somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... সিটিসেল জুম সম্পর্কে জানাতে পারেন কেউ? http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28849867 http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28849867 2008-09-30 22:59:54 জীবনানন্দ হয়ে: নিয়াজ মোহাম্মদ চৌধুরী আজ এই বৃষ্টির কান্না দেখে গানটি পোস্ট করার পর বেশ কিছু অনুরোধ আসে তাঁর আরো গান পোস্ট দেয়ার; অতএব তাঁর আরেকটি কালজয়ী গান আপনাদের শোনাচ্ছি; গানটির গীতিকার ওসমান শওকত।

জীবনানন্দ হয়ে সংসারে আজও আমি
সবকিছু ভুলে যেনো করি লেনদেন
তুমিও তো বেশ আছো
ভালোই আছো
কবিতায় পড়া সেই বনলতা সেন।

টানাটানা চোখে কালি পড়েনি কোনো
হাসলেও গালে টোল পড়ে এখনো
কী জাদু জানো তা বিধাতা জানেন
কবিতায় পড়া সেই বনলতা সেন।

পরিপাটি বেশবাস তেমনি আছে
ঘটনার কোনো রেশ নেই তো কাছে
এভাবে সবাই কি থাকতে পারেন?
কবিতায় পড়া সেই বনলতা সেন।


জীবনানন্দ হয়ে সংসারে আজও আমি
সবকিছু ভুলে যেনো করি লেনদেন
তুমিও তো বেশ আছো
ভালোই আছো
কবিতায় পড়া সেই বনলতা সেন।

ভালো গান শুনুন, শুদ্ধ গান শুনুন, হিপহপ রিমিক্সকে না বলুন

ধন্যবাদ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28843118 http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28843118 2008-09-14 17:59:15
আরিফুল হোসেন তুহিনের অসামান্য উদ্যোগে সামান্য ভূমিকা রাখতে চাচ্ছি পোস্টেই মন্তব্য আকারে দিতে গিয়েছিলাম, বেশি বড় হয়ে যাচ্ছে দেখে আলাদা পোস্ট করেই দিলাম।

দোহাই- এমএমআর জালাল ভাই, অমি রহমান পিয়াল ভাই, জন্মযুদ্ধ, জেনোসাইড বাংলাদেশ
























]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28836849 http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28836849 2008-08-31 00:09:18
আঁধারে জোছনা হয়ে : বাপ্পা মজুমদার
পোস্টটি সঞ্জীব চৌধুরীকে উৎসর্গীকৃত। ]

আঁধারে জোছনা হয়ে
সারারাত ছুঁয়ে যেতাম,
মাঝরাতে তুমি ঘুমিয়ে গেলে
যদি আমি পূর্ণিমা হতাম
সারারাত ছুঁয়ে যেতাম।

ঘুমজড়ানো বন্ধ চোখে
জোছনারা আলো জ্বালে
সেই দুচোখে স্মৃতি এসে
সারারাত কথা বলে;
সেই জোছনা হতাম যদি আমি,
স্বপ্নে ভরিয়ে দিতাম।
আঁধারে জোছনা হয়ে
সারারাত ছুঁয়ে যেতাম...

সুখপ্রহরে তীর হারালে
ছন্দে মাতাল নদী হাসে
সেই প্রহরে স্মৃতি এসে
সারারাত ছন্দে ভাসে;
সেই স্মৃতিটা হতাম যদি আমি,
ছন্দে মাতিয়ে দিতাম।

আঁধারে জোছনা হয়ে
সারারাত ছুঁয়ে যেতাম,
মাঝরাতে তুমি ঘুমিয়ে গেলে
যদি আমি পূর্ণিমা হতাম
সারারাত ছুঁয়ে যেতাম।

সুরকার: বাপ্পা মজুমদার।

ভালো গান শুনুন, শুদ্ধ গান শুনুন, হিপহপ রিমিক্সকে না বলুন

ধন্যবাদ। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28833606 http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28833606 2008-08-22 14:47:12
কর্তৃপক্ষ, এহেন "নিরপেক্ষতা" দেখাবেননা, অসহ্য লাগে
দুঃখের সাথে জানাচ্ছি আপনারা মাঝেমধ্যেই নিজেদেরকে অতিমাত্রায় প্রফেশনাল প্রমাণ করতে গিয়ে হাস্যকর রকম নিরপেক্ষ হয়ে ওঠেন; এমনিতে এসব নোংরা পোস্ট আপনাদের চোখে পড়েনা অথচ এর চেয়ে অনেক লঘু পোস্টের বেলায়ও আপনাদেরকে খড়গহস্ত হয়ে উঠতে দেখা যায়।

আপনারা কি ঐ তিনটি পোস্ট এবং পোস্টের মন্তব্যগুলো পড়ে দেখেছেন? যদি দেখে থাকেন, তবে কী করে প্রায় সাত ঘন্টা পরেও বহাল তবিয়তে আছে ওগুলো? কোথায় গেলো আপনাদের খড়গ? নাকি ব্যালেন্স করার মানসিকতায় আক্রান্ত হয়েছেন?

এতো নিরপেক্ষতা দেখাবেননা, অসহ্য লাগে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28831114 http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28831114 2008-08-15 11:15:19
আজ এই বৃষ্টির কান্না দেখে : নিয়াজ মোহাম্মদ চৌধুরী
আজ এই বৃষ্টির কান্না দেখে
মনে পড়লো তোমার
অশ্রু ভরা দুটি চোখ,
তুমি ব্যথার কাজল মেখে
লুকিয়েছিলে ঐ মুখ।

বেদনাকে সাথী করে
পাখা মেলে দিয়েছো তুমি;
কতো দূরে যাবে বলো,
কতো দূরে যাবে বলো? তোমার পথের
সাথী হবো আমি...

একাকিনী আছো বসে
পথ ভুলে গিয়েছো তুমি;
কোন দূরে যাবে বলো,
কোন দূরে যাবে বলো? তোমার চলার
সাথী হবো আমি...

আজ এই বৃষ্টির কান্না দেখে
মনে পড়লো তোমার
অশ্রু ভরা দুটি চোখ,
তুমি ব্যথার কাজল মেখে
লুকিয়েছিলে ঐ মুখ।

ভালো গান শুনুন, শুদ্ধ গান শুনুন, হিপহপ রিমিক্সকে না বলুন

ধন্যবাদ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28830591 http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28830591 2008-08-13 22:50:50
অতঃপর আমরা সুখে-শান্তিতে বসবাস করিতে লাগিলাম…
এক
“খা খা যত পারস খায়া ল, আইজকা না খাইলে আর কবে খাইবি?” এলাকাবাসীকে মিষ্টি খাওয়ানোর ভার পড়েছে যাদের ওপর, আজগর মিয়া তাদের একজন, মহাসমারোহে মিষ্টি খাইয়ে চলেছে সে; খাদকের দলটিতে আবাল বৃদ্ধ বণিতা তিনটি শ্রেণীই রয়েছে। এর আগে এতো সুখের দিন কবে এসেছে চেষ্টা করেও মনে করতে পারেনা আজগর মিয়া, এবং মনে করতে না পেরে সুখী হয়ে ওঠে; কৃতজ্ঞতাও বোধ করে, এই সুখ তাকে যারা দিতে পেরেছে, সেই মহান “রয়েল বেঙ্গল কমান্ডো” বাহিনীর প্রতি- এদের মতো করে কে কবে কোথায় শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছে? কাল রাতে এলাকায় এসেছিলো বাহিনীটির একটি উপদল; এসেছিলো যেনো সন্ত্রাসীদের মৃত্যুদূত হয়ে; দূতিয়ালীর এ কাজটি সফলভাবে সম্পন্ন করতে পেরেছে তারা দুজন সন্ত্রাসীর ক্ষেত্রে, বাকিগুলো এলাকা ছেড়ে পালিয়ে আপাতত মৃত্যুকে এড়াতে পেরেছে।

এলাকা তাই এখন সন্ত্রাসীশূন্য- এই বোধটিই পুনঃ পুনঃ উত্তেজিত করে তোলে জনগণকে; একটির পর একটি রসগোল্লা গিলে তারা পুলক লাভের চেষ্টা করতে থাকে, বেশিরভাগই লাভও করে, এতো তীব্রভাবে যে বিছানাতেও ওটি তারা কখনো পায়নি; আজগর মিয়া তাদের একজন।

দুই
আজগরের ছোটো ভাই, আকবর মিয়া যার নাম, পড়াশোনা করে ঢাকার কলেজে, ছুটিতে বেড়াতে এসেছে মফস্বলটিতে, বড় ভাইয়ের বাড়ি; তখন সবেমাত্র ঘুম থেকে উঠে মুখ ধুচ্ছে, এই সময় আজগর মিয়া বাড়ি ফেরে, এবং চিৎকার করে ওঠে, “এত বেলা কইরা ঘুম থাইকা উঠছস? খবর তো কিছুই রাখসনা, এইদিকে সবডিরে মাইরা সাফা কইরা লাইছে!”

“কী হইছে?”

“আরে কাইলকা রাত্রে আরবিসি আইছিলো মহল্লায়, লম্বু নাসির আর মেন্টাল বাবু শ্যাষ, বাকিডি কই লৌড়ায়া পলাইছে হিসাব নাই! মহল্লায় এখন পুরা শান্তি আর শান্তি!”

“কী বলেন এইসব? ক্রসফায়ার?”

“আরে কিয়ের করসফায়ার? ঐগুলি একটু কইতে হয় আরকি। ধইরা ডাইরেক গুল্লি। লাশ আইন্না ফালায়া রাখছে ঈদগাহ মাঠে, সকালে নাজিম মাস্টার প্রত্থম দেখছে, দেইখা তার কী লাফানি! আমরা জিগাইতাছি আর জিগাইতাছি, হে খালি কয়, খাড়াও একটু লাফায়া লই! দুই মিনিট ধইরা লাফায়া হেরপরে আসল ঘটনা কইছে।”

“তা এইটা যে আরবিসি-ই ঘটাইছে কিভাবে বুঝলেন?”

“ক্যান কাইল রাইতেই তো অরা আইছিলো, আমরা সেই সময় জলিলের দোকানে বইয়া চা খাইতেছি। এহনো যায়নাই কিন্তু, টিভি আইবো পত্রিকা আইবো, ঐগুলিরে ইন্টারভু দিতে হইবোনা?”

“ভাইজান আপনি কি জানেন যে এইগুলা ঠিক না?”

“কী ঠিক না?” ছোটো ভাইয়ের কথা বুঝতে পারেনা আজগর মিয়া; কিংবা হয়তো বুঝতে পারে, অথচ বুঝতে পারেনা।

“সন্ত্রাসীরা অন্যায় কাজ করেছে ঠিক কথা, কিন্তু এদেরকে সাজা দেয়ার জন্য তো আইন আছে, নাকি? হইতে পারে আইনে অনেক ফাঁকফোঁকর আছে, তাইলে তো সেই ফাঁকগুলিরেই আগে বন্ধ করন দরকার, তাইনা? তা না কইরা নির্বিচারে মাইরা ফেলতেছে, এইটা কোনো কথা হইলো?”

“তোগো লয়া এই এক সমস্যা- দুই পাতা বই পইড়া নিজেরে মনে করস কুন বাপের ব্যাডা। আরে ছাগল শোন, সন্ত্রাসী মারতে লাগবো দুই মিনিট, আর তোগো ঐসব আইন ঠিক করতে লাগবো কয় যুগ?”

“কিন্তু একটা ব্যাপার ভাইবা দেখেন- খালি সন্ত্রাসীই যে মরতাছে তা না কিন্তু, অনেক নিরপরাধ মানুষও মরছে এই পর্যন্ত। তাদের কথাটা একবার ভাইবা দেখেন।”

"কেডা কইছে তোরে এইগুলা? ধুর ধুর সব ফালতু কথা। ঠিকাছে হইতে পারে দুই-এক জাগায় এইরকম হইছে। একটা সন্ত্রাসীরে মারতে গিয়া দুইটা নিরীহ মানুষ মরলে কী আর করার আছে? শোন বড় কিছুর লাইগা একটু ছাড় দিতে হয়না, অ্যাঁ? এই যে দেখ এলাকাবাসী কী ফূর্তি করতাছে, আইজকা বিকালে নাকি আনন্দ মিছিলও বাইরাইবো। এই আনন্দডা তোরা দেখসনা ক্যান? এই যে কত্তডি দিন আমরা খালি দোয়া করছি এইসব সন্ত্রাসীর হাত থাইকা মুক্তির লাইগা, আমগো দোয়া কামে লাগছে, বুঝছস? ঠিক লাইনে চিন্তা কর বুঝতারবি।”

ঠিক লাইনে চিন্তা করে বুঝতে পারে আকবর মিয়া- বড় ভাইকে কিছু বোঝাতে যাওয়া বৃথা; এধরনের ঘটনা সে অনেক শুনেছে, কাজেই সে জানে শুধু মফস্বল বা গ্রামের সরলরাই নয়, মেগাসিটির জটিলরাও অনেকেই এরকম বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ডের পক্ষে মুক্ত এবং উচ্চকন্ঠ; এদের বিরুদ্ধে বলে উল্টো তাকেই ঘৃণা-অবজ্ঞার স্বীকার হতে হয়েছে নানা জায়গায়, এমনকি বন্ধু মহলেও।

সে তাই, আরো অনেকের মতোই, ভেতরে ভেতরে পুড়তে থাকে।

তিন
আনন্দ মিছিল শেষ হতে হতে সন্ধ্যে হয়ে যায়, আজগর মিয়া বাড়ি ফিরে দেখে তার স্ত্রী উদভ্রান্তের মতো বাড়ির উঠোনে বসে আছে। আজগর মিয়া তাড়াতাড়ি তাকে ধরে জিজ্ঞেস করে, “কী হইছে তোমার? শইল খারাপ লাগে?” আমেনার চার মাস চলছে।

“নিয়া গেছে। আকবররে নিয়া গেছে।”

বুকটা ধ্বক করে ওঠে আজগরের, “কে নিয়া গেছে? কী হইছে সব খুইল্যা কইতাছোনা ক্যান?” দারুণ আতংকে বউকে দারুণভাবে ঝাঁকাতে থাকে সে।

“সন্ধ্যার একটু আগে কালা জামা কতগুলা লোক আইয়া আকবররে নিয়া চইলা গেছে, হে যাইতে চায়নাই, মাটিতে ছ্যাচড়াইতে ছ্যাচড়াইতে নিয়া গেছে। আমি ঠেকাইতে চাইছিলাম, ধাক্কা দিয়া ফালায়া দিছে। কত চিল্লাইছি তোমাগো নাম ধইরা, তোমরা তো সবডি মিছিলে।”

আজ সারাদিন চমৎকার কেটেছে আজগর মিয়ার, এতো চমৎকার দিন সে বহুদিন কাটায়নি, এতো অবিশ্বাস্যরকম আকস্মিকভাবে মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়াটা তাই সে ঠিক সহ্য করতে পারেনা; একটি অনুভূতি থেকে চরম বিপরীতমুখী আরেকটি অনুভূতিতে সে এতো দ্রুত প্রবেশ করে যে তার শরীর এই পরিবর্তনের সাথে খাপ খাওয়াতে পারেনা, ফলে হড়হড় করে বাড়ির উঠোনে সে বমি করে।

খানিক আগের আনন্দমিছিলে খাওয়া মিষ্টিগুলো আজগর মিয়ার আর হজম করা হয়না, ওগুলো তার পাকস্থলী থেকে বেরিয়ে এসে উঠোনে পড়ে থাকে।

চার
“স্যার আমার ভাই এইখানে থাকেনা স্যার, পলায়া যাওয়া সন্ত্রাসীগো সে চিনেইনা, বিশ্বাস করেন স্যার। আপনে আমগো মা বাপ স্যার।”

“তোমার ভাইয়ের নাম আকবর তো?”

“জ্বি স্যার।“

“দেখো আমাদের কাছে খবর আছে- তোমার ভাইয়ের সাথে এখানকার সন্ত্রাসী মাসুদের সখ্য আছে। মাসুদও আমাদের হিটলিস্টে আছে, ওকে খতম না করে আমরা যাচ্ছিনা। এইজন্য তোমার ভাইকে এনেছি যাতে মাসুদের আস্তানায় আমাদের নিয়ে যেতে পারে।”

“স্যার স্যার আপনেগো কোনোখানে ভুল হইছে স্যার, আমার ভাই ভালা স্যার, হে এইগুলার কিছু জানেনা।”

“ঐ মিয়া একটা কথা জেনে রাখো- আরবিসি কখনো ভুল করেনা। কেনো জানো? কারণ আরবিসি যেটা করে সেটাই ঠিক। হতে পারে আমরা যেই আকবরকে খুঁজছি সে এই আকবর নয়। তো? একটা সন্ত্রাসী মারতে গিয়ে দশটা নিরীহ মানুষ মরতেই পারে, তাতে আরবিসির কিছুই করার নেই। এইটুক ত্যাগ স্বীকার করবেনা, আর আইনশৃঙ্খলার উন্নতি চাইবে, এটা কেমন কথা? তোমরাই না বিকেলে আনন্দমিছিল করলে?”

“স্যার আমি কিছু বুঝিনা স্যার আমি শুধু আমার ভাইরে ফিরত চাই।”

“তোমার ভাইকে কাল সকালে এসে নিয়ে যেও। আজ রাতে ওকে নিয়ে অপারেশনে বেরোবো, মাসুদের আস্তানাটা ও আমাদের চিনিয়ে দেবে। ব্যস এটুকুই। আর কিছু না। হেহ হেহ হেহ। এখন চলে যাও বিরক্ত কোরোনা।”

“স্যার স্যার...”

“অই শুয়োরের বাচ্চা চোপ! আর একটা শব্দ করবি তো তোর নামও লিস্টে উঠামু!”

“স্যার স্যার...”

“আরে এ তো মহা ডিস্টার্ব শুরু করলো কাজের সময়! বুঝছি তোরে বাইন্দা না পিটাইলে তুই থামবিনা।”

পাঁচ
রাতের আঁধারে বাড়ি ফিরতে ফিরতে বিধ্বস্ত বিকারগ্রস্ত আজগর মিয়া দুটো ব্যাপার নিয়ে ভীষণ চিন্তায় পড়ে যায়-
১. কাল ভোরে ঈদগাহ মাঠেই আকবরের লাশটি পাওয়া যাবে তো? নাকি আবার অন্য কোথাও খুঁজতে হবে? ওখানে পাওয়া গেলে তো ভালো, নাহলে এই অসুস্থ শরীরে আবার সারা শহর খুঁজে দেখাটা খুব কষ্টের হবে।
২. আমেনাকে যে ধাক্কা মেরে ফেলে দিয়েছিলো, এতে তার অনাগত সন্তানটির কোনো ক্ষতি হলো না তো?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28828872 http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28828872 2008-08-08 23:59:47
মঞ্চ
এই পোস্টটি আমার ৫০ তম পোস্ট; অনেকের কাছে তেমন কিছু না হলেও আমার কাছে এটি চমকে যাওয়ার মতো ব্যাপার- ৫ মাসে ৫০টি পোস্ট! তার মানে প্রতি ৩ দিনে একটি পোস্ট! আমার মতো একটি ইয়ের পক্ষে এটি কিভাবে সম্ভব হয়েছে ভাবতে গিয়ে একটি ব্যাপার চোখে পড়লো- ব্লগে লেখাটা আসলে অনেকটা মঞ্চে অভিনয় করার মতোই, লেখা প্রকাশের সাথে সাথেই প্লাস-মাইনাস আর কমেন্ট প্রাপ্তির কল্যাণে বেশ দ্রুত লেখাটার একটা ইভাল্যুয়েশন হয়ে যায়; এটি কিন্তু বেশ চমৎকার একটি ব্যাপার; এটি সাহিত্যের অন্য কোনো মাধ্যমে নেই; এবং এটি ব্লগারকে (বিশেষ করে আমার মতো ব্লগারকে) পুনঃ পুনঃ লিখতে উৎসাহিত করে।

তারপরও শুভাকাঙ্খী ব্লগারদের কাছ থেকে মাঝেমাঝেই চাপ এসেছে পোস্ট দেয়ার, আমি অবশ্য নিজের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে চাইনা, যখন ইচ্ছে হয় লিখি; একটা লেখা লিখে শেষ করতে অস্বাভাবিকরকম বেশি সময় লাগে আমার, কারণ একেকটা বাক্যকে সম্ভাব্য সবরকম ডাইমেনশন থেকে আমি চিন্তা করতে চাই; আর "ভাত খায়া আসলাম" কিংবা "মাইয়াডা কী সোন্দর" টাইপের কমেন্টে বোঝাই মহাকাব্যিক পোস্ট দেয়ার "যোগ্যতা" আমার নেই (আশা করি কখনো হবেনা), নইলে এতোদিনে পোস্টসংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে যেতো।

এই পাঁচটি মাসে অনেকের সাথেই পরিচয় হয়েছে; কারো সাথে মত মিলেছে, কারো সাথে মেলেনি; সবাইকেই ধন্যবাদ আর কৃতজ্ঞতা জানিয়ে রাখছি (জামাতি ছাগুগুলি বাদে; তোদের জন্য আমার ভেতর ঘৃণা ছাড়া কিছু নেই; ভালো কথা, তোরা আমার রাজাকারী চেতনার রেসিপিটা পড়েছিস তো?)।

যদি কখনো কারো মনে আঘাত দিয়ে থাকি, ক্ষমা করে দেবেন আশা করি।

আমার ৫০ তম পোস্টে আপনাদের জন্যে থাকছে সামান্য উপহার- কুমার বিশ্বজিতের গাওয়া অসম্ভব রোমান্টিক একটি গান

ধন্যবাদ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28828550 http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28828550 2008-08-08 00:24:08
কর্তৃপক্ষ ও ব্লগারদের দৃষ্টি আকর্ষণ; বিষয়টা জরুরী বলেই মনে হচ্ছে একাত্তর নিয়ে যে বইগুলো পড়া দরকার : : একটি তালিকা শিরোনামে। পোস্টটি ব্লগার ফারহান দাউদের মুক্তিযুদ্ধের কিছু প্রামান্য বইয়ের তালিকা নামক পোস্টের প্রায় হুবহু কপি। আমি তার পোস্টে একটি মন্তব্য করে এসেছিলাম, আজ গিয়ে দেখি সেই মন্তব্য মুছে শাহিন মহাশয় আমাকে ব্লক করে দিয়েছেন!!

যে মন্তব্যটি করেছিলাম (যতোটুকু মনে করতে পারছি) তা নিচে তুলে দিচ্ছি-
শাহিন০৩ ভাই, আপনার বিরুদ্ধে চৌর্যবৃত্তির অভিযোগ আনছি- আপনি এই পোস্টটি ফারহান দাউদের "মুক্তিযুদ্ধের কিছু প্রামান্য বইয়ের তালিকা" নামক পোস্টটি থেকে যতিচিহ্নসমেত কপি করেছেন; তাতে দোষের কিছু হতোনা যদি ঐ পোস্টের লিংকটি দিয়ে দিতেন, কিন্তু আপনি সেটি করেননি। আপনি অনুগ্রহ করে লিংকটি যোগ করুন, নচেৎ পোস্ট মুছে ফেলুন। ব্লগারদের অনুরোধ করছি যারা এই পোস্টে প্লাস দিচ্ছেন বা প্রিয় পোস্টে রাখছেন তারা ফারহান দাউদের মূল পোস্টটিতে গিয়ে কাজটি করুন।

ধন্যবাদ। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28825718 http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28825718 2008-07-30 19:53:10
লালমাটিয়া এলাকায় স্মাইল ইউজার আছেন কেউ?
ধন্যবাদ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28825378 http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28825378 2008-07-29 20:28:10
গুলশান বনানীর ব্যুফে রেস্টুরেন্টগুলো সম্পর্কে জানা আছে কারো?
১. খাবারের স্বাদ এবং মান কোন রেস্টুরেন্টে কেমন।
২. মেন্যুর সংখ্যা কোন রেস্টুরেন্টে কয়টা (লাঞ্চে)।
৩. খরচাপাতি কোথায় কীরকম পড়বে (লাঞ্চে)।
৪. অন্য কোনো সাজেশন।

ধন্যবাদ। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28823827 http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28823827 2008-07-24 20:24:42
একটি অসভ্যতা এবং বাংলার বিশালতম লাশ

'৭৫-এর ১৫ আগস্ট ভোরবেলা, গুলিবিদ্ধ বঙ্গবন্ধুর লাশ পড়ে আছে তাঁর ধানমন্ডি ৩২-এর বাসগৃহের সিঁড়িতে; নিঃসন্দেহে হাজার বছরের বাঙালির ইতিহাসের সব থেকে কলঙ্কময় দৃশ্য।

আমরা খুব বড় মাপের একটি অসভ্যতা করেছি- যে মানুষটির জন্যে আমরা আজ একটি স্বাধীন দেশে বসে কিছু করে খেতে পারছি, লঘুপাপে ভয়ংকর রকমের গুরুদন্ড দিয়ে সেই মানুষটিকে আমরা পরিবারশুদ্ধ মেরে ফেলেছি।

সম্ভবত পৃথিবীর ইতিহাসে কৃতঘ্নতার সবচেয়ে বড় উদাহরণ এটি।

মানুষটি এখন আমাদের কাছে পণ্য, তাঁকে নিয়ে দুটো সস্তা কথা বলে আমরা পুলক অনুভব করি; তাঁকে পুঁজি করে কতো সলিমুদ্দি কলিমুদ্দি জনপ্রিয় হয়ে গেলো।

জীবিত শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন বিশাল, মৃত শেখ মুজিবুর রহমান হয়ে উঠেছেন বিশালতম; বাংলার বিশালতম এই লাশটির বোঝা বহন করার যোগ্যতা আমাদের নেই।

আমরা বড় অসভ্য।

আমাদের কোনোদিন কোনো উন্নতি হবেনা। আমাদের কোনোদিন কোনো উন্নতি হবেনা। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28818291 http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28818291 2008-07-09 00:30:38
আইএসপির চিঠি; ঘটনা কী?
১. যেহেতু ব্যান্ডউইডথের দাম কমেছে সেহেতু আগামীকাল থেকে আমার ব্যান্ডউইডথ ৬৪ কেবিপিএস থেকে বাড়িয়ে ৯৬ কেবিপিএসে উন্নীত করা হবে; চার্জ আগেরটাই থাকবে, ১০০০ টাকা।

২. আরেকটা নতুন অপশন চালু করা হয়েছে- ১২৮ কেবিপিএস ১৩০০ টাকা।

ঘটনা বুঝতে পারছিনা কিছু, দেখি আগামীকাল কী হয়।

আপনাদের আইএসপির কী অবস্থা? চার্জ কি কমিয়েছে/স্পীড কি বাড়িয়েছে? ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28817497 http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28817497 2008-07-06 23:34:07
একটা গান খুঁজছি...
ষোলো বছর গেছে কেটে, অজস্র অজস্র গানের ভিড়ে এই গানটাকে আলাদা করে মনে রেখেছি, কারণ গানটা সেসময় মাত্র কয়েকবার শুনেছিলাম, এবং তারপর আর কখনো শুনিনি, কিন্তু এতো ভালো লেগেছিলো যে প্রায় পুরো গানটাই এখনো ভালোভাবে মনে করতে পারি।

প্রথম কয়েকটা লাইন তুলে দিচ্ছি-
"তুমি বলেছিলে
মনের মুক্তো যায়না তো কভু কেনা
তবু মন পেতে হলে মনের মূল্য চাই
ঝিনুক সাগরে পাঠালে আমাকে
ঝিনুক কুড়াতে তাই
তুমি বলেছিলে..."

কেউ জানেন নাকি গানটা সম্পর্কে? জানালে কৃতজ্ঞ থাকবো।

আর হ্যাঁ, গানটা কিন্তু ওপার বাংলার।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28816661 http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28816661 2008-07-04 10:10:45
ফ্রেন্ডস থিম সং, ফ্রেন্ডস ভক্তদের জন্যে Your Job's a joke, you're broke, your love life's D.O.A.
It's like you're always stuck in second gear.
And it hasn't been your day, your week, your month, or even your year.
But -

I'll be there for you ... when the rain starts to fall.
I'll be there for you ... like I've been there before.
I'll be there for you ... cause you're there for me, too.

You're still in bed at ten and work began at eight.
You've burned your breakfast, so far everything is great.
Your mother warned you there'd be days like these.
But she didn't tell you when the world has brought you down to your knees.
That -

I'll be there for you ... when the rain starts to fall.
I'll be there for you ... like I've been there before.
I'll be there for you ... cause you're there for me, too.

গানটির ভিডিও দেখুন ইউটিউবে

ফ্রেন্ডস সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে দেখুন



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28810712 http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28810712 2008-06-17 23:44:37
শুয়োর http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28810476 http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28810476 2008-06-17 11:56:33 একটা জায়গায় ভুল হচ্ছে, বারবার, বারবার......
সে আজ থেকে আড়াই বছর আগের কথা, ফেব্রুয়ারির অমর একুশে বইমেলা চলছে; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রত্বের আশীর্বাদে প্রায় প্রতিদিনই ঢুঁ মারি প্রাণের মেলায়। সুমন্ত আসলামের “বাউন্ডুলে” নিয়মিত পড়তাম তখন, অসাধারণ আবেগী লেখাগুলো ছুঁয়ে যেতো মন। সেদিন গিয়েছিলাম পার্ল পাবলিকেশন্সে, বাউন্ডুলে কিনতেই; গিয়ে দেখি স্বয়ং সুমন্ত হাজির। খুব যে উচ্ছ্বসিত হলাম তা নয়, অটোগ্রাফও নেই নি (সুমন্তদা কি মাইন্ড করলো একটু?!), ৪২ টাকা দিয়ে বইটা কিনে স্টল থেকে বেরিয়ে এলাম। ঘুরছি ঘুরছি, হঠাৎ মনে হলো, আরে তাইতো, বইটার দাম এতো কম হওয়ার কথা নয় তো! হিসেব করে দেখলাম ৫৬ টাকা আসে; ফিরে চললাম আবার পার্লের দিকে।

ব্যাপারটা সেলসম্যান কে বলতেই লজ্জিত হয়ে ভুল স্বীকার করলেন। আমি বাড়তি টাকা ক’টা দিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছি, পেছন থেকে সুমন্তদা-র ডাক; পুরো ব্যাপারটাই তো দেখেছেন তিনি। ঘুরে দাঁড়ালাম, অতঃপর প্রশংসার ফুল ঝুরি ঝুরি হয়ে পড়লো আমার ওপরে, ফেললেন সুমন্তদা, “আপনার মতো সৎ মানুষই তো দেশটার দরকার + আমি অভিভূত + এ ব্যাপারটা নিয়ে একটা বাউন্ডুলে লিখে ফেলতে হবে- আমাদের দেশে এখনো এরকম মানুষ আছে, কাজেই হতাশ হওয়ার কিছু নেই + আমরা এরকম দশটা সৎ ছেলে চাই” ইত্যাদি ইত্যাদি...

লজ্জা পাচ্ছিলাম, কারণ ওভাবে ভাবিই নি আমি, টাকাগুলো মেরে দেয়ার কোনোরকম চিন্তাই আসে নি মাথায়; কিঞ্চিৎ গর্বিত হচ্ছিলাম, কারণ সবকিছুর শেষে আমি তো একটা মানুষই। কিন্তু সব অনুভূতি ছাপিয়ে যে কথাগুলো মনে এলো, এক নিঃশ্বাসে বলেই চলে এলাম বিস্মিত সুমন্ত আসলামকে পেছনে রেখে, “দশ জন কেনো, এরকম বা এর চেয়েও ভালো দশ হাজার জন সৎ মানুষ পাবেন আপনি খুঁজলে; লাভ নেই, সৎ মানুষগুলো কোনো কাজে আসবে না দেশের সামগ্রিক উন্নতিতে, যতক্ষণ না রাজনীতির ভেতরে তারা ঢুকতে পারছে। হ্যাঁ, আমরা যতোই আশাবাদী হই না কেনো, এদেশের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য আমাদেরকে রাজনীতিবিদদের ওপর নির্ভর করতেই হবে; ওজায়গাটা সততাশূন্য থাকলে ভাঙ্গনের সুর খেলা করবে, সর্বদা এবং সর্বত্র।”

এই হচ্ছে ঘটনা। আড়াই বছর আগের প্রায় ভুলে যাওয়া এ ঘটনাটা হঠাৎ করে জাগরূক হয়ে উঠলো কেনো- প্রশ্ন আসতেই পারে আপনার কাছ থেকে। উত্তরের জন্যে যেতে হবে আমার ক্ষুধা সম্পর্কিত একটি গুরুতর সমস্যা গল্পের পোস্টটায়, এখানে প্রিয় রন্টি চৌধুরী মন্তব্য করেছেন, “রিয়াজ শাহেদভাইকে আরেকটা পোষ্টে বলেছিলাম, আমাদের সবার ছোট্ট ছোট্ট অনুভবই আমাদের কাজকে এগিয়ে নেবে, তার এই লেখাটাও এগিয়ে যাবার পথে একধাপ। আমার জানা মতে রিয়াজশাহেদের বয়স খুব বেশী না। আমাদের তরুনরা এভাবে ভাবে...আমরা খুব বেশীদিন আর এমন থাকব না, অবস্থা পাল্টাবেই। আমি আশাবাদী।”

আসলেই, আমাদের মতো আশাবাদী মানুষ পৃথিবীতে খুব বেশি নেই; আশায় আশায় কেটেছে ৩৭ বছর, দেশের সর্বনাশ যা হওয়ার হয়েছে; আশায় আশায় কাটবে আরো কত্তো বছর জানি না, সামনে নতুন কী সর্বনাশ অপেক্ষা করে আছে তাও জানি না। ৩৭টা বছর! “আমি আশাবাদী”, “আমরা আশাবাদী”, “সামনে আসছে নতুন দিন”, “মেঘ কেটে গিয়ে সূর্য উঠবেই”, “মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশ গড়ে তুলবোই”, “আর নয় হানাহানি, আসুন সকলে মিলে সোনার বাংলাদেশ গড়ি”, “হতাশ হওয়ার কিছুই নেই”......................................................................... প্রিয় ব্লগার, এই ৩৭টা বছরে কম করে হলেও ৩৭ কোটি বার উচ্চারিত হয়েছে এ কথাগুলো, বাংলাদেশের মাটিতে। আমি বলেছি, বলেছেন আপনিও। সত্যি করে বলুনতো, সত্যি করে বলুনতো, সত্যি করে বলুনতো, আপনি কি সত্যিকার অর্থেই দেশটার উন্নয়ন (বিচ্ছিন্নভাবে দুয়েকটা জায়গায় নয়) চান? নাকি শুধু চান নিজের অর্থনৈতিক উন্নয়ন? কোনোভাবে সেটা হয়ে গেলেই মনে করছেন, দেশের প্রতি আপনার দায়িত্ব পালন করা হয়ে গেলো, কারণ এখন আপনি দেশকে সার্ভিস দিচ্ছেন?

উন্নয়নের নামে আমরা যা করছি তা হলো, দেশটার ক্ষতের ওপর একটা রঙিন প্রলেপ দেয়ার চেষ্টা করছি যাতে ক্ষত ঢাকা পড়ে থাকে; ক্ষত সারানোর কোনো চেষ্টা আমাদের নেই, এমনকি ৩৭ বছরে ক্ষত কতোটা গভীর হয়েছে সেসম্পর্কে সঠিক ধারণাও নেই।

ব্লগার, আপনি কি রাস্তাঘাটে চলার সময় থুতু, চিপসের প্যাকেট, ড্রিঙ্কসের বোতল ফেলেন? বাসায় অকারণে লাইটফ্যান চালিয়ে রাখেন? ওভারব্রিজ থাকা সত্ত্বেও নিচ দিয়ে রাস্তা পার হন? সিগনাল না মেনেই গাড়ি চালিয়ে দেন? আইন থাকার পরও প্রকাশ্যে ধুমপান করেন?

আমি জানি, আমি ভালোভাবে জানি- ফেলেন, রাখেন, হন, দেন, করেন। কারণ আপনার দলে যে আমিও পড়ি! খুবই জরুরী অথচ সামান্য এই নিয়মগুলোই মানতে পারছি না, আমরাই আবার “আশা” করি, একদিন স্বপ্নের দিন আসবে...

আচ্ছা, ধরে নিচ্ছি সবাই আমাদের মতো নন, “দশটা সৎ ছেলে” অনেক আছে আমাদের। কী করতে পেরেছে তারা, এই এত্তোগুলো বছরে? তেমন কিছু যদি করতে পেরে না থাকে, কেনো পারলো না?

রাজনীতির ভেতরে যদি না ঢোকে যৌক্তিক, বৌদ্ধিক, শুদ্ধ আর সঠিক মানুষ, কোনোভাবেই দাঁড় করানো যাবে না দেশটাকে, উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেই ফেলে দেয়া হবে ল্যাং মেরে; ল্যাং মেরে ফেলে দেয়ার লোক এই দেশে প্রচুর। ঘরে বসে “আমি আশাবাদী আমি আশাবাদী” তসবিহ জপে গেলে কচু হাতি ঘন্টা হবে দেশের। চোখে রঙ্গিন চশমা লাগিয়ে বসে আছি, দেখতে পাবো কিভাবে চারদিকে নেমে এসেছে মধ্যযুগের চেয়েও গাঢ় অন্ধকার? ভাবছি কেবল “এটা করতে হবে, ওটা করতে হবে”, করছি না কিছুই, আশা করে আছি অন্য কেউ শুরু করবে বলে। বিচ্ছিন্নভাবে কিছু উন্নতি দেখে নিজেদের ধন্য ধন্য করছি, ভাবছিও না যে একটা দেশের সামগ্রিক উন্নতি ৩৭ বছরেও না হলে আর কবে হবে।

এ জায়গাটাতেই ভুল হচ্ছে আমাদের, বারবার।

বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্যে সবার আগে দরকার রাজনীতিবিদদের “হোমো সেপিয়েন্স” থেকে “মানুষ”-এ রূপান্তরিত হওয়া।

[ সাবধান! এটি একটি আপাদমস্তক বিলাসিতা ও ভন্ডামিপূর্ণ পোস্ট ]
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28806016 http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28806016 2008-06-04 02:00:19
গল্প: ক্ষুধা সম্পর্কিত একটি গুরুতর সমস্যা
ভালো ঝামেলাই বাধিয়েছে মানুষের বাচ্চাগুলো।

এই জায়গাটা মা চিনিয়েছিলো আমাকে, বলেছিলো এখানকার খাবার নাকি বেশ সুস্বাদু আর উপাদেয়। তখনো আমি হই নি, একদিন ক্ষিদের জালায় ঘুরতে ঘুরতে হঠাৎই মায়ের চোখে পড়ে জায়গাটা, পাশের হোটেলটা থেকে উচ্ছিষ্ট খাবারগুলো এনে ফেলা হচ্ছে ওখানটায়। নির্বিঘ্নেই মুখ দিতে পারতো মা খাবারগুলোতে, কেউ কোনোদিন বাধা দেয় নি। আমি বড় হওয়ার পর হোটেলটা চিনিয়ে দেয় মা, তারপর থেকে খাওয়ার চিন্তা খুব একটা করতে হয় নি আমাকে। কিছুদিন আগ পর্যন্তও সব ঠিক ছিলো; কিন্তু পরিস্থিতি আস্তে আস্তে খারাপ হচ্ছে, কয়েকটা মানুষের বাচ্চা এসে দখল নিতে চাচ্ছে জায়গাটার, ভাগ বসাতে চাচ্ছে খাবারে।

ভালো ঝামেলাই বাধিয়েছে দেখছি, মানুষের বাচ্চাগুলো।

আসলে মানুষের কিছু কিছু ব্যাপার ঠিক পরিষ্কার না আমার কাছে। এই যে কিছু লোক দেখছি দিব্যি হোটেলে ঢুকে খেয়েদেয়ে হাসতে হাসতে বেরিয়ে যাচ্ছে, আবার অনেকে আছে হোটেলের বাইরে সারাক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকে, কেউ বেরিয়ে এলেই হাত পেতে কী যেনো চায়, আমি বুঝি না তারা কেনো হোটেলে ঢুকতে পারেনা। যাক, যা ইচ্ছা করুক আমার অসুবিধা নেই, আমার সুখী হওয়ার জন্যে ঐ উচ্ছিষ্ট খাবারগুলোই যথেষ্ট। কিন্তু সুখ বোধহয় আর কপালে সইলো না আমার, মানুষের বাচ্চাগুলো খাবারে ভাগ বসানোর পর থেকে ঠিকমতো পেট ভরে খাওয়া হচ্ছে না, শুকিয়ে যাচ্ছি দিনে দিনে। এর মাঝে একটা মেয়ের সাথে ভাব হয়েছিলো, আমার ক্রমাগত স্বাস্থ্যহানি দেখে বেচারী ভয় পেয়ে চলে গেছে। আরো কয়েকটা জায়গা ঘুরে দেখে এসেছি, ওগুলোতেও একই ( কোনো কোনোটায় তো এর চাইতেও খারাপ) অবস্থা।

নাহ, ভালো ঝামেলাই বাধালো দেখছি, মানুষের বাচ্চাগুলো।

আমার মতো ওরাও বুঝে গেছে দিনের কোন কোন সময়ে হোটেলটা থেকে খাবারগুলো এনে ফেলা হয়। সেই সময়গুলোতে তক্কে তক্কে থাকে তারা, খাবার দেখলেই ঝাঁপিয়ে পড়ে সঙ্গে সঙ্গে, মহাউল্লাসে চলতে থাকে ভোজ; আর এদিকে আমার পেটের ভেতর ক্ষণে ক্ষণে মোচড় দিতে থাকে। এতোসব আয়োজনের ভিড়ে আমাকে একফোঁটা সুযোগও দেয় না তারা, একটু কাছে গেলেই তেড়ে আসে। প্রথম প্রথম ভয় পেতাম না ওদের। ভয় পাওয়া শুরু করেছি সেদিন থেকে, যেদিন একদল মানুষ পিটিয়ে মেরে ফেললো আমার মা কে (অবশ্য সেসময় মা পাগল হয়ে গিয়েছিলো, মানুষকে কামড়াতে যেতো, আমার সাথেও ভীষণ বাজে আচরণ করতো)... বাপরে এতো কিছু চিন্তা করতে করতে তো ক্ষিদেই লেগে গেলো। খাবার অবশ্য আছে, কিন্তু মানুষের বাচ্চাগুলোও যে আছে! খাবারের ধারেকাছেও ঘেঁষা যায় না ওরা থাকলে।

নাহ এরকম ঝামেলা চলতে থাকলে ভবিষ্যতে বেওয়ারিশ কুকুরদের কপালে দুর্ভোগ আছে দেখছি।

আচ্ছা, আমরা নাহয় বেওয়ারিশ কুকুর, কিন্তু মানুষ আবার কবে থেকে বেওয়ারিশ হওয়া শুরু করলো?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28805148 http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28805148 2008-06-01 15:09:20
স্টিকি করা হোক পোস্টটি বীভৎস যৌন নির্যাতন, কিন্তু এড়িয়ে গেছেন সবাই পোস্টটি স্টিকি করার জোর দাবি জানাচ্ছি সামহোয়্যারইনব্লগ কর্তৃপক্ষের কাছে।

ব্লগাররা যারা প্রস্তাবটি সমর্থন করেন তারা এই পোস্টে অথবা মূল পোস্টে গিয়ে স্টিকি করার দাবি জানান।

অনেক হয়েছে, আর এড়িয়ে যেতে চাইনা আমরা ব্যাপারটা। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28804442 http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28804442 2008-05-30 11:40:19
আচ্ছা এগুলি কি মানুষ?
১. শেরিফ আল সায়ারের বীভৎস যৌন নির্যাতন, কিন্তু এড়িয়ে গেছেন সবাই (১৮মে ২০০২ ভোরের কাগজ থেকে সংগৃহিত) পোস্টটি কি পড়েছেন? না পড়লে পড়ুন এবং পোস্টটি স্টিকি করার দাবি জানান।

২. এবার এই পোস্টটাতে আমাদের সবার প্রিয় মহান মাইনুলের মন্তব্য দেখুন।

৩. এবার আমার পোস্টের শিরোনামের জবাব দিন।

কাজগুলো করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28804368 http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28804368 2008-05-30 01:35:09
তিন গোয়েন্দা জরিপের ফলাফল: সেরা দশ ২. কাকাতুয়া রহস্য- ১৯ ভোট
৩. রূপালি মাকড়সা + ভীষণ অরণ্য- ১৫ ভোট
৪. ঘড়ির গোলমাল- ১৩ ভোট
৫. মমি + অথৈ সাগর- ১২ ভোট
৬. তিন গোয়েন্দা + ইন্দ্রজাল- ১০ ভোট
৭. কঙ্কাল দ্বীপ + ছায়াশ্বাপদ + জিনার সেই দ্বীপ- ৮ ভোট
৮. রক্তচক্ষু- ৭ ভোট
৯. রত্নদানো + বুদ্ধির ঝিলিক + দক্ষিণ যাত্রা- ৪ ভোট
১০. সাগরসৈকত + পুরনো শত্রু + খোঁড়া গোয়েন্দা + গাড়ির জাদুকর- ৩ ভোট
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28802745 http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28802745 2008-05-26 00:22:27
অভিনন্দন মাইনুল ভ্রাতা, আপনার কীর্তি অক্ষয়
অভিনন্দন মাইনুল ভ্রাতা, আপনাকে অভিনন্দন; আপনি ব্লগের স্মরণকালের অন্যতম সেরা পুতিগন্ধময় আবর্জনাপূর্ণ পোস্ট রচনা করিতে সক্ষম হইয়াছেন! ইহা করিতে যাইয়া নিশ্চয়ই আপনার প্রচুর শ্রম-ঘাম-মেধা ব্যয় হইয়াছে, আপনার হয়তো এইবেলা কিঞ্চিৎ বিশ্রাম প্রয়োজন; কিন্তু না, ইসলামের সেবক মহান মইত্যা কে ধরিয়া লইয়া যাওয়া হইয়াছে, এইক্ষণে তো হাতপাশিশ্ন গুটাইয়া বসিয়া থাকিতে আপনি পারেন না, অতএব জিহাদী জোশ চলিতেছে জোরসে।

[ আপনার নর্দমাপোস্টের এতোই মাহাত্ম্য যে, বহুদিন পর ব্লগে আমার প্রিয় ব্লগার (যদিও উনার ব্লগে আমি ব্যান দীর্ঘদিন যাবৎ) নর্দমাবাসির উপস্থিতি টের পাইতেছি। ]

ব্লগাররা, মাইনুল ভ্রাতাকে অভিনন্দন জানান দলে দলে; চেষ্টা করিয়াও এতো নিম্নমানের পোস্ট (তাও আবার সজ্ঞানে) রচনা করা আমাদিগের পক্ষে কোনোদিন সম্ভব নহে।

বি: দ্র:- "সৎ লোকের শাসন" চাই; তয় জেলের ভিত্রে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28801096 http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28801096 2008-05-22 01:02:33
রেসিপি: রাজাকারী চেতনা (রিপোস্ট)
রেসিপি:রাজাকারী চেতনা

উপকরণ:
১. ৭১ চামচ জামায়াত প্রীতি।
২. শিবিরের কিছু গাইড বই, যেমন- “সহজ ইতিহাস বিকৃতি শিক্ষা”, “রগ দেখে যায় চেনা”, “বিশ্ববিদ্যালয় দখল তরিকা” ইত্যাদি।
৩. বিভিন্ন প্রকার ওয়াজের কয়েকটি সিডি/ডিভিডি/ব্লু রে ডিস্ক, যেমন- জঙ্গী ওয়াজ, অশ্লীল ওয়াজ, ২৮অক্টোবরের ওয়াজ ইত্যাদি।
৪. বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের রগ থেকে প্রাপ্ত কয়েক লিটার রক্ত।
৫. এক মুঠো আমেরিকা এবং দুই মুঠো ভারতবিদ্বেষ (সিচুয়েশন বুঝে যোগ করতে হবে, সিচুয়েশন পক্ষে না থাকলে যোগ না করা উত্তম)।
৬. জননেত্রী শেখ হাসিনা ও দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার পরিধেয় ব্লাউজের সঠিক মাপ (এটাও সিচুয়েশন বুঝে; মানে যখন যেই ব্লাউজের তলে ঢোকা যায় আরকি )।
৭. তথাকথিত সুশীল উপাধিধারী ব্যক্তিবর্গের সৌজন্যে প্রাপ্ত সার্টিফিকেট।
৮. সৌদি (এবং আরো কিছু দেশের) অর্থ সাহায্য। ঐ মিয়া ট্যাকা না থাকলে রেসিপি রানবো ক্যামতে?

প্রস্তুত প্রণালী:
১. প্রস্তুত প্রণালী খুব সোজা, তবে কিছুটা সময়সাপেক্ষ, এইজন্য ধৈর্য বজায় রাখা আবশ্যক।
২. এই রেসিপি কোনো সাধারণ পাত্রে রান্না হয়না; প্রথমে খুঁজেপেতে এমন কিছু মাথা যোগাড় করতে হবে যেগুলোতে এই রাজাকারী চেতনা রান্না করা সহজ। বলে রাখা ভালো যে, এধরনের মাথা বেশিরভাগ পাওয়া যাবে বিভিন্ন মাদ্রাসা (আরবী বা ইংলিশ দুই মিডিয়ামই হতে পারে), ক্যান্টনমেন্ট, কিছু বিশ্ববিদ্যালয় এবং সরকারী-বেসরকারী গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোতে। ইদানিং ব্লগসাইটগুলোতেও এধরনের মাথার দেখা মিলছে।
৩. এখন প্রথমেই মাথাগুলোয় ৭ নম্বর উপকরণটা একবারে ঢেলে দিতে হবে। এর ফলে মাথাগুলোতে বাকী উপকরণগুলো ঢালার মতো পরিবেশ তৈরি হবে।
৪. এরপর পর্যায়ক্রমে বাদবাকী উপকরণগুলো পরিমাণমতো মেশাতে হবে। কোনো চুলার আগুন দরকার নাই, মানব(নাকি ছাগল?)মস্তিষ্কের স্বাভাবিক তাপমাত্রায়ই এই রেসিপি রান্না করা যায়।
৫. ৫ এবং ৬ নম্বর উপকরণ মেশানোর ক্ষেত্রে বাড়তি সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। এখানটায় উলটাপালটা হলে রেসিপির কোনো স্বাদই পাওয়া যাবেনা।

পরিবেশন:
সামহোয়ারইনব্লগে এই রেসিপিটি চমৎকারভাবে পরিবেশিত আছে, দেখে নিন

সতর্কতা:
তয় সাবধান! এই রেসিপিতে যদি ভুলেভালে একটা ফোঁটা শেখ মুজিবও পড়ে, তাইলে কইলাম সব বরবাদ; লুঙ্গি (বা শাড়ি) উচকায়া পলানো ছাড়া গতি নাই!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28800649 http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28800649 2008-05-21 00:26:26
ব্লগাররা, মনে আছে সেই তিনজন গোয়েন্দার কথা? (জরিপ পোস্ট)
এই জরিপ পোস্ট আপনাদের সুযোগ করে দিচ্ছে তিন গোয়েন্দা কে নিয়ে নস্টালজিক হবার; আপনাদের মতে সেরা পাঁচটি তিন গোয়েন্দার নাম লিখে দিন মন্তব্যের ঘরে। সাত দিন পর জানানো হবে ফলাফল, সেখানে থাকবে আপনাদের বাছাই করা তিন গোয়েন্দা থেকে সর্বাধিক ভোটপ্রাপ্ত দশটি তিন গোয়েন্দার নাম।

তিন গোয়েন্দার সেই পরিচিতি পর্বটি, প্রতিটি তিন গোয়েন্দার বইয়ের শুরুতেই যেটি থাকে-

হাল্লো, কিশোর বন্ধুরা, আমি কিশোর পাশা বলছি, আমেরিকার রকি বীচ থেকে। জায়গাটা লস অ্যাঞ্জেলেসে, প্রশান্ত মহাসাগরের তীরে, হলিউড থেকে মাত্র কয়েক মাইল দূরে।
যারা এখনো আমাদের পরিচয় জানোনা, তাদের বলছি- আমরা তিন বন্ধু মিলে একটা গোয়েন্দা সংস্থা খুলেছি, নাম- তিন গোয়েন্দা । আমি বাঙালি, থাকি চাচা-চাচীর কাছে। দুই বন্ধুর একজনের নাম মুসা আমান, ব্যায়ামবীর, আমেরিকান নিগ্রো। অন্যজন রবিন মিলফোর্ড, আইরিশ আমেরিকান, বইয়ের পোকা।
একই ক্লাসে পড়ি আমরা।
পাশা স্যালভেজ ইয়ার্ডে লোহালক্কড়ের জঞ্জালের নিচে পুরোনো এক মোবাইল হোমে আমাদের হেডকোয়ার্টার।
নতুন আরেকটা রহস্যের সমাধান করতে চলেছি।
এসোনা, চলে এসো আমাদের দলে।



নাহ আর লিখতে পারছি না, গায়ে কাঁটা দিচ্ছে...

এবার আপনাদের পালা।

ধন্যবাদ।

[ আপডেট: সম্ভবত পাঁচটা অনেক কম হয়ে গেছে, ব্লগাররা হিমশিম খেয়ে যাচ্ছেন এতো এতো ভালো বই থেকে মাত্র পাঁচটা বাছাই করতে; অতএব বই বাছাইয়ের ক্ষেত্রে আর কোনো লিমিট রাখা হচ্ছে না, যার যতোগুলো ইচ্ছা বইয়ের নাম দিন। ধন্যবাদ। ] ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28799143 http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28799143 2008-05-17 23:35:01
টানে সবাইকে, কিন্তু বাঁধনে জড়ায় না: মাসুদ রানা জরিপের চূড়ান্ত ফলাফল
জরিপে মোট ৪৫টিমাসুদ রানার নাম উঠে এসেছে; ফলাফলে অবশ্য তেমন কোনো চমক নেই, পূর্বপ্রত্যাশা অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৩৬ জনের ভোট পেয়ে সেরা রানা হয়েছে "অগ্নিপুরুষ"। ১০ ভোটের ব্যবধানে দ্বিতীয় সেরা রানা হয়েছে "আই লাভ ইউ ম্যান"। তবে তৃতীয় হওয়া "সেই উ সেন" বিস্ময়করভাবে অনেক কম ভোট পেয়েছে (১১)।

জরিপ শেষে দেখা যাচ্ছে, নির্বাচিত হওয়া ৪৫টি রানাই সেরা দশে চলে এসেছে, কারণ বেশ কটি রানা সমান সংখ্যক ভোট পেয়ে যুগ্মভাবে স্থান দখল করেছে। নিচে এই ৪৫টি রানার নাম ক্রমানুসারে দিয়ে যাচ্ছি-

১. অগ্নিপুরুষ- ৩৬ ভোট
২. আই লাভ ইউ ম্যান- ২৬ ভোট
৩. সেই উ সেন- ১১ ভোট
৪. ভারতনাট্যম- ৬ ভোট
৫. সংকেত- ৬ ভোট
৬. চারিদিকে শত্রু- ৫ ভোট
৭. নীল আতংক- ৪ ভোট
৮. বন্দি গগল- ৪ ভোট
৯. পালাবে কোথায়- ৩ ভোট
১০. পাগল বৈজ্ঞানিক- ৩ ভোট
১১. শান্তিদূত- ৩ ভোট
১২. মুক্ত বিহঙ্গ- ৩ ভোট
১৩. স্পর্ধা- ৩ ভোট
১৪. আমিই রানা- ৩ ভোট
১৫. হ্যালো, সোহানা- ৩ ভোট
১৬. . প্রতিদ্ধন্দ্বী- ২ ভোট
১৭. লালপাহাড়- ২ ভোট
১৮. তুষারযাত্রা- ২ ভোট
১৯. সন্ন্যাসিনী- ২ ভোট
২০. বিস্মরণ- ২ ভোট
২১. শ্বেত সন্ত্রাস- ২ ভোট
২২. এখনও ষড়যন্ত্র- ২ ভোট
২৩. দুর্গম দূর্গ- ১ ভোট
২৪. সাউদিয়া ১০৩- ১ ভোট
২৫. অগ্নি শপথ- ১ ভোট
২৬. দংশন- ১ ভোট
২৭. ধ্বংস পাহাড়- ১ ভোট
২৮. সতর্ক শয়তান- ১ ভোট
২৯. মাফিয়া- ১ ভোট
৩০. বিদায় রানা- ১ ভোট
৩১. পাশের কামরা- ১ ভোট
৩২. চ্যালেন্জ- ১ ভোট
৩৩. কু উ উ- ১ ভোট
৩৪. মূল্য এক কোটি টাকা মাত্র- ১ ভোট
৩৫. নীলছবি- ১ ভোট
৩৬. বোস্টন জ্বলছে- ১ ভোট
৩৭. স্বর্ণতরী- ১ ভোট
৩৮. কালপুরুষ- ১ ভোট
৩৯. স্বর্ণমৃগ- ১ ভোট
৪০. আক্রমণ- ১ ভোট
৪১. অন্ধপ্রেম- ১ ভোট
৪২. জিপসি- ১ ভোট
৪৩. পপি- ১ ভোট
৪৪. টার্গেট নাইন- ১ ভোট
৪৫. চাই সাম্রাজ্য- ১ ভোট

সবাইকে আবারও ধন্যবাদ, অনেক অনেক। আসুন সাহসী হই আমরা, রানার মতো।

[ বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই জরিপে আপনাদের প্রাণবন্ত সাড়া লোভী করে তুলেছে আমাকে; উদ্বুদ্ধ করছে আমাদের সবার প্রিয় তিন গোয়েন্দা কে নিয়ে একই ধরনের আরেকটি জরিপ চালাতে! আপনাদের মন্তব্য আশা করছি। ]






]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28796377 http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28796377 2008-05-11 00:52:20
জরুরী সাহায্যপ্রার্থী
জরুরী দরকার, সাহায্য করুন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28794942 http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28794942 2008-05-06 21:35:12
মাসুদ রানা ভক্তরা আওয়াজ দেন- আপনার পড়া সেরা রানা কোনটি? [ জরিপ পোস্ট ]
রানা ভক্তরা পৃথিবীর যে যেইখানে আছেন আওয়াজ দেন, আপনার পড়া সেরা পাঁচ রানার নাম লেইখা যান (সাথে রানারে লয়া কোনো মজার কাহিনী থাকলে তো কথাই নাই!), ভোটাভুটির পরে শীর্ষ দশ রানার নাম ব্লগে প্রকাশ করা হবে। আগামী একসপ্তা এই জরিপ চলবে; সাথে থাইকেন।

উইকিপিডিয়ায় রানা
নাম- মাসুদ রানা
বাবার নাম- ইমতিয়াজ চৌধুরী (বিচারপতি)
উচ্চতা- ৫ ফুট ১১.৫ ইঞ্চি
চুলের রঙ- কালো
চোখের রঙ- গভীর কালো
কোড নেম- এমআরনাইন
জন্মদিন- ৯ এপ্রিল
প্রিয় ব্যক্তিত্ব- মেজর জেনারেল (অব) রাহাত খান (রানার বস)
প্রিয় বন্ধু- সোহেল আহমেদ
অন্যান্য বন্ধুরা- সোহানা চৌধুরী, ভিনসেন্ট গগল, গিলটি মিয়া, রাঙার মা, জাহেদ ইকবাল, সলিল সেন, রূপা
চিরশত্রু- কবীর চৌধুরী, উ সেন, রুডলফ গান্থার, জ্যাক লেমন, খায়রুল কবীর (কবীর চৌধুরীর ছেলে), গুস্তাভ তাতাভস্কি

ভাই রে এগো নাম লেখতে লেখতে শ্যাষ হয়া যাইতাছি আমি, রানা না পড়লে কেউ বুঝতারবোনা এই জ্বালা...

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28793909 http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28793909 2008-05-03 22:48:56
আর পারছি না গুরু...
আর পারছি না গুরু...

তেইশটা বছর ধরে,
প্যান্টে শার্ট গুজে পরে
আর পারছি না গুরু,
সেই নার্সারি থেকে শুরু।

পাড়ার যতো ছেলে গুলো
সবার ঘরে বউ এলো
মা বলে মন দিয়ে পড়ো
আর পারছি না গুরু
সেই নার্সারি থেকে শুরু।

অবশেষে মায়ের দয়া হলো
ঘরে ফুটফুটে বউ এলো
ফুলশয্যার রাতে
এক গোছা মালা হাতে, বউকে শুধাই,
'আমার জীবনে তুমিই প্রথম,
তোমার জীবনে আমিও কি তাই?'

বউ হেসে বলে,
'আর পারছি না গুরু,
সেই নার্সারি থেকে শুরু...' ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28793602 http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28793602 2008-05-02 22:44:56
হাসিমুখ প্রত্যাশিত ৪ হাসিমুখ প্রত্যাশিত ১
হাসিমুখ প্রত্যাশিত ২
হাসিমুখ প্রত্যাশিত ৩

[ এবারের কৌতুকগুলো আয়তনে একটু বড়, যদিও তাতে হাস্যরস ক্ষুণ্ণ হয়নি কিছুমাত্র ]

* মাদ্রিদে ষাঁড়ের লড়াই দেখে পাশের এক রেস্তোরাঁয় ঢুকেছে এক ট্যুরিস্ট। স্পেশাল ডিশ অর্ডার দেয়ায় বেয়ারা এক অদ্ভুত জিনিস এনে হাজির করলো। আলু আর লেটুসের সাথে গোল গোল দুটো মাংসের টুকরোমত।
"কী এটা?" জানতে চাইলো ট্যুরিস্ট।
"কহোনেস, সেনর," বুক ফুলিয়ে জবাব দিলো বেয়ারা, "আজকে অ্যারেনাতে যে ষাঁড়টা লড়াইয়ে হারলো, তার অন্ডকোষ।"
নাক সিঁটকে খাওয়া শুরু করলো ট্যুরিস্ট। কিন্তু মুখে দিয়েই চমকে গেলো সে, না যা ভেবেছিলো তা নয়, বরং বেশ সুস্বাদু জিনিসটা। চেটেপুটে খেয়ে সে ঠিক করলো, আগামীকালও এই কহোনেসই খেতে হবে।

পরদিন আবার একই রেস্তোরাঁয় এসে অর্ডার দিলো সে চটপট। যথারীতি বেয়ারা এনে হাজির করলো খাবার। আলু, লেটুস, কিন্তু আজকের মাংসের টুকরো দুটো খুবই ছোট! ঘটনা কী জানতে চাইলো ট্যুরিস্ট।

"আসলে ব্যাপারটা হয়েছে কি," খানিক মাথা চুলকে উত্তর দিলো বেয়ারা, "ষাঁড়ের লড়াইয়ে কিন্তু সবসময় ষাঁড়ই হারে না জানেনতো..."

* একবার এক অন্ধ সিদ্ধান্ত নিলো সে টেক্সাস যাবে। ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টদের একজন তাকে হাত ধরে বিমানের সিটে বসিয়ে দিলো।
বসেই সে বললো, "বাহ! কত বড় সিট!"
পাশের সিটের যাত্রী বললো, "টেক্সাসে সবকিছুই বড়।"
ফোর্ট ওয়ার্থ বিমানবন্দরে নামবার পর তার তৃষ্ণা লাগলো, রেস্তরাঁয় বার্গারের অর্ডার দিলো সে; বার্গার আসার পর ধরে বুঝলো যে বার্গারটা বিশাল বড় আর পানীয় মগটা তার ধারণার চেয়েও অনেক বড়।
বিস্মিত স্বরে সে বললো, "কী বিরাট বার্গার আর মগ!"
পাশের একজন বললো, "টেক্সাসে সবকিছুই বড়।"
কিছুক্ষণ পর তার টয়লেটে যাবার প্রয়োজন পড়লো। একজনকে জিজ্ঞাসা করলে সে বললো, "বাঁদিকের দ্বিতীয় দরজা।" লাঠি ঠুকে ঠুকে সে দরজার সন্ধানে বের হয়, কিন্তু দরজাটি ভুলে পেরিয়ে সে তৃতীয় দরজার সামনে উপস্থিত হয়ে যায়। তৃতীয় দরজার পরই সুইমিং পুল। সেখানে পড়ে গিয়েই সে চেঁচিয়ে উঠলো, "ফ্ল্যাশ করবেন না, ফ্ল্যাশ করবেন না।"

* এক মেয়ে একদিন রাস্তা দিয়ে হাঁটছে। পাখির দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময় একটা খাঁচার তোতাপাখি তাকে দেখে বললো, "অ্যাই আপু, আপনি দেখতে খুবই কুত্সিত!" মেয়েটা মনেমনে চটে গেলেও কিছু বললো না- পাখির কথায় কী আসে যায়?
পরদিন সেই দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময়ও একই ঘটনা ঘটলো, পাখিটা বলে উঠলো, "অ্যাই আপু, আপনি দেখতে খুবই কুত্সিত!"
মেয়েটা দাঁতে দাঁত চেপে হজম করে গেলো।
তার পরদিন সেই দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময়ও পাখিটা বলে উঠলো, "অ্যাই আপু, আপনি দেখতে খুবই কুত্সিত!"
এবারতো মেয়েটা মহা চটেমটে দোকানের ম্যানেজারকে গিয়ে হুমকি দিয়ে এলো যে, সে মাস্তান লেলিয়ে এই দোকানের একদম বারোটা বাজিয়ে ছাড়বে। ম্যানেজার মাপ চেয়ে বললো, সে এর বিরূদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে, পাখিটা আর এমন করবে না।

তার পরদিন সেই দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময় পাখিটা বলে উঠলো, "অ্যাই আপু!"
মেয়েটা থমকে দাঁড়িয়ে পাখির মুখোমুখি হলো, "কী?"

পাখিটা বললো, "বুঝতেই তো পারছেন।"

* ইউনিভার্সিটির দুই ছাত্র। এ টার্মে সব কুইজ, মিড টার্ম, আর ল্যাব পরীক্ষা ভালো হয়েছে। পরের দিন তাদের শেষ পরীক্ষা। এতে মোটামুটি করলেও তারা এ গ্রেড পেয়ে যাবে। পরীক্ষা সামনে রেখে তারা হার্ভার্ডে পার্টিতে যোগ দেয়। দারুণ সময় কাটছিলো; মাতাল হয়ে তারা ভুলে যায় পরীক্ষার কথা। সারাদিন ঘুমায়। পরীক্ষা আর দেয়া হলো না। পরীক্ষার পর তারা প্রফেসরের সাথে দেখা করে, জানায় দু'জনই দূরের শহরে উইকএন্ড কাটাতে গিয়েছিলো, সেখানে তারা পড়াশোনাও করেছে। কিন্তু ফেরার পথে তাদের গাড়ীর চাকা ফেটে যায়। এজন্য তারা সময়মত পৌঁছাতে পারেনি। প্রফেসর একটু ভাবলেন, তারপর বললেন, "ঠিক আছে, কাল তোমাদের পরীক্ষা নেওয়া হবে।"
পরের দিন তারা পরীক্ষার হলে এসে হাজির। প্রফেসর জানালেন তাদের আলাদা রুমে পরীক্ষা হবে। দু'জনকে প্রশ্নপত্র দেয়া হলো একই সময়ে। আলাদা রুমে বসে তারা প্রশ্নপত্র খুলে দেখলো প্রথম পৃষ্ঠায় একদমই সহজ একটা প্রশ্ন, পাশে লেখা ৫ নম্বর। তারা ভাবলো, দারুণ। এমন হলে আর পায় কে?

কিন্তু যেই না পৃষ্ঠা উল্টিয়েছে, সাথে সাথে মাথায় বাজ; দ্বিতীয় প্রশ্ন- "কোন চাকা ফেটেছিলো? নম্বর- ৯৫।"

* কামাল লজিক বোঝাচ্ছে শামীমকে, "শোন লজিক জিনিসটা আসলে খুব সোজা বুঝেছিস। আচ্ছা তোকে উদাহরণ দিয়ে বোঝাই। তোদের বাসায় কি আকোয়্যারিয়াম আছে?"
- "হ্যাঁ আছেতো।"
- "বাহ খুব ভালো। এখন চিন্তা কর এই যে আকোয়্যারিয়াম, এটার কথা মনে হলেই সাথে সাথে মনে পড়ে মাছের কথা, আর মাছ মানে হলো সমুদ্র, আর সমুদ্র মানে হলো ধর তুই আর তোর প্রেমিকা হাত ধরাধরি করে সমুদ্রতীরে হেঁটে বেড়াচ্ছিস, কী অপূর্ব এক রোমান্টিসিজম ইত্যাদি ইত্যাদি.. এবার বুঝলি তো লজিক কাকে বলে?"

লজিক বুঝে শামীম তো খুবই উত্তেজিত। যাহোক কিছুদিন পর তার সাথে দেখা হলো রূপমের। শামীম ভাবলো এই তো পেয়েছি, সদ্য শেখা বিদ্যাটা এর ওপরে একটু ট্রাই মেরে দেখি।

অতএব শামীম লজিক বোঝানো শুরু করলো রূপমকে, "শোন লজিক জিনিসটা আসলে খুব সোজা বুঝেছিস। আচ্ছা তোকে উদাহরণ দিয়ে বোঝাই। তোদের বাসায় কি আকোয়্যারিয়াম আছে?"
- "অ্যাকোয়্যারিয়াম? না তো। কেনো?"
- "অ্যাঁ বলিস কী, অ্যাকোয়্যারিয়াম নেই তোদের বাসায়? তাহলে তো তুই একটা গে!"


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28793412 http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28793412 2008-05-02 01:49:14
শুভেচ্ছা, জন্মদিনের
শুভ ইচ্ছা- আরো বহুদূর যাও সামহোয়্যারইন, আমাদের সাথে নিতে ভুলোনা কিন্তু! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28793197 http://www.somewhereinblog.net/blog/rshahedblog/28793197 2008-05-01 12:48:02