আমার প্রিয় পোস্ট

প্রত্নতাত্ত্বিকের দিনলিপি

বাংলাদেশের জলদূর্গ.....মুন্সিগঞ্জের ইদ্রাকপুর

২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৬

শেয়ারঃ
0 1 0

সৃষ্টির গোড়া থেকেই মানুষ প্রকৃতি ও প্রতিপক্ষের কাছ থেকে রক্ষা করেছে এবং নিজের প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করে প্রতিরোধের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এরই অনিবারযতায় এক সময় দূর্গ-ব্যবস্থার পত্তন হয়।
প্রত্ন্ তাত্ত্বিক দৃষ্টিতে দূর্গ ব্যবস্থা হলো প্রতিরোধের আয়োজন। পরিখা বা গর্তের মাধ্যমে অথবা অন্য কোনভাবে বসতিকে ঘিরে রাকার ব্যবস্থা থেকেই দূর্গ ধারণার উৎপাত্তি।
দূর্গ সাধারণত দুই রকমের দেখা যায়: স্থায়ী ও অস্থায়ী।
স্থায়ী দূর্গ শান্তির সময়ে প্রতিরক্ষা ও শত্রুর বিরুদ্ধে আক্রমনের জন্য শহর, সীমান্ত-চৌকি, সমুদ্রা বা উককূলবর্তী অঞ্চল, বানিজ্য-কেন্দ্র এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থানকে রক্ষার করার জন্য নির্মিত হয়, যেখানে প্রয়োজনীয় সব কিছুই রক্ষিত থাকে।
অন্যদিকে অস্থায়ী দূর্গ গুলো জরুরী ভিত্তিতে যুদ্ধের সময়ে তৈরি করা হয়!
কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্রে ঔদকদূর্গ, পার্বতদূর্গ, ধান্বনদূর্গ ও বনদূর্গ এই চার রকমের দূর্গের কথা উল্লেখ আছে।

উপমহাদেশে প্রথম নগর সভ্যতস হরপ্পার (সিন্ধু) প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল দূর্গ। হরপ্পা সভ্যতা ধ্বংসের প্রায় এক হাজার বছর পরে গাঙ্গেয় উপত্যকায় যে দ্বিতীয় নগরায়ন শুরু হয় তারও প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল দূর্গ।
নদীবহূল বাংলায় দূর্গ গুলো তৈরী হয়েছিল নদীর তীরে, কারণ এর ফলে যাতায়ত ও প্রতিরক্ষা দুটোই সহজ হতো। দূর্গ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শাক্তিশালী করতে পরিখা, নালা, খাল বড় পুকুর খনন করা হতো।
দু একটি ব্যতিক্রম ছাড়া দূর্গ নগরী গুলো প্রাচীর ঘেরা থাকে, এবং এর বাইরে থাকে পরিখা। দূর্গ পাচিলের কোণায় বা কৌশলগত স্থানে এক বা একাধিক বরুজ থাকে। আদি ঐতিহাসিক ও প্রাক মধ্যযুগের দূর্গ প্রাচীর গুলো মাটির ও ইটের তৈরি।


এবার দেখে নেয়া যাক বাংলাদেশের বিখ্যাত দূর্গ গুলোর একটি ইদ্রাকপুর জলদূর্গ।


ইদ্রাকপুর জলদূর্গটি ইছামতি নদীর কোল ঘেসে নির্মান করা হয়েছিল,
এখন অবশ্য ইছামতি মৃতপ্রায়। মুন্সীগঞ্জের দেওভোগ
গ্রামে গেলে দেখতে পাওয়া যাবে এই দূর্গটি। ধারণা করা হয় সম্ভবত
মুঘল সুবাদার মীর জুমলা এই আনু: ১৬৬০ খ্রি: এই দুর্গ নির্মান করেছিলেন।

সেই সময়ে জলপথে মগ ও পর্তুগীজদের আক্রমন প্রতিহত করার জন্য
বেশ কিছু জলদূর্গ তৈরি করা হয়েছিল, তার মধ্যে অন্যতম লালবাগ
সোনাকান্দা প্রভৃতি।

ইদ্রাকপুর দুর্গটি দুটি অংশে বিভক্ত। অপেক্ষাকৃত বড় অংশটি হলো সুরক্ষা
প্রাচীর দিয়ে ঘেরা উন্মুক্ত অঙ্গন। প্রাচীর উপরে মার্লন
আলংকরণ আছে।


প্রাচীরের কোনা গুলোতে রয়েছে সিলিন্ডার অকারে বেস্টন বা
পর্যবেক্ষন মঞ্চ।পর্যাবেক্ষন মঞ্চের দেয়ালে যে চৌকা ফোকর গুলো দেখআ
যাচ্ছে ওখানে কামান রাখা হতো।



একপাশের দেয়াল প্রায় মাটিতে ঢেবে গেছে, শুধু প্যারাপেট গুলো বের
হয়ে আছে।
অপেক্ষাকৃত ছোট অংশটিতে আছে বড় অকৃতির একটা গোলাকার
বেদি। এটাও প্রাচীরের মতো আরেকটা সুরক্ষা প্রাচীরে ঘেরা।


এখানে ওঠার জন্য একটা সিড়ি আছে।



দূর্গের প্রবেশদ্বার, উপরে প্যারাপেট অলংকরণ।

বর্তমানে এই বেদির উপরে ডেপুটি কমিশনারের বাসভবন নির্মান করা
হয়েছে :|
আর পুরো দূর্গটাই এখন জেল হিসেবে ব্যবহার করা হয় /:)

সুতরাং আর দেরি কেন, একেবারে ধ্বংস হয়ে যাবার আগে দেখে আসুন
মুঘল এই স্থাপত্যকে।

ইদ্রাকপুর জলদূর্গটি ইছামতি নদীর কোল ঘেসে নির্মান করা হয়েছিল,
এখন অবশ্য ইছামতি মৃতপ্রায়। মুন্সীগঞ্জের দেওভোগ
গ্রামে গেলে দেখতে পাওয়া যাবে এই দূর্গটি। ধারণা করা হয় সম্ভবত
মুঘল সুবাদার মীর জুমলা এই আনু: ১৬৬০ খ্রি: এই দুর্গ নির্মান করেছিলেন।

সেই সময়ে জলপথে মগ ও পর্তুগীজদের আক্রমন প্রতিহত করার জন্য
বেশ কিছু জলদূর্গ তৈরি করা হয়েছিল, তার মধ্যে অন্যতম লালবাগ
সোনাকান্দা প্রভৃতি।

ইদ্রাকপুর দুর্গটি দুটি অংশে বিভক্ত। অপেক্ষাকৃত বড় অংশটি হলো সুরক্ষা
প্রাচীর দিয়ে ঘেরা উন্মুক্ত অঙ্গন। প্রাচীর উপরে মার্লন
আলংকরণ আছে।


প্রাচীরের কোনা গুলোতে রয়েছে সিলিন্ডার অকারে বেস্টন বা
পর্যবেক্ষন মঞ্চ।পর্যাবেক্ষন মঞ্চের দেয়ালে যে চৌকা ফোকর গুলো দেখআ
যাচ্ছে ওখানে কামান রাখা হতো।



একপাশের দেয়াল প্রায় মাটিতে ঢেবে গেছে, শুধু প্যারাপেট গুলো বের
হয়ে আছে।
অপেক্ষাকৃত ছোট অংশটিতে আছে বড় অকৃতির একটা গোলাকার
বেদি। এটাও প্রাচীরের মতো আরেকটা সুরক্ষা প্রাচীরে ঘেরা।


এখানে ওঠার জন্য একটা সিড়ি আছে।



দূর্গের প্রবেশদ্বার, উপরে প্যারাপেট অলংকরণ।

বর্তমানে এই বেদির উপরে ডেপুটি কমিশনারের বাসভবন নির্মান করা
হয়েছে :|
আর পুরো দূর্গটাই এখন জেল হিসেবে ব্যবহার করা হয় /:)

সুতরাং আর দেরি কেন, একেবারে ধ্বংস হয়ে যাবার আগে দেখে আসুন
মুঘল এই স্থাপত্যকে।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): আমার দেশ/ইদ্রাকপুর/জলদূর্গ ;
প্রকাশ করা হয়েছে: বাংলাদেশের প্রত্নতাত্বিক নিদর্শন  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৯:২১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৭
ভাঙ্গন বলেছেন: ঘুরে আসার মত জায়গা।
অনেক সুন্দর আর ঐতিহাসিক।
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৩৪

লেখক বলেছেন: ঘুরে আসুন তারাতারি, খুব বেশি দিন বোধ হয় এর অস্তিত থাকবে না।

২. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:০৭
হোদল রাজা বলেছেন: দারুন তো!!

শেয়ার করার জন্য +
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৩৭

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া পড়ার জন্য।

অ ট: আমাদের একটা বন্ধু ছিল, ইউনির নাম ছিল হোদল কুতকুত, আমরা সংক্ষেপে হোদল ডাকতাম। এখন পাবলিক ইউনির টিচার হইছে।

৩. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:১৩
মইনুল িমঠু বলেছেন: ভিতরে কি যেতে দেয়? যাওয়ার উপায় বলেন । শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৪০

লেখক বলেছেন: সব জায়গার যেতে দেয় না, জেল তো।

ঢাকা থেকে মুন্সিগঞ্জগামি যে কোন বাসে উঠে চলে যাবেন। এটা মেইন শহরের মধ্যেই পরে। দেওভোগ বললেই রাস্তা দেখিয়ে দেবে।

৪. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:১৬
মইনুল িমঠু বলেছেন: ও ভাই কিভাবে যাব?????????????????????
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৪১

লেখক বলেছেন: ঢাকা থেকে মুন্সিগঞ্জগামি যে কোন বাসে উঠে চলে যাবেন। এটা মেইন শহরের মধ্যেই পরে। দেওভোগ বললেই রাস্তা দেখিয়ে দেবে। যেতে খুব বেশি হলে ২ ঘন্টা লাগবে, ঘুরে আসুন।

৫. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:১৭
সত্যাশ্রয়ী বলেছেন: নারায়নগন্জে একই রকম একটা দূর্গ দেখেছিলাম। ভাল পোস্ট। ধন্যবাদ
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৪৩

লেখক বলেছেন: হু, নারায়গঞ্জের দূর্গটার নাম সোনাকান্দা দূর্গ।

আপনার কমেন্টস দেখে উৎসাহ পেলাম, ধন্যবাদ ভাইয়া।

৬. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:১৮
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন: ইসসসসসসসসসসস কোন মাষ্টর জানি আমাগোরে এগুলা পড়াইছিল। অহন টিউটোরিয়াল থাকলে কামে লাগতো।

তোমরা লেখাটা কপি পস্টে মাইরা দিতাম। :P
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৪৫

লেখক বলেছেন: তুই এত তারাতারি ভুইলা গেলি আমাদের মহান সেই সব শিক্ষকদের কথা?

জানুয়ারির ৩১ তারিখে আসবি তো?

২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৪৮

লেখক বলেছেন: আপনার "দারুন!+++"" আমার কাছে আনেক বড় পাওয়া ভাইয়া। অনেক ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

৮. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৩২
ইমন জুবায়ের বলেছেন: আপার বাবুটা কিন্তু বেশ কিউট।
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৪৯

লেখক বলেছেন: সোহামনি খুব দুষ্টও, দোয়া করবেন ওর জন্য।

৯. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১৭
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন: আসমু...

কিন্তুক মাষ্টরডা কেডা।
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৪

লেখক বলেছেন: আমিও যামু, কোন মাস্টারের কথা কস?
বাংলাদেশের এই স্থাপত্য তো আলাদা কইরা কেউ আমাগো পড়ায় নাই, শাহনেওয়াজ স্যার খালি একটু হিন্টস দিছিল। হেরা তো খালি ভারতবর্ষ চোক্ষে দেখে।

১০. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪৬
এন এইচ আর বলেছেন: কথায় আছে না মক্কার মানুষ হজ্ব পায়না.......... নিজের শহরের স্থাপনা কিন্তু কোন দিন ঘুরে দেখা হয় নাই। অনার্সে পড়ার সময় আমাদের পরিক্ষা হতো দেওভোগ মহিলা কলেজে......... পরিক্ষা দিয়ে ফেরার পথে অনেক সময় ঐ এলাকায় ঘুরে বেড়াতাম কেল্লার পাশে বসে আড্ডা মারতাম.......... আর আজ মন চাইলেও যেতে পারবো না...........

ধন্যবাদ আপনাকে শেয়ার করার জন্য..........। আর আপনি কি এই এলাকারই? আমার দাদার বাড়ী রনছ্
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:০১

লেখক বলেছেন: ইস ভাইয়া, আপনাদের এলাকা তো খুবই সমৃদ্ধ। আরও কত কিছু আছে এখানে, বাব আদম মসজিদ, মীর কাশিম পুল।

পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

আমি এই এলাকার না, তবে দেখার জন্য বেশ কয়েকবার গেছি।

১১. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৮
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন: না আমরা পড়ছিলাম। কোন মাষ্টরে পড়াইছে ভুইলা গেছি।

তোমাগো আর আমাগো সিলেবাস আবার একটু আলাদা কি না।
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:০১

লেখক বলেছেন: বাংলাদেশের মধ্যযুগীয় স্থাপত্য তোদের পড়াইছে?

মনে হয় মুন্নি।

২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:০২

লেখক বলেছেন: দেখার জন্য ধন্যবাদ।

১৩. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫০
শয়তান বলেছেন: লালবাগ কেল্লার ছোট সংস্করন বলে মনে হচ্ছে ।

আচ্ছা পুকুরটাও কি ভেতরেই ???
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:২৫

লেখক বলেছেন: কেল্লা গুলো সব প্রায় একই রীতিতে বাননো, তাই এক ধরনের লাগে দেখতে।

পুকুরটা কেল্লার বাইরে অবস্থিত, ধারণা করা হয় এক সময় এর সাথে ইছামতির সংযোগ ছিল।

১৪. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৯
লবঙ্গলতিকা বলেছেন: আমিও গিয়েছিলাম একবার।
বাবুটা কেমন আছে আপু?
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:২২

লেখক বলেছেন: গিয়েছিলে নাকি, বলো নাই তো কখনো।

বাবু ভালই আছে, পুরোপুরি হাটা শিখে ফেলেছে।

১৫. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২৭
পুরাতন বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ........এইরকম পুরাতন দূর্গ ঘুরে বেড়ানো আমার খুব শখ..... :)
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৬

লেখক বলেছেন: এরপর যখন দেশে আসবেন তখন ঘুরে যাবেন ইদ্রাকপুর, সোনাকান্দায়। তবে আসল দূর্গের মজা পাওয়া যা ভারতের জয়পুর, যোধপুর, জয়সলমীরের সোনারকেল্লায় :D

১৬. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১০
ইউনুস খান বলেছেন: ধন্যবাদ আপু। ভালো লাগছে।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৫৪

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ ইউনুস খান ভাইয়া।

আপনি অনেক দিন কোন নতুন ভুতের গল্প লেখননা।

সেদিন আপনার একটা রাক্ষসির পোস্টটা দেখে ঢু মারলাম, পরে রিপোস্ট দেখে হতাশ হয়েছি।

২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৪৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া (এত রাগান্বিত দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন কেন, আমরা ভুই পাই)

২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৮

লেখক বলেছেন: :#)

১৯. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৮
ম্যাভেরিক বলেছেন: জলদূর্গ জলদগম্ভীর আবহে দাঁড়িয়ে আছে, সুন্দর...:)
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:০৯

লেখক বলেছেন: আপনার ভাল লেগেছ?

২০. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:২১
ম্যাভেরিক বলেছেন: হ্যাঁ, কারণ আমি নদী ধরণের মানুষ। :)
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০২

লেখক বলেছেন: জেনে খুব ভাল লাগলো।

২১. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৩
বোবাবৃক্ষ বলেছেন: শেয়ার করারজন্য ধন্যবাদ...যথা সম্ভব দ্রুত যাব...যে অংশে ঢুকতে দেয় না সেখানে প্রয়োজনে হাজতী হয়ে যাব...আমার অভ্যাস আছে...
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৫৯

লেখক বলেছেন: বাহ আপনারতো অনেক অভিজ্ঞতা!!

২২. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:১০
রাজিব শাহরিয়ার বলেছেন: আরে ..আপু ...
আপনি এজায়গাতেও গিয়েছেন ... দারুন একটা দূর্গ.....
শুনেছি... ঢাকার লালবাগ দূর্গ আর নারায়ণগন্জের সোনাকান্দা দূর্গের সাথে এটার সুরঙ্গপথে যোগাযোগ ছিল ... লালবাগ আর সোনাকান্দা দূর্গের সুরঙ্গমুখ দেখেছি .... কিন্তু ইদ্রাকপুর দূর্গেরটা চারপাশ খুজেও পাইনি .....

এ দূর্গ নিয়ে আমার এ লেখাটা দেখতে পারেন ....
মুন্সীগঞ্জ ভ্রমন .... - পর্ব - ১
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:০৬

লেখক বলেছেন: ইদ্রাকপুর দূর্গের গুপ্তমূখটা সম্ভবত দূর্গের ভেতরে, ডোমটার মধ্যে।

বিস্তারিত তথ্য জানতে দেখতে পারেন এশিয়াটিক সোসাইটি থেকে প্রকাশিত মোস্তাফিজুর লাল স্যারের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বইটি।

২৩. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:২৩
যীশূ বলেছেন: বর্তমানে এই বেদির উপরে ডেপুটি কমিশনারের বাসভবন নির্মান করা
হয়েছে ।
আর পুরো দূর্গটাই এখন জেল হিসেবে ব্যভার করা হয় ।
---------------------------------------------------------------------------------

তাহলে এটা কি দর্শনার্থীদের জন্য বন্ধ? মানে, দেখতে গেলে কি ঢুকতে দেবে ভিতরে?
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:১৭

লেখক বলেছেন: ভেতরের কিছু আংশে যাওয়া যায়।
আর বাইরে থেকেও ভালই দেখা যায়।

২৪. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪৩
তানভীর চৌধুরী পিয়েল বলেছেন: কত অমূল্য প্রত্নসম্পদ...

অথচ কি অবহেলায় পড়ে আছে...

আফসোস!!
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:২২

লেখক বলেছেন: আহারে সবার মধ্যে যদি আপানার মতো এমন উপলব্ধিটা থাকতো, তাহলে হয়তো আমরা অন্যরকম এক বাংলাদেশ পেতাম।

২৫. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৩৯
শয়তান বলেছেন: এখানে গিয়েছেন নাকি যাবেন সামনে ?



**ফটো কৃতজ্ঞতাঃ হাসান মাহবুব**
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:০০

লেখক বলেছেন: এটা কোথায়?

নাটোর নাকি?

ঠিকানটা দেন তো।

২৬. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:০৯
শয়তান বলেছেন: তাজহাট রংপুর জমিদার বাড়ি
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৮

লেখক বলেছেন: রংপুর কখনো জাইনি, আমার দৌড় দিনাজপুর পর্যন্ত।

অনেক সুন্দর, আহসান মঞ্জিল স্টাইলে তৈরি মনে হচ্ছে।

ধন্যবাদ ভাইয়া ছবিটা দেবার জন্য, যাবার ইচ্ছা রইলো। এটা কি সংরক্ষিত না ব্যক্তি মালিকাধীনে আছে?
যদি দেখতে চাই তাহলে কোথায় পারমিশন নিতে হবে?

২৭. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৩
শয়তান বলেছেন: এটা নাকি বর্তমানে জাদুঘর এ কনভারট করা হয়েছে ।

আপনি হাসান মাহবুব এর সাথে যোগাযোগ করুন । আরও বিস্তারিত তথ্যের জন্য ।
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৮. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫১
ইউিটউব বলেছেন: পেলাস মাইনাস এখোনো দিতে পারি না .........................

অপেক্ষা করুন....................
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১০

লেখক বলেছেন: অপেক্ষা করছি....................

২৯. ১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৫৪
মন যাযাবর বলেছেন: যদিও কষ্ট হয়, তবুও আরো ডিটেইলস লিখবেন। আপনার পোস্টগুলো পড়ে মনে হয় আপনি হয় ইতিহাস বা প্রত্নতত্বের ছাত্রী। যাইহোক লিখছেনই যখন একটু বিস্তারিতই লিখেন। একটা ভাল ডকুমেন্ট হয়ে যাবে।
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া পড়ার জন্য।
আপনি ঠিকই ধরেছেন, আমার বিষয় ছিল প্রত্নতত্ব।
এখন অবশ্য একেবারেই অন্য ক্ষেত্র।
চেষ্টা করবো বিস্তারিত লিখতে.........

৩০. ২৩ শে জুলাই, ২০১১ সকাল ১১:৪৬
পগলা জগাই বলেছেন: যাবো যাবো করেও এখানে এখনো যাওয়া হয়নি। চলে যেতে হবে এক দিন।
প্রিয়তে।
২৪ শে জুলাই, ২০১১ সকাল ৯:০৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ দেখে যাবার জন্য। আপনার পোস্টটিও চমৎকার হয়েছে :)

৩১. ২৭ শে আগস্ট, ২০১১ দুপুর ১:২০
নীলসমুদ্র বলেছেন: আপনাদের ব্যাচের জুলকারনাইন ভাইয়া এখন আমাদের টিচার। লেটেস্ট ব্যাচের স্টুডেন্ট আমি। জিনিসগুলো পড়তে কি যে বিরক্ত লাগে আপু!!!!
২৭ শে আগস্ট, ২০১১ দুপুর ২:৩৭

লেখক বলেছেন: হা হা হা বিরক্ত লাগে কেন? অবশ্য পড়ার টপিকস আগ্রহজনক ভাবে রিপ্রেজেন্ট করার দায়িত্ব অনেকটাই টিচারের উপর বর্তায়, তোমাদের দূর্ভাগ্য (আমি সেটাই বলবো) আর্কিওলজির ভাল ভাল টিচার যারা ছিলেন যেমন আব্দুল মোমিন স্যার, ড:এনামুল হক, মরহুম হোসনে আরা মোতাহর ম্যাডাম বা ড: সাবের আলী স্যার এমন আরও অনেক ক্লাস তোমরা মিস করছো!

আর এখন যারা পড়ায় তারা কেমন পড়ায় সে বিষয়ে আমার তেমন ধারনা নেই, তবে যে ডিপার্টমেন্ট তাদের মেধাতালিকার ফার্স্ট সেকেন্ড ইভেন থার্ড হওয়া ফাস্ট ক্লাস পাওয়া স্টুডেন্টদের বাদ দিয়ে মেধাতালিকার ১৪/১৫ তম সেকেন্ড ক্লাস পাওয়া ছাত্রছাত্রীদের টিচার হিসাবে নিয়োগ দেয়, সেই বিভাগের কপালে এমন দূর্ভোগ আবশ্যম্ভাবী!


তোমার সাথে পরিচিত হয়ে ভাল লাগলো, ক্যারি অন। এই বিষয়ে এখন আমাদের দেশে ভালই স্কোপ আছে :)

৩২. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:১০
স্মৃতির নদীগুলো এলোমেলো... বলেছেন: দারুন পোস্ট। দেখেই মনে হচ্ছিলো মুঘলদেরই তৈরী করা হবে। ভারতের প্রায় ৬-৭ তা দুর্গ দেখেছি। মুঘলদেরগুলো দেখলেই আলাদা করা যায়। তবে এতো ডেবে গেছে কি করে??!! কেবল মাথা বের করে আছে।

কোনদিন দেখা হবে নাকি জানিনা, তবে বর্তমান অবস্থার কথা শুনে খারাপ লাগলো।

পোস্টটা কিন্তু দুইবার এসেছে।

++
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ দুপুর ১:৫৩

লেখক বলেছেন: আমাদের মাটির ফরমেশন আর ওয়াদারের কারণে এই অবস্থা হয় প্রাচীনস্থাপনা গুলো। বৃষ্টিতে মাটি ক্ষয় হয়ে ঢেবে যায়, আর জলাবদ্ধতা তো আছেই।

খুব ভাল লাগলো পোস্ট দেখলে বলে।

ঠিক করে দিচ্ছি :)

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৭৮৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
বাংলার হিন্দু, বাংলার খৃস্টান,
বাংলার বৌদ্ধ, বাংলার মুসলমান
আমরা সবাই বাঙ্গালী, বাংলাদেশী...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ