somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... সুখের রুপটা কেমন? কি-ই বা তার উৎস
সুখ মাপার কোন ম্যাকানিজম আছে কি? এমন কোন নির্দেশক কি পাওয়া যাবে যা দিয়ে কোন দুইজন মানুষের সুখের তারতম্য মাপা যায়? সুখের সর্বোচ্চ চূড়া কোথায়, সর্বনিম্ন স্তরই বা কেমন? মানুষ কি এটাকে পেয়ে খুশি হয়, নাকি এটাই তার দুখের জন্য যথেষ্ট। এসব প্রশ্নের উত্তর কি হবে তা নিয়ে ডিবেট হলেও মানুষ যে সুখ খুঁজতে থাকে তাতে বোধহয় কোন দ্বিমত নেই।

কল্যাণ (হাসানা) শব্দটাকে আমরা সুখের প্রতিশব্দ হিসাবে ধরতে পারি। সোজা কথায় বলতে গেলে, ভাল থাকতে চাই..... কোরআন তার অনুসারীদেরকে এভাবে দোয়া করতে বলছে, "হে আমাদের রব, এই দুনিয়ায়ও কল্যাণ দান করো এবং পরকালেও আমাদেরকে কল্যাণ দাও, আর আগুনের আযাব থেকে আমাদের রক্ষা করো।" (সুরা বাকারা)

সন্দেহ নেই, কল্যান বা সুখের সন্ধান কেবলমাত্র সুখের স্রষ্টার তরফ থেকে এবং তাঁর দেখানো পদ্ধতি অনুসারেই আসতে পারে। দ্বিতীয় কোন পথ নেই, থাকার কথাও নয়।

ইসলাম কিভাবে সুখের উৎস হত পারে? একদিকে ইসলামের তাকদীরে বিশ্বাস (যেটাকে ইসলাম বিশ্বাসের অন্যতম একটি ফান্ডামেন্টাল পয়েন্ট হিসাবে উল্লেখ করেছে), অন্যদিকে অনুসারীদের উপর অর্পিত অনিবার্য দায়িত্ব তাকে এনে দিয়েছে শান্তির সৌন্দর্য। অর্থাৎ, একজন মুসলিম কাজের সাফল্যে সন্তুষ্ট হয় (আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে) আর ব্যর্থতায় হতাশ হয়না। দায়িত্ব পালনের স্বার্থে ব্যর্থতার পর্যালোচনা করে আবার তাকে সামনের দিকে পথ চলতে হয়। অপরদিকে, ইসলাম কারও উপরেই তার সামর্থের অতিরিক্ত বোঝা চাপিয়ে দেয় না। (সুরা বাকারা)

ইসলাম সত্য-মিথ্যার সুস্পষ্ট সীমারেখা দিয়ে দেয়। মিথ্যার আবরণে সত্যকে সন্দেহযুক্ত করে তোলা অপরাধ। স্রষ্টা পষ্ট করেই জানিয়ে দেন যে, মিথ্যা টিকে থাকার বস্তু নয়, সত্য শীঘ্রই উদঘাটিত হবে। অনুসারীদের খুব ভাল করেই জানা হয়ে যায় মিথ্যা বলার মাধ্যমে সে আসলে লাভের কোন বস্তু অর্জন করে না, বরং এই মিথ্যা তার জীবনকে আষ্টেপৃষ্টে বেঁধে ফেলে।

সন্দেহ নেই, সত্যপন্থীরা অনেক সাহসী হন। স্রষ্টার ক্ষমতার ধারে কাছে কারও অবস্থান হতে পারে এই বোধটিই তার মধ্যে তৈরি হয় না।

এইসব সুখী মানুষদের চাওয়ার একটি সুন্দর জায়গা থাকে, যেখান থেকে সে কখনও নিরাশ হয় না।

সুখের আরও একটা উপাদান হলো বিশ্বস্ত হওয়া। কেউ একজন যখন সকলের আস্থাভাজন হয়, তখন সে সুখের স্বাদ অনুভব করতে পারে।

বড়-ছোট সব ব্যাপারেই কল্যাণকর ব্যাপারগুলোকে সে সহজেই চিনে নিতে পারে।

সে যখন বিনম্র চিত্তে অসীম ক্ষমতাধর স্রষ্টার সান্নিধ্যে প্রার্থনায় রত হয়, শান্তির অমিয় সুধা উপলব্ধি করতে পারে ।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28869662 http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28869662 2008-11-16 08:50:23
রাজীবের গাওয়া এই গানটি শুনেছেন নিশ্চয়ই পথের ধূলোয় মাখামাখি রোদ বৃষ্টি ঝড়।

ভোরের সূরুয, রাতের আঁধার, শুধু সাদা কালো
অশ্রু ঝরায় শীতের শিশির বর্ষা নেভায় আলো।

পৃথিবীটা ধূসর কেবল ছোট্ট চোখের মাঝে
হৃদয়ভরা ভালোবাসা দেবার কি কেউ আছে।


কালো কাঁচের গাড়িবহর, ধুম ছড়ায় পাশে
উদম গায়ে ফোকলা শিশু খিলখিলিয়ে হাসে

ছেঁড়া কাঁথা শীর্ণ বসল জীর্ণ-জরা মুখ
বাড়িয়ে দেয়া মায়ার দুহাত জুড়িয়ে দেবে বুক।

পৃথিবীটা ধূসর কেবল ছোট্ট চোখের মাঝে
হৃদয়ভরা ভালোবাসা দেবার কি কেউ আছে।

এখানে আছে ভিডিওটি ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28867789 http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28867789 2008-11-11 19:20:45
দুনিয়াটা দিন দিন মুক্ত হচ্ছে........
স্যাটেলাইট এবং ইন্টারনেট প্রযুক্তি বতর্মান সময়ের অবিস্মরণীয় কাজগুলির একটি করছে। অবশ্য দুষ্টলোকেরা কৌশল বদলিয়েছে। অন্যায় যেহেতু গোপন করা সম্ভব হচ্ছে না, এই 'অন্যায়' করাটা তাদের অধিকার.... এমন একটা রুপ তাঁরা প্রচার করছে। বতর্মান বিশ্বে বড় বড় মোড়েলদের আমরা এমনটিই দেখেছি। 'সন্ত্রাসী' ট্যাগ লাগাতে পারলেই হলো! প্রমাণ ট্রমানের দরকার নেই। প্রেসিডেন্ট বুশ ইরাকে, আফগানিস্তানে হামলা করেছেন এই কৌশলের অবলম্বনে।

তাঁদের অনুসারীরা সবখানেই 'প্রভু'দের অনুসরণ করতে কাপর্ণ্য করেন না। কিন্তু তাতে কি, লাভ নেই। দুনিয়া পরিবর্তিত হয়ে যাচ্ছে, আর খুব বেশি দশক হয়ত অপেক্ষা করতে হবে না যখন 'এঁরা' আপাদমস্তক নাস্তানাবুদ হবেন। সত্যের জয়গান ছড়িয়ে পড়বে চারদিকে, মিথ্যা মুখ থুবড়ে পড়বে।

আজ আমি মানবিকতার পক্ষে বিজ্ঞানের এই অবদান শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28860981 http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28860981 2008-10-28 12:58:08
প্রিয় নবীর প্রিয় কিছু বাণী
“যে ব্যাক্তি আযান শুনে ওজর ছাড়া মসজিদে না গিয়ে একাকি নামাজ আদায় করলো তার এ নামাজ কবুল হবে না”। লোকেরা বলল, ‘ওজর কি’? মুহম্মদ(সা.) বললেন, ‘ভয় ও রোগ’। (এছাড়া ক্ষুধার্ত ব্যাক্তির সামনে খাবার আসলে ও প্রসাব-পায়খানার বেগ হলে ওজর হিসেবে ধরা হবে)

“কোন ব্যাক্তিকে ফজর ও এশার নামাজে (জামায়াতে) না পেলে তার সম্পর্কে আমরা খারাপ ধারনা করতাম”। (উমর)

“সবচাইতে নিকৃষ্ট চোর হচ্ছে যে তার নামাজে চুরি করে। নামাজে চুরি হল রুকু ও সিজদা ঠিক মত না করা”।

“সঠিক সময়ে নামাজ পড়লে আল্লাহ সন্তুষ্ট হন, কিন্তু শেষ সময়ে নামাজ পড়লে আল্লাহ মাফ করে দেন”।

“তুমি যখন নামাজে দাড়াবে তখন এমন ব্যাক্তির ন্যায় নামাজ পড়বে, যে ব্যাক্তি দুনিয়া থেকে বিদায় নিচ্ছে”।


এক বেদুঈন মুহম্মদ(সা.) এর কাছে এসে বলল, ‘আপনারা শিশুদের চুমু দেন, কিন্তু আমরা তো দিয়না’। তিনি বললেন, “আল্লাহ তোমার অন্তর থেকে দয়া মায়া উঠিয়ে নিলে আমি তার কি করতে পারি”?

“পিতা সন্তানকে যা দান করেন তন্মধ্যে সর্বোত্তম হল উত্তম শিক্ষা ও (নৈতিকতার) প্রশিক্ষণ”।

“যে লোক পেট পুরে খায় কিন্তু তার প্রতিবেশি না খেয়ে থাকে সে লোক মুমিন নয়”।

“দুজনের খাবার তিনজনের জন্য যথেষ্ট এবং তিনজনের খাবার চারজনের জন্য যথেষ্ট”।


“আল্লাহ তোমার জন্য যা নির্ধারিত করে রেখেছেন তাতে সন্তুষ্ট থাক; তাহলে মানুষের মধ্যে তুমিই হবে সবচেয়ে ধনী”।


“প্রতিবেশির সাথে উত্তম ব্যবহার কর; তাহলে তুমি নিরাপত্তা প্রাপ্ত হবে”।


“ইসলামে সবচেয়ে ভাল কাজ হচ্ছে অভূক্তদের আহার করানো এবং সালাম দেয়া চেনা অচেনা সবাইকে”।

“যে লোক অন্যায়ভাবে কারো জমি দখল করে নিবে, হাশরের দিন উক্ত জমির সব মাটি তার মাথায় চাপানো হবে”।

“তোমরা মানত করনা। প্রকৃতপে মানত কোন কিছুর পরিবর্তন করতে পারে না বরং কৃপনের কাছ থেকে কিছু বের করে নেয়”।

“তুমি যা ইচ্ছা কর তা খাও, যা ইচ্ছা কর তা পরিধান কর, তবে অহংকার ও অপব্যয় করবে না”। “আল্লাহর বান্দারা বিলাসীদের অন্তরভূক্ত হয় না”।

“আল্লাহ নিজে সুন্দর, তিনি সৌন্দর্য পছন্দ করেন। অহংকার হল সত্যকে অবহেলা করা এবং মানুষকে তুচ্ছজ্ঞান করা”।


মুহম্মদ (সা.) কখনও কোন খাবারকে খারাপ বলেননি। তবে খাবার পছন্দ হলে খেয়েছেন, অপছন্দ হলে খাননি।

“তোমরা ঘুমানোর সময় বাতিগুলি নিভিয়ে দিও। ঘরের দরজাগুলি আটকিয়ে দিও। পানপাত্রের মুখগুলি বন্ধ করে দিও। খাবার ও পানির পাত্রগুলি ঢেকে রেখ। ঢাকনা না পেলে অন্তত একটি কাঠি দিয়ে হলেও আড়াআড়ি রেখে দিও”।

“অন্তরের কাঠিন্য দূর করতে চাইলে এতিমের মাথায় হাত বুলাও ও মিসকিনকে খেতে দাও”।

“যে ব্যাক্তি কিয়ামতের দিন কষ্ট থেকে বাচতে চায় সে যেন গরীব ঋনগ্রহীতাকে মাফ করে দেয়”।

“পরিশোধের ক্ষেত্রে সক্ষম ব্যাক্তির টালবাহানা করা অত্যাচারের শামিল”।

“পাওনাদারের কড়া কথা বলার অধিকার রয়েছে”।

“একটি বিড়ালের কারনে একজন মহিলাকে আযাব দেয়া হয়েছিল। সে বিড়ালকে বেধে রেখেছিল। ফলে বিড়ালটি মারা যায়। এ জন্যই সে জাহান্নামে গেল। বিড়ালটিকে বাধার পর সে বিড়ালটিকে খেতেও দেয়নি, পানও করায়নি আবার ছেড়েও দেয়নি। ছেড়ে দিলে বিড়ালটি জমিনের পোকামাকড় খেতে পারতো”।

“আমি মিরাজের রাতে দেখতে পেলাম কিছু লোকের দুঠোট আগুনের কাচি দিয়ে কাটা হচ্ছে। জিবরিলকে জিজ্ঞাসা করলে সে উত্তর দিল, এরা সেই সব বক্তা যারা অপরকে ন্যায় কাজের আদেশ দিত কিন্তু নিজে তা করত না”।

এক ব্যাক্তি মুহম্মদ(সা.) এর ঘরে উকি দিল। তিনি সাথে সাথে তীর হাতে করে তার দিকে ছুটে গেলেন। তিনি যেভাবে ঐ ব্যাক্তিকে খুজছিলেন তাতে মনে হচ্ছিল এখনই তার চোখ ফুটো করে দিবেন।

“হারাম খাদ্য দ্বারা বর্ধিত গোশত জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না বরং তা জাহান্নামের উপযুক্ত”।

“প্রকৃত বীরপুরুষ সে নয় যে কুস্তিতে অপরকে হারিযে দেয়। বরং বীর তো সেই যে রাগের মাথায় নিজেকে সামলাতে পারে ”।

“তোমরা হিংসা করনা, কেননা হিংসা নেক আমলকে এমনভাবে খেয়ে ফেলে যেমন আগুন কাঠকে পুড়িয়ে ছাই করে দেয়”।

“তোমরা ভাইয়ের বিপদে আনন্দিত হয়োনা, কেননা এতে আল্লাহ তার উপর রহম করবেন আর তোমাকে ঐ বিপদে ফেলাবেন”।

“যে ব্যাক্তির আমানতদারী নেই তার ঈমান নাই, আর যে ব্যাক্তি চুক্তি রক্ষা করে না তার দ্বীন নাই”।

“পরিধানের কাপড় দুই টাখনুর নীচে যতটুকু জায়গা ঢেকে থাকবে ততটুকু জাহান্নামের আগুনে যাবে”।

“মিরাজে গিয়ে আমি দেখতে পেলাম কিছু লোকের নখগুলি তামার। তারা তাদের মুখ ও বুক খামচাচ্ছিল। এরা মানুষের গোশত খেত (গীবত করত) এবং তাদের মান-ইজ্জত নিয়ে খেল তামাশা করত”।

“নিশ্চয় গীবতের ক্ষতিপুরণ হল, তুমি যার গীবত করেছ তার জন্য মাগফেরাত চাইবে। আর দোয়া করবে, ‘হে আল্লাহ! তুমি আমাদেরকে ও তাকে মাফ করে দাও’।

“কোন ব্যাক্তির মিথ্যাবাদী হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে সে যা শুনে তাই বলে বেড়ায়”।

“যে ব্যাক্তি কারও দোষ দেখল তারপর সে তা গোপন রাখলো, তবে সে ঐ ব্যক্তির মত যে জীবন্ত প্রথিত মেয়েকে বাচালো”।

“নেকী হল উত্তম চরিত্র। গুনাহ হল ঐ কাজ যা করতে গেলে তোমার মনে খটকা লাগে, কোন মানুষ জেনে ফেলুক তা তুমি চাইবে না ”।


“স্বামীর আত্বীয়রা মৃত্যু সদৃশ”। (তাদের সাথে পর্দা করা কতটা জরুরি তা বুঝানো হয়েছে)

“দুনিয়া সম্পদে পরিপূর্ন এবং এর মধ্যে উত্তম সম্পদ হল চরিত্রবান নেককার স্ত্রী”।

“যে লোক জাহেলী (আইন-কানুনের) দিকে মানুষকে ডাকে সে জাহান্নামের লাকড়ী হবে; যদিও সে নামাজ আদায় করে, রোযা রাখে এবং নিজকে মুসলিম বলে পরিচয় দেয়”।

আমার ছোট ভাইয়ের সংগ্রহ। তথ্যসুত্র সাথে দিতে পারলে ভাল হত। হাদীসগুলি প্রায়ই শোনা, নিজের সংগ্রহে রাখার জন্য।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28853718 http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28853718 2008-10-12 10:43:02
এই ঈদে অন্তত: একজন দুর্দশাগ্রস্তের কথা শুনুন
ইসলাম যেমন তাগিদ দেয়, তেমনি বাস্তব কর্মপন্থাও রেখেছে তার সৌন্দর্যে। ইসলাম বলে, তুমি মুমিন হতে পারবে না যতক্ষণ না তুমি অন্যের জন্যে তাই পছন্দ করবে যা নিজের জন্য করো। ঈদুল ফিতরে ইসলাম ফিতরার ব্যবস্থা রেখেছে। সামর্থবান প্রত্যেককে এই ফিতরা দিতে হয়, সমাজের প্রত্যেকে যাতে স্রষ্টার বরাদ্দকৃত ঈদের এই আনন্দে নিজেকে বিলিয়ে দিতে পারে। কিন্তু পেটে ক্ষুধা রেখে, শরীরে ময়লা কাপড় রেখে তাদের খুশীর তাগিদ দেয়া এক ধরনের রসিকতা ছাড়া আর কিছুই নয়।

সমাজের বাস্তব চিত্র বড় করুণ। একদিকে বিত্তবানেরা সামগ্রীর দামের প্রতিযোগীতায় বেশী লিপ্ত থাকে, সে উঁচু শ্রেণীতে উঠতে চায়। নিচু শ্রেণী যদি তার নাগালে এসে পড়ে তবে তার দাম থাকে না! অন্যদিকে অভাবীরা কেবল ধনীদের এই আস্ফালন দেখে নিজেদের অভাবকেই বাড়িয়ে নেয়। বড়ই ফালতু জীবন বোধ আমাদেরকে কাবু করে রেখেছে। আমরা ভুলে গিয়েছি জীবনকে প্রকাশই স্বাধীনতা নয়, জীবনকে নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারায় স্বাধীনতা।

ঈদ আমাদের যান্ত্রিকতাকে থামিয়ে দেয়। আমরা সবাইকে নির্মল আনন্দে ভাসিয়ে দিতে চাই। আমাদের অনেকের হয়ত দুর্দশাগ্রস্তের কষ্টকে দুর করার মত সামর্থ নেই, কিন্তু তার কষ্টকে শোনার মত মহানুভবতা কি আমরা দেখাতে পারি না? প্রত্যেকেই যে পরিমন্ডলে ঈদ উদযাপন করবেন খুঁজলেই হয়ত এমন এক দুইজনকে পাবেন। তাদের কথা শোনার মত একটু সময় কি আমরা পেতে পারি? এমনও তো হতে পারে, তার কথা শোনার পর আমার অনেক গুরুত্বপূর্ণ খরচের তালিকায় তার জন্যও ছোট্ট একটু বরাদ্দ এসে যেতে পারে, আর এভাবে আমি পেতে পারি মহান স্রষ্টাকে খুশী করতে পারার এক অনাবিল আনন্দ।

ধরলাম, আপনার ছোট শিশু অথবা ছোট ভাই বা বোন, ভাতিজা, ভাগ্নে বা এরকম নিকটজনের বন্ধু থাকতে পারে যাকে দেয়ার মত তার বাবা, চাচা, মামা, ভাই নেই। তাহলে প্লিজ, আপনি আপনার ছোট শিশু, ভাই বা বোন, ভাতিজা, ভাগ্নেকে এ কাজে শামিল করুন। তার হাত দিয়ে একজন অভাবীর কষ্টকে দুর করতে সহায়তা করুন। ছোট শিশুটি দেওয়ার মাধ্যমে আনন্দ পাওয়ার এই সুন্দর প্রচেষ্টার সাথে নিজেকে এখনই জড়িয়ে নিক।

ছোটবেলা থেকেই আমাদের শিশুরা এটা জেনে বড় হয়ে উঠুক- আমাদের জীবন স্বার্থপরতার নয়, প্রত্যেকে আমরা পরের তরে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28849027 http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28849027 2008-09-28 21:13:22
প্রিয় গান: মোরা হতে চাই প্রিয়তম তোমার গানটি শুনতে এখানে ক্লিক করুন

মোরা হতে চাই প্রিয়তম তোমার
মোদের কবুল করো হে পরওয়ার, হে পরওয়ার।

মোরা হতে যেন পারি সত্যবাদী
যেমন ছিলেন আবু বকর
মোরা হতে যেন পারি নির্ভীক সৈনিক
যেমন ছিলেন নেতা উমর

এই মোনাজাত তোমার কাছে খোদা
করি মোরা বারবার

তোমার কাছে একটি শপথ করছি মোরা
আনব এবার আমরা নতুন স্রোতের ধারা
জাগাব সকল ঘুমের পারা

সেই ধরাতে আসবে সুদিন
সাজবে ধরা নব সাজে
সেই ধরাতে কায়েম হবে ফের
খোদার বিধান এ সমাজে

দুঃখ যাতনা ঘুঁচবে সেদিন আর
শান্তির আসবে জোয়ার

মোরা হতে চাই প্রিয়তম তোমার
মোদের কবুল করো হে পরওয়ার, হে পরওয়ার।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28823966 http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28823966 2008-07-25 06:59:06
যার ঘড়ি ৪০ মিনিট আগে চলে তার সাথে এক বিকাল
বন্ধুটি ভীষণ রকমের একদিকধর্মী। কোন কথা শুনতে চাই না, বাট তার কথা শুনতে হবে! এমন আজব লোক কমই আছে জগতে! অনেক দিন ঝগড়া ফ্যাসাদ হয় না, ভাবলাম ভালই হলো! একই ঝগড়া আমরা ঘুরে ফিরে করি। কোন সল্যুশন নেই। সল্যুশন আছে, তবে তাল গাছটা তার করে দিতে হবে। তো! বললেই হলো! এর আগে টানা দুই বছর তার সাথে কথা বন্ধ ছিল। বন্ধের হেতু আর কিছুই নয়, তার লেজ কাটা পড়েছিল সে এখন আমারও লেজ কাটবে। এইসব ভন্ডামির আমি ধার ধারি! এরপর আবার রাগারাগি, তবে তা অল্প ক’দিনের। প্রতিবারই রাগটা বলা যায় সে-ই ভাঙ্গিয়েছে। হয়ত ঝগড়া করার লোক পায় না বলে।

জুমার নামাজের পর আসল। এসেই এটা সেটা শুরু হলো। খাইতে দিলাম, সবজি আর রুই মাছ। সে ভাতের ব্যাপারে চাল নিরপেক্ষ, মোটা চিকন সবটারই নাকি একই স্বাদ। যাক, এ যাত্রায় বেঁচে গেলাম। বেশ খেল মনে হলো। বাসায় ফুফু রান্না করেন, তাঁর রান্না আমি বেশ এনজয় করি। সে বলে, যে লবণ বেশী খায় এবং যে লবণ কম খায় কেউই এই খাবারে আপত্তি করবে না। খাওয়া চলছে, আর পুরান সেই তর্ক। যে তর্কের কোন ইতি নেই। আজীব ব্যাপার, তুমি খাইতে আসছো... মেহমান মানুষ, মেহমানের মত থাক। তা না, দরজা আটকে তর্ক শুরু করবে।

সে নিজেই বলে, আমার বউ বেশিদিন আমার সাথে থাকবে না। আমি বলি, এক্কেবারে ঠিক কথা! এত এক্সট্রিমিজম নিয়ে চললে কেমনে থাকবে! আসরের আজান হলে মসজিদে গেলাম, প্রস্তুতি নিতে গিয়ে দেরী হয়েছে, তাতেও খোটা! যাই হোক, ওর অজান্তে এত কথা লিখলাম! জানলে আবার কি করে কে জানে!

বন্ধু দুর অজানায় চলে যাচ্ছে শীঘ্রই, ওর জন্য দোয়া রইল। নামাজ শেষে জিজ্ঞাসা করলাম, আচ্ছা তোমার ঘড়ি ৪০ মিনিট ফার্স্ট থাকে কেন? ও বলে কি! I am 40 minutes ahead from my country man!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28822418 http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28822418 2008-07-21 00:51:06
প্রিয় গানঃ আজ খুব পড়ছে মনে মাকে মায়ার বাঁধনে বেঁধেছে আমাকে
স্নেহের ছায়ায় আমায় রেখে
যে মা রোদ সয়েছে।

আজ খুব পড়ছে মনে মাকে
মায়ার বাঁধনে আমায় বেঁধেছে
স্নেহের ছায়ায় আমায় রেখে
যে মা রোদ সয়েছে।

আজ খুব পড়ছে মনে মাকে

দুঃখ শোকে সবাই যখন
আমায় দুরে ঠেলেছে
মায় তো এসে তখন আমার
হাত দুটি ধরেছে।

ভালোবাসার চুমু এঁকে
সান্ত্বনা দিয়েছে।

আজ খুব পড়ছে মনে মাকে
মায়ার বাঁধনে আমায় বেঁধেছে
স্নেহের ছায়ায় আমায় রেখে
যে মা রোদ সয়েছে।

আজ খুব পড়ছে মনে মাকে

মনের মাধুরী মিশিয়ে প্রথম
ডেকেছিলাম মাকে
ভালোবাসার মালা গেঁথে
পরিয়ে ছিলাম তাঁকে।

তার বিদায়ে জীবন ধূসর
মরুভূমি হয়েছে।

আজ খুব পড়ছে মনে মাকে
মায়ার বাঁধনে আমায় বেঁধেছে
স্নেহের ছায়ায় আমায় রেখে
যে মা রোদ সয়েছে।

আজ খুব পড়ছে মনে মাকে

আমার দুখ দেখে
যে মা আঁচলে মুখ ঢাকে
সেই মা আমায় একাকি ফেলে
স্বর্গে কিভাবে থাকে।

জানি সেথায় মা যে আমার
পথ পানে চেয়ে আছে।

আজ খুব পড়ছে মনে মাকে
মায়ার বাঁধনে আমায় বেঁধেছে
স্নেহের ছায়ায় আমায় রেখে
যে মা রোদ সয়েছে।

আজ খুব পড়ছে মনে মাকে
শিল্পীঃ সাইফুল্লাহ মানসুর।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28819829 http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28819829 2008-07-13 15:43:31
ঐ ব্যক্তিই সর্বাপেক্ষা বুদ্ধিমান যে মৃত্যুর কথা স্মরণ করে
বুদ্ধি এবং জ্ঞান..... শব্দ দুটি কি প্রতিশব্দ? না সমার্থক শব্দ? আমার মতে, জ্ঞানের সঠিক প্রয়োগই আসলে বুদ্ধি। খেয়াল জিনিসটা এই বুদ্ধির মধ্যে পড়ে।

যেমন ধরুন, আপনি একটা প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। আপনি জানেন যে আসলে কোথায় কি করলে কিভাবে উন্নতি হবে। কিন্তু, কার্যত.... আপনি সেগুলি করেন না। কারণ, সঠিক সময়ে সঠিক কাজটি করার তাগিদ আপনি পান না। কিন্তু ধরুন, কোন একটা স্পেসিফিক কাজের দায়িত্বে আপনি আছেন। তাহলে কিন্তু আপনি আপনার বুদ্ধির স্বাক্ষর রাখবেন। আসলে দায়িত্ববোধ বুদ্ধির প্রয়োগে ভূমিকা রাখে।

বুদ্ধির ব্যবহারে আপনি চৌকষ হতে পারেন যদি দায়িত্ববোধ আপনাকে তাড়া করে ফেরে। কেবলমাত্র মৃত্যুর চিন্তায় মানুষকে সর্বদা দায়িত্ববোধের চেতনায় জাগিয়ে রাখে। তাকে সদা প্রস্তুত রাখে। সে এমন কোন কাজ করে না যার জন্য সে মনে করে অনুতপ্ত হওয়ার যথেষ্ট সময় সে পাবে। এমন প্রত্যেকেরই ভূরি ভূরি নজির জানা আছে যে, একদম হঠাৎ করেও মানুষ মারা যায়.... যেই ব্যাপারটি সম্পর্কে সে দুই মিনিট আগেও সচেতন ছিল না।

পোস্টের হেডিংটি প্রিয়তম নবী মুহাম্মদ সা. এর কোন এক কথা থেকে নেয়া। আজকের এই লেখাটি আমার নিজের জন্য। স্রষ্টার কাছে কাতর মিনতি আমি যেন সর্বদা মৃত্যুর কথা স্মরণে রাখি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28816715 http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28816715 2008-07-04 14:45:38
আপনি আমার কাছে নিরাপদ
হতে পারে, আপনি দরিদ্র- সহায় সম্বলহীন একজন মানুষ। আমিও হয়ত আপনাকে দেয়ার মত তেমন যোগ্যতা রাখি না, কেবল একটি ছাড়া। আপনার অসহায়ত্বের আমি সুযোগ নিবো না, আপনি আমার দ্বারা আক্রান্ত হবেন না। এই সামান্য ব্যাপারটা কি আপনার কোন কাজে আসে?

হতে পারে, আপনি সম্পদশালী- অনেক বিত্ত বৈভবের মালিক। আপনার সম্পদ আমার মধ্যে কোন ঈর্ষা তৈরি করে না। আমি মানুষকে সম্পদের মাপকাঠিতে জাজ করতে শিখিনি। এই যে, সম্পদ-বিত্ত এগুলির দ্বারা আপনি আমার কাছে মুল্যবান হতে পারেননি। আপনার ভ্যালু এমন কিছু বেড়ে যায়নি যা আমার মধ্যে অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন আপনি আমার তরফ থেকে কোন ষড়যন্ত্রের আশংকা করছেন না।

হতে পারে, আপনি একজন মাস্তান- সকল খারাপ কাজই আপনার দ্বারা হয়ে থাকে। আপনি বিশ্বাস রাখতে পারেন, আমি আপনার ভাষায় প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করব না।

একজন মুসলিমের দেয়ার জায়গাটা এখান থেকেই শুরু। আপনি যেদিন থেকে মুসলিম সেদিন থেকে আপনি অন্যকে শান্তির নিরাপত্তা দিচ্ছেন। আপনি খুব ভাল করেই জানেন, মিথ্যা বেশিদিন টিকবে না, সত্য এসে সে জায়গা দখল করে নেবে। আপনি খুব ভাল করেই জানেন, একজন মানুষকে হত্যা করার অর্থই হচ্ছে সমগ্র মানবতাকে হত্যা করা...তাকে অপদস্ত করা।

আপনার কাছে নিরাপদ হবে আপনার পরিবেশ, অন্য সৃষ্টি, অন্য মত, অন্য চিন্তা। এগুলি কোন কিছুই আক্রান্ত হবে না।

তবে হ্যাঁ, আপনাকে আমার এই নিরাপত্তা দানকে সুযোগ মনে করে কোন অন্যায় করতে দেয়া হবে না, এ ব্যাপারে নিশ্চিত থাকতে পারেন। আমি আপনার পাশে এস দাঁড়াব, সরিয়ে দেব আপনার অবস্থান জালিমের জায়গা থেকে ভাল কিছুতে যদি আল্লাহ চান। আপনি আমাকে এক্সপ্লয়েট করতে পারবেন না, কারণ আমি এক্সপ্লয়েট হতে শিখিনি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28811781 http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28811781 2008-06-20 22:52:56
ছিনতাইকারীর হাত থেকে রেহায় পাওয়ার ঘটনায় আমি অভিভূত! আগের পোস্টে লিখেছিলাম অদ্ভূত ধরনের ছিনতাইয়ের ঘটনা (কারও কারও মতে এটা ছিনতাই নয় বাটপারি), আজ লিখব অদ্ভূতভাবে ছিনতাই থেকে রেহাই পাওয়ার ঘটনা।

আজ থেকে আড়াই তিন বছর আগের ঘটনা; এক ছাত্র ধরা যাক তার নাম সুজন, সময়টা বিকাল মত হবে। সে যাচ্ছিল ঢাকা কলেজের সামনে দিয়ে আজিমপুরের দিকে। হঠাৎ দুজন ভারী বয়সের যুবক সুজনকে ক্রস করে গেল। চার পাঁচ কদম যাওয়ার পর ঐ যুবকেরা সুজনকে ডাকল, এই যে ভাই শুনেন! সুজন পিছন ফিরে দেখল তাকেই ডাকছে।

ঃ জ্বি! আমাকে কিছু বলছেন?
ঃঃ আপনি 'অমুক' না?
ঃ না, আমার নাম সুজন।
ঃঃ আচ্ছা আপনার বাড়ী কোথায় যেন?
দেশের বাড়ী কোথায় সুজন বলল।
ঃঃ ও হ্যাঁ হ্যাঁ তাই। আপনাকে আমি কোথায় যেন দেখেছি।
ঃ সরি, আমার তো মনে পড়ছে না।
ঃঃ আচ্ছা আপনার এলাকার অমুককে চিনেন ঢাবিতে পড়ে, ও রাজনীতি করে... ছাত্রদল করে (বিএনপি তখন ক্ষমতায়!).......ভদ্রলোক সুজনের হাত ধরে রেখেছেন।
ঃ না ঠিক চিনলাম না, সরি, আমার একটু তাড়া আছে।
ঃঃ কোথায় গিয়েছিলেন? টিউশনিতে?
ঃ না, খালার বাসায়।
এইভাবে কথা চলতেছে, সুজন কিছুই বুঝে নাই। সে কথা চালিয়ে যাচ্ছে। হঠাৎ লোকটি প্রসংগ পাল্টিয়ে বলল, আমি ঢাকা কলেজের ছাত্রদলের অমুক। কয়েকদিন আগে 'অমুক' হোস্টেলে জোড়া খুন হয়েছে, সে খুনের আসামী আমি। জানেন তো! পত্রিকায় আমার নাম দেখেন নি?
ঃ সরি, দেখিনি।
কষে এক ধমক দিল, কি মিয়া পত্রিকা পড়েন না নাকি? আমার নামে থানায় অনেকগুলো খুনের মামলা আছে।
ঃ হতে পারে।
ঃঃ আমার কোমরে জিনিস আছে। বিশ্বাস না হলে হাত দিয়ে দেখেন।
ঃ না দরকার নেই, থাকতেই পারে।
ঃঃ আপনি এখন চিৎকার করে দেখেন কেউ এগিয়ে আসবে না। আপনি আশপাশের লোকদের জিজ্ঞাসা করে দেখেন!
ঃ না ঠিক আছে, বুঝতে পারছি।
ঃঃ আমাকে এক হাজার টাকা দেন।
ঃ সরি, আমার কাছে ২০/২২ টাকার মত আছে। (টাকাটা বের করে সুজন উনাকে দেখাল, সে ভয় পাচ্ছিল- মোবাইলটা আবার চায় কিনা।)
ঃঃ ঐ পকেটে কি? (অপর পকেট ফুলে ছিল)
সুজন পকেট থেকে বের করল একটি বই তাওহীদের তত্ত্বকথা, বইটি মাওলানা আব্দুর রহীমের লেখা.....মোটামুটি পাতলা একটা বই। লোকটা বইটি হাতে নিয়ে দেখল। হঠাৎ গলার স্বর একটু নরম করে বলল...
ঃঃ আপনি নামাজ পড়েন।
ঃ জ্বী।
ঃঃ পাঁচ ওয়াক্ত!
ঃ জ্বী।
ঃঃ ঠিক আছে, ভাল। আপনি সোজা সামনে তাকায়ে চলে যাবেন, পিছন দিকে ফিরলেই আপনার খবর আছে।
ঃ জ্বী আচ্ছা......
এই সুযোগ আর হাত ছাড়া করে! সুজন হন হন করে হাঁটা দিল। নিরাপদ দুরত্বে গিয়ে পিছনে একবার সে তাকিয়েছিল, ওদের আর দেখতে পাইনি। একটি মজার অভিজ্ঞতাকে সম্বল করে স্রষ্টাকে ধন্যবাদ দিয়ে সুজন স্থান ত্যাগ করল।

উক্ত ঘটনার সুজন এবং ব্লগার মাহমুদ রহমান একই ব্যক্তি। বেশ পুরানা ঘটনা নতুন করে সামনে আনার কারণ হলো বিবেক সত্যি। ছিনতাইয়ের ঘটনা সংক্রান্ত আগের পোস্টে সে ধন্যবাদের পুরোটা দেয়নি। বাকীটা তার কাছ থেকে এই পোস্টে পাব বলে আশা রাখছি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28810695 http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28810695 2008-06-17 21:40:12
ভালোবাসার পরশ
রাসুল সা. মক্কা থেকে মদীনায় হিজরত করলে জাহের তার প্রিয় বন্ধুকে কাছে থেকে হারান। এটা তার জন্য যথেষ্ট কষ্টের ব্যাপার ছিল। তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন তার বন্ধুর সাথে সাক্ষাত করতে মদীনায় যাবেন।

সিদ্ধান্ত মোতাবেক মদীনার উদ্দেশ্যে রওনা হলেন। বন্ধুর বাসায় যাওয়ার পূর্বে বাজারে যাওয়া তার রেওয়াজে পরিণত হয়েছিল। রেওয়াজমত মদীনার মার্কেটে তিনি কেনাকাটা করছেন।

ইতোমধ্যে প্রিয়তম নবীর কাছে খবর পৌঁছে যায় জাহের মদীনায় এসেছেন তার সাথে দেখা করতে। বন্ধুর আগমনে রাসুল সা. খুশী হলেন। তার অভ্যর্থনায় কিছু নাটকীয়তা দেখাতে চাইলেন। মনস্থির করলেন জাহের আমাকে দেখার পূর্বেই আমি জাহেরকে দেখব। বাজারের দিকে রওনা দিলেন জাহেরের খোঁজে। বাজারে গিয়ে জাহেরকে দেখতে পেয়ে তিনি পিছন থেকে তাকে জাপটে ধরলেন। অতঃপর রাসুল সা. বাজারের লোকদের ডেকে বলছেন, এ গোলামটা বিক্রি হবে... কে কিনবে একে? জাহের নিজেকে ছাড়িয়ে নিতে ব্যস্ত, কনুই দিয়ে গুঁতা দিচ্ছেন। অপরিচিত জায়গায় কে তাকে এভাবে জাপটে ধরল? বড়ই ভাবনার ব্যাপার!

রাসুল সা. যখন তাকে ছেড়ে দিলেন, পরস্পর পরস্পরকে ভালমত দেখলেন। রাসুল সা.কে হারিয়ে জাহেরের চেহারায় আরও পরিবর্তন এসেছে। জাহের তখন তার বন্ধুকে বললেন, হে আল্লাহর রাসুল আপনি এমন একজনকে বিক্রি করতে চাচ্ছেন যার কোন যোগ্যতায় নেই। কেউ এই অযোগ্যকে কিনবে না। রাসুল সা. তার বন্ধুর জবাবে কি বললেন? আল্লাহ কসম, তুমি আল্লাহর চোখে মোটেও অযোগ্য নও.... আল্লাহর কাছে তুমি অনেক মুল্যবান একজন।

আমরা সাধারণত কেবল তাদেরকেই গুরুত্ব দেই যাঁরা সমাজে স্ট্যাটাস সমৃদ্ধ, সোসাইটিতে যাকে সুন্দর দেখায়। যা আমাদের সাথে মানাবে না বলে মনে করি তা আমরা এভয়েড করি। প্রিয়তম নবী ছিলেন এসবের থেকে ব্যতিক্রম। এমন কে আছে যে তাঁর জীবন থেকে শিক্ষা নিতে চায়?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28809547 http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28809547 2008-06-14 21:41:16
তিনদিনের স্বেচ্ছা ব্লগ বিরতিঃ কর্তৃপক্ষের পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের তীব্র প্রতিবাদ
কর্তৃপক্ষ আমার অভিযোগকে আমলে আনেননি, এমনকি কোন জবাব দেয়ারও সৌজন্যতা দেখাননি। আমার মতামত, ইচ্ছা-অনিচ্ছার কি কোন মুল্য নেই....... একপক্ষ ক্রমাগত ব্যক্তি আক্রমন করে যাবে আর আমি কেন তা সহ্য করে যাব? পোস্টটিতে এমন কি লিখেছিলাম যার জন্য আমাকে ড়াজাকার বলা হবে? আমি তীব্র নিন্দা প্রকাশ করছি।

ব্লগ কর্তৃপক্ষের কাছে সবিনয়ে জিজ্ঞাসা, আপনারা কি ব্লগের স্বত্ব কারো কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন? আপনাদের কি এতটুকু উপলব্ধিও লোপ পেয়েছে যে আপনাদের আচরণ ন্যায়ের পক্ষে হচ্ছে না?

যে পোস্টে আমাকে আক্রমণ করা হয়েছে ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28808594 http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28808594 2008-06-11 20:54:40
ছিনতাইকারীর বুদ্ধি দেখে আমি অভিভূত!
সুজন নির্দেশ মতই এসে এক ভদ্রলোকের (!) কাছে জানতে চাইল তাঁর গন্তব্য কোথায়। লোকটি তাকে বলল, এই তো এখানেই, আমি পাসপোর্ট অফিসে চাকরি করি। একটু দাঁড়ান, গাড়ী আসবে আপনাকে দেখিয়ে দিব। অথচ সে লোক যেখানে দাঁড়িয়ে আছে তার দুই বিল্ডিং পরেই তাঁর গন্তব্য।

বেশ ভালো লোক মনে করে, সেখানে সুজন দাঁড়িয়ে গেল। লোকটি তার সাথে কথা জমিয়ে ফেললেন। কথার মাঝে বললেন, টাকা পয়সা সাবধানে রাখা উচিত। আপনি এক কাজ করুন আপনার টাকা একটা কাগজের মাঝে ভাঁজ করে পকেটে রাখুন বলে সে সিস্টেম দেখিয়ে দিল। আমরা লম্বা খামে যেমন কাগজ ভাঁজ করি, সেরকম তিন ভাঁজ করে ওর মধ্যে টাকাটা রেখে সুজনকে লোকটি বলল এভাবে (জামার ভিতরের) বুক পকেটে রেখে দেন এবং প‌্র্যাকটিক্যালি সে নিজের পকেটে রেখে দেখিয়ে দিল। ঠিক ঐ মুহুর্তে সে একটা গাড়ীকে দেখিয়ে বলল, এই যে আপনার গাড়ী চলে এসেছে..... তাড়াতাড়ি যান। বলেই লোকটি তার হাতে কাগজটি দিয়ে দিল (এর মধ্যেই কাজের কাজ সারা)।

সুজনের মনোযোগ তখন গাড়ী ধরার দিকে। টাকাসুদ্ধ (!) কাগজটা পকেটে রেখে গাড়ী ধরতে গেল। একটু পরেই জানল সে যেখানে যেতে চায় গাড়ীটা সেখানে যাবে না। ফিরে এসে লোকটিকে আর পেল না। হাজার খানেক টাকা গচ্চা গেল।

পুরা ঘটনায় সুজনের এতটুকুই সাফল্য যে, সে শিক্ষিত হলো এবং ভদ্রলোকের মুখোশ তার কাছে উম্মোচিত হলো!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28808183 http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28808183 2008-06-10 17:13:09
প্রিয় গান: আল্লাহকে ভালবাসি দিয়ে মন ও প্রাণ

এসো আল্লাহকে ভালবাসি দিয়ে মন ও প্রাণ
আল্লাহকে ভালবাসি দিয়ে মন ও প্রাণ।

সকল কাজে দেব মোরা তাহারই প্রমাণ,
নিশি-দিন তাহারই প্রমাণ।।

এসো আল্লাহকে ভালবাসি দিয়ে মন ও প্রাণ
আল্লাহকে ভালবাসি দিয়ে মন ও প্রাণ।

আল্লাহ দিলেন পথের দিশা আঁধার ভূবনে
বন্ধু তিনি সবার সেরা জীবন মরণে (২)

দুঃখের রাতে এই বুকেতে
মুশকিলে আসান যে তিনি মুশকিলে আসান

আল্লাহকে ভালবাসি দিয়ে মন ও প্রাণ।
এসো আল্লাহকে ভালবাসি দিয়ে মন ও প্রাণ

বনের পশু পাখপাখালি তাহার নামেতে
প্রাণ ভরে গায় তাজবি তারই সকাল সাঁঝেতে (২)

আমরা মানুষ অন্ধ বেহুঁশ
করি না সন্ধান যে তারে করি না সন্ধান

আল্লাহকে ভালবাসি দিয়ে মন ও প্রাণ।
এসো আল্লাহকে ভালবাসি দিয়ে মন ও প্রাণ

খোদার দেয়া জীবন বিধান আছে কোরআনে
চলতে হবে সেই বিধানে রেখ স্মরণে

আঁধার পথে বন্ধু সাথে
করবে আলো দান আমাদের করবে আলো দান

আল্লাহকে ভালবাসি দিয়ে মন ও প্রাণ।
এসো আল্লাহকে ভালবাসি দিয়ে মন ও প্রাণ

আল্লাহকে ভালবাসি দিয়ে মন ও প্রাণ। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28807039 http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28807039 2008-06-07 07:16:52
Show me: Hamza Robertson Show me a way and I’d be gone tomorrow
For there is only one way for you and me
Show me the way home

His character was a thing of beauty
One to be admired
And when I think of him
There’s a warm feeling deep inside
No one had conducts like him
And his enemies did agree
That he was known as the trusted one
Sent for you and me

CHORUS
The only time I feel happy
Is when he’s on my mind
When I think of his perfection
He was so merciful and kind
He’s a perfect example
Of the way we all should be
His mission was accomplished with grace
And he was sent for you and me

Bridge:
Have we forgotten the one who loves us the most?
Have we forgotten the pain and the sorrow?
He went through so much for us, so much don’t you know?
To show us the way home

CHORUS

If only I could be with him
Just for one day
Just to sit with him he could show me
The right way
In character in conducts and in body
And in mind
Nothing can compare to the master
Of mankind

View this link ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28803272 http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28803272 2008-05-27 10:21:22
সিরাতুল মোস্তাকিম কোনটা?
-- আচ্ছা, নামাযে তো প্রতি ওয়াক্তে বল , (সুরা ফাতিহায়) আমাকে সরল সোজা পথ (সিরাতুল মোস্তাকিম) দেখাও। এই সিরাতুল মোস্তাকিম কোনটা বলতে পার?

-- জ্বি দাদা! (আমি কিছুটা অপ্রস্তুত)

-- কুরআনের কোথায় বলা আছে সিরাতুল মোস্তাকিমের কথা?

-- দাদা পুরা কুরআন শরিফেই তো সেই পথ সম্পর্কে বলা আছে। (একটু চাপা মারার মত হয়ে গেল.... দাদার ভাল লাগল বলে মনে হলো না)

-- কুরআনে বেশ কয়েক জায়গায় আমি এই সিরাতুল মোস্তাকিমের কথা পেয়েছি।

-- কোথায় কোথায় দাদা?

-- সুরা ইমরান, মায়েদা, যুখরুফ (আরও কয়েকটার নাম বললেন মনে করতে পারছি না। ফোনে আয়াতটি পড়েও শোনালেন) ভাল করে পড়ে দেখবে। আচ্ছা, কুরআন শরীফ নিয়মিত পড়ো তো!

-- জ্বি দাদা, চেষ্টা করি। প্রতিদিন হয় না, তবে চেষ্টা করি।

-- কুরআন পড়লে বুঝতে পার তো? ও তুমি তো ব্যকরণ জানো না। ব্যকরণ জানলে কুরআন পড়ে খুব মজা লাগে......

-- জ্বী দাদা, ইচ্ছা আছে ব্যকরণটা জানার।

-- সিরাতুল মোস্তাকিমের পথ হচ্ছে, আল্লাহর দাসত্ব করা। অর্থাৎ, সব ব্যাপারে আল্লাহর আইন মেনে চলা (আল্লাহকে ইলাহ হিসাবে মানা)। কোন আপোষ না করা। তুমি যদি তাঁর দাসত্ব ব্যতিরেকে অন্যের পথ -মত অনুযায়ী চলো তবে তোমার নামাজ রোযা কোন কাজে আসবে না।

দাদার সাথে কথোপকথোন শেষ হওয়ার সাথে সাথেই কুরআনে খুঁজলাম। ইমরান খুঁজে দাদার পঠিত আয়াতটি পেলাম। আল ইমরানের ৫১ নম্বর আয়াত....

" আল্লাহ আমারও রব, তোমাদেরও রব, অতএব তোমরা তাঁরই বন্দেগী কবুল করো। এটাই সিরাতুল মোস্তাকিম।"

সুরা যুখরুফের ৪৩ নং আয়াতে সিরাতুল মুস্তাকিম নিয়ে বলা হয়েছে.....

" অবস্থা যাই হোক, তুমি এই কিতাবকে শক্ত করে ধরে থাক যা ওহীর মাধ্যমে তোমার কাছে পাঠানো হয়েছে। তুমি নিঃসন্দেহে সিরাতুল মোস্তাকিমের পথিক হয়ে আছো।"


আরও বিস্তারিত জানার আগ্রহ আছে। আপনারাও আমার সাথে আপনাদের জানা ব্যাপারগুলো শেয়ার করতে পারেন। ইচ্ছা আছে, আরেকটু গভীরে ব্যাপারটি জানার।

আল্লাহ আমাকে সেই তৌফিক দান করুন।। আমীন।।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28795988 http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28795988 2008-05-09 23:27:55
সম্ভবত ঠিক হচ্ছে না, আপনারা জিতছেন কি?
বেশ আগে পিয়াল ভাই এর একটা পোস্ট খেয়াল করেছিলাম যেখানে উনি রাজাকারদের গাইলাই যাইবেন বলে লিখেছিলেন। নিজের আদর্শের বিরোধী কাউকে রাজাকার বানিয়ে তারপর গালির বন্যা বইয়ে দিতে হবে, অতপর নিজেরাই অপমানিত বোধ করে ব্লগ ছেড়ে চলে যাবেন। কৌশলটা মন্দ ছিল না, ইনফ্যাক্ট মুসলিমরা ''অমানুষ' হওয়া পছন্দ করে না।

আমি বিশ্বাস করি এবং করতে চাই...... ব্যক্তিগত জীবনে এঁরা (যাঁরা এই অভিনব কৌশলের উদ্ভাবক) কেউই এরকম নিচু মনের লোক নন, যথেষ্ট যোগ্যতাসম্পন্ন উঁচু মানের লাইফই লিড করেন। ব্লগে এধরনের ভঙ ধরেন কেবল বিপক্ষদের বিতাড়নের নিমিত্তে, কারণ বিপক্ষদের সাইকোলজি তাঁদের ভাল করেই জানা আছে।

তবে একটা জায়গায় আমি বলতে পারি তাঁরা নিশ্চয়ই ভুল করছেন। তাঁদের ধারণা এই সব লোকগুলি গুটি কয়েক। গুটি কয়েককে বিদায় করলেই ল্যাঠা চুকে যায়। তাই নতুন কোন ব্লগার একই মানসিকতাসম্পন্ন হলে পুরাতনদের ক্লোন বলে ভুল করেন। আমি নিশ্চিত করেই বলতে পারি..... এই সংখ্যা গুটি কয়েক নয়। অন্য কোন মানুষ এসে ঠিকই এই জায়গা পুরন করে নেবে।

আপাত সফল মনে করলেও অবশ্যই এ প্রচেষ্টা চূড়ান্ত পর্যায়ে সফল নয়। এর থেকে ভাল বুদ্ধি হচ্ছে, যুক্তি দিয়ে ডিফেন্ড করা। এতে নিজের মান মর্যাদাও ঠিক থাকে, আপনি বিশ্বাসকেও আগিয়ে নিতে পারেন। কিন্তু সম্ভবত এ পথে তাঁরা আগান না এটা জেনে যে, এভাবে জিতা যাবে না। মিথ্যা মিথ্যার সাথে পারতে পারে সত্যের সাথে নয়..এটলিস্ট শয়তান তো অবশ্যই সেটা জানে।

একটা গল্প বলি, কোন এক ভদ্র লোক বিদেশে খুবই উন্নত একটা চাকরি পেয়েছেন যা তাঁর প্রাপ‌্যের চেয়েও বেশি কিছু। যেই দিন জয়েন করার কথা (ঐদিন না গেলে চাকরিটা তাঁর হবে না) দু:খজনক ভাবে ঢাকা শহরে অপ্রত্যাশিতভাবে দীর্ঘ যানজটের কারণে জিয়া বিমান বন্দরে সঠিক সময়ে পৌঁছতে সক্ষম হননি। তখন তিনি চিৎকার করে বলছেন... দুনিয়াতে আমার মত হতভাগা আর কেউ নেই। হতাশায় ভরা একটি দিন পার করে পরদিনের সংবাদপত্রে চোখ বুলাতে গিয়ে উনার চোখ ছানাবড়া। নিউজ হয়েছে.... গতকালের সেই বিমানটি সকল যাত্রীসহ ক্র্যাশ করেছে এবং সবাই নিহত হয়েছে। ভদ্রলোক তখন চিৎকার করে বলছেন...... দুনিয়ায় আমার মত সৌভাগ্যবান আর কেউ নেই। গল্পটির বটম লাইন..... চূড়ান্ত সফলতাই প্রকৃত সফলতা (সকলের জন্য)

মানুষ মানুষের জন্য সবচেয়ে কম যেটুকু করতে পারে...... তাঁকে মানুষের সম্মান দেয়া, সে যেই হোক না কেন। ভূপেন হাজারিকার এই "মানুষ মানুষের জন্য একটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারে না?"...... গানটার হৃদয় স্পর্শী বক্তব্য কি অধরায় থেকে যাবে? আমরা ইস্যূ (হিউম্যান রাইটস) নিয়ে অনেক কথা বলি, বাট রাইট টাইমে সেই ইস্যূটাকে এড্রেস করতে পারি না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28795608 http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28795608 2008-05-08 21:15:16
আমার কেবল ইচ্ছা করে.........
সবার মত আমারও একটা ভাবার মত মন আছে। আমিও ভাবি, আমার চারিদিকে যা ঘটে...যে বিষয়ে আমার জ্ঞান আছে তা-ই আমার ভাবনার বিষয় বস্তু। আমার চিন্তা-শক্তির সীমা-রেখা ছোট না বড় সেই তুলনা হয়ত আমি করতে পারি না, তবে চিন্তা করার মত একটা ক্ষেত্র যে আমার আছে সেটা ভালই উপলব্ধিতে আসে। আমার চিন্তা অন্যেরা জানতে পারে আমার কথায়, আমার লেখায়, হয়ত বা আমার আচরণেও। আমি কিছু জিনিস জানাতে চাই, কিছু জিনিস জানতে চাই।

আমি যখন জুমাবারে মসজিদে যাই, খতিবের খুতবা শুনি; খতিবের (সবারই না) অনর্থক চিৎকার চেচামেচি শুনে, ১৫ মিনিট ধরে কে কে দোয়া চেয়েছেন তার ফিরিস্তি শুনে, আরও ১৫ মিনিট মসজিদের উন্নয়ন কাজে শরীক হলে কি কি লাভ তার ওয়াজ শুনে, ইচ্ছা করে মসজিদের খতিব হয়ে যাই। খতিবের মুল্যবান কথার ফাঁকে আমার চিন্তা-শক্তি অন্য কোথাও দৌড়িয়ে বেড়াই। সারা দেশে মসজিদ ছড়িয়ে আছে, কতশত মানুষ সপ্তাহের একটি দিন একত্রিত হচ্ছে, ভাবা যায়!

রাস্তা দিয়ে হাঁটি, দেখি সবল কর্তৃক দুর্বল নির্যাতিত হচ্ছে। পুলিশের ভূমিকা যেখানে নিরব দর্শক, ইচ্ছা করে পুলিশ হয়ে যাই। তখন মনে হয়, পুলিশ হয়ে জাতিকে অনেক কিছু দেবার আছে। পারি না।

পত্রিকায় যখন দেখি খাবারের জন্য মা তার সন্তানকে বিক্রি করছেন। তখন ইচ্ছা করে, সবাইকে শুনিয়ে দেই মহানবীর সেই বাণী.... সেই ব্যক্তি আমার দলভূক্ত নয় যে পেটপুরে আহার করে আর তার প্রতিবেশি অনাহারে রাত্রি যাপন করে। আফসোস হয়, এমন একটি প্রতিবেশীও কি সেই মহিলার পাশে ছিল না যে রাসুলের দলভূক্ত হতে পারে? আবার আঁতকে উঠি, আমার আশেপাশে এমন কেউ নেই তো!

চারিদিকে মিথ্যার ছড়াছড়ি, সন্দেহ-সংশয়, অনুমান-ধারণার ভিত্তিতে কথা বলা। যা দেখলে মানুষ আস্বস্ত হতে পারে সেটাকেই ঢাল হিসাবে ব্যবহার করে অন্যায় করা। আমি ভাবি, এসবের থেকে পরিত্রাণের উপায় কি?

ছোট ছোট শিশুদেরকে দেখি ভারী ব্যাগ ঘাড়ে স্কুলে যেতে। যে শিশুকে 'এক গ্লাস পানি আন তো' বললে বুঝে না কি করা উচিত..... আর তাকেই শিক্ষিত করার জন্য বাবা-মায়ের সে কি নিরন্তর দৌড়-ঝাপ! এসব শিশুদের কথা ভেবে কষ্ট লাগে। যে শিশু নিমর্ল আনন্দের উৎস.... তার থেকে এত দ্রুতই স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়ার কি দরকার? আসলে মায়েরা ব্যস্ত, শিশু-গঠনে সময় দেওয়ার মত সময় তাদের নেই। ইচ্ছা করে এসব অসহায়দের জন্য কিছু একটা করি..... উল্টো দিকে এমন অনেক শিশু ছড়িয়ে আছে যারা ক্লাশ ফাইভ পাশ করে গেছে অথচ বর্ণমালা চিনতে ভুল হয়।

টিভির নাটক যখন দেখি নাট্যকার হতে ইচ্ছা করে, সিনেমার পরিচালক হওয়ারও সখ জাগে যখন বাংলা ছবি দেখি। আবার যখন ভাল কোন গান শুনি, মনে হয় একটি গানই দেওয়ার মত অনেক কিছু। যখন সংলাপ দেখি, মেজাজ খারাপ হয়; মনে হয়, আসল কথাটাতেই তারা এড়িয়ে যাচ্ছে।

এত কিছু ভাবনার মধ্যে সামহয়্যার আমার অনেকটা জুড়ে থাকে। মনে কোন বিষয় আঁকু-পাঁকু করলেই মনে হয় আমার চিন্তার ভাল একটা রুপ দেই। আমার বলার জায়গা আছে। আমাদের মত লোকদের (যাদের চিন্তা-ভাবনা পত্রিকায় প্রকাশের সম্ভাবনা নেই লেখা সেই মানে উত্তীর্ন না হওয়ার অভিযোগে) জন্য এটা অনেক কিছু। আমার ভাবনা ঐখানেই, এই জায়গাটিতেই সামহয়্যার যারা বানিয়েছে তারা বুঝে না। কিছু মানুষ তারপরও চায় না আমি ভাবতেই থাকি, আমার ইচ্ছাগুলো সামনে এগুতে থাকুক। এক বুক বেদনা নিয়ে অনেককে আমি সামহয়্যার ছেড়ে যেতে দেখেছি। সর্বশেষ ছেড়ে গেলেন বোন ফারজানা । নির্মমতা মাত্রা ছেড়ে গেল, যখন চলে যাওয়া মুহুর্তেও ভাষা কেড়ে নেয়া হলো। জানি না, সামহয়্যার আর কত মানুষকে বাঁধ ভাঙ্গার আওয়াজের লালসা দেখিয়ে বিদায় করবে।.......আমার চিন্তা থামেনা। তখন খুব করে ইচ্ছা করে, আমি যদি মডারেটর হতাম! কিন্তু সেটা সম্ভব নয়।

এত কিছু ভাবতে ভাবতে(বড় হয়ে যাবে হেতু সব ভাবনায় জানানো গেল না বলে দুঃখিত) স্রষ্টার সেই বাণীতে এস আমি আটকে যাই। সুরা বাকারার শেষ আয়াতের অংশ বিশেষ.......আমি কারও উপরই তার সামর্থের অতিরিক্ত বোঝা চাপিয়ে দেই নি। অর্থাৎ, সামর্থের অতিরিক্ত কোন বিষয়ই কারও জন্যই বোঝা নয়, সেটার জন্য তাকে জবাবদিহী করতে হবে না। সামর্থের মধ্যে যা কিছু করণীয় তার জন্য আমি রেসপন্সিবল। ভাবনা তখন নতুন মোড় নেই। সত্যিই তো, এত ভেবে লাভ কি? আমার যা করার সেটা আমি করছি তো! নাকি আমাকে দেখে আমার যতটুকু ক্ষমতা আছে তার জন্য অন্যেরা আফসোস করে! তাইলে তো সর্বনাশ!! আমার আসলে আমার ক্ষেত্রের মধ্যের কাজকেই প্রাধান্য দেয়া উচিত। আমার কাজ অন্যেরা করে দিবে না, আমার কাজ আমাকেই করতে হবে।

হে আল্লাহ, আমার কর্তব্যে যাতে অবহেলা তৈরি না হয় সেজন্য তোমার সাহায্য চাচ্ছি। আমীন।।




]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28794983 http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28794983 2008-05-07 00:04:46
নির্বাচন কমিশনের একটি সুন্দর প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত হলাম, তবে.....
ফর্ম ফিলাপ করে সেটা সাইন করাতে হবে, যথাযথ কর্তৃপক্ষ আসেন নি। একটু দেরি হচ্ছে, স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা বললেন আপনারা বাড়ী যান, সময় হলে খবর দিব। এই ফাঁকে বিভিন্ন আত্নীয় স্বজনের বাড়ী ঘুরলাম। যখন ফাঁকা হলো তখন গেলাম ছবি তুলতে। ছবি তোলা শেষে (যাঁরা ছবি তুললেন) আমাদের বললেন, বর্তমান ঠিকানার ঘরে ঐ ঠিকানা দিতে হবে যেই ঠিকানায় আপনি ভোটার হচ্ছেন। তার মানে স্থায়ী ঠিকানাকে বর্তমান ঠিকানা হিসাবে লিখতে হবে। এবারই বাধল বিপত্তি, যদি তাই করতে হয় তবে মিথ্যা তথ্য দিতে হবে। অথচ ফর্মেই আমি যা তথ্য দিয়েছি তা সত্য বলে উল্লেখ করেছি। আব্বা কিছুতেই মানতে নারাজ। উনি বলছেন, আমি যেখানে আছি...দুই মাস পরে সেখানে থাকার সম্ভাবনা নাই। তখন তো আর আমি সেখানকার অধিবাসী নই। তবে, কিভাবে সেখানকার ভোটার হওয়া যাবে? স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা বললেন, আসলে ভুলটা নির্বাচন কমিশনই করেছে...। স্থায়ী ঠিকানাতেই ভোটার করা উচিত ছিল। বর্তমান ঠিকানার কতটুকুই বা মুল্য আছে? শেষমেষ, আমরা অন্যায় করছি না বরং আমাদেরকে দিয়ে অন্যায় লেখানো হচ্ছে এটা মনে করে এই প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত হলাম।

এখন দেখা যাক, সংবিধানে ভোটার হওয়ার ব্যাপারে কি বলা আছে.......

সংবিধানের সপ্তম ভাগে নির্বাচন নামক সূচীতে ১২২ এর (২)- এ বলা হয়েছে,
" কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার- তালিকাভূক্ত হইবার অধিকারী হইবেন, যদি
(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন;
(খ) তাহার বয়স আঠার বৎসরের কম না হয়;
(গ) কোন যোগ্য আদালত কর্তৃক তাঁহার সম্পর্কে অপ্রকৃতিস্থ বলিয় ঘোষণা বহাল না থাকিয়া থাকে; এবং
(ঘ) তিনি ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বা আইনের দ্বারা ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হন।
(আমি যেই সংবিধান থেকে কোড করছি সেটা ১৯৯৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সংশোধিত)

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, আমি কোন এলাকার অধিবাসী? আমার যেটা বাড়ী, যেখানে আমার ঘর আছে..... আমি কি সে এলাকার অধিবাসী নই?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28788994 http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28788994 2008-04-18 12:27:21
টাকা পয়সার এখন অনেক দাম
গত পরশু দিনের কথা। গুলশানের রাস্তায় হাঁটছিলাম। সাথে পরিচিত একজন ছিলেন। হঠাৎ দেখলাম একটি লোকের অন্যায় আচরণের কারণে একটি ছেলে কান্না করছে, লোকটি তাকে মারতে উদ্যত। সাথের ভাইকে বললাম, চলেন ঠিক করে দিয়াসি। কাছে গিয়ে বললাম, কি হয়েছে? ছেলেটি কান্না রেখেই বলল, আমার বই এই লোক জোর করে বিক্রি করে দিয়েছে। উল্লেখ্য, তারা দুজন পরস্পরের কলিগ। ইংরাজী ম্যাগাজিন বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে। লোকটি বলছে, সে আমাকে বলেছে বিক্রি করে দিতে। পুরো ব্যাপার শুনে যা বুঝলাম, ম্যাগাজিনটির ক্রয়মূল্য ৬০ টাকা। লোকটি তা বিক্রি করেছে ২০০ টাকায়, এখন সে ছেলেটিকে দিচ্ছে ৮০ টাকা। সে বলছে, আমি তাকে বেশিই দিচ্ছি। বইটির গায়ে দাম লেখা আছে ৮০ টাকা। ছেলেটি দাবী করছে ১০০ টাকা। আমি ছেলেটিকে বললাম, তুমি কি তাকে স্বেচ্ছায় দিয়েছো? বলল, না; জোর করে নিয়েছে। আমরা লোকটিকে প্রেসার দিলাম, ধমক দিলাম। বললাম, তুমি তো বইটি চুরি করে বিক্রি করেছ...... তুমি লাভ করবা ১২০ টাকা আর তাকে দিবা মাত্র ২০ টাকা? তাকে টাকা ফেরত দাও। চাপাচাপির পর সে ২০ টাকা দিল। উপস্থিত অনেকের রাগ তখনও না কমলেও ছেলেটি এই ২০ টাকার দাবীই মেনে নিল।

মানুষ আসলে কষ্টে আছে, তার সাইকোলজি দেখলে বোঝা যায়। এখন আমি অল্প পথও রিক্সায় যায়। আগে কোন আশ্রয় প্রার্থী হাত পাতলে সামনে অনেক যুক্তি কাজ করতো...... এসব ভন্ড, ব্যবসা ইত্যাদি ইত্যাদি। এখন চেষ্টা করি , ফিরিয়ে না দিতে। অনেক কিছুই করতে ইচ্ছা করে, মনে হয় প্রতিদিন না হলেও কোন কোন দিন কাউকে বাসায় ধরে এনে খাওয়ায়, পেট ভরে আহার করুক। পারি না, লজ্জা করে.......অন্যরা অতি মহানুভবতার ধোঁয়া তুলে খোঁটা দিতে পারে বলে। তবে তাগিদগুলো আমাকে তাড়া করে ফিরে, এক ধরনের অস্বস্তি রয়ে যাচ্ছে মনে। নাহ! সাহসী হতে হবে...... এভাবে চলে না!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28786467 http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28786467 2008-04-10 00:01:34
কি সাংঘাতিক স্ববিরোধীতা! ও কারা কোরান, বেদ, বাইবেল চুম্বিছে মরি' মরি'/
ও মুখ হইতে কেতাব-গ্রন্থ নাও জোর ক'রে কেড়ে,/
যাহারা আনিল গ্রন্থ-কেতাব সেই মানুষেরে মেরে।/
পূজিছে গ্রন্থ ভন্ডের দল! - মূর্খরা সব শোনো,/
মানুষ এনেছে গ্রন্থ; - গ্রন্থ আনেনি মানুষ কোনো!/......।(নজরুল)


উপরের চরণ ক'টি নজরুলের। নিচেরগুলিও নজরুলের.....

কুরআন আমার ডংকা
আমার কিসের শংকা
আমার নাহি নাহি ভয়
মুসলিম আমার পরিচয়।।
(স্মরণশক্তিজনিত সমস্যার কারণে লাইনগুলো এলোমেলো হতে পারে)

একেবারে দুইমেরুর দুটি লেখা, একই লেখকের কলম থেকে বেরিয়েছে। সে কারণেই বোধহয় খুব আস্তিক এবং খুব নাস্তিক দুই দলই নজরুলকে খুব আপন ভাবতে পারে।

উপরের কবিতার শেষের লাইনটি ছাড়া আমি সমস্যা দেখছি না, যারা কেবল গ্রন্থের পূজা করে আমি তাদের দলে নই।.......মানুষ এনেছে গ্রন্থ; -গ্রন্থ আনেনি মানুষ কোন! নজরুলকে ভালবাসি বলেই একথার অর্থ নিজের মত করে ব্যাখ্যা আমি করবো না। তবে, সন্দেহ নেই যে, কোন আসমানী কিতাবই মানুষের বানানো নয়। কুরআন ছাড়া আর সবই মানুষ তার মত করে বানিয়ে নিয়েছে। বহু মানুষ 'মানুষ' হয়েছে এগ্রন্থের ছোঁয়ায়।

আমি নজরুলকে বাংলা সাহিত্যের একজন অবাক করা কবি বলেই জানি। এমনিতেই কবিদের ছন্দ মিলানোকে আমার কাছে জাদু বলেই মনে হয়। কবি হওয়া সাধনার কোন বিষয় নয়, এটা স্বভাবজাত। নজরুলের কারণে বাংলা সাহিত্য সমৃদ্ধ হয়েছে অনেক বেশি। আমি নজরুলের সেই গানের কোন বিকল্প খুঁজে পাই না......ও মন, রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ। এ দিনকে কেন্দ্র করে যত গান রচিত হয়েছে টিকেনি, যতটা টিকেছে এই গানটি। একেবারে ইসলামিক সেন্স জাগিয়ে তুলে লেখা হয়েছে এটি। তা সত্তেও যত্রতত্র গাওয়া হয়েছে এ গান। এই গান শুনেনি বাংলা ভাষার এমন কোন লোক (অন্তত বাংলাদেশী) আদৌ পাওয়া যাবে বলে মনে হয় না। ট্যালেন্টের জয় হয়েছে.... নজরুল দেখিয়ে দিয়েছেন কিভাবে সত্যকে সুন্দরভাবে তুলে ধরতে হয়।

আমার জীবনে শোনা শ্রেষ্ঠ কবিতা হচ্ছে...... আমি হব সকাল বেলার পাখি, সবার আগে কুসুম বাগে উঠব আমি জাগি। এটিও নজরুলের। নজরুলকে ভালবাসি বলে নয়, কবিতাটিই আমাকে নজরুলের ট্যালেন্ট চিনতে সাহায্য করেছে। নিজেকে কিশোর ভাবতে ভাল লাগে, মনে হয় প্রত্যেকটি কিশোরকে ডেকে শোনায়। দেখ, আমাদের নজরুল তোমাদেরকে কত্ত ভালবেসে কথাগুলি লিখেছেন। কবিতাটিতে কী নিপূণতায় ফুটে উঠেছে দুরন্ত ছেলের সাথে মায়ের ভালোবাসা।..... বলব আমি, আলসে মেয়ে ঘুমিয়ে তুমি থাকো।

প্লিজ চলে যাবেন না, কয়েকবার চোখ রাখুন চরণগুলিতে.......প্রত্যেক মা-ছেলেকে শুনিয়ে দিতে ইচ্ছে করছে......

আমি হব সকাল বেলার পাখি
সবার আগে কুসুমবাগে উঠব আমি জাগি।
সূয্যিমামা জাগার আগে উঠব আমি জেগে
হয়নি সকাল ঘুমো এখন, মা বলবেন রেগে।
বলব আমি, আলসে মেয়ে ঘুমিয়ে তুমি থাকো
হয়নি সকাল তাই বলে কি সকাল হবে নাকো?
আমরা যদি না জাগি মা কেমনে সকাল হবে
তোমার ছেলে উঠলে মাগো রাত পোহাবে তবে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28786406 http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28786406 2008-04-09 20:26:52
মানুষকে আর কত অপমানিত করা হবে?
তসলিমা নামে এক মহিলার চার সন্তান ছিল। এখন আছে দুটি। বাকী দুটি বিক্রি করেছেন অন্যদের খাদ্যের যোগান দিতে। অভাবের কারণে এমনটি করতে হয়েছে। শেষেরটি বিক্রি করেছেন পাঁচ হাজার টাকায়। তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, অভাবের কারণে কি বাকীদেরও বিক্রি করে দিবেন? ডুকরে কেঁদে উঠে বলেছিলেন জীবন চলে গেলেও আর এমন ভুল করবো না॥

নিউজটি পড়ার পর থেকে আমি স্বাভাবিক হতে পারছলামি না। বাসায় কেউ ছিল না, অনেক্ষণ কাঁদলাম। খুব কষ্ট লাগল। খুবই অসহায় বোধ করছি। এখনও আমি নিজেকে সান্ত্বনা দিতে পারছি না। কেমন একটি অপরাধবোধ তাড়া করে ফিরছে।

আমার মেজ মামার ৪ মেয়ে। বড় মামার কোন সন্তান নেই। মেজ মামার শেষের সন্তান হওয়ার আগে কথা হয়েছিল এটি বড় মামাকে দিয়ে দেয়া হবে। মেজ মামীকে বুঝিয়ে সুঝিয়ে রাজীও করানো হয়েছিলো। সন্তান জন্মের পর মামী আর সেই কথা রাখতে পারেন নি।

একটা সন্তান জন্মের পর মায়ের স্নেহ, ভালোবাসা পেল না... যেটা পৃথিবীর আর কোথাও নেই। তাও সেটা কেবল অভাবের কারণে। সেটিও বড় কথা নয়, মানুষকে বিক্রি করা হচ্ছে নামমাত্র মুল্যে। এটা মানুষের জন্য কত ভয়াবহতম অবমাননা। আমি খুবই লজ্জিত, নিজেকে খুবই মুল্যহীণ মনে হয়েছে। মানুষ কত বড় বিপদে পড়লে এরকমটি করতে পারে? আমাদের সোসাইটি অন্নের খুব স্বাভাবিক চাহিদা নিশ্চিত করতে পারেনি। স্রষ্টা ব্যাপারগুলোকে কিভাবে দেখেন? আমি জানি না তাঁর কোন বান্দাকে এভাবে অপমান করার বেদনা তার কাছে কেমন? তবে কিছুটা আঁচ করতে পারি। কোরআনের কোন একটা আয়াতে আমি দেখেছিলাম যেখানে বলা হয়েছে, স্রষ্টা আইয়ামে জাহেলিয়াতের সময়ে যেসব মেয়ে শিশুকে জীবন্ত কবর দেয়া হতো তাদের উদ্দেশ্যে কিয়ামতের দিন বলবেন, কোন অপরাধে তোমাদেরকে শাস্তি দেয়া হয়েছে? (এক্সাক্ট মনে নেই)। স্রষ্টার বর্ণনাভঙ্গি দেখে বুঝেছিলাম তাঁর ক্রোধটা কতখানি? যারা তাদেরকে শাস্তি দিত তাদের জিজ্ঞাসাবাদ না করে যাদেরকে শাস্তি দেয়া হয়েছে তাদের কাছেই জানতে চাচ্ছেন স্রষ্টা। অর্থাৎ, যারা তাঁর সৃষ্টির সাথে ন্যাক্কারজনক কাজ করে তাদের জিজ্ঞাসা করার প্রশ্নই আসে না। স্রষ্টার দৃষ্টিভঙ্গিটা সেদিন আমি বুঝেছি। ইসলাম যে হোল হিউম্যানিটির জন্য আশীর্বাদ তা বুঝতে এতটুকু বাকী ছিল না আমার।

হাদীসে এসেছে, সেই ব্যক্তি আমাদের দলভূক্ত নয় যে পেটভরে আহার করে আর তার প্রতিবেশী অভূক্ত থাকে। একেবারেই মানুষ সম্পর্কে বলা হয়েছে, প্রতিবেশী কে সেটা দেখতে বলা হয়নি। তসলিমার আশেপাশে কি এমন কেউই ছিল না? তাঁকে এরকম একটা কাজ করতে হল! আমি আসলেই খুব দুর্বল, আমার আসলে কিছুই করার নেই। আমার পাশে এরকম তসলিমা নেই তো! আমি কিছূই জানি না। আমার কিই বা করার আছে।

আমরা হিউম্যানিটির জন্য আসলে কিছুই করতে পারলাম না, মুক্তির আসা নাই। স্রষ্টা সব নেয়ামত সম্পর্কে কড়ায় গন্ডায় হিসাব নিবেন। আমি আমার মুক্তি নিয়ে বড়ই চিন্তিত। হে আল্লাহ তুমি আমাকে মাফ করে দিও...... আমি এর বেশি কিছু বলতে পারছি না।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28782289 http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28782289 2008-03-25 09:56:19
গল্প লেখার চেষ্টাঃ ইয়াসির ফাজাগার প্রতি কৃতজ্ঞতা
তিন বছর পর, এখন তাঁর ফুটফুটে একটি মেয়ে আছে। কথা বলতে পারে। জেল গেট থেকে বেরিয়ে তাঁর সন্তানকে দেখলেন, তাঁর স্ত্রীকে দেখলেন। আনন্দের আতিশয্যে কেঁদে ফেললেন, বাঁধ ভাঙ্গা সুখের কান্না। মেয়েকে চুমু দিলেন। বুকে জড়িয়ে ধরলেন, আদর করলেন। মেয়ে ভাবলেশহীন। প্রত্যুত্তরে সে কোন অনুভূতিই দেখাল না।

বাড়ী ফিরলেন। স্ত্রীর সাথে ভালোবাসা বিনিময় করলেন। বহুদিনের বিচ্ছিন্নতার পর পরিবারের সাথে একত্রিত হওয়া।

তিন বছরে চেহারায় ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। স্ত্রী অন্যদিকে ব্যস্ত, মেয়ে পিতার কাছে। মেয়ে পিতাকে স্যার সম্বোধন করছে। বাবা ভালোবাসামিশ্রিত আবেগ দেখিয়ে বললেন,

- আমি তোমার বাবা, আমি স্যার নই। আমাকে বাবা ডাক।
- নো...... বাবা তো সেই লোক যিনি প্রতি রাতে আমার মায়ের সাথে ঘুমিয়ে থাকেন।

ওয়েট এ মিনিট, আমরা ঘুরে আসি অন্য কোথাও থেকে। আচ্ছা, যে লোক সম্পূর্ণ অন্যায় একটা মামলায় তিন বছর শাস্তি ভোগের পর তার নিজের মেয়ের কাছে এরকম জবাব শুনলো, তার অনুভূতি কেমন হওয়ার কথা। যে স্ত্রীকে তিনি প্রাণের চেয়েও বেশি ভালোবাসতেন, সেই স্ত্রী তিন বছরে তাঁকে ভুলে গেল? পরিবার এখন আর তাঁর প্রতি বিশ্বস্ত নয়? একেই কি বলে, কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দেওয়া? এর থেকে দুঃখের আর কি হতে পারে?

মুক্তির যে স্বাদ তিনি পেয়েছিলেন, নিমিষেই তা ভুলে গেলেন। চেহারা মলিন হয়ে গেল। সহসা পরিবর্তন স্ত্রীর নজর এড়াল না। ভাবলেন যে কোন কারণেই হোক স্বামীর মুড অফ। ভাব জমানোর চেষ্টা করলেন। স্বামীকে বললেন,

- তোমার হয়ত মনটা ভাল নেই। আচ্ছা, এক কাজ করলে কেমন হয়- আমরা তিনজনে মিলে এবার হজ্বে যাই।

স্বামীর যন্ত্রণা অন্য জায়গায়। কোন সান্ত্বনাই মন ভাল করার জন্য যথেষ্ট নয়। স্ত্রীর এই প্রস্তাবে ক্রোধ আরও বেড়ে গেল। ক্ষোভ নিয়ে বললেন,

- হজ্বে যাওয়ার কথা বল কোন মুখে? তুমি আল্লাহর ঘরে যাওয়ার যোগ্যতায় তো রাখ না, সে পবিত্রতা তোমার নেই।
- মানে? তুমি কি বলতে চাইছ?

ক্ষোভের মাত্রা বেড়ে গেল। স্ত্রীকে জোরে একটা ধাক্কা দিলেন। স্ত্রী আচমকা ধাক্কা সইতে না পেরে সিঁড়ি গড়িয়ে একদম নিচে পড়ে গেলেন। ঠিক সেই মুহুর্তেই মেয়ে ফ্রেমে বাঁধানো একটি ছবি দেখিয়ে বলল,
- এই যে দেখুন, এটাই আমার বাবা।
- মানে? (দেখতে পেল যে এটাই তাঁর ছবি)
- আমি প্রতি রাতে মাকে এসে বলতাম মা আমি তোমার কাছে ঘুমাবো। মা বলতেন, না.... আমি তোমার বাবার সাথে ঘুমাবো; তুমি পাশের ঘরে শোও। বলেই মা ছবিটা বুকের কাছে জড়িয়ে ধরতেন।.... এটাই আমার সেই বাবার ছবি।
এদিকে স্ত্রীর স্পাইনাল কডে মারাত্নক আঘাত লাগল। একহাত এক পা প্যারালাইজ্ড হয়ে গেল। শরীরের অর্ধেকটা চেতনা হারাল। এমন কি আছে যা এই লোকের জন্য সান্ত্বনা হতে পারে? নেই.......! আমি এমন কিছুই দেখছি না।

মানসপটে ভেসে উঠছে একটি আয়াত। স্রষ্টা তাঁর বান্দাকে কি শেখাচ্ছেন সেখানে?

“ হে ঈমানদার লোকেরা! কোন ফাসেক তোমাদের নিকট যখন কোন খবর নিয়ে আসবে তখন তা যাচাই করে নেবে যাতে তোমরা অজ্ঞাতসারে অন্য মানুষদের ক্ষতি না করো এবং নিজেদের কৃতকর্মের জন্য লজ্জিত হয়ে না পড়ো”। (সুরা হুজরাতঃ আয়াত ৬)

কে কবে জানিয়েছে এমন করে? মানবিক মর্যাদা কে কবে গড়ে দিয়েছে? যিনি স্রষ্টা তিনিই তো।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28781847 http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28781847 2008-03-23 21:49:18
মহানবীর (সা.) একটি সামগ্রিক ছবিঃ পক্ষপাতহীনের দৃষ্টি থেকে
উম্মে মাবাদের বিবরণ থেকে এটা জানা যায়। মহানবী (সা.) সুর পর্বতের গুহা থেকে মদীনায় হিজরত করার জন্য রওনা দিলেন, তখন প্রথম দিনই খুযায়া গোত্রের এই মহিয়সী বৃদ্ধার বাড়ীতে যাত্রা বিরতি করেন। উম্মে মাবাদের স্বামী বাড়ী ফিরলে তিনি একজন আগন্তুকের আগমনের কথা বলেন। তখন তাঁর স্বামী বলেন, এই কুরাইশী যুবকের আকৃতির বিবরণ দাও তো, সে সেই বহুল প্রত্যাশিত ব্যক্তি কিনা দেখি। তখন উম্মে মাবাদ উপরোক্ত ভাষায় সেই বিবরণ দেন। উম্মে মাবাদ সেই সময় রাসুলকে (সা.) চিনতেন না। ফলে তাঁর বিবরণ সম্পূর্ণরুপে পক্ষপাতদুষ্টমুক্ত।

লেখাটি নঈম সিদ্দিকীর মানবতার বন্ধু মুহাম্মদ রাসুলুল্লাহ সা. থেকে নেয়া। বইটি প্রকাশ করেছে শতাব্দী প্রকাশনী। রাসুলের জীবনী নিয়ে একটি অনবদ্য গ্রন্থ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28781252 http://www.somewhereinblog.net/blog/rony_me01blog/28781252 2008-03-21 19:51:47
যে ম্যাস