সময় হয়েছে (ফিরে যাবার)...
১৭ ই জুন, ২০০৭ রাত ১:০৫
খুব ছোট বেলায় গ্রামের কিছু ছেলের সাথে ভয়ানক রকমের বন্ধুতা হয়ে গিয়েছিলো। একটু বড় হওয়ার পরে সেই বন্ধুদের ছেড়ে যেতে হলো সম্পূর্ণ নতুন এক জায়গায়। স্কুলে যাওয়া শুরু হলো আমার। জীবনের প্রথম স্কুলের প্রথম দিন থেকেই হয়ে গেলো কিছু বন্ধু। স্কুলের প্রতি মায়া জমে গেলো, স্যারদের সাথে সম্পৃক্ততা বেড়ে গেলো। আমি গ্রামের পুরানো বন্ধুদের কথা আস্তে আস্তে ভুলে গেলাম! কিংবা কি জানি, ভুলে হয়তো যাই নি, হয়তো বর্তমান এসে মাথার ভেতরের সেই অংশগুলোতে খানিক আড়াল টেনে দিলো। মজে রইলাম বর্তমানে, দিন গত হতে থাকলো নিজের মতো করে...!
হঠাত সরকারী চাকুরে বাবার বদলীর আদেশ! চোখের পানি নাকের পানি এক করে স্কুলের বন্ধুদের সাথে হৃদয়ের বাঁধন ছিঁড়ে, সবচেয়ে কঠিনতম স্যারের চোখেও পানি এনে বিদায় নিলাম সেই জায়গা থেকে। দূরে চলে গেলাম কাছের, খুব কাছের কিছু মানুষজন, প্রকৃতি থেকে। শুরু হলো নতুন এক জায়গায় আবার নতুন করে সবকিছু শুরু করার পার্বন!
কয়েকমাসের মধ্যে পড়াশুনায় 'স্থায়ীত্ব' এনে দেয়ার লক্ষ্যে, একটা নির্দিষ্ট স্কুলে রাখার অভিপ্রায়ে বাবা-মা যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিলেন। আবারো আমার স্থান পরিবর্তন, বন্ধু পরিবর্তন, আমার শিশুমনের আঙিণা পরিবর্তন। আমরা সবকিছু বেঁধে রওনা দিলাম আবারো। খুব অল্প সময়েই একেবারে কাছের হয়ে যাওয়া টিপু, কাঁকন, পিলু, ইতি-রা মুখ থুবরে দাঁড়িয়ে থাকলো রাস্তার পাশে, চোখের কোণায় চিকচিক করা নোনা জল নিয়ে। রাস্তার বাঁকের সাথে আমাদের বাহন বাঁক নেয়ার সময় তাদের দেখা সেই মুখায়বটাই আমার শেষ দেখা, গ্রে-ম্যাটারের সিন্দুকে রাখা আমার কাছের কিছু বন্ধুর শেষ স্মৃতি। আরতো দেখা হয়নি, হবেও না হয়তো কোনদিন! কতো কাছের বন্ধুরা হারিয়ে গেলো কতো স্বাভাবিকভাবে একটা রাস্তার বাঁকের কাছে!
আবার গ্রামে ফিরে এলাম ঠিকই। কিন্তু কোথায় যেন ছন্দপতনের সুর। পুরাতন সেই বন্ধুরা কেমন 'বড়' হয়ে গেছে, আগের সেই নির্মলতাও অনুপস্থিত। হলোনা আর তাদের সাথে পুরানো বন্ধুতার সাঁকো বেয়ে চলা। স্কুলে ভর্তি হয়ে নতুন মুখের মাঝে হারিয়ে যাবার চেষ্টা করলাম। বছরের প্রায় মাঝমাঝি একটা সময়ে এসে ভর্তি হওয়ায় তেমন কেউই খুব সহজে দলে নিতে আসলো না। সবার চোখেই একটা তাচ্ছিল্যের চাহনী! খুব খারাপ লাগতো তখন। ফেলে আসা শরিফ, তোতা, নাসির, কাঁকন, টিপু, কবিতা, ইতি, পিলুরা থেকে থেকেই চলে আসতো মনে, আমাকে সঙ্গ দিতো। কিন্তু বাস্তবতা বিষাদে মন ভরিয়ে তুলতো পরক্ষণেই।
অনেক চড়াই উতড়াই করে অবশেষে ভিড়তে পারলাম বন্ধুদের মাঝে। নতুন বন্ধু সার্কেল, নতুন করে শুরু আবার। ফেলে আসা বন্ধুরা সরে গেলো খুব ধীরে ধীরে...! শুরু হলো নতুনদের কাছে চলে আসা। স্কুল জীবনের শেষের দিকে কয়েকজনের সাথে বন্ধুতা গাঢ় থেকে গাঢ়তর হলো, ছেড়ে থাকা যায় না এমন অবস্থা।
কিন্তু একটা সময় এলো যখন এই বন্ধুদেরও ছেড়ে যেতে হলো দেশের সবচাইতে নামী কলেজে ভর্তি হতে। কোন উপায়ই ছিলনা। ছাড়তে হলো মায়ের আঁচল, প্রথমবারের মতো। অনেক কাছের মানুষেরা আবারো দূরে সরে গেলো একটু একটু করে। সেখানে এলো নতুন মুখ, নতুন নাম, নতুন পরিস্থিতি।
কলেজ জীবনের শেষে সবচাইতে কাছের বন্ধু, যার সাথে জীবনের প্রতিটা দাড়ি কমা শেয়ার করতাম, সেও চলে গেলো প্যাসিফিকের পাড়ের দেশে। প্রচন্ড একা হয়ে পড়লাম, আক্ষরিক অর্থেই একা। ছয় মাসের মাথায় পাড়ি জমালাম আমিও।
সেখানেও খুব ভালো, খুব কাছের, খুব কেয়ারিং কিছু মানুষের সান্নিধ্যে নিজেকে গর্বিত মনে করা শুরু করলাম। এ বন্ধন কখনোই ছেদ হবার নয়! কিন্তু আবারো ছিঁটকে গেলাম সেই বন্ধন থেকে। পিছনে পড়ে রইলো, সেই কেয়ারিং মুখ গুলো। খুব কাছের একজনের সাথে দেখা হলো বছর কয়েকপর। আমার সবচাইতে কাছের শুভাকাংখীদের একজন। সবই ঠিক আছে, কিন্তু তারপরেও কোথায় যেন আর আগের সেই ছন্দটা নেই। আবারো তৈরী হলো দূরত্ব!
খুব ঘনিষ্ঠ হওয়া একটা বলয় থেকে আবারো বের হয়ে আসতে হয়েছে সময়ের তোড়ে। এখানে এসে আগের তিক্ত অভিজ্ঞতার কারণে ঠিক করে নিয়েছিলাম, কারো সাথে ঘনিষ্ঠ হবো না। কারো কাছে যাবো না, কাউকে আপন মনে করবো না, কাউকে হারানোর কষ্টও পাওয়া হবে না। কিন্তু লটেড এবং কান্ট বী ব্লটেড-এর পাল্লায় পড়ে একই লুপে ঘুরপাক খাওয়া থেকে আমাকে বাঁচায় কে!
সত্যিকারের মানুষগুলো কাছে যাওয়ার পর পরই কেমন দূরে চলে যায়, সরে যায়, আমি হারিয়ে যাই, হারিয়ে ফেলি তাদেরকে। সামহোয়্যারের কল্যানে ভেবেছিলাম ভার্চুয়ালিটি নিয়ে থাকবো। নিজের ভেতরের সব দরজা জানালা বন্ধ করে দিয়ে, কোন আলো প্রবেশ করতে না দিয়ে। থাকবো একদম নিজের মতো। কিন্তু হলো না এখানেও।
সামহোয়্যার এক মায়ার বাঁধনে বেঁধে ফেলেছে, আমার একাকী জীবনে যখন গলা পর্যন্ত বিষাদ ছেয়ে ফেলেছিলো তখন একটু একটু করে রিলিফ দিয়েছে, বেঁচে থাকার অক্সিজেন যুগিয়েছে। কিন্তু ওইযে, আমিতো কারো একান্ত সান্নিধ্যে কাটাতে পারি না বেশিদিন। যারই কাছে এসেছি, অথবা আমি যারই খুব কাছে গিয়েছি- অল্প সময়ের ব্যবধানে সেই কাছে থাকাটা হয়ে গেছে অনেক দুরের। দূরত্ব বেড়ে গেছে অনেক অনেক গুণে। পূর্বের ঘটনার পুনরাগমনে সামহোয়্যারও একসময় আমার থেকে দূরে সরে যাবে। কাঁকন, টিপুর আবছা হয়ে যাওয়া মুখের মতো একসময় সামহোয়্যারও হয়তো ফিকে হয়ে আসবে। হয়তো আজ হতে অনেক বছর পর মনে পড়বে, একটু নস্টালজিক হবো, একটু কষ্ট লাগবে, একটু মায়া লাগবে, কিন্তু আগের মতো করে কি আর ফিরে আসা হবে?
লালনের এই ইনস্ট্রুমেন্টালটার জন্য এর প্রেরককে অনেক ধন্যবাদ
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে নভেম্বর, -০০০১ রাত ১২:০০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
হ্রী বলেছেন:
ভাল লেখা। ধন্যবাদ।
কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন:
বস আমারে নটআউট থাকতে বইলা এখন নিজেই রিটায়ার লইতাছেন? হইলো কিছু?...
সত্যি কথা যে আজকাল আর আগের মত ভাল লাগে না, তারপরেও এই সাইটে যখন পাতানো দোস্তদের সাথে দেখা হয় তখন কি রিয়েল লাইফের কাছাকাছিই মজা লাগে না? এই মজা ছাইড়া যাইতে পারবেন?
অনন্তমৈথুন বলেছেন:
আবার...বহুত খুব..
অবরজ বলেছেন:
ঠিক বলেছেন। তবে এটা ঠিক ছোট বেলায় যখন নতুন খেলনা পেতাম তখন খুব খুশি হতাম, কিন্তু খেলনাটা ভেঙ্গে গেলে খুব কষ্ট হতো, বা অনেক দিন একই খেলনা নিয়ে খেলতে খেলতে আর ভাল লাগতো না, তো সব সময়ই এমনটাই হয়, কিন্তু চিল আর শকুনগুলা সব সময় মাথার উপর দিয়ে উঠতে পারে না, হয়ত এখন গন্ধে আশপাশ ছাড়ছে না,
ঝরা পাতা বলেছেন:
প্প্বগুপ্প্ম েপ্প্বঙ্প্প্ব্ত্র!!!
মৃন্ময় আহমেদ বলেছেন:
ঃ-
তারেক রহিম বলেছেন:
সামহোয়্যারইন ইদানিং বোরিং লাগছে। আমি জানি এর পেছিনে পুরো দোষ আমার না। প্রিয় লেখকেরা লিখা শুরু করলেই এসব কেটে যাবে। এখন শুধু সুদিনের পথ চাওয়া।
দৃশা বলেছেন:
প্প্বুপ্প্বজ্জপ্প্ব প্প্বনপ্প্বজ্জপ্প্বক্ক প্প্ব্লপ্প্ব্ত্রপ্প্বমপ্প্বক্ক প্প্বৃপ্প্বনপ্প্ব্ত্রপ্প্ব্য প্প্ব্রপ্প্বজ্জপ্প্বুপ্প্ব্ত্র প্প্বঙ্প্প্মপ্প্বেষপ্প্ব্যপ্প্ম েপ্প্বপ্প্বেগুপ্প্ম েপ্প্বসপ্প্বজ্জপ্প্ম্ব...যঃঃঢ়://সঁংরপ.পড়ড়ষঃড়ধফ.পড়স/সঁংরপ/ংড়হম.ঢ়যঢ়?রফ=73614
ইংলিশ]অজব ুধধৎড় ফড়ংঃর নবৎর যর যধংববহ যবরহ
ুধহধ যড়ঃড় শুধ ঢ়যরৎ নড়ষড় লরহফবমর যবরহ
শড়র ফড়ংঃ ফরষনধৎ যড় ুধধৎ
নবমধৎধল ঃবৎধ যড় ঢ়ুধধৎ...
[/ইংলিশ]
প্প্বসপ্প্বজ্জ প্প্বসপ্প্বজ্জপ্প্ম্ব প্প্বমপ্প্বজ্জ প্প্বপ্প্ব্লেপ্প্বজ্জপ্প্বক্ক প্প্ব্রপ্প্মপ্প্বেক্কপ্প্বম প্প্বপ্প্বেগুপ্প্ম েপ্প্বমপ্প্ব্লপ্প্ম েপ্প্বৃপ্প্ব্যপ্প্ম প্প্বসপ্প্বক্কপ্প্ম প্প্ব্রপ্প্ম.ে..
প্প্বগুপ্প্মপ্প্ব্বেপ্প্বজ্জ প্প্ব প্প্বঙ্প্প্বগুপ্প্মপ্প্ব্রেপ্প্ম প্প্ব্ব প্প্বঙ্প্প্বক্কপ্প্বমপ্প্ম েপ্প্ব্রপ্প্ম প্প্বক্কপ্প্ব্মপ্প্বষপ্প্ম েপ্প্বুপ্প্বজ্জপ্প্ব্যপ্প্ব্ত্রপ্প্বঙ্প্প্ব্বপ্প্বজ্জ প্প্বঙ্প্প্বক্সপ্প্ম প্প্ব্ব প্প্বগ্গপ্প্ম্ব প্প্বমপ্প্ব্লপ্প্ম েপ্প্ব প্প্বঙ্প্প্বগুপ্প্বষপ্প্ম্ব প্প্বষপ্প্ব্যপ্প্ম েপ্প্বগ্গপ্প্ম্ব প্প্ব প্প্বষপ্প্ব্যপ্প্ব্ত্রপ্প্বমপ্প্ম্ক প্প্বগ্গপ্প্বুপ্প্ম্বপ্প্বজ্জপ্প্বক্ক প্প্বঙ্প্প্ব্মপ্প্বজ্জ...
প্প্বগুপ্প্ম্ক প্প্বঙ্প্প্বজ্জপ্প্বক্কপ্প্ম্ক প্প্বঙ্প্প্বজ্জপ্প্বন্ প্প্ব্মপ্প্মপ্প্বেঙ্প্প্ম েপ্প্ব্যপ্প্বজ্জ প্প্ব্রপ্প্বজ্জপ্প্বক্ষ্মপ্প্ব্ত্রপ্প্ম্বপ্প্ম েপ্প্ব্লপ্প্বক্কপ্প্বূ প্প্বগুপ্প্বষপ্প্ম্বপ্প্মপ্প্বেক্ক প্প্বনপ্প্বজ্জপ্প্বগ্গপ্প্ব্ত্রপ্প্ব্বপ্প্বজ্জপ্প্বঙ্প্প্মপ্প্বে েপ্প্ব্তপ্প্ম প্প্বক্কপ্প্বগ্গপ্প্ব্য প্প্বঙ্প্প্বক্কপ্প্ম েপ্প্ব্যপ্প্ব্ত্রপ্প্ব্য...
প্প্বপ্প্বেক্ক প্প্ব্তপ্প্ম প্প্বক্কপ্প্ম প্প্ব্নপ্প্ম
দৃশা বলেছেন:
ধুররররররররর এতো ভাবের কথা লিখলাম আর কি আইল.........খেলুম ই না......এই সাইটের গুষ্টী কিলাই...(মেজাজ বিল্লা)
দৃশা বলেছেন:
ওই আপ-ঝাপ উগার মার চুগা মন্তব্যটা মুইছা ফেলায়েন......(এই সাইটের মাসীরে আন্টি)
মাহবুব সুমন বলেছেন:
শেষ মেস আপনিও!!........নতুন বন্ধু পেয়ে পুরোনোকে ভুলে যাবেন !! কি আর করা.......ভালো থাকবেন।
এহহামিদা বলেছেন:
.
মদন বলেছেন:
একই অবস্থা আমারও...
মৈথুনানন্দ বলেছেন:
নদী এক পার ভাঙে...আরেক পার গড়ে।
সুমন চৌধুরী বলেছেন:
মায়া রহিয়া গেল...
শাওন বলেছেন:
ধুসর গোধূলি, আমিও এমনটি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম । লেখাগুলো মুছতে শুরু করলাম। ৩টা লেখা মুছলাম। পরে মনে করলাম আচ্ছা এত কষ্ট করে লিখলাম এখন মুছবো? পরে ২০টার মত লেখা সেভ করলাম । মনে করলাম না যাবো তা একবারেই যাব । সেভ করবো না । পরে বাদ দিলাম । পরে আরো একটা লেখা মুছলাম । কিন্তু আবার মনে হলো, না থাক ।
এখন রিয়েলি কষ্ট লাগতেছে । সবাই চলে গেলো । আসলেই তো ভালই চলতেছিলো। কেন এমন হলো বুঝতেছিনা ।
অঃরঃপিঃ বলেছেন:
মায়া রহিয়া গেল...
ঝড়ো হাওয়া বলেছেন:
আমার এতো বন্ধু পরিবর্তন হয়নি। তবে সেই পড়াশুনার জন্যই অনেক দূরে থাকতে হয়েছে মা - বাবা'র কাছ থেকে অনেক গুলো বছর। কিন্ডার গার্ডেন স্কুলের অনেক বন্ধুকেই হারিয়ে ফেলেছি। অনেকে কথা আজও মনে পরে। তবে হাই স্কুল আর অনার্স লেভেলের বন্ধুরাই বেশি ঘনিষ্ট ছিল। দেখা হোক বা না হোক ওদেরকেই মিস করি বেশী। এই তো কদিন আগে স্কুলের এক হারিয়ে যাওয়া বন্ধুর বন্ধুর ফোন নম্বর পেলাম, ওর সাথে ফোনে কথা হল প্রায় ১২ বছর পর। কিন্তু আশ্চর্য অনুভুতিটা ছিল আগের মতই ! (এটা নিয়ে আলাদা ব্লগ লিখবো।)
এখনো পুরানো অনেক বন্ধূ কে খুজি - ইশতিয়াক, পারভেজ, কায়সার, কামরুল, দুলাল, আসিফ, হাবিব... আরো অনেকে
আপনার পোষ্ট পড়ে অনেক অনেক আগের সুখের অতীত মনে পরে গেলো।
ধন্যবাদ - প্রিয় গ্রে !
অরুনাভ বলেছেন:
লেখা পড়ে ভাল লেগেছে.......নষ্টালজিক........
ধুসর গোধূলি বলেছেন:
কিংকং- রিটায়ার না বস। মনডা আসলেই ভার হইয়া আছে। কাছে আসা মানুষজনের সাথে দূরত্ব বেড়েই যায়, দরকার না থাকলেও, বাড়ার কথা না থাকলেও। বুঝানো হয়তো যাইবো না।একটা কনসেকুয়েন্সের কথা কইলাম। ধারা গুলা বজায় থাকলে একদিন সামহোয়্যারের সাথেও দুরত্ব বাড়বে!
নতুন পুরাতন কথা না। আমি ইন্টার্যাকশন অনেক কমাইয়া দিছি পাবলিকের সাথে। পাছে দূরে চলে যেতে হয় এই ভয়ে, কিন্তু হেরপরেও ঐ জিনিষ আমার পিছন ছাড়তেআছে না।
সামহোয়্যারের লেখা মুছে ফেলা কোন সমাধান না। নিজে থেকে মোছার কোন দরকারও দেখি না।
যাইহোক, সবাইকে ধন্যবাদ।
শাওন বলেছেন:
যাইহোক , যেয়েন না যেনো । আসলে আমি জিনিসটা প্রথমে বুঝিনি । এখন রিয়েলি খুব মিস করতেছি , জামাল ভাই , চোর , ধূসর ছায়া আর যারা যারা গেছে । প্রথমে বুঝলে এমনি নাচতাম না ।
ধুসর গোধূলি বলেছেন:
ব্যাপার না শাওন, কয়েকজন গেছে কী হয়েছে, নতুনেরা আসবে। আপনিও নতুনদের মাঝে নিজেকে উদ্বেল করে তুলবেন। এর মাঝে আপনার ঘরানারও অনেকে আছে - থাকবে। আর যারা এ পর্যন্ত গেছে তারা কখনোই তো আপনার ঘরাণার ছিলো না। খারাপ লাগাটা হয়তো তাই সাময়িক, ঠিক হয়ে যাবে।চলে যাওয়াটা সময়ের তাগিদ। অন্যরা যেমন গেছে, আপনিও একদিন যাবেন। সামহোয়্যারে চিরদিন আপনি থাকবেন এমনটা কিন্তু আপনি নিজেও আশা করেন না। তাই বলি কি, "যেয়েন না যেনো"- এই কথাটার একটা পজিটিভ জবাব দেয়াটা খানিকটা বোকামীই হয়ে যাবে।
যতোদিন আছেন লিখে যান হাতখুলে।
ধূসর ছায়া বলেছেন:
ছাড়তে হলো মায়ের আঁচল, প্রথমবারের মতো। অনেক কাছের মানুষেরা আবারো দূরে সরে গেলো একটু একটু করে। সেখানে এলো নতুন মুখ, নতুন নাম, নতুন পরিস্থিতি।জাহাপনা সাথে অনেককিছু মিলে যায় । আমাকেও মায়ের আঁচল ছাড়তে হয় । তবে তখন আমার বয়স ছিল মাত্র ১০বছর ।
অবরজ বলেছেন:
হাজার দুয়ারী কবে কবে প্রকাশিত হয়? জানাবেন কি?
রিজভী বলেছেন:
মনে হয় হাজার বছর আগে!
শাওন বলেছেন:
ধুসর ভাই , মাঝে মাঝে শাওনেরা নিজ গন্ডির বাইরে যেতে চায় । হয়ত সেটির সময় এখন ।
ধুসর গোধূলি বলেছেন:
হাজারদুয়ারীর সাধারণত: মাসের শেষ সপ্তাহে প্রকাশিত হয় অবরজ। আশাকরি কোন ঝামেলা না বাধলে এবারো তার ব্যাতিক্রম হবে না।রিজভী, হাজার বছরের পথচলাই তো আমাদের বাঙালীদের। সেই প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকেই তো আমরা সমাচার দর্পন প্রকাশ করে আসছি। আপনাকেও হাজারদুয়ারীর আঙিণায় পেলে ভালো লাগতো!

এটা ভালো বলেছেন শাওন, নাউ অর নেভার। নিজ গণ্ডির বাইরে যেতে হলে অনেক ক্ষেত্রেই অনেক কিছু কম্প্রোমাইজ করা লাগে, মার্জ করা লাগে- সেদিক থেকে মানসিক ভাবে তৈরী থাকলে আমিও বলবো, হয়তো এখনই সময়। নেমসেক সিনেমার ডায়ালগের মতো, "প্যাক এ পিলো এন্ড এ ব্লাঙ্কেট..." তারপর বেরিয়ে পড়ুন।
ধুসর গোধূলি বলেছেন:
সিপাহ সালাররররররর, আমি কিন্তু আরেকটু দামড়া হয়ে ছেড়েছি 
তারপরেও মানিয়ে নিতে কষ্ট হয়েছে। আজকে কথা বললাম। মহিলা বলে, "কীরে তোর কি ফাঁপড় লাগে..."? কেমন লাগে কন দেহি!
শাওন বলেছেন:
হু , কথাটা কানে বাজে , নাউ অর নেভার !!
ধূসর ছায়া বলেছেন:
মা ফোন করলে প্রথমেই বলে কি দিয়ে খেয়েছিস ? মায়েরা কি খাবার ছাড়া অন্যকিছু বুঝে না জাহাপনা!!!
ধুসর গোধূলি বলেছেন:
আর কিছুই বুঝেনা সিপাহসালার...একেতো মহিলা তার উপর 'আম্মা' মানুষ - বুঝানোটা খানিক টাফ-ই হয়ে যায়। আমার সাথে কথোপকথন শুরুই হয়, 'গত চব্বিশ ঘন্টায় আদৌ কিছু খাইছস? খবরদার মিছা কথা কবি না'। কই যামু কন!
শাওন বাউল গান শোনা ধরেন, সব ঠিক হইয়া যাইবো।
ধুসর গোধূলি বলেছেন:
মাঝি ক্যাডায়, আমারে কইলেন নি?মিয়া নাক সামলাইয়া কথা কন, একেতো আমার যাযাবর নাম লইয়া গেছেনগা, এখন আবার আমারে মাঝি উঝি কইতাছেন, পাইছেনডা কি? ক্যাডা আফনে?
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















