somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... উজ্জীবক পুর্নমিলনী-২০১০ সরাসরি দেখা যাচ্ছে
দেখতে হলে এই ঠিকানায় যান দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-বাংলাদেশ ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/29291710 http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/29291710 2010-12-18 09:43:19
সাহায্যের আবেদন: অরণ্যকে বাঁচাতে পারি আমরা
হয়তো লেখা হতে পারত, এক যে ‘ছিল’ শিশু। শিশুটির বয়স চার, নাম ফাহিম হাসান অরণ্য। তার মায়ের নাম সুবর্ণা, আর আব্বু এ এইচ এম সলিমুল্লাহ সেলিম। মা সামারফিল্ড স্কুলে শিক্ষকতা করেন; আর আব্বু সংযুক্ত ছোটখাটো একটি ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে। তবে আমাদের সৌভাগ্য যে প্রতিবেদনটি সেভাবে শুরু করার প্রয়োজনীয়তা ঠিক এ মুহূর্তে দেখা দেয়নি। তবে, দিতে আর কত দূর? উত্তর নির্ভর করছে আমাদের ওপর।
শিশুটির মা ও আব্বাকে আমি ভালোভাবে চিনি। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের অতি পুরাতন বসবাসকারীদের একজন হওয়ায় জনাব সলিমুল্লাহ সেলিমের প্রয়াত পিতা ছিলেন আমার প্রতিবেশী। তিনি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারিক। আর শিশুটির মা আমার সাক্ষাৎ ছাত্রী।
সদাচঞ্চল অরণ্য হঠাৎ মাসখানেক আগ থেকে নির্জীব হয়ে পড়তে শুরু করে। মাঝেমধ্যে স্তব্ধ হয়ে পড়ে কথা বলার স্পৃহা। ব্যথায় কুঁকড়ে যায় মুখমণ্ডল। তখন অবশ হয়ে যায় সমস্ত শরীর। আতঙ্কিত মা-বাবা শরণাপন্ন হন চিকিৎসকের। তার চিকিৎসা শুরু হয়, ব্রেইন অ্যান্ড স্পাইন সার্জন, নিউরোসার্জারি বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক ডা. মইনুল হক সরকারের তত্ত্বাবধানে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে নির্ধারিত হয় শিশুটির অসুস্থতার প্রকৃত পরিচয়। চিকিৎসক রায় দেন, এ অসুস্থতার নাম, থ্যালামিক গ্লিওমা (right thalamic glioma)। এ রোগের চিকিৎসা বাংলাদেশে সম্ভব নয়। চিকিৎসার কোনো সুযোগই নেই বাংলাদেশে। তাকে অতি দ্রুত নিয়ে যেতে হবে ব্যাংককের বামরুগ্রাদের হাসপাতালে বা সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথে। অসহায় শিশুটি এখন দিন গুনছে ইবনে সিনা হাসপাতালের ধানমন্ডি শাখার ২০৪ নম্বর কেবিনে কয়েক সপ্তাহ ধরে।


আজকের দিনেও, বিনা চিকিৎসায় নয়, সুচিকিৎসার অভাবে মারা যাচ্ছে অসহায় শিশু। হয়তো এর বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই আমাদের করার কিছু থাকে না। দুঃখ পাই, নীরব দর্শক হয়ে থাকি। কিন্তু আমার মনে হয়, এই শিশুটির ক্ষেত্রে আমরা এগিয়ে আসতে পারি। কিছু করণীয় আছে আমাদের। তার ব্যাংকক কিংবা সিঙ্গাপুরের চিকিৎসার আনুমানিক ব্যয় প্রায় ৪০ লাখ টাকা, যা কোনোভাবেই তার নিম্নমধ্যবিত্ত বাবা-মা বা আত্মীয়স্বজনের পক্ষে জোগাড় করা সম্ভব নয়। ইতিমধ্যে চিকিৎসা বাবদ ধারদেনা করতে হয়েছে প্রচুর, ছয় লাখ টাকার মতো। যার পক্ষে যতটুকু সম্ভব বাড়িয়ে দিতে পারি সাহায্যের হাত।
বিবেকের কাছে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, অরণ্যকে কি এইভাবে আমাদের ছেড়ে যেতে দিতে পারি? আসুন, আমরা সবাই মিলে দ্রুত সাড়া দিই শিশুটির আর্ত আহ্বানে। সময় বড়ই মূল্যবান, দ্রুত গড়িয়ে যেতে দিলে, হয়তো নাগালের বাইরে চলে যাবে সব প্রয়াস। তখন আর কে কাকে দুষব আমরা। তাই বলি, সময় থাকতে এগিয়ে আসুন। চোখভার জল নিয়ে আপনাদের দিকে তাকিয়ে অরণ্যর মা-বাবা সুবর্ণা ও সেলিম।
সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা: সুবর্ণা সেলিম, সঞ্চয়ী হিসাব নম্বর : ১৩৮২১০২০০০২৭৬৯, প্রাইম ব্যাংক লিমিটেড, আসাদ গেট শাখা, ঢাকা। যেকোনো প্রয়োজনে যোগাযোগের জন্য: ০১৭১৭১৬৩৩১৬ অথবা ০১১৯০৩৪৬২০৫।
মোহাম্মদ রফিক: কবি। অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।

তথ্য সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28962724 http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28962724 2009-06-10 14:46:37
একটি মানবিক আবেদন এমদাদুল হক মিলন একজন উদীয়মান প্রতিভাবান ওয়েব প্রোগ্রামার (পিএইচপি-মাইসিকিউএল)। দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-বাংলাদেশের আইটি সেকশনের কর্মী। সম্প্রতি দূরারোগ্য ব্যধি ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে ভারতে চিকিৎসারত। তামলনাড়ু রাজ্যের ভেলোরে অবস্থিত ক্রিশ্চিয়ান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অবস্থান করছে। ক্যান্সার তার বাম হাতের বাহুর হাড়কে আক্রান্ত করেছে। ডাক্তারদের পরামর্শে বাম হাতটি কেটে ফেলার দিন গুনছে। মরণব্যাধীতে তার জীবন বিপন্ন। আক্রান্ত হাতটি কেটে ফেলার মাধ্যমে বেঁচে থাকার শেষ চেষ্টা, তারপরেও কি তাকে বাঁচানো যাবে?



শারীরিকভাবে সে প্রথম অসুস্থতা বোধ করে গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনকালীন সময়ে। মাঝে মাঝেই বাম হাতের বাহুতে ব্যথা অনুভূত হতো। সেই ব্যথাকে কোনমতেই আমলে না দিয়ে কাজ করে গিয়েছে অবিরাম। সুজন'র নির্বাচনকালীন কাজে সে জড়িত ছিল। সুজন ডট অর্গ সাইটটি পরিচালনা করতো। সুজনের ভোটবিডি সাইটে জাতীয় সংসদের সকল প্রার্থীর তথ্য পোষ্টিং করার কাজে রাত-দিন পরিশ্রম করেছে। মোল্লারটেকে ডেভনেট কোম্পানীতে ডাটাএন্ট্রি কাজ চলার সময় আমি এবং সে পালাক্রমে ৭/৮ রাত বিনিদ্র কাজ করেছি। অসুস্থতা থাকা স্বত্বেও উপজেলা নির্বাচনের প্রার্থীদের তথ্য এন্ট্রির সময়েও কাজ করে যেতে হয়েছে। হাতের ব্যথায় প্রথম সে ডাক্তারের স্মরণাপন্ন হয় গত কোরবানী ঈদের পূর্বে। ব্যথার সাথে সাথে মাঝে মাঝেই প্রচন্ড মাত্রার প্রেসার তাকে গ্রাস করতো। উত্তরার ডাক্তার বিভিন্ন রকমের পরীক্ষাদির পর পঙ্গু হাসপাতালে যাবার পরামর্শ দেয়। পঙ্গু হাসপাতালের ডাক্তার তাকে পাঠায় বাংলাদেশ ক্যান্সার ইন্সটিটিউটে। ক্যান্সার হাসপাতাল নিশ্চিত করে সে দূরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত। হাত কেটে ফেলার পরামর্শ দেয়। ভয়ঙ্কর এ পরামর্শ শুনতেও কষ্ট লাগে। কিন্তু হাতের ব্যথা দিনকে দিন বেড়েই চলে, ফুলে ওঠে। কিছু একটা তো করতে হবে। পপুলার, ডেল্টাতে বারংবার পরীক্ষার পরেও একই ধরনের রেজাল্ট পাওয়া যায়। এপোলো হাসপাতালে গেলে তারাও ভিন্ন কথা বলেনি।

বাংলাদেশে অনেক পরীক্ষার রিপোর্ট দেশের বাইরে ভুল প্রমানিত হয়েছে, এই ভরসাতেই এমদাদ রিপোর্টগুলিকে ততটা পাত্তা দেয়নি। মানিসকভাবে সে ছিলো পুরোমাত্রায় সতেজ। সঠিক চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যাবার সিদ্ধান্ত নেয়। আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবের পরামর্শে ভারত যাবে বলে ঠিক করে। কলকাতার ঠাকুরপুকুরে অবস্থিত ক্যান্সার রিসার্চ ইন্সটিটিউটের অনেক নাম-ডাক আছে। সেখানেই যাবে বলে মনস্থির করে।

পরিবারের আর্থিক অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। দি হাঙ্গার প্রজেক্ট যে সংগঠনে সে কর্মরত তাদের কাছে সাহায্যের আবেদন করে। সংগঠন, আত্মীয়-স্বজন এবং বন্ধু-বান্ধবের কাছ থেকে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকার একটি তহবিল সংগ্রহ করতে সমর্থ হয়।

ভিসা জটিলতা শেষে গত ফেব্রুয়ারী মাসের ১৯ তারিখ রাতে কলকাতার উদ্দেশ্যে বাসযোগে যাত্রা করে। কলকাতার আত্মীয়ের পরামর্শে ২০ তারিখে স্থানীয় একজন ডাক্তারকে দেখায়। তিনি বাংলাদেশের সকল রিপোর্ট পর্যালোচনা করে আগের রায়ই বহাল রাখেন। কষ্ট যেন আরো বাড়তে থাকে। কলকাতার ডাক্তারদের পরামর্শ তাকে আস্বস্ত করতে পারে না। মাদ্রাজ যাবার সিদ্ধান্ত নেয়। ২১ তারিখ সন্ধ্যায় মাদ্রাজের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়।

ভেলোরের ক্রিশ্চিয়ান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল হচ্ছে চিকিৎসার ঠিকানা। ২২ তারিখ রোববার, এদিন সেখানে ছুটির দিন হওয়ায় চিকিৎসা প্রক্রিয়া একটু পিছিয়ে পড়ে। ২৩ তারিখে ডাক্তার দেখানো হয়। ২৬ তারিখে ডাক্তারদের একটি বোর্ড সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর দূরারোগ্য ক্যান্সারের কথা পুনরাবৃত্তি করে। এমদাদের সকল আশা-ভরসা শেষ হয় যায়। এমদাদের আকুতি "হাতটি কেটে না ফেললে হয় না" । এর উত্তরে ডাক্তার জানায় হাতটি না কাটলে ক্যান্সার সম্পূর্ণ শরীরে ছড়িয়ে পড়বে। মৃত্যু তখন অনিবার্য। এভাবে বড়জোড় ৫ মাস পর্যন্ত টিকে থাকা যাবে। হাতটি কেটে ফেলাই একমাত্র সমাধান, যার মাধ্যমে হয়তো জীবনের ঝুঁকি থেকে রেহাই পাওয়া যেতেও পারে।

এভাবেই কেটে যায় দু'একদিন। বাবা-মা'র সাথে টেলিফোনে কথা হয়। বড় ভাই সাথেই আছে। কিন্তু তিনি কোন সিদ্ধান্ত দিতে পারেন না। ছোটভাইয়ের এ অবস্থায় তিনি যেন আরো বেশি ভেঙ্গে পড়েছেন। বাবা-মা নির্বাক। যে সন্তানের আয়ে বাবা-মা এর দুবেলা খাবার জুটতো সে আজ মৃত্যুপথযাত্রী। সহজ-সরল বাবা-মা এমদাদকে বলেছে "যেটা করলে ভালো হয় সেটাই করো বাবা"।

অবশেষে অনেক কষ্ট হলেও অগত্যা বেঁচে থাকার তাগিদে এমদাদ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, অপারেশন করে, তার ক্যান্সার আক্রান্ত হাতটি অপসারন করবে।

যে হাত দিয়ে পরিশ্রমী এমদাদ এতদিন অনেক কাজ করেছে তা কেটে ফেলতে হবে। প্রোগ্রামার এমদাদ একহাতে কিভাবে কোডিং করবে? হাত কেটে ফেলার পর এমদাদ সুস্থ হয়ে উঠবে তো? হাত কাটার পর এমন হবে না তো যে এই সিদ্ধান্ত পুরোটাই ডাক্তারদের ভুল ছিলো?

এরকম হাজারো প্রশ্নের মুখোমুখি হওয়ার পরেও ডাক্তারদের পরামর্শই মানতে হবে। এবং আরো বাস্তবতা যে, এই অপারেশনসহ কেমোথেরাপীর জন্য মাসব্যাপী এমদাদকে মাদ্রাজে অবস্থান করতে হবে। সেখানে ১০ লক্ষাধিক টাকার প্রয়োজন হবে। এই টাকার যোগান কোথা থেকে হবে?

এমদাদ তাকিয়ে আছে আমাদের দিকে। বাংলাদেশীদের প্রতি তার অগাধ ভালোবাসা এবং আস্থা। আসুন আমরা তার চিকিৎসার জন্য হাত বাড়িয়ে দেই।



উল্লেখ্য এমদাদের গ্রামের বাড়ী চুয়াডাঙ্গা জেলায়। সে ভূঁইয়া একাডেমী থেকে ডিপ্লোমা করার পর হাঙ্গার প্রজেক্ট অফিসের খন্ডকালীন কাজ হিসেবে সকল কম্পিউটার দেখাশোনার কাজ করতো। তার কাজের প্রতি আন্তরিকতা এবং শেখার প্রবল আগ্রহ দেখে হাঙ্গার প্রজেক্ট ২০০৬ সালে ফুলটাইম কর্মী হিসেবে তাকে যোগদান করার আহ্বান জানায়। সেই থেকে এমদাদ কাজ করে যাচ্ছিলো। পাশাপাশি স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ এ কম্পিউটার সায়েন্সে পড়াশুনা চালিয়ে যাচ্ছিলো।

Emdad's contact number in India: 00919 7866 34195, 00919 6790 14648

তাকে সহায়তা করতে চাইলে এই ঠিকানায় যোগাযোগ করুন:

দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-বাংলাদেশ
৩/৭ আসাদ এভিনিউ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭, বাংলাদেশ
ফোন: ৮১১২৬২২, ৮১২৭৯৭৫
মোবাইল: ০১১ ৯১০০ ৭৪৬১ (রুবন)
ব্যাংক তথ্য : Account Number: 21057519 Bank: The City Bank Limited, Gulshan-1 Account Holder: Nurjahan Alim
ওয়েষ্টার্ন ইউনিয়ন মানি ট্রান্সফার ব্যবহার করে টাকা পাঠানোর নিয়ম নিম্নে দেওয়া হয়েছে ৫ মার্চের আপডেটে।

আপডেট ২ মার্চ, ২০০৯
আজ এমদাদের ভাবীর সাথে কথা বলে জানা গেলো যে, আগামীকাল এমদাদ হাসপাতালে ভর্তি হতে যাচ্ছে। এবং ডাক্তারদের ঘোষনা অনুযায়ী ৪ মার্চ অপারেশন করা হবে। রাতে এমদাদ ফোন করেছিলো। ইন্ডিয়াতে টাকা পাঠানো নাকি খুব একটা সহজ নয়। আলোচনা হচ্ছিলো কিভাবে টাকা পাঠানো সম্ভব হতে পারে। যদিও এখন পর্যন্ত খুব একটা সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। দেশের এহেন ঘোর বিপদে এমদাদকে স্মরণ করবে কয়জন। কিন্তু তারপরেও পরশুদিন অপারেশন হতে যাচ্ছে। সহৃদয় ভাই-বোনদের প্রতি দ্রুততার সাথে এগিয়ে আসার জন্য আহ্বান জানানো যাচ্ছে।

আপডেট ৩ মার্চ, ২০০৯
আজকে এমদাদকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। আগামীকাল সম্ভবত অপারেশন হবে। এমদাদের ভাবীও যাবার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রাত্রে রোগীর সাথে কোন পুরুষ এলাউ করে না। এমদাদের ভাবী পাসপোর্ট তৈরির জন্য দৌড়াদৌড়ি করেছেন। শেষ পর্যন্ত পাসপোর্ট হাতে পেয়েছেন কি না এটি জানা যায় নি।

আপডেট ৪ মার্চ, ২০০৯
একটু আগে জানা গেলো এমদাদকে অপারেশন থিয়েটারে নেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ সময় ১০:৫০ মিনিটে। এমদাদ সকলের কাছে দোওয়া চেয়েছে।

আমার খুব কষ্ট লাগছে আপডেট জানাতে। বিকাল ৪টা নাগাদ এমদাদ অপারেশন থিয়েটারে ছিলো। তার অপারেশন সমাপ্ত হয়েছে। বাম হাতটি কেটে ফেলা হয়েছে....

তার বড় ভাই অপারেশন পরবর্তী ঔষধ-পত্র, ডাক্তার এসব নিয়ে ব্যস্ত। খুব একটা আপডেট জানা সম্ভব হয়নি। তার ভাবীর কাছ থেকে রাত ৮টার দিকে জানা গেছে এমদাদ বমি করেছে। অপারেশনের পর বমি করাটা নাকি ভালো লক্ষণ নয়। ভাবী কাঁদছিলেন। আমি ক্লাসে ছিলাম। কাঁদতেও পারলাম না। চিৎকার করে কাঁদতে ইচ্ছে করে। কিছুই করতে পারছি না ভেবে অসহায় মনে হচ্ছে। আর লিখতে পারছি না...

আপডেট ৫ মার্চ, ২০০৯
আজ সকালে এমদাদ ভাইয়ের বড় ভাইয়ের সাথে কথা হলো। তিনি জানালেন এমদাদের অবস্থা খুব একটা ভালো না। তিনি ডাক্তারের সাথে কথা বলতে যাচ্ছেন। গতকালই অপারেশন হয়েছে, সমস্যা হতে পারে, এ নিয়ে আর কথা বাড়ালাম না। টাকা পাঠানোর বিষয়টা নিয়ে চিন্তায় আছি। কোন বুদ্ধি করতে পারছি না। ২০০ ইউরো হাতে এসেছে। আরো কিছু প্রতিশ্রুতি পাচ্ছি। আশা করি তারাও শীঘ্রই দিয়ে দিবেন। আলীম ভাই জানালেন, হাসপাতালের কাছেই ওয়েষ্টার্ন ইউনিয়ন মানি ট্রান্সফার আছে। সেখানে টাকা পাঠানো যেতে পারে। কিন্তু খোঁজ নিয়ে জানতে পারলাম বাংলাদেশ থেকে কোনভাবেই সম্ভব না। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি বাংলাদেশে প্রাপ্ত টাকার সমমপরিমাণ অর্থ আমাদের দিল্লী/নিউ ইয়র্ক অফিস থেকে এমদাদের কাছে পৌঁছানো হবে

দেশের বাইরে থেকে যদি কেউ টাকা পাঠাতে চান তাদের জন্য নিয়মটা বলছি: ১. এই ঠিকানায় টাকা পাঠাতে হবে:Western Union Money Transfer, Vellore, India ২. যার নামে পাঠাবেন: MD. ABDUL ALIM ৩. উনার পাসপোর্ট নাম্বার প্রয়োজনে দিতে পারেন: A0579093 ৪. টাকা পাঠানোর পর টাকার পরিমাণ এবং কোড নাম্বারটি আমাকে জানান। আমি আলীম ভাইকে জানিয়ে দিবো। ৫. উপরোক্ত তথ্যের মাধ্যমে এমদাদের বড় ভাই মো: আলীম টাকা পেয়ে যাবেন।

আমি কিছু বিদেশী বন্ধু হাঙ্গার প্রজেক্টের কর্মীর কাছে আবেদন করেছিলাম। একজন ইন্ডিয়ান তিনি আমেরিকায় থাকেন উনি কিছু টাকা ট্রান্সফারের জন্য ছোটভাইকে বলেছেন। ছোটভাই মুম্বাই থাকেন। এখনো টাকার পরিমাণটা জানান নি।

এমদাদের ভাবী আজ অফিসে এসেছিলেন। তিনি পাসপোর্ট তৈরি করেছেন গতকাল। ইন্ডিয়া যেতে চাচ্ছেন। হাসপাতালে রুগীর কাছে রাতে কোন পুরুষ মানুষ থাকার নিয়ম নেই। এ জন্য উনি যাবেন। অনেক কান্নাকাটি করলেন। ছোট দুধ খাওয়া বাচ্চা আছে। ছোট বাচ্চা নিয়ে যাওয়াটা ঠিক হবে কি না, এ নিয়ে আলাপ করলাম। তাছাড়া টাকা-পয়সার সংকট। অতিরিক্ত মানুষ গেলে চিকিৎসার টাকায় ঘাটতি হতে পারে এমনটা বোঝালাম আমরা। কিন্তু উনি নাছোড়বান্দা। ডলার এন্ডোর্সমেন্ট করতে সহায়তা করলাম। আজকেই ভিসার আপীল করার জন্য ভিসা সেন্টারে গেছেন। পরে আর কথা হয়নি।

আপডেট ৬ মার্চ, ২০০৯
"আজ এমদাদ কিছুটা ভালো আছে" শুনে মনটা ভালো হয়ে উঠলো। নার্সরা শরীর মুছে দিয়ে গেছে। পরক্ষণেই জানতে পারলাম আলীম ভাইয়ের হাতে একদম টাকা নেই। মাত্র ৩০০০ রূপী আছে। এ দিয়ে চিকিৎসা এবং থাকা-খাওয়া খরচ কিভাবে হবে এ নিয়ে উনি চিন্তিত হয়ে উঠেছেন। বাংলাদেশ থেকে নিয়ে যাওয়া ১ লক্ষ ২০ হাজার + কলকাতার আত্মীয়ের কাছে প্রাপ্ত ৭০ হাজার টাকা সব শেষ।
এর পূর্বেই জানতে পেরেছিলাম আমাদের ইন্ডিয়ান এবং আমেরিকান দু'জন বন্ধু (টিএইচপি কর্মী) ২০০ ডলার পাঠিয়েছে। ওয়েষ্টার্ন ইউনিয়ন এর মাধ্যমে এটাই প্রথম এমদাদের কাছে টাকা পাঠানো হলো। টাকা তোলার তথ্যাদি দিয়ে দিলাম। ঘন্টা চার পর জানতে পারলাম ঠিকমতো টাকা তোলা সম্ভব হয়েছে।
টাকা পাঠানোর পরিমাণটা আরো বেশি হলে খুব ভালো লাগতো। অন্তত চিকিৎসা প্রক্রিয়া থেমে যেন না যায় সে ব্যাপারে আমাদের সকলের সচেষ্ট থাকতে হবে।

এমদাদের ভাবী ইন্ডিয়াতে আপাতত না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভালো সিদ্ধান্ত, অন্তত কিছু বাড়তি খরচ থেকে বাঁচা গেলো।

আপডেট ৭ মার্চ, ২০০৯
গতকাল ইটালী থেকে জামান ভাই ফোন করেছিলেন। তিনি এমদাদকে কিছু সহায়তা করবেন। ২০০ ডলার পাঠাবেন। আরো জানালেন যে, এমদাদের চিকিৎসার জন্য ইটালীতে লিফলেট বিতরণ করছেন। সেখান থেকে প্রাপ্ত সহযোগিতার অর্থ এমদাদকে পাঠিয়ে দিবেন। খুবই ভালো লাগলো। সারা বিশ্বের বাঙ্গালী/ বাংলাদেশী আজ এমদাদের জন্য ভাবছে। এটা ভাবতেও মনটা কেমন যেন হয়ে যায়।

এখনো জামান ভাইয়ের সহায়তা এসে পৌছায়নি। নিশ্চয়ই আগামীকাল পাওয়া যাবে।

এমদাদের অবস্থার উন্নতি হয়েছে। ফোন করেছিলাম দুপুর ১২:৩০ মিনিটে। কথা হলো না। টয়লেট গিয়েছে। হ্যাঁ, গতকাল থেকে ডাক্তার এমদাদকে একটু-আধটু হাটাচলা করতে বলেছে। আগামী বুধবার থেকে কেমোথেরাপী শুরু হবে।

আপডেট ৮ মার্চ, ২০০৯
আজ নারী দিবস। অফিসের প্রোগ্রাম থাকায় ব্যস্ত ছিলাম। একটু আগে এমদাদ মিস কল দিয়েছিলো। কলব্যাক করলাম। শরীর ভালো আছে। জানালো ধার করে সবকিছু চালাচ্ছে। টাকার প্রয়োজন। নুতন কোন তথ্য দিতে পারলাম না। বললাম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

ইটালী থেকে জামান ভাই মেইল করলেন। দু:খ প্রকাশ করলেন দেরী করার জন্য। আগামীকাল অবশ্যই টাকা পাঠাবেন সেটি জানালেন।


আপডেট ৯ মার্চ, ২০০৯
না, আজকেও কোন টাকা পাঠাতে পারলাম না। ইটালী থেকে টাকা পাঠানোর তথ্যও এসে পৌছেনি। বাংলাদেশে সংগৃহিত ১৭,৫০০ টাকার সমপরিমাণ ডলার $২৫০ হাঙ্গার প্রজেক্টের আমেরিকা অফিস থেকে ট্রান্সফারের জন্য অনুরোধ করেছিলাম। সেটিও এখনো সম্ভব হয়নি। আজকে রাতেই এটি সম্ভব হবে বলে আশা করছি। আগামীকাল সকালে তারা টাকা পেয়ে যাবেন। আলীম ভাই আজ ভিসা এক্সটেনশন করতে গেছিলেন। আমাকে জানালেন এখানে বেশ কিছু টাকা অতিরিক্ত চলে যাচ্ছে। ভিসা এক্সটেনশন চার্জ $20 করে $40 ডলার। এছাড়াও পুলিশকে অতিরিক্ত ২০০-৩০০ রূপী দিতে হবে। আরো জানালেন প্রতিদিন ১২০০ রূপী খরচ হচ্ছে। ৮০০ রূপী শুধুমাত্র ঔধষ বাবদ + ১০০ রূপী থাকা বাবদ + ৩০০ রূপী খাওয়া বাবদ। এভাবে হয়তো আরো ১মাস থাকতে হবে। আগামীকাল থেকে কেমোথেরাপী শুরু হবে। অন্তুত ৩টি কেমো কোর্স শেষ করে আসতে হবে। কেমোথেরাপীর খরচ কেমন হবে এ সম্পর্কে ধারণা দিতে পারলেন না। কোন ধরনের কেমো ডাক্তাররা দিবেন তার উপর খরচটা নির্ভর করবে।

আপডেট ১২ মার্চ, ২০০৯
১০ তারিখ রাতে এমদাদকে হাসপাতাল থেকে রিলিজ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে সে তার বড় ভাইয়ের সাথে হোটেল অবস্থান করছে। সময়মতো হাসপাতালে গিয়ে ব্যান্ডেজ পরিবর্তন করছে। মনে হচ্ছে চিকিৎসা ঠিকমতোই হচ্ছে। কিন্তু কেমোথেরাপী শুরু হয়নি। ১৬ তারিখে প্রথম কেমোথেরাপী হবে। এজন্য সিট বুকিং দেয়া হয়েছে। তার আগেই সেলাই খোলা হবে।
১০ এবং ১১ তারিখে বেশ কিছু টাকা পাওা গেছে।
এইখানে গেলে মোট সহায়তার পরিমাণ জানা যাবে
১০ তারিখ বিকালে অনলাইন ব্লগার্স কমিউনিটি'র মিটিং এ উপস্থিত ছিলাম। ব্লগার ভাইয়ের প্রতি আমার আবেদন জানালাম। মঞ্জুরুল ভাই, অরণ্য ভাইসহ প্রত্যেকেই সহায়তার জন্য আশ্বাস দিলেন।

আপডেট ২৪ মার্চ, ২০০৯
১৮ মার্চ তারিখে কেমোথেরাপী দেয়া হয়েছে। এরপর হাসপাতালে ৪দিন থাকতে হয়েছে। কেমোথেরাপী তার শরীরের সমস্ত শক্তি কেড়ে নিয়েছে। খাওয়া-দাওয়া কিছুই করতে পারছে না। বমি হচ্ছে। ডাক্তার রক্ত দেয়ার কথা ভাবছে।
আগামীকাল এমদাদের মা এবং ছোটভাই ভিসা প্রাপ্তি সাপেক্ষে মাদ্রাজের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবে। তাদের পৌঁছার পর বড় ভাই ফিরে আসবেন।
ভেলোরের ডাক্তার ৬মাস ব্যাপী চিকিৎসা সেখানে করার পরামর্শ দিয়েছে। এতদিন ব্যাপী চিকিৎসার খরচ কিভাবে যোগান হবে সেটাই এমদাদের বাবা-মা'র একমাত্র চিন্তা।

আপডেট ১২ এপ্রিল, ২০০৯

গতকাল ২য় কেমো শুরু হয়েছে। ৪দিনব্যাপী কেমোথেরাপী চলবে। অর্থাৎ ৪দিনব্যাপী ক্যান্সার প্রতিরোধক ঔষধ সেলাইনের মাধ্যমে ক্রমাগত পুশ করা হবে। প্রথম কেমোতে এমদাদ মারাত্মকরকম অসুস্থ হয়ে পড়েছিলো। তারপর ধীরে ধীরে সে ধকল কাটিয়ে ওঠে। মা এবং ছোটভাই সেখানে পৌঁছার পর বড়ভাই ৩১ তারিখে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। এখন তিনি ঢাকায়।



আলীম ভাইয়ের মোবাইলে তোলা কিছু ছবি পিকাসা এলবামে তুললাম।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28918738 http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28918738 2009-03-01 23:52:11
ভোট দিতে যাবার আগে আরেকবার ভাবুন এখানে ক্লিক করুন সুজন'র পক্ষ থেকে প্রতিটা আসনের জন্য একটি করে তুলনামূলক চিত্র তৈরি করা হয়েছে। সেখান থেকে তাদের তথ্য দেখে যাচাই করুন, কে ভালো আর কে খারাপ। নিজের বুদ্ধি, বিবেচনা দিয়ে সঠিক ব্যক্তিকে খুঁজে বের করুন। ভোটটা নষ্ট হবে মনে করে যিনি জিতবেন তাকেই ভোটটি দিয়ে আসবেন না। প্রার্থী সন্ত্রাসী, গদফাদার হতে পারে, দুর্নীতিবাজ-রাজাকার-স্বৈরাচার হতে পারে, মার্কার প্রতি অনুগত হয়ে দেশ ও দশের ক্ষতি বয়ে আনতে পারে এমন ব্যক্তিকে ভোটদান থেকে বিরত থাকুন। গত দুই বছরে এটা আমরা হারে হারে টের পেয়েছি যে, আমরা কেউই রাজনীতির বাইরে নই। রাজনীতি খারাপ হলে, পচে গেলে দেশও রসাতলে যায়। তাই রাজনীতিতে ভালো লোকের আবির্ভাব ঘটানো খুবই দরকার। আর এটা একমাত্র আমরা ভোটাররাই পারি। পারি তুলনামূলক ভালো প্রার্থীকে ভোট দিয়ে জয়ী করতে। আবার পারি 'না' ভোট দিয়ে সকল অযোগ্য প্রার্থীকে বাতিল করতে। ক্ষমতা এখন আমাদের হাতে। সিদ্ধান্ত নিতে হবে দ্রুত। গণতান্ত্রিক যোগ্য সরকার গঠিত হলে দেশ সঠিক পথে চলবে। দেশ এগিয়ে যাবে এবং আমরা হতে পারবো সেই গর্বিত দেশের মালিক।
নির্বাচন সংক্রান্ত তথ্য ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28889448 http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28889448 2008-12-29 00:14:54
সঠিক প্রার্থীকে ভোট দিন। দেশকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করুন তুলনামূলক চিত্র

আপনার মূল্যবান ভোটটি দেবার আগে ঠিকমতো যাচাই করে নিন। সৎ ও যোগ্য প্রার্থী বাঁছাই করুন। সঠিক প্রার্থীর সন্ধান না মিললে 'না' ভোট দিন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28888069 http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28888069 2008-12-26 01:00:31
প্রার্থীদের তথ্য নিয়ে তুলনা তুলনামূলকচিত্র
ভোটবিডি সাইটে প্রার্থীদের বিস্তারিত তথ্য প্রয়োজনীয় কারেকশনের পরেই পাবলিশ করা হবে। সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দিন। সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন। সকল অযোগ্য প্রার্থীদের বাতিল করতে 'না' ভোট দিন। দেশের ভালো-মন্দ এখন আমাদের সকলের হাতে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28884898 http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28884898 2008-12-19 19:59:54
সংসদ নির্বাচন সংক্রান্ত আইন সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক সংসদ নির্বাচন আইন সংক্রান্ত একটি বই পাবলিশ করেছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যারা প্রার্থী হচ্ছেন তাদের জন্য বিশেষ করে বইটি অনেক কাজের হবে। এছাড়াও যারা নির্বাচন নিয়ে লেখালেখি, গবেষণা করেন তারা এই বইটি সংগ্রহে রাখতে পারেন।

প্রকাশনাটিতে যা আছে:
গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ, ১৯৭২ (১২ নভেম্বর, ২০০৮ পর্যন্ত সংশোধিত);
নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮;
রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০০৮;
রাজনৈতিক দল নিবন্ধন বিধিমালা, ২০০৮;
ভোটার তালিকা অধ্যাদেশ, ২০০৭;
ভোটার তালিকা বিধিমালা, ২০০৮; ও
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন ফরম পূরণের নির্দেশিকা।

২৬০ পৃষ্ঠার এই বইটির মূল্য রাখা হয়েছে মাত্র ৩০০টাকা।

প্রাপ্তিস্থান: সুজন সচিবালয়, ৩/৭ আসাদ এভিনিউ, মোহম্মদপুর, ঢাকা।
ফোন: ৮১১২৬২২, ৮১২৭৯৭৫, ০১৭১২-০৩ ৯২ ১৯
ওয়েবসাইট: www.shujan.org & www.votebd.org


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28870787 http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28870787 2008-11-18 18:37:38
ব্যান্ডউইডথ চার্জ কি কমছে না!
নিশ্চিত হওয়ার জন্য আমার আইএসপি ‘টেলনেট’ এর সাথে কথা বললাম। তারা জানালো নিউজটা তারাও দেখেছে বা পড়েছে। তবে এখনো কোন আনুষ্ঠানিক চিঠি পায়নি। পেলে অবশ্যই সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নিবে। আরেকটি আইএসপি ‘এক্সেসটেল’ এর সাথে কথা বললাম। তারা জানাচ্ছে যে ব্যান্ডউইডথ চার্জ কমছে না। তারা ইতিমধ্যেই চিঠি পেয়ে গেছে। সেখানে ব্যান্ডউইডথ চার্জ কমানোর কোন নির্দেশনা নেই।

একাধারে হতাশ এবং বিরক্ত হলাম। প্রথমত বিরক্ত হলাম বিটিআরসি’র উপর। এ ধরনের বিভ্রান্তিমূলক তথ্য পরিবেশনের জন্য। কেননা এতগুলো নিউজ মিডিয়া নিশ্চয়ই ভুল করতে পারে না। আর এরকম খবর প্রচারের পর বিটিআরসি নিশ্চয়ই ভুল শোধরানোর জন্য একটি কাউন্টার ম্যাসেজ পাঠাতে পারতো। তা না করে তারা চুপচাপ গিলেছে। দ্বিতীয়ত বিরক্ত হয়েছি আমাদের মিডিয়ার উপর। তাদের দায়িত্বশীল খবর পরিবেশনের ধরন দেখে। তারা নিশ্চিত না হয়ে এ ধরনের খবর প্রচার করতে পারে না। এখন গ্রাহক এবং আইএসপিগুলোর মধ্যে সম্পর্ক খারাপ হবে এটি নিশ্চিত। এক্সেসটেল জানাচ্ছে যে, এখন না হলেও জানুয়ারীর মধ্যে ব্যান্ডউইডথ চার্জ কমানোর ঘোষনা আসছে। অগত্যা আমাদের সেই দিনের জন্যই অপেক্ষা করতে হবে।

বিটিআরসিতে ফোন করেছিলাম। কোন খবর নেওয়া যায় কি না। আমি যেহেতু যায়যায়দিন-এ লিখি সেই পরিচয় দিয়েই ফোন করেছিলাম এবং এ ব্যাপারে দায়িত্বশীল কার সাথে কথা বলতে পারি জানতে চাইলে অপারেটর আমাকে জানালো যে এ জন্য অফিসে আসতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। টেলিফোনে জানা যাবে না। বিটিআরসি’র ওয়েবসাইটেও এ ব্যাপারে কোন তথ্য নজরে পড়ল না। বাংলাদেশ গভ: এর সার্ভিস এর থেকে আর ভালো কি হতে পারে।

আইএসপি ‘বাংলাদেশ অনলাইন’ থেকে পাওয়া বিটিআরসি’র সার্কুলারটি এখানে যুক্ত করলাম।


বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় যেসব নিউজ এসেছে তার লিঙ্ক:
প্রথম আলো
আমার দেশ
বিডি নিউজ
The Daily Star
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28869796 http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28869796 2008-11-16 15:39:30
ব্যান্ডউইডথ চার্জ কমলো ৬০ শতাংশ বিডি নিউজ

বিডি নিউজ জানাচ্ছে যে, আগামী ডিসেম্বর ১ তারিখ থেকে ইন্টারনেট চার্জ ৬০ শতাংশ কমে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে বিটিআরসি মোবাইল ফোন অপারেটর, পিএসটিএন অপারেটর ও আইএসপিগুলোকে এই হ্রাসকৃত মূল্য হার অনুসরণ করে আগামী ১৩ নভেম্বরের মধ্যে গ্রাহক মূল্য নির্ধারণের নির্দেশ দিয়েছে।

এটা খুবই ভালো সংবাদ। সর্বক্ষেত্রে ইন্টারনেট চার্জ কমলে ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যম বেছে নিতে সুবিধা হবে। অনেকেই আমরা মোবাইল দিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করি। অনেকেই ব্রডব্যান্ড, পিএসটিএন ফোন। যেখানে ব্রডব্যান্ড কানেকশন চার্জ বেশী সেখানে আমরা অন্যান্য মাধ্যম ব্যবহার করতে পারি। চার্জ কমলে সবগুলোতেই সুবিধা।

এখন সবাই ৬০% কমালেই হয়। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28867469 http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28867469 2008-11-11 00:31:08
মন্থন পুরস্কার পেল সুজন’র ভোটবিডিসহ বাংলাদেশের ৬টি উদ্যোগ (http://www.votebd.org) দক্ষিণ এশিয়ার উন্নয়নের জন্য আইসিটি ধারণার প্রয়োগ তথা ই-কনটেণ্ট বিষয়ক সম্মানজনক মন্থন পুরস্কার পেয়েছে। গত ১৮ অক্টোবর দিল্লিতে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিকে’র পক্ষে এই পুরস্কার গ্রহণ করেন ‘সুজন’-এর স্বেচ্ছাসেবক সৈয়দ জিয়াউল হাবিব রুবন।

সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক ’ গত ২০০২ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের প্রাক্কালে ভোটারদের ক্ষমতায়নের কাজ শুরু করে এবং প্রার্থীদের বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে লিফলেট আকারে জনগণের মাঝে বিতরণ করে। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি সমাপ্ত ৯টি পৌরসভা এবং ৪টি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের সকল প্রার্থীদের ব্যক্তিগত তথ্য সমূহ ওয়েবসাইটে তুলে দেয়। যেখানে প্রার্থীদের ব্যক্তিগত, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক তথ্য নিয়ে তৈরি করা হয়েছে প্রার্থী প্রোফাইল। উল্লেখ্য যে, প্রার্থীগণ মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার প্রাক্কালেই এ সকল তথ্য নির্বাচন কমিশনে প্রদান করেন। তথ্যসমূহ ওয়েবসাইটে থাকার ফলে ভোটারগণ প্রার্থীদের সম্পর্কে জেনে, শুনে এবং বুঝে ভোট প্রদান করতে পারবে। এই ওয়েব এপ্লিকেশনটি এমনভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে যে, আগামী যে কোন নির্বাচনে প্রার্থীদের সকল তথ্য তুলে দেয়া সম্ভব হবে। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ‘সুজন’ সকল ধরণের প্রস্তুতিও সম্পন্ন করেছে।

দিল্লিতে পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে সম্মানিত আমন্ত্রিত ব্যক্তিবর্গ ভোটবিডি সাইটটির ভূয়সী প্রশংসা করেন। দুর্নীতির তথ্য দিয়ে সাজানো আর্কাইভটি (www.votebd.org/newsarchive ) সকলের নজর কারে। যেখানে রাজনীতিবিদ, আমলা এবং রাজনীতি সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের দুর্নীতির খবর ৮/৯টি অন্যতম জাতীয় দৈনিক পত্রিকা থেকে সংগ্রহ করে যে আর্কাইভটি তৈরি করা হয়েছে সেটি উপস্থাপন করা হয়। অনুষ্ঠানে এমন ধরণের উদ্যোগ সার্কভূক্ত অন্যান্য দেশেও গ্রহণ করা যেতে পারে বলে মন্তব্য ব্যক্ত করা হয়। সাইটটি বাংলাদেশের দুর্নীতি দূরীকরণে যথেষ্ঠ ভূমিকা রাখবে বলে অনেকে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এছাড়া প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের ভোটারলিস্টকে (৭.৫ কোটি) ওয়েবে তুলে দেয়ার মতো দুঃসাহসিক কাজকে বাংলাদেশের আইসিটি উন্নয়নে অগ্রগণ্য ভূমিকা বলেই উল্লেখ করা হয়। এটি প্রণিধানযোগ্য যে, ইতিপূর্বে ভোটার তালিকা তুলে দেয়ার ব্যাপারে বিখ্যাত টাইম ম্যাগাজিনেএকটি ফিচার প্রকাশিত হয়েছিল। প্রার্থীদের তথ্য সন্নিবেশ করার পর গত ৩ জুলাই সিরডাপ মিলনায়তনে সুজন’র একটি রাউন্ড টেবিল বৈঠকে এ ভোটবিডি সাইটটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ড. এ টি এম শামসুল হুদা। তিনিও এই সাইটটির প্রশংসা করেন এবং তথ্য দিয়ে সহায়তা করার ব্যাপারে আশ্বাস প্রদান করেন।

উল্লেখ্য যে, মন্থন পুরস্কারের উদ্যোক্তা ভারতের ডিজিটাল এমপাওয়ারমেন্ট ফাউণ্ডেশন। ২০০৪ সাল থেকে তথ্যপ্রযুক্তির শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন এবং এ পুরস্কার প্রথা চালু করে। ভারতীয় ই-কনটেণ্ট স্বীকৃত এ পুরস্কার এবারই প্রথমবারের মতো দক্ষিণ এশিয়ার আটটি দেশে সম্প্রসারিত করা হয়। এবারের প্রতিযোগিতায় আটটি দেশ থেকে ২৮৪টি উদ্যোগ জমা পড়ে। এর মধ্যে ২৬৪টি উদ্যোগকে প্রাথমিকভাবে মনোনয়ন দেয়া হয়। সবশেষে সম্মানিত জুরীবোর্ড ১৩টি ক্যাটাগরিতে ৩৩টি উদ্যোগকে পুরস্কৃত করেন। এতে বাংলাদেশ থেকে মনোনয়ন পাওয়া ১৩টি উদ্যোগের মধ্যে ৬টি পুরস্কৃত হয়েছে। অন্যান্য ৫টি উদ্যোগগুলি হচ্ছে উন্নয়ন টিভি, নেটবেতার , জিওন-আইকেবি , হৈমন্তীসেলবাজার

ছবি দেখুন: পিকাসা এলবামে

এ ব্যাপারে আরো জানতে হলে ভিজিট করুন www.manthanaward.org]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28859406 http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28859406 2008-10-25 10:25:41
ইন্টার্নশীপের খবর চাই
বন্ধুরা অনেকেই জায়গা ঠিক করে নিয়েছে। কেউবা বেসরকারি ব্যাংকে বা অন্য কোথাও। কিন্তু আমার ভাগ্নীর এখনো কোন ঠিকানা হয়নি। আমি আজ ইন্টারনেটে অনেক খোঁজাখুঁজি করলাম। এটুকু বুঝতে পারলাম ইন্টার্নশীপের খবর প্রতিষ্ঠানগুলির ওয়েবসাইটে পাওয়া যাচ্ছে না। যদিও বা কিছু তথ্য আছে তাও পুরনো। এটুকু ধারনা পেলাম ব্র্যাক, গ্রামীন ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক, সকল বেসরকারি ব্যাংক, বুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজউক, বেক্সিমকো, এপেক্স, ইউনাইটেড গ্রুপ, অপসোনিন, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল, ট্রান্সপারেন্সি বাংলাদেশ, আহসানিয়া মিশন ইত্যাদি প্রতিষ্ঠান ইন্টার্নশীপ করায় বা কখনো করিয়েছিলো। অনলাইনে বর্তমান কোন ঘোষনা চোখে পড়লো না। এখন বুঝুন এসব প্রতিষ্ঠানে ফোন করে অথবা শারীরিক উপস্থিতির মাধ্যমে তথ্যগুলো জানতে হবে।

অথচ এ তথ্যগুলো ওয়েবসাইটে পেলে কতই না ভালো হতো। আমার ভাগ্নী মার্কেটিং এ পড়েছে। সে টেলিকমিউনিকেশন এবং আইটি প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশীপ করতে চায়। অগত্যা না পেলে কোন বেসরকারি ব্যাংকে।

আপনাদের কারো কাছে ইন্টার্নশীপ করার আপডেটেড তথ্য থাকলে দয়া করে জানাবেন কি? কোথায়, কি ধরনের ইন্টার্নশীপ করা যায়, নিয়মকানুন কোথায় পাবো? ইত্যাদি ইত্যাদি....]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28841316 http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28841316 2008-09-10 20:05:33
ভোট দিবেন কাকে?

সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দেয়ার জন্য "সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক" প্রচারণা অব্যাহত রেখেছে। এরই অংশ হিসেবে "সুজন" একটি ডকুমেন্টারী তৈরি করেছে "ভোট দিচ্ছি কাকে দিচ্ছি" এই নামে। ডকুমেন্টারীটি ৪টি সিটি কর্পোরেশন এবং ৯টি পৌরসভার বিভিন্ন জায়গায় প্রদর্শন করা হচ্ছে। আমি সেই ভিডিওটি'র একটি কপি ইউটিউবে তুলেছি। আপনাদের সাথে শেয়ার করার জন্য লিঙ্ক দিলাম। আপনাদের সবার গঠনমূলক মন্তব্য পেলে ভবিষ্যতে আরো সুন্দর ডকুমেন্টারী তৈরিতে আমরা আগ্রহী হবো।

ভোটসংক্রান্ত সুজনের নতুন ওয়েবসাইট দেখার আমন্ত্রণ রইলো।
বাংলাদেশের ভোট ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28821079 http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28821079 2008-07-16 23:01:15
ইউটিউব লিঙ্ক

উপরের ভিডিও আইকনে ক্লিক করবে। তারপর youtube.com থেকে যে ভিডিওটা দিতে চাও তার আইডিটা ইনসার্ট করবে। ব্যাস হয়ে যাবে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28818539 http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28818539 2008-07-09 16:48:57
দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত রাজনীতিবিদদের তথ্যাদির সংকলন আর্কাইভটি দেখতে হলে এখানে ক্লিক করুন
আর্কাইভটির কাজ চলছে। অদূর ভবিষ্যতে আমরা এটিকে সম্পূর্ণ একটি তথ্যভান্ডার হিসেবে দেখবো বলে আশা রাখি। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28784256 http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28784256 2008-03-31 23:34:01
১৩ এপ্রিল সামিট: ড. ইউনুসের যাওয়া এবং আমার না যাওয়া
বিস্তারিত এই লিঙ্কে পাওয়া যাবে ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28779168 http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28779168 2008-03-15 00:37:30
ফিলাটেলি এবং ডাকটিকিট সংগ্রহ
মামাকে বলে দেয়া হতো যেন বার বার একই ডাকটিকিট না পাঠায়। এবং অনেকগুলো ডাকটিকিট যেন খামের উপর থাকে। মামাও তেমনটি করার চেষ্ঠা করতেন। তিনি অনেক সময় খামের ভিতর বিভিন্ন দেশের ডাকটিকিট ভরিয়ে পাঠাতেন। যখন যেদেশে থাকতেন সেদেশের ডাকটিকিট আসতো। কখনো জার্মানী, কখনো জাপানী। জার্মান থেকে এলবামও পাঠিয়েছিলেন তিনি।

আবার খামের উপর থেকে ডাকটিকিট তুলে নেয়ার ঘটনাও ঘটেছে। পোষ্ঠঅফিস থেকেই ডাকটিকিট ছাড়া খাম আসতো। প্রশ্ন উঠতো চিঠিটা এলো কি করে। আসলে কাজটা হতো আমাদের স্থানীয় পোষ্ঠঅফিসে। ডাকটিকিট ভক্তরা পোষ্ঠঅফিসে হানা দিতো।

মেজোভাইয়ের এবং আশেপাশের আর সকলের আগ্রহ দেখে আমারো কখনো সখনো ইচ্ছে হয়েছিলো, কিন্তু ভিতর থেকে সাড়া পাইনি।

যারা ডাকটিকিট সংগ্রহ করে তাদের কথা ভেবে একটি লেখা লিখলাম। আশা করি ডাকটিকিট ভক্তরা উপকৃত হবেন।

এখানে ক্লিক করুন ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28777490 http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28777490 2008-03-08 18:28:37
সবাই যখন ফটোগ্রাফার
ক্যালেন্ডারটি দেখতে হলে এখানে ক্লিক করুন। Click This Link

ফটোগ্রাফি বিষয়ে একটা লেখা লিখেছিলাম যায়যায়দিনে
Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28774390 http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28774390 2008-02-27 00:01:13
ব্রাউজার ফিরিস্তি এখানে ক্লিক করে লেখাটা পড়ুন,
Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28774091 http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28774091 2008-02-25 23:59:35
ভালোবাসা দিবসের ভালোবাসা আমি বাংলায় ভালোবাসি, বাংলার মানুষকে ভালোবাসি। ভালোবাসতে চাই সবাইকে। জরুরী অবস্থা ভালোবাসায় কোন ব্যাঘাত ঘটাবে না । কোন অবস্থাতেই ভালোবাসা আবদ্ধ হবে না। ভালোবাসা চলবে অনাদিকাল পর্যন্ত। ভালোবাসা দিবসেই যেন এই ভালোবাসা সীমাবদ্ধ না থাকে। আমরা যেন ভালোবাসতে পারি চিরকাল। রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ীরা যেন এই ভালোবাসা দিবসে শপথ করে দেশকে ভালোবাসার। দেশের মানুষকে ভালোবাসার। অর্থের প্রতি, অস্ত্রের প্রতি তাদের মোহ ত্যাগ করে তারা হয়ে উঠবেন দেশের নেতা দশের নেতা। আমরা ভালোবাসায় ভরপুর একটি দেশ পাবো এই প্রত্যাশা।

ভালোবাসা দিবসে আমার একটি লেখা:
http://roobon.wordpress.com/2008/02/10/love/ ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28769421 http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28769421 2008-02-11 23:34:41
বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত
আজকের যায়যায়দিনে আমার একটি লেখা আছে। মন্তব্য দিলে ভালো লাগবে।
http://roobon.wordpress.com/2008/02/02/bangla-language/ ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28766347 http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28766347 2008-02-02 12:24:25
ভালোবাসা দিবস দেশে দেশে
নিচে আমার পূর্বের লেখাগুলির লিঙ্ক দিলাম। উপকৃত হলে কষ্ট সার্থক মনে করবো।
http://roobon.wordpress.com/2008/01/13/photography/
http://roobon.wordpress.com/2008/01/20/horoscopes/
http://roobon.wordpress.com/2008/01/24/web_programming/
http://roobon.wordpress.com/2008/01/26/kids/ ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28765880 http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28765880 2008-01-31 19:32:05
ইন্টারনেট ঝামেলা http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28733003 http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28733003 2007-09-23 11:23:33 গুগলের হইছে কি?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28730370 http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28730370 2007-09-10 10:10:48
সরকারের জন্য জেগে ওঠার ঘন্টাধ্বনি
২০ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সারা দেশে, বিশেষত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহে যে সহিংস তাণ্ডব ঘটে গেল তার কারণ নিয়ে নানা মত রয়েছে। তবে এসব ঘটনা ‘অপশক্তি’ ও সুযোগসন্ধানীদের নৈরাজ্য, না সরকারের বিরুদ্ধে জনগণের, বিশেষত তরুণদের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ−তা নিয়ে বিতর্কের ঊর্ধ্বে উঠে এগুলোর নিরপেক্ষ বিশ্লেষণ, এগুলো থেকে শিক্ষণীয় বিষয় চিহ্নিতকরণ এবং নাগরিকদের করণীয় নির্ধারণ আজ আমাদের জন্য অত্যন্ত জরুরি।

আমেরিকান প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন লিখেছেন: ‘Power consists in one?s capacity to link his will with the purpose of others, to lead by reason and a gift of cooperation.? অর্থাৎ ক্ষমতার উৎস হলো ক্ষমতাসীনদের নিজের অমোঘ ইচ্ছাশক্তি বা সুদৃঢ় প্রত্যয়ের সঙ্গে অন্যের আকাঙ্ক্ষার যোগসূত্র সৃষ্টি, যৌক্তিকতার ভিত্তিতে নেতৃত্ব ও সহযোগিতার গুণ। এ প্রাজ্ঞ উক্তির আলোকে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ বিচার করলেই আমরা যথার্থ শিক্ষা গ্রহণ এবং করণীয় নির্ধারণ করতে পারব।

আমাদের আজ প্রশ্ন করা দরকার: বর্তমান ক্ষমতাসীনদের প্রত্যয়ের সঙ্গে কি নাগরিকদের আকাঙ্ক্ষার সত্যিকারের যোগসূত্র সৃষ্টি হয়েছে? তারা কি যৌক্তিকতা, সহনশীলতা ও প্রজ্ঞার ভিত্তিতে নেতৃত্ব প্রদান করছেন? নাগরিকেরাও কি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন?

আমাদের প্রথমেই ক্ষমতাসীনদের প্রত্যয় সম্পর্কে সুস্পষ্ট হতে হবে। জানতে হবে, তাঁরা কি তাঁদের ক্ষমতা নিরপেক্ষতার ভিত্তিতে সব ক্ষেত্রে সমভাবে প্রয়োগ করছেন? একই সঙ্গে আমাদের নিশ্চিত হতে হবে যে, জনগণের সহযোগিতা প্রদানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে এবং তারা এ সুযোগ কাজে লাগাচ্ছে।

বর্তমান সেনাসমর্থিত এবং ব্যাপক জনসমর্থন নিয়ে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সুদৃঢ় ইচ্ছা হলো, মাননীয় সেনাপ্রধানের ভাষায়, গণতন্ত্রের লাইনচ্যুত গাড়িকে লাইনে পুনঃস্থাপন করা। অর্থাৎ আমাদের অকার্যকর গণতন্ত্রকে কার্যকর করা। মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা তাঁর একাধিক ভাষণে এ প্রত্যয় সম্পর্কে আরও বিস্তারিত আলোকপাত করেছেন।

সরকারের এ প্রত্যয়কে বাস্তবে রূপায়ণ করার লক্ষ্যে অনেকগুলো উদ্যোগ ইতিমধ্যে গৃহীত হয়েছে। অতীতের সরকারগুলোর হঠকারিতার কারণে ধ্বংসপ্রায় অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানকে পুনর্গঠনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, দলীয় লোকজনকে বাদ দিয়ে নির্বাচন কমিশনে নির্দলীয় তিন ব্যক্তিকে নিয়োগ দিয়ে তাঁদের ওপর নির্বাচন অনুষ্ঠানের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে। কমিশন ইতিমধ্যে আগামী বছরের শেষ দিকে নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্য নিয়ে একটি কর্মপরিকল্পনা তৈরি করে ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়নের কাজ শুরু করেছে।

এ ছাড়া সরকার সরকারি কর্মকমিশন পুনর্গঠন করেছে এবং বিচার বিভাগ পৃথক্করণে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের বাদ দিয়ে সরকার পুলিশ বিভাগে নতুন নেতৃত্ব সৃষ্টি করেছে। কয়েকজন জেএমবি জঙ্গিকে ফাঁসি দিয়েছে। প্রভাবশালীদের দখলদারির বিরুদ্ধে কিছু গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিকেন্দ্রীকরণ ও স্থানীয় শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দিকনির্দেশনা দেওয়ার জন্য সরকার সম্প্রতি একটি কমিটি গঠন করেছে।

নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যে গাজীপুরে ভোটার তালিকার একটি পাইলট প্রকল্প সম্পন্ন করেছে এবং পাইলট প্রকল্পের অভিজ্ঞতার আলোকে খুলনা, রাজশাহীসহ বেশ কটি শহরে ভোটার তালিকা প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। একই সঙ্গে কমিশন ‘নির্বাচনী খেলা’র নিয়মকানুন পরিবর্তনের লক্ষ্যে নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও রাজনৈতিক দলের সংস্কারের প্রস্তাব উত্থাপন করেছে এবং গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এ ব্যাপারে মতবিনিময় করেছে। বর্তমানে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে এ নিয়ে আলাপ আলোচনার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

বর্তমান সরকারের এ পর্যন্ত সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হলো স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশনের পুনর্গঠন এবং দুর্নীতির অভিযোগে দেশের কিছু বড় বড় রাজনীতিবিদকে গ্রেপ্তার। এমনকি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রধান শেখ হাসিনাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত বেশ কয়েকজনের ইতিমধ্যে শাস্তি হয়েছে। অনেকে পলাতক রয়েছেন।

বর্তমান সরকারের এগুলো গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ এবং এর অনেকগুলো ব্যাপকভাবে প্রশংসিত। তবু সরকারের দীর্ঘমেয়াদি উদ্দেশ্য নিয়ে জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশের মধ্যে সংশয় বিরাজ করছে। মাননীয় সেনাপ্রধান সেনাবাহিনী রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করবেন না বলে যত জোরালো ঘোষণা দিচ্ছেন, একদল নাগরিকের মধ্যে সন্দেহ তত ঘনীভূত হচ্ছে। বস্তুত অনেক রকমের গুজব ও ষড়যন্ত্র তত্ত্বের কথা আজ মানুষের মুখে মুখে। সেনাপ্রধান নিজেই এসব গুজবের কথা স্বীকার করেছেন। তাই, কারণে কিংবা অকারণে হোক ক্ষমতাসীনদের প্রত্যয় নিয়ে ব্যাপক অনিশ্চয়তা ও অস্পষ্টতা সৃষ্টি হয়েছে। বাস্তবতা যা-ই হোক, এটিই এখন অনেকের পারসেপশান বা ধারণা−আর বাস্তবে পারসেপশান কাউন্টস্ মোর দ্যান দ্য রিয়ালিটি। আজ অনেকের সামনে একটিই প্রশ্ন: আমরা কোন দিকে যাচ্ছি।

সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়েও জনমনে সন্দেহ দেখা দিয়েছে। ঘরোয়া রাজনীতির ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও এই বিধিনিষেধ সমভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে না বলে অনেকের বিশ্বাস। একই সঙ্গে দুর্নীতির অভিযোগে শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করা হলেও, চারদলীয় জোট সরকারের প্রধানমন্ত্রী বেগম জিয়া−যাঁর আমলে দুর্নীতির চরম মাত্রায় পৌঁছেছিল এবং তাঁর ঘনিষ্ঠজনেরা এখনো কারাগারের বাইরে রয়েছেন। শুধু তাই নয়, সরকারঘোষিত বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে তাঁকে এবং সাবেক অর্থমন্ত্রীকে সংশোধিত আয়কর রিটার্ন দাখিলের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া তাঁকে দেশ-বিদেশে কর্মীসমর্থকদের সঙ্গে রাজনৈতিক বিষয়ে টেলিকনফারেন্স করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। জামায়াতে ইসলামীর দিকে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগও কোনো কোনো মহল থেকে উঠেছে।

জরুরি বিধিমালা প্রয়োগের ক্ষেত্রেও কিছু বাড়াবাড়ি হয়েছে বলে অনেকের ধারণা। একটি উদাহরণ দিচ্ছি। ২১ মে মো. আশিকুর রহমান নামে এক যুবককে যৌথ বাহিনী পল্লবী এলাকা থেকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগে জরুরি ক্ষমতা অধ্যাদেশ ২০০৭-এর ১৬(২) ধারায় গ্রেপ্তার করে। তার কাছ থেকে ‘গণস্বপ্ন ২০২০ হল: আমরা ২০২০ সালের মধ্যে একটি উন্নত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ-এ বসবাস করতে চাই’ এই শিরোনামের একটি লিফলেট জব্দ করা হয়। বহু বছর ধরেই গণতন্ত্রকামী এক প্রবাসী বাংলাদেশি এই লিফলেটটি বিতরণ করে আসছে এবং আমি নিজেও এর সঙ্গে পরিচিত। লিফলেটটি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার একটি রূপকল্পমাত্র এবং এতে বিদ্বেষাত্মক কিংবা উসকানিমূলক কিছুই নেই। আশিকুর রহমানকেও আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনি। সে একজন নিরীহ প্রকৃতির যুবক এবং কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। তবু তার গ্রেপ্তারের পর কয়েক দফা থানার সঙ্গে কথা বলেও তাকে ছাড়ানো যায়নি। আজও এই নিরপরাধ ছেলেটি কারাগারে। আমি নিশ্চিত, এমন বাড়াবাড়ি আরও হয়েছে, এবং স্বাভাবিকভাবেই অনেকের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

দুর্ভাগ্যবশত সরকারের কার্যক্রমের সঙ্গে নাগরিকদের তেমন সম্পৃক্ততা সৃষ্টি হয়নি, ফলে তাদের পক্ষ থেকে তেমন সহযোগিতাও পাওয়া যায়নি। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সারা দেশে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করে একটি গণ-আন্দোলন সৃষ্টি হতে পারত। আমাদের দুর্নীতি দমন কমিশন প্রধানের প্রবল আন্তরিকতা সত্ত্বেও তা গড়ে ওঠেনি, বরং সৃষ্টি হয়েছে অধিকাংশ ক্ষেত্রে চিহ্নিত ব্যক্তিদের নিয়ে নামসর্বস্ব কতগুলো কমিটি।

আমাদের নির্বাচন কমিশনও ভোটার তালিকা প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় নাগরিকদের কার্যকরভাবে যুক্ত করতে পারেনি। ১১ জানুয়ারির আগে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবিতে যে আন্দোলনের সৃষ্টি হয়েছিল, তার পরিপ্রেক্ষিতে অনেক নাগরিকের সম্পৃক্ততায় ভোটার তালিকা তৈরিকে আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকারে এবং একটি আন্দোলনে পরিণত করা যেত বলে আমাদের বিশ্বাস। সমাজের বিশিষ্ট জন, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, নামকরা খেলোয়াড় ও মিডিয়াকে সম্পৃক্ত করে এ ব্যাপারে ব্যাপক প্রচারণা চালানো এবং উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি করা যেত। এর থেকে ব্যাপক গণসচেতনতা সৃষ্টি হতো এবং জনগণের কাছে সুস্পষ্ট হতো যে নির্বাচন আসন্ন।

আপৎকালীন সময়ে মানুষ স্বাভাবিকভাবেই বিপদগ্রস্তদের সহায়তায় এগিয়ে আসতে চায়। বন্যা ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় অতীতে এ দেশের সব স্তরের মানুষ বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত কিছু বিধিনিষেধ ও নীতিনির্ধারকদের দ্বিধাদ্বন্দ্বের কারণে অনেক আগ্রহী ব্যক্তি ও সংগঠন বর্তমান বন্যার সময় কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় অবদান রাখতে পারেনি। বিশেষ করে আমাদের বোধগম্য নয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের খাওয়ার স্যালাইন তৈরিসহ অন্যান্য জরুরি ত্রাণ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করা থেকে বিরত করা হলো কেন। তারুণ্যের কর্মশক্তি প্রায় অফুরন্ত এবং ভালো কাজে ব্যয় করা না হলে এটি অপকর্মে নিয়োজিত হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়।

বাজারমূল্যের সাম্প্রতিক লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি নাগরিকদের মধ্যে, বিশেষত স্বল্প আয়ের মানুষদের মধ্যে নিঃসন্দেহে ব্যাপক অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে। দারিদ্র্যের কারণে আমাদের বিশাল জনগোষ্ঠীর ক্রমবর্ধমান দ্রব্যমূল্যের সঙ্গে পেরে ওঠার সামর্থ্য জন্নায়নি। প্রথাগতভাবে অর্থনৈতিক অধিকারের তুলনায় মানুষের রাজনৈতিক অধিকারের ওপর অধিক গুরুত্বারোপ করারই এটি ফসল। উল্লেখ্য, আমাদের সংবিধানে রাজনৈতিক অধিকারকে মৌলিক অধিকার বলে সংজ্ঞায়িত করা হলেও আর্থসামাজিক অধিকারকে নিতান্ত রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ভোগান্তি আরও প্রকট হয়েছে বিকল্প ব্যবস্থা না করে হকার-বস্তি উচ্ছেদের মতো সরকারের ভ্রান্ত পদক্ষেপের কারণে।
ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় সরকার অনেকগুলো ভুল করেছে। তাদের নিজেদের প্রত্যয়ের সঙ্গে নাগরিকদের আকাঙ্ক্ষার যোগসূত্র তারা প্রত্যাশিত মাত্রায় সৃষ্টি করতে পারেনি। দুই ক্ষমতার কেন্দ্র একই সুরে কথা বলতে পারেনি, অন্তত তা-ই অনেকের ধারণা। নেতৃত্ব প্রদর্শনের বেলাও সর্বক্ষেত্রে তারা যৌক্তিকতা ও নিরপেক্ষতা প্রদর্শন করতে পারেনি। জনগণকেও তারা পুরোপুরি আস্থায় নিতে পারেনি। ফলে তাদের জনসমর্থন ক্রমাগতভাবে হ্রাস পেয়েছে এবং জনগণের সক্রিয় সহযোগিতা তারা অনেক ক্ষেত্রে পায়নি। বরং অনেক ক্ষেত্রে জনমনে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে এবং তারই অনেকটা বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে সম্প্রতি শিক্ষাঙ্গনগুলোয়।

তবে এ কথা ভুললে চলবে না যে, একটি স্বার্থান্বেষী মহল প্রথম থেকেই ঘাপটি মেরে বসে আছে। এই স্বার্থান্বেষী মহলটি অতীতের সরকারগুলোর দলবাজি ও সুযোগসন্ধানী রাজনীতির ফসল। সংস্কারের দাবি গণদাবিতে পরিণত হওয়ায় পরিবর্তনের যে সম্ভাবনার দ্বার উন্নোচিত হয়েছে তা তাদের ক্ষুদ্র স্বার্থের অনুকূলে নয়। তাই স্বাভাবিকভাবেই সরকারের ভুলভ্রান্তি এবং পরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট অসন্তোষের তারা সুযোগ নিয়েছে। ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে বহু ব্যক্তিগত যানবাহনসহ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে যে অহেতুক ভাঙচুর হয়েছে তা তারই প্রতিফলন বলে অনেকের ধারণা।

অতীতের ভুলভ্রান্তি থেকে ক্ষমতাসীনদের অবশ্যই শিক্ষা গ্রহণ করে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। সাম্প্রতিক ঘটনাবলি হতে পারে তাদের জন্য ‘ওয়েকআপ কল’ বা জেগে ওঠার ঘণটাধ্বনি। ভুলত্রুটি শোধরানোর এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষা অনুসারে সামনে অগ্রসর হওয়ার একটি নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তবে কোনো অবস্থাতেই সাম্প্রতিক সহিংসতা নির্বাচনকে বিলম্বিত, অহেতুক দমননীতি আরোপ করার কারণ হতে পারে না। একই সঙ্গে আমাদের নাগরিকদেরও আজ প্রশ্ন করতে হবে: আমরা কী চাই। আমরা যদি দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে এবং সেনাবাহিনীর ফিরে যাওয়া নিশ্চিত করতে চাই, তাহলে আমাদের আজ সক্রিয়ভাবে এগিয়ে আসতে হবে। প্রতিবাদ আর প্রতিরোধের পরিবর্তে সহযোগিতার হাত প্রসার করতে হবে। আজ আমাদের সর্বাধিক প্রয়োজন নেতৃত্বের, যে নেতৃত্ব জনগণকে উদ্বুদ্ধ, অনুপ্রাণিত ও সম্পৃক্ত করতে এবং তাদের মধ্যে আশা-ভরসা সৃষ্টি করতে পারবে।

ড. বদিউল আলম মজুমদার: সম্পাদক, সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)।
Published in Prothom Alo, 27 August 2007]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28728074 http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28728074 2007-08-27 13:43:29
Please come forward to serve humanity
Please come forward to serve humanity

Flood victims are suffering throughout the country, Now is the right time to help with our capacity

We are all aware that nearly 38 districts of our country are now affected by a devastating flood. The combined initiatives of the local people can play a vital role to protect the flood affected people. For this, a Central Flood protection Committee has already been formed that consists of different organizations, intellectuals, and volunteers. The ultimate goal of this committee is to serve the flood affected people. We believe that unity is the strength that can make it easier to extend the community's initiatives to the needy and affected areas. This individual and organizational effort initially may help our government to face the disaster, as well as contribute to the movement to form national unity.

Therefore, we hope that you and your organizations will join us and contribute to this devastating situation of the nation to end the suffering of flood victims with sincerity, full capacity and commitment.


Organizations and people from all walks of life are requested to send /deposit money, dry foods and other relief goods to The Hunger Project office at 3/7 Asad Avenue (2nd floor), Muhammadpur, Dhaka. Please contact us at: 8112622, 8127975


Prof. Muzaffor Ahmed Convener
Central Disaster Protection Committee

Nasima Akter Joly
Coordinator
Central Disaster Protection Committee

For more information:
http://www.thpbd.org/flood

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28725334 http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28725334 2007-08-12 13:18:14
আর্ত-মানবতার সেবায় এগিয়ে আসুন
আর্ত-মানবতার সেবায় এগিয়ে আসুন
দেশজুড়ে বানভাসি মানুষের হাহাকার
তাদের পাশে দাঁড়ানোর এখনই সময়

আমরা সবাই অবগত যে, প্রলয়ংকরী বন্যা ইতোমধ্যেই দেশের ৩৮টি জেলায় আঘাত হেনেছে৷ এ বন্যাকে রুখতে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন স্থানীয় জনগণের সম্মিলিত উদ্যোগ৷ বিষয়টিকে বিবেচনায় রেখে তাই ইতোমধ্যে বিভিন্ন স্তরের সংগঠন, চিন্তাশীল ব্যক্তিবর্গ এবং স্বেচছাসেবকদেরকে নিয়ে গঠন করা হয়েছে 'কেন্দ্রীয় দুর্যোগ মোকাবেলা কমিটি', যার লক্ষ্য হচেছ বন্যা কবলিত মানুষের সাহায্যার্থে এগিয়ে আসা৷ আমরা বিশ্বাস করি ব্যক্তির সাথে সাথে সমষ্টিগত উদ্যোগ সেবার পরিধিকে অনেক বাড়িয়ে দিতে পারে৷ ব্যক্তি ও সংগঠনের এ উদ্যোগ তাই দুর্যোগ মোকাবেলায় একদিকে যেমন সরকারের সহায়ক হতে পারে, অন্যদিকে তেমনি পারে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে বড় একটি অর্জন বয়ে আনতে৷

তাই আমরা আশা করছি যে, জাতির এ ক্রান্তিলগ্নে আপনার আন্তরিকতা, নিষ্ঠা, সাধ্য ও সামর্থ্য নিয়ে বন্যাকবলিত মানুষদের দুর্যোগ মোকাবেলায় আপনি আমাদেরই একজন হবেন৷


অর্থ, শুকনো খাবার ও অন্যান্য ত্রানসামগ্রী ৩/৭ আসাদ এভিনিউ (তৃতীয় তলা) মোহাম্মদপুর, ঢাকা অফিসে পৌঁছে দেয়ার অনুরোধ করছি

অধ্যাপক মোজাফ্‌ফর আহমদ
আহবায়ক
কেন্দ্রীয় দুর্যোগ মোকাবেলা কমিটি


নাছিমা আক্তার জলি
সমন্বয়ক
কেন্দ্রীয় দুর্যোগ মোকাবেলা কমিটি

বি: দ্র: দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-বাংলাদেশ 'কেন্দ্রীয় দুর্যোগ মোকাবেলা কমিটি'কে সহায়তা করছে।
http://thpbd.org/flood
http://thp.org/flood]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28725108 http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28725108 2007-08-11 10:55:56
বন্যার্তদের সহায়তায় এগিয়ে আসুন
বর্তমানে দেশের উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলের বন্যাপরিস্থিতি মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী দেশের ৩৬টি জেলার ১৫৯ উপজেলার প্রায় এক কোটি মানুষ বন্যাকবলিত। প্রতিদিনই পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে। প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা এবং আক্রান্ত হচ্ছে অধিকসংখ্যক মানুষ। সংবাদমাধ্যমে পরিবেশিত তথ্য অনুযায়ী অনেক দুর্গত এলাকা এখনো ত্রাণ কর্মসূচির বাইরে রয়ে গেছে। যোগাযোগব্যবস্থাও বিপর্যয়ের মুখে। এর মধ্যেই মৃতের সংখ্যা অর্ধশত ছাড়িয়েছে। অনেকের আশঙ্কা, বন্যা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে এবং এর ভয়াবহতা ২০০৪ ও ১৯৯৮ সালের রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে।

অতীতে যতবার এ ধরনের জাতীয় দুর্যোগ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, প্রতিবারই দেশের শিক্ষিত, মধ্যবিত্ত তরুণ সম্প্রদায়, ছাত্রসমাজ, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক কর্মী, সরকারি-বেসরকারি-স্বেচ্ছাব্রতী সব সংগঠন, সেনাবাহিনী একযোগে দুর্গত মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও বাড়িয়ে দিয়েছে সহযোগিতার হাত। অনেক ক্ষয়ক্ষতি, মৃত্যু, মহামারি সত্ত্বেও সম্মিলিত প্রচেষ্টা আর প্রবল সংগ্রামী মনোভাবের জোরে এ জাতি সব দুর্যোগ মোকাবিলা করে কঠোর জীবনযুদ্ধ অব্যাহত রেখেছে।

আজকের এ সংকটে অতীতের শিক্ষা নিয়ে আমরা কীভাবে একত্র হতে পারি, তা দ্রুত ভাবা প্রয়োজন। আক্রান্ত জনগোষ্ঠী এর মধ্যেই কঠোর প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে সংগ্রামে অবতীর্ণ। এ সংগ্রামে তাদের পাশে দাঁড়াতে আগ্রহী ব্যক্তি-গোষ্ঠী-সংস্থার সংগঠিত হওয়া প্রয়োজন। এই দুর্যোগে প্রতিটি ব্যক্তিমানুষেরই কিছু করণীয় রয়েছে। জরুরি কাজগুলো চিহ্নিত করে প্রত্যেককেই সম্পৃক্ত হতে হবে সুনির্দিষ্ট দায়িত্বের সঙ্গে।

দুর্যোগ মোকাবিলার সব পরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দু হতে হবে−জনগণের শক্তি, সামর্থ্য ও সাহসিকতার প্রতি সশ্রদ্ধ আস্থা। আক্রান্ত জনগোষ্ঠী দুর্গত, কিন্তু করুণার পাত্র নয়। প্রবল প্রতিকূলতার মধ্যেও তারা বেঁচে থাকার আকাঙ্ক্ষা লালন করে চলেছে। এ আকাঙ্ক্ষাই তাদের দুর্যোগ মোকাবিলার প্রেরণা। যাঁরা বন্ধুর মতো তাদের পাশে দাঁড়াতে চান, তাঁদের মূল কাজ সেই আকাঙ্ক্ষাকে জীবন্ত রাখা এবং শক্তিশালী করা; পাশাপাশি জীবনধারণের জরুরি সামগ্রীগুলোর সরবরাহ নিশ্চিত করা। আন্তর্জাতিক বন্ধুদের করণীয় মূলত দ্বিতীয়টি। আমাদের প্রত্যাশা, জরুরি ভিত্তিতে তাঁরা সহযোগিতার হাত বাড়াবেন আমাদের সংগ্রামী জনগোষ্ঠীর সুদৃঢ় মনোবল আর সুতীব্র জীবনসংগ্রামের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে।

বন্যাকবলিত জনগণকে পানিবাহিত রোগ থেকে এবং শিশুদের ডায়রিয়া থেকে রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি। তাদের খাদ্যের সংস্থান করা আরও জরুরি। বর্তমানে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার হলো প্রয়োজনীয় তথ্যের জোগান দেওয়া। রেডিও, টেলিভিশন, খবরের কাগজ, বেসরকারি সংস্থার কর্মীসহ সবার এখন দায়িত্ব হলো বন্যাকবলিতদের জানানো, কীভাবে পানি বিশুদ্ধ করা যায় (প্রতি লিটারে একটি আয়োডিন/হ্যালোজেন ট্যাবলেট), কোথায় হ্যালোজেন/আয়োডিন ট্যাবলেট পাওয়া যায় (স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও এনজিওকর্মী) এবং প্যাকেট স্যালাইনের পরিবর্তে কীভাবে স্যালাইন তৈরি করা যায় (চার চা-চামচ চিনি, আধা চামচ লবণ এবং এক লিটার পানির মিশ্রণ) ইত্যাদি সাধারণ কিন্তু অত্যন্ত জরুরি তথ্য। মানুষ যদি যথাযথ তথ্য পায়, তাহলে তারাই নিজেদের করণীয় অনেকাংশে সম্পাদন করতে পারবে।

বিভিন্ন মাধ্যমের প্রচারিত সংবাদ অনুযায়ী, তত্ত্বাবধায়ক সরকার বন্যাকবলিত এলাকায় ত্রাণ-কার্যক্রম শুরু করেছে। কিন্তু প্রয়োজন আরও অনেক বেশি। বন্যাকবলিত সব এলাকায় ত্রাণ পৌঁছানো জরুরি। পানিবাহিত বিভিন্ন রোগ থেকে তাদের রক্ষা করা জরুরি। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় কোনো কোনো অঞ্চলে ওষুধ পর্যন্ত পাওয়া যাচ্ছে না।

সরকার ও সেনাবাহিনীর একার পক্ষে এসব জরুরি কাজ করা সম্ভব নয়। স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধিদের পুরো মাত্রায় এ কাজে সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন। আপৎকালে জনগণ সাধারণত তাদের প্রতিবেশী এবং স্থানীয় প্রতিনিধিদেরই দ্বারস্থ হয়। তাই আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রথমেই স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় স্থানীয় সম্পদের সুষ্ঠু ও সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান করতে হবে; পাশাপাশি সরকারিভাবে পাওয়া সম্পদেরও সঠিক ও সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। কারণ, ত্রাণ বিতরণের ক্ষেত্রে আমাদের অনেক তিক্ত অভিজ্ঞতা রয়েছে।

বন্যার কারণে রাস্তা ভেসে যাওয়ায় বন্যাকবলিত এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা এখন অনেকটাই বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। তাই দুর্গত এলাকায় হেলিকপ্টারের মাধ্যমে জরুরি ত্রাণ পাঠানো প্রয়োজন হতে পারে। সম্ভাব্য সব যানবাহন ব্যবহার করে জরুরি ভিত্তিতে ত্রাণসামগ্রী বন্যা-উপদ্রুত জেলাগুলোর উপজেলা সদরে পাঠানো জরুরি, যাতে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান-মেম্বার এবং অন্য স্বেচ্ছাসেবকরা উপজেলা থেকে নিয়ে তা জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে পারেন।

সব এনজিও এবং স্বেচ্ছাব্রতী কর্মীকে এলাকাভিত্তিক সংগঠিত হয়ে পরিকল্পিত ত্রাণ-কর্মসূচি গ্রহণ ও পরিচালনা করা প্রয়োজন। ত্রাণসামগ্রী সংগ্রহ ও বিতরণের জন্য তাদের সম্মিলিতভাবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে কাজ করা আবশ্যক। স্থানীয় নেতৃত্ব ও জনগণের সৃজনশীল উদ্যোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে তাদের পালন করা প্রয়োজন অনুঘটকের ভূমিকা। এর ফলে সব ত্রাণ-কার্যক্রমে সমন্বয় বিরাজ করবে এবং বন্যা-উপদ্রুত সবার কাছে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পৌঁছাবে। জাতিসংঘের সব অঙ্গসংগঠন এবং দ্বিপক্ষীয় দাতা প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সুযোগ-সুবিধা, দক্ষতা ও অবকাঠামো ব্যবহার করে জরুরি ত্রাণসামগ্রী ও ওষুধপত্র উপজেলা দলের কাছে দ্রুততার সঙ্গে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে পারে।

বন্যাকবলিতদের উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যাওয়া এবং ভবিষ্যতে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। বিদ্যালয় এবং অন্যান্য স্থানীয় প্রতিষ্ঠান সাময়িকভাবে এ কাজে ব্যবহৃত হতে পারে। সরকারের পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে আমরা যারা আক্রান্ত হইনি, তাদের এগিয়ে আসতে হবে; প্রদর্শন করতে হবে মানুষ হিসেবে নিজেদের দায়িত্ববোধ।

পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দুর্গত এলাকায় ডায়রিয়া ও অন্যান্য পানিবাহিত রোগ দেখা দেবে। এ জন্য এখন থেকেই সুবিধামতো স্থানে প্রয়োজনীয়সংখ্যক ‘ওআরটি কর্নার’ স্থাপন করার উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে স্বেচ্ছাসেবকদের সংগঠিত করার কাজ অবিলম্বেই শুরু করতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের জন্য বীজ সরবরাহের পরিকল্পনা এ মুহূর্তেই হাতে নিতে হবে।

নিষ্ঠাবান সংবাদকর্মীর অনুসন্ধিৎসা, সাহস আর পেশাগত দায়িত্বের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শনেরও এখনই সময়। তাঁদের কলম যেন এখন সোচ্চার হয় সব অব্যবস্থা, দায়িত্বহীনতা আর দুর্নীতির বিরুদ্ধে; একই সঙ্গে দুর্যোগ মোকাবিলায় জনগণের সংগঠিত উদ্যোগের বীরোচিত সাফল্যও যেন প্রতিফলিত হয় তাঁদের লেখায়।

সচেতন নাগরিক ও বিত্তশালীদের কাছে আমাদের আহ্বান: আসুন, আমরা সবাই বানভাসি লাখো মানুষের বীরোচিত বাঁচার সংগ্রামে শরিক হই, সহমর্মিতা ও স্বেচ্ছাসেবার দৃষ্টান্ত স্থাপন করি; আমাদের আর্থিক সংগতিকে যথাযথভাবে কাজে লাগাই। নিজ এলাকায় যাই, সাধ্যমতো সহায়তার হাত প্রসারিত করি। এ দুর্যোগ সাহসিকতার সঙ্গে কাটিয়ে ওঠা আমাদের জন্য হতে পারে পরম গর্বের বিষয়।

অধ্যাপক মোজাফ্ফর আহমদ: সভাপতি, সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)।

ড. বদিউল আলম মজুমদার: সম্পাদক, সুজন। গ্লোবাল ভাইস প্রেসিডেন্ট ও কান্ট্রি ডিরেক্টর, দি হাঙ্গার প্রজেক্ট−বাংলাদেশ।

দৈনিক প্রথম আলো' ০৭ আগষ্ট ২০০৭ তারিখে প্রকাশিত]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28724613 http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28724613 2007-08-07 19:02:42
বন্যার্তদের সহায়তায় এগিয়ে আসুন
বর্তমানে দেশের উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলের বন্যাপরিস্থিতি মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী দেশের ৩৬টি জেলার ১৫৯ উপজেলার প্রায় এক কোটি মানুষ বন্যাকবলিত। প্রতিদিনই পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে। প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা এবং আক্রান্ত হচ্ছে অধিকসংখ্যক মানুষ। সংবাদমাধ্যমে পরিবেশিত তথ্য অনুযায়ী অনেক দুর্গত এলাকা এখনো ত্রাণ কর্মসূচির বাইরে রয়ে গেছে। যোগাযোগব্যবস্থাও বিপর্যয়ের মুখে। এর মধ্যেই মৃতের সংখ্যা অর্ধশত ছাড়িয়েছে। অনেকের আশঙ্কা, বন্যা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে এবং এর ভয়াবহতা ২০০৪ ও ১৯৯৮ সালের রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে।

অতীতে যতবার এ ধরনের জাতীয় দুর্যোগ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, প্রতিবারই দেশের শিক্ষিত, মধ্যবিত্ত তরুণ সম্প্রদায়, ছাত্রসমাজ, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক কর্মী, সরকারি-বেসরকারি-স্বেচ্ছাব্রতী সব সংগঠন, সেনাবাহিনী একযোগে দুর্গত মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও বাড়িয়ে দিয়েছে সহযোগিতার হাত। অনেক ক্ষয়ক্ষতি, মৃত্যু, মহামারি সত্ত্বেও সম্মিলিত প্রচেষ্টা আর প্রবল সংগ্রামী মনোভাবের জোরে এ জাতি সব দুর্যোগ মোকাবিলা করে কঠোর জীবনযুদ্ধ অব্যাহত রেখেছে।

আজকের এ সংকটে অতীতের শিক্ষা নিয়ে আমরা কীভাবে একত্র হতে পারি, তা দ্রুত ভাবা প্রয়োজন। আক্রান্ত জনগোষ্ঠী এর মধ্যেই কঠোর প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে সংগ্রামে অবতীর্ণ। এ সংগ্রামে তাদের পাশে দাঁড়াতে আগ্রহী ব্যক্তি-গোষ্ঠী-সংস্থার সংগঠিত হওয়া প্রয়োজন। এই দুর্যোগে প্রতিটি ব্যক্তিমানুষেরই কিছু করণীয় রয়েছে। জরুরি কাজগুলো চিহ্নিত করে প্রত্যেককেই সম্পৃক্ত হতে হবে সুনির্দিষ্ট দায়িত্বের সঙ্গে।

দুর্যোগ মোকাবিলার সব পরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দু হতে হবে−জনগণের শক্তি, সামর্থ্য ও সাহসিকতার প্রতি সশ্রদ্ধ আস্থা। আক্রান্ত জনগোষ্ঠী দুুর্গত, কিন্তু করুণার পাত্র নয়। প্রবল প্রতিকূলতার মধ্যেও তারা বেঁচে থাকার আকাঙ্ক্ষা লালন করে চলেছে। এ আকাঙ্ক্ষাই তাদের দুর্যোগ মোকাবিলার প্রেরণা। যাঁরা বন্ধুর মতো তাদের পাশে দাঁড়াতে চান, তাঁদের মূল কাজ সেই আকাঙ্ক্ষাকে জীবন্ত রাখা এবং শক্তিশালী করা; পাশাপাশি জীবনধারণের জরুরি সামগ্রীগুলোর সরবরাহ নিশ্চিত করা। আন্তর্জাতিক বন্ধুদের করণীয় মূলত দ্বিতীয়টি। আমাদের প্রত্যাশা, জরুরি ভিত্তিতে তাঁরা সহযোগিতার হাত বাড়াবেন আমাদের সংগ্রামী জনগোষ্ঠীর সুদৃঢ় মনোবল আর সুতীব্র জীবনসংগ্রামের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে।

বন্যাকবলিত জনগণকে পানিবাহিত রোগ থেকে এবং শিশুদের ডায়রিয়া থেকে রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি। তাদের খাদ্যের সংস্থান করা আরও জরুরি। বর্তমানে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার হলো প্রয়োজনীয় তথ্যের জোগান দেওয়া। রেডিও, টেলিভিশন, খবরের কাগজ, বেসরকারি সংস্থার কর্মীসহ সবার এখন দায়িত্ব হলো বন্যাকবলিতদের জানানো, কীভাবে পানি বিশুদ্ধ করা যায় (প্রতি লিটারে একটি আয়োডিন/হ্যালোজেন ট্যাবলেট), কোথায় হ্যালোজেন/আয়োডিন ট্যাবলেট পাওয়া যায় (স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও এনজিওকর্মী) এবং প্যাকেট স্যালাইনের পরিবর্তে কীভাবে স্যালাইন তৈরি করা যায় (চার চা-চামচ চিনি, আধা চামচ লবণ এবং এক লিটার পানির মিশ্রণ) ইত্যাদি সাধারণ কিন্তু অত্যন্ত জরুরি তথ্য। মানুষ যদি যথাযথ তথ্য পায়, তাহলে তারাই নিজেদের করণীয় অনেকাংশে সম্পাদন করতে পারবে।

বিভিন্ন মাধ্যমের প্রচারিত সংবাদ অনুযায়ী, তত্ত্বাবধায়ক সরকার বন্যাকবলিত এলাকায় ত্রাণ-কার্যক্রম শুরু করেছে। কিন্তু প্রয়োজন আরও অনেক বেশি। বন্যাকবলিত সব এলাকায় ত্রাণ পৌঁছানো জরুরি। পানিবাহিত বিভিন্ন রোগ থেকে তাদের রক্ষা করা জরুরি। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় কোনো কোনো অঞ্চলে ওষুধ পর্যন্ত পাওয়া যাচ্ছে না।

সরকার ও সেনাবাহিনীর একার পক্ষে এসব জরুরি কাজ করা সম্ভব নয়। স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধিদের পুরো মাত্রায় এ কাজে সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন। আপৎকালে জনগণ সাধারণত তাদের প্রতিবেশী এবং স্থানীয় প্রতিনিধিদেরই দ্বারস্থ হয়। তাই আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রথমেই স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় স্থানীয় সম্পদের সুষ্ঠু ও সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান করতে হবে; পাশাপাশি সরকারিভাবে পাওয়া সম্পদেরও সঠিক ও সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। কারণ, ত্রাণ বিতরণের ক্ষেত্রে আমাদের অনেক তিক্ত অভিজ্ঞতা রয়েছে।

বন্যার কারণে রাস্তা ভেসে যাওয়ায় বন্যাকবলিত এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা এখন অনেকটাই বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। তাই দুর্গত এলাকায় হেলিকপ্টারের মাধ্যমে জরুরি ত্রাণ পাঠানো প্রয়োজন হতে পারে। সম্ভাব্য সব যানবাহন ব্যবহার করে জরুরি ভিত্তিতে ত্রাণসামগ্রী বন্যা-উপদ্রুত জেলাগুলোর উপজেলা সদরে পাঠানো জরুরি, যাতে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান-মেম্বার এবং অন্য স্বেচ্ছাসেবকরা উপজেলা থেকে নিয়ে তা জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে পারেন।

সব এনজিও এবং স্বেচ্ছাব্রতী কর্মীকে এলাকাভিত্তিক সংগঠিত হয়ে পরিকল্পিত ত্রাণ-কর্মসূচি গ্রহণ ও পরিচালনা করা প্রয়োজন। ত্রাণসামগ্রী সংগ্রহ ও বিতরণের জন্য তাদের সম্মিলিতভাবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে কাজ করা আবশ্যক। স্থানীয় নেতৃত্ব ও জনগণের সৃজনশীল উদ্যোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে তাদের পালন করা প্রয়োজন অনুঘটকের ভূমিকা। এর ফলে সব ত্রাণ-কার্যক্রমে সমন্বয় বিরাজ করবে এবং বন্যা-উপদ্রুত সবার কাছে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পৌঁছাবে। জাতিসংঘের সব অঙ্গসংগঠন এবং দ্বিপক্ষীয় দাতা প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সুযোগ-সুবিধা, দক্ষতা ও অবকাঠামো ব্যবহার করে জরুরি ত্রাণসামগ্রী ও ওষুধপত্র উপজেলা দলের কাছে দ্রুততার সঙ্গে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে পারে।

বন্যাকবলিতদের উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যাওয়া এবং ভবিষ্যতে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। বিদ্যালয় এবং অন্যান্য স্থানীয় প্রতিষ্ঠান সাময়িকভাবে এ কাজে ব্যবহৃত হতে পারে। সরকারের পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে আমরা যারা আক্রান্ত হইনি, তাদের এগিয়ে আসতে হবে; প্রদর্শন করতে হবে মানুষ হিসেবে নিজেদের দায়িত্ববোধ।

পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দুর্গত এলাকায় ডায়রিয়া ও অন্যান্য পানিবাহিত রোগ দেখা দেবে। এ জন্য এখন থেকেই সুবিধামতো স্থানে প্রয়োজনীয়সংখ্যক ‘ওআরটি কর্নার’ স্থাপন করার উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে স্বেচ্ছাসেবকদের সংগঠিত করার কাজ অবিলম্বেই শুরু করতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের জন্য বীজ সরবরাহের পরিকল্পনা এ মুহূর্তেই হাতে নিতে হবে।

নিষ্ঠাবান সংবাদকর্মীর অনুসন্ধিৎসা, সাহস আর পেশাগত দায়িত্বের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শনেরও এখনই সময়। তাঁদের কলম যেন এখন সোচ্চার হয় সব অব্যবস্থা, দায়িত্বহীনতা আর দুর্নীতির বিরুদ্ধে; একই সঙ্গে দুর্যোগ মোকাবিলায় জনগণের সংগঠিত উদ্যোগের বীরোচিত সাফল্যও যেন প্রতিফলিত হয় তাঁদের লেখায়।

সচেতন নাগরিক ও বিত্তশালীদের কাছে আমাদের আহ্বান: আসুন, আমরা সবাই বানভাসি লাখো মানুষের বীরোচিত বাঁচার সংগ্রামে শরিক হই, সহমর্মিতা ও স্বেচ্ছাসেবার দৃষ্টান্ত স্থাপন করি; আমাদের আর্থিক সংগতিকে যথাযথভাবে কাজে লাগাই। নিজ এলাকায় যাই, সাধ্যমতো সহায়তার হাত প্রসারিত করি। এ দুর্যোগ সাহসিকতার সঙ্গে কাটিয়ে ওঠা আমাদের জন্য হতে পারে পরম গর্বের বিষয়।

অধ্যাপক মোজাফ্ফর আহমদ: সভাপতি, সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)।

ড. বদিউল আলম মজুমদার: সম্পাদক, সুজন। গ্লোবাল ভাইস প্রেসিডেন্ট ও কান্ট্রি ডিরেক্টর, দি হাঙ্গার প্রজেক্ট−বাংলাদেশ।

দৈনিক প্রথম আলো' ০৭ আগষ্ট ২০০৭ তারিখে প্রকাশিত]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28724606 http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28724606 2007-08-07 17:36:57
'সুজন'-এর ফোরাম 'সুজন-সমাবেশ'-এ স্বাগতম! http://www.votebd.org/shujan-somabesh

'সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক' সকল সুজন (সুধীজন)-এর কথা জানবে ফোরামের মাধ্যমে। এজন্য তৈরি হয়েছে সুজনদের মিলনমেলা 'সুজন-সমাবেশ'। সকল সু (ভালো) জনদের জানাই উষ্ঞ আমন্ত্রন। দেশে এবং বহির্বিশ্বের যে কোন প্রান্তে বসে যে বাংলাদেশী ভাইটি দেশের ভালো কামনা করছে প্রতিনিয়ত তাদের মতামতগুলো আমরা এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই নীতিনির্ধারণী মহলের কাছে। যেভাবে আমরা এতদিন ধরে জনমানুষের চাহিদাগুলি নিয়ে সংগ্রাম করছি এবং আপনাদের আস্থাভাজন হতে পেরেছি। জনগণ জাগ্রত হলেই দেশ মুক্ত হবে। দুর্নীতি, দু:শাসনের কবল থেকে মুক্ত হবে এবং উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28713069 http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28713069 2007-05-28 14:12:25
প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর গঠনতন্ত্রের তুলনামূলক চিত্র
আপনাদের মতামত সরাসরি আমাদের ফোরামে পেলে খুশী হবো।
http://votebd.org/shujan-somabesh/?p=78]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28713045 http://www.somewhereinblog.net/blog/roobonblog/28713045 2007-05-28 10:41:50