আমার প্রিয় পোস্ট
- আমার অনুসারিত ব্লগার ও তাদের নিয়ে কিছু অর্থহীন কথা - কামরুল হাসান শািহ
- স্মৃতির পাতায় বিটিভি :প্রসঙ্গ জনসচেতনতা মূলক অনুষ্ঠান - সীমান্ত আহমেদ
- হার্মাদ জলদস্যুর গুপ্তধনের খোঁজে (ইতিহাস, ভ্রমণ ও ছবি ব্লগ) - নুভান
- বেগম আখতার গানের জগতের সম্রাজ্ঞী। - সুরঞ্জনা
- ডিসেম্বর মাসের অবশ্যপাঠ্য পোস্টসমূহের সংকলন - দূর্যোধন
- ব্লগ রাজনীতি ও ব্লগের রাজনীতি - একরামুল হক শামীম
- সালতামামি ২০১১ : বছর জুড়ে গল্প, কবিতা ও উপন্যাস লেখা পাঠকপ্রিয় সৃজনশীল ব্লগারেরা - রেজওয়ান মাহবুব তানিম
- ফিরে দেখা ২০১১ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগে যা কিছু আলোচিত-সমালোচিত... - ফিউশন ফাইভ
- ফিরে দেখা ২০১১ : ব্লগ নিয়ে ব্লগারদের বাছাই ৩০ + নির্বাচিত ২০ ব্লগরম্য - ফিউশন ফাইভ
- ছেড়া পাতার গল্পকথা অথবা আমার লেখা গল্পগুলো (২০০৯-২০১১) - সকাল রয়
- বাংলা ভাষায় ব্লগিং - আহরার হোসেন আরিফ
- নভেম্বর মাসের অবশ্যপাঠ্য পোস্টের সংকলন - দূর্যোধন
- হাইপেশিয়া—আলেকজান্ড্রিয়ার বাতিঘর - ম্যাভেরিক
- আমাদের ইতিহাস, আমাদের কিংবদন্তী: বোবা মেয়েটির কথা! - ম্যাভেরিক
- সৈয়দপুরের গোলাহাট গণহত্যা বিশ্বাস ঘাতকতার শিকার চার’শ তের জন - সামছা আকিদা জাহান
- অপরবাস্তবের জন্য লেখার লিংক চাহিয়া একটি কাতর আবেদন - ফিউশন ফাইভ
- জগজিত সিং এর অমর কীর্তি - ৭৬ টি এ্যালবাম একসাথে (আমার আপলোড করা) - কবির চৌধুরী
- দূর্যোধনের দৃষ্টিতে অক্টোবর মাসের অবশ্যপাঠ্য পোস্টসমূহের সংকলন-২ - দূর্যোধন
- শুভ জন্মদিন রেজওয়ানা - ইমন জুবায়ের
- ফিউশন ইন্সট্রুমেন্টাল ............... - গানচিল
- গণিতের নোবেল, আবেল পুরস্কার ২০১১-এর উৎসবে - ম্যাভেরিক
- আমার পছন্দের কিছু ভারতীয় হিন্দি গান। - প্রজন্ম৮৬
- [ভুলে যাওয়া নাটকগুলি] পাগড়ী (১৯৮৪) - রাইসুল জুহালা
- ভানু বন্দোপাধ্যায়---কখনো শুনে দেখেছেন কি? - ফেলুডার চারমিনার
- আমাদের সংস্কৃতি জগতে পরিবারতন্ত্র ! - ১০ (শেষ) - এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল
- Nasca Lines: পেরুর রহস্যময় ন্যাযকা সভ্যতা এবং তাদের ততোধিক রহস্যময় ভূ-চিত্রগুলি - হোরাস্
- বর্ষপূর্তি এবং দূর্যোধনের প্রিয় ব্লগারেরা
- দূর্যোধন
- স্মৃতি ১৯৭১ (শেষ পর্ব) - সুরঞ্জনা
- 'ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে ইসলাম ও তৎসংশ্লিষ্ট ঘটনাপ্রবাহ'বরাবরঃ অয়োময় - রুদ্রপ্রতাপ
- জ্ঞানী-নির্বোধ কিংবা নির্বোধ-জ্ঞানীর গল্প - ম্যাভেরিক
- ত্রিরিশ ব্লগার'রে লইয়া খভিতা,বর্ষসেরা লেখা এটাই, ভুট দিন - সৌপ্তিক
- বাবাকে যে চিঠি শুধু একবার লেখা যায় , কখনও পোস্ট করা হয়ে ওঠেনা - মেহরাব শাহরিয়ার
- ১৯৭১ সালে বুদ্ধিজীবি হত্যার ইতিবৃত্ত (পর্ব-১০) - নাঈম
- ফুলের নাম- অঞ্জন - রাজামশাই
- ছবি থেকে মুছে ফেলুন অপ্রয়োজনীয় অংশ - হাসান জোবায়ের
- ডায়েরীর পাতা থেকেঃ যুদ্ধশিশু এরিনা ও তার বীরাঙ্গনা মায়ের যন্ত্রণা গাঁথা - ড়ৎশড়
- ব্লগারদের বাসায় ঈদ দাওয়াত
আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে...
- চতুষ্কোণ
- পদ্মার অথবা এক বেশ্যার গল্প - জীবনানন্দদাশের ছায়া
সামহোয়্যার ইন কিডস্ 2
- পুরাতন
- বিংশ শতাব্দীর কিছু উল্লেখযোগ্য বক্তৃতা - নাজনীন১
- সত্যজিৎ রায় - ১ - মে ঘ দূ ত
- সুকুমার রায়ের ছড়া সমস্টি। - ব্রাইট
- মিথের জীবন, জীবনের মিথ - অন্ধ আগন্তুক
- ফটো অফ দ্য ডে - ক্যামেরাম্যান
- আমার ব্লগিং বর্ষপূর্তি এবং আমার ভাল লাগা ব্লগারগন - মোঃমোজাম হক
- কবিতাঃ নেফারতিতি! এবং একটি ঐতিহাসিক ডকুমেন্টরী - ফাহাদ চৌধুরী
- প্রত্যাবর্তন - হাসান মাহবুব
- আমার প্রিয় ব্লগার- ২য় পর্ব - ই য়া দ
- ইহা একটি বোতল প্রাসাদ ( উৎসর্গ প্রাসাদ প্রেমী এসরেজওয়ানা কে ) - শয়তান
- অদ্ভুতুড়ে: ব্ল্যাক ম্যাজিক - সব্যসাচী প্রসূন
- নারিন্দা গ্রেভ ইয়ার্ড (ওয়ারী) - এর বর্তমানের কিছু ছবি ... - রাজিব শাহরিয়ার
- যুদ্ধ শিশু বলছি--কে আছ শুনবার?? - নিবিড়
- বিশ্ববিবেককে কাঁপিয়েছিল যে ছবি - জোবাইর
- টেলিফোন নম্বর গুলো কি একটু মুখস্ত করবেন? - মিলটন
- সিন্ধু সভ্যতার অক্টোবর ২০০৯ আপডেট: নগরকেন্দ্রিক সভ্যতাটির ভাষা দ্রাবিড়ীয় এবং এটি পশুচারণকেন্দ্রিক আর্য-বৈদিক সংস্কৃতির চেয়ে প্রাচীন - ম্যাভেরিক
বাংলাদেশের মেগালিথিক সৌধ গুলো কি আসলেই কি সমাধি বা স্মারক সৌধ????
১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১৫
সিলেটের জৈন্তা পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত জৈন্তাপুরেই বাংলাদেশের এক মাত্র মেগালিথক ধ্বংসাবশেষ দেখা যায়।
পৌরানিক ও তান্ত্রিক বিভিন্ন উপখ্যান থেকে জানা যায়, প্রাচীনকালেও এই এলাকার নাম ছিল জৈন্তাপুর। ভৌগলিক অবস্থানের কারণে এই এলাকা দীর্ঘদিন কারো পরাধীন হয়নি। লিপিসাক্ষ্য থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ি আনুমানিক ৭ম/৮ম খ্রী এই অঞ্চল কামরূপের অধিনে চলে যায়, পরে পর্যায়ক্রমে চন্দ্র, বর্মন ও দেব রাজবংশ এখানে রাজত্ব করে।
দেব রাজা জয়ন্ত রায়ের কন্যা জয়ন্তির সাথে বিয়ে হয় স্থানীয় খাসিয়া প্রধানের ছেলের সাথে, যার ফলে পরবর্তি কালে ১৫০০ খ্রী: দিকে এই এলাকা খাসিয়াদের অধিনে চলে যায়।
বিভিন্ন স্থাপত্যকীর্ততে সমৃদ্ধ জৈন্তাপুরের যেটা আমার বেশি আকর্ষণ করে, তা হলো এখানকার মেগালিথিক সৌধ গুলো।
মেগালিথিক সৌধ গুলোকে সাধারণত স্মারক সৌধ কিংবা সমাধি সৌধ হিসেবে চিন্হিত করা হয়। এ ধরণের সৌধ এশিয়া, আফ্রিকা, ইউরোপের বিভিন্ন অংশে দেখা যায়।
![]()
উত্তর-পূর্ব ভারত ও দক্ষিন ভারতে প্রাপ্ত মেনহির গুলোকে স্মারক সৌধ হিসেবে চিন্হিত করা গেছে, তবে দক্ষিন ভারতের বাইসন ভ্যালি, আল্পসারা, মুবারাদোদ্দির ও বিভরালার কিছু মেনহিরের নিচে সমাধি সৌধের সন্ধান পাওয়া গেছে।
নিওলিথিক-চ্যলকোলিথিক সময়ে অর্থাৎ খ্রী: তৃতীয় শতকের মাঝামাঝিতে মেগালিথিক সংস্কৃতির উদ্ভব হয়। মেগালিথিক হলো বড় পাথরের খন্ড, এগুলো একক ভাবে অথবা কয়েকটি এক সাথে করে সমাধি স্থাপত্য নির্মান করা হত। এই স্থাপত্য কাঠামো তৈরিতে কোন মর্টার বা সংযোজক পদার্থ ব্যবহার করা হতো না, পাথর গুলো ইন্টারলকিং পদ্ধতিতে জোড়া লাগানো হতো।
মেগালোথিক সাধারণত দুই রকমের হয়। মেনহির আর ডলমেন।
সাধারণত লম্বা, খাড়া একটা পাথর খন্ড দিয়ে তৈরি হয় মেনহির। এটা একটা পাথর অথবা অনেক গুলো দন্ডায়মান পাথরের সমস্টি হতে পারে। এগুলো সারি বদ্ধ, গোলাকার ভাবে সাজানো থাকতে পারে। মেনহির সাধারণত স্মারক সৌধ হিসেবে চিন্হত করা হয়েছে।
![]()
সার্বিয়ার মেনহির।
আর ডলমেন অনেকটা টেবিল আকৃতির। দুই, তিন বা ততোধিক পাথর খন্ডের উপরে পাথরের স্লাব বসিয়ে তৈরি হয় ডলমেন। ডলমেনের ভিতরে এক বা একাধিক চেম্বার থাকতে পারে এবং এখানেই মৃতদেহ রাখা হতো।
এগুলো স্মারক ও সমাধি, এই দুই কাজে ব্যবহার করার নিদর্শন পাওয়া যায়। দক্ষিন ভারতের বেশির ভাগ ডলমেনের নীচেই সামাধির অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।
![]()
অয়ারল্যান্ডের Paulnabrone ডলমেন।
![]()
জৈন্তাপূরে এই দুই ধরণের মেগালিথিক স্থাপত্যই দেখা যায়। এখানে ২৫ টি ডলমেন আর ৩২টি মেনহির আছে।
জৈন্তাপুরের ডলমেন।
জৈন্তাপুরের মেনহির।
সিলেটর জাফলং মহাসড়কের পাশে জৈন্তেশ্বরী মন্দিরের পাশে আছে ৯টা মেনহির আর ১০টা ডলমেন। এখানেই সবচেয়ে উচু মেগেলিথিকটার অবস্থান। এর উচ্চতা ৬.৫ মি আর প্রস্থ ৫.২ মি.।
এই মন্দির থেকে দেড় কি মি দক্ষিন পশ্চিমে নয়াগাঙ নদীর তীরে রয়েছে ৩টি মেনহির আর ৪টি ডলমেন। মজার ব্যপার হলো এখানকার একটা মেনহিরের মাথার দিকে ত্রিশুল খোদাই করা আছে।
এ ধরনের বিভিন্ন প্রতীক খোদাই করা মেনহির বিশ্বের অনান্য প্রান্তেও দেখা যায়।
![]()
তুরস্কের Gobekli এর একটি মেনহিরের টপে খোদাই চিত্র।
বাকি মেনহির আর ডলমেন গুলোর অবস্থান খাসিয়া পল্লী বা মধুবন আবাসিক এলাকায়। এখানকার দুটো মেনহিরের গায়ে রয়েছে পদ্ম, চক্র আর ত্রিশুলের চিন্হ।
জৈন্তাপুরের এই মেগেলিথিক সৌধ এলাকায় এখনও পর্যন্ত কোন পদ্ধতিগত প্রত্নতাত্বিক উৎখনন হয়নি, তাই এগুলো আসলেই মেগালিথিক সমাধি সৌধ না স্মারক সৌধ, সময়কাল কত ইত্যাদি বিষয় গুলো এখনও বিতর্কিত রয়ে গেছে। তবে অনেক গবেষক এগুলো রাজকীয় বিচার কাজের আসন, বানিজ্যক টোল আদায়ের কেন্দ্র ছিল, বিশ্রামের জায়গা ইত্যাদি হিসেবে ব্যাখা দিয়েছেন।
তবে সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হলো স্থানীয় খাসীয়দের মধ্যে এখনও মৃতদেহ সমাহিত করার পর তাদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে এধরনের পাথরের সৌধ নির্মানের রীতি প্রচলিত আছে।
জৈন্তাপুরের মেগালিথিক সম্পর্কে আরও জানতে চাইলে দেখতে পারেন নীচের বই গুলো........
C Land এর The "Maw-Shong Thait" Near Jaintiapur, Journal of the Asiatic Society of Pakistan, 5
VD S Alam রচিত Megalithic at Jaintapur: A Unique Cultural Evidence in Bangladesh, Sylhet:
Sarif Uddin Ahmed সম্পাদিত History and Heritage।
সুতরাং সিলেটের চা বাগান গুলোতে কখনো ঘুরতে গেলে অবশ্যই দেখে আসতে পারেন এই প্রায় ঐতিহাসিক (সম্ভবত) মেগালিথিক সৌধ।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): প্রত্নতাত্বিক স্থাপন/মেগালিথিক সৌধ/জৈন্তাপুর ;
প্রকাশ করা হয়েছে: বাংলাদেশের প্রত্নতাত্বিক নিদর্শন বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:০২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: আপনিতো অনেক ঘুরে বেড়ান, দেখে আসুন বাংলাদেশের অন্যতম প্রিহিস্টোরিক প্রত্নস্থানটি। এখানকার পাহড়ি নদী আর ঝর্নায় আনেক সময় ভেসে আসা ফসিলাইজড ছোট ছোট প্রিহিস্টোরিক হাতিয়ার পাওয়া যায়।
এছাড়ো খোদ জৈন্তাপুরও খুব সুন্দর।
লেখক বলেছেন: হু, দেখে আসুন। জৈন্তাপুরে রাজবাড়িও আছে, এছাড়া খাসিয়া পল্লীও অনেক সুন্দর।
লেখক বলেছেন: হুম আমাদের এখানেও আছে।
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন:
সাব্বাস.......পরে আলোচনা করুমনে।
লেখক বলেছেন: ওরে বাবা, না ভাই আমি মূর্খ্য মানুষ। আপনার সাথে আলোচনা করতে পারবোনা ভাইয়া। ভয় পাই।
নীল ভোমরা বলেছেন:
জ্ঞানী পোস্ট! ভাল লাগলো! আচ্ছা....সিলেট-জাফলং সড়কপথের এক জায়গায় রাস্তার ঠিক মাঝখানে পুরানো দিনের একটি সুরকীর তৈরী ঘর রয়েছে....ওটার আশে-পাশেই-তো জৈন্তাপুর...তাই না?
লেখক বলেছেন: হু হু আমি শুধু ঘুরাঘুরিই করি না, জ্ঞানী পোস্ট লিখতে পারি
।
ঠিক ধরেছেন সিলেট জাফলং সড়কের সারিঘাট আর আসাম পাড়ার মধ্যে জৈন্তাপুরের অবস্থান। আর সুড়কির ঘরটাই হলো জৈন্তেশ্বরী মন্দির। এর আশে পাশে বেশ কিছু মেগালিথিক সৌধ আছে।
কৌশিক বলেছেন:
এক্সিলেন্ট পোস্ট। প্রিয়তে।
লেখক বলেছেন: অনেক অনেক অনেক ধন্যবাদ।
অনুপ্রানিত হলাম
।
ইমন জুবায়ের বলেছেন:
ভাবছি। মানে বিষয়টি বেশ ভাববার মতো। দেখি পরে আরও তথ্যাদি যোগার করে কিছু লেখা যায় কিনা। অনন্য ও অন্যরকম একটি পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া।
আপনি চাইলে জাবি প্রত্নতত্ব বিভাগে থেকে প্রকাশিত জার্নাল "প্রত্নতত্ব"ভলি ৫; দেখতে পারেন। আমাদের বিভাগ থেকে এখানে একটা জাতি প্রত্নতাত্বিক জরিপ করা হয়েছিল, তার রিপোর্টটা পাবেন।
আপনার লেখার আপেক্ষায় থাকলাম
দীপান্বিতা বলেছেন:
জৈন্তাপুরের মেগালিথিক সৌধ দেখে ভাল লাগলো......পড়তে পড়তে বিভূতিভুষণের ‘আরণ্যকে’র রাজা দোবরু পান্নাদের সমাধিক্ষেত্রের কথা মনে এলো... আপনাকে অনেক ধন্যবাদ লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ দীপান্বিতা পড়ার জন্য।
আমিতো আরন্যক পড়েছি কিন্তু রাজা দোবরু পান্নার সমাধি ক্ষেত্রের বর্নানর অংশটুকু কিছুতেই মনে পড়ছেনা। বাসায় গিয়ে দেখতে হবে।
কাজী দিদার বলেছেন:
এক্সিলেন্ট পোস্ট।
লেখক বলেছেন: Apner valo lageche jante pare khub kusi holam.
Thanks porer jonno.
(sorry bangla asche na)
সহজ ভাষায় বর্ননার জন্য ধন্যবাদ। এতে আমরা যারা বিষয়ের বাহিরের মানুষ তাদের বুঝতে সহজ হয়।
আমার একটা মতামত ছিল; প্রত্নতত্বের উপর আন্তর্জাতিক যে গ্রুপ বা সংস্থাগুলো আছে তাদের কাছে এগুলোর কপি পাঠান। দেখা যাবে বিশ্বে অন্যান্য মেগালিথিক বা স্মারক সৌধগুলির চেয়ে আমাদেরগুলো অনেক সমৃদ্ধ।
.... এবং ধন্যবাদ। এরকম পোস্ট দিয়ে আমাকে স্মরন করলে খুশি হব।
লেখক বলেছেন: ঠিক ধরেছেন ভাইয়া, যে মেগালিথিক সৌধ গুলোর নীচে কোন সামাধি থাকবে না ওগুলো স্মারক সৌধ।
উৎখননে অনেক খরচ, ফান্ড নাই, সংশ্লিস্ট কারো উদ্যোগ নাই, কি হবে বলেন?
জাবির প্রত্নতত্ব বিভাগ থেকে এখানে একটা জাতি প্রত্নতাত্বিক জরিপ করা হয়েছিল, তার রিপোর্টও প্রকাশ করা হয়েছ।
এমডি লাভ বলেছেন:
অবশ্যই যেতে হবে.... ... এবং ধন্যবাদ+++++++
লেখক বলেছেন: দূ:খিত ভাইয়া, উত্তর দিতে অনেক দেরি হয়ে গেল।
লেখাটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
ঘুরে আসুন, এগুলো ছাড়অ জৈন্তাপুরে আরও অনেক কিছু দেখার।
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন:
দারুন পোস্ট।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
লেখক বলেছেন: আপনার কাছে চ্রম লাগছে এতেই আমি খুশি।
কাব্য বলেছেন:
তিন চাইরডা ফাত্তর খাড়া কইরা,ব্যাঁকা কইরা,শোয়াইয়া থুইছে আর সেইগুলা নিয়া মাইনষেগো চিন্তার শেষ নাই আবার আলাদা আলাদা নামও(ডলমেন,মেনহির আরো কতো কি) রাখছে লেখক বলেছেন: দু:খিত, আরো আগেই সরকার এবং প্রত্নতত্ব অধিদপ্তরের এ বিষয়ে দৃষ্টিপাত করা উচিত ছিল।
যাক, কাব্য ভাইয়া আপনি দূ:খ পাবেন না, আমি আপনার পড়আড় টেবিলে বইখাতা,হাবাজোবা আর বিছানায় বালিশ,লেপ,জামা-কাপড় ইত্যাদিয় উপর জাতি প্রত্নতাত্বিক গবেষণা করার জন্য একটা প্রোজেক্ট প্রপোজাল জমা দিয়েছি। ওটা পাশ হয়ে গেলেই ইনশাআল্লাহ কাজ শুরু করে দেবো
বিডি আইডল বলেছেন:
জৈন্তাপুরে গিয়েছিলাম...ধন্যবাদ পোষ্টটার জন্য
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ বিডি আইডল, আমার লেখাটি পড়ার জন্য।
আমি ভাল আছি বলেছেন:
++
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ তারেক পড়ার জন্য।
অ ট: প্রোফাইলে কি ভাতের ছবি?
লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ ফিরোজ ভাইয়া লেখাটি পড়ার জন্য।
আমি ভাল আছি বলেছেন:
লেখক বলেছেন: অ ট: প্রোফাইলে কি ভাতের ছবি?উত্তরঃ জ্বি হ্যাঁ।
আমার প্রিয় খাবার, ভাত। যার জন্য আমাদের প্রতিদিনের এই ছুটে চলা।
লেখক বলেছেন: খুব ভাল করেছেন। আসলেই তো এটাই মূল বিষয়।
শয়তান বলেছেন:
অফ লাইন এই পোস্ট তা পড়তে গিয়ে গর্বে বুক টা ফুলে উঠেছিল.আমরাও প্রাচীন এক জাতি .
এটা কি কম গর্বের বেপার
লেখক বলেছেন: আমাদের আছে হাজার বছরের ইতিহাস।
অফ লাইনে পড়েছেন জেনে খুবই খুশি হয়েছি।
সুবিদ্ বলেছেন:
ভালো লাগলো......শেয়ারের জন্য ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: আনন্দিত........।
লেখক বলেছেন: পড়েছেন দেখে খুবই খুশি হলাম মি: বদি।
কারণ মন্তব্যের সংখ্যা দেখেই বুঝতে পারছেন, এমন লেখা খুব বেশি মানুষ পড়তে চায়না।
লেখক বলেছেন: একটা প্রজেক্ট চলছে প্রত্বতত্ব ডিপার্টমেন্টের, দেখা যাক! যদি তাই হয়, তবে তা বাংলাদেশ আর্কিওলজির জন্য একটা বড় গবেষণার বিষু হয়ে দাড়াবে।
মোসারাফ বলেছেন:
সিলেট জাফলং সড়কের সারিঘাট আর আসাম পাড়ার মধ্যে জৈন্তাপুরের অবস্থান। সিলেট থেকে জাফলং দুইবার গেছি। তখন জানতাম ই না।
লেখক বলেছেন: প্লাস মাইনাস লাগবে না, আপনিযে পড়েছেন, এতেই আমি খুশি ![]()
ছাইরাছ হেলাল বলেছেন:
জাবির প্রত্নতত্ব বিভাগ থেকে এখানে একটা জাতি প্রত্নতাত্বিক জরিপ করা হয়েছি
এই জরিপে কি আপনি অংশগ্রহণ করেছিলেন ?
কতই অজানা,
হল কিছু জানা ।
লেখক বলেছেন: নাহ, এটা রিসেন্টলি করা হচ্ছে। আমরা একটা ফিল্ড ওয়ার্ক করেছিলাম ওখানে ![]()
আপনার ছবি ব্লগ কোথায়
কাঠফুল বলেছেন:
তথ্যবহুল পোষ্ট। শেয়ার করার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ...
লেখক বলেছেন: পড়েছেন দেখে খুব ভাল লাগলো ভাইয়া ![]()
নীল অ্যাপাচী বলেছেন:
মাস কয়েক আগে ঐ এলাকা ঘুরে আসলাম, জানা থাকলে তখন দেখে আসতে পারতাম। জানা থাকল, পরবর্তীতে যাব। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: এখন ওখানে প্রত্নতত্ব ডিপার্টমেন্ট থেকে উৎখনন চলছে, গেলে দেখে আসতে পারেন ভাল লাগবে।
আমার ব্লগে স্বাগতম ![]()
নীল অ্যাপাচী বলেছেন:
আপনার আন্তরিকতাকে সাধুবাদ। আমি বিশেষ কিছু লিখি নাই, তবু আমার ব্লগে যেতে পারেন।
লেখক বলেছেন: অবশ্যই যাবো ভাইয়া, অনেক ধন্যবাদ ![]()
ফাহাদ চৌধুরী বলেছেন:
মেগালিথিক সৌধ নিয়ে ডিটেইল কিছুই জানতাম না! এই পোষ্ট দারুন হেল্পফুল হৈল ব্যাপার্টা জানতে!!
লিঙ্কটা আজকের পোষ্টে দেয়ায় থ্যাংকু!
লেখক বলেছেন:
নিজের একটু প্রচারণা করলাম আরকি
এই এলাকায় এখন জাবি প্রত্নতত্ব বিভাগের তত্বাবধানে উৎখনন কাজ চলছে ![]()
লেখক বলেছেন: সত্যিই কি আমার লেখায় আর আগের আমি কে খুজে পাওয়া যাচ্ছে না! খুব চিন্তায় পরে গেলাম কিন্তু
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















