somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... সাম্প্রতিক ঘটনাঃ ফোকাস - অন এ্যা ভেরী সিম্পল ইকুয়েশন দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময় জাপানী বোমায় পার্ল হারবারের ভোরের প্রশান্তি ছিন্নভিন্ন হবার পর জাপানী সেনানায়ক বলেছিলো, "আমরা এইমাত্র একটি ঘুমন্ত দৈত্যকে জাগিয়ে দিলাম..."

তুলনাটা কোনভাবেই ঠিক হয় না। প্রতিসম হয় না। কিন্তু তারপরেও কিছু জিনিষ থেকে যায় চোখের দৃষ্টি সীমানার সামান্য বাইরে। সেখানে অক্ষিগোলকের কার্যক্ষমতা শূন্য, যদিনা তাকে সেদিকে ঘুরানো হয়!

ওয়ামি। হানাদার পাক-বাহিনীর এদেশীয় দোসর, কুখ্যাত রাজাকার, আল-বদরের হাইকমান্ড কামারুজ্জামানের পুত্র। সামহোয়্যার, তার কর্তাব্যক্তিদের সঙ্গে যার ঘনিষ্ঠতা বেশ ভালোই। সে ব্যানড হলো বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের অত্যন্ত নীচু ভাষায় গালি দেওয়ার জন্য। যে কামারুজ্জামান এদেশের সন্তানদের হত্যা করেছে, তুলে দিয়েছে তার প্রভু হানাদার পাকি সৈন্যদের হাতে, তার ছেলে ওয়ামি'র কাছ থেকে এমন বক্তব্য আসটা কেবল সময়ের ব্যাপার ছিলো মাত্র। সেটা নিয়ে কথা বলছি না। আলোটা ফেলার চেষ্টা করছি অন্য একটা জায়গায়!

রাজাকারের পৃষ্ঠপোষক, রাজনৈতিক মোর্চা জামাতকে শুধুমাত্র রাজনৈতিক স্বার্থেই কোলে তুলে নেয় আমাদের এদেশীয় মূল ধারার রাজনৈতিক দলগুলো। খেয়াল করুন, রাজনৈতিক স্বার্থে, আরেকটু ছোট করে বললে, "স্বার্থে"।

মানুষ, আরেকটু প্রিসাইজলী বাংলাদেশের মানুষ শুধু রাজনৈতিক সচেতনই না বরং হৃদয়ে সেটা অনেকাংশে ধারণ এবং লালন ও করে। স্বার্থটা এখানে অনেক বড় একটা রোল প্লে করে সবার ক্ষেত্রেই। এইদিকটা বিবেচনা করেই একটা সকুতোভয় প্রশ্ন জেগে ওঠে মনে, "ওয়ামি কি তার নিজের নিকেই, সগর্বে আবার ফিরে আসবে এখানে!"

রাজাকার কামারুজ্জামান পুত্র ওয়ামি'র অন্যান্য আন্তর্জালিক কার্যক্রম সম্পর্কে কিছু জানা দরকারী না হলেও কেবল এবং কেবলমাত্র সামহোয়্যারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কথা মাথায় রেখেই আশংকাটা হচ্ছে। একেবারে প্রথমেই উল্লিখিত সেনানায়কের উক্তিটি যেনো সামহোয়্যারের সঙ্গে ওয়ামি'র কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রযোজ্য না হয়।

ওয়ামিকে যেনো অন্য কোনো ভৌতিক নামেও সামহোয়্যারে দেখতে না হয়। তাহলে হয়তো অন্য সাধারণ ব্লগাররা বিরূপভাবে প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে। কর্তৃপক্ষকে দেওয়া শ্রদ্ধাঞ্জলি থেকে তখন প্রতিটা ফুল হয়তো এই সাধারণ ব্লগাররাই টেনে তুলে নেবে একে একে - এটা ধুসর গোধূলি'র একটা আশংকা মাত্র।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28779548 http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28779548 2008-03-16 10:19:24
বইমেলাঃ আজ বিকেলে আরও একটি মোড়ক উন্মোচন
পরিচিত ব্লগারদের অনেকেরই বই ইতোমধ্যে মেলায় চলে এসেছে। শুধু খারাপ লাগে গর্ব করার মতো অন্তত একটা বই আমরা মিস করলাম এ যাত্রায়।

তবে আজকে বিকেলে মোড়ক উন্মোচন হচ্ছে আরও একটি বইয়ের।

প্রথাগত বেষ্টনী থেকে বের হবার চেষ্টায় Monga Caravan অবমুক্ত হচ্ছে আজ, বিকেল চারটায়, বইমেলায় বিডিনিউজ টুয়েন্টি ফোর-এর স্টলে। বইটি মেলায় পাওয়া যাবে জনান্তিকের স্টলে।

Monga Caravan নিয়ে আমি আগাম কিছুই বলছিনা, সেই দুঃসাহসেও যাচ্ছিনা আপাততঃ। শুধু জানিয়ে রাখি বইটার ফ্ল্যাপে উল্লেখিত বাক্যসম্ভারই যথেষ্ট বইটি সম্বন্ধে একটা ছোটখাটো আইডিয়া দেয়ার ব্যাপারে।

'তীর্যক রচনা'র রচয়িতা মাসকাওয়াথ আহসান তাঁর প্রথম ইংরেজী বইটিতে যে জিনিষের প্রতি খেয়াল রেখেছেন তা হলো পাঠকের সুবোধ্যতা। বাংলাভাষী নভেলিস্টদের মাঝে ইংরেজী বাক্য ব্যবহারে যে দুর্বোধ্যতার সণ্ণিবেশ ঘটানোর প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়, বোধকরি সেই দোষ থেকে মুক্ত Monga Caravan। আমি ইংরেজীতে মোটামুটি স্ব-অক্ষর জ্ঞান সম্পন্ন হয়েও বইটির যে কয়টা গল্প পড়ার সুযোগ পেয়েছি, তার প্রতিটা লাইন অনুসরণে মোটেও অসুবিধে হয়নি। অসুবিধে হয়নি বুঝতেও। গল্পগুলো পড়ার সময় এটি দেব কিংবা জয়-এর পকেট সংস্করণ ও কাছে রাখার প্রয়োজন পড়েনি।

ইংরেজী উপন্যাস তো হওয়া উচিত এরকমই। পাঠক বান্ধব। দাঁত ভাঙা ইংরেজী বাক্যের সমাহারে নয়।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28768807 http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28768807 2008-02-10 12:22:41
চোখে আমার তৃষ্ণা... ফুটুফুটে প্রাপ্তির জন্য সবার কাছে সামান্য প্রার্থনা
আমি এ যাবৎ যা কিছুরই সন্তর্পনে গিয়েছি, সেই জিনিষটিই আমার থেকে দূরে সরে গেছে। কখনো হয়েছে উল্টোটা। আমার খুব প্রিয় জিনিষের কাছে থাকা হয়নি কখনো আমার। কাঁচের দেয়াল এক সবসময় একটা লাইন টেনে দিয়েছে। সেই লাইন অতিক্রম করা হয়নি আমার, আজ পর্যন্ত।

সামহোয়্যারের জন্মের পর যে একটামাত্র ইস্যুতে সবাই এক ছিলো, সে হলো প্রাপ্তি। ফুটফুটে একটা বাচ্চা। যার মুখটার দিকে একবার তাকালেই মনেহয় বেঁচে থাকি আমি, বেঁচে থাকুক সমগ্র সৃষ্টি। প্রাপ্তি দুচোখ ভরে উপভোগ করুক চারপাশের সব সৌন্দর্য আর আমি তার প্রশান্ত চোখের তারা দুটো দেখি মন ভরে।

প্রাপ্তির সঙ্গে আমার এটাচমেন্ট নেই। রাখতে চাইনি। কেনো চাইনি তা উপরে উললেখ করলাম। আমার সাহসের খুব অভাব, আমি সাহস করতে পারিনা এখানে। প্রাপ্তির মুখের হাসিটুকু যে আমার কাছে অনেক অনেক মূল্যবান।

প্রাপ্তি ফাউন্ডেশন বলে কিছু একটা হবার কথা ছিলো। কাজটা একটা জায়গায় এসে মুখ থুবড়ে পড়েছে। খুব ভালো একটা উদ্যোগ নিয়ে শুরু হওয়া পথচলা কি থেমে যাবে এখানেই? প্রাপ্তির চিকিৎসা কি মাঝপথে এসে থেমে যাবে কেবল টাকার জন্য? আমাদের কাছে কি হৃদয়ের চাইতে টাকার মূল্য এখনো বেশি?

আমি ভালো উদ্যোক্তা নই, বক্তা কিংবা লেখকও নই। মনের আকুতি প্রকাশে সম্পূর্ণ অক্ষম আমি। কিন্তু এই ব্লগেই আমি দেখেছি অনেকে অনেক ভালো ভালো উদ্যোগ নিতে সক্ষম। তারা কি পারেন না আবার আরেকটা উদ্যোগ নিতে, আবার সবাইকে এক করতে, আবার সবাইকে প্রাপ্তির পাশে দাঁড়াতে উদ্বুদ্ধ করতে?

আরতো মাত্র দেড় বছর। এই দেড়টা বছর আমাদের অনেকের খুব সামান্য একটু 'ছাড়'ই প্রাপ্তিকে দিতে পারে পূনর্জীবন, অনাবিল হাসিতে জগৎ ভরে তোলার একটু সুযোগ! একটু দেখুন না মানবতার দাবীকে হৃদয়ের দাবী দিয়ে ঝালিয়ে নেয়া যায় কিনা, একটা ফুটফুটে সুন্দর মুখে চিরঅম্লান একটা হাসি ফুটিয়ে তোলা যায় কিনা।

একটু থামুন... ভাবুন একটাবার... একটা শান্ত চেহারার ছোট্ট বাবু আপনার মুখের দিকেই তাকিয়ে আছে করুণ চোখে। তার ডাকে সাড়া দিন দয়াকরে... প্লীজ!!

প্রাপ্তির চিকিৎসার ব্যাপারে আরও জানুন এখানে Click This Link

পুরানো ব্লগার সাদিকের সেই আন্দোলন জাগানো পোস্টটি আছে এখানে Click This Link

প্রাপ্তি লিখে সামহোয়্যারে কনটেন্ট সার্চ দিলেও অনেক লেখা বের হয়ে আসবে বোধকরি।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28765791 http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28765791 2008-01-31 12:05:42
লেখার এলোমেলো ড্রাফট ১৩
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28764078 http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28764078 2008-01-25 06:55:43
কৃষ্ণ করলে লীলাখেলা... আধো নারী আর আধো নর নিয়ে কবিতা লিখে বিদ্রোহী কবি যে কেবল সাম্যবাদীর স্পষ্ট নীতিই বুঝান নি আমরা তার প্রমাণ পাই এই দুই হাজার অষ্ট সনে এসে। অর্ধেক খামচা নারীচরিত্র, এক চিমটি সমান নরচরিত্র, কয়েক ছটাক ক্লীব আর বাদবাকিটুকু 'সুশীল' নামক খাচড়া চরিত্রের পাঁচড়ায় নিজেকে পঁচিয়ে যার আত্মপ্রকাশ সেই কলুর বলদ, হাত কচলানো কোনো পাবলিকের কথাও বুঝি বিদ্রোহী কবি (সালাম) মনের অজান্তে বর্ণন করে গেছেন।

বর্ণিত এই অধোঃশ্বর (নাকি মহেশ্বর!) কথার প্রস্ফুটনে সংখ্যাগুরু নারীচরিত্রের প্যানপ্যানানী ছাড়ান না দিতে পারলেও কীবোর্ডে মহাবীর আলেক্সান্ডার সাজার প্রয়াস দেখান চান্স পেলেই। খ্যাতির বিড়ম্বনা পড়া আছে বলেই বিশ্বাস করি, তথাপিও সস্তা খ্যাতিলভের আশাতীত প্রত্যাশা থেকে বের হতে পারেনা বোধকরি উল্লেখিত চরিত্র।

মিঠা পানির মাছের মতোই পুত্রশোক করে, মিঠা মিঠা কথায় জাউ জুড়িয়ে, এরে সাইজ করে, তারে গুঁতা মেরে, অমুকের আটাশ জেনারেশনের বংশপরিচয়ের ধোঁয়া তুলে, অশ্লীল উক্তিকারীতের তুলাধুনো করে শেষ পর্যন্ত কী দাঁড়ায়! - তর্কের খাতিরে নিজে এমন এক কথা বলে যেটা শুনলে তার নিজের জন্মদাত্রীও শরমে আঁচলে মুখ লুকায়!

কৃষ্ণ করলে লীলাখেলা হুজুরে করলে মোহাব্বত আর আমরা, ম্যাঙ্গো পিপোল সেটা করলে হয় চোট্টামী?
হায়রে কলুমরাশিদা, মানুষ আর হওয়া হইলো না। আজন্ম আচোদা সুশীলই রইয়া যাওয়া হইলো!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28761575 http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28761575 2008-01-17 00:11:49
সামহোয়্যারে যা ঘটলো, যা ঘটবে তার 'পেছনের কারণ' - Arild, you MUST read this
কালকের বিশাল এক ডামাডোলের মধ্যে আপনি হঠাৎই (মডারেটর সেজে) ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ না হলে কী যে হতো তা একমাত্র সৃষ্টিকর্তাই জানেন। কুর্ণিশ করা আমার ধর্মে নিষেধ আছে বলে হয়তো আপনাকে তা করতাম না কিন্তু এই কাজটুকুর জন্য শ্রদ্ধায় নত হয়ে আপনার ডান হাতের তালুটিতে চুমু খেয়ে নিতাম নির্ঘাৎ।

-এই লেখাটি আমি এরকম করে শুরু করতে পারতাম আরিল। কিন্তু পারছি না। আপনার মূল রেখে শাখায় কোপানো প্রক্রিয়াকে সমর্থন করতে পারছিনা বলে আমাকে ক্ষমা করবেন। ক্ষমা করবেন আপনাকে অসমর্থ্য এক সেনাপতি ভেবে ফেলার জন্য, ক্ষমা করবেন বস্তুতঃ আপনার অবস্থানকে ভিজে যাওয়া দেশলাইয়ের ভেতর একটি ম্যাচের কাঠির মতো মনে হওয়ার আমার ঔদ্ধত্যের জন্য।

আরিফ জেবতিক কে চেনেনতো আপনি। ঐযে সেই বোকা বাঙালী যে কী না নিজের খেয়ে বনের মোষ তাড়াতে বিদেশী এক ভেলরী টেইলরকে তাঁর অধিকার ফিরিয়ে দেবার জন্য নিজের মতো অন্য বোকাদেরকে সাথে নিয়ে ক্যাম্পেইন করেছে নিজেরই জাত ভাইয়ের বিরুদ্ধে। মনেপড়ে আরিল, এই বোকা ব্লগার আরিফ জেবতিক একটি পোস্ট লিখেছিলেন আপনাকে উদ্দেশ্য করে! তার এই পোস্টখানা আমার মতো আরও অনেক বোকা ব্লগারেরই পছন্দের তালিকায় এখনো ঝুলছে। অহো, এরজন্য অবশ্য আপনার টীম বড়সড় একটা ধন্যবাদ পেতেই পারেন, কারণ 'প্রিয় পোস্ট' নামক ফিচারটির সুযোগতো আপনারাই আমাদের করে দিয়েছেন।

আরিল, আপনার কি সেই পোস্টখানা পড়া হয়েছে আদৌ! আপনি কি আপনাকে উদ্দেশ্য করে করা পোস্ট, কমেন্ট আর ইমেইল গুলোর সব পড়েন নাকি যা আপনার সামনে উপস্থাপন করা হয় কেবল সেগুলোই আপনার নেকনজর পায়?

চলুন একটু চোখ বুলাই তাঁর লেখায়, দেখি কী বলতে চেয়েছিলেন আরিফ জেবতিক নামের সেই বোকাটি।
" আরিল,
আমাদের দেশটা বড়ো দূ:খী।হাজার বছরের ইতিহাসে আমরা শুধু নির্যাতিত হয়েছি,পরাধীন হয়েছি। মগ,পর্তুগিজ,আফগান,তুর্কি,মোগল থেকে পাকিস্তান পর্যন্ত সদ্য সমাপ্ত ইতিহাস তাই আমাদের পূর্বপুরুষদের নির্যাতিত হবার ইতিহাস।

সেই ইতিহাসকে বদলে দিতে আমার পিতা ৭১ সালে অস্ত্র হাতে তুলেছিলেন। সে এক মহাগৌরবের ইতিহাস তখন আমাদের।
অথচ সেই ইতিহাসের মাঝেও এক চরম কলংক লেগে আছে। আমাদেরই কিছু মানুষ তখন আমাদের বিপরীতে দাড়িয়ে আমাদের বিরুদ্ধে লড়েছে। আমাদের মায়েরা ধর্ষিত হয়েছেন,আমাদের বোনেরা রক্তাক্ত হয়েছেন,আমাদের ভাইগুলো আর কোনদিন বাড়ি ফিরে আসে নি...

সেই মায়ের লাশ,ভাইয়ের রক্ত,সেই বোনের বেদনা আমরা বুকে বয়ে নিচ্ছি নিরন্তর।আমরা তাদের জন্য কাদিঁ,হাজার বছর পরেও আমরা তাদের জন্য কাদঁবো।

আমাদের খুব কষ্টের একটা কথা আপনাকে বলি আরিল।
সেই পশুদের বিচার আমরা করতে পারিনি।বড়ো দূর্ভাগা জাতি আমরা,আমাদের সকল অর্জন আমাদের রাজনীতিবিদরা বারংবার ছিনতাই করে নিয়ে যান।তবু বিশ্বাস করুন আপনি,সেই পশুদের দেখলে এখনও আমাদের গায়ের পশম দাড়িয়ে যায়,ঘৃণায় আমাদের মুখে থুতু জমে ।

অম্লীলতার সংজ্ঞা নির্ধারনের সময় এই বিষয়টা যদি আপনি খেয়াল রাখেন,তাহলে কৃতজ্ঞ থাকব।একজন ঝুমকা’র অম্লীল দেহবল্লরি থেকে একজন গোলাম আযম,একজন নিজামী,একজন মুজাহিদ কিংবা একজন কামরুজ্জামানের ছবি তাই আমার কাছে, আমাদের কাছে হাজার গুন বেশি অম্লীল।সেই অম্লীলতাকে আপনি সমর্থন করবেন না,এই আশাটুকু আপনার কাছে করি। আমাদের উত্তর প্রজন্মের সামনে এদের ছবি আপনি আপনার সাইটের মাঝ দিয়ে প্রদর্শন করবেন না,সেই প্রার্থনা আপনার কাছে।

... ... ... আরিল,আপনি জেনে রাখুন,আমি অথবা আমার উত্তর প্রজন্ম একদিন না একদিন সেই নরপিশাচ আর তাদের মদদ দাতাদের বিচার করবই। আজ অথবা একশ বছর পরে সেই ঘৃণীত মানুষদের তালিকায় যেন আপনাকে আমরা না রাখি,সে সিদ্ধান্ত আপনাকেই নিতে হবে,এখুনি... "


- এবার চলুন বর্তমান প্রেক্ষাপটের দিকে একটু দৃষ্টি ফেরাই। আপনি ব্লক করলেন বেশ কয়েকজন ব্লগারকে। কারণ দেখালেন 'তারা ফ্ল্যাডিং করেছে। আপনার হাতে নাকি পর্যাপ্ত সময় ছিলোনা পেছনের কারণ ঘেঁটে দেখবার, তখন জরুরী ছিলো ফ্ল্যাডারদের আঁটকানো!'

- আরিল আমি বিশ্বাস করে নিলাম আপনার এই দাবী, কিন্তু আমাকে কি এটাও এখন বিশ্বাস করতে বলবেন এখন যে আপনাকে বারবার আরিফ জেবতিক, অমি রহমান পিয়ালরা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে, পড়িয়ে, বুঝিয়ে দেবার পরও বুঝতে পারছেন না "পেছনের কারণ" কি!

আরিল, আপনাকে একটু কষ্ট করে এবার ব্লগার রাগিবের এই কথাটুকুতে চোখ বুলাতে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।
"স্বাধীন বাংলাদেশে বসে রাষ্ট্রদ্রোহমূলক কথাবার্তাকে সমর্থনদান করাটা সামহয়ারইনব্লগ এবং এর কর্মীদের জন্য রাষ্ট্রদ্রোহেরই সমতূল্য।

আমি আগের একটি কমেন্টে প্রশ্ন রেখে ছিলাম, নরওয়েতে গিয়ে যদি কোনো বাংলাদেশী একটা ব্লগ খুলে ইহুদীবিদ্বেষী এবং নাজী মতবাদের সমর্থনে কথা বলতে থাকেন, সেটাকে কি উদারমনা, বাকস্বাধীনতার দেশ নরওয়ে টিকতে দিবে? কয় দিনের মাথায় সেটাকে বন্ধ করে দেয়া হবে ও সেই বাংলাদেশীকে দীর্ঘমেয়াদী জেল-জরিমানা দেয়া হবে? এই প্রশ্নের জবাব কী, কর্তৃপক্ষ?

এহেন অবস্থা, বাকস্বাধীনতার নামে রাজাকারদের তোষণ করা যদি ব্লগের নীতি হয়, তাহলে এই ব্লগ তার সব পাঠক হারাবে, এবং আইনত দেশদ্রোহিতার সম্মুখীন হবে। বাংলাদেশে বসবাসরত বিদেশী নাগরিকদের এদেশের স্বাধীনতার চেতনাকে সম্মান করে চলাটা উচিৎ। দুনিয়ার অন্য কোনো দেশে ভ্রমণে গেলে আমরা সে দেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে ধুলায় মিটিয়ে ফেলার চেষ্টায় থাকি না। আশা করি ব্লগের উদ্যোক্তারা সেটা মনে রাখবেন। এটা ২০০৮ সাল, স্বাধীন বাংলাদেশ এখন ৩৭ বছরে পড়েছে। এটা ১৯৪৭ বা ১৭৫৭ সাল না।"


আপনি সামহ্যোয়ার-এর কর্তাব্যক্তি। তো কর্তৃপক্ষকে করা রাগিবের এই প্রশ্ন (অথবা মন্তব্য)এর উত্তরটা কি আপনি দেবেন আরিল?

আপনি কালকে ব্লগ শান্ত করার উদ্দেশ্যে কতগুলো নিক ব্যান করলেন। আশা ছিলো ব্লগ শান্ত হয়ে যাবে। পরিনামে আদৌ কি হয়েছে? কালকের ঘটনাকে আজকে জনৈক ব্লগার তার করা প্রতিটা মন্তব্যে 'কাট-পেস্ট' হিসেবে উদ্বৃতি করার যে অভিযোগ উঠেছে সেটা নিয়ে কি একবারও আপনি মাথা ঘামিয়েছেন? আপনার "তাৎক্ষণিক ব্লগ ঠান্ডা" করার রেসিপিতে তো সেই আলোচিত নিকটিও ব্যান হবার কথা। সেটা কি কার্যকর হয়েছে মি. আরিল? অন্য কোন জায়গায় লিখলে তাতে যদি কারো সন্দেহের তালিকায় পড়তে হয় তাহলে তো সন্দেহপোষণকারী ব্লগারকে সাম্প্রদায়ীক উষ্কানীর আওতায়ও ব্লক করার কথা! ব্লক কি করেছেন আপনি (কিংবা হঠাৎ মডারেটর হয়ে কেউ এসে)!

নাকি আপনি এমন কোন আইন করে রেখেছেন যে অন্য কোথাও লিখলে এখানে লেখা যাবেনা কিংবা যে কারো সন্দেহের রোষাণলে পড়তে হবে! আর আপনি জনৈক ব্লগারকে অথরাইজ করেছেন সেই অমর বাণী প্রচার করার জন্য!
(যদি তাই হয় জানাবেন দয়া করে, ভেবে দেখবো ব্লগিং জীবনের ইতি টানার সময় হয়েছে কী না।)

"you did wrong mate" - বলে আপনার কানের কাছে আমার চেঁচিয়ে কোন লাভ নেই। অমি রহমান পিয়াল আপনাকে একটা আলটিমেটাম দিয়েছেন, খেয়াল করে থাকবেন হয়তো যদি আপনার এমপ্লয়ীরা সেটা দেখা, পড়া এবং বুঝার সুযোগ আপনাকে করে দেয়। আপনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী, মুক্তিযুদ্ধের কোলাবোরেটরদের সপক্ষে সাফাই গেয়ে যেকোন লেখা বন্ধ করুন, সামহোয়্যারের পরিবেশ সুস্থ হতে বাধ্য, আপনার আকাঙ্খিত 'হিট' ও আপনি পাবেন। কিন্তু দয়া করে এক চোখে তেল আরেক চোখে নুন বেঁচে নিজেকে এমন জায়গায় দাঁড় করাবেন না যে আশংকার কথা আরিফ জেবতিক বলেছেন, যে আশংকার কথা রাগিব হাসান বলেছেন।

আপনার সম্মানিত স্থান হোক বাঙালীর হৃদয়ে, বাঙালীর থুঁতুতে যেন আপনাকে আজীবন বেঁচে থাকতে না হয় জনাব আরিল। সেটা একটু ভেবে দেখবেন!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28759201 http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28759201 2008-01-09 09:51:28
কে আছো হে নটরডেমিয়ান...
এখানে আমরা এক হবো সবাই।

নতুনের ঝংকার মুষলধারে বেজে যাবে পুরনোর উষ্কানীতে। প্রিয় কলেজের মাঠে এক শামীয়ানার নীচে নাইবা হতে পারলাম একীভূত, নাইবা হলো আমাদের পুনর্মিলনী, নাইবা হলো এলামনাই। আমরা এখান থেকে আবার ফিরে যাবো ফেলে আসা সেই দিনগুলোতে। একে অন্যের সান্নিধ্যে থেকে এখানেই হবে আমাদের পুনর্মিলনী, হাসি, ঠাট্টা, গুঞ্জন। এখান থেকেই আবার পুরনো তালে ভিখু খুঁজে তুলবো খুনসুটির টর্নেডো!

তুলনা হবে, স্মৃতিচারণ হবে আমাদের, সেদিন এবং আজকের নটরডেমের। নস্টালজিয়ায় ডুবে ভেসে আমরা সিক্ত হবো নতুন করে... এখানে, এই ভার্চুয়াল শামিয়ানার তলে
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28756467 http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28756467 2008-01-03 22:57:56
কী দিয়া কেমনে সাজাই দেখতে দেখতে গেলোগা ২০০৭। এইতো সেদিন মোটে শুরু হইছিলো বছরটা। কোনদিক দিয়া, কোন চিপায় পইড়া হটহাট, পটাপট কইরা ফুট্টুশ কইরা দেহি নতুন বছরের দ্বিতীয় দিনে আইসা খাড়াইয়া গেছি। ভাবছিলাম একটা সালতামামি লেখুম। তো বইলাম খাতা কলম লইয়া। এক্কারে হালখাতা কইরাই উঠুম। পুরান খাতা বাদ, হিসাব কিতাব সব বাদ, নতুন খাতা খুলুম, উইথ নয়া হিসাব। এই বছর ভালা হইয়া যামু, নো মোরে টাংকিবাজী।

উম্মা, লেখতে গিয়া দেহি মাথায় কিছুই আহে না। এদিকে থাবড়াই, ঐদিকে বাইড়াই মাথায় ব্যাথা লাগে বাইড়ানির চোটে, কুক কইরা উঠি মাগার সালতামামির রসদ আর বাইর হয় না। ভাবলাম ইট্টু রিল্যাক্স করি।

পয়লা দেখলাম : এইটা



দেইখা মনে হইলো আরিব্বাস। চাল্লু জিনিষতো। থুইয়া দিলাম হালখাতার চিন্তা। বাইর করলাম এইটা:



দেইখা তো আমি রাপু খাপাং। আব্বে হালায়, ভালো হয় কোন বেকুব?
রসিক মনের জ্বালা, ঐ লাল কামিজওলী,
দিলে বড় জ্বালা রে ওড়নাওলী। <img src=" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28756115 http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28756115 2008-01-02 22:03:06
বিষবৃক্ষের বেড়ে ওঠা
আশা করি ওয়ামি মাইন্ড করবেন না।
আর আমি (সবার কাছে) আশা করবো বদর বাহিনীর প্রধান সংগঠক কামারুজ্জামানের মুক্তিযুদ্ধকালীন কর্মকান্ড প্রকাশ করুন এখানে। ওয়ামি কামারুজ্জামানের ব্যাপারে সন্দিহান, ''... দোষি হতেই পারেন" এখান থেকে বুঝা যায় ওয়ামির চোখে আসলে বাঙালীর গলাফাটানো অভিযোগ ছাড়া আর কিছুই পড়েনি। এখানে তার জন্য থাকবে প্রমাণ।

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৬:০৮
ধুসর গোধূলি বলেছেন:

জবাবের জন্য ধন্যবাদ। (তবে কমেন্ট মডারেশন জাতীয় জিনিষটা ঝুলিয়ে রেখে পোস্টখানা প্রথম পাতায় দেয়াকে সমর্থন করলাম না।)

ইটিভিকে বিশ্বাস করার দরকার নেই ওয়ামি। ইটিভি সারা বাংলাদেশের সাড়ে সাত কোটি বাঙালীর (অর্ধেকই হিসাবের বাইরে রাখলাম) মুখমাধ্যম না। এই সাড়ে সাত কোটির মধ্যে খুব বড় একটা অংশ ইটিভি কেনো কোন টিভিরই ধার ধারে না। অথচ এদেরই কারো ভাই, কারো বাপ, কারো চাচা শহীদ হয়েছেন মুক্তিযুদ্ধের সময়। এদেরই কারো বোন, কারো মা, কারো চাচী তাদের জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ সম্পদ হারিয়েছেন। এদের প্রাণের দাবীর প্রতি শ্রদ্ধাতো আছে আপনার নাকি?

এরাই বলে কামারুজ্জামান একাত্তর সালে কেবল বদর বাহিনীর প্রধান সংগঠকই ছিলেন না বরং উপরিউক্ত ঘটনাগুলোর ঘটনের সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন, পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে সহযোগিতা করেছেন।

আপনি যে 'বুদ্ধিবৃত্তিক ভাবে দেউলিয়া একটি সমাজে'র কথা বলছেন না, আমি সেটিকে বলি 'বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে দেউলিয়া করে ফেলা একটি জাতি'। এর পেছনে কারা আছেন জানেন? আছেন আপনি যাকে আপনার জন্মদাতা বলে জানেন সেই বদর বাহিনীর প্রধান সংগঠক কামারুজ্জামান।

'ঢাকার চাপে' আপনাদের পারিবারিকভাবে পরিচিত কোন সাংবাদিক রিপোর্ট করার পর কাচুমাচু করে বলতেই পারে 'নিজের ইচ্ছেতে করে নি', কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের সময়গুলোতে বদর বাহিনীর নৃসংশ কর্মযজ্ঞে ভুক্তভোগীরা ভোলেনি সেই চেহারা গুলো, ভোলেনি নামগুলো।

ভাবছেন, ইটিভির মতোই আপনার পিতাকে নিঃগৃহীত করার অপপ্রয়াস চালাচ্ছি?

নাহ্, ওয়ামি- আপনি একটু কষ্ট স্বীকার করুন, সংযোজিত লিংকটিতে ( Click This Link ) একটু সময় কাটান, দেখুন এখানে বদর বাহিনীর প্রধান সংগঠক হিসেবে যার নাম লেখা আছে (স্ক্রল করে পেইজের মাঝামাঝি জায়গায়, বর্তমান অবস্থান সহ উল্লেখিত) সেই কামারুজ্জামান আপনার 'পিতা পরিচয়দানকারী কামারুজ্জামান' কিনা।

যদি নিজের পিতাকে চিনতে পারেন তাহলে একটিবারের জন্য হলেও দাঁড়ান তার মুখের সামনে। নিজেই জিজ্ঞেস করুন, মুক্তিযুদ্ধের সময় কি ছিলো তার ভূমিকা, কি ছিলো বদর বাহিনীর ভূমিকা'।

আর যদি নিজের পিতাকে খুঁজে না পান। তাহলে আর কী বলবো!
আল্লাহ্ আপনার মনকে শান্ত করুন!


(ওয়ামি আমি আগেই বলেছি: আপনার কমেন্টিং সিসটেমটা আমার পছন্দ হয়নি। আমার এই কমেন্টটি যদি আপনার স্ট্যান্ডার্ড টেস্টিং মানদন্ড অতিক্রম নাও করে, লেখাটি আমার ব্লগে পাবেন আপনি। এবং সেখানে আপনাকে আমন্ত্রন জানিয়ে রাখলাম খোলা মন্তব্য প্রদানে।)

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:০১
লেখক (ওয়ামি) বলেছেন:

ধুসর গোধূলি, আমার কথা ভালো না লাগলে আপনি আমার পোস্ট পড়বেন না। আমার কথা বিশ্বাস করার দরকার নেই আপনার। নিজেই যেখানে সাড়ে ৭ কোটি বাঙালীর মুখপাত্র হয়ে বসে আছেন সেখানে অন্যের মতামতকে গুরুত্ব দেবার কোনো দরকারতো দেখিনা।

আমার (ধুসর গোধূলির) উত্তর: ঠিকাছে পড়বো না। কিন্তু কথা হলো ভালো লাগা বা না লাগার বিষয়েতো আমি এখনো কিছুই বলিনি। সাড়ে সাত কোটির মুখপাত্রও হইনি, যাদের কথা বলেছি আমি তাদের একজন, তাদেরকে বুঝি। আর বুঝি বলেই সংখ্যাটা অর্ধেকে নামিয়ে এনেছি। ইটিভি, বিটিভি কি বললো তা নিয়ে মাথা এরা ঘামায় না। পারলে এদের অভিযোগের জবাব দিন, (মামলা, রায়, আদালত সেগুলো নাহয় পরে হবে)। শুধু শুধু রেগে যান কেনো!

ওয়ামি : আপনি পলিটিশিয়ানদের মতো কথা বলছেন, জনগণকে নিজের দিকে টানছেন, নিজের মতামত তাদের উপর চাপিয়ে দিচ্ছেন, গণদাবীর কথা বলছেন -- যার কোনোটাই কোনো ব্যক্তিকে যুদ্ধাপরাধী প্রমাণের জন জন্য যথেষ্ট না। ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইলিং, বাবা-মা-ভাই-বোন হারানোর গীতিকাব্য অনেক হয়েছে। বাঙালীকে এভাবে মনস্তাত্বিকভাবে ধর্ষিত হতে দেখতে আর ভালো লাগে না। তাই সবাইকে অনুরোধ, নিজের প্রতি দয়া করুন। এধরনের ব্ল্যাকমেইলের শিকার হওয়া থেকে বিরত থাকুন।

আমার (ধুসর গোধূলির) উত্তর: ও.কে ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইলিং এবং পলিটিশিয়ানবাজি (আমি এই জিনিষটাকে আলবদর দের চাইতেও বেশি ঘৃণা করি) বন্ধ! আসুন তাহলে টু-দ্য-পয়েন্ট কথা বলি।
Click This Link এখানে স্ক্রল করে মাঝামাঝি জায়গায় বদরবাহিনীর হাই-কমান্ডের কথা বলা আছে। এখানে আপনার পিতাকে সনাক্ত করতে পারেন? পারলে জানান, পরবর্তী টু-দ্য-পয়েন্ট রেডি আছে। আর না চিনলে যে কামারুজ্জামান আপনার পিতা না তাকে নিয়ে আপনাকে টানবো না!


ওয়ামি : আমি আগেও বলেছি, আবারও বলছি আমার বাবা দোষী হতেই পারেন। কিন্তু সেটা ঠিক করবে আদালত, জনগণ না। এমনকি ১৫ কোটি স্ট্রং পাবলিক ওপিনিয়নের জোরেও কখনো কোনো ব্যক্তিকে অপরাধী বানানো যায়না। সত্য সত্যই। ১০০ জনের মধ্যে ৯৯ জন অস্বীকার করলেও সেটা সত্য। সুতরাং সাড়ে ৭ কোটির ভয় দেখাবেন না।

আমার (ধুসর গোধূলির) উত্তর: আদালতে যাবার আগে আসুন দেখি আপনার পিতার (বদর বাহিনীর সেই কামারুজ্জামান আপনার পিতা হলে) নামে সত্যিই কোন অভিযোগ (পনেরো কোটি দরকার নেই, ন্যূনতম একটা) আছে কিনা নাকি সবই পলিটিশিয়ানবাজি! 'দোষী হতেই পারেন' - এটাকে চলেন দেখি 'দোষী' কথাটা দিয়ে প্রতিস্থাপিত করা যায় কিনা, তাহলে হয়তো আদালতে যাবার আগে দেশপ্রেমিক হিসেবে আপনাকে পাশে পাওয়া যাবে। ক্লিক করেছেন লিংকটায়?

ওয়ামি : মিথ্যাচারের প্রতিবাদ করতেই হবে। আপনি না করলেও আমাকে, আমি না করলে অন্য কাউকে করতেই হবে। প্রতিবাদ না হলে আমরা একটা ক্লীব সমাজে পরিণত হবো। সমাজের এক্সিসটেন্স প্রশ্নবিদ্ধ হবে। প্রতিবাদটা আরো বেশি করতে হবে মিডিয়ার মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে। কারন সেটার প্রভাব আরো ব্যাপক। তারচেয়ে বড় কথা হচ্ছে এই মিথ্যাচারটি হচ্ছে একটি মহৎ উদ্দেশ্যকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীকে পোক্ত করার জন্য। এটা কি আপনার কাছে মোটেই দুঃখজনক মনে হয়না যে একটা মহৎ দাবীকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য একটা নিম্নমানের মিথ্যার আশ্রয় নেয়া হচ্ছে? এটা কি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিষয়টিকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলবে না? আপনারও উচিৎ প্রতিবাদ করা, নিন্দা জানানো উচিৎ এধরনের নির্লজ্জ মিথ্যাচারের। তা না করে আপনারা আপনাদের পুরনো কৌশল প্রয়োগ করছেন। স্বজনহারাদের ক্ষতে হাত বুলাচ্ছেন। নিজেরা কতটা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে আছেন সেটা প্রমাণের আপ্রান চেষ্টা করে যাচ্ছেন। আর জাতি থেকে যাচ্ছে অন্ধকারে। পারেনও আপনারা।

আমার (ধুসর গোধূলির) উত্তর: অবশ্যই ওয়ামি। প্রতিবাদ তো অবশ্যই হতে হবে। আপনি যদি সেই প্রতিবাদ করেন সেটা আমার চাইতে সর্বাংশে ধাঁরালো হবার কথা। ক্লীব হয়ে যাবার আগেই চলুন প্রতিবাদ করি। বদর বাহিনীর মুক্তিযুদ্ধকালীন হত্যাযজ্ঞকে যারা অস্বীকার করে সেই মিথ্যাবাদিদের বিরুদ্ধে চলুন প্রতিবাদ করি। আসুন একজোট হই যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কাঠগড়ায় আনার মহৎ প্রচেষ্টায়। আপনি তো জানেনই সাংবাদিক, সরকার সব লেভেলেই ঘাতকদের আত্মীয়স্বজন, শুভাকাংখী বসে আছে। যে কারনে কোন রিপোর্টের পর খুব সহজেই টেলিফোনে 'রিচ' করে জিজ্ঞাসা করা যায়, বাংলাদেশের বিজয় দিবসেও দাওয়াতনামা আসে। আসুন ওয়ামি, জাতি অন্ধকারে ডুবে যাবার আগেই আপনার মতো সচেতনরা এগিয়ে আসুন। আদালতে যাবার আগে 'সত্যিটা' সর্বাগ্রে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করি। আদালত যাতে কোন ফোনকল পেয়ে বিগড়ে না বসে!

ওয়ামি : বি:দ্র: আমার কমেন্টিং সিস্টেম নিয়ে বিব্রত হবেন না। ইতর এবং বাদরদের হাত থেকে সুস্থ বুদ্ধিকে বাচিয়ে রাখতেই এই ব্যবস্থা।

আমার (ধুসর গোধূলির) উত্তর: আল্লাহ আপনার মঙ্গল করুন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28754940 http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28754940 2007-12-29 20:22:03
লেখার এলোমেলো ড্রাফট ১২ ডরোথীন স্ট্রাসের ইট বিছানো রাস্তায় চৌচক্রযানের ঘরঘর শব্দ কর্ণিকাগুহ্য ভেদে মস্তিষ্কে অবস্থান জানান দেয়। মুহূর্তেই দৃশ্যপট পালটে চলে যায় মেলবোর্ণ। জেনকিন্স স্ট্রীটের পরিচিত শব্দ, নিমেষেই স্থান-কাল-অবস্থানের প্রাচীর দুমরে ফেলে। চোখের পলকে রাস্তাটা বদলে হয়ে যায় রেইলওয়ে প্যারেড। স্টেশনের পাশের বাড়ি থেকে ধুমধাম কানে আসে। মনোযোগে শুনলে ভ্রম হয় নিজের বলে। এক পশলা ঠান্ডা বাতাস কনকনিয়ে নাসিকা-কর্ণ বিদীর্ণ করে। ভাবনার পাখা, মেলার বিপরীতে চুপসে ঢেসে যায় কোটরে। চরিত্রগুলো মুষলধারে এগিয়ে আসতে থাকে অনবরত কথোপকথন চালানোর নিমিত্তে। পা, তার চলার নির্দেশ পেয়ে যায় আগেই। আনমনো হাত পকেট হাতড়ে হলুদখামের যন্ত্র তুলে আনে। নিঃস্তব্ধতায় ইন্দ্রিয় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে যেনো। সময় গুলো তাহলে কেটেই যাচ্ছে বেশ, উইদাউট দিস !ওএফইউ!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28754810 http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28754810 2007-12-29 09:37:07
ধর তক্তা মার পেরেক - টাচ এন্ড গো!
বলি ক্যান, ধুম ধাড়াক্কা চিন্তা করলে কি কেউ ট্যাক্স চাইবো হালায়?

সেদিন দেখলাম কে জানি লেখছে কার চিন্তার আকুপাকু অবস্থা। মানে ঘটনা হইলো যা হওয়ার কথা ছিলো তাই। কোটি বছরের পুরান কাহানী। কোন এক কন্যার লগে এক লগে লেকের পাড়ে বইসা সূর্যাস্ত দেখছে। ঠিক তার পরের দিনই কন্যা বিবাহ করিয়া বসিলো আরেকজনরে এই দুঃখে প্রথম বালক দীঘির জলেই মুখে দেখা বন্ধ কইরা ফেললো।

আরি মুছিবত। কই যাই আমি। লোকজনের ফিলিংস কি বাজারে পাইকারীদরে বিকিকিনি হইতাছে নাকি আজকাল? বছর খানেক আগে শুনলাম এর গিএফ ও নিয়া যাইটাছে, ওরটা সে। কি জ্বালা। এখনতো দেখা যাইতাছে পেরেম করলেও হালায় দারোয়ান রাখোন লাগবো পাহারা দেওনের লাইগ্যা।

খাইয়া আর কাম আছে নি?

তার চাইতে এই ভালো। রবি বুড়ার গানে না মইজা স্ট্রেইট টু নাম্বার ওয়ানে যাইগা <img src=" style="border:0;" />

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28753733 http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28753733 2007-12-25 10:04:11
সহস্র জনে মোরে প্রশ্ন করে... আমার বিবাহের খবরে অনেকই বিচলিত হইয়াছেন, আনন্দিত হইয়াছেন, উদ্বেলিত হইয়াছেন, শালি দিতে না পারিয়া অবশেষে গালি দিয়াছেন- সবার অবগতির জন্য জানাই উক্ত পোস্টখানা ছিলো 'প্রিন্টিং মিশটেক', ছাপার ভুল।

লাল আর গোলাপী রঙের মাঝামাঝি রঙের শাড়ি পরা বউ মনে হয় আমার ছিলো না ঐটা। হয় যে নাই এতে বাঁইচা গেছে মনে হইতাছে বেচারা ধুসর গোধূলি। নাইলে হয়তো বিয়ার এক ঘন্টা পরেই বউ ভাগা দিতো আমার চরিত্র আর ক্যারেক্টার সনদের বেহাল অবস্থা দেইখা।

এই পৃথিবীতে কতো ললনা। কারো নাক সুন্দর, কারো চোখ, কারো ঠোট তো কারো গাল। কারো গলা সুন্দর তো কারো চুল- এতো সুন্দর রেখে কোন একমাত্র সোনা বউয়ের লগে সারা জীবন কাটানি কী ধুসরের শোভা পায়?

আর ধুসর গোধূলি বিয়া করবোটা কারে? বিদেশী ললনা বিয়া করলে কাইজ্যা লাইগা যাইবোগা পুরান বয় ফ্রেণ্ডের বাড়ি। আমাদের দেশী ললনা বিয়া করলে কাইজ্যা কইরা, হমানে একগাদা কথা শুনাইয়া যাইবোগা বাপের বাড়ি- উভয় ক্ষেত্রেই মহাসংকটে (মতান্তরে মাইনকা চিপায়) পড়বো বেচারা ধুসর গোধূলি।

অতএব, নো বিয়া, নো তাফালিং, নো হাংকি পাংকি- চলবে কেবল ওনলি টাংকি!!

জয় বাবা টাংকিনাথ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28748501 http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28748501 2007-11-30 09:45:38
ধুসর গোধূলির বিয়া...
কেমনে কি হইলো বুঝা গেলো না। অনুভূতিটা অসাধারণ, আগ্গুন, ব্যক্ত করার অতীত।
আমি পাইলাম, ইহাকে পাইলাম। একেবারে আমার করিয়া পাইলাম।

বিস্তারিত ব্রেক এর পর! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28744859 http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28744859 2007-11-12 07:48:53
মুহাম্মদ, তুমি তো মস্ত বড় যাদুকর!
মাফ করবেন হান্নান সাহেব। এর চাইতে ভদ্র কোন ভাষা ব্যবহার করতে পারলাম না আপনার জন্য। আপনি নিজের মা কে জানার জন্য বিশ্বকোষের স্মরণাপন্ন হয়েছেন কিনা জানি না, তবে আপনার যিনি মা, সেই মায়ের মাতৃত্ব প্রমাণ পাওয়ার পরেও এক গাল হেসে দিয়ে যে চলে যান নি নিজের পথে, সে কথা আমি হলফ করে বলতে পারছি না।

প্রসঙ্গ:ক্রমে পূর্বপ্রকাশিত আমার এই লেখাটা থাকলো।

চৌদ্দশ বছর আগের সেই ঘটনা। যখন আবু লাহাব বা আবু জাহেলের দল মুহাম্মদ (সাঃ) কে বলেছিলো যদি চাঁদকে দ্বিখন্ডিত করে দেখাতে পারো তাহলে তোমার কথা মেনে নিব। ইসলাম ধর্মে বিশ্বাস করবো। ঘটনাক্রমে চাঁদ দ্বিখন্ডিত হলো কিন্তু সেই দল তখন তাদের পূর্বপ্রতিশ্রুতি অনুযায়ী মুহাম্মদ (সাঃ) এর আনুগত্য তো স্বীকার করলোই না বরং হাসতে হাসতে বলে চলে গেলো, 'বাহ্ মুহাম্মদ, তুমি তো মস্তবড় যাদুকর'।

কনফুসিয়াসের প্ল্যানচেট আয়োজনের সঙ্গে সামান্য যোগ করি। প্রমাণ, দলিল এগুলো দেখিয়ে কি লাভ! যারা দেখতে চাওয়ার তারা চাইবেই। কিন্তু দলিল, প্রমাণ দেখিয়ে চোখে আঙুল তুলে সত্য বুঝানোর পরেও হাসতে হাসতে নিজের পথেই চলে যাবে তারা। নিজের গায়ে ইসলামের ট্যাগ লাগাবে ঠিকই কিন্তু কাজে কর্মে প্রমাণ দিবে আবু লাহাব এবং আবু জাহেলের উত্তরসূরী হিসেবেই।

ইতিহাস মরে না, বারে বারেই আবর্তিত হয়। আবু লাহাব রাও ফিরে ফিরে আসে, বার বার, হাজারবার। তাদের অভিশপ্ত আত্মাও আমাদের আশে পাশেই ঘুরঘুর করে। তাদের মনোবাসনা হলো, 'আমি বুঝুম না, আমারে বুঝাইবো কোন হালায়!'

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28741254 http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28741254 2007-10-30 16:29:58
ধুসর গোধূলির মন খারাপ
চেয়ারে ভ্যাব্দার মতো বইসা বইসা ফ্যাল ফ্যাল কইরা চাইয়া থাকি মনিটরের দিকে। ঘুমাইতে মন চায়, আবার শুইতে গেলে মনে হয় সময় নষ্ট হইবো। বাইরে যাইতে মনে লয়, যেই ঠান্ডা পড়ছে, সাহস পাই না। ভাল্লাগতাছে না কিছুই। এক্কারে ব্যারাছ্যারা অবস্থা!

কেঙ ধইরা পুরান পুরান কতগুলা গান হুনতাছি। একটা দেই এইহানে
আরেকটা দেই এইহানে

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28738893 http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28738893 2007-10-21 23:37:33
থেমে যাওয়া পৃথিবী... বন্ধু দিবস গেলো।

ভ্যালেন্টাইনের মতো একে একে আরও কতো দিবস এলো গেলো, কোন বিকার নেই।
পরিশেষে, বন্ধুর জন্য রাখা অনুভূতিটাই আসল।

ঘুরতে থাকা পৃথিবীটা হঠাৎ থেমে গেলে কেমন হতো!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28724960 http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28724960 2007-08-10 02:44:38
লেখার এলোমেলো ড্রাফট ১১ বেথোফেনের মূর্তির সামনে বহুদিন পরের ক্ষণ নিয়ে যায় বহুদিন পূর্বের ক্ষণে। সেদিন ছিলো বিশাল গোলাকায় চাঁদ। রূপালী আলোয় উদ্ভাসিত চত্বর। কিঞ্চিত দোলানো পায়ে ছিলো নেশার অন্যরকম সিম্ফনী। স্মৃতি মোটেও বিঘ্ন ঘটায় না। গোল্ডেন জন্মদিনের কথা মনে পড়ে। 'সর্বশেষ উইশার' ভিন্য দোতনা তুলে নেচে যায়। ডানে বামে তাকিয়ে কয়েকজনের অলস এগিয়ে যাওয়া। ভূতুরে আলো। জুপ পারফিউমের ভুভু ঘ্রাণ। দিনের ফ্ল্যাশব্যাকে ওয়াশ স্যালুনে হঠাত বেজে ওঠা মোবাইলের এলার্ট। বন্ধ করে দিয়ে ইচ্ছার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। মার্লবরো লাইটের প্যাকেট খুলে যায়, ধপ করে জ্বলে ওঠে ফয়ারসুগ। নি:শব্দে পুড়তে থাকে আরো একটা ক্যান্সারের খনি!]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28722092 http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28722092 2007-07-23 05:35:09 জিম, একটা স্বপ্ন- তাকে বাঁচান
আপাতত খ্যাতির মায়রে বাপ। এক রত্তি জেবি কিংবা তার পরিবারের কারো জায়গায় নিজেকে কল্পনা করুন। দেখুন তো বুকের বা দিকটা একটু ধুক করে ওঠে কিনা!

সামহোয়্যারের আয়োজকদের বলবো, আরেকটা বার দাঁড়ান। মানবতার পাশে আপনার উপস্থিতি জানান দিন। জেবিকে বাঁচতে দিন। এইটুকু না করতে পারলে নিজের নামের পরে মানুষ টাইটেলটা আর লাগাবেন না। আজ থেকে না হয়, না-মানুষ হয়েই বাকিটা জীবন কাটিয়ে দিলেন।

ডাজ ইট রিয়েলী ম্যাটার টু ইউ?


এই পোস্টটার মতো আমার পোস্টটাও হয়তো আপনাদের সবার দৃষ্টি এড়িয়ে যাবে। এটাই হয়তো আপনাদের তথাকথিত সভ্যতা আর বাস্তবতা।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28720110 http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28720110 2007-07-09 02:22:31
হাজারদুয়ারীর পথচলা-
হাজারদুয়ারীর জুন সংখ্যার জন্য লেখা আহবানের দায়িত্বটুকু জানান দেওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রথম সারির দৈনিকে হাজারদুয়ারীর ডট কম নিয়ে প্রকাশিত একটি রিভিউয়ের লিংকও রেখে দিচ্ছি।

যদিও প্রকাশিত প্রতিবেদনটি এবং 'সম্পাদনা কাঁচির' নিচে পড়া মূল লেখাটির পার্থক্য বিস্তর তথাপি দৈনিক পত্রিকাটিতে প্রতিবেদনটির ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সকলকে অশংখ্য ধন্যবাদ।

প্রতিবেদনটির মূল লেখক হাজারদুয়ারীর একজন অন্যতম প্রধান পৃষ্ঠপোষক এবং এই ব্লগের খুবই পরিচিত ও প্রিয় মুখ।

প্রতিবেদনটি দুবার ছাপা হলেও একটা এখানে উললেখ করলাম ।
হাজারদুয়ারী পড়ুন এবং এই সংখ্যার জন্য লেখা পাঠান। আপনার লেখা নিয়েই ভরে উঠুক হাজারদুয়ারীর প্রতিটি পাতা।

ছড়িয়ে পড়ুক আপনার নিজস্ব ভাবনার কথা সর্বত্র। অনুরণিত হোক আপনার কথা অন্যের মুখে।

লিখুন এখানে : hajarduari AT gmail DOT com

পরিব্রাউজ করুন : http://hajarduari.com/unicode ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28718791 http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28718791 2007-07-01 18:32:51
নস্টালজিক ভাবনা থ্রী-তে থাকতে এক বিকেলের কথা। তখন বন্দর উপজেলা কমপ্লেক্সের সব পোলাপাইন ইউএনও'র বাসার পাশে বিকেল হলেই ভিড় করে। আমার সমবয়সী বলতে ছিলাম আমরা মাত্র দু'জন। শিমু আর আমি। এক বছর পরের আছে শরীফ, শিমুর ছোট ভাই রতন। বড়রা তখন ভাইয়াদের সাথের। ওদের গ্রুপটা বিশাল। আলমচাঁন হাইস্কুলে যায় সবাই। তো আমরা খেলতে গেলে প্রায়ই যুঁথী আপা আমাদের ধরে অন্যদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতো, "আচ্ছা এরা কি দুধ খেয়ে ভাত খায়, নাকি ভাত খেয়ে দুধ"?

অনেকগুলো দিন কথাটার মানেই ধরতে পারি নি। কারণ, বাকী বড়রা যে উত্তরই দিতেন, আমরা খেলায় জায়গা পেতাম। কিন্তু স্ট্যাটাসে খানিক হেরফের হতো। আন্ডাবাচ্চা আমরা সেদিকে মনই দিতাম না। এক হাতে হাফপ্যান্ট টেনে ধরে আরেক হাত নেড়ে নেড়ে দৌড়াতাম সারা মাঠময়। গলা ছেড়ে চিৎকার করতাম শুধু শুধুই।

ফাইভে ওঠার পর শ্যামলরা এলো আমাদের বাসার ওপরের তলায়। আমার ক্লাসের শ্যামল আর তার ছোট বোন হাসিনা। জুয়েল ভাই, যুঁথী আপারা ততদিনে চলে গেছেন অন্য জায়গায়। কাজেই আমাদের কঁচিকাঁচা গ্রুপের ততদিনে খেলায় প্রমোশন হয়েছে। এখন আর "দুধভাত টাইপের" সেই কোড কথা শুনতে হয় না, ডাইরেক্ট খেলাতে নিয়ে নেয়। কিন্তু তখনো কেনো যেন বুঝে উঠতে পারিনি সেই কথার আড়ালে কী ছিলো!


মদনগঞ্জ প্রাইমারী স্কুলে পড়ার সময় একটা ছেলের সাথে পরিচয় হয়েছিলো। পুরা আজব ছেলেটা। যেচে এসে ঝগড়া করতো। খুব বাহাদুরী দেখাতো নিরিহ ছেলেপেলের সাথে।

ছোট বেলা থেকেই দল বেধে চলার কারণে সবসময় ঠ্যাঙানো দাতাদের দলেই ছিলাম, গ্রহীতাদের দলে খুবেকটা পড়তে হয় নি। যদিও আমার 'কম্প্রোমাইজিং' এটিচিউডের কারণে সহজে বন্ধুরা আমাকে একশনে নিতে চাইতো না। একশনে প্যাঁচ না লাগলে মোটামোটি শেষ হলেই আমি খবর পেতাম।

তো একবার সেই ছেলের সাথে আমার এক বন্ধুর বেশ ভালোই লেগে গেলো। ইচ্ছেমতো সাইজ করা হলো তাকে। বিনিময়ে আমাদের কয়েকজনকে বাংলা স্যারের হাতে মার খাওয়ালো। তারপর শুরু করলো প্রপাগান্ডা। "আমার লগে লাগতে আইছিলো, স্যারের হাতে মাইর খাওয়াইছি"। আমরা সিঁড়িয়ে বসে আমড়া খাই আর তার দৌড়াত্ব দেখি। আমাদের সহপাঠিনী সুমির কাছে যেয়ে বলতেই সুমি বললো, "তোমার লজ্জা করে না, নিজেরে এতো পালোয়ান ভাবো, এতো বাহাদুরী করো আর একটু আগে টেংকু একটা ছেলের কাছে পিটা খেয়ে স্যারের কাছে গেছো বিচার নিয়ে। তুমি আসলেই একটা বেহায়া..."।

এইবার আমরা আমড়া খাওয়া রেখে হা করে ভাবি, মুখচোরা সুমিটা এতো কথা শিখলো কবে, এটাও বুঝতে পারলাম না!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28718510 http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28718510 2007-06-29 22:34:07
সচলায়তনকে সামহোয়্যারের বিকল্প কেন বলা হয়? সচলায়তনকে সামহোয়্যারের বিকল্প কেনো ভাবা হচ্ছে সেটা বুঝা যাচ্ছে না আপাতত।

সামহোয়্যারে লেখার পাশাপাশি ওয়ার্ডপ্রেস বা ব্লগস্পটে অনেকেই ব্লগিং করেছেন, এখানকার সব লেখাই কিন্তু সেখানে যায়নি কিংবা ভাইসা ভার্সা। তো এখন কি আমরা কাছা বেধে ব্লগস্পট আর ওয়ার্ডপ্রেসের পিছনে লেগে যাবো তাদের বংশোদ্ধারে?


সামহোয়্যার শুরু করেছে, সেই পথে অনেকেই হাঁটবে। সচলায়তনও তাই। সচলায়তন কখনোই সামহোয়্যারের অবদান অস্বীকার করে না, করবেও না। অনুপ্রেরণা এসেছে সামহোয়্যার থেকেই, আজকে যারা এক শামিয়ানার নিচে আসীন হয়েছেন তাদের একে অপরকে জানাও হয়েছে সামহোয়্যারের কল্যানেই। সামহোয়্যার গ্রুপ ব্লগিং শুরু করার কথা বলেছে অনেক আগে থেকে, সচলায়তন অনেকটা সেই রকম। ওখানে আপাতত তারাই আছে যারা গ্রুপ ব্লগিং শুরু হলেও এক গ্রুপে থাকতো। তো এটা নিয়ে কিছু লোকের গাত্রদাহের কারণটা বুঝা যাচ্ছে না।

সচলায়তন মূলত কোন কম্যুনিটি ব্লগিং সাইট নয়, 'অনলাইন রাইটার্স কম্যুনিটি' নামটাই বোধহয় ভালো যায় সাচলায়তনের পাশে।

ইয়াহু গ্রুপ নিয়েতো কেউ কিছু বলেছে বলে মনে পড়ে না, কিংবা অনলাইন ম্যাগাজিন বীক্ষণ, হাজারদুয়ারী, জন্মযুদ্ধ- কই এগুলোতেও তো লেখা হয়, এগুলো নিয়ে তো কেউ সরাসরি নেতিবাচক কোন অঙ্গুলী হেলন করেছে বলে মনে পড়ছে না। এখন সচলায়তনে যদি বিভিন্ন অনলাইন গ্রুপের মতোই খানিকটা ব্যবহার-বান্ধব উপায়ে আলাপ-আলোচনা চলে, তাহলে লোকজন কেন বিরূপ আচরণ করবেন?

যেকোন অনলাইন গ্রুপেই আপনাকে নেয়া হবে এরকম আশাটা বোধহয় করতে পারেন না আপনি যদিনা চুড়ান্ত রকমের বুকের পাটাধারী বোকা হন। সচলায়তনে সাইনআপ করেছেন, এক্টিভেট হতে পারেননি বলে "অচলায়তন", "ভন্ডায়তন", "পিঠ চুলকানির বৈঠখানা" নাম দিয়ে যাচ্ছেন, তাহলে কি মনে হয় না আপনাদেরকে এক্টিভেট না করে সচলায়তন দূরদর্শিতার প্রমাণ দিয়েছে! মনেহয় না সচলায়তন কলুষিত হবার হাত থেকে বেঁচে গেলো এ যাত্রা!

আমি সাধারণ নগণ্য মানুষ, বুকের পাটাও ছোটখাটো। ইয়াছীন সূরা তাবিজে পুরে গলায় বাঁধা নেই, নামের মাঝেও সেরকম কিছু নেই। তবে ছোট বেলায় মা ইয়াছীন সূরা পড়ে বুকে ফুঁ দিতেন বলেই বোধহয় সাহস নামক জিনিষের কিঞ্চিত অস্তিত্ব বিদ্যমান আছে। তবে সেটা দু:সাহসের পর্যায়ে নেই বলেই খাপছাড়া, লাগামহীন, পুরা ফাউল কথাবার্তা, আমি কি হনুরে টাইপের বাগাড়ম্বরতা আমার মানায় না। লো-প্রোফাইল হয়ে থাকতেই বেশি স্বচ্ছন্দ বোধ লাগে যেকোন আলগা বাহাদুরীর দেখানোর চাইতে।

সচলায়তনকে হেয় করার জন্য ইমেইল আইডি খোলা হয়েছে। সচলায়তনকে যারা নিজের হাতে একটু একটু করে গড়ে তুলেছেন তাদের মাঝে কেউ এ কাজটা করেন নি, সচলায়তনের 'সচল'রাও না। তাহলে কে বা কারা করেছেন? কেন করেছেন ভাই? হীনমন্যতা থেকে নাকি নিজের 'নামা শালাকে টেনে নামা' পরিচয় দেবার জন্য। ক'জন কে মেইল করেছেন আর কী-ইবা লিখেছেন সেটা জানার আর ইচ্ছে করলো না। শুধু যে খুললেন, তাকে ঘৃণাভরে একটা 'ছি:' উপহার দিলাম।

পরশুদিন ত্রিভুজ ওরফে শামীম সাহেব দেখলাম বেশ উঁচু গলায়ই বলছিল মাহবুব মুর্শেদকে নিজেদের সাইট ছেড়ে এখানে কেন মরতে এসেছে। টেকনিক্যালী কথাটা সিরিয়াসলী নেবার কিছু নেই বক্তার কারণেই। কিন্তু কিছু এনেকডোট যদি একের পর এক সাজানো হয় তাহলে খানিকটা দায়িত্ব পড়ে যায় এমনতর উক্তির পেছনে। এবং সেই দায়িত্বের খড়গ তখন থাকে সামহোয়্যারের কর্তাব্যক্তিদের দিকে। তাহলে কি তারা ত্রিভুজ তথা শামীম সাহেবকে নিযুক্ত করেছেন সাইটের দেখভালের জন্য! এ আমি বিশ্বাস করতে চাই না।
চাইনা এজন্য যে, সচলায়তনের জন্মলগ্ন থেকে ওয়াকিবহাল থাকা সত্বেও সামহোয়্যারকে ছেড়ে দেবার ঘোষনা কখনোই দেইনি। কিন্তু প্রিয় সামহোয়্যার যদি শামীমের দ্বারা রি-প্রেজেন্টেড হয় তাহলে কষ্টের পরিমান কতোটা সেটা হয়তো ভুক্তভূগী মাত্রই জানবেন!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28718469 http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28718469 2007-06-29 16:39:16
কাম আনডান... Come Undone আমি তোমার দূরে থাকি, কাছে আসবো বলে
আমি তোমার কাছে আসিনা, চলে যেতে হবে বলে
তোমাকে ভালোবাসিনা, তোমাকে হারাবার ভয়ে...


একটা সময় খুব ভাবতাম 'আধো বালি, আধো পানি'র একটা স্বপ্নের কথা। কী করে যেনো সেই স্বপ্নচিন্তাটা ভুলে বসে আছি। এখন আর ওসব চিন্তা ভাবায় না আমায়। একটু ভুল বললাম কি? হুম, হবে হয়তো। আসলে বলা উচিত, এখন অবশ্য ভাবতে ভালো লাগে না। বিশ্বাস করতে ইচ্ছে হয়, অঘটনকে না, বরং যা ঘটেছে কিংবা যা ঘটতে পারতো!

সবুজ প্যাকেটে মোড়া নীল-আকাশ! একটা একটা করে মায়ার সূতোয় বোনা বিশাল আকাশটায় আমার স্পর্শ দিয়ে খুব ছোট্ট একটা প্যাকেটে পুরে দেয়া কি দু:সাধ্য ছিলো কখনোই! আচ্ছা ওইযে ভেজা সিঁড়িটা। ঝুম বৃষ্টিতে চোখের পাতা মুদলেই যে ছাঁট এসে লাগে, ওখানটার কথা বলি? আমার যখন একুশ হলো, তখনকার 'হঠাত হারিয়ে যাওয়ার' কথা। চোখের সামনে দৃশ্যপটের ধীরগতিতে বদলে যাওয়ার কথাও বলা যায়। আচ্ছা হাউ এবাউট, সকালে উঠেই চলে গিয়েছিলাম যে, সেই গল্প!

আমার পেটে তো কথা পঁচে না। কিন্তু মেমোরী এতো বিট্রে করছে কেন? আলোক বর্ষ দূরত্বের তারাদের একে একে সরে যাবার আগের সব কিছুই নিকষ অন্ধকারে। উমমম, হ্যাঁ, আচ্ছা সেই যে রাতের বেলায় ল্যাপটপ ছেড়ে না চাহিলে যারে পাওয়া যায় শোনা, একেকটা ইচিঠিতে চাঁদের আগমন ঘটতো গগনে। একেকটা জুনের জন্য কেমন কেমন করে যেন প্রতীক্ষায় থাকা- যদিবা এই জুনই সেই জুন হয়! কিংবা সাবওয়েতে স্যান্ডউইচ সাপ্লাইয়ে শশ্রুমন্ডিত কোন সাধুর উপস্থিতি শেষে বাসায় ফিরে 'ধপাস'। নিজের বিছানা ছেড়ে যাবার কষ্টে অঝোর কান্না। উঁহু, সেইসব ও বলতে ইচ্ছে করছে না।

ঐযে একবার কাছে আসার খুব আগ্রহ হলো। বিশাল জলরাশি পাড় হবার সাহস ধরে গেলো। শেষে আর হলোই না, আচ্ছা সেই পাগলামীটা বাস্তব হলে কি হতো!
কোথাও বেড়াতে গিয়ে ফিসফিসিয়ে কথা বলার সেই যে ক্ষণটা, ওটা নিয়ে বলি বরং! মাউথঅর্গানটার সুর কানের ভেতর দিয়ে গিয়ে মস্তিষ্কে হাতুড়ি পেটা করেছিল যে, কানের সামনে সেই বেসুরো করে ফুঁ দেয়ার ঘটনাটা বলি!

কতো কিছুই বলতে ইচ্ছে হয়, লিখতে ইচ্ছে করে। তবু লেখা হয় না, শোনা হয় না, হিসাব করা হয় না এখন আর। কতদূর এলাম, কতদূর যাবার বাকি- এই ভাবনা আর ভাবতে হয় না এখন। মেইজটা বুঝি শাফলড হয়েই গেলো তবে! পৃথিবীটা ছোট হতে হতেও ক্রমশ: প্রসারিত হওয়া শুরু করলো গ্যালাক্সির অনুপাতে। অনেক হিসাব, অনেক নিকাশ সেখানে লুকায়িত। এখানে তাত্ত্বিক ভাবে অনেক ভ্যালু উপেক্ষা করা গেলেও ফলায়তভাবে করা গেলো না।

ফিরতে বড় ইচ্ছে করে, ফেরারী সেই পথটি ধরে-
কিন্তু লক্ষ্য বিন্দু বুঝি কক্ষচ্যুত। শত বারণের চোখ রাঙানী শেষেও কথা বলা থেমে থাকে না, ভাবনা থেমে থাকে না, দিন গুলোর কথা ভুলে যাওয়া হয় না, দেখার ইচ্ছাটা উবে চলে যায় না!

নিজের অজান্তেই হিসাব মেলানো হয়ে যায় ২৩ + ৬ - ১৭ = ১২

ছ'বছর আগের চমতকার করে শুরু হওয়া একটা দিনের মতো সেই ভাবনা গুলো আজোবধি জেগে আছে, কেবল ওপরে একটা ধূলোর ডিবি জমে গেছে। সেই ডিবির ওপরে লালসালু উড়ছে, বিপদের আভাস দিতে না বরং জানান দিতে যে জায়গাটা কতোটা গুরুত্বপূর্ণ!

কতো কিছুই বলার ছিলো, থাকুক নাহয় সব তোলা-
আজ শুধু বলি - "শুভ হোক এই পথচলা..."

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28718209 http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28718209 2007-06-28 06:02:15
সময় হয়েছে (ফিরে যাবার)... খুব ছোট বেলায় গ্রামের কিছু ছেলের সাথে ভয়ানক রকমের বন্ধুতা হয়ে গিয়েছিলো। একটু বড় হওয়ার পরে সেই বন্ধুদের ছেড়ে যেতে হলো সম্পূর্ণ নতুন এক জায়গায়। স্কুলে যাওয়া শুরু হলো আমার। জীবনের প্রথম স্কুলের প্রথম দিন থেকেই হয়ে গেলো কিছু বন্ধু। স্কুলের প্রতি মায়া জমে গেলো, স্যারদের সাথে সম্পৃক্ততা বেড়ে গেলো। আমি গ্রামের পুরানো বন্ধুদের কথা আস্তে আস্তে ভুলে গেলাম! কিংবা কি জানি, ভুলে হয়তো যাই নি, হয়তো বর্তমান এসে মাথার ভেতরের সেই অংশগুলোতে খানিক আড়াল টেনে দিলো। মজে রইলাম বর্তমানে, দিন গত হতে থাকলো নিজের মতো করে...!

হঠাত সরকারী চাকুরে বাবার বদলীর আদেশ! চোখের পানি নাকের পানি এক করে স্কুলের বন্ধুদের সাথে হৃদয়ের বাঁধন ছিঁড়ে, সবচেয়ে কঠিনতম স্যারের চোখেও পানি এনে বিদায় নিলাম সেই জায়গা থেকে। দূরে চলে গেলাম কাছের, খুব কাছের কিছু মানুষজন, প্রকৃতি থেকে। শুরু হলো নতুন এক জায়গায় আবার নতুন করে সবকিছু শুরু করার পার্বন!

কয়েকমাসের মধ্যে পড়াশুনায় 'স্থায়ীত্ব' এনে দেয়ার লক্ষ্যে, একটা নির্দিষ্ট স্কুলে রাখার অভিপ্রায়ে বাবা-মা যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিলেন। আবারো আমার স্থান পরিবর্তন, বন্ধু পরিবর্তন, আমার শিশুমনের আঙিণা পরিবর্তন। আমরা সবকিছু বেঁধে রওনা দিলাম আবারো। খুব অল্প সময়েই একেবারে কাছের হয়ে যাওয়া টিপু, কাঁকন, পিলু, ইতি-রা মুখ থুবরে দাঁড়িয়ে থাকলো রাস্তার পাশে, চোখের কোণায় চিকচিক করা নোনা জল নিয়ে। রাস্তার বাঁকের সাথে আমাদের বাহন বাঁক নেয়ার সময় তাদের দেখা সেই মুখায়বটাই আমার শেষ দেখা, গ্রে-ম্যাটারের সিন্দুকে রাখা আমার কাছের কিছু বন্ধুর শেষ স্মৃতি। আরতো দেখা হয়নি, হবেও না হয়তো কোনদিন! কতো কাছের বন্ধুরা হারিয়ে গেলো কতো স্বাভাবিকভাবে একটা রাস্তার বাঁকের কাছে!

আবার গ্রামে ফিরে এলাম ঠিকই। কিন্তু কোথায় যেন ছন্দপতনের সুর। পুরাতন সেই বন্ধুরা কেমন 'বড়' হয়ে গেছে, আগের সেই নির্মলতাও অনুপস্থিত। হলোনা আর তাদের সাথে পুরানো বন্ধুতার সাঁকো বেয়ে চলা। স্কুলে ভর্তি হয়ে নতুন মুখের মাঝে হারিয়ে যাবার চেষ্টা করলাম। বছরের প্রায় মাঝমাঝি একটা সময়ে এসে ভর্তি হওয়ায় তেমন কেউই খুব সহজে দলে নিতে আসলো না। সবার চোখেই একটা তাচ্ছিল্যের চাহনী! খুব খারাপ লাগতো তখন। ফেলে আসা শরিফ, তোতা, নাসির, কাঁকন, টিপু, কবিতা, ইতি, পিলুরা থেকে থেকেই চলে আসতো মনে, আমাকে সঙ্গ দিতো। কিন্তু বাস্তবতা বিষাদে মন ভরিয়ে তুলতো পরক্ষণেই।

অনেক চড়াই উতড়াই করে অবশেষে ভিড়তে পারলাম বন্ধুদের মাঝে। নতুন বন্ধু সার্কেল, নতুন করে শুরু আবার। ফেলে আসা বন্ধুরা সরে গেলো খুব ধীরে ধীরে...! শুরু হলো নতুনদের কাছে চলে আসা। স্কুল জীবনের শেষের দিকে কয়েকজনের সাথে বন্ধুতা গাঢ় থেকে গাঢ়তর হলো, ছেড়ে থাকা যায় না এমন অবস্থা।

কিন্তু একটা সময় এলো যখন এই বন্ধুদেরও ছেড়ে যেতে হলো দেশের সবচাইতে নামী কলেজে ভর্তি হতে। কোন উপায়ই ছিলনা। ছাড়তে হলো মায়ের আঁচল, প্রথমবারের মতো। অনেক কাছের মানুষেরা আবারো দূরে সরে গেলো একটু একটু করে। সেখানে এলো নতুন মুখ, নতুন নাম, নতুন পরিস্থিতি।

কলেজ জীবনের শেষে সবচাইতে কাছের বন্ধু, যার সাথে জীবনের প্রতিটা দাড়ি কমা শেয়ার করতাম, সেও চলে গেলো প্যাসিফিকের পাড়ের দেশে। প্রচন্ড একা হয়ে পড়লাম, আক্ষরিক অর্থেই একা। ছয় মাসের মাথায় পাড়ি জমালাম আমিও।

সেখানেও খুব ভালো, খুব কাছের, খুব কেয়ারিং কিছু মানুষের সান্নিধ্যে নিজেকে গর্বিত মনে করা শুরু করলাম। এ বন্ধন কখনোই ছেদ হবার নয়! কিন্তু আবারো ছিঁটকে গেলাম সেই বন্ধন থেকে। পিছনে পড়ে রইলো, সেই কেয়ারিং মুখ গুলো। খুব কাছের একজনের সাথে দেখা হলো বছর কয়েকপর। আমার সবচাইতে কাছের শুভাকাংখীদের একজন। সবই ঠিক আছে, কিন্তু তারপরেও কোথায় যেন আর আগের সেই ছন্দটা নেই। আবারো তৈরী হলো দূরত্ব!

খুব ঘনিষ্ঠ হওয়া একটা বলয় থেকে আবারো বের হয়ে আসতে হয়েছে সময়ের তোড়ে। এখানে এসে আগের তিক্ত অভিজ্ঞতার কারণে ঠিক করে নিয়েছিলাম, কারো সাথে ঘনিষ্ঠ হবো না। কারো কাছে যাবো না, কাউকে আপন মনে করবো না, কাউকে হারানোর কষ্টও পাওয়া হবে না। কিন্তু লটেড এবং কান্ট বী ব্লটেড-এর পাল্লায় পড়ে একই লুপে ঘুরপাক খাওয়া থেকে আমাকে বাঁচায় কে!

সত্যিকারের মানুষগুলো কাছে যাওয়ার পর পরই কেমন দূরে চলে যায়, সরে যায়, আমি হারিয়ে যাই, হারিয়ে ফেলি তাদেরকে। সামহোয়্যারের কল্যানে ভেবেছিলাম ভার্চুয়ালিটি নিয়ে থাকবো। নিজের ভেতরের সব দরজা জানালা বন্ধ করে দিয়ে, কোন আলো প্রবেশ করতে না দিয়ে। থাকবো একদম নিজের মতো। কিন্তু হলো না এখানেও।

সামহোয়্যার এক মায়ার বাঁধনে বেঁধে ফেলেছে, আমার একাকী জীবনে যখন গলা পর্যন্ত বিষাদ ছেয়ে ফেলেছিলো তখন একটু একটু করে রিলিফ দিয়েছে, বেঁচে থাকার অক্সিজেন যুগিয়েছে। কিন্তু ওইযে, আমিতো কারো একান্ত সান্নিধ্যে কাটাতে পারি না বেশিদিন। যারই কাছে এসেছি, অথবা আমি যারই খুব কাছে গিয়েছি- অল্প সময়ের ব্যবধানে সেই কাছে থাকাটা হয়ে গেছে অনেক দুরের। দূরত্ব বেড়ে গেছে অনেক অনেক গুণে। পূর্বের ঘটনার পুনরাগমনে সামহোয়্যারও একসময় আমার থেকে দূরে সরে যাবে। কাঁকন, টিপুর আবছা হয়ে যাওয়া মুখের মতো একসময় সামহোয়্যারও হয়তো ফিকে হয়ে আসবে। হয়তো আজ হতে অনেক বছর পর মনে পড়বে, একটু নস্টালজিক হবো, একটু কষ্ট লাগবে, একটু মায়া লাগবে, কিন্তু আগের মতো করে কি আর ফিরে আসা হবে?

লালনের এই ইনস্ট্রুমেন্টালটার জন্য এর প্রেরককে অনেক ধন্যবাদ

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28716210 http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28716210 2007-06-17 01:05:34
রবি ঠাকুর (সাহেব), আমাদের জাতীয় সঙ্গীত এবং ছাগলদের আঁতলামী বিশিষ্ট জ্যামিতিক ক্যারেক্টার, ছাগুকূলের শিরোমনি, সর্বাধিক হিট ব্লগার জনাব ত্রিভুজ (ভায়া বানানতো আর 'ত', 'র-ফলা' সহযোগে লেখা যায় না, এখন সেন্টু খান না? হালা বলদ কোনহানকার!) ইদানিং দেখলাম বেশ লম্ফঝম্প শুরু করেছেন 'রবি সাহেব' বৃটিশদের দালাল ছিলেন, তাঁর রচনা করা কোন 'বালছাল' কেনো বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হবে- এইসব ব্যাপারে।

সম্মানিত ত্রিভুজরে অসম্মান করার কোন চেষ্টা, ইচ্ছা কোনটাই এই অধমের নাই। যার যেটা নাই সে সেটা হারাবে ক্যামনে? কিন্তু তারপরেও কিছু কথা না কইলেই না।

রবি সাহেব বৃটিশদের দালাল ঠিকাছে। কারণ তাঁর পক্ষে তখন বৃটিশদের দালাল হওয়া ছাড়া কোন গতি ছিলো না। তবে তিনি লম্বা দাড়ি এবং আলখাল্লার কারণে আফগানিস্তানের দালাল ঠিকই হইতে পারতেন কেনো যে হইলেন না!
তো যাইহোক, রবি সাহেবের মাথায় তো আর আমাদের তথাকথিত জ্ঞানীদের মতো এতো জ্ঞানে টইটম্বুর ছিলো না তাই তিনি বিশ্বভারতী গড়ে তুলেছিলেন। বৃটিশগো দেখানি স্যুট-টাই-চশমা পইড়া বড় বড় ফুটাইন্যা মারা বুলি দেন নাই দেশ ও জনগণের স্বার্থে যেমনটা আমাদের জ্ঞানী বেরাদাররা দিয়ে যাচ্ছেন।

এখন এই জ্ঞানী বেরাদাররা বৃটিশের দালাল রবি সাহেবের দেদার সমালোচনা করে জাতীয় সঙ্গীতের রচয়িতার পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর জোর দাবী জানালেও নিজেরা কিন্তু বৃটিশদের চপ্পল চাটনেই ব্যস্ত আছেন সাগ্রহে।

ব্যাটা এতো যে কথায় বাঙালীয়ানার ছাপ ফলাও, বৃটিশের দালাল কইয়া চিল্লাও - নিজে স্বদেশী আন্দোলন করো না কিসের লাইগ্যা? এসএটি, জিআরই, টোফেল, আইইএলটিএস- দেওয়ার লাইগ্যা তো উইঠা পইরা লাগছো। সাদা ধূতি আর খদ্দরের পাঞ্জাবী পইড়া এনআইআইটি তে কেলাশ করতে যাও না ক্যা? "আই কেন্ট হেল্প ইট" না চোদায়া বাংলায় ভ্যাঁ ভ্যাঁ করতে পারো না হালা চোদানির নাতি?

বৃটিশ সরকার যদি এহন একটা স্কলারশীপ অফার করে বেবাকের আগে তিন পায়ে লাফাইতে লাফাইতে গিয়াতো সেইটা লওয়ার লাইগা কর্তাগো বাম ঠ্যাঙের বুইড়া আঙ্গুল চাটোন চোদাইবা।

আমি অইসব স্মার্ট এসহোলদেরকে একদমই সহ্য করতে পারিনা যারা ইসলামের দোহাই দিয়া মইরা যায় আবার ঠিক ই বিধর্মীগো দেয়া স্কলারশীপের টেকায় পড়াশুনা করে, অথচ ড্রইংরুমে বইসা ফতোয়া মারে পশ্চিমাগো টেকা হালাল না, মদ খাওয়া হারাম। আরে চান্দুরা পৃথিবীর সবচাইতে বড় বড় স্কলারশীপের টেকা কারা প্রোভাইড করে সেইটা চিন্তা কইরা দেখছেন একবারও?

খালি তিন ঠ্যাঙে ফাল পারে!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28715337 http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28715337 2007-06-10 00:21:33
সামহোয়্যার ইন ব্লগ - ছাগলদের অভয়ারণ্যে ম্যাঁৎকার আওয়াজ! আগের একটা পোস্ট ছিলো, দাবী করেছিলাম এডমিনদের কেউ, এটলিস্ট সাইটটির আপাত হর্তাকর্তা নোটিশবোর্ড হয়তো বলে দিবেন তারা কোন 'অনুভূতি'কে রিপ্রেজেন্ট করছেন। 'ধর্মীয় অনুভূতি' - যা কিনা চিল দেখলেই কান গেলো কান গেলো বলে চিলের পিছে দৌড় লাগানের সমান নাকি 'নাগরিক অনুভূতি' - যা কিনা নিজেকে মানুষ দাবী করার পূর্বশর্ত!

কোন এক রহস্যজনক কারণে নীরব হয়ে গেছেন হর্তাকর্তা মহাশয়েরা।

আমার আশাটা মনেহয় একটু বেশীই হয়ে গেছে। এডমিনদের কেউ এদিকে ভ্রুকুটিও করলেন না। একে একে ব্লগার চলে যাচ্ছেন সেদিকে কোন ভ্রুক্ষেপ নেই তেনাদের। তেনারা কি চান আসলে সামহোয়্যার একটি উন্নতমানের হাইটেক ছাগোদ্যানে পরিণত হোক?

তবে এডমিনরা চান আর নাই চান, সেটাই বোধহয় হতে চলেছে তেনাদের পরোক্ষ কিংবা প্রত্যক্ষ গুটিচালনায়। এখন যেভাবে ব্লগ ছেড়ে যাচ্ছেন অনেকে তাতে সামহোয়্যারের টাইটেল ও বদলে ফেলার দরকার পড়তে পারে একসময়।

তখন হয়তো আমরা গুগলে সার্চ করলে আর "বাঁধ ভাঙার আওয়াজ" পাবো না, পাবো-
"সামহোয়্যার ইন ব্লগ - ছাগলদের অভয়ারণ্যে ম্যাঁ ম্যাঁ আওয়াজ"!

নোটিশবোর্ড দেইখেন নামটার যৌক্তিকতা খানিকটা ভেবে। এখনই কাজে লেগে যান নাহয়, একটা লোগোও তো বানাতে হবে। একটা ছাগল কম্পুর মনিটরের সামনে সবয়ে সমানে কাঁঠাল পাতা চিবাচ্ছে আর দেশ ও জাতির 'ইতিহাস' টাইপ করে যাচ্ছে তার খুর দিয়ে খটাখট... খটাখট... খটাখট!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28714933 http://www.somewhereinblog.net/blog/rumanblog/28714933 2007-06-07 03:07:49
হাত / ফেস রিডিং : পারদর্শী ব্লগাররা একটু টোকা দিয়েন সুধী,
এই যে সংযুক্ত ফটুকখানা দেখিতে পাইতেছেন উহা আমার খুবই পরিচিত একজনের। ইহা তাহার হস্তের ফটুক, মুখমন্ডলের নয়। (কেউ আবার সিসিমপুরের চার্লিস হোটেলের বেয়ারার মতো হাতকে মুখ ভেবে বসলে সমস্যা)।

যারা হাত, ফেস রিডিং করে থাকেন (প্রফেশনাল বা এমেচার) তাদের কাছে অনুরোধ থাকলো হাতটা একটু রীড করে দেবেন! অনেক উপকার হবে গরীবের। বলতে পারেন, বড়ই কৃতজ্ঞ হইতাম তবে।

আরজ গুজার,
আপনাদের গুণমুগ্ধ-
ধুসর গোধূলি

বিদ্র: আরও কোন কিছু সাপ্লিমেন্টারী জিনিষ লাগিলে দয়াকরিয়া বলিবেন। হাতের অধিকার যথার তাহার অনুমতি সাপেক্ষে তাহাও সরবরাহ করা হইবে।
]]>