আমার প্রিয় পোস্ট
- কেন কিনবেন বই যখন ফ্রী পাচ্ছেন? - তামিম
- মুক্তিযুদ্ধের গল্প। - চাচামিঞা
- সেবা পেয়ে ধন্য, চাই আমাদেরও জন্য - আসিফ আহমেদ
- মনুষ্যত্বহীন মানুষ যন্ত্রের গল্প - রাহিদুল সামান্না রকি
- মেধাহীন 'করপোরেট' মেরুকরণ, গড্ডালিকার নর্দমা, ডিজুস তারুণ্য - সাঈফ শেরিফ
- ভালো ছাত্র বনাম রাজনীতি - মাসকাওয়াথ আহসান
- জাফর ইকবাল বাঙালি জাতিকে কি দিয়াছেন? - আলেকজান্ডার ডেনড্রাইট
- লিনাক্স বিষয়ক সাধারন প্রশ্নগুলো এখানে করুন - আশাবাদী!!
- উবুন্টু বনাম উইন্ডোজ - কেন লিনাক্স ব্যবহার করবেন? - আশাবাদী!!
- অতি প্রয়োজনীয় কিছু সফটওয়ার
- লুলুপাগলা
- ব্লগারস ব্লাড ব্যাংকঃ ১০৮ ব্লগারের তথ্য - ভবঘুরে
- আসুন, বাংলা উইকিপিডিয়াকে সমৃদ্ধ করি - বহুরূপী মহাজন
- সংলাপ : বিবাহের আগে ও পরে !! - ভোরের আলো
- মুহম্মদ জাফর ইকবালকে কেন আমি এত সম্মান করি - জ্বিনের বাদশা
- চে গুয়েভারা : শুধু আইকন নাকি একটা মতবাদ? - মাহবুব মোর্শেদ
- বিশিষ্ট সাহিত্য ব্যক্তিত্ব সরদার ফজলুল করিম -এঁর একটি সাক্ষাৎকার - ফকির ইলিয়াস
- নবীনদের জন্য - নাদান
- কল্প-গল্পঃ বিকল্প প্রোটিন - মোস্তাফিজ রিপন
- ১৮৯ জন ব্লগার এবং তাদের জন্মতারিখ - শাহবাজ
- বীভৎস যৌন নির্যাতন, কিন্তু এড়িয়ে গেছেন সবাই - শেরিফ আল সায়ার
- মুক্তি পেয়েও আরিফের ফেরারী যাপন - অমি রহমান পিয়াল
- "চলচ্চিত্র সমাজ পরিবর্তন করতে পারে না, কখনো করেও নি" -- সত্যজিৎ রায়ের সাক্ষাৎকার - ফাহমিদুল হক
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর - বাংলা উইকি থেকে - রাগিব
- বাংলাদেশের গান - যূঁথী
- আপনি কি আপনার নিত্যদিনের খাবার পছন্দ করেন নাহ ???? আমরা অনেক কিছু খাবার পেলেও খাবার নস্ট করি তাই নাহ? - গিফার
- ঐতিহাসিক মে দিবস এইসব শ্রমিকের "জব সিকিউরিটি" নিশ্চিত করেছে কি? - কৌশিক
- রাজাকার প্রতিরোধের সত্য ঘটনা । - জুবেরী
- এরপরও কি কেউ জানতে চাইবেন কেন - "জামায়াত-শিবির বাংলাদেশ ও ইসলামের শত্রু "। - এস্কিমো
- জিএম শস্যের ভালো মন্দ - দিনমজুর
- বাক বাকুম বাক স্বাধীনতা - দিনমজুর
- আপনি কি মনে করেন আপনার ভাগ্য ভালো নাহ? (বাংলা) - গিফার
- অন্তর্জালে আমি কাদের কাদের পুন মার্তে চাই? - পাগলা গারদের ওয়ার্ডেন
- rePost: পোষ্ট মর্টেম জামাতে ইসলাম : পর্ব ২ - কাকতারু্য়া
- RePost: পোষ্ট মর্টেম জামাতে ইসলাম : পর্ব-১ - কাকতারু্য়া
- কাঠামোবদ্ধ প্রশ্ন: আশা ও আশঙ্কা - মুহম্মদ জাফর ইকবাল - তাজুল ইসলাম মুন্না
- আমার প্রিয় লেখাগুলি নিয়ে ই-বুক - নাজিল আযামী
- বঙ্গবন্ধু এবং আমাদের চিন্তার দৈন্যতা - মোস্তফা আমিন
- চেতনায় রাঙা টুকটুকে এক সালতামামি - অমি রহমান পিয়াল
- "বিহারী"একটি অভাগা বীষবৃক্ষের নাম - মাহবুব সুমন
- রাজনীতির দর্শন ও কর্মসূচি-৪ (শেষ পর্ব) - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- পাঁচ-কুড়ি-এক বাছাই বচন - মোস্তাফিজ রিপন
- রাজনীতির দর্শন ও কর্মসূচি-৩ - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- সাইদী : নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে - নরাধম
- ধান্দাবাতি,বজাসহ সব রাজাকার ছানারা দ্যাখতো সিগনেচারটা চিন্তে পারছ নাকি? - লাল মিয়া
- রাজনীতির দর্শন ও কর্মসূচি- ২ - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- রাজনীতির দর্শন ও কর্মসূচি- ১ - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- বাকশাল, বঙ্গবন্ধু ও আমার ব্যক্তিগত বিশ্লেষণ - বিবর্তনবাদী
- আমাদের বেড়ে ওঠার কাল - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- চার শিবির ক্যাডারের ফাঁসি - বাংলাদেশ কি প্রস্তুত ভবিষ্যতের জন্যে? - এস্কিমো
- সংখ্যা ব্লগ : আমাদের মুক্তিযুদ্ধ - মিরাজ
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও নানাবিধ যুক্তি : শিশুর সাথে আরেকটি আলাপচারিতা - আরিফ জেবতিক
- পাকিস্তানের জামাতে ইসলামীর খায়েস ও তার বাস্তবায়নে বাংলাদেশে জামাতের সম্ভাব্য ভূমিকা - তীরন্দাজ
- ডাবল স্ট্যান্ডার্ড ছাগুরাম (পাঠ আবশ্যক) - তোমাদের-ই-লোক
- সেই কালোরাতে ইথারে খুনীরা যা বলেছিলো.... - অমি রহমান পিয়াল
- যে কারনে পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে ব্যর্থ হলাম (মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও নির্যাতিত সকল সূর্য-সন্তানদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা সহ) - মিরাজ
- সাক্ষাতকার: কাজী আনোয়ার হোসেন - নিশাত
- রহস্য সাহিত্যের ক্যাপ্টেন- কাজী আনোয়ার হোসেন - নিশাত
- "গন্ডগোলের দিন গুলি" গো.আ সাহেবের একাওর নামা
- লাল দরজা
- সারা দেশে জামাতের শিক্ষা বাণিজ্য নেটওয়ার্ক এবং দেশদ্রোহীতার একটি সাম্প্রতিক দলীল - আদৃতা আবৃত্তি
- ত্রিশ লক্ষ শহীদ : মিথ নাকি বাস্তবতা ? - লাইটহাউজ
- প্রথম আলোর আলপিনেই প্রথম নয়, শিবিরের পত্রিকাটিও দেখুন - মেহেরুল হাসান সুজন
- এ ছবি আপনাকে দেখতেই হবে! আপনি এদেশের মানুষ নন? - তীরন্দাজ
অতঃপর আমরা সুখে-শান্তিতে বসবাস করিতে লাগিলাম…
০৮ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৫৯
[ প্রিয় পাঠক, এটি একটি গল্প ]
এক
“খা খা যত পারস খায়া ল, আইজকা না খাইলে আর কবে খাইবি?” এলাকাবাসীকে মিষ্টি খাওয়ানোর ভার পড়েছে যাদের ওপর, আজগর মিয়া তাদের একজন, মহাসমারোহে মিষ্টি খাইয়ে চলেছে সে; খাদকের দলটিতে আবাল বৃদ্ধ বণিতা তিনটি শ্রেণীই রয়েছে। এর আগে এতো সুখের দিন কবে এসেছে চেষ্টা করেও মনে করতে পারেনা আজগর মিয়া, এবং মনে করতে না পেরে সুখী হয়ে ওঠে; কৃতজ্ঞতাও বোধ করে, এই সুখ তাকে যারা দিতে পেরেছে, সেই মহান “রয়েল বেঙ্গল কমান্ডো” বাহিনীর প্রতি- এদের মতো করে কে কবে কোথায় শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছে? কাল রাতে এলাকায় এসেছিলো বাহিনীটির একটি উপদল; এসেছিলো যেনো সন্ত্রাসীদের মৃত্যুদূত হয়ে; দূতিয়ালীর এ কাজটি সফলভাবে সম্পন্ন করতে পেরেছে তারা দুজন সন্ত্রাসীর ক্ষেত্রে, বাকিগুলো এলাকা ছেড়ে পালিয়ে আপাতত মৃত্যুকে এড়াতে পেরেছে।
এলাকা তাই এখন সন্ত্রাসীশূন্য- এই বোধটিই পুনঃ পুনঃ উত্তেজিত করে তোলে জনগণকে; একটির পর একটি রসগোল্লা গিলে তারা পুলক লাভের চেষ্টা করতে থাকে, বেশিরভাগই লাভও করে, এতো তীব্রভাবে যে বিছানাতেও ওটি তারা কখনো পায়নি; আজগর মিয়া তাদের একজন।
দুই
আজগরের ছোটো ভাই, আকবর মিয়া যার নাম, পড়াশোনা করে ঢাকার কলেজে, ছুটিতে বেড়াতে এসেছে মফস্বলটিতে, বড় ভাইয়ের বাড়ি; তখন সবেমাত্র ঘুম থেকে উঠে মুখ ধুচ্ছে, এই সময় আজগর মিয়া বাড়ি ফেরে, এবং চিৎকার করে ওঠে, “এত বেলা কইরা ঘুম থাইকা উঠছস? খবর তো কিছুই রাখসনা, এইদিকে সবডিরে মাইরা সাফা কইরা লাইছে!”
“কী হইছে?”
“আরে কাইলকা রাত্রে আরবিসি আইছিলো মহল্লায়, লম্বু নাসির আর মেন্টাল বাবু শ্যাষ, বাকিডি কই লৌড়ায়া পলাইছে হিসাব নাই! মহল্লায় এখন পুরা শান্তি আর শান্তি!”
“কী বলেন এইসব? ক্রসফায়ার?”
“আরে কিয়ের করসফায়ার? ঐগুলি একটু কইতে হয় আরকি। ধইরা ডাইরেক গুল্লি। লাশ আইন্না ফালায়া রাখছে ঈদগাহ মাঠে, সকালে নাজিম মাস্টার প্রত্থম দেখছে, দেইখা তার কী লাফানি! আমরা জিগাইতাছি আর জিগাইতাছি, হে খালি কয়, খাড়াও একটু লাফায়া লই! দুই মিনিট ধইরা লাফায়া হেরপরে আসল ঘটনা কইছে।”
“তা এইটা যে আরবিসি-ই ঘটাইছে কিভাবে বুঝলেন?”
“ক্যান কাইল রাইতেই তো অরা আইছিলো, আমরা সেই সময় জলিলের দোকানে বইয়া চা খাইতেছি। এহনো যায়নাই কিন্তু, টিভি আইবো পত্রিকা আইবো, ঐগুলিরে ইন্টারভু দিতে হইবোনা?”
“ভাইজান আপনি কি জানেন যে এইগুলা ঠিক না?”
“কী ঠিক না?” ছোটো ভাইয়ের কথা বুঝতে পারেনা আজগর মিয়া; কিংবা হয়তো বুঝতে পারে, অথচ বুঝতে পারেনা।
“সন্ত্রাসীরা অন্যায় কাজ করেছে ঠিক কথা, কিন্তু এদেরকে সাজা দেয়ার জন্য তো আইন আছে, নাকি? হইতে পারে আইনে অনেক ফাঁকফোঁকর আছে, তাইলে তো সেই ফাঁকগুলিরেই আগে বন্ধ করন দরকার, তাইনা? তা না কইরা নির্বিচারে মাইরা ফেলতেছে, এইটা কোনো কথা হইলো?”
“তোগো লয়া এই এক সমস্যা- দুই পাতা বই পইড়া নিজেরে মনে করস কুন বাপের ব্যাডা। আরে ছাগল শোন, সন্ত্রাসী মারতে লাগবো দুই মিনিট, আর তোগো ঐসব আইন ঠিক করতে লাগবো কয় যুগ?”
“কিন্তু একটা ব্যাপার ভাইবা দেখেন- খালি সন্ত্রাসীই যে মরতাছে তা না কিন্তু, অনেক নিরপরাধ মানুষও মরছে এই পর্যন্ত। তাদের কথাটা একবার ভাইবা দেখেন।”
"কেডা কইছে তোরে এইগুলা? ধুর ধুর সব ফালতু কথা। ঠিকাছে হইতে পারে দুই-এক জাগায় এইরকম হইছে। একটা সন্ত্রাসীরে মারতে গিয়া দুইটা নিরীহ মানুষ মরলে কী আর করার আছে? শোন বড় কিছুর লাইগা একটু ছাড় দিতে হয়না, অ্যাঁ? এই যে দেখ এলাকাবাসী কী ফূর্তি করতাছে, আইজকা বিকালে নাকি আনন্দ মিছিলও বাইরাইবো। এই আনন্দডা তোরা দেখসনা ক্যান? এই যে কত্তডি দিন আমরা খালি দোয়া করছি এইসব সন্ত্রাসীর হাত থাইকা মুক্তির লাইগা, আমগো দোয়া কামে লাগছে, বুঝছস? ঠিক লাইনে চিন্তা কর বুঝতারবি।”
ঠিক লাইনে চিন্তা করে বুঝতে পারে আকবর মিয়া- বড় ভাইকে কিছু বোঝাতে যাওয়া বৃথা; এধরনের ঘটনা সে অনেক শুনেছে, কাজেই সে জানে শুধু মফস্বল বা গ্রামের সরলরাই নয়, মেগাসিটির জটিলরাও অনেকেই এরকম বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ডের পক্ষে মুক্ত এবং উচ্চকন্ঠ; এদের বিরুদ্ধে বলে উল্টো তাকেই ঘৃণা-অবজ্ঞার স্বীকার হতে হয়েছে নানা জায়গায়, এমনকি বন্ধু মহলেও।
সে তাই, আরো অনেকের মতোই, ভেতরে ভেতরে পুড়তে থাকে।
তিন
আনন্দ মিছিল শেষ হতে হতে সন্ধ্যে হয়ে যায়, আজগর মিয়া বাড়ি ফিরে দেখে তার স্ত্রী উদভ্রান্তের মতো বাড়ির উঠোনে বসে আছে। আজগর মিয়া তাড়াতাড়ি তাকে ধরে জিজ্ঞেস করে, “কী হইছে তোমার? শইল খারাপ লাগে?” আমেনার চার মাস চলছে।
“নিয়া গেছে। আকবররে নিয়া গেছে।”
বুকটা ধ্বক করে ওঠে আজগরের, “কে নিয়া গেছে? কী হইছে সব খুইল্যা কইতাছোনা ক্যান?” দারুণ আতংকে বউকে দারুণভাবে ঝাঁকাতে থাকে সে।
“সন্ধ্যার একটু আগে কালা জামা কতগুলা লোক আইয়া আকবররে নিয়া চইলা গেছে, হে যাইতে চায়নাই, মাটিতে ছ্যাচড়াইতে ছ্যাচড়াইতে নিয়া গেছে। আমি ঠেকাইতে চাইছিলাম, ধাক্কা দিয়া ফালায়া দিছে। কত চিল্লাইছি তোমাগো নাম ধইরা, তোমরা তো সবডি মিছিলে।”
আজ সারাদিন চমৎকার কেটেছে আজগর মিয়ার, এতো চমৎকার দিন সে বহুদিন কাটায়নি, এতো অবিশ্বাস্যরকম আকস্মিকভাবে মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়াটা তাই সে ঠিক সহ্য করতে পারেনা; একটি অনুভূতি থেকে চরম বিপরীতমুখী আরেকটি অনুভূতিতে সে এতো দ্রুত প্রবেশ করে যে তার শরীর এই পরিবর্তনের সাথে খাপ খাওয়াতে পারেনা, ফলে হড়হড় করে বাড়ির উঠোনে সে বমি করে।
খানিক আগের আনন্দমিছিলে খাওয়া মিষ্টিগুলো আজগর মিয়ার আর হজম করা হয়না, ওগুলো তার পাকস্থলী থেকে বেরিয়ে এসে উঠোনে পড়ে থাকে।
চার
“স্যার আমার ভাই এইখানে থাকেনা স্যার, পলায়া যাওয়া সন্ত্রাসীগো সে চিনেইনা, বিশ্বাস করেন স্যার। আপনে আমগো মা বাপ স্যার।”
“তোমার ভাইয়ের নাম আকবর তো?”
“জ্বি স্যার।“
“দেখো আমাদের কাছে খবর আছে- তোমার ভাইয়ের সাথে এখানকার সন্ত্রাসী মাসুদের সখ্য আছে। মাসুদও আমাদের হিটলিস্টে আছে, ওকে খতম না করে আমরা যাচ্ছিনা। এইজন্য তোমার ভাইকে এনেছি যাতে মাসুদের আস্তানায় আমাদের নিয়ে যেতে পারে।”
“স্যার স্যার আপনেগো কোনোখানে ভুল হইছে স্যার, আমার ভাই ভালা স্যার, হে এইগুলার কিছু জানেনা।”
“ঐ মিয়া একটা কথা জেনে রাখো- আরবিসি কখনো ভুল করেনা। কেনো জানো? কারণ আরবিসি যেটা করে সেটাই ঠিক। হতে পারে আমরা যেই আকবরকে খুঁজছি সে এই আকবর নয়। তো? একটা সন্ত্রাসী মারতে গিয়ে দশটা নিরীহ মানুষ মরতেই পারে, তাতে আরবিসির কিছুই করার নেই। এইটুক ত্যাগ স্বীকার করবেনা, আর আইনশৃঙ্খলার উন্নতি চাইবে, এটা কেমন কথা? তোমরাই না বিকেলে আনন্দমিছিল করলে?”
“স্যার আমি কিছু বুঝিনা স্যার আমি শুধু আমার ভাইরে ফিরত চাই।”
“তোমার ভাইকে কাল সকালে এসে নিয়ে যেও। আজ রাতে ওকে নিয়ে অপারেশনে বেরোবো, মাসুদের আস্তানাটা ও আমাদের চিনিয়ে দেবে। ব্যস এটুকুই। আর কিছু না। হেহ হেহ হেহ। এখন চলে যাও বিরক্ত কোরোনা।”
“স্যার স্যার...”
“অই শুয়োরের বাচ্চা চোপ! আর একটা শব্দ করবি তো তোর নামও লিস্টে উঠামু!”
“স্যার স্যার...”
“আরে এ তো মহা ডিস্টার্ব শুরু করলো কাজের সময়! বুঝছি তোরে বাইন্দা না পিটাইলে তুই থামবিনা।”
পাঁচ
রাতের আঁধারে বাড়ি ফিরতে ফিরতে বিধ্বস্ত বিকারগ্রস্ত আজগর মিয়া দুটো ব্যাপার নিয়ে ভীষণ চিন্তায় পড়ে যায়-
১. কাল ভোরে ঈদগাহ মাঠেই আকবরের লাশটি পাওয়া যাবে তো? নাকি আবার অন্য কোথাও খুঁজতে হবে? ওখানে পাওয়া গেলে তো ভালো, নাহলে এই অসুস্থ শরীরে আবার সারা শহর খুঁজে দেখাটা খুব কষ্টের হবে।
২. আমেনাকে যে ধাক্কা মেরে ফেলে দিয়েছিলো, এতে তার অনাগত সন্তানটির কোনো ক্ষতি হলো না তো?
কৌশিক বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কৌশিকদা, অনেক; মাঝেমাঝে দেখি আমার ব্লগে আসেন, কিন্তু কমেন্ট করেননা; আজ করলেন, ভালো লাগলো খুব।
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
বক্তব্যটা ভালো লেগেছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ; আসলে এটি একটি বক্তব্যধর্মী গল্পই, কাহিনীতে চমক নেই কোনো, আমি শুধু ভাষার ব্যাপারটিতে একটু যত্নবান হওয়ার চেষ্টা করেছি।
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
হুমম ....... ++++++আপনার এই গল্পের টাইটেলটা ব্লগে আমার প্রথম লেখার শেষ কথার সাথে কিভাবে মিলে গেলো
চার শিয়াল পন্ডিতের ফাঁসি !!!! বাহ্: বাহ: ......
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ ওটা আগে পড়েছিলাম। চমৎকার।
লেখক বলেছেন: গল্পটার আইডিয়া কোত্থেকে এলো আন্দাজ করতে পারছো নিশ্চয়ই?
মোঃ শিহাবুর রহমান বলেছেন:
ভালো লাগছে । কিন্তু কেন যেন মিষ্টি খাওয়ার শুরুর দৃশ্য দেখেই শেষ দৃশ্য টা দেখা যাচ্ছিল । এটা চিন্তা ভাবনার মিলের জন্য হতে পারে আবার অন্য কিছুও হতে পারে। চালিয়ে যান লেখা ।
লেখক বলেছেন: আপনি সচেতন পাঠক, এধরনের দুর্বল গল্পের ত্রুটিগুলো আপনার সহজেই ধরে ফেলার কথা; তবে ব্যাপার হচ্ছে বাস্তবেও কিন্তু শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এই একই দৃশ্য মঞ্চস্থ হয়, গল্পটিও তাই সেরকমই একঘেয়েমিতে পূর্ণ; আমি কোনোকিছু অতিরঞ্জিত না করতে চেষ্টা করেছি।
ধন্যবাদ।
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন:
যিনি মাইনাস দিয়েছেন তিনি যদি কারণটি বলে যান তো কেতার্থ হই।
নাতিস বলেছেন:
গল্পটা ভালো হইছে, তোর ভাষার উপরে দক্ষতা আমাদের অনেক্কের চেয়ে বেশ ভালো, অনেক আগে থেকেই, ব্যাপারটা খুব নতুন কিছুনা। ভালো থাকিস, আর আমি এখন থেকে নিয়মিতও পোস্ট পড়বো সবার, আসলে পড়তেই হবে...নাহলে সবার সাথে কথা বলবো কিভাবে??এখানে এখন অনেক গরম...
লেখক বলেছেন: তোকে এখানে দেখে এত্তো ভালো লাগছে... এত্তো ভালো...
আসলে এই গল্পের কাহিনী তো সবার জানাই আছে, আমি শুধু শব্দের গাঁথুনিটুকু যথাসম্ভব শক্ত করতে চেষ্টা করেছি; পেরেছি কিনা তোরা বলতে পারবি।
এখানে কদিন ধরে হালকা টাইপ বৃষ্টি হচ্ছে, এমুহূর্তে বেশ ঝড়ো বাতাস বইছে...
কিন্তু স্যার, শুধু অন্যের পোস্ট পড়লেই তো হবেনা, নিজেও কিছু দেন, পড়ি!
শফিউল আলম ইমন বলেছেন:
চমৎকার লিখেছো। তোমার গল্পের সাথে আমি পুরোপুরি একমত। এটা নিয়ে দুবছর পূর্বে 'ডেইলী নিউএজ' এ লিখেছিলাম যখন নিউজপেপারে টুকটাক লিখতাম। এভাবে ক্রসফায়ার করে শান্তি আনা জীবনে ও সম্ভব না বরং আইনের প্রতি মানুষের আস্থা তো এমনিতে নাই তারউপর শ্রদ্ধা বলতে কিছু অবশিষ্ট থাকবে না। আইনের ফাক ফোকরগুলোই ঠিক করা উচিত।অনেক ভালো লাগল।
ভালো থেকো।
(কারে যেন কইতে দেখলাম তুমি ২০০১ এ এইচএসসি। আমি ও সেইম ব্যাচ। তাই তুমি করে কইলাম। মাইন্ড করলে পরে আপনিতে চইলা যামু।
লেখক বলেছেন: ধুর ধুর আমার তো ইচ্ছা এইখানে সবাইরে আমি তুমি কইরা কমু আর সবাই আমারে তুমি কইরা কইবো!
কোন কলেজ? আমি নটরডেম। এখন কই?
এইটা তোমার আমার সবার খুব চেনা গল্প রে ভাই।
রাজর্ষী বলেছেন:
ভালো লেগেছে। মানুষ যদি একটু বুঝতো ক্রসফায়ার এর নামে কি আসম্ভব ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে দেশের আইনের।
লেখক বলেছেন: নৃতাত্বিক কিছু বৈশিষ্ট্যের কারণে বাংলাদেশের মানুষ এমনিতেই কিছুটা অসহিষ্ণু এবং অসচেতন; অপরাধীকে মেরে ফেলে যে সাময়িক শান্তিটি পাওয়া যায় সেটির মূল্য তাদের কাছে অনেক।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আসিফ ভাই, আমার এই গল্পটি সম্ভবত কারোই খুব বেশি একটা ভালো লাগেনি; আমার নিজের কাছে (আপাতত) চমৎকার লাগছে অবশ্য, বারবার পড়ছি গল্পটি!
এটি আমার লেখা দ্বিতীয় গল্প; ব্লগের গল্পকারদের পরামর্শ পেলে অত্যন্ত আনন্দিত হতাম; এখানে তারা আসবেননা বোধহয়; এলেও, দুয়েকজন বাদে, গঠনমূলক মন্তব্য করার সম্ভাবনা ক্ষীণ।
গল্পটি লেখার পর আমি আমার খুব প্রিয় একজনকে লিংকটি মেইল করি, গল্পটি পড়ে সে অত্যন্ত চমৎকার একটি সমালোচনা করে; তার সমালোচনা পড়ে আমি কিছু কিছু জায়গায় পরিবর্তন আনি, এবং আনার পর দেখি যে গল্প আরো বক্তব্যধর্মী হয়ে উঠেছে, যেমনটি আমি চেয়েছিলাম; এখন আপনারা যেটি দেখতে পাচ্ছেন সেটিকে ভার্শন ৩.০ বলা যেতে পারে!
যাহোক, ধন্যবাদ।
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
এমনটাই তো হচ্ছে মনে হচ্ছে।পটভুমি বুঝতে পারছি।
তবে কপালে কিছু মাইনাস জুটতে পারে মনে হয়। অনেকে এসবের অন্ধভক্ত।
লেখক বলেছেন: এখনো পর্যন্ত একটি অন্ধভক্তের মাইনাস কপালে জুটেছে।
সাংবাদিক বলেছেন:
প্লাস কিংবা মাইনাস দিয়ে আপনাকে ছোট খাটো করতে চাই না। অভিন্দন আপনাকে ক্রসফায়ার নামক এই কালো অধ্যায়ের ভিন্ন রূপ দিলেন তাই।ধন্যবাদ।
আমাদের গ্রুপ 'সাংবাদিক' এ আপনার আমন্ত্রণ রইল।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
শফিউল আলম ইমন বলেছেন:
আমার কলেজ চাঁটগা তে। ক্যান্ট পাবলিক ছিল। এখন লন্ডনে সিএ করছি। তুমি তো ঢাবি'তে তাইনা??লেখক বলেছেন: এইতো ঢাবির প্রাণরসায়ন থেকে এমএস দিয়ে বের হবো হবো করছি; চাকরি খোঁজা শুরু হয়ে গেছে!
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন:
রিয়াজ ভাই, গল্পটি ভাল লেগেছে। ভাল লেগেছে, কারন গল্পটি সরল এবং স্পষ্ট। তবে, গল্পটির শেষ কি হবে, তা শুরুতেই অনেকটা আন্দাজ করা যায় বলে ঘটনার নাটকীয়তা অনেককে আকর্ষন না-ও করতে পারে। এতে কিছু এসে যায় না; সবকিছু নাটকীয় হয়ে উঠতে হবে এমন কোন কথা নেই।___________________________________________
অপ্রাসঙ্গিক-
শান্তি রক্ষার জন্য র্যাব নিরীহ কাউকে খুন করছে এমন প্রমান দেয়া যায় না এখন পর্যন্ত। যখন র্যাবের হাতে নিরীহ কেউ খুন হয়, তারা প্রভাবশালী কোন ব্যক্তি বা সংগঠনের প্রতিহিংসার শিকার, অথবা র্যাবের টাকা হাতানোর কৌশল থেকে সৃষ্ট।
লেখক বলেছেন: এ গল্পে তো নাটকীয়তা নেই রিপন ভাই, এটি বাস্তবের ঘটনাগুলোর মতোই একঘেয়ে; আর "প্রতিহিংসা" কিংবা "টাকা হাতানোর কৌশল" এই শব্দগুলো তো র্যাব ব্যবহার করেনা, কাউকে হত্যা করার অজুহাত হিসেবে তারা "শান্তি রক্ষা" জাতীয় কৌশলেরই আশ্রয় নেয়; মোহাম্মদপুরের মাসুমকে তারা এভাবেই তুলে নিয়ে গিয়ে হত্যা করেছিলো, আমার যদি ভুল না হয়ে থাকে।
মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ রিপন ভাই, অনেক।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ জিয়া ভাই।
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ এই কাহিনীটি সম্ভবত নাটক হিসেবে বেশ ভালোই হবে!
এই তো আছি; শিক্ষাজীবন সমাপ্তপ্রায়, চাকরির খোঁজ করছি, আর ব্লগাচ্ছি!
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
আপনার যদি কোন সমস্যা না থাকে তাহলে কি আমাকে ইয়াহুতে এড করা যায় ? আমার আই.ডি.
xRayOfPeace@yahoo
লেখক বলেছেন: কিন্তু আমার যে কোনো ইয়াহু হটমেইল জিমেইল ইত্যাদি আইডি নেই ভাই!
একটা জিমেইল আইডি আছে অবশ্য, সেটা ইউজ করিনা!
রাতমজুর বলেছেন:
অফটপিক মারছি:
বস, সফটওয়্যারটা আসলেই দারুন। ফায়ারফক্স ইন্জিন ব্যাবহার করেছে। মনে ধরছে বেশ।
লেখক বলেছেন: হ আমারো মনে ধরছে। এই মনে ধরাটা অব্যাহত থাকলে একটা টেকি পোস্ট দিয়া দিতে পারি! ![]()
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
জনাব,আপনার জন্য আহমাদ মোস্তফা কামালের একটি বার্তা আছে আমার ব্লগের শেষ পোষ্টে। দেখার অনুরোধ রইল।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: দেখলাম রন্টিদা; কী বলবো বুঝতে পারছিনা, তবে আমার ধারণা ওখানে আমার নামটি ভুলে চলে এসেছে, কারণ এ পর্যন্ত আমি গল্প লিখেছিই মাত্র দুটি; প্রথমটি কামাল ভাই পড়েছেন, তবে যে মন্তব্যটি করেছেন তাতে সেরকম প্রশংসা আমি খুব একটা খুঁজে পাইনি যেরকমটি থাকলে আমি ধরে নিতাম যে অন্যান্য চমৎকার গল্পকারদের নামগুলো উচ্চারিত হলে একই সাথে সেখানে আমাকেও মনে করা হবে; আর আমার দ্বিতীয় গল্পটি সম্ভবত তিনি এখনো পড়েনই নি।
তাহলে, কী দাঁড়ালো ব্যাপারটি?
লেখক বলেছেন: এবং শান্তির দেবদূত ভাইয়ের গল্পগুলোও আমাদের সবার পড়ে দেখতে হবে; এ নামটি কামাল ভাই এবং তুমি কেউই খেয়াল করোনি; পড়ে দেখোতো কেমন লাগে।
অক্ষর বলেছেন:
প্রবাদতূল্য
লেখক বলেছেন: কী করুম র্যাব যেইরকম প্রবাদতুল্য কাজকারবার শুরু করছে...
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
আমার শেষ গল্পটাতে আপানার একটা কঠোর সমালোচনা আশা করছি........... পারলে মাটিতে পিষে ফেলেন, কিচ্ছু মনে করবো না আর একটা কথা, অনেক দিন পর বাংলা লিখছি ৫/৬ মাস ধরে, সাথে কোন ডিকসনারিও নেই
লেখক বলেছেন: গল্প পড়ে মন্তব্য করলাম; কিন্তু আপনার গল্পের চমৎকারিত্বে আমিই তো মাটিতে শুয়ে গেলাম ভাই!
এটা দেখেন তো কেমন লাগে- http://www.ovidhan.org
কুম্ভকর্ণ বলেছেন:
রিয়াজ শাহেদ, আপনাকে আমি কোথাও দেখেছি, ঠিক মনে করতে পারতেছিনা। আপনি কি ঢাকার কোন কোচিং সেন্টারের সাথে জড়িত?
লেখক বলেছেন: না তো ভাই!
রাতমজুর বলেছেন:
কালকের আলোচনাটা এখানে টানছি অফটপিকে:
অপেরা ৯.৫১ এর সামহ্যোয়ারে ফোনাটিক লেখার সমস্যাটার একটা সমাধানের ইশারা দেবার জন্যে লাল পিপড়া কে ধন্যবাদ।
সকালে খুঁজে বের করেছি অপেরা ৯.৫২ এবং সমস্যার সমাধান!! আবারো ধন্যবাদ, লালপিপড়া।
অপেরা ৯.৫২ বিল্ড ১০০৮৯ বেটা : ৮.৬ মেগাবাইট নামিয়ে টেষ্ট করে দেখতে পারেন
লেখক বলেছেন: কিন্তু আপনের কী হইছে? সকালে ঢুইকা দেখি ব্লগ পুরা ফাঁকা। একটু আগে শামীম ভাইরে জিগাইলাম হে কিছু জানেনা।
আর লালপিপড়া কী সমাধান দিছিলো সেইটাই তো দেখতে পারিনাই। আর ঐ বেটা ভার্শন ইউজ করা কি ঠিক হইবো?
লেখক বলেছেন: নাহ বস এইমাত্র অপেরা ইন্সটল দিয়া দেখলাম, আগের মতোই ঝামেলা করতাছে; তারচেয়ে আপাতত কেমেলিওনই চালাই, পরে দেখা যাইবো।
রুখসানা তাজীন বলেছেন:
ভালো রে ভালো।
লেখক বলেছেন: এই নামে সুকুমার রায়ের একটা ছড়া আছে না আপু?
সুকুমার রায় একটা জাদুকর।
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
শান্তি রক্ষার জন্য র্যাব নিরীহ কাউকে খুন করছে এমন প্রমান দেয়া যায় না এখন পর্যন্ত। যখন র্যাবের হাতে নিরীহ কেউ খুন হয়, তারা প্রভাবশালী কোন ব্যক্তি বা সংগঠনের প্রতিহিংসার শিকার, অথবা র্যাবের টাকা হাতানোর কৌশল থেকে সৃষ্ট।
গল্পটি পড়ে মোস্তফিজ রিপন ভাই এর কথাটুকুই বলতে চাচ্ছিলাম । কিন্তু আপনি সেটার উত্তর দিয়েছেন । মাসুম - যে নির্দোষ ছিল, এ ব্যাপারে আপনি নিশ্চিত? র্যাব জঘন্য সন্ত্রাসী ছাড়া কাউকে হত্যা করেছে এমন্টা শুনিনি । একমাত্র ব্যতিক্রম মনে হয় রিক্তা ।
আপ্নার গল্পের হাত ভালো
লেখক বলেছেন: সিহাব ভাই, রিপন ভাইয়ের মন্তব্যের জবাবে আমার উত্তরটি একটু দেখে নিন; আমি যতোটুকু জানি মাসুমের ভাই বা বন্ধু বা অন্য কোনো আত্মীয় সন্ত্রাসী ছিলো (মাসুমও যে ধোয়া তুলসীপাতা ছিলো তা বলছিনা), তাকে খুঁজতে এসে মাসুমকে ধরে নিয়ে যায় র্যাব; আর যে ঘটনাগুলো পত্রিকায় এসেছে শুধু সেগুলোই আমরা জানি, এর বাইরে আরো কতো শত ঘটনা যে ঘটে, কে খবর রাখে?
আপনি বলেছেন- "র্যাব জঘন্য সন্ত্রাসী ছাড়া কাউকে হত্যা করেছে এমন্টা শুনিনি"। জঘন্য সন্ত্রাসীকেই বা র্যাব এভাবে হত্যা করবে কেনো, সিহাব ভাই? এর ফলে র্যাব নিজে যে জঘন্যতম সন্ত্রাসী হয়ে উঠেছে, সেটি আমরা কবে বুঝবো?
ধন্যবাদ আপনাকে ভাই; ভালো থাকুন।
আপনার লেখাগুলোতে আমি একটু সমালোচনা করি। তার মানে এই নয় যে, এগুলোকে অপছন্দ করি, বরং একটা অধিকারবোধ থেকেই সেটি করে থাকি। এই ব্লগে অনুজ গল্পকারদের লেখাগুলোতে আমি খামোখাই এই অধিকার খাটিয়ে চলেছি। এখন দেখছি আপনি সেটি পছন্দ করেন না। রন্টির মন্তব্যের উত্তরে এবং দেবদূতের ব্লগে আপনার মন্তব্য পড়ে তেমনটিই মনে হলো। সত্যি বলতে কী, ওই মন্তব্যগুলো না পড়লে আমি আজ আপনার এই গল্পে মন্তব্যই করতাম না!
শুধু প্রশংসা করার জন্যই যদি মন্তব্য করতে হয়, তাহলে আমাকে দিয়ে সেটি হবে বলে মনে হয় না।
আর, সমালোচনা মানেই কি অপছন্দ করা?
আপনাকে সম্ভাবনাময় বলে মনে হয়েছে সেটি সরাসরি আপনাকে না বলে রন্টিকে বলেছি ,সেটিই কি অধিকতর পছন্দের প্রমাণ বহন করে না?
যাহোক, এ বিষয়ে সম্ভবত ভবিষ্যতে আমি আর কিছু বলবো না!
লেখক বলেছেন: এই যে কামাল ভাই, প্রিয় লেখক, কেনো এতো অভিমানী আপনি, বলুনতো? কেনো আপনার এটি মনে হলো যে আপনার সমালোচনা আমার ভালো লাগছেনা? যদ্দূর মনে পড়ে এরকম কথা কক্ষণো বলিনি আমি, বলার চিন্তা পর্যন্ত করিনা; আপনার সমালোচনামূলক মন্তব্য আমাদের মতো ব্লগারদের জন্য আশীর্বাদের মতো, হেলায় সেই আশীর্বাদ আমি তো হারাতে পারিনা কামাল ভাই।
তবে কিনা, রন্টিদার পোস্টে যে মন্তব্যটি আপনি করেছিলেন, সেটিতে অনেক অনেক উঁচুমাপের লেখকদের সাথে আমার নামটি দেখে, বিশ্বাস করুন কামাল ভাই, আমি ভয়াবহভাবে বিস্মিত হয়েছিলাম; আমি গল্প লিখেছিই তো মাত্র দুটি, এই দুটি গল্প আমার নিজের কাছেও খুব বেশি যুতসই মনে হয়নি, সেখানে আপনার কাছে যে খুব একটা ভালো লাগবেনা সেটি বলাই বাহুল্য; তারপরও আপনি আমার নাম উল্লেখ করেছেন দেখে গর্বিত হওয়াই হয়তো উচিত ছিলো আমার, কিন্তু অযাচিতভাবে গর্বিত আমি হতে চাইনি, ওভাবে গর্বিত হতে আমার বাধছিলো; আমার কেবলই মনে হচ্ছিলো কামাল ভাই নিশ্চয়ই কোথাও কোনো ভুল করেছেন, নাহলে শক্তিশালী লেখকদের নামের তালিকার ভেতর আমার নাম ঢোকালেন কী মনে করে?!
মোটা দাগে এটাই হলো আমার অনুভুতি; হাতজোড় করে অনুরোধ করবো, ভুল বুঝবেননা আমাকে কামাল ভাই। আমার ব্লগে আসুন, সমালোচনা করুন আমার লেখার, ধন্য হবো তাতে আমি।
আপনি শেষ বাক্যটিতে যা লিখেছেন, এ বড় কঠিন সিদ্ধান্ত কামাল ভাই, এই ভয়াবহ সিদ্ধান্তটি আপনি প্রত্যাহার করুন, প্লিজ প্লিজ... নাহলে আমার মতো ব্লগারদের মৃত্যু ঘটবে।
রন্টিরকাছে আমি আপনাদের সম্বন্ধে জানতে চেয়েছিলাম, কারণ এই প্রশ্নটি আমি আর কাউকে করতে পারছিলাম না। সবার সব লেখা পড়েই যে এই ধরনের মন্তব্য করেছি, তা-ও নয়! কিন্তু একজন লেখকের সম্ভাবনা বোঝার জন্য কি তার সব লেখাই পড়তে হবে? দু-একটি লেখা পড়েও তো সেটি বোঝা যায়। আমি সেই সম্ভাবনার জায়গাটিই আপনাদের মধ্যে খুঁজেছি। নিশ্চয়ই আমি এটা আশা করি না যে একজন মোস্তাফিজ রিপন তার লেখালেখির প্রথম দিকেই মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো কিছু লিখে ফেলবে। আমি বরং দেখতে চাইবো, এই লেখকের সম্ভাবনা কতোটুকু!
আমার সিরিয়াস সাহিত্য পাঠের বয়স সিকি শতাব্দী। ১৯৮২ সালে, ক্লাস সেভেনে পড়ার সময় আমি 'পথের পাঁচালি' দিয়ে শুরু করেছিলাম। আজ পর্যন্ত থামিনি। নিজের লেখা নিয়ে আমি কম কথা বলি, কিন্তু আমার পাঠ-অভিজ্ঞতা নিয়ে নিজের কোনো সংশয় নেই। 'বাংলা গল্পের উত্তরাধিকার' প্রবন্ধটি পড়লে বুঝতে পারতেন, এ সম্বন্ধে আমার পড়াশোনা কতোটুকু। এখন একটি গল্পের এক প্যারা পড়েই বুঝতে পারি, এই লেখকের আদৌ কোনো সম্ভাবনা আছে কী না! আমি আমার পাঠ-অভিজ্ঞতার ওপর ভরসা রেখেই এই নামগুলো নিয়েছি। কিন্তু যে বিষয়টি নিয়ে রন্টির সঙ্গে আমার আলাপ হলো (প্রিন্ট মিডিয়ায় আপনাদের লেখালেখি সংক্রান্ত), সেটি সম্বন্ধে আপনারা কেউ কিছু তো বললেনই না, উল্টো নিজের নাম কেন ওখানে রাখা হয়েছে এই নিয়ে অহেতুক কথা শুরু করলেন!!
চিকন মিয়ার ভাষায়-- আপনেরে মাইনাচ!
















