ব্লগানেট অফ দ্যা "এ্যাপ"
১৫ ই মার্চ, ২০০৬ বিকাল ৩:২৩
কেউ যদি ভাবেন আমি Planet of the Apes এর গল্প বলতে চাইছি তাহলে মুড়ি খান। ওই হিমু, ওগরে ফরাসী দেশের ফেরেশ মুড়ি দেতো বাপ।
আসলে ঘটনা প্যাচ খাইছে অন্য জায়গায়।
সায়েনস ফিকশান লেখক, প্রখ্যাত হৈমিক ধারার প্রবর্তক মাননীয় হিমু কর্তৃক সংকলিত স্বনামধন্য, সেরা বিজ্ঞানী (যে কিনা অগনিত সেরা জার্ণাল প্রসব করিয়াছে এবং ইহা বিজ্ঞানীর অন্যতম সহকারী শ্রাবন দত্ত কর্তৃক সুপারিশকৃত) জনাবে কেবলাকান্ত ওরফে ড. ওমর আলী, সংক্ষেপে ও. আলী-কে নিয়া লিখিত সায়েনস ফিকশান আসলেই সত্যি কাহিনী হিসাবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে।
ব্লগানেট অফ দ্যা "এ্যাপ"-এর একমাত্র পত্রিকা "কাওয়ালী কথন" এর বরাত দিয়ে একের অধিক সূত্র জানায়, বিজ্ঞানী ও. আলি "ময়ুর কণ্ঠী নীল পোশান" পান করেণ যাতে সময়ের কনিষ্ঠ আঙ্গুল ধরে সভ্যতার প্রাথমিক স্তরে গিয়ে ডারউইন ব্যাটার মাথায় প্রিয় বেসবলের ব্যাট খানা দিয়ে "পাতাইল্যা" একটা বারি মেরে প্রমান করতে পারেণ ডারউইন হালায় একটা গঞ্জিকাসেবন কারী। (কেউ যেন "গঞ্জিকা" ভুল করে "ধম্পিকা" না শোনেন, তাইলে কইলাম খবর আছে....) যাইহোক।
"বাইঞ্চোৎ ডারউইন, আমার লগে টাফালিং...? খাড়া আইতাছি, তোর হাঙ্কি-পাঙ্কি আর বিটলামী ছুটাইতে। বাসে, ট্রামে যেইহানে পামু, মেরুদন্ড পাতাইল্যা এমুন একটা বারি দিমু.... খাড়াইতেই পারবিনা মরার আগে, থিওরী ঝারবি কেমনে....?" এই বলে যেই না "পাতাইল্যা বারির" একটা শ্যাডো করতে যাবেন ও. আলী, অমনি সহকারী শ্রাবন দাস (মতান্তরে শ্রাবন দত্ত) কোতাইয়া উঠলো,
: ওস্তাদ করেণ কী? আরেট্টু হইলেই তো আমার ভবলীলা সাংগ হইছিলো....।
বদমেজাজী ও. আলী হুংকার দিয়া ফাল দিয়া উঠিলো,
: stupide, pourquoi n'avez-vous pas apport
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি বিভাগে ।
অতিথি বলেছেন:
মুখা, বাপ এইবার নেক্সট সিকোয়েন্সটা ধরনা। "সার্ভাইভাল অফ দ্যা ফিটেষ্ট ইন ব্লগানেট"। আর ওই হালারে বাক্সেই থাকতে দে, বাক্স বোক্সের মইধ্যে যাওয়ার "হাঠান" আর ইচ্ছা কোনোটাই নাই আমার।
অতিথি বলেছেন:
গোধূ রে ... হিমুরে কান ধইরা নামায়া তোরেই তুলতে হইবো বাস্কের মধ্যে।
অতিথি বলেছেন:
পুস্তকগুলার প্রাপ্তিস্থান কই ?
অতিথি বলেছেন:
এখন পর্যন্ত সেরা লেখা। হা হা হা হা হাগোধুলি কাহা লাস্ট মিনিটে আইস্যা পুরা স্লগিং কইরা গেলা ব্লগে
অতিথি বলেছেন:
গোধুলি, এক কথায় ফাটাফাটি হইছে । আমার পরশু একটা পরীক্ষা আছে। অথচ ব্লগে বসে ......ছিড়ছি, .....!
অতিথি বলেছেন:
বস এইডা কি জিগাইলেন? তওবা করেণ মিয়া। তয় হুনছিলাম, "হেরিস" না কোনজাগায় জানি পাওন যায়। "জালীয়াতি বাজার" বইলা একটা জায়গায় "জংওয়ালি" নামের দোকানে । আইচ্ছা আফনের দিলে কি ডর নাই, অই যে আইতাছে, কাওয়ালী হিগাইতে। লৌড় লন মিয়া, প্রাপ্তিস্থান পরে খুইজ্জেন...।
অতিথি বলেছেন:
এবার বুঝলাম ধুসর, আপনি কেন বসেছিলেন, আপনি দেখি ভাই শেষ রাতের ওস্তাদ, ভালোইতো মারলেন। নাহ আমার আর প্রথম হওয়া হলো না, তবে হ্যা সান্তনা হলো, শেষ দিক থেকে প্রথম হতে পারবো বোধ করি, তাও আপনাদের কৃপা।অসাধারণ হয়েছে, সত্যি সত্যি অসাধারণ, একসঙ্গে এতোগুলো জিনিস (জিনিসের নাম বলতে চাইছি না) পাওয়া যাবে...উফ ঘ্যাম....হয়েছে।


















