সাম্প্রতিক ঘটনাঃ ফোকাস - অন এ্যা ভেরী সিম্পল ইকুয়েশন
১৬ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:১৯
দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময় জাপানী বোমায় পার্ল হারবারের ভোরের প্রশান্তি ছিন্নভিন্ন হবার পর জাপানী সেনানায়ক বলেছিলো, "আমরা এইমাত্র একটি ঘুমন্ত দৈত্যকে জাগিয়ে দিলাম..."
তুলনাটা কোনভাবেই ঠিক হয় না। প্রতিসম হয় না। কিন্তু তারপরেও কিছু জিনিষ থেকে যায় চোখের দৃষ্টি সীমানার সামান্য বাইরে। সেখানে অক্ষিগোলকের কার্যক্ষমতা শূন্য, যদিনা তাকে সেদিকে ঘুরানো হয়!
ওয়ামি। হানাদার পাক-বাহিনীর এদেশীয় দোসর, কুখ্যাত রাজাকার, আল-বদরের হাইকমান্ড কামারুজ্জামানের পুত্র। সামহোয়্যার, তার কর্তাব্যক্তিদের সঙ্গে যার ঘনিষ্ঠতা বেশ ভালোই। সে ব্যানড হলো বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের অত্যন্ত নীচু ভাষায় গালি দেওয়ার জন্য। যে কামারুজ্জামান এদেশের সন্তানদের হত্যা করেছে, তুলে দিয়েছে তার প্রভু হানাদার পাকি সৈন্যদের হাতে, তার ছেলে ওয়ামি'র কাছ থেকে এমন বক্তব্য আসটা কেবল সময়ের ব্যাপার ছিলো মাত্র। সেটা নিয়ে কথা বলছি না। আলোটা ফেলার চেষ্টা করছি অন্য একটা জায়গায়!
রাজাকারের পৃষ্ঠপোষক, রাজনৈতিক মোর্চা জামাতকে শুধুমাত্র রাজনৈতিক স্বার্থেই কোলে তুলে নেয় আমাদের এদেশীয় মূল ধারার রাজনৈতিক দলগুলো। খেয়াল করুন, রাজনৈতিক স্বার্থে, আরেকটু ছোট করে বললে, "স্বার্থে"।
মানুষ, আরেকটু প্রিসাইজলী বাংলাদেশের মানুষ শুধু রাজনৈতিক সচেতনই না বরং হৃদয়ে সেটা অনেকাংশে ধারণ এবং লালন ও করে। স্বার্থটা এখানে অনেক বড় একটা রোল প্লে করে সবার ক্ষেত্রেই। এইদিকটা বিবেচনা করেই একটা সকুতোভয় প্রশ্ন জেগে ওঠে মনে, "ওয়ামি কি তার নিজের নিকেই, সগর্বে আবার ফিরে আসবে এখানে!"
রাজাকার কামারুজ্জামান পুত্র ওয়ামি'র অন্যান্য আন্তর্জালিক কার্যক্রম সম্পর্কে কিছু জানা দরকারী না হলেও কেবল এবং কেবলমাত্র সামহোয়্যারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কথা মাথায় রেখেই আশংকাটা হচ্ছে। একেবারে প্রথমেই উল্লিখিত সেনানায়কের উক্তিটি যেনো সামহোয়্যারের সঙ্গে ওয়ামি'র কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রযোজ্য না হয়।
ওয়ামিকে যেনো অন্য কোনো ভৌতিক নামেও সামহোয়্যারে দেখতে না হয়। তাহলে হয়তো অন্য সাধারণ ব্লগাররা বিরূপভাবে প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে। কর্তৃপক্ষকে দেওয়া শ্রদ্ধাঞ্জলি থেকে তখন প্রতিটা ফুল হয়তো এই সাধারণ ব্লগাররাই টেনে তুলে নেবে একে একে - এটা ধুসর গোধূলি'র একটা আশংকা মাত্র।
কৌশিক বলেছেন:
ভিন্ডিক্টিভ মানুষগুলো ড্রাকুলার চেয়েও ভয়ংকর।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
মুখোশধারী ভন্ড হতে সাবধান। এরা মুখে এক কথা বলে কিন্তু কাজে আরেক রকম। মুখোশ খুলে কথা বলা ও কাজ করা করার মতো সাহস এদের নাই। মুখোশ পরা ভন্ডের চাইতে মুখোশ খোলা শয়তান আমার কাছে শতগুনে ভালো, অন্তত কার সাথে লড়ছি সেটা বোঝা যায়।
মনিটর বলেছেন:
যথাযথ বিশ্লেষণ ।
ধুসর গোধূলি বলেছেন:
হলদে ডানা একখানা পোস্ট দিয়েছেন। তার পোস্টখানার প্রথম দিকের কয়েকটা লাইন আর পুরোটায় অতিদ্রুত চোখ বুলিয়ে নব্বই দশকের শুরুতে জিপিও'র পাশে (মুক্তাঙ্গন সম্ভবত) জনা কয়েক লোকজন নিয়ে সমাবেশে কোনো রাজাকারের ভাষনের মতোই মনে হলো।
আমি খুব ভুল না ভেবে থাকি তাহলে ওয়ামি'র আত্মীয়স্বজন, চেলা-চামুন্ডা, সামহোয়্যারে তার শুভাকাংখীরা শোকের মাতম আর ফ্যাচফ্যাচ নিয়ে একের পর এক হাজির হবে এখানে। একটা আলোচনার ক্ষেত্র তৈরী করতে চাইবে। সেখান থেকে কথা ঘুরিয়ে পেচিয়ে নিয়ে এমন একটা জায়গায় ত্যানা প্যাচানো শুরু করবে যেখান থেকে কেবল নাঁকি কান্নার সুর ভেসে আসবে।
কারও কারও মন গলবে, সুশীলরা নানা বিবৃতি নিয়ে হাজির হবে। ফলাফল - ওয়ামি এবং তার রাজাকার বাপ আবার ফুলের মালায় এখানে গৃহীত হবে।
আমি ছোট একটা অনুরোধ করি, কেউ এই হলদে ডানা, রাজাকার পোনা, নীলচে পাখা - কারো সাথেই কোনো ইন্টার্যাকশনে না গেলেই বোধহয় ভালো হবে। অনুরোধ রাখা না রাখা আপনাদের ব্যাপার।
ওয়ামি, তার পিতাহুজুর আর তার ভাই বেরাদারের জন্যও একই বাক্য প্রযোজ্য। এইখানে ব্লগিং করুক আমার আপত্তি নাই। তয় বালনুডুস মার্কা কথা বলিলেই গুষ্ঠিশুদ্ধা পোঙ্গামারা খাইতে হইবেক। ইহার কোনই বিল্প নাই বন্ধু।
কোন নাটকীর পোলারেই এক মিলিমিটার জায়গাও ছাইড়া দেওন হইব না।


















