কয়েকদিন রোমান সম্রাজ্যে অনর্থক ঘুরাঘুরি....!!
২৩ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:২৭
আমার সাথে ভেনিস এর জলপথে... যারা সঙ্গি হয়েছিলেন তাদের আজ নিয়ে যাব রোমান সম্রাজ্যে। ভেনিস থেকে রাতের ট্রেন এ রওনা দিলাম রাজধানী রোম বা রোমা-র উদ্দেশ্যে। রাতের ট্রেনে যাওয়ার একমাত্র কারন মুল্যবান সময় সেভ করা, সাথে বোনাস হিসাবে হোটেল ভাড়া বেঁচে যাওয়া তো আছেই, খারাপ দিক বাইরের দৃশ্য দেখতে দেখতে যাওয়া হয় না। স্লিপার কামরায় আমার বিছানা খুজে নিয়ে জাঁকিয়ে বসলাম, মহিলা এটেনডেন্ট টিকেট রেখে দিয়েছে, ভোর বেলা স্টেশনে পৌছালে ডেকে দিবে। পাশের বেড এর ইটালিয়ান ভদ্রলোকের সাথে একটু পরেই আলাপ জমে উঠলো, নানা রকম উপদেশ দিলেন উনি, ট্রেনে নাকি অনেক চুরি হয়। উপদেশ শুনে টুনে ল্যাপটপের ব্যাগটার উপর বালিশ চাপিয়ে ঘুম দিলাম (টাকা পয়সা ও পাসপোর্ট প্যান্টের পকেটে)। অনেক ভোরে ডেকে দিল এটেন্ডেন্ট, বললো আমাকে সামনের স্টেশনে নামতে হবে, সেখান থেকে সাবওয়ে/মেট্রো ধরে যেতে হবে সেন্ট্রাল স্টেশনে কারন এই ট্রেন এখন রোমের পাশ ঘেসে দেশের অন্য প্রান্ত্যে চলে যাবে। বোচকা বুচকি টেনে নামলাম, স্টেশনে পোছে কিনলাম রোমা পাস, এই পাস দিয়ে রোমের মধ্যে ইচ্ছা মত সাবওয়ে ব্যাবহার করা যাবে ৩ দিন, সাথে কয়েকটা যায়গা দর্শন ফ্রি। ৩ দিন ভবঘুরের মত ঘুরে বেড়ালাম রোমের আনাচে কানাচে। নিচে দেখুন কিছু ছবি:
রোমের সাধারন রাস্তা:
পিয়াজা ডেল পোপোলো:
ব্যাস্ত রাজপথ:
প্যানথিয়ন এর ছাদ, মাঝে ফাঁকা:
প্যানথিয়ন:
কোলোশিয়াম:
কোলোশিয়াম:
কোলোশিয়ামের ভেতরে:
প্যালাটাইন হিল:
সেভেরিয়ানা প্যালেনটাইন এর প্রাসাদ:
রোমান ফোরাম, টেম্পল অফ আ্যন্টোনিয়াস ও ফওসটিনা:
রোমান ফোরাম, টেম্পল অফ ক্যাস্টোর ও পলুক্স:
রোমান ফোরাম, টেম্পল অফ স্যাটার্ন (বামে), টেম্পল অফ ভেসপাসিয়ান (ডানে):
রোমান ফোরাম:
সেন্ট মার্কস পিয়াজা, ভ্যাটিকান সিটি:
সেন্ট মার্কস পিয়াজা, ভ্যাটিকান সিটি:
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): রোম, রোমান, ভ্রমন, ইউরোপ ;
বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। শহর টা অনেক সুন্দর।
রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত বলেছেন:
দারুণ!! খুব সুন্দর ছবি তুলেছেন। সেই সাথে আমার দুঃখটা আরো বাড়িয়ে দিলেন। রোমা যাবার কথা ছিল এই সপ্তাহ। প্রোগ্রাম পিছিয়ে গেল, কিন্তু আমার পরীক্ষা এসে উপস্থিত। যাওয়া হলোনা।
লেখক বলেছেন: শুনে দু:খ পেলাম, পরে নিশ্চয় আবার সুজোগ হবে।
ধূসর মানচিত্র বলেছেন:
ধন্যবাদ অসাধারাণ কিছু ছবি শেয়ার করার জন্য। মেইন ইউরোপ আমার ড্রিম প্যালেশ। আপনার লেখাকে +++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ছবিগুলি ভাল লাগার জন্য।
শেরজা তপন বলেছেন:
সামনাসামনি দেখতে মন্চায়- ছবির জন্য ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: সামনা সামনি আমাকে নাকি রোমকে?
লেখক বলেছেন: আমি রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে যতটুকু পেরেছি দেখেছি ৩ দিনে। ধন্যবাদ আপনাকে।
যুগান্তকারী বলেছেন:
হায় আপনিতো আমার মনে ব্যাথাটারে চাগাইয়া দিলেন।কাছ দিয়ে ঘুরে আসি কিন্তু ওখানে যাওয়া হয় না।এইবার ট্রাই করবো।
লেখক বলেছেন: কোলোশিয়াম টা দেখবেন, পাশ দিয়ে প্যানটাইন হিলে উঠে যাবেন।
লেখক বলেছেন: ভাই ওমন ইচ্ছা করেন না। রোম এ খাবারের দাম আকাশচুম্বি। আমি খুজে খুজে ম্যাকডোনাল্ড আর কেবাব এর দোকানে খেতাম।
বিডিআর বলেছেন:
ঐ দেশের পুরাতন দেয়াল গুলোতে আমাদের দেশের মত "রোমিও + জুলিয়েট" লিখা থাকে নাকি?
লেখক বলেছেন: বাসার দেয়ালে থাকে না, তবে ট্রেন ও সাবওয়ে স্টেশনে ও টানেলের ভিতরে, সাবওয়ের গায়ে ইত্যাদি জায়গায় বিভিন্ন চিত্রকর্ম ও লেখা থাকে। এটাকে গ্রাফিতি বলা হয়।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ।
লেখক বলেছেন: ছুটির জন্য অপেক্ষা করলে তো কোন কিছুই হবে না, এর মাঝেই ছুটি করে নিতে হবে।
সৌম্য বলেছেন:
কটঠিন
লেখক বলেছেন: মন খারাপ অনেক, রেডিও ফুটে গেছে নতুন টা....... লাখ টাকার মাথায় বাড়ি।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















কত পড়েছি এই শহরটা নিয়ে! মনে হচ্ছে চোখের সামনে ভেসে উঠলো সব দৃশ্য। ভালো লাগলো।