জুলিয়ান অ্যাসেঞ্জের উইকিলিক্সের পর এবার আসলো অস্ট্রেলিয়ার ভেট্রান জার্নালিস্ট জন পিল্জার এর ডকুমেন্ট্রি "দ্যা ওয়ার ইউ ডোন্ট সি ", আমেরিকার উপর উপর্যুপুরি আঘাত ৷ অসাধারণ এই ডকুমেন্ট্রিতে উঠে এসেছে কিভাবে স্লেন্টেড, ফেব্রিকেটেড রিপোর্টিংয়ের মাধ্যমে একের পর এক আনফেয়ার,আনএথিকল যুদ্ধকে নির্লজ্জভাবে দেয়া হয় বৈধতা,আদায় করা হয় কৌশলী জনসমর্থন ৷ সাক্ষাত্কার নেয়া হয় অনেকের যার মধ্যে অনেক উল্লেখযোগ্য "এমবেডেড ওয়ার করেস্পন্ডেন্ট" ও "হুইসেলব্লোয়ার" রাও আছেন ৷
"আই ডিডন্ট ডু মাই জব প্রপারলি,ডিডন্ট প্রেস দি আনকম্ফোরটেবল বাটনস হার্ড ইনাফ" বিবিসির রিপোর্টার রাগে ওমার এর সরল স্বীকারোত্তি ডকুমেন্ট্রিতে ৷ শুরুতেই দেখানো হয় মডার্ন প্রপাগ্যান্ডার পায়োনিয়ার এডওয়ার্ড বার্নেইজ-যে কিনা অত্যন্ত সুন্দরভাবে প্রকাশ্যে মেয়েদের ধূমপানকে উইমেন লিবারেশনের সিম্বল বলে চালিয়ে মেয়েদের প্রকাশ্যে ধূমপানকে সেই ১৯২০ এর দিকে উত্সাহিত করেছিলো- সে কিভাবে ১ম বিশ্বযুদ্ধকে আমেরিকানদের কাছে "সেল" করেছিলো মিডিয়া ম্যানিপুলেশনের মাধ্যমে ৷ জানা যায় ইরাক যুদ্ধ নিয়ে কিভাবে যুদ্বের আগে ও পরে আমেরিকান ও ব্রিটিশ মিডিয়া নির্লজ্জ মিথ্যাচার চালিয়ে অন্যায় এই যুদ্ধকে বৈধতা দেয়,এমবেডেড জার্নালিস্টদের ম্যানিপুলেটেড রিপোর্টিংয়ের মাধ্যমে ফক্স, সিবিসি,সিএনএন,বিবিসি কিভাবে সরকারের হীনস্বার্থকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করে যায় ৷ একপর্যায়ে ফক্স নিউজে বলতে শুনা যায় "উই এক্সপেক্ট এভরি আমেরিকান টু সাপোর্ট আওয়ার মিলিটারী এন্ড ইফ দে ক্যান্ট ডু দ্যাট দে ক্যান শাট আপ" ৷ অন্যদিকে "আল জাজিরা" যখন সাহসিকতার সাথে সত্য তুলে ধরছিল তখন তাদের থামানোর জন্য তাদের অফিসে চালানো হয় বোমা হামলা ৷ এভাবেই চমকপ্রদক সব তথ্যে ভরপুর পুরো এই ডকুমেন্ট্রি ৷
আমি বলব সবার জন্যই অ্যা মাস্ট সি ডকুমেন্ট্রি,ইউ টিউব লিঙ্ক

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



