আমার প্রিয় পোস্ট

দৃষ্টি আকর্ষণ: শিশু চলচ্চিত্র উৎসবে কারচুপি, পরিচালকের দুর্ব্যবহার

৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:১৫

শেয়ারঃ
0 0 0

আজ শেষ হলো দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র উৎসব। ২৪-৩০ জানুয়ারি চলে এই আনন্দময় চলচ্চিত্র উৎসবটি। এবারের উৎসবের উল্লেখযোগ্য বিষয় ছিলো - ১৩-১৭ বছর বয়সী বাংলাদেশী শিশুদের নির্মিত চলচ্চিত্র প্রতিযোগিতা। আমি 'প্রথম আলো' পত্রিকায় চিলড্রেনস ফিল্ম সোসাইটির বিজ্ঞাপন দেখি এবং আগ্রহী হই। ছবি বানানোর পেছনের ইতিহাসটা একটু বলা যাক।

শেখ ওয়াজির রায়হানকে সবার মনে আছে? ঐ যে ছেলেটা মাদকের জন্য নিজের গলায় কাঁচের ট্রলি ছুরির মতো চালিয়ে আত্মহত্যা করেছিলো? আহা! ১৫ বছরের এক কিশোর... ওয়াজিরের এই খবর পড়ে অনুপ্রাণিত হয়ে 'ঝরা পালক' শিরোনামের একটা পূর্ণদৈর্ঘ্য ভিডিও ফিকশন তৈরী করে ফেলি। চিলড্রেনস ফিল্ম সোসাইটির ওয়েবসাইটে সব বিস্তারিত লেখা ছিল। সেখানে বলা হয়েছে, ছবির আর্টিস্টিক ও টেকনিক্যাল কোয়ালিটি, ক্যামেরার কাজ, ছবিটি ১৮ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য উপযোগী কি-না। এবং ছবিটা অবশ্যই ইংরেজি সাবটাইটেলে লেখা হতে হবে। অর্থাৎ টাইটেল থাকতে হবে। আমি আমার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা দিয়ে ঝরা পালক তৈরী করলাম এবং ছবিটা কল্পনার চেয়েও সুন্দর হলো। বাবলা, রুদ্র, মেঘলাদি, রুদ্রর মা, শাকিল, রাসেল, ভয়াবহ খলনায়ক, মাদক ব্যবসায়ী ফেন্সী মজিদ---এমনি অনেক চরিত্র দিয়ে সাজানো একটি পূর্ণ কাহিনীচিত্র তৈরীর প্রচেষ্টায় ছিলাম। অনেক কষ্ট, শ্রম, অপমান এর পর ছবিটা শেষ করলাম। রাত জেগে পড়াশোনার ক্ষতি করে এডিটিং শেষ করি এবং একটা মাস্টার কপি জমা দেই চিলড্রেন ফিল্ম সোসাইটির ঠিকানায়। উৎসব পরিচালক মোরশেদুল ইসলাম সাহেব ছবিটা দেখেন এবং ফোনে আমাকে জানান, ছবিটার ডিভিডি ৪৫ মিনিট চলার পর বন্ধ হয়ে গেছে। আমি শঙ্কিত হই এবং তিনি আমাকে আরো এক কপি ডিভিডি পাঠাতে বলেন। আমার সামনে কলেজ পরীক্ষা। ছবিটার দৈর্ঘ্য ১০৯ মিনিট এবং চিলড্রেন ফিল্ম সোসাইটির বিজ্ঞাপনে এবং ফেস্টিভাল কো অর্ডিনেটর শেখ সাজিদের সাথে কথা বলে জানি, ছবির দৈর্ঘ্য যে-কোন হতে পারে। তাই আমি অনেক কষ্ট করে ডিভিডি আবারো রাইট করাই এবং এতে টাকাও খরচ হয়। আমি আমার বোনকে বলি ডিভিডিটা নিয়ে উনার (মোরশেদুল ইসলাম) বাসায় যেতে। কারণ, আমার হাতে এত সময় ছিলো না। পড়াশোনার বিভিন্ন চাপ ছিলো। তাছাড়া আমি ফেস্টিভাল শুরু হবার এক মাস আগে ছবি জমা দিয়েছিলাম নভেম্বর মাসে। সে ডিভিডি নিয়ে যায় কিন্তু তখন মোরশেদ সাহেব বলেন ছবির দৈর্ঘ্য কমিয়ে দিলে ছবিটা নির্বাচিত হবে। এত ভালো ছবি কীভাবে নির্মিত হলো, কী ক্যামেরা ইউজ করা হয়েছে, পাত্র-পাত্রী আগেও কোথাও অভিনয় প্রশিক্ষণ নিয়েছে কিনা, আমাকে কে হেল্প করেছে ইত্যাদি প্রশ্ন করা হল। উত্তরও দেয়া হলো। এবং ছবিটাতে মাদক সেবনের দৃশ্য ছিলো যেগুলো মোরশেদ সাহেবের কাছে ঝামেলাপূর্ণ মনে হয়েছিলো তাই তিনি সেগুলো সেন্সর (ব্লার) করে দিতে বলেন। আমার তো তখন মাথায় হাত! সামনে পরীক্ষা, কলেজ, কবিতা----তবুও তার মধ্যে আবারো রাত জেগে কষ্ট করে ছবিটা থেকে ৩৪ মিনিট অংশ কেটে বাদ দেই এবং মাদক গ্রহণের দৃশ্যগুলো সেন্সরড্ করে দেই। এরপর আবারো টাকা খরচ করে রাইট করাই এবং দুই কপি ডিভিডি নিজে মোরশেদ সাহেবের বাসায় নিয়ে যাই। উনার পা ছুঁয়ে সালাম করি এবং উনি আমাদের কেক খাওয়ান। আমি থাকি ঢাকার বাইরে, এটা আমার জন্য বড় পাওয়া। খুশিমনে বাড়ি ফিরি এবং আমন্ত্রণপত্র পেয়ে উৎসবে শিশু প্রতিনিধি হিসেবে যোগদান করি। আমার ছবিটা ২৭ জানুয়ারি শাহবাগ গণগ্রন্থাগারে প্রদর্শিত হয়। তার আগে ফিল্ম কম্পিটিশনের বাকী ছবিগুলো দেখার সুযোগ পাই। সেই ছবিগুলো ডিজিটাল হ্যান্ডি ক্যামেরায় ধারণ করা, সাউন্ড ভালো না, স্ক্রিপ্ট নেই, ডায়ালগ লাগামছাড়া এবং হিস্টিরিয়া ছবির মতো ক্যামেরা ও ছবি কাঁপছে। আমি বিস্মিত হলাম। কারণ আমার ছবিতে আমি ক্লোজ শট, মিডল ক্লোজ শট, লং শট---এইসব শটের ব্যবহার ছিলো যেগুলোর বালাই বাকি ছবিগুলোতে সম্পূর্ণ অনুপস্থিত। বাকি ছবিগুলো হলো : ওরা, অবচেতন, চকোলেট, ভূত-মন্ত্র, স্বপ্নসিঁড়ি, স্বপ্ন ভঙ্গের গল্প, স্বপ্নোত্থিত, ছোটভাই আসবে. দি টুয়েলভথ আওয়ার, আওয়ার ফিউচার ওয়ার্ল্ড ইত্যাদি। সবচে আশ্চর্যের বিষয় বিচারক হিসেবে পাঁচজন শিশুকে জুরিবোর্ডে রাখা হয় যার মধ্যে চারজন আন্ডার এজেড, তারা চলচ্চিত্রের কী বোঝে সেইটা বুঝলাম না। ওয়েবসাইটে ভোটিং এর ব্যাপারটা স্পষ্ট ছিলো অর্থাৎ শিশু দর্শকরা ভোট দিয়ে তাদের পছন্দের ছবি নির্বাচিত করবে। কিন্তু কমিটি সেটা তো মানে নি, উল্টো শিশু জুরি বোর্ড গঠন করেছে, এবং সেটাতে বড়রা জড়িত ছিলো কি না আদৌ বলা মুশকিল। তাদের মধ্যে একজন মোরশেদ সাহেবের ছেলে। কাজেই বুঝা যায় স্বজনপ্রীতির ব্যাপারটা চলে আসছে। যখন আমি দেখলাম যেইসব ছবি বানানো হয়েছে সেগুলো 'চলচ্চিত্র' হয়নি 'মোবাইল ভিডিও' হয়েছে তখন চিন্তা করলাম---আমার ছবিটাকে এরা কীভাবে দেখবে??? আমার ছবিটা সকালে প্রদর্শিত হলো। ছবি সম্পর্কে দশর্কের অস্পষ্ট ধারণা ছিলো কারণ সু্ভেনিরে ছবির কাহিনী, পরিচালকের জীবনী, স্টিল ইমেজ ভুল এসেছিল। সেটা কী ইচ্ছাকৃত? ছবির দর্শক শুরুতে কম ছিলো। ছবি প্রজেক্টরে ছাড়া হলো। ছয় মিনিট চলার পর স্টপ করে দেয়া হলো। এবং তিন মিনিট পর আমাকে জানানো হলো, তারা নাকি আরো দর্শক ভেতরে ঢোকাবে (?) দর্শক ছয় মিনিট পর ছবি দেখলো, এবং ছবিটা রিউইন্ড অর্থাৎ আবার শুরু থেকে ছাড়া হলো না। তাহলে স্টপ করার কী প্রয়োজন ছিলো?ছবি চলতে লাগলো। দর্শকের প্রচুর সাড়া পেলাম। এবং হল থেকে বের হবার সময় তিনজন অভিনেতা-অভিনেত্রী অটোগ্রাফ শিকারিদের পাল্লায় পড়লো। অজস্র অটোগ্রাফ দেয়া হলো। আমিও দিলাম। বোঝা গেল কোন ছবিই দর্শকের কাছে এতটা জনপ্রিয় হয়নি। সবাই একটু অন্য চোখে তাকাতে লাগলো। সেইদিন থেকে একটু ঈর্ষাও কাজ করেছিলো অন্য সবার। আজ সন্ধা ছয়টায় ফলাফল ঘোষণা করা হলো----

বিশেষ পুরষ্কার ১ : ভূত-মন্ত্র (আট মিনিট,হুমায়ূণ আহমেদের গল্প নকল করে বানানো)
বিশেষ পুরষ্কার ২ : দি টুয়েলভথ আওয়ার
তৃতীয় : অবচেতন (অন্য সবগুলোর চাইতে ঠিক আছে। তবে ক্যামেরা হিস্টিরিয়া রোগী, কাহিনী অসম্পূর্ণ, হ্যান্ডি ক্যাম দিয়ে ধারণ করা)
দ্বিতীয়: স্বপ্নসিঁড়ি (কাহিনীর সাথে ডায়ালগ এবং ক্যামেরার কাজ অসমাঞ্জস্যপূর্ণ)
প্রথম: ওরা... ( কাহিনী যথেষ্ট সুন্দর, পথশিশুদের নিয়ে তৈরী চমৎকার একটি ছবি ওরা... তবে ক্যামেরার কাজে যথেষ্ট ত্রুটি বিদ্যমান এবং কিছু বাংলা গান ব্যবহার করা হয়েছে...যেটা আমি করিনি কারণ কপিরাইট আইনে আছে শিল্পীর অনুমতি ছাড়া কোন শিল্পকর্ম ব্যবহার করা সম্পূর্ণ অবৈধ...তারপরও এই ছবিতে কোন সাবটাইটেল ছিলো না। এবং পরিচালক কায়সার জানালেন, ছবিটা নির্ধারিত শেষ তারিখের দুদিন পরে জমা দেওয়া হয়েছে। এত ফাঁক রেখে ছবি প্রথম হলো কীভাবে?)

না আমার ঝরা পালক ওদের কাছে ছবি বলে মনোনীত হয়নি। কেননা চলচ্চিত্র সম্পর্কে একটা ভুয়া ধারণা তৈরী করে দিচ্ছেন তারা এবং শিশু জুরিরা। চলচ্চিত্র হতে হলে একটা পূর্ণ কাহিনী, ডায়ালগ, ক্যামেরার কাজ, সাউন্ড থাকতে হবে। পারফর্মার থাকতে হবে যেগুলো আমার ছবিতে ছিলো।

আমি একটা পুরষ্কার (যেটা ১৫ জনকেই দেয়া হয়েছিল) পেয়ে যখন কাঁদছি, তখন আমার মা-বাবা-বোন অর্থাৎ আমার পরিবার বিস্মিত হয়ে ছিলো। সেইসাথে বিস্মিত হয়েছিলো আমার অন্য পরিচালক বন্ধুরাও। অবশেষে ডিসিশান নেয়া হলো আমি পুরষ্কার গ্রহণ করবো না। কারণ এই পুরষ্কারের যোগ্য আমি না। কখনোই না। তাহলে মোবাইলে উদ্ভট ছবি বানিয়ে জমা দিলেই হতো?এত কষ্ট করার কী দরকার ছিলো???

পুরষ্কার ফিরিয়ে দিতে গেলেন আমার মা-বোন। পাশে মোরশেদুল ইসলাম ছিলেন। তিনি সিগারেট খাচ্ছিলেন। মোরশেদ সাহেব এগিয়ে আসলেন। মা অত্যন্ত বিনীতভাবে তাকে বললেন পুরষ্কার ফিরিয়ে দেয়ার কথা এবং বলেন, এই পুরষ্কারের যোগ্য আমার ছেলে রুদ্র না। এখানে সুষ্ঠু বিচার করা হয়নি। গার্জিয়ান হিসেবে এটুকু বলার অধিকার তার আছে। যেহেতু মোরশেদুল উৎসব পরিচালক। উনি সাথে সাথে পুরষ্কারের সাথে দেয়া সার্টিফিকেট ছিঁড়ে কুচি কুচি করে ফেললেন এবং হিংস্র উন্মাদের মতো আমার মাকে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করতে লাগলেন। সেই সাথে আমাকে অভিশাপ দিতে লাগলেন। আমার মা বললেন, আমার ছেলেকে অভিশাপ দিয়ে লাভ নেই। আপনার মতো বড় পরিচালক ও কখনো হতে পারবে না। মোরশেদ সাহেব রাগে হাত পা ছুঁড়তে লাগলেন এবং 'এই ফাজিলগুলোকে গলা ধাক্কা দিয়ে বের করে দাও' বলে চেচাতে লাগলেন। ভলান্টিয়ার ভাই-বোনরা আমার মা-বোন এবং আমাকে ভালো করেই চেনেন। তারা মোরশেদুল সাহেবকে ধরে রাখলেন এবং মাকে ঠান্ডা হয়ে বসতে বললেন। মোরশেদ সাহেব বললেন, 'এরকম একটা ছবি যে আমি প্রদর্শন করেছি সেটাই সৌভাগ্যের বিষয়? ( তাহলে সারা বাংলাদেশ থেকে ৪০টা ছবির মধ্যে থেকে আমার ঝরা পালক নির্বাচিত হলো কীভাবে?) এবং বললেন, এটা বাচ্চাদের অনুষ্ঠান। বাচ্চাদের অনুষ্ঠানে আপনারা এরকম ব্যবহার করছেন কেন? (উনি তাহলে কী ভদ্র ব্যবহার করলেন???) মোরশেদুল ইসলাম স্যার কী আদৌ জানেন একজন অভিভাবকের সাথে কী রকম আচরণ করতে হয়? উনারা আমার চলচ্চিত্রের নামেরও বিকৃতি ঘটিয়েছেন। 'ঝরা রায়হান' এবং 'ঝরা পাতা' নাম দিয়ে নিউজ করেছেন। তাদের পদ্ধতি ছিলো মঞ্চে ছবি প্রদর্শিত হবার আগে পরিচালকদের বরণ করে নেয়া...আমাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেয়া হয়নি। না সেটা নিয়ে আফসোস নেই। আফসোস আমার ছবিটা অন্য সব ছবির চাইতে কারিগরী ও অভিনয়গত দিক দিয়ে উন্নত থাকাতেও যোগ্য মর্যাদা পায়নি। যেখানে জুরিরা বলেছিলো তারা দর্শকের সাড়াদানকেই বিবেচনা করবেন। সেখানে পুরষ্কার বিতরণের দিন তারা ফেনিয়ে ফেনিয়ে বললেন, আবহসঙ্গীত ও অভিনয়ের ওপর, মূল বিষয়বস্তুর ওপর জোর দেয়া হয়েছে যেটা আমার ছবিতে জোরালো ভাবে ছিলো। তারা আমার ছবির অবমাননা তো করেছেনই সেই সাথে আমার অভিভাবকের সাথে দারুণ দুর্ব্যবহার করেছেন।

একজন শিশু চলচ্চিত্রনির্মাতা হয়েও উনি আমার মতো একজন কমবয়সী কিশোরকে কাঁদিয়েছেন এবং ভবিষ্যতে উনার নাম শুনলে আমার ঘৃণাবোধ ছাড়া আর কিছুই বোধ হবে না।

বি.দ্র. : ব্যাপারটা সম্প্রতি সাম্যাবস্থায় চলে এসেছে বোধ করি। আমরা সবাই পরস্পরের ভুল কিছুটা হলেও বুঝতে পেরেছি। আবেগতাড়িত হয়ে মানুষ অনেক কিছুই করে বসে। তবে এই বৃহৎ ঘটনাগুলো যখন মীমাংসা পর্যায়ে চলে আসে তখন কেমন একটা শূন্যতা বোধ হয়। ভারি আশ্চর্য লাগে!

 

সর্বশেষ এডিট : ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৩৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩৬
বিডি আইডল বলেছেন: ভন্ড সবখানেই আছে...তাই বলে কেদে বসে থাকলে কি চলবে..? তোমার প্রতিভা আছে, উদ্যম আছে...ব্যাস যথেষ্ট...
২. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩৭
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: কাহিনী সত্য হইলে তো খুবই বাজে অবস্থা! তো আপনার ছবিটা কেমনে দেখা যায়?
৩. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩৯
দারাশিকো বলেছেন: সহমত @ বিডি আইডল,

তবে মনে হয় আরও একবার ভালো করে দেখা দরকার। মোর্শেদুল ইসলামের বদমেজাজের প্রবলেম আছে। পরে হয়তো যোগাযোগ করবে আপনার সাথে।

সেই সময় আপনি ভালো ব্যবহার করে তাকে লজ্জিত করে দিয়েন।
৪. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪১
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন: আপনার ছবিটা দেখতে চাই,
আমি একদিন গিয়েছিলাম, ২৫ মিনিটের একটা মুভি দেখেছি, "নুড়ি" ...

বিশ্বাস করেন, দেখে মনে হইসে, এই যে আমি কিছু জানি না , আমি বানালেও মনে হয় এর চেয়ে ভালো বানাতে পারতাম, এদের মাথায় যে কি দিয়ে ভরা বুঝিনা ...
৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১২

লেখক বলেছেন: আমারো একই প্রশ্ন। পরীক্ষার খাতায় কিন্তু প্রশ্নের উত্তরে যাচাই করে দেখা হয় ----পরিচ্ছন্নতা, আঙ্গিক, হস্তাক্ষর অর্থাৎ সবকিছু। কাটাছেঁড়া হলে অনেক ক্ষেত্রে নম্বর কাটা হয়। সিনেমার ক্ষেত্রেও তো ব্যাপারটা একই রকম, যেহেতু এটা একটা ন্যাশনাল ফিল্ম কম্পিটিশন ছিলো। এখানে অবশ্যই যাচাই করে দেখা উচিত ছিলো----

১. ডিরেকশন অর্থাৎ পরিচালকের কাজ কেমন হয়েছে
২. ক্যামেরার কাজ (যেটা জুরিরা আদৌ বোঝেন কিনা, বুঝেছেন কতটুকু-জানি না!)
৩. ন্যাচারাল সিনারি বা প্রাকৃতিক দৃশ্যাবলী, ওয়েদার
৪. অভিনয়---সবচে গুরুত্বপূর্ণ একটি
৫.কন্টিনিউটি অর্থাৎ বহমানতা
৬. কোন একটি সমস্যার আলোকে তার উৎপত্তি, বিস্তার, প্রভাব, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, প্রতিরোধ, প্রতিকার
৭. ডায়ালগ (স্ক্রিপ্টের আলোকে)
৮. লাইটিং
৯. সিনেমাটিক ত্রুটিগুলো (ফলস লুকিং, রং ড্রেস, চিটিং করতে গিয়ে ধরা খাওয়া ইত্যাদি) আছে কি-না খতিয়ে দেখা।

৫. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪৫
তনুজা বলেছেন: খুব তাড়াহুড়ায় পড়লাম, ব্যাপারটা যাই হোক, দুঃখজনক । আপনার ও আপনার অভিভাবকের মতামতের প্রতি অশ্রদ্ধা প্রদর্শনের কোন যুক্তিগ্রাহ্য কারণ দেখিনা। মূল্যায়ণ তাঁদের ব্যাপার কিন্তু সেজন্য অসৌজন্যমূলক আচরণ সত্যিই আপত্তিকর।
পুরষ্কার প্রত্যাখ্যানের নজির অনেক-ই আছে এবং তা সাহসের সাথেই মূল্যায়কদের স্বীকার করা উচিত।

আশা করব এই ঘটনা আপনার কাজের ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না।
মোরশেদুল ইসলাম একজন অত্যন্ত কুশলী নির্মাতা, আশা করব তিনি কোন তরুণ নির্মাতার মনোবেদনার কারণ হবেন না যা সমগ্র শিল্পের জন্যই অনাকাঙ্খিত।

ভাল থাকবেন
৬. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪৮
তৌফিক অালম বলেছেন: I think those who r misbehave with u ,they r not human..so dont worry.Forgive those animels..Bcoz u r Great man..
৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৯

লেখক বলেছেন: I am not great, my mother is a great person...I can feel the HUMANITY inside of mine...but the GREAT (!) director lost his humanity...I want the reason from him why he misbehaved with my mother?

৭. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৫২
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন: মোরশেদুল ইসলামের সঙ্গে কয়েকটি কর্মশালা করার অভিজ্ঞতা হয়েছে বিভিন্ন সময় বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র- এশিয়ান শিল্প ও সংস্কৃতি সভাতে.........তিনি একজন চেইন স্মোকার এবং ব্যবহার যথেষ্ট অসৌজন্যমূলক।। যারা বড় বড় কথা বলে, তারা নিজেরা তা মোটেও পালন করেনা, ইনিও হয়ত তেমন একজন।
এবর তোমার কথায় আসি। বোঝাই যাচ্ছে তুমি অনেক পরিশ্রম করেছো, আর অল্প বয়সে এ ধরনের অভিজ্ঞতা হলে demoralized হবার ভয় থাকে। আশা করি, তোমার ক্ষেত্রে তেমনটি হবেনা।
তবে তোমার লেখাটা পড়ে একটা কথা না বলে পারছিনা। অন্যদের মেধাকেও সম্মান দেখানো উচিৎ; তোমার লেখা পড়ে মনে হয়েছে তোমারটা ছাড়া বাকিদের চলচ্চিত্রগুলো কিছুই হয়নি। এই এটিচুড টা খুবই খারাপ; আমরা সবাই মধ্যবর্তী মানুষ: আমাদের চেয়ে বেশি প্রতিভাবান মানুষও যেমন আছে, কম প্রতিভাবানও আছে অনেক। সুতরাং, কারো প্রতিভাকে খাটো করে দেখা উচিৎ নয়।।।

তোমার জন্য অনেক শুভকামনা।।
৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৪৮

লেখক বলেছেন: ভাইয়া, আমি অন্য ছবিগুলোকে অসম্মান করছি না, সবাই যার যার অবস্থানে থেকে ছবি বানিয়েছে। তবে তাদের ছবিগুলোর গ্রামারের চেয়ে আমার ছবির গ্রামারগুলো ভালো হয়েছে--এটা আমি গ্যারান্টি দিতে পারি। আপনাকে অনুরোধ করবো, ঝরা পালক ছবিটা দেখার জন্য। এবং সেইসাথে পুরষ্কারপ্রাপ্ত পাঁচটি ছবি দেখার জন্য। মোরশেদুল ইসলাম কেন বিচারকের দায়িত্ব পালন না করে তার বড় ছেলে এবং অন্য চারজন ক্লাস নাইন পড়ুয়া শিশু চলচ্চিত্রবোদ্ধাদের (!) হাতে বিচারের দায়ভার তুলে দিলেন...টার্মস এন্ড কন্ডিশনে বলা ছিল, ছবির আর্টিস্টিক এবং টেকনিক্যাল কোয়ালিটি বিশেষভাবে বিবেচনা করা হবে কিন্তু অন্য ছবিগুলোর টেকনিক্যাল কোয়ালিটি মানসম্মত তো নয়ই, লাইটিং ও ভালো না...যেখানে আমি প্রচুর কষ্ট করে, টাকা খরচ করে লাইটম্যান, ভালো ক্যামেরাম্যান ভাড়া করেছি...সেখানে তাদের তো স্কোপ ছিলো। তারা ঢাকা শহরে থাকে, আর আমি ঢাকার বাইরে থাকি। আমার সুবিধা ছিলো অনেক কম। আমি হাড়ভাঙা পরিশ্রম করেছি, আমার ছবির সব অভিনেতা-অভিনেত্রী পরিশ্রম করেছেন। তারপরও কেন আমার যোগ্য মূল্যায়ন করা হলো না?

৮. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৫৩
ফিউশন ফাইভ বলেছেন: স্বল্পদৈর্ঘ্য মোরশেদুলিসলাম কোন্ সময় কী সিনেমা বানাইছিলেন, এইগুলা মনে কৈরা ওনারে পূজা করার্কোনো প্রয়োজন দেখি না। এরাগে তিনি কয়েকজন নামি অভিনেতা-অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করার্হুমকি দিয়েছিলেন। তবে উল্টো তাকেই হার্মান্তে হয়েছে সেই দফা। লুক্টা আসলেই এক্টা পেইন।
৯. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৫৭
সিমু নাসের বলেছেন: আমি আজ দুপুর থেকেই পাবলিক লাইব্রেরিতে ছিলাম। বিষয়টা আমারও কানে এসেছে। কিন্তু আমার শোনা ঘটনার সঙ্গে আপনার বর্ননা বিস্তর তফাৎ। আমি যতটুকু জানি মোরশেদুল ইসলাম আপনার সার্টিফিকেট মোটেও কুচি কুচি করে ছিড়ে ফেলেননি। সেটি এখনও বহাল তবিয়তে আছে।
আপনার অনেক মন খারাপ হয়েছে সত্য....আপনার কথা অনুযায়ী জুরি বোর্ড এবং মোরশেদুল ইসলাম আপনার সঙ্গে শক্রতা করছে। এইটা কেন করছে বইলা মনে হয়?
৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৪১

লেখক বলেছেন: ঘটনা সম্পূর্ণ সত্য। মোরশেদুল ইসলাম স্যার কুচি কুচি করে আমার গার্জিয়ানের সামনে সার্টিফিকেট ছিঁড়ে ফেলেছেন। আমার গার্জিয়ান শুধু বলতে গিয়েছিলেন, এই পুরষ্কারের যোগ্য আমার ছেলে না। অনেক লো কোয়ালিটির মুভি প্রাইজ পেয়েছে, ভালো কথা, আমার ছবির টেকনিক্যাল ও ভিডিও কোয়ালিটি যতটুকু সম্ভব ভালো করার চেষ্টা করেছি।
মোরশেদুল ইসলাম স্যার যদি এখন দাবি করেন এবং আপনার কানে যে কথা এসেছে, যে সার্টিফিকেট এখনো বহাল তবিয়তে আছে সেটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা এবং সেটা হলে বলবো, সার্টিফিকেট পরে আরো একটা তৈরী করা হয়েছে আমার নাম লিখে ( গা বাঁচানোর জন্য)...
অনুগ্রহ করে মোরশেদুল ইসলাম সাহেবের কাছ থেকে 'ঝরা পালক' এবং পুরষ্কারপ্রাপ্ত পাঁচটি ছবি কিছু সময় ব্যয় করে দেখুন এবং আমারটার সাথে 'কমপেয়ার' করে দেখুন।
ধন্যবাদ।

১১. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৫১
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন: যা হওয়ার হয়েছে...
পেছন ফেরার দর্কার নেই... তোমার দৃষ্টি থাকুক সামনের দিকে... এটাকে যাস্ট এক্টা অভিজ্ঞতা হিসেবে নেও ... সময়ের পরিক্রমায় তোমাকে অনেক পিচ্ছিল পথ পারিদিতে হবে... তার জন্য প্রস্তুত হও...

তোমার জন্য অনেক অনেক শুভ কামনা রইলো ...
১২. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৮
মুকুট বলেছেন: আপনার যোগ্যতা থাকলে কেও ঠেকাতে পারবে না, অপেক্ষায় থাকুন, আপনারও দিন আসবে...............
১৩. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৯
শান্তির দেবদূত বলেছেন: দুঃখজনক .......

আপনি হয়তো সবকিছুই ভুলতে পারবেন কিন্তু আপনার মায়ের সাথে করা দুর্ব্যবহার ভুলতে পারবেন না ...... পরা উচিৎও না .........
৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৩৯

লেখক বলেছেন: না আমি ভুলবো না। এত অমানুষ হইনি এখনো...

১৪. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৯
ফারহান দাউদ বলেছেন: হেহেহে,ভাই সেলিব্রিটি টাইপ কিসু হয়া গেলে অনেকের পা সপ্ত আসমানের উপর দিয়া যায়,কাজেই মন খারাপের কিছু নাই। আসলেও তোমার কাজ ভালো হলে কেউ আটকাতে পারবে না,ক্যারি অন।
১৫. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:০২
ইয়ামিন বলেছেন: মোরশেদুল ইসলাম আবার কে? সেকি বাংলা ছি:নেমা বানায় নাকি? এইজন্যই তার পেটে হজম হয় নাই আপনার ছবি। কস্ট পাইয়েন না, নিজের প্রচেস্টা চালায় যান। আর আপনি স্যার বলার মত যোগ্য ব্যক্তি সে অবশ্যই নয়, কেননা সে আপনার গার্জিয়ানের সাথে খারাপ ব্যবহার করেছে।

ওহ আপনার ছবি কিভাবে দেখব তা বলে দিয়েন। আমাকে একটা সৌজন্য কপি দেয়া যায় কিনা, দরকার হলে তা ফিরিয়ে দিতেও রাজি আছি আমি। পারলে জানাবেন।
৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৫০

লেখক বলেছেন: আমি ছবিটা দেখাতে চাই। কিভাবে সবাইকে দেখাব বুঝতে পারছি না।

১৬. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:০২
নীলবরষা বলেছেন: দয়াকরে ছবিটি অনলাইন এ দেখানোর ব্যবস্থা করুন। যেটা প্রথম হয়েছে সেটা ও দেথার আশা রাখি।
@ হিমালয়৭৭৭ উনার কথা গুরুত্যপুর্ন।আশা রাখি খেয়াল রাখবেন। আপনরে আম্মুর সাখে খারাপ ব্যবহার হওয়াতে দুঃখ প্রকাশ করছি।
৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৫২

লেখক বলেছেন: সে চেষ্টা আছে। ধন্যবাদ আপনাকে।

১৭. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:০৩
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: মূল কথা হলো, আপনি ছবিটা বানিয়ে তৃপ্ত তো? তাহলেই হলো।

আমার মনে হয়, কি পেলাম সেটা না ভেবে কি করলাম সেটাতে ফোকাসড থাকলেই চলবে --তাতেই বেশী ভালো করবেন। কাজেই এই ঘটনায় এত আপসেট হবার দরকার নেই।

টুটুল ভাই যেটা বললেন, সামনের দিকে এগিয়ে যান।

৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৪১

লেখক বলেছেন: আমি তৃপ্ত, দর্শকের বিপুল সাড়া পেয়ে আমি ধন্য যে ওয়াজিরের বার্তাটা আমি শিশু-কিশোরদের কাছে পৌঁছে দিতে কিছুটা হলেও পেরেছি। তবে আমার কাজের অবমুল্যায়ন করা হলো কেন?

১৮. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:০৫
মাহবুব সুমন বলেছেন: জীবনে চলার পথে এরকম অনেক বাধা আসবেই আসবে, এগুলোকে মাথায় না রেখে টার্গেট ঠিক করে কাজ করতে হবে। সফলতা আসবেই আসবে।
এরকম অনেক মোরশেদই তখন কাছে এসে কথা বলবে, এই মোরশেদুলই দেখা যাবে গর্ব করে বলছে রুদ্র আমার হাতে তৈড়ি ( এটা যদিও সত্য না)।
সফল হতেই হবে। মন খারাপ করা একদমই চলবে না।

মুভিটা দেখানোর জন্য বিভিন্ন চ্যানেলে যোগাযোগ করতে পারো। দেশের বাহিরে এরকম অনেক প্রতিযোগীতা হয়, সেখানে যোগাযোগ করে পাঠাতে পারো। একটা কথা, কোনো হতাশা না, সামনে তাকাতে হয়।
৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১৩

লেখক বলেছেন: কোন চ্যানেল এক্ষেত্রে সহযোগিতা করতে পারে আপনার জানা আছে কি ভাইয়া?

১৯. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:২২
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন: তোমার এই দৃঢ় মানসিকতাটা ভালো লাগল। দেখ, মূল্যায়ন হলে কাজের আগ্রহ বাড়ে সত্যি, তবে অবমূল্যায়ন হলেই spirit হারানোটা কাজের গতিকে স্তব্ধ করে দেয়। এটা পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠিত সত্য যে, জীবনে কাজের শুরুটা কারোও ভালো হয়না। আমার ব্লগের নামটা দেখেছো_ "A misinterpreted interpreter' ....এর নেপথ্য কাহিনীটা তোমাকে বলি। গত সেমিস্টারের বন্ধে সবাই যখন বাসায় চলে গিয়েছিলো বা ঘুরতে গিয়েছিলো বিভিন্ন জায়গায়, সেসময় আমি এদেশের একজন প্রতিষ্ঠিত লেখিকার একটি ২০০+ পৃষ্ঠার বই ইংরেজিতে ট্রান্সলেট করে দিই মাত্র ২৫ দিনে। বুঝতেই পারছো কী পরিমাণ অমানুষিক পরিশ্রম আমাকে করতে হয়েছে। ক্লাস না থাকলে আমাদের হলের ডাইনিং বন্ধ থাকে। তাই এই ২৫ দিন আমি একাহারী হয়ে কাজ করেছি, শুধু রাতে খেতাম। ঘুমাতাম ভোর ৫টায়, ইঠতাম ১০টার মধ্যে..্রপর সারাদিন পিসির সামনে ট্রান্সলেশন.............তো পুরো কাজটি শেষ করে লেখিকাকে সিডি আকারে দেয়ার পর তিনি আমাকে যে পারিশ্রমিক দিয়েছেন টিউশনি করেও আমি এর চেয়ে অনেক বেশি টাকা পাই। সেটা মূখ্য নয়, কষ্টটার জায়গা হচ্ছে সেই বইটি কিছুদিন আগের 'ইন্টারন্যাশনাল বুক ফেয়ার' এ এসেছিল। এবং কষ্টের ব্যাপার কি জানো? বইটিতে ট্রান্সলেটার হিসেবে কোথাও আমার নাম নেই, সেখানে অন্য একজন মানুষের নাম লেখা। আমি তার সঙ্গে যোগাযোগ করার পর তার বক্তব্য ছিল_ " এত ছোট মানুষকে এত বড় একটা কাজ দো উচিৎ হয়নি আমার।তোমার অনুবাদ কিছুই হয়নি।"..............তো তাতে কী হল ভাইয়া বল? কাজ করেছি, আনন্দ পেয়েছি...........যোগ্যতা থাকলে এধরনের কাজ ভবিষ্যতে আরও করব..........এমন তো আহামরি কিছু বয়স হয়নি আমার, মাত্রই ২২ চলে..তুমি তো আমার চেয়েও অনেক ছোট.............সেক্ষেত্রে মন খারাপের তো প্রশ্নই আসেনা। এই কাজটা তোমার জন্য একটা বোনাস ছিল।।
লেগে থাকলে একদিন হবে। আর স্বীকৃতির মোহ থাকলে কাজেও একাগ্র হওয়া যায়না। সৃজনশীল কাজের ক্ষেত্রে সবসময়ই নির্মোহ হওয়া উচিৎ।তোমার জন্য আবারও শুভকামনা রইল।
]একটা উদাহরণ দিয়ে মন্তব্য শেষ করি_ হুইটম্যানের নাম শুনেছো? তার যে বইটি তাকে বিখ্যাত করেছিল, সেই বইটির প্রকাশনা নিয়ে অনেক বিড়ম্বনার কাহিনী আছে। সময় করে পড়ে নিও, মন ভালো হয়ে যাবে.......
৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৫৩

লেখক বলেছেন: ভাইয়া, তোমার এই কমেন্টটাই হয়তো আমাকে স্বস্তি দিচ্ছে...

২০. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:২৬
আরিফ জেবতিক বলেছেন: প্রিয় রিজওয়ানুল,
তোমার মনটা বিচ্ছিরি ধরনের খারাপ এটা বুঝতে পারছি ।

পুরস্কার সবসময় যে যোগ্য লোককে দেয়া হয় এমন নয় । এই উপমহাদেশে গান্ধী নোবেল পাননি , কিন্তু ড.ইউনূস শান্তির জন্য নোবেল পেয়েছেন ; এর চেয়ে নির্মম উদাহরন আর কী হতে পারে ।

তবে তোমাকে একটা কথা বলি ।
পুরস্কার না পেয়ে তুমি যে প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছ এটা শেষ বিচারে তোমার জন্য খারাপ ।
তুমি এখন এমন সব খুঁত বের করছ ( মোরশেদুল ইসলাম পাবলিক লাইব্রেরির বারান্দায় দাড়িয়ে সিগারেট খায় ) যেগুলো প্রাসঙ্গিক নয় ।

একজন শিল্পী হিসেবে তোমাকে অনেক বেশি সহনশীল হতে অনুরোধ জানাই ।

জীবনের প্রথমেই তুমি যে ধাক্কা খেয়েছ , সেটা তোমার জন্য কল্যান বয়ে আনবে বলে আমি বিশ্বাস করি ।

এই ক্ষোভ তোমাকে আরো শানিত করুক , তুমি আজকের এই ঘটনার প্রতিশোধ নিতে পারবে ।

আরো ভালো করে কাজ করো , আর ভালো চলচ্চিত্র বানাও , তখনই এসবের চরম প্রতিশোধ নেয়া হবে ।

ভালো থেকো ।






৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৪৪

লেখক বলেছেন: যেহেতু এটা ছিলো শিশু চলচ্চিত্র উৎসব এবং গণগ্রন্থাগারের বাইরে লেখা 'ধূমপানমুক্ত এলাকা' তাহলে উনার মতো একজন চিত্রপরিচালকের কী সেটা পালন করা উচিত ছিলো না? তাহলে গুরুজনদের কাছ থেকে ছোটরা কী শিখবে? এবং তার সেই দৃশ্য অবলোকন করে অনেকে সমলোচনা করেছেন।
আমি আসলে সবকিছুর প্রতি কেমন যেন আগ্রহ হারিয়ে ফেলছি...
অনেক ধন্যবাদ।

২১. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:২৯
বিডি আইডল বলেছেন: ছবিটি এখানে আপলোড করে লিংক পোষ্ট করার অনুরোধ করছি..

http://vreel.net/
২২. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৪৭
আইলাভইউ বলেছেন:
সব গোয়ালেই একই...
সম্প্রতি ডেইলি স্টার আয়োজন করেছিল- সেলিব্রেটিং লাইফ ২০০৮। সেখানে যে সব ডুকুমেন্টারী এবং আলোকচিত্র পুরস্কার পেয়েছে। সেগুলোরও একই অবস্থা।
৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫২

লেখক বলেছেন: কিন্তু সঠিক এবং গ্রহণযোগ্য বিচার সবার কাম্য। দলবাজি, স্বজনপ্রীতি, সিমপ্যাথি---এসব থেকে বেরিয়ে এসে একটা সুন্দর নির্বাচন করা কী দুরূহ ব্যাপার? কথা তো ছিল, দর্শকের ভোট এবং মতামত নেবার। সেটা তো তারা করেনই নাই, উল্টো নিজেদের কমিটির শিশু চলচ্চিত্রবোদ্ধাদের দিয়ে বিচার করিয়েছেন। নাকি ....(?)

২৩. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৫০
গোলন্দাজ বলেছেন: শালা পুরাই ছাগুরাম......মাদক নিয়া পোলা মরছে...।।অইটাই ত ছিনেমা র মুল গল্প.........তাইলে এইখানে মাদক লইতাছে এই যায়গা টাই ত দরকার,......।আজব !!! রঙ্গে ভরা বঙ্গ দেশ...।।

ভাই...।তুমি চালায়া যাও...তুমার ঘটে মাল আছে...।।তুমি পারবা......আতেল চুদার সময় নাই...।।
২৪. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৫০
অচেনা সৈকত বলেছেন: মন খারাপ করবেন না। আপনি আরো ভাল ছবি বানান। মোরশেদুল ইসলামরা চলচ্চিত্রের একমাত্র অভিভাবক নন। আপনার সাথে যা হয়েছে তা দু:খজনক। আপনার জন্য শুভকামনা।
২৫. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৫৬
তাহমিনা সানি বলেছেন: বন্ধু পুরষ্কারটা যখন তিরস্কার হয়ে গেছে তখন তা নিয়ে কেদে লাভ কি? কাজের কাজ করে যেতে হবে। দর্শকই বড় পুরষ্কার... বড় মানুষরা যে সব সময় বড় মনের মানুষ হয় না সেটা তো দেখতেই পেলেন... কি আর বলব...
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:০৫

লেখক বলেছেন: সত্য বলেছেন

২৬. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৫৮
রুদ্র মোহাম্মদ বলেছেন: যে ছবি নিয়ে এতো কথা তারই তো দেখা নাই। ছবি কই!!??
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:০৩

লেখক বলেছেন: ছবি তো ভাইয়া ২৭ জানুয়ারি সকাল ১১টায় শাহবাগ গণগ্রন্থাগারে দেখানো হয়ে গেছে।

২৭. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:২২
রুদ্র মোহাম্মদ বলেছেন: আমি বল্লাম নেটে আপলোড করার কথা।
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৫০

লেখক বলেছেন: আপাতত গ্রুপটা দেখুন ফেসবুকে Click This Link

২৮. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৫০
ড়ৎশড় বলেছেন: প্রিয় রুদ্র, তুমি যে ভয়াবহ মন খারাপ করেছো সেটা বুঝতে পারি।নিজের মায়ের সাথে খারাপ ব্যাবহার করলে আমি হয়তো থুতু দিয়ে আসতাম।কিন্তু তুমি এক্ষেত্রে সংযম দেখিয়ে ভাল করেছো।তবে তোমাকে হিমালয়৭৭৭ এর কথাটাও বুঝতে হবে।কে কি করেছে তা নিয়ে মাথা ঘামাবার আমাদের কোন দরকার নেই।আমাদের যেটা দরকার সেটা হল আত্নবিশ্বাস,আর সেই সাথে তোমার মধ্যে আরো দরকার জেদ।
তোমাকে একটা অনুরোধ আত্নবিশ্বাস হারিয়োনা।তোমার মায়ের সাথে যে খারাপ আচরণ করেছে তাকে দেখিয়ে দাও,এতেই তোমার মায়ের সব্চেয়ে বড় শান্তি হবে।এটাও মনে রাখবে,পরিশ্রম ছাড়া কিছু হয়না।

আমি প্রাথর্না করি যেন একদিন এমন হয় যে,মোরশেদ সাহেব তোমার কাছে এসেছেন আর তুমি তাকে হাসিমুখে বলছো' "ভালো আছেন?"
২৯. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:১০
মাহমুদুল হাসান রুবেল বলেছেন: ভাইয়া ব্যাপার না । বুড়োদের দিয়ে কিছু হবে না । এখন তোমাদের সময় । তোমরাই পারবে একদিন আমাদের ফিল্মকে অনেক দূর নিয়ে যেতে । তুমি এক কাজ করো, এমন ছবি নির্মাণ করো যেন মোরশেদুলরা তোমার কাছে এসে মিনতি করে । আমি যদি অনেক টাকার মালিক হই প্রযোজনা করবো তোমার জন্য ।
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৪১

লেখক বলেছেন: ভাইয়া ফিল্মমেকিং যদি অত সহজ হতো তাহলে আমি শুধু ঝরা পালক না, আরো একটা ছবি তৈরী করে মোরশেদুল সাহেবদের মতো পক্ষপাতদুষ্ট মানুষদের দেখাতাম। আমি তো জানতাম না যে, মোবাইল ক্যামেরায় ভিডিও করলেই হেভি চলচ্চিত্র বা সিনেমা তৈরী করা যায়, কোন শট ডিভিশন ছাড়াই! আমার মন ভেঙে গেছে, পড়াশোনার ক্ষতি হয়েছে ভীষণ, তবুও ইচ্ছা আছে কিছু একটা করার। কিন্তু এতে কী লাভ হবে? মোরশেদুল সাহেব যেহেতু ক্ষিপ্ত তাই তার শুভাকাঙ্ক্ষীরাও নিশ্চয় চাইবেন না---আমার ভালোটা মূল্যায়িত হোক। ধন্যবাদ।

৩০. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫১
চাণক্য বলেছেন: প্রথম প্রথম এহেন দুঃখ জনক অভিজ্ঞতা অনেক নবীনেরই হইয়া থাকে। সৃষ্টিকর্তার শুকরিয়া আদায় কর এই কারনে যে উক্ত পরিচালক তোমার ছবি নিজ নামে চালাইয়া দেন নাই।


তুমি হতাশ বা রাগ হইও না, শান্ত হও। এই ছবিটি জনসাধারণের জন্য উম্মুক্ত করিয়া কোন ওয়েবসাইটে তুলিয়া দাও। যদি সত্যিই ভাল হয়, তবে তুমি এককালে এহেন হাজারজন মোরশেদুল ইসলামকে পিছনে ফেলিতে পারিবে।
৩১. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫২
ফালতু মিয়া বলেছেন: পড়লাম সময় নিয়ে, আমি আর কি বলব! বলার ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। সমস্যা হয়েছে সব জায়গায় স্বজনপ্রীতি। আপনার ছবি যদি ভাল হয় তবে অবশ্যই ভবিষ্যতে পুরস্কার পাবেন এজন্য দুঃখ করবেন না।
৩২. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:১১
রিসাত বলেছেন: ঘৃণা ছাড়া কিছুই দেয়ার সামর্থ্য নেই আমার,,, সবাই নতুনদের নিয়ে যা ইচ্ছা তাই করেন,,,

আপনি এই ঘটনার বিরুদ্ধে লিখেছেন এজন্য আপনাকে অনেক সাধুবাদ,,, উনাদের বিরুদ্ধে কেউ কিছু বলেন না দেখে উনারা ইচ্ছামতো চালিয়ে যান,,,

লেখাটা পড়ে খুব কষ্ট লাগলো,,,
৩৩. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৩৮
রঙীন বলেছেন: যার যা পাওয়ার কথা কেউ তা ছিনিয়ে নিতে পারেনা। আপনার কাজের সমমান পাবেন।

হিমালয়৭৭৭, আপনার অনুবাদের ঘটনাটা পড়ে খারাপ লাগলো। মানুষ কেন এরকম
৩৪. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:১১
এখনই সময় বলেছেন: সৃজনশীলতা যদি তোমার মাঝে থাকে তা হলে একদিন ঠিকই তুমিও মোরশেদ কে ছাড়িয়ে যেতে পারবে। বড় কেউ একজন হতে পারবে, ধৈর্য ধরো। মোরশেদও একদিন তোমার মত ছোট ছিল, তাকে কেউ দাম দিত না।

এ দেশে সব সময় মেধার সঠিক বিচার হয় না, তাই বলে হতাস হয়ো না।
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:০৭

লেখক বলেছেন: এই দেশে কেন মেধার সঠিক বিচার হয় না? এটা তো সবার কাম্য না...এর থেকে পরিত্রাণেরও উপায় নেই?

৩৫. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫৪
মনজুরুল হক বলেছেন:

রুদ্র। ভেঙ্গে পড়ো না। এটাই জীবন। জীবন সব সময়ই আখরোটের মত। ভয়ানক শক্ত খোলস এর। সেটা ছাড়ানোর পরই জীবনের শাঁসটা পাওয়া যায়। তোমার এই অভিজ্ঞতাগুলো হলো সেই শাঁস ছাড়ানোর মত ব্যাপার।

এতটুকুও হতাশ হবার কিছু নেই। বরং মনে মনে এই ধরণের জিদ তৈরি করো যে তুমি একদিন মোরশেদুল ইসলামের ছবিতে মার্কস দেবে!!

ক্যারি অন। ভাল থেকো।
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:০৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩৬. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৩
খািল িপডাইেত ইচ্ছা করে বলেছেন: আমাকে জিনারেল এ পদন্নতি দেয়া হয়েছে।
কে কাকে মুল্য দিলো আর না দিলো তাতে ভাই এত টেনশন কেন?
বড় ব্যাপার হচ্ছে ভাই তুমি কাকে মুল্য দিচ্ছ।
৩৭. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৩১
পার্থিব রাশেদ বলেছেন: ভাই আমাকে আপনার চলিচ্চত্রটা পারলে একটা কপি দিবেন কি। একখান রিভিউ করতাম। আর ভাই না রেগে মুভি তৈরি করে যান। আমরা আপনার সাথে আছি। আর মনে রাখবেন ভাল মুভি পুরস্কার পায়না। কারন যারা বিচারক থাকে তারা বেশিরভাগক্ষেত্রেই ভাল মুভি নির্মাতা নয়। যা আমি পারিনা তা অন্যে পারবে কেন? ভাবে হয়তোবা
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:০৮

লেখক বলেছেন: অবশ্যই দেবো। আপনার যোগাযোগ নাম্বারটা দিলে ভালো হতো।

৩৮. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৪
পার্থিব রাশেদ বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনি ভাল আছেন?
মোবাইল-০১৬৭৪১৭৮১২৮

 

মোট সময় লেগেছে ১.০২৮৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
পুরনো ধ্বংসস্তূপ থেকে বেরিয়ে এসে দেখি-
আমরা এখনো অন্ধকারেই রয়ে গেছি!

ই-মেইল : রিজওয়ানুলরুদ্র@এওএল.কম
© ২০১২ বাংলাদেশ।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ