আমার প্রিয় পোস্ট

"লেখা কম, পড়া বেশি" ব্লগার

আসুন পরিচিত হই এক জগৎ বিখ্যাত কল্প-বিজ্ঞান সিরিজের সাথে (ডাউনলোড লিংক সহ!!!B-))।

২১ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:১৭

শেয়ারঃ
0 10 0

আপনি কি কল্প-বিজ্ঞানের পাঁড় পাঠক?
ফাউন্ডেশন সিরিজের নাম শুনেছেন?
যদি না শুনে থাকেন তবে আমাকে বলতেই হচ্ছে আপনি এক অসামান্য সাহিত্য কর্মের রস হতে বঞ্চিত। সাই-ফাই পাঠকদের সায়েন্স ফিকশনের সম্রাট আইজ্যাক আসিমভের এই সিরিজটি অবশ্য পাঠ্য। কল্পনায় মানুষ যে কত বিস্তৃত হতে পারে , তা এ সিরিজ পড়লে বোঝা যায়। বইটার শানে নুযুল বলে দিলে পড়ার মজা নষ্ট হয়ে যাবে। তাই আমি সে কাজ করতে যাচ্ছি না। চেষ্টা করছি বইটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে হালকা ধারনা দিতে, যাতে করে আপনার বইটি পড়ার আগ্রহ জন্মে। বইটি পড়েছিলাম বেশ কয়েক বছর আগে। দেখি, স্মৃতি হাতিয়ে কতটুকু বলা যায়।
ফাউন্ডেশন সিরিজ টিতে রয়েছে মোট সাতটি বই। এগুলো হল-
১. ফাউন্ডেশন(১৯৫১),
২. ফাউন্ডেশন এন্ড এম্পায়ার(১৯৫২),
৩. সেকেন্ড ফাউন্ডেশন(১৯৫৩),
৪.ফাউন্ডেশন এজ্(১৯৮২),
৫.ফাউন্ডেশন এন্ড আর্থ(১৯৮৩),
৬. প্রিলিউড টু ফাউন্ডেশন,
৭.ফরওয়ার্ড দ্যা ফাউন্ডেশন।

এর মধ্যে প্রথম তিনটি কে একত্রে বলা হয় “ফাউন্ডেশন ট্রিলজি” বা “ফাউন্ডেশন ত্রয়ী”।

ফাউন্ডেশন সিরিজ টি রচিত হয়েছে ১০০০ বছরের বিশাল ব্যপ্তি নিয়ে(যদিও লেখক ৫০০ বছর বর্ণনা করেছেন সিরিজের এই বইগুলিতে। আসিমভ পুরো ১০০০ বছরই সম্পূর্ণ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর মৃত্যু বাকি ৫০০ বছরের বর্ণনা থেকে আমাদেরকে বঞ্চিত করেছে /:))। কাহিনী শুরু হয় যখন পৃথিবীর মানুষ সারা ছায়াপথের বিভিন্ন গ্রহে ছড়িয়ে পড়েছে। আর অনেকগুলো গ্রহ নিয়ে তৈরি হয়েছে এক সম্রাজ্য, যার নাম “গ্যালাক্টিক এম্পায়ার”।এতে কাহিনীর সূত্রপাত হয়েছে হ্যারি সেলডন (এই নামে কিন্তু একজন ব্লগার আছেন !!! ;)) নামের একজন গণিতবিদ কে নিয়ে। তিনি “সাইকো-হিস্ট্রি” নামে গণিতের একটি নতুন ধারার সূচনা করেন। “সাইকো-হিস্ট্রি” সমাজের বিভিন্ন পরিবর্তন এবং সম্ভাব্যতা নিয়ে গবেষণা করে,আর তারই ভিত্তিতে ভবিষ্যৎবাণী করে। এই “সাইকো-হিস্ট্রি”র সাহায্যেই হ্যারি সেলডন দেখতে পান “গ্যালাক্টিক এম্পায়ারে” ক্ষয় ধরেছে এবং অচিরেই(৫০০ বছরের মধ্যেই !!!) এ সম্রাজ্য ভেঙে পড়বে। তখন মানব জাতি আবার হারিয়ে যাবে এক অন্ধকার যুগে। গ্রহ সমূহের মধ্যে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে, অযাচিত যুদ্ধ বিগ্রহ দেখা দেবে। এ অন্ধকার যুগ স্থায়ী হবে তিরিশ হাজার বছর। সেলডন এও গবেষণা করে বের করেন যে,গ্যালাক্টিক এম্পায়ারের ভাঙন অবশ্যম্ভাবী, একে কোন ভাবেই থামানো যাবে না, তবে অন্ধকার যুগের সময়কাল কমিয়ে এক হাজার বছর করা সম্ভব, যদি তাঁর পরিকল্পনা মাফিক কাজ করা হয়।……

কাহিনীর শুরু এখানেই। এরপর লেখক একে একে বলে গেছেন হ্যারি সেলডনের মহাপরিকল্পনা এবং এর বাস্তবায়নের দুর্গম পথের কথা। এতে ক্রমে ক্রমে এত চরিত্রের আগমন ঘটেছে যে এক ঘেয়েমিতে পাবার কোন কারনই নেই।

এ সিরিজের একটি চমকপ্রদ বিষয় হল –সিরিজটির প্রথম বই হল “ফাউন্ডেশন”। এরপরে প্রকাশিত হয়েছে ফাউন্ডেশন আগের কাহিনী নিয়ে (প্রিকুয়েল) “প্রিলিউড টু ফাউন্ডেশন” এবং “ফরওয়ার্ড দ্যা ফাউন্ডেশন”। বাকিগুলো সব সিকুয়েল। প্রতি ক্ষেত্রেই লেখক এমন সুন্দর করে আগের কাহিনীর সাথে পরের কাহিনী মিলিয়েছেন, তা সিরিজটি না পড়লে বোঝা অসম্ভব।

বাংলাদেশে মুহম্মদ জাফর ইকবাল এবং হূমায়ূন আহমেদ নিঃসন্দেহে অসাধারণ কল্পবিজ্ঞান লেখক। তবে শুধু মাত্র তাদের বই পড়েই নিজেকে সায়েন্স ফিকশনের একনিষ্ঠ ভক্ত বলে চালিয়ে দেওয়া ঠিক হবে না। কারন তাঁদের ছাড়াও দেশের বাইরে প্রচুর সায়েন্স ফিকশন লেখক রয়েছেন। সায়েন্স ফিকশনের প্রকৃত রস পেতে হলে তাদের লেখাও পড়তে হবে। আপনি যদি সেইসব বিখ্যাত লেখকদের লেখা ইতমধ্যেই পড়ে থাকেন তাহলে তো নতুন করে কিছু বলার নেই। আর যদি না পড়ে থাকেন,তবে বলব ফাউন্ডেশন সিরিজ দিয়ে আজই শুরু করুন।

বাজারে ফাউন্ডেশনের বেশ কিছু ভাল বাংলায় অনুবাদ রয়েছে, আমিও অনুবাদই পড়েছি। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমান লাইব্রেরীতেও পেতে পারেন। আর যদি ইংরেজীতে পড়তে চান তবে নেট তো আছেই। আমি এখানে আসিমভের বিখ্যাত লেখা নিয়ে একটি সংকলনের(৪১৫১ পৃষ্ঠার ই-বুক!!!B-)) ডাউনলোড লিংক দিচ্ছি। এতে ফাউন্ডেশন সিরিজের “ফরওয়ার্ড দ্যা ফাউন্ডেশন” ছাড়া সবকটি বই-ই আছে।



THE COMPLEAL ASIMOV

তবে আমার মত হল আপনার ইংরেজি জ্ঞান যদি ইংরেজি লিখা থেকে সাহিত্য রস সংগ্রহের মত যথেষ্ট না হয়, তবে বাংলা অনুবাদ-ই পড়া উচিৎ। তা না হলে ইংলিশ টু বেঙলী ডিকশনারির পাতা ওল্টাতে ওল্টাতেই আপনার বই পড়ার আগ্রহ উবে যাবে। খুব সম্ভবত এই সিরিজের কোন বইয়েরই বাংলা অনুবাদের পিডিএফ কপি নেটে কেউ আপলোড করেনি। যদি কখনো আমার সুযোগ হয়, তবে আমি এটা আপলোড করার চেষ্টা করব এবং আপনাদের জানিয়ে দেব। আপনাদের কারও সুযোগ থাকলে দয়া করে আপলোড করুন এবং এখানে লিংক দিন।

এখনকার সায়েন্স ফিকশন মুভি দেখা দর্শকরা যদি বইটি পড়ে প্রীত না হন, তবে তাদের বলে রাখি “ফাউন্ডেশন” বইটি লিখা হয়েছিল পঞ্চাশের দশকে। সে সময়ের প্রেক্ষিতে লেখকের বর্ণনায় যে আধুনিক বৈজ্ঞানিক বিষয়বস্তুর অবতারনা করেছেন, তা দিয়ে লেখক ঈর্ষনীয় কল্পনা শক্তির পরিচয় দিয়েছেন তা ভেবে বিস্ময় জাগে। এমনকি তার বর্ননার বিষয়বস্তুগুলো ছয় দশক পরে আজও পুরোনো হয়নি।

তাহলে আর দেরি না করে শুরু করে দিন।
ধন্যবাদ।

আরও তথ্যের জন্য দেখতে পারেন-
১. Click This Link
২. http://en.wikipedia.org/wiki/Isaac_Asimov
৩. http://en.wikipedia.org/wiki/Foundation_(novel)

 

প্রকাশ করা হয়েছে: পাঠকের দুনিয়া  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২১ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:২১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২১ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৯
অপরিচিত_আবির বলেছেন: ফাউন্ডেশান সিরিজ শেষ করেছিলাম ক্লাস নাইন থাকতে। এরপরই ধুমসে আজিমভের বই কেনা শুরু হয়। সায়েন্স ফিকশনের প্রতি আগ্রহ শুরু করে দিয়েছিলেন সত্যজিৎ রায় প্রফেসর শঙ্কুর মাধ্যমে, এরপর জাফর ইকবাল পরিচয় করিয়ে দেন আধুনিক সায়েন্স ফিকশনের সাথে। এরপর এইচ জি ওয়েলস, জুল ভার্ন, আর্থার সি ক্লার্ক এবং "বস" আজিমভ। হ্যারি সেলডনের বিখ্যাত লিজেন্ড এবং ফাউন্ডেশস সিরিজ, আমি সবগুলো বইই এক সাথে কিনেছিলাম। পাগলের মতো পড়ে শেষ করি। এছাড়াও আজিমভের এন্ড অফ ইটারনিটি, বাইসেন্টিনিয়াল ম্যান, গডস দেমসেলভসও দারুণ প্রিয় বই। সেই সাথে রোবট সিরিজ। পুরনো স্মৃতি মনে করিয়ে দেবার জন্য ধন্যবাদ।
২২ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:১৪

লেখক বলেছেন: আমিও খুব সম্ভবত ক্লাস নাইনেই পড়েছিলাম। তবে ঠিকমত বুঝতে পারিনি। এরপর কলেজে উঠে আবার পড়লাম। এবং এক অমর সৃষ্টির স্বাদ পেলাম!!

ধন্যবাদ আপনাকেও।

২২ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৯

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

৩. ২১ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:১২
বৃত্তবন্দী বলেছেন: ৪ নংটা পড়া শুরু করেছি...
২২ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:১৭

লেখক বলেছেন: তাড়াতাড়ি শেষ করে পরেরটা পড়ার প্রস্তুতি নিন।

ধন্যবাদ।

৪. ২১ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:১৯
অপু২৮৩৮ বলেছেন: "ফাউন্ডেশন" আমার এখন পর্যন্ত পড়া শ্রেষ্ঠ বই। ধন্যবাদ রিভিউটার জন্য।
২২ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:২৪

লেখক বলেছেন: "ফাউন্ডেশন" আমার এখন পর্যন্ত পড়া শ্রেষ্ঠ সায়েন্স-ফিকশন বই।

ধন্যবাদ কমেন্টের জন্য।

;)

৫. ২১ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:২৭
সাইলেন্সার বলেছেন:

জুল ভার্ন (১৮২৮-১৯০৫)-এর কল্পনাশক্তি অনেক বেশি বিস্ময়কর।
তাঁর অনেক বর্ণনা পরবর্তীতে বাস্তবে রূপান্তরিত হতে দেখা গেছে।

''বাংলাদেশে মুহম্মদ জাফর ইকবাল এবং হূমায়ূন আহমেদ নিঃসন্দেহে অসাধারণ কল্পবিজ্ঞান লেখক।'' - ভাইসাব, কিসের মধ্যে কী ঢুকাইলেন!!!
০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:৩১

লেখক বলেছেন: জুল ভার্ন আর আসিমভ নিজেদের ভিন্ন ভিন্ন মাত্রার সৃষ্টি দিয়ে অমর হয়ে আছেন। তাদের মাঝে তুলনা চলে না। আমি নিজেও জুলভার্নেরও ভক্ত। কিন্তু এখানে যেহেতু শুধু ফাউন্ডেশন সিরিজের কথা লিখেছি, তাই জুলভার্নের কথা বলা হয়নি।

অনেকে আছেন সাইন্সফিকশনের কথা শুনলেই মনে করেন মুহম্মদ জাফর ইকবাল এবং হূমায়ূন আহমেদের লিখা পড়লেই সব সাইন্সফিকশন নিয়ে কথা বলা যায়, তাদের ভুল ভাঙানোর জন্যই এ কথা লিখেছি। আর একটা কথা বলে নিই, আমি নিজেই মুহম্মদ জাফর ইকবাল এবং হূমায়ূন আহমেদের সাইন্সফিকশন দিয়েই শুরু করেছিলাম।

ধন্যবাদ আপনাকে।

৬. ২১ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৫৪
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
প্রচুর পরিমাণে বিদেশী লেখকদের সায়েন্স ফিকশান পড়েছি।


আমার পড়া শ্রেষ্ঠ সায়েন্সফিকশন হল ফাউন্ডেশন সিরিজ। বিশেষ করে সেকেন্ড ফাউন্ডেশন। ভাই, ঘরে বসে বাংলায় অনুবাদ হাতে পাব কী করে ??? একটা বুদ্ধি দেন।

ইংরেজীতে আমার সমস্যা নেই, তবে একটা ছোট জখামেলা পাকাই। সেটা হল-- কোনটা যে মানুষের নাম আর কোনটা যে দোকান পাট, জায়গা আর আদর্শের নাম, সেইটা পেচায়া ফেলি। বুঝতেই পারছেন, কাহিনীটা শেষে আমার মাথায় কী দাঁড়ায়।


হুমায়ুন আহমেদের একটা বই আছে। ওমেগা পয়েন্ট। মনে হল, খুব ইন্টারন্যাশনাল লেভেলের লেখা। আরও একটা ছিল উনার। তোমাদের জন্য ভালবাসা। এই বইটাও দারুণ। মনে হল, ইন্টারন্যশনাল লেভেলের।
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:০১

লেখক বলেছেন: "ইংরেজীতে আমার সমস্যা নেই, তবে একটা ছোট জখামেলা পাকাই। সেটা হল-- কোনটা যে মানুষের নাম আর কোনটা যে দোকান পাট, জায়গা আর আদর্শের নাম, সেইটা পেচায়া ফেলি। বুঝতেই পারছেন, কাহিনীটা শেষে আমার মাথায় কী দাঁড়ায়।"

ভাই জটিল বলছেন।

হা হা প গে। :)

আমার কাহিনী প্রায় সেই রকমই। আমি আংড়েজি নাম উচ্চারন করতে পারিনা। আমার অনেক কষ্টে দাঁত ভেঁঙে কিছু উচ্চারণ করলেও বন্ধুরা ড্যবড্যাব করে তাকিয়ে থাকে(ইহ জনমে তাদের কর্নকুহরে এমন আওয়াজ ঢোকেনি)। আবার নাম পড়ে পড়ে পুলা না মাইয়া ঠিক করতে পারিনা।
কি মুসিবত বলেন তো!
:(

২২ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:২৭

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।

তবে শুধু পোষ্ট প্রিয়তে রাখলেই চলবে না।

সিরিজটা কিন্তু অবশ্যই পড়তে হবে।

৮. ২১ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:০০
শাওন৩৫০৪ বলেছেন: পইড়ালছি..আসিমভ কাক্কুরে ভালা পাই..
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ৩:০৬

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ।

৯. ২১ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:০৯
ফারহান দাউদ বলেছেন: আসিমভ তো সেইরকম। কিন্তু বাংলা অনুবাদগুলি বেশি সুবিধার না।
১১ ই জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩০

লেখক বলেছেন:
সন্দেশের অনুবাদ টা পড়ে দেখতে পারেন। খারাপ লাগার কথা না।

১০. ২১ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২২
অপরিচিত_আবির বলেছেন: @পাগলা ফাউন্ডেশান সিরিজের সবগুলার অনুবাদ বাইর হইসে বহুত আগে। একটু খুঁজলেই পাবা। প্রথম দুই তিনটার অনুবাদ তেমন না হইলেও পরের গুলি হাসান খুরশীদ রুমীর করা এবং বেশ ভালো। আমি অবশ্য আংড়েজীটাই পড়সি। পরে আবার ছোট বইনের লাইগা বাংলা জিনিস খরিদ করতে হইল।
২৯ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১১. ২১ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:০১
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: এই সিরিজের এত নাম শুনি! কেন যেন আমার পড়া হয়ে ওঠে না!
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ৩:০৭

লেখক বলেছেন:
একবার শুরু করেই দেখেন। শেষ না করে ছাড়তেই পারবেন না।

১২. ২১ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:১০
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: ফাউন্ডেশন বাংলাতে ট্রাই করেছিলাম, ১০ পাতার বেশী এগুতে পারেনি, বোরড লেগেছে। পরে ইংরেজীতে ট্রাই করেছি, তাও ঢাউস সাইজ দেখে পরে বাদ দিছি।
এই জীবনে এই সিরিজটা পড়া হবে কিনা জানি না।
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৩

লেখক বলেছেন: প্রথমে একটু বোরিং লাগতেই পারে। কিন্তু পড়তে পড়তে যখন একবার মজা পেয়ে যাবেন, তখন শত টানাটানি করলেও কেউ আপনাকে এই বই থেকে তুলতে পারবে না।

দয়াকরে আবার শুরু করুন, টানা ৫০/৬০ পাতা পড়ুন, আশাকরি আর খারাপ লাগবে না।

অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

১৩. ২১ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:২০
জ্যামিতিক বলেছেন: ইসস কেন যে বিশ্বসহিত্য কেন্দ্রের মেম্বারশিপটা বাতিল করলাম>>>>
২২ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:১০

লেখক বলেছেন: আবার মেম্বার হও।

তাইলেই তো সমস্যা সমাধান হইয়া যায়।

B)

১৪. ২২ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:০২
জানজাবিদ বলেছেন: ডাউনলোড শুরু করলাম। আমিও এই বইয়ের প্রচুর নাম শুনছি কিন্তু পড়া হয় নাই।

আসিমভের গল্প সমগ্র অবশ্য কালেকশনে আছে।
২২ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৩

লেখক বলেছেন: এবার ডাউনলোড করে শুধু কালেকশনেই রাখবেন না আশা করি।

ধন্যবাদ আপনাকে।

১৫. ২২ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৫০
হাসজারু বলেছেন: আসিমভ পড়েছি।
সমস্যা হল, এখন কি পড়ি!:-*
কিছুই আর অত ভাল লাগেনা!!/:)
২৯ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৪২

লেখক বলেছেন: এখন কি পড়েন?

ভাল লাগেনা ক্যান?

বই পড়ার সময় নেট এবং কম্পিউটার থেকে শত হস্ত দূরে থাকুন। আশা করি এবার পড়তে পারবেন।

ধন্যবাদ
;)

১৬. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:১৬
হাসজারু বলেছেন: বই পড়ার সময় নেট এবং কম্পিউটার থেকে শত হস্ত দূরে থাকুন। আশা করি এবার পড়তে পারবেন।

খুব দামী কথা।

তবে আসিমভের পাশে অন্য সব লেখক, এমনকি আর্থার সি ক্লার্ক কেও ফ্যাকাশে লাগে.........
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৭

লেখক বলেছেন: তা অবশ্য মন্দ বলেননি।

ধন্যবাদ।

১৭. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:২০
সৌম্য বলেছেন: আমার কালেকশনে সবগুলা আছে। পিডিএফ কপি না। কাগজে ছাপানো কপি। সম্প্রতি সন্দেশ থেকে আসিমভের উত্তরাধীকারদের অনুমতি নিয়ে বঙ্গানুবাদ করছে। পুরা সিরিজটার দাম বোধয় পনেরোশ টাকা।
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৫৭

লেখক বলেছেন: সাম্প্রতিক তথ্যের জন্য ধন্যবাদ।

১৮. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৮
সিমু নাসের বলেছেন: আমার পড়া সেরা সায়েন্স ফিকশন ফাউন্ডেশন। সেকেন্ড ফাউন্ডেশন এর ডেরিল আর্কেডির প্রেমে আমি দীর্ঘদিন ডুবে ছিলাম। এখনও তার কথা মনে হলে কেমন জানি লাগে। অল্প বয়সে তার প্রতি মুগ্ধতা বশত একটা গল্পও লিখে ফেলেছিলাম। শালা আজিমভ কেমনে এইটা লেখছে?
অপরিচিত_আবির @ হাসান খুরশীদ রুমী ফাউন্ডেশন সিরিজের একটা বইও অনুবাদ করেন নাই। নাজমুস সাকিব আর আর একজন কে জানি অনুবাদ করছেন।
১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৬

লেখক বলেছেন: শালা আজিমভ কেমনে এইটা লেখছে? !!!!! ;)

আসলেই মাঝেমাঝে মনে হয়, মানুষের কল্পনা এত নিখুঁত হতে পারে?

ধন্যবাদ আপনাকে।

১৯. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:১৫
জাকি ফারহান বলেছেন: ডাউনলোড চলিতেছে, শেষ হইলেই পড়া শুরু হইবেক! বহুদিন থেকে আসিমভের সিরিজের বইগুলো কিনার ইচ্ছা ছিল....কিন্তু দাম /:) /:)
৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৩৫

লেখক বলেছেন: বাংলায় পড়িতে হইলে কেনার বিকল্প নাই।
যাহাই হউক, আশা করিতেছি বইগুলো আপনার ভাল লাগিবে।
;)

ধন্যবাদ।

২০. ০৩ রা মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৪৩
গুহামানব বলেছেন: আসিমভ যা দিয়েছেন আর কেউ তা দিতে পারবে না, he is incomparable

প্লাস
০৪ ঠা মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:২২

লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন।

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

২১. ০৩ রা মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৪৫
গুহামানব বলেছেন: আমার কাছেও সন্দেশের পুরো সিরিজটা আছে, কতবার যে রিভিশন দিলাম
০৪ ঠা মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:২০

লেখক বলেছেন: দেখুন তো স্ক্যান করে নেটে দেওয়া যায় কিনা। তাহলে সবার সাথে শেয়ার করা যাবে।

০৪ ঠা মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:২৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

:D

০৪ ঠা মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:৪৩

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

২৪. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:৪২
আজম বলেছেন: হুম ......ভালো লাগল

এই নিয়ে আমিও একটা পোস্ট দিসিলাম....তবে আপনার মত এত সুন্দর করে না।
Click This Link
"কল্পনায় মানুষ যে কত বিস্তৃত হতে পারে , তা এ সিরিজ পড়লে বোঝা যায়"
চরম সত্য কথা...আমি প্রায়ই এই কথাই বলি অসিমভের ফাউন্ডেশন নিয়ে।

ফাউন্ডেশনের প্রথম বইটা যখন কিনে পড়া শুরু করি তখন প্রথম কয়েক পৃষ্ঠা পড়ে খুব বিরক্ত হয়ে গিয়েছিলাম.....অনেক দিন ধরে ফেলে রেখেছিলাম বইটা...কি মনে করে আবার পড়তে শুরু করেছিলাম ...
কি আর্চয্য !!!এই পর্যন্ত এই বই গুলোই আমার পড়া সেরা বই।
এরপর প্রায় নেশার মত হয়ে গিয়েছিল ফাউন্ডেশন, সিরিজের ৭টা বইই কিনে ফেলি।
অনেক বইই তো কিনেছি জীবনে...কিন্তু এই বই গুলো কেনার আনন্দ এখনো ভুলতে পারি না :)
১০ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৯:৫৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

সন্দেশের অনুবাদ আমিও পড়েছি, সেটাই স্ক্যান করে নেটে শেয়ার করার ইচ্ছে আছে। হাতের কাছে বইটা পাচ্ছি না। দেখি, পেলেই শেয়ার করব।

২৫. ০১ লা নভেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৪৬
ইশতিয়াক মাহমুদ বলেছেন: আমি প্রথম টা পড়সিলাম ক্লাস এইটে। জি এইচ হাবীব এর অনুবাদ ছির। পরে ইউনিভার্সিটি কোচিং করতে ঢাকায় আসার পরে বাকিগুলার সন্ধান পাই। তরেপরে বাসায় ভাজুং ভুজুং দিয়া টাকা ম্যনেজ কইরা সবগুলা একসাথে কিনসি, আমার লাইফে পড়া শ্রেষ্ঠ কিছূ বই।
১০ ই নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:৫৪

লেখক বলেছেন: জ্বী, অসাধারন একটা সিরিজ। আমি সম্ভবত প্রথমে পড়েছিলাম ক্লাস সেভেনে।

২৬. ১০ ই নভেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:১৩
সীমানা পেরিয়ে বলেছেন:
একটা কথা হাচা কইতে পারি......ব্যাটা আসলে পাগল কিসিমের ছিলো.......

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৮৯৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি

ছুঁড়ে ফেলতে চাই চোখের রঙিন ঠুলি।
সব কিছু দেখতে চাই সাদা চোখে।

sad_1971এটymail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ