একসময় সেই নীরব অক্ষরমালা চোখের ভাষায় দৃষ্টিপাত হয়ে চারিদিকে শ্রুতিমধুর সঙ্গীত বাজাত। অভিমানী তরুণীর কাজলরাঙা চোখ ব্যর্থ অশ্রুজলে ভিজে উঠত ! তরুণ নির্ঘুম রজনীতে মেতে থাকত অন্ধকৌশল কবিতায়। গাঁয়ের বধূ সলজ্জ বিরহে প্রবাসী স্বামীর অর প্রতিকৃতির দিকে চেয়ে রইত। কারুকার্যময় শব্দের প্রতিটি অরে ভাসত বিমূর্ত স্বপ্নপুরুষ-রমণী...
কিন্তু এখন ক্রমবর্ধমান নগরীর যান্ত্রিক সভ্যতায়-স্বপ্নাহত মানুষেরা ক্রমশ অলসতার জাল বুনে ব্যস্ত সময় ফুটিয়ে তুলছে সুতোহীন নকশীকাঁথায়! কখনো-বা উৎসুখ চোখ চেয়ে থাকে চতুষ্কোণ কথোপকথন যন্ত্রের মুমূর্ষু পর্দায়...যেন ক্রমশ বিস্মৃত হয়ে পড়ছে সেই মনোমুগ্ধকর অক্ষরশিল্প!
অথচ আমার প্রথম ছন্দময় প্রেম সেই হলুদরঙা চৌকস খামটায় বন্দী হয়ে, শাদা কপোতের আয়তাকার ডানায়- লিখিত জীবন্ত অক্ষররূপে, অভিমানী তরুণীর অশ্রুভেজা চোখে ভেসে ওঠে আজও। প্রতিমুহূর্তে...
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



