আমার প্রিয় পোস্ট

নিজের পরিবর্তন এবং দেশের পরিবর্তন

একটি মানবিক আবেদন

০১ লা মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৫২

শেয়ারঃ
0 20 0

এমদাদুল হক মিলন একজন উদীয়মান প্রতিভাবান ওয়েব প্রোগ্রামার (পিএইচপি-মাইসিকিউএল)। দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-বাংলাদেশের আইটি সেকশনের কর্মী। সম্প্রতি দূরারোগ্য ব্যধি ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে ভারতে চিকিৎসারত। তামলনাড়ু রাজ্যের ভেলোরে অবস্থিত ক্রিশ্চিয়ান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অবস্থান করছে। ক্যান্সার তার বাম হাতের বাহুর হাড়কে আক্রান্ত করেছে। ডাক্তারদের পরামর্শে বাম হাতটি কেটে ফেলার দিন গুনছে। মরণব্যাধীতে তার জীবন বিপন্ন। আক্রান্ত হাতটি কেটে ফেলার মাধ্যমে বেঁচে থাকার শেষ চেষ্টা, তারপরেও কি তাকে বাঁচানো যাবে?



শারীরিকভাবে সে প্রথম অসুস্থতা বোধ করে গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনকালীন সময়ে। মাঝে মাঝেই বাম হাতের বাহুতে ব্যথা অনুভূত হতো। সেই ব্যথাকে কোনমতেই আমলে না দিয়ে কাজ করে গিয়েছে অবিরাম। সুজন'র নির্বাচনকালীন কাজে সে জড়িত ছিল। সুজন ডট অর্গ সাইটটি পরিচালনা করতো। সুজনের ভোটবিডি সাইটে জাতীয় সংসদের সকল প্রার্থীর তথ্য পোষ্টিং করার কাজে রাত-দিন পরিশ্রম করেছে। মোল্লারটেকে ডেভনেট কোম্পানীতে ডাটাএন্ট্রি কাজ চলার সময় আমি এবং সে পালাক্রমে ৭/৮ রাত বিনিদ্র কাজ করেছি। অসুস্থতা থাকা স্বত্বেও উপজেলা নির্বাচনের প্রার্থীদের তথ্য এন্ট্রির সময়েও কাজ করে যেতে হয়েছে। হাতের ব্যথায় প্রথম সে ডাক্তারের স্মরণাপন্ন হয় গত কোরবানী ঈদের পূর্বে। ব্যথার সাথে সাথে মাঝে মাঝেই প্রচন্ড মাত্রার প্রেসার তাকে গ্রাস করতো। উত্তরার ডাক্তার বিভিন্ন রকমের পরীক্ষাদির পর পঙ্গু হাসপাতালে যাবার পরামর্শ দেয়। পঙ্গু হাসপাতালের ডাক্তার তাকে পাঠায় বাংলাদেশ ক্যান্সার ইন্সটিটিউটে। ক্যান্সার হাসপাতাল নিশ্চিত করে সে দূরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত। হাত কেটে ফেলার পরামর্শ দেয়। ভয়ঙ্কর এ পরামর্শ শুনতেও কষ্ট লাগে। কিন্তু হাতের ব্যথা দিনকে দিন বেড়েই চলে, ফুলে ওঠে। কিছু একটা তো করতে হবে। পপুলার, ডেল্টাতে বারংবার পরীক্ষার পরেও একই ধরনের রেজাল্ট পাওয়া যায়। এপোলো হাসপাতালে গেলে তারাও ভিন্ন কথা বলেনি।

বাংলাদেশে অনেক পরীক্ষার রিপোর্ট দেশের বাইরে ভুল প্রমানিত হয়েছে, এই ভরসাতেই এমদাদ রিপোর্টগুলিকে ততটা পাত্তা দেয়নি। মানিসকভাবে সে ছিলো পুরোমাত্রায় সতেজ। সঠিক চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যাবার সিদ্ধান্ত নেয়। আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবের পরামর্শে ভারত যাবে বলে ঠিক করে। কলকাতার ঠাকুরপুকুরে অবস্থিত ক্যান্সার রিসার্চ ইন্সটিটিউটের অনেক নাম-ডাক আছে। সেখানেই যাবে বলে মনস্থির করে।

পরিবারের আর্থিক অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। দি হাঙ্গার প্রজেক্ট যে সংগঠনে সে কর্মরত তাদের কাছে সাহায্যের আবেদন করে। সংগঠন, আত্মীয়-স্বজন এবং বন্ধু-বান্ধবের কাছ থেকে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকার একটি তহবিল সংগ্রহ করতে সমর্থ হয়।

ভিসা জটিলতা শেষে গত ফেব্রুয়ারী মাসের ১৯ তারিখ রাতে কলকাতার উদ্দেশ্যে বাসযোগে যাত্রা করে। কলকাতার আত্মীয়ের পরামর্শে ২০ তারিখে স্থানীয় একজন ডাক্তারকে দেখায়। তিনি বাংলাদেশের সকল রিপোর্ট পর্যালোচনা করে আগের রায়ই বহাল রাখেন। কষ্ট যেন আরো বাড়তে থাকে। কলকাতার ডাক্তারদের পরামর্শ তাকে আস্বস্ত করতে পারে না। মাদ্রাজ যাবার সিদ্ধান্ত নেয়। ২১ তারিখ সন্ধ্যায় মাদ্রাজের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়।

ভেলোরের ক্রিশ্চিয়ান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল হচ্ছে চিকিৎসার ঠিকানা। ২২ তারিখ রোববার, এদিন সেখানে ছুটির দিন হওয়ায় চিকিৎসা প্রক্রিয়া একটু পিছিয়ে পড়ে। ২৩ তারিখে ডাক্তার দেখানো হয়। ২৬ তারিখে ডাক্তারদের একটি বোর্ড সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর দূরারোগ্য ক্যান্সারের কথা পুনরাবৃত্তি করে। এমদাদের সকল আশা-ভরসা শেষ হয় যায়। এমদাদের আকুতি "হাতটি কেটে না ফেললে হয় না" । এর উত্তরে ডাক্তার জানায় হাতটি না কাটলে ক্যান্সার সম্পূর্ণ শরীরে ছড়িয়ে পড়বে। মৃত্যু তখন অনিবার্য। এভাবে বড়জোড় ৫ মাস পর্যন্ত টিকে থাকা যাবে। হাতটি কেটে ফেলাই একমাত্র সমাধান, যার মাধ্যমে হয়তো জীবনের ঝুঁকি থেকে রেহাই পাওয়া যেতেও পারে।

এভাবেই কেটে যায় দু'একদিন। বাবা-মা'র সাথে টেলিফোনে কথা হয়। বড় ভাই সাথেই আছে। কিন্তু তিনি কোন সিদ্ধান্ত দিতে পারেন না। ছোটভাইয়ের এ অবস্থায় তিনি যেন আরো বেশি ভেঙ্গে পড়েছেন। বাবা-মা নির্বাক। যে সন্তানের আয়ে বাবা-মা এর দুবেলা খাবার জুটতো সে আজ মৃত্যুপথযাত্রী। সহজ-সরল বাবা-মা এমদাদকে বলেছে "যেটা করলে ভালো হয় সেটাই করো বাবা"।

অবশেষে অনেক কষ্ট হলেও অগত্যা বেঁচে থাকার তাগিদে এমদাদ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, অপারেশন করে, তার ক্যান্সার আক্রান্ত হাতটি অপসারন করবে।

যে হাত দিয়ে পরিশ্রমী এমদাদ এতদিন অনেক কাজ করেছে তা কেটে ফেলতে হবে। প্রোগ্রামার এমদাদ একহাতে কিভাবে কোডিং করবে? হাত কেটে ফেলার পর এমদাদ সুস্থ হয়ে উঠবে তো? হাত কাটার পর এমন হবে না তো যে এই সিদ্ধান্ত পুরোটাই ডাক্তারদের ভুল ছিলো?

এরকম হাজারো প্রশ্নের মুখোমুখি হওয়ার পরেও ডাক্তারদের পরামর্শই মানতে হবে। এবং আরো বাস্তবতা যে, এই অপারেশনসহ কেমোথেরাপীর জন্য মাসব্যাপী এমদাদকে মাদ্রাজে অবস্থান করতে হবে। সেখানে ১০ লক্ষাধিক টাকার প্রয়োজন হবে। এই টাকার যোগান কোথা থেকে হবে?

এমদাদ তাকিয়ে আছে আমাদের দিকে। বাংলাদেশীদের প্রতি তার অগাধ ভালোবাসা এবং আস্থা। আসুন আমরা তার চিকিৎসার জন্য হাত বাড়িয়ে দেই।



উল্লেখ্য এমদাদের গ্রামের বাড়ী চুয়াডাঙ্গা জেলায়। সে ভূঁইয়া একাডেমী থেকে ডিপ্লোমা করার পর হাঙ্গার প্রজেক্ট অফিসের খন্ডকালীন কাজ হিসেবে সকল কম্পিউটার দেখাশোনার কাজ করতো। তার কাজের প্রতি আন্তরিকতা এবং শেখার প্রবল আগ্রহ দেখে হাঙ্গার প্রজেক্ট ২০০৬ সালে ফুলটাইম কর্মী হিসেবে তাকে যোগদান করার আহ্বান জানায়। সেই থেকে এমদাদ কাজ করে যাচ্ছিলো। পাশাপাশি স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ এ কম্পিউটার সায়েন্সে পড়াশুনা চালিয়ে যাচ্ছিলো।

Emdad's contact number in India: 00919 7866 34195, 00919 6790 14648

তাকে সহায়তা করতে চাইলে এই ঠিকানায় যোগাযোগ করুন:

দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-বাংলাদেশ
৩/৭ আসাদ এভিনিউ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭, বাংলাদেশ
ফোন: ৮১১২৬২২, ৮১২৭৯৭৫
মোবাইল: ০১১ ৯১০০ ৭৪৬১ (রুবন)
ব্যাংক তথ্য : Account Number: 21057519 Bank: The City Bank Limited, Gulshan-1 Account Holder: Nurjahan Alim
ওয়েষ্টার্ন ইউনিয়ন মানি ট্রান্সফার ব্যবহার করে টাকা পাঠানোর নিয়ম নিম্নে দেওয়া হয়েছে ৫ মার্চের আপডেটে।

আপডেট ২ মার্চ, ২০০৯
আজ এমদাদের ভাবীর সাথে কথা বলে জানা গেলো যে, আগামীকাল এমদাদ হাসপাতালে ভর্তি হতে যাচ্ছে। এবং ডাক্তারদের ঘোষনা অনুযায়ী ৪ মার্চ অপারেশন করা হবে। রাতে এমদাদ ফোন করেছিলো। ইন্ডিয়াতে টাকা পাঠানো নাকি খুব একটা সহজ নয়। আলোচনা হচ্ছিলো কিভাবে টাকা পাঠানো সম্ভব হতে পারে। যদিও এখন পর্যন্ত খুব একটা সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। দেশের এহেন ঘোর বিপদে এমদাদকে স্মরণ করবে কয়জন। কিন্তু তারপরেও পরশুদিন অপারেশন হতে যাচ্ছে। সহৃদয় ভাই-বোনদের প্রতি দ্রুততার সাথে এগিয়ে আসার জন্য আহ্বান জানানো যাচ্ছে।

আপডেট ৩ মার্চ, ২০০৯
আজকে এমদাদকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। আগামীকাল সম্ভবত অপারেশন হবে। এমদাদের ভাবীও যাবার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রাত্রে রোগীর সাথে কোন পুরুষ এলাউ করে না। এমদাদের ভাবী পাসপোর্ট তৈরির জন্য দৌড়াদৌড়ি করেছেন। শেষ পর্যন্ত পাসপোর্ট হাতে পেয়েছেন কি না এটি জানা যায় নি।

আপডেট ৪ মার্চ, ২০০৯
একটু আগে জানা গেলো এমদাদকে অপারেশন থিয়েটারে নেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ সময় ১০:৫০ মিনিটে। এমদাদ সকলের কাছে দোওয়া চেয়েছে।

আমার খুব কষ্ট লাগছে আপডেট জানাতে। বিকাল ৪টা নাগাদ এমদাদ অপারেশন থিয়েটারে ছিলো। তার অপারেশন সমাপ্ত হয়েছে। বাম হাতটি কেটে ফেলা হয়েছে....

তার বড় ভাই অপারেশন পরবর্তী ঔষধ-পত্র, ডাক্তার এসব নিয়ে ব্যস্ত। খুব একটা আপডেট জানা সম্ভব হয়নি। তার ভাবীর কাছ থেকে রাত ৮টার দিকে জানা গেছে এমদাদ বমি করেছে। অপারেশনের পর বমি করাটা নাকি ভালো লক্ষণ নয়। ভাবী কাঁদছিলেন। আমি ক্লাসে ছিলাম। কাঁদতেও পারলাম না। চিৎকার করে কাঁদতে ইচ্ছে করে। কিছুই করতে পারছি না ভেবে অসহায় মনে হচ্ছে। আর লিখতে পারছি না...

আপডেট ৫ মার্চ, ২০০৯
আজ সকালে এমদাদ ভাইয়ের বড় ভাইয়ের সাথে কথা হলো। তিনি জানালেন এমদাদের অবস্থা খুব একটা ভালো না। তিনি ডাক্তারের সাথে কথা বলতে যাচ্ছেন। গতকালই অপারেশন হয়েছে, সমস্যা হতে পারে, এ নিয়ে আর কথা বাড়ালাম না। টাকা পাঠানোর বিষয়টা নিয়ে চিন্তায় আছি। কোন বুদ্ধি করতে পারছি না। ২০০ ইউরো হাতে এসেছে। আরো কিছু প্রতিশ্রুতি পাচ্ছি। আশা করি তারাও শীঘ্রই দিয়ে দিবেন। আলীম ভাই জানালেন, হাসপাতালের কাছেই ওয়েষ্টার্ন ইউনিয়ন মানি ট্রান্সফার আছে। সেখানে টাকা পাঠানো যেতে পারে। কিন্তু খোঁজ নিয়ে জানতে পারলাম বাংলাদেশ থেকে কোনভাবেই সম্ভব না। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি বাংলাদেশে প্রাপ্ত টাকার সমমপরিমাণ অর্থ আমাদের দিল্লী/নিউ ইয়র্ক অফিস থেকে এমদাদের কাছে পৌঁছানো হবে

দেশের বাইরে থেকে যদি কেউ টাকা পাঠাতে চান তাদের জন্য নিয়মটা বলছি: ১. এই ঠিকানায় টাকা পাঠাতে হবে:Western Union Money Transfer, Vellore, India ২. যার নামে পাঠাবেন: MD. ABDUL ALIM ৩. উনার পাসপোর্ট নাম্বার প্রয়োজনে দিতে পারেন: A0579093 ৪. টাকা পাঠানোর পর টাকার পরিমাণ এবং কোড নাম্বারটি আমাকে জানান। আমি আলীম ভাইকে জানিয়ে দিবো। ৫. উপরোক্ত তথ্যের মাধ্যমে এমদাদের বড় ভাই মো: আলীম টাকা পেয়ে যাবেন।

আমি কিছু বিদেশী বন্ধু হাঙ্গার প্রজেক্টের কর্মীর কাছে আবেদন করেছিলাম। একজন ইন্ডিয়ান তিনি আমেরিকায় থাকেন উনি কিছু টাকা ট্রান্সফারের জন্য ছোটভাইকে বলেছেন। ছোটভাই মুম্বাই থাকেন। এখনো টাকার পরিমাণটা জানান নি।

এমদাদের ভাবী আজ অফিসে এসেছিলেন। তিনি পাসপোর্ট তৈরি করেছেন গতকাল। ইন্ডিয়া যেতে চাচ্ছেন। হাসপাতালে রুগীর কাছে রাতে কোন পুরুষ মানুষ থাকার নিয়ম নেই। এ জন্য উনি যাবেন। অনেক কান্নাকাটি করলেন। ছোট দুধ খাওয়া বাচ্চা আছে। ছোট বাচ্চা নিয়ে যাওয়াটা ঠিক হবে কি না, এ নিয়ে আলাপ করলাম। তাছাড়া টাকা-পয়সার সংকট। অতিরিক্ত মানুষ গেলে চিকিৎসার টাকায় ঘাটতি হতে পারে এমনটা বোঝালাম আমরা। কিন্তু উনি নাছোড়বান্দা। ডলার এন্ডোর্সমেন্ট করতে সহায়তা করলাম। আজকেই ভিসার আপীল করার জন্য ভিসা সেন্টারে গেছেন। পরে আর কথা হয়নি।

আপডেট ৬ মার্চ, ২০০৯
"আজ এমদাদ কিছুটা ভালো আছে" শুনে মনটা ভালো হয়ে উঠলো। নার্সরা শরীর মুছে দিয়ে গেছে। পরক্ষণেই জানতে পারলাম আলীম ভাইয়ের হাতে একদম টাকা নেই। মাত্র ৩০০০ রূপী আছে। এ দিয়ে চিকিৎসা এবং থাকা-খাওয়া খরচ কিভাবে হবে এ নিয়ে উনি চিন্তিত হয়ে উঠেছেন। বাংলাদেশ থেকে নিয়ে যাওয়া ১ লক্ষ ২০ হাজার + কলকাতার আত্মীয়ের কাছে প্রাপ্ত ৭০ হাজার টাকা সব শেষ।
এর পূর্বেই জানতে পেরেছিলাম আমাদের ইন্ডিয়ান এবং আমেরিকান দু'জন বন্ধু (টিএইচপি কর্মী) ২০০ ডলার পাঠিয়েছে। ওয়েষ্টার্ন ইউনিয়ন এর মাধ্যমে এটাই প্রথম এমদাদের কাছে টাকা পাঠানো হলো। টাকা তোলার তথ্যাদি দিয়ে দিলাম। ঘন্টা চার পর জানতে পারলাম ঠিকমতো টাকা তোলা সম্ভব হয়েছে।
টাকা পাঠানোর পরিমাণটা আরো বেশি হলে খুব ভালো লাগতো। অন্তত চিকিৎসা প্রক্রিয়া থেমে যেন না যায় সে ব্যাপারে আমাদের সকলের সচেষ্ট থাকতে হবে।

এমদাদের ভাবী ইন্ডিয়াতে আপাতত না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভালো সিদ্ধান্ত, অন্তত কিছু বাড়তি খরচ থেকে বাঁচা গেলো।

আপডেট ৭ মার্চ, ২০০৯
গতকাল ইটালী থেকে জামান ভাই ফোন করেছিলেন। তিনি এমদাদকে কিছু সহায়তা করবেন। ২০০ ডলার পাঠাবেন। আরো জানালেন যে, এমদাদের চিকিৎসার জন্য ইটালীতে লিফলেট বিতরণ করছেন। সেখান থেকে প্রাপ্ত সহযোগিতার অর্থ এমদাদকে পাঠিয়ে দিবেন। খুবই ভালো লাগলো। সারা বিশ্বের বাঙ্গালী/ বাংলাদেশী আজ এমদাদের জন্য ভাবছে। এটা ভাবতেও মনটা কেমন যেন হয়ে যায়।

এখনো জামান ভাইয়ের সহায়তা এসে পৌছায়নি। নিশ্চয়ই আগামীকাল পাওয়া যাবে।

এমদাদের অবস্থার উন্নতি হয়েছে। ফোন করেছিলাম দুপুর ১২:৩০ মিনিটে। কথা হলো না। টয়লেট গিয়েছে। হ্যাঁ, গতকাল থেকে ডাক্তার এমদাদকে একটু-আধটু হাটাচলা করতে বলেছে। আগামী বুধবার থেকে কেমোথেরাপী শুরু হবে।

আপডেট ৮ মার্চ, ২০০৯
আজ নারী দিবস। অফিসের প্রোগ্রাম থাকায় ব্যস্ত ছিলাম। একটু আগে এমদাদ মিস কল দিয়েছিলো। কলব্যাক করলাম। শরীর ভালো আছে। জানালো ধার করে সবকিছু চালাচ্ছে। টাকার প্রয়োজন। নুতন কোন তথ্য দিতে পারলাম না। বললাম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

ইটালী থেকে জামান ভাই মেইল করলেন। দু:খ প্রকাশ করলেন দেরী করার জন্য। আগামীকাল অবশ্যই টাকা পাঠাবেন সেটি জানালেন।


আপডেট ৯ মার্চ, ২০০৯
না, আজকেও কোন টাকা পাঠাতে পারলাম না। ইটালী থেকে টাকা পাঠানোর তথ্যও এসে পৌছেনি। বাংলাদেশে সংগৃহিত ১৭,৫০০ টাকার সমপরিমাণ ডলার $২৫০ হাঙ্গার প্রজেক্টের আমেরিকা অফিস থেকে ট্রান্সফারের জন্য অনুরোধ করেছিলাম। সেটিও এখনো সম্ভব হয়নি। আজকে রাতেই এটি সম্ভব হবে বলে আশা করছি। আগামীকাল সকালে তারা টাকা পেয়ে যাবেন। আলীম ভাই আজ ভিসা এক্সটেনশন করতে গেছিলেন। আমাকে জানালেন এখানে বেশ কিছু টাকা অতিরিক্ত চলে যাচ্ছে। ভিসা এক্সটেনশন চার্জ $20 করে $40 ডলার। এছাড়াও পুলিশকে অতিরিক্ত ২০০-৩০০ রূপী দিতে হবে। আরো জানালেন প্রতিদিন ১২০০ রূপী খরচ হচ্ছে। ৮০০ রূপী শুধুমাত্র ঔধষ বাবদ + ১০০ রূপী থাকা বাবদ + ৩০০ রূপী খাওয়া বাবদ। এভাবে হয়তো আরো ১মাস থাকতে হবে। আগামীকাল থেকে কেমোথেরাপী শুরু হবে। অন্তুত ৩টি কেমো কোর্স শেষ করে আসতে হবে। কেমোথেরাপীর খরচ কেমন হবে এ সম্পর্কে ধারণা দিতে পারলেন না। কোন ধরনের কেমো ডাক্তাররা দিবেন তার উপর খরচটা নির্ভর করবে।

আপডেট ১২ মার্চ, ২০০৯
১০ তারিখ রাতে এমদাদকে হাসপাতাল থেকে রিলিজ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে সে তার বড় ভাইয়ের সাথে হোটেল অবস্থান করছে। সময়মতো হাসপাতালে গিয়ে ব্যান্ডেজ পরিবর্তন করছে। মনে হচ্ছে চিকিৎসা ঠিকমতোই হচ্ছে। কিন্তু কেমোথেরাপী শুরু হয়নি। ১৬ তারিখে প্রথম কেমোথেরাপী হবে। এজন্য সিট বুকিং দেয়া হয়েছে। তার আগেই সেলাই খোলা হবে।
১০ এবং ১১ তারিখে বেশ কিছু টাকা পাওা গেছে।
এইখানে গেলে মোট সহায়তার পরিমাণ জানা যাবে
১০ তারিখ বিকালে অনলাইন ব্লগার্স কমিউনিটি'র মিটিং এ উপস্থিত ছিলাম। ব্লগার ভাইয়ের প্রতি আমার আবেদন জানালাম। মঞ্জুরুল ভাই, অরণ্য ভাইসহ প্রত্যেকেই সহায়তার জন্য আশ্বাস দিলেন।

আপডেট ২৪ মার্চ, ২০০৯
১৮ মার্চ তারিখে কেমোথেরাপী দেয়া হয়েছে। এরপর হাসপাতালে ৪দিন থাকতে হয়েছে। কেমোথেরাপী তার শরীরের সমস্ত শক্তি কেড়ে নিয়েছে। খাওয়া-দাওয়া কিছুই করতে পারছে না। বমি হচ্ছে। ডাক্তার রক্ত দেয়ার কথা ভাবছে।
আগামীকাল এমদাদের মা এবং ছোটভাই ভিসা প্রাপ্তি সাপেক্ষে মাদ্রাজের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবে। তাদের পৌঁছার পর বড় ভাই ফিরে আসবেন।
ভেলোরের ডাক্তার ৬মাস ব্যাপী চিকিৎসা সেখানে করার পরামর্শ দিয়েছে। এতদিন ব্যাপী চিকিৎসার খরচ কিভাবে যোগান হবে সেটাই এমদাদের বাবা-মা'র একমাত্র চিন্তা।

আপডেট ১২ এপ্রিল, ২০০৯

গতকাল ২য় কেমো শুরু হয়েছে। ৪দিনব্যাপী কেমোথেরাপী চলবে। অর্থাৎ ৪দিনব্যাপী ক্যান্সার প্রতিরোধক ঔষধ সেলাইনের মাধ্যমে ক্রমাগত পুশ করা হবে। প্রথম কেমোতে এমদাদ মারাত্মকরকম অসুস্থ হয়ে পড়েছিলো। তারপর ধীরে ধীরে সে ধকল কাটিয়ে ওঠে। মা এবং ছোটভাই সেখানে পৌঁছার পর বড়ভাই ৩১ তারিখে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। এখন তিনি ঢাকায়।



আলীম ভাইয়ের মোবাইলে তোলা কিছু ছবি পিকাসা এলবামে তুললাম।

 

সর্বশেষ এডিট : ১২ ই এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৫৪

লেখক বলেছেন: আমরা ইচ্ছা করলে সব ধরনের বাঁধা অতিক্রম করতে পারবো। আমরা বাঙ্গালী জাতি তা পারি।

২. ০২ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:১৭
রেজওয়ান শুভ বলেছেন: পোস্টটি স্টিকি করা হোক
০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৫৪

লেখক বলেছেন: সহমত

৩. ০২ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:২২
সাইকাস বলেছেন: পোস্টটি স্টিকি করা হোক।

৪. ০২ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৪৫
বিডি আইডল বলেছেন: বাংলাদেশে তার যোগাযোগের ঠিকানা এবং সম্ভব হলে ব্যাংকের তথ্য দিন...

০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৫২

লেখক বলেছেন: আমার একাউন্ট নাম্বারটা দিবো কি না ভাবছি। এতে অবশ্য মানুষ ভুল বুঝতে পারে। এখানে বিশ্বাসের একটা ব্যাপার আছে।

০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৫৭

লেখক বলেছেন: ঢাকায় তার ভাবী আছে। উনার মোবাইল নাম্বার দিলাম। প্রয়োজনে কথা বলতে পারেন। ০১৬৭৫০১৯১০৮, ০১৯১৮১৮১৮৮২

৬. ০২ রা মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:২১
সাহীল বলেছেন: পোস্টটি স্টিকি করা হোক,
০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৫০

লেখক বলেছেন: আমিও কিন্তু সামহোয়্যারইন কর্তৃপক্ষের প্রতি সেই দাবিই করেছি। আশা করি শীঘ্রই তারা স্টিকি করার সিদ্ধান্ত নিবে।

৭. ০২ রা মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:২৪
খািল িপডাইেত ইচ্ছা করে বলেছেন: কলকাতার ঠাকুরপুকুরে অবস্থিত ক্যান্সার রিসার্চ ইন্সটিটিউট-ই এটার সবচেয়ে ভালো চিকিৎসা সম্ভব সবচেয়ে কম খরচে। মাদ্রাজ আপোলো তে খরচ অনেক বেশী কেননা ঐটা বেসরকারী প্রতিষ্ঠান। আর ঠাকুরপুকুর ট্রাস্টি প্রতিষ্ঠান প্লাস সবচেয়ে আধুনিক যন্ত্রপাতি আছে মুব্বাই আর ঠাকুরপুকুরে।
আমার বাবা'র যখন ক্যান্সার ধরা পড়ে তখন অনেক জাগায় ছোটাছুটি করে শেষ পর্যন্ত ঠাকুরপুকুরে নিয়ে যাই। বাবা এখন ভালো আছে।
দোয়া করি মিলন ভাই সুস্থ হয়ে ফিরে আসুক আমাদের মাঝে।
০৩ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৪৫

লেখক বলেছেন: আমরাও তেমনটাই বলেছিলাম। কিন্তু তার আত্মীয় স্বজন যারা কলকাতায় থাকে তাদের পরামর্শেই সে ভেলোরে যায়। মাদ্রাজের এপোলো হাসপাতালে কিন্তু যায় নি। যাই হোক খরচ মনে হচ্ছে কলকাতার চেয়ে বেশীই লাগবে। কি আর করা! হাত কেটে ফেলার মতো সিদ্ধান্ত নিতে সে একটু যাচাই করে দেখবে এটাই স্বাভাবিক।

৮. ০৪ ঠা মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৩০
রুবন বলেছেন: এখন পর্যন্ত তেমন কোন সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। কর্তৃপক্ষের প্রতি আবেদন আছে পোষ্টটিকে স্টিকি করার জন্য। আশা করছি কর্তৃপক্ষ বিবেচনা করবেন।
৯. ০৪ ঠা মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৫১
মনজুরুল হক বলেছেন:
আমি নিজেই একটি দরিদ্র মেয়েকে নিয়ে জড়িয়ে আছি। তাই এই কাজটাতে হাত দিতে পারলাম না। এই অক্ষমতায় কষ্ট হচ্ছে। মঙ্গল কামনা ছাড়া আর কিছুই করতে পারছি না ভাই। তার পরও দেখি................
০৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:০৯

লেখক বলেছেন: আমিও সেই দরিদ্র মেয়েটির মঙ্গল কামনা করছি। ধন্যবাদ।

১০. ০৪ ঠা মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৪৮
রুবন বলেছেন: http://picasaweb.google.com/roobon/Emdad

এখানে এমদাদের কিছু সাম্প্রতিক ছবি আপলোড করা আছে।
১২. ০৪ ঠা মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:১৪
মনজুরুল হক বলেছেন:

হ্যাঙ্গার প্রজেক্টের এই ভদ্রলোক (যার সাথে মিলন সেকহ্যান্ড করছে) যথেষ্ট প্রভাবশালী এবং বিত্তবান। তাকে কি অনুরোধ করা হয়েছে? না করা হলে করুন। তিনি তার সোর্স দিয়ে সহজেই টাকাটা ম্যানেজ করতে পারেন। যদ্দুর জানি তিনি এক বা একাধিক এনজিও'র মালিক।
১৩. ০৪ ঠা মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:১৫
মনজুরুল হক বলেছেন: পোস্টটি স্টিকি করার জন্য কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ।
১৪. ০৪ ঠা মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:২০
কায়েস মাহমুদ বলেছেন:

মনজুরুল ভাইয়ের সাথে সহমত।
১৫. ০৪ ঠা মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:২৫
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন: পোস্টটি স্টিকি করার জন্য কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ।
০৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:০৩

লেখক বলেছেন: আমিও কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। অসংখ্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।

১৭. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:২১
মোঃ সাকিব আল মাহমুদ বলেছেন: ভাইয়ার জন্য থাকলো অনেক অনেক দোয়া।
১৮. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৩৮
মনজুরুল হক বলেছেন: ভাই প্রথম ছবিটা সরিয়ে দিলেন কেন? উনি এক্সপোজ হওয়ায় কি কোন সমস্যা ?
০৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৫৯

লেখক বলেছেন: ছবি তো আছেই পেজে। আমি তো কোন সমস্যা দেখছি না। উনি এমদাদকে সহায়তা করেছেন, প্রয়োজনে আরো সহায়তা করবেন। চাহিদার পরিমাণটা বেশী, তাই সবার কাছেই সহায়তার আহ্বান জানানো হয়েছে। এমদাদের পূনর্বাসনের কথাও চিন্তা করতে হবে।

১৯. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:১৫
মনজুরুল হক বলেছেন: তথ্যের জন্য ধন্যবাদ।
২০. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ২:১৪
লাস্ট সামুরাই বলেছেন: ধন্যবাদ রুবন ভাই। সবাইকে সাধ্যমতো এগিয়ে আসার অনুরোধ জানাই।

এমদাদকে আমি ব্যক্তিগত ভাবে চিনতাম। তাঁকে যতটুকু দেখেছি খুব মেধাবী, পরিশ্রমী এবং কাজের ক্ষেত্রে খুব প্যাশনেট আর ডেডিকেটেড মনে হয়েছে। এটাই কষ্টের, যে মানুষটি দু হাতে কোডিং করে অনেক কঠিন সমস্যা সমাধান করেছে, হয়ত আরও ভালো কোডার হওয়ার স্বপ্ন দেখেছে। আজ দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে যে হাত দিয়ে কোডিং করত তারই একটি হাত কেটে ফেলতে হচ্ছে।

এমদাদের একটা ব্লগও( http://www.somewhereinblog.net/blog/emd_milon) ছিলো সামহোয়্যার ইন... ব্লগে। একবার একটা কবিতার লিংক আমাকে পাঠিয়েছিলো। কবিতা পড়েই বুঝেছিলাম লেখার হাতও ভালো। নিয়মিত লিখতে বলেছিলাম।

আজকে তাঁর ব্লগ খুঁজে আবার যেতেই ব্লগ টাইটেলে চোখে পড়লো “জন্ম আমার ধন্য মাগো....” কথাটি। এই লাইনটি দেখেই চোখ কেমন ভিজে উঠে...। খুব বুঝতে পারি এত বড় আঘাত শেষে “জন্ম আমার ধন্য মাগো....” পুনরায় বলা তাঁর জন্য খুব কঠিনই হবে।

ক্যান্সারের এই ব্যায়বহুল চিকিৎসায় ব্লগার এমদাদের পাশে থাকার জন্য সবাইকে আহবান জানাচ্ছি।
০৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:১৬

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ মোরশেদ ভাই। আপনি ইতিমধ্যেই তাকে বেশ অনেকগুলি টাকা দিয়ে সহায়তা করেছেন। এখনো চেষ্টা করে যাচ্ছেন কিছু একটা করার। আপনার প্রচেষ্টা সার্থক হোক। এমদাদ সুস্থ হয়ে ফিরে আসুক। যে ক্ষতি হয়ে গেছে তা কখনোই পূরণ হবার নয়। কিন্তু তার মেধাশক্তি কাজে লাগিয়ে আমাদের জন্য আরো কিছু দিয়ে যাক, অকালে যেন হারিয়ে না যায় - এই প্রত্যাশা আমাদের সকলের।

২১. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ ভোর ৬:৪২
আনাড়ী বলেছেন: বড়ই কষ্ট লাগলো। এখন কেমন আছে এমদাদ?
০৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:৩৯

লেখক বলেছেন: ভালো না। এমদাদের বড় ভাইয়ের সাথে কথা বললাম। টাকা পাঠানোর উপায় জানতে চাইলাম। তিনি ওয়েষ্টার্ন ইউনিয়ন মানি ট্রান্সফার ব্যবহার করতে বললেন। আপনাদের কোন উপায় জানা আছে? তিনি বললেন ডাক্তারের কাছে যাচ্ছেন। এমদাদ বমি করছে বারবার।

২২. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ ভোর ৬:৪৯
স্পাইডারওয়েব বলেছেন: মন খারাপ করা পোষ্ট। দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন এই কামনা রইলো।
০৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:১৭

লেখক বলেছেন: আমাদেরও সেটাই প্রত্যাশা। আল্লাহ আপনার দোওয়া কবুল করুক।

২৫. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:০৮
মো মুজাহিদ আলম বলেছেন: এমদাদের সুস্ততা কামনা করছি । এমন একজন লোক হারিয়ে যাওয়াটা আমাদের জন্য অনেক ক্ষতির ।
২৬. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৪৮
জেমসবন্ড বলেছেন:

...দুর্নীতি করে মানুষ কত টাকা মেরে দেয়...কিন্তু সাহয্যের বেলায় কাউকে সহজে পাওয়া যায় না ।.....কোটিপতিরা কত বিলাসিতা করে কত টাকা নষ্ট করে ..কিন্তু সাহায্য সহযোগিতা করে কম ।...

.....কষ্ট পেলাম ..আল্লাহ আমাদের কত ভালো রেখেছেন...দোয়া করি তিনি যেন সুস্হ্য হয়ে আবার দেশে কাজে যোগ দিতে পারেন ।
০৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:৫১

লেখক বলেছেন: আমরাও আশা করছি তিনি সুস্থ হয়ে আবার আমাদের মাঝে ফিরে আসতে পারবেন।

২৭. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৫৩
শীরফুল কবীর রািকব বলেছেন: মহান আল্লাহ কাছে আকুল আবেদন করি এমদাদ ভাই যাতে ভাল হয়ে আবার আমাদের কাছে আসতে পারেন ।

পোস্টটি স্টিকি করা হোক,
০৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:৪৯

লেখক বলেছেন: স্টিকি করা হয়েছে গতকাল সন্ধ্যা থেকে। ধন্যবাদ কর্তৃপক্ষকে।

২৮. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:১০
তন্ময় ভট্টাচার্য বলেছেন: কষ্ট পেলাম। হে ঈশ্বর! এমদাদ ভাইকে তাড়াতাড়ি সুস্থ করুন।
২৯. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:১৩
সাজিল বলেছেন: আল্লাহর কাছে দোয়া করি উনি যাতে সুস্থ হয় এবং আবার আমাদের কাছে আসতে পারে।
০৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:১৮

লেখক বলেছেন: আপনাদের সকলের দোওয়া আল্লাহ নিশ্চয়ই শুনবেন।

০৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:০৪

লেখক বলেছেন: আরাফাত ভাই, আজকের আপডেট দিলাম। রাতে ফোন করতে চেয়েছিলাম। হলো না। আগামীকাল সকালে ইনশাআল্লাহ খোজ নিবো।

৩১. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:০৫
হতবিহবল বলেছেন: সৃষ্টিকর্তার কাছে আমাদের সকলের প্রার্থনা উনি যেনো সুস্হ অবস্হায় আমাদের মাঝে ফিরে আসেন।সিটি ব্যাংকের অ্যাকাউনটে বাংলাদেশের যেকোনো জায়গা থেকে কি টাকা পাঠানো যাবে ? জানালে খুশি হব।
০৬ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৪২

লেখক বলেছেন: আমি খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছি, সিটি ব্যাংকের একাউন্টে বাংলাদেশের এবং বহির্বিশ্বের যেকোন জায়গা থেকে টাকা পাঠানো যাবে।

৩২. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:১২
আন্ধার রাত বলেছেন:
অন্তরের গভীর থেকে সুস্হ্যতা কামনা করছি।

মানুষ কত্ব অসহায়! শুধু সুস্হ্য আছি বলেই আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করে শেষ করা যাবেনা।

০৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:২১

লেখক বলেছেন: সত্যিই বলেছেন। আমরা কত অসহায়। বিজ্ঞান কত এগিয়েছে। তারপরেও আমরা কতটুকুই বা করতে পারি।

৩৩. ০৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:৪৮
টুশকি বলেছেন: হাতটা কেটে ফেলতে হয়েছে দেখে খুব কষ্ট লাগলো। দোয়া করি উনি যেন সুস্থ হয়ে ওঠেন।
৩৪. ০৬ ই মার্চ, ২০০৯ ভোর ৫:৫৪
বিপ্র বলেছেন: রূবন ভাই,
আপ্র'র কফি হাউজেও দিতে পারতেন, আমি হোমপেজের উপরে দৃষ্টি আকর্ষনেও লিঙ্ক দিয়ে দিতাম...
০৬ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৪

লেখক বলেছেন: আমি একবার চেষ্টা করেছিলাম। হলো কি না ঠিক বুঝতে পারিনি। আবার চেষ্টা করছি।

০৬ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৯

লেখক বলেছেন: I posted again. But didn't find there in the Coffee House forum. Is there any problem?

৩৫. ০৬ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:০৬
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন: @লেখক:

"দেশের বাইরে থেকে যদি কেউ টাকা পাঠাতে চান তাদের জন্য নিয়মটা বলছি: ১. এই ঠিকানায় টাকা পাঠাতে হবে: Western Union Money Transfer, Vellore, India ২. যার নামে পাঠাবেন: Md. Abdul Alim ৩. উনার পাসপোর্ট নাম্বার প্রয়োজনে দিতে পারেন: A0579093"

ভারতে বাংলাদেশী পাসপোর্ট বা ID দিয়ে Western Union এর টাকা Receive করা যায় কিনা দয়া করে কনফার্ম হয়ে নিবেন।
০৬ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৫০

লেখক বলেছেন: আমেরিকা থেকে Western Union এর মাধ্যমে আজ $200 পাঠানো হয়েছে। একটু আগে জানতে পারলাম ঠিকমতো টাকা তুলতে পেরেছে। কন্ট্রোল নাম্বার এবং টাকার পরিমাণ ডলারে এবং রূপীতে দু'ভাবে জানিয়েছিলো।

কনফার্ম।

৩৬. ০৬ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:০৩
মাহিরাহি বলেছেন: আমরা যে কেউই হঠাত করে এধরনের মরনব্যাধিতে আক্রান্ত হতে পারি।
তাই সবারই উচিত সম্ভব হলে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়া।
উনি সুস্থ্য হয়ে উঠুন এই দোয়াই রইল।
০৬ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৮

লেখক বলেছেন: আপনার সাথে পুরোপুরি একমত।

৩৭. ০৬ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৯
মুহাম্মদ েগালাম েমাস্তাফা রুেমল বলেছেন: আমার এই সংবাদটা পরে খুব খারাফ লেগেছে। মহান রাব্বুল আলামীনের নিকট প্রার্থনা যে এমদাদ ভাই আমাদের মাঝে আবার সুস্থ হয়ে ফিরে আসুক।


পোষ্টিট স্টিকি করার জন্য কর্তৃপক্ষকে অনেক ধন্যবাদ।
৩৮. ০৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:৪১
যুগান্তকারী বলেছেন: মানবিক সাহায্যের ব্যাপারে আমার পোস্টটা সবাইকে পড়ে দেখবার অনুরোধ করছি।এমদাদ ভাই তুমি আবার ভালো হয়ে ওঠ,আবার আমাদের মাঝে ফিরে আস।
০৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৫২

লেখক বলেছেন: আমাদের সকলের প্রার্থনা আল্লাহ নিশ্চয়ই শুনবে। আল্লাহ সহায় হও।

৩৯. ০৭ ই মার্চ, ২০০৯ ভোর ৫:২৩
'লেনিন' বলেছেন: একটি পে-প্যাল বা ইলেক্ট্রনিক উপায়ে টাকা পাঠানোর ব্যবস্থা করুন। ভারতে পে-প্যাল চালু আছে আমার জানামতে। এটি করলে সবার সাহায্যের পরিমাণ বাড়বে।
০৭ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:১১

লেখক বলেছেন: গতকাল Western Union Money Transfer এর মাধ্যমে খুব দ্রুতই ভেলোরে টাকা পাঠানো সম্ভব হয়েছে। যেটি আবার বাংলাদেশ থেকে সম্ভব হচ্ছে না। তাই দেশের বাইরে থেকে যারা টাকা পাঠাতে চান তাদেরকে এই পদ্ধতি ব্যবহার করার অনুরোধ করছি।

৪০. ০৭ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:১৩
যুগান্তকারী বলেছেন: মানবিক সাহায্যের ব্যাপারে আমার কিছু ্প্রস্তাবনা আছে দয়া করে মতামত জানাবেন।আপনাদের সহযোগীতা পেলে উদ্যোগ নেওয়া হবে প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়ন করার। Click This Link
৪১. ০৭ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:০২
আরাফাত রহমান বলেছেন: ==================
'লেনিন' বলেছেন: একটি পে-প্যাল বা ইলেক্ট্রনিক উপায়ে টাকা পাঠানোর ব্যবস্থা করুন। ভারতে পে-প্যাল চালু আছে আমার জানামতে। এটি করলে সবার সাহায্যের পরিমাণ বাড়বে।
==================

পে-প‌্যালের টাকা ব্যাংকে যেতে ৩ দিন থেকে ৫ দিন সময় লাগে। Western Union Money Transfer সবচেয়ে ভাল পদ্ধতি। তবে সবার সাহায্য কোনো একজন ভাইয়ের পে-প‌্যালে জমা করে Western Union দিয়ে টাকাটা পাঠিয়ে দেয়া যেতে পারে।
৪২. ০৭ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৩
কাজী শীপু বলেছেন: আমরা তোমার জন্য দোয়া করছি
তুমি আবার কাজে ফিরবে খুব শিগগিরই
৪৩. ০৭ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৭
আজমান আন্দালিব বলেছেন: এমদাদ ভাই দ্রুত সুস্থ হয়ে ফিরে আসুন আমাদের মাঝে এই কামনা করছি।
৪৪. ০৭ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৩৮
অরণ্য আনাম বলেছেন: মানুষ মানুষের জন্য।

ব্লগে আসার পর বেশ কযেকটি মানবিক আবেদন দেখেছি আমি। তবে কোনটি-টেই প্রত্যক্ষ সাহায্য করতে পারিনি একমাত্র "উপমা" ছাড়া।

"বাংলাদেশ অনলাইন ব্লগারর্স কমিউনিটি"-এর গত আলোচনা সভায় একটি প্রস্তাবনা আনা হয় যে, এই কমিউনিটি-র মাধ্যমে একটি 'সাহায্য ফান্ড" করার। যেখানে যে কেউ অর্থ সাহায্য পাঠাতে পারবে। যা থেকে এই ধরণের মানবিক আবেদন গুলোতে সাড়া দেয়া যায়।

আশা করছি আগামী (১০ মার্চ) আলোচনা সভায় "এমদাদুল হক মিলন" এর জন্য সাহায্য সংগ্রহরে জন্য একটি জরুরি প্রস্তাবনা করা হবে।
০৭ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৫৬

লেখক বলেছেন: খুবই খুশী হলাম এমন একটি প্রস্তাবনার জন্য। এমদাদ নিশ্চিত করেই ভালো মানুষ না হলে সবাই তার জন্য এত ভাববে কেন। মানুষের ভালোবাসার মূল্য কোনভাবে দেয়া যায় না।

৪৫. ০৭ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৫২
রুবন বলেছেন: কর্তৃপক্ষের প্রতি আবেদন থাকবে আরো কয়েকদিন পোষ্টটি স্টিকি রাখার জন্য। অপারেশনের পর এমদাদের চিকিৎসা কেবলমাত্র শুরু হতে যাচ্ছে। অর্থের এখনো তেমন যোগান হয়নি যা দিয়ে মাদ্রাজে অবস্থানকালীন সময়ে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে। কর্তৃপক্ষ যেন বিষয়টি বিবেচনায় নেয়। ধন্যবাদ
৪৬. ০৮ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ২:২৪
অরণ্য আনাম বলেছেন: মোট অর্থ কত লাগবে এবং কতটুকু যোগার হয়েছে, তা আপডেট-এ জানানোর জন্য অনুরোধ করা গেল। ১০ তারিখে আপনি উপস্থিত থাকলে খুব ভাল হয়।
১০ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:২৮

লেখক বলেছেন: মিটিং কয়টায় হবে বা কোথায় হবে একটু জানাবেন কি? আমি অবশ্যই উপস্থিত থাকতে চাই। সেখানেই আমার রিপোর্ট উপস্থাপন করবো।

৪৭. ০৮ ই মার্চ, ২০০৯ ভোর ৪:২৪
মোহাইমেন বলেছেন: আমি কষ্টে ছিলাম, কিন্তু এতো কষ্ট দেখে আমার কষ্টটাকে মেকি মনে হলো ।

পে-পলের কোনো একাউন্ট নাই? যাতে করে ইন্ডিয়া থেকে ড্র করা যায়? আমি তাহলে পার্টিসিপেট করতে পারতাম অন্যদের সাথে।
০৮ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২১

লেখক বলেছেন: দেখি কোন পেপল একাউন্ট যোগার করা যায় কিনা।

০৯ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৪০

লেখক বলেছেন: এখনো পেপল একাউন্ট সংগ্রহ করতে পারিনি।

৪৮. ০৮ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:১০
জ্ঞানী বলেছেন: মানুষ মানুষের জন্য।
৪৯. ০৮ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০০
লাস্ট সামুরাই বলেছেন: এই অল্প বয়সেই তাঁর উপর যে বিশাল কষ্টের বোঝা চেপেছে, আমাদের দেয়া সাহস ও সাহায্য তাঁর সেই অসীম কষ্টের ভার কিছুটা হলেও লাঘব করতে পারে। এমদাদ পুরোপুরি সুস্থ হয়ে আবার আমাদের মাঝে ফিরে আসুক। আবার দেশের জন্য রাত দিন পরিশ্রম করার শক্তি ফিরে পাক এই দোয়া করি।
৫০. ০৮ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৫৭
তািবজ বলেছেন: Thanks for this appeal ! I wish him all the best . I will pray for you Brother !
৫১. ০৯ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৪৪
অরণ্য আনাম বলেছেন: ১০ মার্চ বিকাল সাড়ে ৪টায় চারুকলা-র বিপরিতে ছবিরহাট-এ
১০ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:১৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। উপস্থিত হবো যথাসময়ে।

৫২. ১১ ই মার্চ, ২০০৯ ভোর ৪:০৫
অরণ্য আনাম বলেছেন: সবার দৃষ্টি আর্কষণ করছিঃ

মিলন-এর জন্য যে পরিমাণ টাকা প্রয়োজন, সেটা খুব বড় এমাউন্ট হলেও, আমরা যে যা পারি, তা দিয়ে যেন সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেই। "উপমা"-র জন্য আপনাদের সবার ভালবাসা সবাইকে মুগ্ধ করেছে। আসুন, আরেকটু চেষ্টা করি এই কাজ পাগল ছেলেটির জন্য।

ধরুন এ আপনাদের ভাই, আপনার ভাই আপনাদের কাছে আশার মম্র দৃষ্টি দিয়ে তাকিয়ে আছে.........
৫৩. ১১ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:৩১
শাদা-অন্ধকার বলেছেন: Sorry for English. no alternatives.

i am living at vellore and at the same hospital(CMC) for my father's treatment. could you please give me his lodge details thus i could personaly meet with him.
১২ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৭

লেখক বলেছেন: পরশু রাতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রিলিজ দিয়েছে। বর্তমানে কাছাকাছি কোন হোটেল অবস্থান করছে। এই নাম্বারে কথা বলতে পারেন 00919 7866 34195 অথবা আপনার নাম্বার দিন। আমি জানিয়ে দিবো।

৫৫. ১১ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৩৮
রুবন বলেছেন: গত ৮ তারিখে এমদাদ ফিরলো। ভালো আছে। গলায় ব্যথা হয়েছে। খেতে অসুবিধা হচ্ছে। বড় একটা জার্নি করে ব্যথা আরোও বেড়েছে। ফোনে কথা হলো। ফিরতে পেরেছে এতেই অনেক ভালো লাগলো। ডাক্তার বলেছে এখনকার রিপোর্ট অনেক ভালো। ৩ মাস পর আবার টেষ্ট করে ডাক্তারের সাথে দেখা করতে হবে।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১২৯৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
বর্তমানে দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-এ কর্মরত। টুকটাক ওয়েবসাইট ডেভেলপ করি। সুজন-এর সঙ্গে জড়িত। ভলান্টিয়ার হিসেবে কাজ করে থাকি। দেশ পরিবর্তনে কিছু...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ