গ্রাহক ভোগান্তির এক কূটনৈতিক প্রতিষ্ঠানের নাম ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশন। এদেশের মানুষকে এরা মানুষ মনে করে কিনা সন্দেহ। প্রতিবেশি দেশ হওয়ায় আমাদের দেশের মানুষের ভারতে যাতায়াতের পরিমাণ বেশি। তাছাড়া স্বল্প খরচে উন্নত চিকিৎসার জন্যও মানুষকে ছুটতে হয় ভারতে। দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার বেহাল দশার কারণে এ সুযোগটি পেয়েছে ভারত।
কিন্তু বিদেশ যওয়ার জন্য যে জিনিসটি সবার আগে দরকার সেই ভিসা পেতে ভারতীয় হাইকমিশনে একবার আবেদন করলেই বুঝবেন, ভোগান্তি কাহাকে বলে...
প্রথমত, ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রের সিকিউরিটি গার্ড থেকে শুরু করে অন্যান্য সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর মেজাজ সব সময় হট
এরপর আছে দালালের খপ্পর। ভোগান্তির শিকার মানুষের লম্বা লাইনে সহজে নিজের ব্যবসা করে নেয় দালাল।
এরকম হাজারটা বাধা পেরিয়ে অবশেষে পাসপোর্ট জামা দিলেও ভোগান্তির শেষ নেই। বরং শুরু। জমা দেয়ার দুদিন পর পাসপোর্ট ফেরত দেয়ার তারিখ আপনার হাতে ধরিয়ে দেয়া হবে। কিন্তু শুধু অতি ভাগ্যবানরাই প্রথমবারেই পাসপোর্ট হাতে পান। যারা পান না, তারাই বোঝেন, ভোগান্তি কাকে বলে।
ঈদের পরদিন ভুটান যাওয়ার আশায় ৬ দিনের ট্রানজিট ভিসা চেয়ে ভারতীয় দূতাবাসে আমি গত ২২ আগস্ট আবেদন পত্র জমা দেই। ২৪ তারিখে দেয়ার কথা ছিল। সেই ২৪ তারিখ থেকে প্রতিদিন ঘুরছি, আজও পাই নি। প্রতিবাব যাতায়াতে ৩০০টাকা করে গচ্ছা
কেন পাসপোর্ট ফেরত দেয়া হচ্ছে না, এ ব্যাপারে জানতে চাইলে, ভিসা আবেদন কেন্দ্রের লোকেরা মুখ বাকা করে বলে জানি না। হাইকমিশন জানে। আবার হাইকমিশনে ফোন দিলে বলে, এখান থেকে ভিসা সংক্রান্ত কোন তথ্য দেয়া হয় না। ভিসা আবেদন কেন্দ্রে খোজ করেন।
এই ঝামেলায় অতিষ্ঠ হয়ে গতকাল আবেদন কেন্দ্রে বলেই ফেললাম, আমার ভিসার দরকার নাই, পাসপোর্ৎা ফেরত দেন। ঈদে বাড়ি যাব, ভুটান আর যাব না। আমাকে বলে যে, আলাদা ফর্মে পাসপোর্ট ফেরতের একটা আবেদন করেন। আমি বললাম, তাহলে কি আজকে পাসপোর্ট ফেরত পাব? উত্তর এল, না, আবেদন করলে, পাসপোর্ট ফেরত দিতে ৪-৫ দিন লাগব।
বুঝেন তাহলে...

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



