার ধোঁয়া তুলে খোঁটা দিতে পারে বলে। তবে তাগিদগুলো আমাকে তাড়া করে ফিরে, এক ধরনের অস্বস্তি রয়ে যাচ্ছে মনে। নাহ! সাহসী হতে হবে...... এভাবে চলে না!


















