আমার প্রিয় পোস্ট
- আমার অনুসারিত ব্লগার ও তাদের নিয়ে কিছু অর্থহীন কথা - কামরুল হাসান শািহ
- স্মৃতির পাতায় বিটিভি :প্রসঙ্গ জনসচেতনতা মূলক অনুষ্ঠান - সীমান্ত আহমেদ
- হার্মাদ জলদস্যুর গুপ্তধনের খোঁজে (ইতিহাস, ভ্রমণ ও ছবি ব্লগ) - নুভান
- বেগম আখতার গানের জগতের সম্রাজ্ঞী। - সুরঞ্জনা
- ডিসেম্বর মাসের অবশ্যপাঠ্য পোস্টসমূহের সংকলন - দূর্যোধন
- ব্লগ রাজনীতি ও ব্লগের রাজনীতি - একরামুল হক শামীম
- সালতামামি ২০১১ : বছর জুড়ে গল্প, কবিতা ও উপন্যাস লেখা পাঠকপ্রিয় সৃজনশীল ব্লগারেরা - রেজওয়ান মাহবুব তানিম
- ফিরে দেখা ২০১১ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগে যা কিছু আলোচিত-সমালোচিত... - ফিউশন ফাইভ
- ফিরে দেখা ২০১১ : ব্লগ নিয়ে ব্লগারদের বাছাই ৩০ + নির্বাচিত ২০ ব্লগরম্য - ফিউশন ফাইভ
- ছেড়া পাতার গল্পকথা অথবা আমার লেখা গল্পগুলো (২০০৯-২০১১) - সকাল রয়
- বাংলা ভাষায় ব্লগিং - আহরার হোসেন আরিফ
- নভেম্বর মাসের অবশ্যপাঠ্য পোস্টের সংকলন - দূর্যোধন
- হাইপেশিয়া—আলেকজান্ড্রিয়ার বাতিঘর - ম্যাভেরিক
- আমাদের ইতিহাস, আমাদের কিংবদন্তী: বোবা মেয়েটির কথা! - ম্যাভেরিক
- সৈয়দপুরের গোলাহাট গণহত্যা বিশ্বাস ঘাতকতার শিকার চার’শ তের জন - সামছা আকিদা জাহান
- অপরবাস্তবের জন্য লেখার লিংক চাহিয়া একটি কাতর আবেদন - ফিউশন ফাইভ
- জগজিত সিং এর অমর কীর্তি - ৭৬ টি এ্যালবাম একসাথে (আমার আপলোড করা) - কবির চৌধুরী
- দূর্যোধনের দৃষ্টিতে অক্টোবর মাসের অবশ্যপাঠ্য পোস্টসমূহের সংকলন-২ - দূর্যোধন
- শুভ জন্মদিন রেজওয়ানা - ইমন জুবায়ের
- ফিউশন ইন্সট্রুমেন্টাল ............... - গানচিল
- গণিতের নোবেল, আবেল পুরস্কার ২০১১-এর উৎসবে - ম্যাভেরিক
- আমার পছন্দের কিছু ভারতীয় হিন্দি গান। - প্রজন্ম৮৬
- [ভুলে যাওয়া নাটকগুলি] পাগড়ী (১৯৮৪) - রাইসুল জুহালা
- ভানু বন্দোপাধ্যায়---কখনো শুনে দেখেছেন কি? - ফেলুডার চারমিনার
- আমাদের সংস্কৃতি জগতে পরিবারতন্ত্র ! - ১০ (শেষ) - এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল
- Nasca Lines: পেরুর রহস্যময় ন্যাযকা সভ্যতা এবং তাদের ততোধিক রহস্যময় ভূ-চিত্রগুলি - হোরাস্
- বর্ষপূর্তি এবং দূর্যোধনের প্রিয় ব্লগারেরা
- দূর্যোধন
- স্মৃতি ১৯৭১ (শেষ পর্ব) - সুরঞ্জনা
- 'ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে ইসলাম ও তৎসংশ্লিষ্ট ঘটনাপ্রবাহ'বরাবরঃ অয়োময় - রুদ্রপ্রতাপ
- জ্ঞানী-নির্বোধ কিংবা নির্বোধ-জ্ঞানীর গল্প - ম্যাভেরিক
- ত্রিরিশ ব্লগার'রে লইয়া খভিতা,বর্ষসেরা লেখা এটাই, ভুট দিন - সৌপ্তিক
- বাবাকে যে চিঠি শুধু একবার লেখা যায় , কখনও পোস্ট করা হয়ে ওঠেনা - মেহরাব শাহরিয়ার
- ১৯৭১ সালে বুদ্ধিজীবি হত্যার ইতিবৃত্ত (পর্ব-১০) - নাঈম
- ফুলের নাম- অঞ্জন - রাজামশাই
- ছবি থেকে মুছে ফেলুন অপ্রয়োজনীয় অংশ - হাসান জোবায়ের
- ডায়েরীর পাতা থেকেঃ যুদ্ধশিশু এরিনা ও তার বীরাঙ্গনা মায়ের যন্ত্রণা গাঁথা - ড়ৎশড়
- ব্লগারদের বাসায় ঈদ দাওয়াত
আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে...
- চতুষ্কোণ
- পদ্মার অথবা এক বেশ্যার গল্প - জীবনানন্দদাশের ছায়া
সামহোয়্যার ইন কিডস্ 2
- পুরাতন
- বিংশ শতাব্দীর কিছু উল্লেখযোগ্য বক্তৃতা - নাজনীন১
- সত্যজিৎ রায় - ১ - মে ঘ দূ ত
- সুকুমার রায়ের ছড়া সমস্টি। - ব্রাইট
- মিথের জীবন, জীবনের মিথ - অন্ধ আগন্তুক
- ফটো অফ দ্য ডে - ক্যামেরাম্যান
- আমার ব্লগিং বর্ষপূর্তি এবং আমার ভাল লাগা ব্লগারগন - মোঃমোজাম হক
- কবিতাঃ নেফারতিতি! এবং একটি ঐতিহাসিক ডকুমেন্টরী - ফাহাদ চৌধুরী
- প্রত্যাবর্তন - হাসান মাহবুব
- আমার প্রিয় ব্লগার- ২য় পর্ব - ই য়া দ
- ইহা একটি বোতল প্রাসাদ ( উৎসর্গ প্রাসাদ প্রেমী এসরেজওয়ানা কে ) - শয়তান
- অদ্ভুতুড়ে: ব্ল্যাক ম্যাজিক - সব্যসাচী প্রসূন
- নারিন্দা গ্রেভ ইয়ার্ড (ওয়ারী) - এর বর্তমানের কিছু ছবি ... - রাজিব শাহরিয়ার
- যুদ্ধ শিশু বলছি--কে আছ শুনবার?? - নিবিড়
- বিশ্ববিবেককে কাঁপিয়েছিল যে ছবি - জোবাইর
- টেলিফোন নম্বর গুলো কি একটু মুখস্ত করবেন? - মিলটন
- সিন্ধু সভ্যতার অক্টোবর ২০০৯ আপডেট: নগরকেন্দ্রিক সভ্যতাটির ভাষা দ্রাবিড়ীয় এবং এটি পশুচারণকেন্দ্রিক আর্য-বৈদিক সংস্কৃতির চেয়ে প্রাচীন - ম্যাভেরিক
বালিয়াটি জমিদার বাড়ি........
০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:২৮
মানিকগঞ্জ জেলার বালিয়াটিতে অবস্থিত উপনিবেশিক স্থাপত্যের অন্যতম নির্দশন বালিয়াটি জমিদার বাড়ি। এই প্রাসাদ কমপ্লেক্সটি প্রায় ১৬,৫৫৪ বর্গমিটার জুড়ে অবস্থিত এবং এখানে ৭টি দক্ষিনমুখি প্রাসাদ আছে।
প্রথম সারিতে চারটি প্রাসাদ, সব গুলোর নির্মান শৈলিই একরকম, প্রাচ্য আর পাশ্চাত্যের মিশ্রণ।
ফ্লোরাল টপ সহ কোরেন্থিয়ান ধাচের পিলার আছে চারটা প্রাসাদেই।
এই সাদা প্রাসাদে প্রত্নত্তত্ব অধিদপ্তর বর্তমানে একটা জাদুঘর নির্মান করেছ এবং এই একটা প্রাসাদই দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত। বেশি কিছু নেই অবশ্য ডিসপ্লেতে।
প্রথম সারির সব গুলো প্রাসাদের সামনের দিকের বারন্দার লোহার গ্রীলে চমৎকার ফ্লোরাল মোটিফ আছে সবকটা স্থাপত্যেই। এছাড়া ছাদের কার্নিশে স্টাকো অলংকরণও দৃষ্টিগ্রাহী।
অন্দরভাগের একটি ঘরের ঘুলঘুলি।
মজলিস কক্ষের এমন ঝুলানো ঝাড়বাতি গুলো অতীতের জৌলুসকে মনে করিয়ে দেয়।
মজলিস কক্ষটির দেয়ালের পেইন্টিং সব হাতে আকা। সাদা প্রাসাদটির দোতালায় এর অবস্থান।
দোতালায় ওঠার সিরি। সিরির এই বর্ধিত অংশ রাখার কারণ হলো, জমিদার যখন উঠবেন বা নামবেন তখন যদি কেউ সিরিতে থাকে তখন এখানে সরে দাড়াবে ![]()
জমিদার বাড়ির প্রবেশদ্বার, এটা নতুন করে নির্মান করা হয়েছে। মুল প্রবেশদ্বার নাকি কাঠের তৈরি ছিল (স্থানীয় লোকদের কাছে শোনা)।
এটা আন্দরমহলের একটা অংশ। অন্দর মহলে রয়েছে তিন সারি বিল্ডিং, অতিথীদের থাকবার জায়গা, রন্ধন শালা, সহিস আর পরিচারকদের থাকবার ঘর।
জানালরা উপরের কারুকার্যময় কাঠের প্যানেলিং গুলো ধ্বংস হয়ে যেতে যেতেও কিছুটা টিকে আছে।
অতিথিদের থাকবার জায়গা এবং বারান্দার কাঠের কারুকাজ।
এটা অন্দরমহলের পুকুর। চার পাশে অনেক গুলো ঘাট বাধানো আছে।
আর এগুলো অতিব প্রয়োজনীয় টয়লেট। দেখে মনে হয় দলবদ্ধ ভাবে গল্পগুজব করতে করতে প্রকৃতির ডাকে সারা দেবার ব্যবস্থা
অন্দরমহলের পুকুরের শেষ প্রান্তে এর অবস্থান।
বালিয়াটি জমিদার বাড়ির সব গুলো প্রাসাদ অবশ্য এক সাথে নির্মান করা হয়নি, উনবিংশ শতকের মধ্য ভাগ থেকে বিংশ শতকের প্রথম ভাগের বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় একটি ধনী পরিবারের বেশ কয়েক জন সদস্যদের দ্বারা নির্মান করা হয়।
এই পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা খ্রি: আঠারো শতকের শেষের দিকের একজন বর্ধিষ্ঞু লবন ব্যবসায়ি ছিলেন। পরবর্তিতে উনবিংশ শতকের মাঝামাঝিতে তার উত্তরাধিকারিরা জমিদারি লাভ করেন।
এই পরিবারে স্মরণীয় ব্যক্তিবর্গের মধ্যে রয়েছেন নিত্যানন্দ রায় চৌধুরী, বৃন্দাবন চন্দ্র, জগন্নাথ রায়, কানাই লাল, কিশোরি লাল, যশোর্ধ লাল, হীরা লাল রায় চৌধুরী, ঈশ্বর চন্দ্র রায় চৌধুরী, হরেন্দ্র কুমার রায় চৌধুরী প্রমূখ।
এরা ঢাকার জগন্নাথ মহাবিদ্যালয় (বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়) সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিদ্যালয়, মহাবিদ্যালয়, দাতব্য চিকিৎসালয় ইত্যাদি নির্মান করেছিলেন যা এখনও টিকে আছে।
যেভাবে যেতে হবে: যদি নিজে গাড়ি নিয়ে যেতে চান তাহলে খেয়াল করবেন মানিকগঞ্জ শহরে পৌছার কিছু আগে সাটুরিয়ার কাছাকাছি রাস্তার বাম দিকেই বালিয়াটি জমিদার বাড়ি লেখা সাইন বোর্ড দেখা যাবে, সেই গলি দিয়ে ঢুকতে হবে। এরপর সোজা রাস্তায় মাইল দুয়েক গেলেই হবে।
আর যদি পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবহার করেন তাহলে বাস ওয়লাদের বললেই বালিয়াটি নামিয়ে দেবে, ওখান থেকে টেম্পো আছে জমিদার বাড়ি পর্যন্ত। এছাড়া সাভার হেমেয়েতপুর থেকেও বাস যায়।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): আমার দেশ/বালিয়াটি জমিদার বাড়ি/মানিকগঞ্জ ;
প্রকাশ করা হয়েছে: বাংলাদেশের প্রত্নতাত্বিক নিদর্শন বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৯:১১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন:
ছাব বড়ই সৌন্দর্য।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, আপনার ভাল লেগেছে জেনে ভাল লাগলো।
তুহিন২৭ বলেছেন:
দারুণ তো, ঢাকার এত কাছে অথচ জানা ছিল না, দেখি ভিজিট দেওন যায় কিনা!
লেখক বলেছেন: থ্যাংকিউ ভাইয়া।
নিজে গাড়ি নিয়ে গেলে যেতে খুব বেশি হলে দেড় ঘন্টা লাগবে, এছাড়া বালিয়াটিতে সরাসরি লোকাল গাড়িও আছে হেমায়েতপুর থেকে ছাড়ে।
সাথে করে খাবার আর পানি নিয়ে যেতে পারেন কারণ ওখানে তেমন কিছু পাওয়া যায় না।
পারভেজ বলেছেন:
চমৎকার!! দিনে গিয়ে কি দিনেই ফিরে আসা যাবে? নিয়মকানুন কী বা কারো সাথে যোগাযোগ করতে হবে কিনা জানাবেন?
লেখক বলেছেন: থ্যাংকিউ ভাইয়া।
নিজে গাড়ি নিয়ে গেলে যেতে খুব বেশি হলে দেড় ঘন্টা লাগবে, এছাড়া বালিয়াটিতে সরাসরি লোকাল গাড়িও আছে হেমায়েতপুর থেকে ছাড়ে।
সাথে করে খাবার আর পানি নিয়ে যেতে পারেন কারণ ওখানে তেমন কিছু পাওয়া যায় না।
এটা উন্মুক্ত, আগে থেকে পারমিশনের দরকার হবে না, তবে প্রত্নত্তত্ব অধিদপ্তরের কারো সাথে যোগাযোগ থাকলে ভাল হয়, তাহলে অন্য স্থাপনা গুলোতেও ঢুকতে পারবেন।
ধূসর মানচিত্র বলেছেন:
চমৎকার ছবি +++
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন:
যাওয়ার রুট বলেন। কেমনে যাবো? পারভেজ ভাইয়ের মতো আমারো যাবার ইচ্ছা আছে।
লেখক বলেছেন: ভাইয়া ডিটেইলস একটু পর দিচ্ছি, আপাতত পারভেজ ভাইয়ের কমেন্টস দ্রস্টব্য।
লেখক বলেছেন: হুম।
লাইলী আরজুমান খানম লায়লা বলেছেন:
চমৎকার ছবি +++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপু।
ফালতু মিয়া বলেছেন:
সবচেয়ে সুন্দর হইসে আপনার নিজের ছবিটা সেটাকে মাইনাচ দিলাম আর অন্যগুলোকে +
লেখক বলেছেন: কেন আমি আবার কি করলাম?
লেখক বলেছেন: আপনাদের ভাল লাগলেই আমি খুশি।
শয়তান বলেছেন:
মানিকগঞ্জ নেমে কিভাবে যেতে হয় ?
লেখক বলেছেন: মানিকগঞ্জ পর্যন্ত যাওয়া লাগবে না। যদি নিজে গাড়ি নিয়ে যেতে চান তাহলে খেয়াল করবেন মানিকগঞ্জ শহরে পৌছার কিছু আগে সাটুরিয়ার কাছাকাছি রাস্তার বাম দিকেই বালিয়াটি জমিদার বাড়ি লেখা সাইন বোর্ড দেখা যাবে, সেই গলি দিয়ে ঢুকতে হবে। এরপর সোজা রাস্তায় মাইল দুয়েক গেলেই হবে।
আর যদি পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবহার করেন তাহলে বাস ওয়লাদের বললেই বালিয়াটি নামিয়ে দেবে, ওখান থেকে টেম্পো আছে জমিদার বাড়ি পর্যন্ত। এছাড়া সাভার হেমেয়েতপুর থেকেও বাস যায়।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া। আপনাদের ভাল লাগলে এমন পোস্ট আরও দেবার ইচ্ছা রইলো।
ফয়সল রাব্বী বলেছেন:
যওয়ার রাস্তার ডিটেইল দিলে বাধিত হই।
লেখক বলেছেন: ১০ নং কমেন্টস দেখুন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপু, আসলেই খুব সুন্দর। গ্রামটাও চমৎকার আর জমিদার বাড়ি ছাড়াও বেশ কিছু হিন্দু ও বৌদ্ধ মন্দির, আশ্রম আছে এখানে।
বাবুকে নেইনি, কারণ আরও কিছু জায়গায় ঘোরাঘুরি ছিল।
নীলপদ্দ বলেছেন:
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ পোষ্টের জন্যে। যাওয়ার ইচ্ছা আছে। কিভাবে এবং কোন দিন দিয়ে যেতে হয় বিস্তারিত বললে ভালো হত। (পোষ্টটি প্রিয়তে)
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস নীলপদ্দ। যাবার রাস্তা দেখুন ১০ নং কমেন্টসে। যে কোন দিন যেতে পারেন, তবে মিউজিয়াম বন্ধের দিনটা বলতে পারছিনা।
জানজাবিদ বলেছেন:
কষ্ট করে ভাল একটা কাজ করেছেন। .....................অসংখ্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
শয়তান বলেছেন:
অসংখ্য ধন্যবাদ । নেক্সট উইকেন্ডেই যাবো ভাবছি
লেখক বলেছেন: একটু সময় নিয়ে যাবেন, কারন পুরো গ্রামটাই অনেক সুন্দর। আর এই জমিদার বাড়ি ছাড়াও বেশ কিছু মন্দির আর আশ্রম আছে ধারে কাছেই, গ্রামের যে কাউকে বললেই দেখিয়ে দেবে। ওগুলোও দেখে আসতে পারেন।
লেখক বলেছেন: কেন মন খারপ হলো?
লেখক বলেছেন: সত্যিই অনেক সুন্দর। ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
লেখক বলেছেন: রাঙামাটি গত মাসে গিয়েছিলাম, আর এটা আরও আগে। আমি ব্লগে নতুন তাই শেয়ারিং গুলো একসাথে হয়ে যাচ্ছে।
তবে আমারা চেস্টা করি উইকএন্ডে ঘুরাঘুরি করার, যদিও সব সময় হয় না।
ভুরিদত্ত বলেছেন:
আমাদেরও জমিদার বাড়ি ছিল এক কালে।
লেখক বলেছেন:
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
ছবিগুলো দারুণ লাগলো...
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস ভাইয়া। জায়গাটা ছবির চেয়েও সুন্দর।
নীল ভোমরা বলেছেন:
বালিয়াটির জমিদারবাড়ী গেছি। প্রত্নতত্ব বিভাগ দ্বিতীয় ভবনটি সংস্কার করে যে রূপ দিয়েছে... তাতে বরং ভবনটির সোন্দর্যহানী হয়েছে, প্রকৃত মজা নস্ট হয়েছে। আর হ্যা..... বালিয়াটি থেকে মাত্র ৩০ মিনিটের পথ মারালেই পাকুটিয়ার (টাঙ্গাইল জেলায় অন্তর্ভূক্ত) জমিদারবাড়ী দেখে আসা যায়। পাকুটিয়ার জমিদার বাড়ীটিও কিন্তু চমৎকার!
লেখক বলেছেন: প্রত্নত্তত্ব অধিদপ্তর যেখানে সংস্কার(!!) করে সেখানেই সর্বনাশ করে।
পাহাড়পুর, বাগেরহাট, সর্বশেষ টা করেছে পানামে।
পাকুটিয়ার জমিদার বাড়ি আমিও দেখেছি। আপনার যদি সম্ভব হয় তাহলে টাংগাইলের হেমনগরে আর একটা জমিদার আছে দেখে আসতে পারেন, চমৎকার চিনিটিকরির কাজ আছে। এটাতে বর্তমানে অবশ্য কলেজ করা হয়েছে।
ভাবের অভাব বলেছেন:
অনেক অনেক ধন্যবাদ এই সুন্দর ছবিগুলো সংক্ষিপ্ত সুন্দর বর্ণনার সাথে শেয়ার করার জন্য। খুব ভালো।!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!++++++++++++++
লেখক বলেছেন: আপনাকেও থ্যাংকস পড়ার জন্য।
লেখক বলেছেন: গাড়ি ভারা করে ঘুরে আসুন না
।
ছবি দিতে একটুকও কষ্ট হয়নি কিন্তু।
পন্ডিত বলেছেন:
পুকুরের ঘাটগুলো চমৎকার ।
লেখক বলেছেন: পুকুর টাও সুন্দর ।
ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন:
ভাল লাগল।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ। আপনাদের ভাল লাগলে আমারও ভাল লাগে।
লেখক বলেছেন: বেড়িয়ে পড়ুন।
আমার মনে হয় বেড়ানোটা টনিকের কাজ করে ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া, পড়ে দেখার জন্য
।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ চানচুর পড়ার জন্য।
বাবুটা খুব দুষ্ট।
লেখক বলেছেন: ঠিকই বলেছেন।
প্রত্ন জন বলেছেন:
সব কেন চেনা চেনা লাগে!
লেখক বলেছেন: Protno jon hole to chena chena lagari kotha, karon amio ak somoy tai chilam. Apni kon jon aktu ki hints daya jai?
কৌশিক বলেছেন:
এটা তো খুবই ভালৌ একটা পর্যটন কেন্দ্র! অথচ এখন পর্যন্ত গেলাম না! আমারে মাইনাচ।
লেখক বলেছেন: ঘুরে আসুন, তারাতারি
।
আহমেদ রাকিব বলেছেন:
আপনার পোষ্টটা অনেক দেরীতে দেখলাম। পোষ্টটা ভালো হয়েছে। আমি একটা পোষ্ট দেব ভাবছিলাম। রেফারেন্স পোষ্ট হিসেবে আপনারটা থাকবে। লেখক বলেছেন: আমার এত পুরাণো লেখা আপনার চোখে পড়েছে, এতেই আমি আনন্দিত।
ধন্যবাদ ভাইয়া
হায়রে দুনিয়া বলেছেন:
বিশাল ব্যাপার-স্যাপার। অনেক আগে এসে প্লাস দিয়ে গেসিলাম, কিন্তু সেই সময় কমেন্ট করতে পারতাম না, তাই থ্যাঙ্কস জানানো হয় নাই।আজকে জানায় গেলাম।
পিচ্চিকে নেন নাই? ওর ছবি কই?
লেখক বলেছেন: খুব খুব ভাল লাগছে, আমার প্রথম দিকের এই লেখাটা পড়েছেন বলে।
পিচকি তখন বেশি ছোট ছিল, তাই নেয়া হয়নি..........
ইমন জুবায়ের বলেছেন:
+++
লেখক বলেছেন:
দীপান্বিতা বলেছেন:
দারুন!
লেখক বলেছেন: বেশি দারুন না দীপান্বিতা।
অধিকাংশই নষ্ট হয়ে গেছে.........
সোমহেপি বলেছেন:
দেখে মনে হয় দলবদ্ধ ভাবে গল্পগুজব করতে করতে প্রকৃতির ডাকে সারা দেবার ব্যবস্থা খুব মনে ধরছে
যৌবন কালে একবার মেঘনার বালুচরে ফকফকা জোছনা রাতে আমরা আঠারজন যুবক দলবদ্ধভাবে
প্রকিতির ডাকে সাড়া দিয়েছিলাম।ফুরফুরে বাতাস। আহ কি মজা পাইছিলাম!
আপনার পোষ্ট ভালো লাগলো। লগেরটা কেডাগো আফা?(প্রাইভেট পরশন)
লেখক বলেছেন: হুম রাজাগজাদের কাজ কারবারই আলাদা।
মেঘনার তীরে, জোৎসনা রাতে.......ছি ছি ছি.............
সাথের লোকটা আমার প্রোপিকে যে বাবুটা আছে তার বাবা।
আর সিড়ির লোকটা আমার বন্ধু + কলিগ।
সোমহেপি বলেছেন:
আপনাদের বয়স এত কম!
লেখক বলেছেন: হা হা হা হা.........
বয়স নাকি কম........হি হি হি হি........
দাসত্ব বলেছেন:
সিঁড়ির বর্ধিত অংশের ব্যাপারে আমি ভিন্ন ব্যাখ্যা দিতে পারি।এন্জ্ঞিনিয়ারিং এ এটাকে বলে স্ট্যাটিক ব্যালেন্স বা স্থির ভারসাম্য।
সেজন্যই ঐ বর্ধিত অংশ রাখা হয়েছে।
লক্ষ্য করুন , একেবারে সিঁড়ির মাঝখানের অংশে এই বর্ধিতাংশ , ঠিক যেমন দাড়িপাল্লা কাঠির মাঝখানে ঝুলাতে হয় ।
সুন্দর ছবিগুলোর জন্য প্লাস
লেখক বলেছেন: এন্জ্ঞিনিয়ারিং হয়তো ঠিক আছে, কিন্তু এই জায়গাটির ব্যবহার জমিদাররা উপরে উল্লেখিত কাজেই করতো।
আরকেটা ব্যাপার, যেটা আমি লিখিনি, এই প্রজেকশন শুধু মাত্র অন্দরমহলের দিকে যে সিড়ি গুলো আছে সেখানে দেখা যায়।
জমিদাদের মুল যে কাজের ঘর, যেমন সাদা যে বিল্ডিংটা আছে এক নম্বর ছবিতে সেখানে কিন্তু এমন সিড়ি নেই।
কারণ ওখানে সব সময় সাধারণের প্রবেশের অধিকার ছিল না।
আপনার সুচিন্তিত ব্যাখা আর মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ..........
মে ঘ দূ ত বলেছেন:
সত্যজিৎ রায়ের জলসাঘর মুভিটার কথা মনে পড়ছিল ছবিগুলো দেখতে দেখতে। এসব শ্রীহীন রাজপ্রাসাদ কত কথায় না নীরবে প্রকাশ করে যাচ্ছে। কত ইতিহাসের সাক্ষ্মী এইগুলো। তখনকার জমিদারদের জৌলুস, শৈল্পিক মনমানসিকতার পরিচয় পাওয়া যায় এই প্রাসাদগুলো দেখলে। কিছুদিন মোঘল আর্কিটেকচার নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করছিলাম আর বিস্মিত হচ্ছিলাম তাদের স্থাপনা বানানোর নানান কলাকৌশল দেখে। আমাদের দেশেই যে এমন একটা নিদর্শনা আছে জানা ছিলনা। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। ইতিহাস চর্চার উপর আপনার আগ্রহ যারপরনাই মুগ্ধ করছে। তার চেয়ে বেশী লাভবান হচ্ছি আপনার সেই আগ্রহের এমন এক একটা নজরকাড়া বহিঃপ্রকাশ দেখে। সুন্দর!
সোহামনির বাবা মাকে দেখে ভালো লাগলো
লেখক বলেছেন: এত সুন্দর মন্তব্য আমি এই প্রথম পেলাম................
মুঘল স্থাপত্য রিতী আমারো খুব ভাল লাগে, বিশেষ করে ওদের চারবাগ পদ্ধতিতে তৈরি স্থাপত্য গুলো।
মে ঘ দূ ত বলেছেন:
দাসত্বের ব্যাখ্যাটা ভালো লাগলো। আমারও মনে হচ্ছিল এর অন্য কোন অর্থ হবে। রাজাধিরাজরা শুধু তাদের জন্য পথ ছেড়ে দেওয়ার জন্যই এমন একটা কাজ করবে মানতে বাঁধছিল।
লেখক বলেছেন: এন্জ্ঞিনিয়ারিং এর ব্যাপারে আমার কোন দ্বিমত নেই, আমি পারপাসটা র ব্যপারে বলাছিলাম..........
'লেনিন' বলেছেন:
দাসত্বের ব্যাখ্যাটা আমি কেবলই লিখতে যাচ্ছিলাম!
লেখক বলেছেন: আমি প্রত্নতত্বের ছাত্রী ছিলাম ভাইয়া, এন্জ্ঞিনিয়ারিং একটু কম বুঝি।
আমি শুধু ঐ জায়গাটা ওরা কি কাজে ব্যবহার সেটা বলছিলাম.........
১৩ নম্বর বিল্ডিংর এক পাশের দেয়ালে কত গুলো তিন কোনা রড আর বিমের প্রজেকশন, এটার নিশ্চুয়ই কোনএন্জ্ঞিনিয়ারিং ব্যাখ্যা আছে। কিন্তু আমি শুধু জানি এগুলো ব্যাবহার করা হতো দুই বিল্ডিংর মাঝের জায়াগাটাতে সামিয়ানা টানানোর জন্য, যাতে কোন অন্তপুরবাসিনীদের উপর ধুলোময়লা না পরে.......
ইমন জুবায়ের বলেছেন:
আচ্ছা, ঢাকা থেকে হেলিকপ্টার ভাড়া করে গেলে কীভাবে যাব বলুন তো?
লেখক বলেছেন: ঐ খানে কোন হেলিপ্যাড নাই। তবে পানিতে ল্যান্ড করে ঐ গুলারে যেনো কি বলে.....সেটায় চড়ে যেতে পারেন।
সামনের পুকুরে নামতে পারবেন।
আর আপনি কি প্রধানমন্ত্রী নাকি যে হেলিকাপ্টারে চড়ে যেতে হবে
ইমন জুবায়ের বলেছেন:
ইতিহাস চর্চার উপর আপনার আগ্রহ যারপরনাই মুগ্ধ করছে। তার চেয়ে বেশী লাভবান হচ্ছি আপনার সেই আগ্রহের এমন এক একটা নজরকাড়া বহিঃপ্রকাশ দেখে। সুন্দর!সোহামনির বাবা মাকে দেখে ভালো লাগলো
লেখক বলেছেন: চুপ
ইমন জুবায়ের বলেছেন:
হেলিপ্যাড নেই? তাহলে তো মুসকিল। আচ্ছা, তাহলে তো সি-প্লেন পুকুরে নামাতে হয়! আর বাংলাদেশের সেই দিন আর নাই প্রত্নতত্বের ছাত্রী (আমি প্রত্নতত্বের ছাত্রী ছিলাম ভাইয়া ...৪৩) যে শুধু প্রধানমন্ত্রীই হেলিকপ্টারে চড়বে...
এখন অনেকেই হেলিকপ্টারে করে বিকেল বেলা হাওয়া খায়। সত্যি
লেখক বলেছেন: হুম, ঝানতাম না এইটা।
পুরাণো জিনিস নিয়ে ঘাটাঘাটি করতে করতে পুরনো দিনেই আকটাইয়া আছি।
তবে এটা বুঝি যে যার অনেক টাকা (উৎস সন্দেহ জনক
) আছে, খরচ করার জায়গা পাচ্ছে না তারা চড়তে পারে হাওয়া খাবার জন্য.......
বুমবুম বলেছেন:
ঢাকা থেকে পাবলিক বাসে পৌছাতে কত সময় লাগবে?ফেরার সময় কি ঐখান ঠেকেই বাস পাওয়া যাবে?কিভাবে ফিরবো?
লেখক বলেছেন: যদি নিজে গাড়ি নিয়ে যেতে চান তাহলে খেয়াল করবেন মানিকগঞ্জ শহরে পৌছার কিছু আগে সাটুরিয়ার কাছাকাছি রাস্তার বাম দিকেই বালিয়াটি জমিদার বাড়ি লেখা সাইন বোর্ড দেখা যাবে, সেই গলি দিয়ে ঢুকতে হবে। এরপর সোজা রাস্তায় মাইল দুয়েক গেলেই হবে।
আর যদি পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবহার করেন তাহলে বাস ওয়লাদের বললেই বালিয়াটি নামিয়ে দেবে, ওখান থেকে টেম্পো আছে জমিদার বাড়ি পর্যন্ত। এছাড়া সাভার হেমেয়েতপুর থেকেও বাস যায়।
আসার সময়ও একই পদ্ধতি, যদি পাবলিকে যান তাহলে প্রথমে টেম্পোতে করে সাটুরিয়া এর পরে বাস.........
সুরঞ্জনা বলেছেন:
এতো সুন্দর একটা পোষ্ট আর আমার নজরে পড়লোনা? আসলেই বুড়ি হয়েছি। খুব কষ্ট হয় যখন দেখি এই ধরনের পুরাকির্তি গুলো সংরক্ষনের কোনো উদ্যেগ-ই আমাদের সরকার পক্ষ থেকে নেয়া হয়না। পার্শ্ববর্তী দেশ কত যত্নশীল। আর এর সুফল ও তারা পাচ্ছে। প্রচুর টুর্যিষ্ট, প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা। এটা প্রিয়তে নিয়ে গেলাম। এর পর ঢাকা এলেই ওখানে যাবো ইনশাল্লাহ। অনেক অনেক ধন্যবাদ রেজোয়ানা।
লেখক বলেছেন: আরে আপু এটাতো অনেক আগের লেখা, চোখে এজন্যই পরেনি।
আসলে আমাদের আশেপাশে এমন অনেক কিছুই আছে যা দেখা হয়না.........
লেখক বলেছেন: ওহ, ভাইয়া খেয়াল করিনি ভাইয়া
যেতে খুব বেশি হলে দেড় ঘন্টা লাগবে...
ক দিন আগেই গিয়েছিলাম। সিড়িঁর বর্ধিত অংশটুকু আমাকে বেশ ভাবিয়েছিল। এখন বুঝলাম। সাদা বাড়িটাতে ঢুকতে পারি নি। এখন আফসোস হচ্ছে। ভিতরের হাতে আঁকা পেইন্টিং মুগ্ধ করার মতো।
লেখক বলেছেন: সাদা বাড়িটায় কেন ঢুকতে পারলেন না, ওটা তো মিউজিয়াম।
বন্ধ ছিল নাকি?
আর গ্রামটাও কিন্তু খুব সুন্দর, তাই না?
সাদাকালোরঙিন বলেছেন:
এই জমিদার বাড়ির খবর জানা ছিল না। চমৎকার পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ। ছবিগুলোও খুব সুন্দর।
লেখক বলেছেন: এই এলাকায় আরো কিছু নিদর্শন আছে, তেওতা জমিদার বাড়ি, পঞ্চ চুড়া মন্দির........
দেশে থাকলে আর সময় পেলে ঘুরে আসতে পারেন।
ইমন জুবায়ের বলেছেন:
আচ্ছা, ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারযোগে মানিকগঞ্জের তেওতা পঞ্চচুড়া মন্দির আর জমিদার বাড়ি কি ভাবে যাব?
লেখক বলেছেন: জমিদার মশাই কেন আমার সাথে বঞ্চনা করিতেছেন?
আপনি তো আগেই উক্ত স্থানে সাগর বিমান যোগে আসিয়াছিলেন, এই যে তাহার ছবি আমি পাইয়াছি ...........
লেখক বলেছেন: মুখ ব্যাদান কেন জনাব?
কেউ কি আপনাকে তিরস্কার করিয়াছে?
নাকি আপনার হেলিকাপ্টারের ড্রাইভার ছুটিতে গিয়াছে?
অন্ধ আগন্তুক বলেছেন:
আমিও গিয়েছিলাম বালিয়াটিতে, অনেকটা হুট করেই। ক্যামেরা না থাকায় ভালো কোন ছবি তুলতে পারিনি, হাতের মোবাইল ক্যামেরা দিয়েই ছবি তুলেছিলাম কয়েকটা।প্রাসাদটা আসলেই অনেক সুন্দর, কিন্তু পাশের ডানদিকে অন্ধকূপ আছে, যেতে দেয় না অবশ্য, আমরা জোর করেই দেখেছিলাম। বেশ গা ছমছমে একটা ব্যাপার !!!
পোস্টের ছবিগুলোর জন্য প্লাস।
লেখক বলেছেন: অন্ধকুপের ব্যাপারটাতো শুনি নাই। এটা কি পাশের যে বাড়িটা আছে, ঐদিকে নাকি?
এরপরে গেলে খোজ নেবো।
হুমায়রা হারুন বলেছেন:
অসাধারণ!
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপু পড়ার জন্য........
কাঊসার রুশো বলেছেন:
চমৎকার ছবি +++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রুশো!
এটা আপনার ভাল লেগেছে জেনে কৃতার্থ বোধ করছি.......
লেখক বলেছেন:
মজলিশ ঘরের তেমন কিছুই আর অবশিষ্ট নেই সজল ভাই, তারপরও আমি আপলোড করবো যা কিছু ছবি আছে আমার কাছে.....
লেখক বলেছেন:
তাই নাকি?
আমারও ![]()
সহ্চর বলেছেন:
+।প্রিয়তে
লেখক বলেছেন: আরে আপনার মন্তব্যটা তখন আমার চোখে পরেনি কেন!!
লেখক বলেছেন:
গঙ্গাধরপট্টি, দেবেন্দ্র কলেজের পাশে ![]()
আমি নবীন বলেছেন:
নিজেকে মানিকগঞ্জের মানুষ ভেবে আবারও পুলকিত হলাম।
লেখক বলেছেন:
![]()
লেখক বলেছেন: তোমার ছবি গুলো অ স ধা র ণ হয়েছে.......
কাঙাল মামা বলেছেন:
বাহ। অনেক ভালো লাগলো। আমি যেবার গেছিলাম তখন সাদাটায় ঢুকতে দেয় নাই। ২০১০তে। একটা লোক ছিলো, সে বলছে বাইরে ঘুরা শেষ হলে ওরে জানাইতে। ও ভিতরের দরজা খুলে দিবে। ভিতরের যেটায় ঢুকতে দিছে যেটার মাঝে একটা খোলা উঠান টাইপের আছে।লোকটা ছিলো বোবা-কালা। উনি কি কিউরেটর নাকি? উনি খুব হেল্পফুল। আসার সময় কি উনাকে বখশিস দিয়ে আসা উচিত হবে? নাকি এভাবে টাকা পেলে উনার স্বভাব খারাপ হয়ে যাবে?
এই শনিবার আবার যাচ্ছি
লেখক বলেছেন: না, কিউরেটর তো উনি হবার কথা না। যাকে দেখেছেন, সে সম্ভবত কেয়ারটেকার টাইপের কেউ হবেন।
আর টাকাপয়াসা কেন দেবেন, এরা এই কাজের জন্য বেতন পায় তো
গেলে গ্রামটাও দেখে আসবেন, গ্রামটা খুব সুন্দর। আর ছড়ানো ছিটানো বেশ কিছু স্থাপনাও আছে।
হাতে সময় থাকলে আর একটু এগিয়ে, সাটুরিয়ার পরে তেওতা নবরত্ন মন্দির আর জমিদার বাড়িটাও দেখে আসতে পারেন কিন্তু
কাঙাল মামা বলেছেন:
বালিয়াটি থেকে তেওতা নবরত্ন মন্দির আর জমিদার বাড়ি কত দূর? কিভাবে যাবো?
লেখক বলেছেন: তেওতা বালিয়াটি থেকে যেতে ঘন্টা খানেক সময় লাগবে। বালিয়াটি থেকে বার হয়ে মেইন রোডে উঠে শিবালয় যেতে হবে। শিবালয় বাসস্ট্যান্ড নেমে রিক্সা বা টেম্পো আছে, আর নিজেদের গাড়ি হলে সোজা রাস্তায় কিছু দূর এগুলেই হবে।
আমার এই পোস্টে ছবি আছে Click This Link
মুহসীন৮৬ বলেছেন:
আপু, আমি শুক্রবার যাওয়ার প্ল্যান করছি। গাবতলি থেকে কিভাবে যাব? এবং দিনে দিনে জমিদার বাড়ি ছাড়া আর কি কি দেখে আসতে পারবো একটু জানান প্লিজ। ভাল থাকবেন লেখক বলেছেন: সরি সরি আপনার মন্তব্যটা এতদিন পরে দেখলাম। চলে গেছেন কি?
তারপরও যাবার প্রসেসটা বলছি, গাবতলি থেকে মানিকগঞ্জগামি যে কোন বাসে উঠে পড়ুন। মানিকগঞ্জ পর্যন্ত যাওয়া লাগবে না। যদি নিজে গাড়ি নিয়ে যেতে চান তাহলে খেয়াল করবেন মানিকগঞ্জ শহরে পৌছার কিছু আগে সাটুরিয়ার কাছাকাছি রাস্তার বাম দিকেই বালিয়াটি জমিদার বাড়ি লেখা সাইন বোর্ড দেখা যাবে, সেই গলি দিয়ে ঢুকতে হবে। এরপর সোজা রাস্তায় মাইল দুয়েক গেলেই হবে।
আর যদি পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবহার করেন তাহলে বাস ওয়লাদের বললেই বালিয়াটি নামিয়ে দেবে, ওখান থেকে টেম্পো আছে জমিদার বাড়ি পর্যন্ত। এছাড়া সাভার হেমেয়েতপুর থেকেও বাস যায়।
ভাল থাকুন ভাইয়া
মুক্তাদির মাহ্ফুজ জামী বলেছেন:
এই ব্লগ সহ আপনার বেশ কয়েকটি ব্লগ আগেই পড়েছিলাম। তখন ভাললাগলেও জানাবার ক্ষমতা ছিল না। তাই এখন জানালাম।খুব ভাল লেগেছে আপনার উপস্থাপন।
লেখক বলেছেন: খুব খুশি হলাম মন্তব্য করার সুযোগ পেয়ে ভাল লাগাটা জানিয়ে গেলেন বলে।
ব্লগ যাত্রা আনন্দময় হোক
ভাল থাকুন মাহফুজ জামী
মুহসীন৮৬ বলেছেন:
আপু ঘুরে আসছি গতকাল। আজ বালিয়াটি নিয়ে একটা পোষ্ট দিলাম । আপনি তো সবকিছু লিখে দিয়েছেন। আমার লেখার জন্য কোন টপিক তো বাকী নাই।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...





















