somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... এই ফুলটার নাম কেউ জানেন কি ?











]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sadakaloronginblog/29445245 http://www.somewhereinblog.net/blog/sadakaloronginblog/29445245 2011-09-09 12:50:27
প্যারিসের সুন্দরীরা !




























































]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sadakaloronginblog/29442781 http://www.somewhereinblog.net/blog/sadakaloronginblog/29442781 2011-09-04 12:18:24
প্র্যাকটিক্যাল জোক: ভাষা বিভ্রাট ( কিন্ঞ্চিত ১৮+ সতর্কতা) : একটা ছবি ফাও প্যারিসে আসার পর কিছুদিন ফ্রেন্ঞ্চ ভাষা কোর্স করতাম। প্রথম ক্লাসে টিচার ( টিচার আবার সেই রকম ফ্রেন্ঞ্চ সুন্দরী ছিল !) সবার নাম ,দেশ ইত্যাদি জিজ্ঞাসা করছিল। সবাই এক এক করে পরিচয় দিচ্ছিল। আমার দেশ জিজ্ঞাসা করতে আমি বললাম বাংলাদেশ। উনি বললেন ‘দাকো’ ( ওকে)। তার মুখে ডাকো শুনতে কিছুটা ‘ঢাকা’ র মত মনে হলো। আমি ভাবলাম বুঝি উনি জানতে চাইছেন আমি ঢাকা থেকে কিনা। আমি তো ভাবলাম যাক টিচার বাংলাদেশ এবং ঢাকা দুটোই চিনে ফেলেছে একবারেই এবং আমাকে জিজ্ঞাসা করছে আমি ঢাকা থেকে কিনা। আমি উত্তর দিলাম “ইয়েস” । টিচার আবার বলে ‘দাকো’ । আমি আবার বলি ইয়েস, ঢাকা। টিচার আবার বলে ‘দাকো’ । আমি আবার বলি ইয়েস ,ঢাকা। এবার ক্লাসে হাসাহাসি শুরু হলো। ডাকো- ঢাকা নিয়ে। পরে জানলাম french ” d’accord” মানে হলো ওকে।




মাস কয়েক হলো ফ্রেন্ঞ্চ একটা কোম্পানীর রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট এ কাজ করছি। একটা প্রজেক্ট মিটিং এ দক্ষিন ফ্রান্সের মোঁপলিয়ে শহরে যেতে হলো। আমরা কয়েক কলিগ একসাথে যাচ্ছি। ইউরোপের দ্রুততম ট্রেন ৩০০ কিলোমিটার বেগে ছুটে চলেছে চমৎকার পর্বত দুপাশে ফেলে।৩ ঘন্টার জার্নি। আমার কলিগরা হঠাৎ তাস খেলতে চাইল সময় কাটানোর জন্য। আমি খুব একটা উৎসাহী ছিলাম না তাস খেলায়। কারন প্রথমত সাউথ ফ্রান্সের দম বন্ধ করা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, দ্বিতীয়ত তাস খেলায় আমি খুব একটা পারদর্শীও নই। তবু জনবল সংকটের কারনে না করার কোন উপায় নেই। কলিগরা আমাকে ‘পোকার’ খেলার নিয়মকানুন শিখিয়ে দিচ্ছিল।

এক পর্যায়ে একজন বলল: “ডু ইউ হ্যাভ অ্যাস ? ”

আমি তো ভাবি অ্যাস ছাড়া আবার মানুষ হয় নাকি ? আমি স্বীকার করলাম যে ” আ্ই হ্যাভ এ্যান অ্যাস”

সে আবার বলে ” শো মি ইউর আ্যস”

আমার তো আক্কেল গুড়ুম অবস্থা। আমি বললাম ” হোয়াই ডু ইউ ওয়ান্ট টু সি মাই অ্যাস?”

সে বলে ” আই ওয়ান্ট টু সি ইফ ইউ হ্যাভ রাইট অ্যাস অর নট ”

আমি বললাম ” আই কান্ট শো মাই অ্যাস টু এনিওয়ান”

সে আবার বলে ” পুট ইওর অ্যাস অন দা টেবিল অ্যান্ড শো এভরিওয়ান”

আমি তো ভাবি শালা দেখি ভালৈ মাল টেনেছে। এখন উল্টাপাল্টা বকছে।

সে বলে ” দিস ইজ দা রুল , ইফ ইউ হ্যাভ অ্যাস, ইউ হ্যাভ টু শো টু অল”

আমি একটু চড়া গলায় বললাম ” বুলশিট ইউর রুলস”

এবার সে আমার হাত থেকে তাস গুলো টেনে নিয়ে টিক্কা বের করে বললো ” দিস ইজ দা অ্যাস (ACE)” ।





ছবি পরিচিতি: ছবিটা আমার অফিসের আইল্যান্ডের। আইল্যান্ডটার নাম “ile de impressionist”। প্যারিসের সিন নদীর এই আইল্যান্ডটা ইম্প্রেশনিষ্ট শিল্পীদের আনাগোনায় মুখর থাকত। এখনও এটা অন্যতম টুরিষ্ট স্পট। আইল্যান্ডটা ছবির মত সুন্দর। প্যারিস ঘুরতে এলে দেখে যেতে পারেন জায়গাটা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sadakaloronginblog/29396951 http://www.somewhereinblog.net/blog/sadakaloronginblog/29396951 2011-06-15 10:39:39
উটপাল শুভড়ো সিনড্রোম !

সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের দেশে ক্রীড়া সাংবাদিকতা পেশা হিসাবে বেশ পরিচিতি পেয়েছে। বলা বাহুল্য এদের মধ্যে চেলিব্রেটি উটপাল শুভড়োর ধারে কাছে কেউ নেই। হালে এসব সাংবাদিকরা ক্রিকেট তারকাদের নাড়ির খবর, নারীর খবর, হাঁড়ির খবর আমাদের কাছে গরম গরম পরিবেশন করছেন। কোন খেলোয়াড় কখন কি খেয়ে কতটি ঢেঁকুর তুলেছেন, সেই টেঁকুরের সাথে কতখালি তৃপ্তি, কতখালি প্রতিশোধ মেশানো সেই খবরও আমরা তাদের ঢেঁকুর মিলিয়ে যাওয়ার আগেই পেয়ে যাচ্ছি। উনারা খেলার ভবিষ্যতবানীতেও পিছিয়ে নেই। হোটেলে খেলোয়াড়ের থমথমে মুখ, অগ্নিলাল চোখ, অথবা হাই তোলা দেখেই উনারা বুঝতে পারেন আজ মাঠে কি কি হবে। ভালো এতে আমার কোন আপত্তি নেই। কিন্তু প্রতিপক্ষের রক্তচক্ষু, দৃঢ় চোয়াল বা অলস হাই তোলার দিকে কঠিন নজর দিতে গিয়ে উনারা প্রতিপক্ষ দেশের পরিচয়টাই ভুলে গিয়েছেন। এটাই আমাকে বেশি পীড়া দিচ্ছে।
গতকয়েক দিন পত্রিকা জুড়েই হল্যান্ড এই , হল্যান্ড সেই তথ্যে ভরপুর। কিন্তু সাংবাদিকদের হল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডস এর মাঝে পার্থক্য জানা উচিত। হল্যান্ড কোন দেশ নয় , নর্থ ও সাউথ হল্যান্ড বরং দেশ নেদারল্যান্ডসের এর বারোটা প্রভিন্সের দুইটা মাত্র ( উইকিপিডিয়া অবশ্য জানাচ্ছে হল্যান্ড শব্দটার ব্যবহার মাঝে মাঝে হয় তবে আনঅফিসিয়ালি এবং এটা একটা সাধারন ভুল)। কিন্তু বাংলাদেশর ক্রীড়া সাংবাদিকদের কাছে এইটুকু তথ্যের চেয়ে খেলোয়াড়দের হাই গোনা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ন । কারন ওতেই যে ম্যাচের গুরুত্বপূর্ন ক্লু লুকানো !]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sadakaloronginblog/29345208 http://www.somewhereinblog.net/blog/sadakaloronginblog/29345208 2011-03-16 03:21:30
বিশ্বকাপ উদ্বোধনীর কিছু স্মরনীয় মূহুর্ত























সৌজন্যে : বিবিসি স্পোর্টস ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sadakaloronginblog/29328955 http://www.somewhereinblog.net/blog/sadakaloronginblog/29328955 2011-02-18 02:04:34
ভালোবাসা দিবসে মনে পড়ে তোমাকে


আজ বার বার তোমাকে মনে পড়ে -

যেমন করে বাসতে ভালো
বুকে জড়িয়ে ধরে।

অথবা হরিনী চোখের ইশারায়
ডাকতে আমায় আপন করে।

যেমন করে রাখতে বেঁধে
অদ্ভুত এক মায়ার ডোরে।

কিংবা আমার উপর অভিমানে
দুচোখ আসত জলে ভরে।

ক্ষনে ক্ষনে মনে পড়ে -

যেমন করে করতে শাসন
অজানা কোন অধিকারে।

অথবা হঠাৎ ভয় পেলে
জড়িয়ে ধরতে শক্ত করে।

শান্ত হিমেল সন্ধ্যা কাটত
চোখে চোখে লেকের পাড়ে ।

বা ঝিরি ঝিরি বৃষ্টিতে ঘুরে বেড়াতাম
দুজনে পাশাপাশি রিকশায় চড়ে।

তোমার অবাধ্য শাড়ির আঁচল
বাতাসে বার বার যেত উড়ে ।

তুমি আমি আজ অনেক দূরে
তবু তোমার ভালোবাসা
মনে পড়ে ক্ষনে ক্ষনে, বারে বারে।





ছবি কৃতজ্ঞতা: ইন্টারনেট]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sadakaloronginblog/29326221 http://www.somewhereinblog.net/blog/sadakaloronginblog/29326221 2011-02-14 02:34:59
শেয়ার-কেয়ার-ফেয়ার-আনফেয়ার



ম্যাট্রিক ফেল গিট্টুর আজকাল ভাবটা ড্যামকেয়ার
শুনেছি নাকি দেদারছে কামায় ব্যবসা করে শেয়ার।

দুতিন খানা অফিস তার, চকচকে সব গাড়ি
শ্যাম্পেন আর হুইস্কিতে ভুলেই গেছে গান্জ্ঞা কিংবা তাড়ি।

চোখেতে রঙ্গিন সানগ্লাস আর মুখে চুরুটের ধোঁয়া,
কথায় কথায় তুড়ি দিয়ে বলে,
" শেয়ার ইস দ্যা বিজনেস ভাই, বাকি সবই ভুয়া"।

মনে মনে ভাবে গিট্টু প্লেজার ট্রিপ টু পাতায়া
তার আগে আরো কিছু নেবে বাজার থেকে হাতায়া।

২০০৫ এর গাড়ির মডেল টাও হয়ে গেছে পুরোনো
শেয়ারে ভাই লাভের রাস্তা একটুও নয় ঘুরোনো।

বাজার এখন ভীষণ তেজী, ডাবল ত্রিপল প্রতিদিন
কেউ ভাবে না এক পলকে বদলে যেতে পারে সিন।

গিট্টু যখন মাল কামানোর রঙ্গিন স্বপ্নে বিভোর
বজ্রপাতের মতই তখন আসল সেই খবর।

হঠাৎ করেই শেয়ার বাজারে বিশাল বড় ধ্বস
লাভ দূরে থাক, এখনতো ভাই মূলধনটাও লস ।

সুখস্বপ্ন কেটে গিয়ে হঠাৎ বিনা মেঘে বজ্রপাত
লোভের ফাঁদে পা দিয়ে তাই লাখো মানুষের মাথায় হাত।

সব হারিয়ে রাস্তায় গিট্টু , "ড্যাম ইট ইউ শেয়ার"
শিক্ষা হলো অবশেষে : "পরিশ্রমবিনা বড়লোকিটা আনফেয়ার" ।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sadakaloronginblog/29305510 http://www.somewhereinblog.net/blog/sadakaloronginblog/29305510 2011-01-11 09:28:04
গ্রামীন ফোনের আয় কত ?




বড় করে দেখতে এখানে ক্লিকান
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sadakaloronginblog/29260266 http://www.somewhereinblog.net/blog/sadakaloronginblog/29260266 2010-10-24 01:51:25
একুশে টিভির মালিক আব্দুস সালাম অস্ত্রসহ গ্রেফতার (সাময়িক পোষ্ট)
আব্দুস সালাম গ্রেফতার

এটিএন বাংলা সংবাদেও প্রচারিত হয়েছে খবরটা। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sadakaloronginblog/29140794 http://www.somewhereinblog.net/blog/sadakaloronginblog/29140794 2010-04-23 22:41:43
দেশে বাঘ বিদেশে বিলাই, আসেন সবাই শেওয়াগকে কিলাই !!!

ভারতের ব্যাটসম্যানদের নিজেদের মাটিতে রানের ফুলঝুরি ছুটিয়ে, বিদেশের মাটিতে রানের জন্য খাবি খাওয়ার হাজার নিদর্শন আছে। আবার ভারতের বোলারদের অবস্থাও তাই। ভারতের স্পিনাররা দেশের মাটিতে পারলে প্রত্যেকেই দশ উইকেট নেয়। কিন্তু বিদেশের মাটিতে সেই উইকেট টেকার বোলাররাই যেন স্ট্যাম্প চোখে দেখেন না। বেধড়ক মার খেয়ে তক্তা হয়ে যায়। যা হোক ভারতের দেশে বাঘ, বিদেশে বিলাই স্বভাব নিয়ে অনেক মজার মজার কৌতুক আছে। তার একটা শেয়ার করি :

একবার এক ম্যাচে ভারত ক্রিকেট টিম চালকের আসনে। প্রতিপক্ষ দল কোন ভাবেই ভারতের রানের ফুলঝুরি আটকাতে পারছে না। প্রতিপক্ষ ক্যাপ্টেনের সব তুরুপের তাসও শেষ। কিন্তু ভারতের রানের বন্যা শেষ হয় না। উপায় না দেখে প্রতিপক্ষ ক্যাপ্টেন তার শেষ চালটা চাললো। ক্যাপ্টেন ক্রিজে কি যেন একটা দাগ টানল তারপর ব্যাটসম্যানের কানে কানে কি যেন বলল। তারপরেই ব্যাটসম্যানরা একের পর এক আনাড়ীভাবে আউট হতে লাগল। প্রতিপক্ষ ম্যাচ জিতে গেল । উপস্থিত দর্শক , ধারাভাষ্যকার, সাংবাদিক সবাই অবাক। কেউই রহস্যটা বুঝতে পারলনা । সবার মনেই জিজ্ঞাসা কি এমন ঘটল যে ভারত ক্রিকেট দলে এমন হুড়মুড় করে ভেঙ্গে পড়ল। তারপর ম্যাচ শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে সবাই প্রতিপক্ষ ক্যাপ্টেনের কাছে রহস্য জানতে চাইল, যে কোন মন্ত্র বলে সে ভারত দলকে কুপোকাত করল। ক্যাপ্টেন ব্যাটসম্যানের কানে কানে কি বলেছিল, এবং ক্রিজে দাগ দিল কেন যে ভারতের চেহারা হঠাৎ করে পাল্টে গেল ?

প্রশ্ন শুনে প্রতিপক্ষ ক্যাপ্টেন মুচকি হাসল। সে কিছুতেই মুখ খুলতে চায় না। সবার পীড়াপীড়িতে শেষে বলল, " আমি প্রথমে ক্রিজে একটা দাগ দিলাম, তারপর ভারতীয় ব্যাটসম্যানকে কানে কানে গিয়ে বললাম এইযে দাগ দেখছো ক্রিজে, দাগের যে পাশে তুমি ব্যাট করছে সেই অংশ কিন্তু ভারতের বাইরে। ক্রিজের এই অংশ ভারতের বাইরে শুনেই ভারত হেরে গেল, কারন ভারত তো দেশের বাইরে ম্যাচ জেতে না "<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />

আজ সাকিব ভারত বধের এই থিওরী ব্যবহার করে দেখতে পারে <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sadakaloronginblog/29082192 http://www.somewhereinblog.net/blog/sadakaloronginblog/29082192 2010-01-20 09:55:05
ভালবাসার নববর্ষ


সুনসান বনের নিঃস্তব্ধতা মাঝে
আকাশ আজ তারায় তারায় মোহময় সাজে,

আধারের আড়ালটুকুতে জড়িয়ে থেকে
মুখোমুখি বসে দুজন চোখে চোখ রেখে

মেতে উঠি দুজনে খুলে স্মৃতির পাতা,
বিগত হয়ে যাওয়া অভিমান
আর শত ভালবাসার কথা

স্রোতের মত বয়ে চলি স্মৃতির নৌকা বেয়ে
কাটিয়েছি কত রাত তোমার চোখের পানে চেয়ে,

একটা বছরে ছিল কত দূরত্ব, ছিল কত নৈকট্য
ছিল কত ফিসফিস কথা, ছিল কত হাসি অট্ট

অথবা বৃষ্টি ভেজা দুপুরে তোমার ভেজা ঠোঁট খানি
অথবা অজানা অভিমানে তোমার চোখে পানি

প্রতিটা মূহুর্ত ছিল শুধু তুমিময়
তবু নববর্ষে আরো কাছে পেতে ইচ্ছে হয়

স্মৃতির পাতায় পাতায় ভোর হয়ে আসে
বনের ফাঁকে নতুন বছরের নবাগত সূর্য হাসে

বছরের প্রথম প্রহরে তোমার প্রেমময় স্পর্শ
ভালোবাসায় শুরু হোক ভালবাসার নববর্ষ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sadakaloronginblog/29069696 http://www.somewhereinblog.net/blog/sadakaloronginblog/29069696 2010-01-01 08:40:45
অভিমানী প্রেম


কথায় কথায় অভিমান করো
কথায় কথায় অফলাইন,
ভালোবাসার জোরে চালাও
স্বেচ্চাচারী আইন।

হুট করে নেই কোন কথা,
অজুহাত দাও শরীর খারাপ ,মাথা ব্যাথ্যা
একটু এদিক সেদিক হলে
মুখটা করে হাঁড়ি,
দুচোখের নীরব চাহনীতে
লক্ষ লক্ষ ঝাড়ি।

মান ভাঙ্গাতে দিনটা পার
ভুল মেনে নিয়ে লক্ষবার
অনেক নতুন প্রমিজ করেই তবে,
অভিমান সব ভুলে গিয়ে
একটু আমার হবে।

এমন করেই চিরটাকাল,
মান অভিমানে সকাল বিকাল
জীবনটা কি কাটবে ?

ঠিক আছে কাটুক এমনি করেই
রাখব বেঁধে ভালোবাসার জোরেই,
বিনিময়ে সারাটি জীবন
শুধুই আমার থাকবে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sadakaloronginblog/29052765 http://www.somewhereinblog.net/blog/sadakaloronginblog/29052765 2009-12-03 08:14:41
ঝড়ো রাতের ভালোবাসা


এমন ঝড়ো বরষার রাতে
তুমি যদি থাকো সাথে,

মাথা রেখে তোমার বুকে
কি যেন এক অজানা সুখে,

মিশে যাবো তোমার মাঝে
সময় হারাবো সন্ধ্যা সাঁঝে

বাজবে হুঁ হু বাতাসের বাঁশি
সাথে একাকার নিক্কন হাসি

দূরে যাও কপট অভিমানে
আবার ফিরে চাও ভালোবাসার টানে

রাত জেগে মুখোমুখি শুয়ে
হাসি অভিমানে দু'য়ে

অকারনে জেগে থাকি
বুকের মাঝে আগলে রাখি

মাঝে মাঝে প্রশ্ন জাগে
এত যে ভালোবাসি, কেন তা বুঝিনি আগে ? ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sadakaloronginblog/29037473 http://www.somewhereinblog.net/blog/sadakaloronginblog/29037473 2009-11-04 10:59:18
when u point a gun towards my head, i can forgive, but cannot trust you anymore.
বিডিআর তাদের ন্যায্য দাবী আদায়ের যে নমুনা দেখালো তাতে কিছু প্রশ্ন জাগে :

১) দেশে শীর্ষ দূর্নীতিবাজরা কি আর্মি ? নাকি বড় বড় সভা সমাবেশে বক্তৃতা দেওয়া রাজনীতিবিদ, আমলা যাদেরকে ৩৭ বছর পর কারাগারে নিলেও হাসিমুখে বেরিয়া আসে ? আর আর্মি দূর্নীতির জন্য ১৩৭ অফিসার নিজের অফিস থেকে লাশ হয়ে বেরিয়ে আসে ? আমরা দূর্নীতি বিচারের জন্য কিসুন্দর বিচার ব্যবস্থা রেখেছি না ?

২) বিডিআর সৈনিকরা কি চোরাচালানীদের সাথে হাত মেলায় না ? তারা কি সীমান্তে দূর্নীতি করে না ? অধিকাংশ বিডিআর সৈনিকই আর্মির সৈনিকের চেয়ে বেশি অবস্থাসম্পন্ন। দূ্র্নীতিই এর একটা বড় কারন।


৩) বিডিআর যদি বেতন ভাতা, অপারেশন ডাল-ভাতের টাকার জন্য, শোষনের জন্য এমন নারকীয় হত্যাযজ্ঞ করতে পারে আর্মি কি তার সহকর্মীর লাশের বিনিময়ে, বন্দী পরিবারের বিনিময়ে বন্দুকটা উঁচু করে ধরতে পারত না? সেই উচু করা বন্দুকের সামনে যে সামুর সব বুদ্ধিজীবির লেজ যে দুই পায়ের নিচে লুকাত তাতে কি কোন সন্দেহ নেই।

৪) আর্মি কি চাইলেই এই সরকারের হাতের বাইরে যেতে পারত না ? যেখানে আর্মি ক্ষমতা ছেড়েছেই কয়েকদিন আগে তাকে কি খুব কষ্ট করতে হতো সেই ক্ষমতা আবার দখল করতে ?

৫) বাংলাদেশের কোন মানুষটা শোষিত না ? আর্মির জুনিয়র অফিসাররাও শোষিত না ? তাই বলে কি খুনোখুনি হালাল হয়ে যায় ?


৬) একজন প্রশিক্ষিত সৈনিক যখন নিজের দাবী আদায়ের জন্য অস্ত্র তাক করে তখনকি তার কাজ কি সন্ত্রাসীর কাজের চেয়েও ঘ্বন্য নয় ? অস্ত্রের প্রশিক্ষন নেয়ার সময়কি সে প্রতিজ্ঞা করেনি যে কোন কিছুর বিনিময়েই দেশের মানুষের বিরুদ্ধে এই অস্ত্র তাক করবে না ? নিজের দেশের বিরুদ্ধে অস্ত্র তাককারীকে কি সৈনিকের অধিকার দেয়া যায় ?

৭) যারা অবৈষম্যের কথা বলছেন, আর্মির শোষনের কথা বলছেন তারা কি স্বরাস্ট্র মন্ত্রনালয়, প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়ের পার্থক্য বোঝেন ? আর্মি কি বিডিআর এর গঠনতন্ত্র তৈরী করে ? নাকি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় করে ?

৮) আর্মি কি যথেষ্ট ধর্য্যের পরিচয় দেয়নি ? তারা কি এখনও পর্যন্ত কোন বিডিআর এর নামে বিশোষধগার করেছে ? পাবলিক মিডিয়াতে বিডিআর এর সাক্ষাতকার দেখেই বিডিআর এর দাবীকে সমর্থন দিয়েছে কিন্তু আর্মিকে, দেশকে শান্ত রাখার জন্য যে ১৩৭ জন অফিসারের মৃ্ত্যুর ঘটনাকে ১টা পুরো দিন আড়াল করে রাখা হয়েছিল তা কোন সস্তা জনপ্রিয়তার আশায় না, পাবলিকের সেন্টিমেন্টের আশায় না , শুধু দেশের স্বার্থে ।

৯) when u point a gun towards my head, i can forgive, but cannot trust you anymore.

আজ আর্মি আর বিডিআর এর মধ্যে যে অবিশ্বাসের দেয়াল তৈরী হয়েছে তাতে কি আর কোন দিন আর্মি বিডিআর কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়াতে পারবে ? নিজের অফিসারের দিকে বন্দুক তাককারী সোলজার কি কোনদিন যুদ্ধক্ষেত্রে অফিসারের নির্দেশে শত্রুর উপর ঝাঁপিয়ে পড়বে ?? আজ বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় যে আঘাত বিডিআর করেছে তাদের কে সাধারনক্ষমা করে আমরা কি ভবিষ্যতের জন্য খুব সুন্দর উদাহরন তৈরী করছি না ?? এরপর কি বিডিআরের চেয়ে বেশি বন্ঞ্চিত পুলিশবাহিনীকে তার অফিসারদের বুকে অস্ত্র ধরতে উৎসাহিত করছি না ।

১০) আনুগত্যে যে বাহিনীর মুলভিত্তি সেখানে কি প্রতিবাদকে সমর্থন দিয়ে আমরা পুরো সামরিক বাহিনী, আধা সামরিক বাহিনীর চেইন অব কমান্ডকেই প্রশ্নের মুখে ঠেলে দেইনি ? বন্ঞ্চনার কাহিনী যদি অস্ত্রের মুখে শুনে যদি আপনারা বুদ্ধিজীবিরা আলোচনার এমন খোরাক পান, সাধারন জনগনের সমর্থন যোগান তাহলে ভবিষ্যতেও যে এমন আরো শুনবেন কোন সন্দেহ নেই ।



১১) বিডিআর দাবী করেছে বিসিএস ক্যাডার দিয়ে তাদের কমান্ড করার কথা, যেমন পুলিশ হচ্ছে। কিন্তু পুলিশ বাহিনী কাজ করে সাধারন জনগনের সাথে যেখানে যথাসম্ভব কম শক্তি প্রদর্শনের কথা বলা হয়। কিন্তু বিডিআর, আর্মি কাজ করে বহি:শত্রুর বিরুদ্ধে যেখানে যুদ্ধাবস্থায় শক্তি প্রদর্শনই মূল কথা । যুদ্ধাবস্থায় আর্মির চেয়ে একজন বিসিএস ক্যাডার কি বেশি কার্যকরী ??? একজন বিসিএস ক্যাডার কি পারবে একজন আর্মি অফিসারের চেয়ে তাদের পাশে দাড়িয়ে এমন তড়িৎ সিদ্ধান্ত দিতে , কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করতে ??


১২) বিসিএস অফিসার দিলেই কি সব দূর্নীতি বন্ধ হয়ে যাবে ? তাহলে তো পুলিশ, সেক্রেটারিয়েটে দূর্নীতি থাকার কথা না । অথচ এসব জায়গায় দুর্নীতি কত নিচে তা আমরা সবাই জানি। এদের দুর্নীতি যে আর্মির চেয়ে শতগুনে প্রতিটা রন্ধ্রে রন্ধ্রে বেশি সে ব্যাপারে কি কারো কোন সন্দেহ আছে ???


১৩) কিছুদিন আগেও যখন সতীসাধ্ধী রাজনীতিবি- আমলাদের ব্যর্থতায় দেশ গভীর সংকটে ছিল তখন দূর্নীতিবাজ আর্মি ই আপনাদেরকে একটা শুদ্ধভোটার তালিকা দেয়নি ?? দেয়নি ৯৯% গ্রহনযোগ্য নির্বাচন ??? ফিরিয়ে দেয়নি গনতন্ত্র ??? আপনারা কি ভোট দিয়ে হাসিমুখে বের হয়ে আসেননি ???

যারা আর্মির ৭৫, ৮০ দশকের ইতিহাসের কথা বলেন তারা কি দেখেন না আর্মি আজ কি পরিমান ধর্যের সাথে সহকর্মীর লাশ কাঁধে নিয়েও বন্দুকের নল নিচু করে রেখেছে ?? তারা কি দেখেননি যে সাধারন মানুষের প্রত্যাশা স্বত্ত্বেও সংবিধানকে মর্যাদা দিয়ে আর্মি সামরিক আইন বাদ দিয়ে শুধুমাত্র তত্ত্বাবধায় সরকারের পেছনে থেকেই দেশের গনতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করেছে ??? তারা কি দেখেননা সাম্প্রতিক সময়ে আর্মির সাথে ইতিহাসের আর্মির কি পরিমান প্রভেদ???



আগেই বলেছি, সামুতে অনেক পুরোনো হওয়া স্বত্তেও লিখি না , এর বুদ্ধিজীবিগুলোর সচেতনতার লেভেল দেখে, গালাগালির বহর , ব্যান-আনব্যানের রাজনীতি দেখেই কিছু লিখতে ইচ্ছে করেনা তবু অনেকদিন পরে মনের কিছু প্রশ্ন চেপে রাখতে না পেরে , ফ্যাশন করে আর্মি বিদ্বেষী হতে না পেরেই আজকে লিখলাম ।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sadakaloronginblog/28917558 http://www.somewhereinblog.net/blog/sadakaloronginblog/28917558 2009-02-27 18:24:17
ভালোবাসা-দিবসের বিনিময় তোমাকে দেবো ভোরের সূর্যটা লাল
বিনিময়ে তুমি চুমুতে ঢেকে দাও
আমার দুটো গাল।

আজ ভালবাসার দিনে
সাদা মেঘের দলকে দেবো ছুটি,
বিনিময়ে চাই একান্ত আমার করে
তোমার রাংগা ঠোট দুটি ।

আজ ভালোবাসার দিনে
ঘুম ভাঙগাবো তোমার প্রিয় গানে
বিনিময়ে আজ কাটিয়ে দেবো
শুধু চেয়ে তোমার মুখের পানে।

আজ ভালোবাসার দিনে
তোমাকে দেবো বাগানের সবচেয়ে লাল গোলাপ
বিনিময়ে আজ সারাদিন করব
তোমার সাথে মিস্টি প্রেমের আলাপ।

আজ ভালোবাসার দিনে
তোমার পায়ে লুটিয়ে দেবো বঙ্গোপসাগর
বিনিময়ে চাই সারাদিন জুড়ে
তোমার দুষ্টু আদর।

আজ ভালোবাসার দিনে
আকাশে ওড়াবো ঝাঁকে ঝাঁকে গাংচিল
বিনিময়ে পেতে চাই আমি
তোমার ঐ যাদুময় তিল ।

আজ ভালোবাসার দিনে
এমন বিনিময়ে থাকো যদি রাজি,
সবকিছু ভুলে তুমি আমার
ভ্যালেনটাইন হও আজি। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sadakaloronginblog/28911087 http://www.somewhereinblog.net/blog/sadakaloronginblog/28911087 2009-02-14 14:47:09
এক অযোগ্য মামা ও তার অংকন প্রতিভার গল্প
নিজের এই অপারগতার কারনেই আরো আর্টের প্রতি টানটা বেশি। তবু এর ধারে কাছে কোনদিন যাইনা পাছে। অথচ আমার ১০ বছরের ভাগ্নী আমার মোবাইলের টাচস্ক্রিনে স্টাইলাস দিয়ে এমন সব ছবি আঁকে যে আমার মাথায়
পিস্তল ধরলেও জীবন বাঁচানোর তাগিদেও এর ধারে কাছে এমন ছবি আমি কোনদিনই আঁকতে পারব না। আপনারাই দেখেন ছবিগুলো , আর দেখেন এমন গুনীভাগ্নির মামা হিসাবে পরিচয় দিতে কেন আমি লজ্জা পাই :



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sadakaloronginblog/28906678 http://www.somewhereinblog.net/blog/sadakaloronginblog/28906678 2009-02-04 17:28:09
প্রেমিকার ঠোঁটে নিউইয়ার উদযাপন তুমি আমি এতো কাছে,
ক্যাম্পফায়ারের আগুন আঁচে
তোমার মায়াবী মুখ, আরো মোহনীয় লাগে
যেন এমন রহস্যময়ী কেউ দেখেনি আগে।

তুমি আমি আরো ঘন হয়ে বসি
দুজনে মিলে বিগত বছরের,
ভালোবাসার হিসেব কষি।

কপট ঝগড়ায় মেতে উঠি দুজনে
কে কাকে কত ভালবাসে,
হিসেব মেলে না, সময় গড়িয়ে যায়
শুনশান নীরবতা নেমে আসে বনে।

ক্নান্তি নেই তবু, উল্টিয়ে যাই স্ম্বতির পাতা
আরো রঙ্গিন লাগে তোমার আমার
ভালোবাসার খাতা ।

রাত গড়িয়ে ভোর হয়
নতুন বছরের সূর্য লাল হয়ে ওঠে,
আমার বছর শুরু হয়
সূর্যের চেয়েও লাল, তোমার দুটি ঠোঁটে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sadakaloronginblog/28891056 http://www.somewhereinblog.net/blog/sadakaloronginblog/28891056 2008-12-31 17:12:09
বিদেশের মাটিতে একটা গর্বের দিন
স্যালুট সেক্টর কমান্ডারদেরকে। তারা আবার ৭১ এর মতো বিজয়ী হয়েছে। বাংলার মানুষ তাদের প্রচেষ্টাকে ব্যর্থ হতে দেয়নি। নিজামী, মুজাহিদকে আবার বাংলার মাটিতে অপমানিত হতে হলো। যুগে যুগে এভাবেই বাংলা সাজা দেবে তার মাটিতে জন্ম নেয়া বেজন্মাগুলোকে।


ইলেকশন কমিশনকে ধন্যবাদ। অনেক সমালোচনার মাঝেও তারা তাদের দায়িত্বকে সমুন্নত রেখেছে। এবারের নির্বাচনে নিরাপত্তার নামে রাখঢাকের কোন বাড়াবাড়ি ছিল না। ছিলনা কোন গোপন সুড়ঙ্গ পথের ফলাফল। যা হয়েছে চোখের সামনেই হয়েছে। যা হওয়া উচিত ছিল তাই হয়েছে।যা মানুষ চেয়েছে তাই হয়েছে।

ধন্যবাদ দিতে হয় সেনাবাহিনীকে ( বিশেষত: জুনিয়র অফিসারগুলোকে) যারা ক্যান্টনমেন্টের সুখের জীবনকে বাদ দিয়ে তাঁবুর জীবনকে বেছে নিয়েছিল শুধুমাত্র একটা সমালোচনা বিহীন ভোটার লিষ্ট উপহার দেয়ার জন্য। তাদের কল্যানে আমরা পেয়েছি একটা পরিচয়পত্রও যা এই উপমহাদেশে আর কারো নেই।

এমনি করে ধন্যবাদের লিষ্টকে বাড়তে দিলে তা ভোটারলিষ্টকেও ছাড়িয়ে যাবে। তবু শেষ করবো তাদেরকে ধন্যবাদ দিয়ে যারা সত্যিকারের বিজয়ী, এদেশের জনগনকে। তারা আবার জেগে উঠেছে ঠিক সময়ে যখন দেশ উন্নয়নের নামে চলে যাচ্ছিল মৌলবাদীদের কবলে। বাংলা ছেয়ে যাচ্ছিল অযাচিত বাংলাভাইয়ের হাতে। দেশের টাকা খাটছিল সিন্গাপুরের ব্যাংকে। বাংলার জনগন প্রমান করেছে দেশের জন্য তারা আবার একাত্তের মতো এক হতে পারে। পারে বিশ্বের কাছে এই বার্তা ছড়িয়ে দিতে যে বাংলাদেশ পাকিস্তান/ভারতের মতো সন্ত্রাসের কাছে, মৌলবাদের কাছে দেশকে পরাজিত হতে দেবে না। শত দূর্যোগ,বন্যা,খরার, মৌলবাদের কালো থাবার মাঝেও আবার বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে বিশ্বের দরবারে। একটা সোনার বাংলা এখন তাই আর খুব বেশি দূরের স্বপ্ন মনে হচ্ছে না। বিজয়ের এই মাসে গনতন্ত্রের এমন বিজয়ে দেশকে কেন যেন এখনই সোনালী সোনালী মনে হচ্ছে। কি ভাই আপনার কাছেও কি সোনালী লাগছে না বাংলাকে ?


ছবি কৃতগ্ঙতা: রয়টারস]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sadakaloronginblog/28890212 http://www.somewhereinblog.net/blog/sadakaloronginblog/28890212 2008-12-30 04:29:20
বাডাগ্রী দাস ব্যবসা : মানব ইতিহাসের এক কালো অধ্যায়
নাইজেরিয়া এর যে অংশে আমি থাকি ( ভিক্টোরিয়া আইল্যান্ড, লাগোস ) তা আসলে একটা দ্বীপ, সুরক্ষিত, বিশেষত বিদেশিদের জন্যই তৈরি। এখানে জিনিসপত্রের দাম ইউরোপের চেয়েও বেশি ( একটু উদাহরন দেই : চালের কেজি প্রায় আটশ টাকা, মোবাইলে একটা লোকাল কল বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ২৫ টাকা )। তাই নাইজেরিয়াতে আছি প্রায় চারমাস হতে চলল কিন্তু আসল নাইজেরিয়ার চেহারা প্রায় দেখাই হয়নি। সেজন্য উইকএন্ড এ বেরিয়ে পড়লাম গাড়ি নিয়ে নিরাপত্তার তোয়াক্কা না করেই । উদ্দেশ্য বাডাগ্রী নামে এক ঐতিহাসিক জায়গা ভ্রমন যা ইতিহাসে বিখ্যাত( নাকি কুখ্যাত ?) হয়ে আছে দাস ব্যবসার জন্য ।


বাডাগ্রী( Badagry ) শহরের পত্তন হয়েছিল আনুমানিক ১৪২০ সালে। শহরটি জমজমাট হয়ে উঠেছিল মূলত: দাস ব্যবসাকে কেন্দ্র করেই। ১৫০০-১৬০০ সালের দিকে আমেরিকা, ব্রাজিল, ক্যারিবিয়া অন্চ্ঞলে তামাক, আখ ও শিল্পের জন্য প্রায় ৫লাখ দাসকে পাঠানো হয়েছিল । আর বাডাগ্রী ছিল দাস ব্যবসার পীঠস্থান। সমগ্র পশ্চিম আফ্রিকা থেকে দাস সংগ্রহ করে আনা হত বাডাগ্রীতে চালানের উদ্দেশ্যে । এসব দাসদেরকে আমানুষিক নির্যাতন করে সংগ্রহ করা হত। তাদেরকে গলায়, পায়ে, হাতে বেড়ি পরিয়ে ছোট ছোট খাঁচার রেখে দেয়া হতো। পিঠে দেয়া হতো গরম লোহার সিল। অবাধ্য দাসদেরকে শাসন করা হতো কঠোরভাবে। কথায় কথায় পায়ে লোহার রড গেঁথে দেয়া হতো । দাসদেরকে চালানের আগে জড়ো করা হতো একদ্বীপে নাম "পয়েন্ট অব নো রিটার্ন"। পলায়নপর দাসদেরকে ধরতে সদা প্রস্তত থাকতো প্রশিক্ষিত কুকুর যা ইশারা পাওয়া মাত্র পাকড়াও করে দাসের গলার টুঁটি টিপে ধরতো । "পয়েন্ট অব নো রিটার্ন" নেয়ার পথে দাসদের পান করানো হতো একবিশেষ পানীয় যা খাওয়া মাত্র তাদের পূর্বস্মৃতি বিলুপ্ত হতো । এসব দাসদেরকে অনেক সময় পশুর চেয়েও খারাপভাবে তুলনা করা হতো । জাদুঘরে এক বিজ্ঙপ্তি দেখলাম যেখানে এক লটারীর প্রথম পুরস্কার হিসাবে ঘোষনা করা হয়েছ একটা ঘোড়া আর দ্বিতীয় পুরস্কার হিসাবে ঘোষনা করা হয়েছে একটা দাস।এরচেয়ে নিকৃষ্ট উদাহরন আর কি হতে পারে ? সংগ্রহ করা দাসদেরকে জাহাজে গাদাগাদি করে নিচের ডেকে চাপিয়ে নিয়ে যাওয়া হতো। জাহাজে শুধুমাত্র বসার জায়গা ছাড়া অতিরিক্ত কোন জায়গা থাকতো না। মাঝে মাঝে জাহাজ সামুদ্রিক ঝড়ের কবলে পড়লে জাহাজ হালকা করার জন্য সমুদ্রে দাসদেরকে ছুঁড়ে ফেলা হতো । এভাবে জাহাজে প্রায় তিনমাস সমুদ্র যাত্রার পর দাসদেরকে আমেরিকা, ক্যারিবিয়াতে বিক্রির জন্য তোলা হতো ।

বাডাগ্রী ভ্রমন খালি আমার জন্য নাইজেরিয়া দেখাই ছিলনা, এযেন ছিল মানব ইতিহাসের এক কালো অধ্যায় ভ্রমন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sadakaloronginblog/28810660 http://www.somewhereinblog.net/blog/sadakaloronginblog/28810660 2008-06-17 20:05:22
বিশাল প্রকৃতির কাছে ছোট্ট প্রার্থনা .....
"বঙোপসাগের সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়ে ‘নার্গিস’-এর খবের আবার কৄষেকরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে৷ কারণ এখনো এই অন্চলের পাঁচ জেলার মাঠে রয়ে গেছে ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ পাকা ধান৷ ঝড়-বৃষ্টি হলে এসব ধান ঘরে তোলা যাবে কি না, এ নিয়ে আতংকে আছে ওই অন্চলের কৄষেকরা৷"


এই যেন বাংলার মানুষের নিয়তি। একের পর এক ঝড় আসবে কেড়ে নিয়ে যাবে সব কিছু যা এতদিন তিলে তিলে গড়েছে নিজের রক্তের বিনিময়ে । আবার উড়িয়ে নিয়ে যাবে মাথার উপরের ছাদটুকুও । আবার ক্ষুধিত চোখে চেয়ে থাকা ত্রানের আশায় । সিএনএন, বিবিসির আনাগোনা .....পশ্চিমা বিশ্বের গাল ভরা আশ্বাস .....সরকারের কিছু ফাঁকা বুলি ..... বাংলার মানুষ এইসব অনেক দেখেছে .... মানুষ বাচঁতে চায় ...চায় নিজের ভাগ্য নিজে গড়তে। প্রকৃতি যেন খালি বাঁধা না হয়ে দাড়ায় ....এতটুকুই শুধু আশা।

হে ঈশ্বর এই কি খুব বেশি চাওয়া ? ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sadakaloronginblog/28792611 http://www.somewhereinblog.net/blog/sadakaloronginblog/28792611 2008-04-29 20:46:32
ভবদহে সোনার ধান.....নতুন জীবনের গান
ভবদহের মানুষ সেই দু:খকে ভুলতে পেরেছে । আবার তাদের মাঠ সোনার ধানে ভরে উঠেছে। উঠানে ফুটেছে কুমড়ো ফুল..... এযেন নতুন জীবনের আহবান। ভাতের এই হাহাকারের সময়ে যে ভবদহের মানুষের ঘরে ধান এসেছে একথা ভাবতেই ভালো লাগছে। আমার মনে পড়ছে সেই সময়ের কথা, যখন দেশবাসীর কাছে ভবদহের দু:খকে তুলে ধরার জন্য গঠিত হয়েছিল "ভবদহ সংগ্রাম পরিষদ"। কৃতগ্ঙতা ঐ সব কর্মীদের জন্য।
কৃতগ্ঙতা জাফর ইকবাল স্যার এর কাছে । স্যারের মর্মস্পর্শী লেখা হাজারো মানুষকে করেছে ভবদহের দু:খের সমব্যাথী। ভবদহবাসীরা সুখে থাক...... ভবদহবাসীরা থাক চিরসংগ্রামী বাঙগালীর উদাহরন হয়ে .....

খবরটি পড়তে যান এই লিংকে :

Click This Link



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sadakaloronginblog/28790484 http://www.somewhereinblog.net/blog/sadakaloronginblog/28790484 2008-04-23 15:41:51
মায়াবতী নদী ........ আমার অফিস এবং বাসা নদীর এপার ওপার। প্রতিদিন অফিসে যাই, যাওয়ার পথে নদী দেখলেই বাংলাদেশের কথা মনে পড়ে। নদীর সাথে সম্পর্ক নাই এমন বাঙ্গালী পাওয়া কঠিন। আমার শৈশব কেটেছে ভৈরব নদীর পাড়ে। বড় মায়াবতী নদী। দুকূল জুড়ে তার নিত্য জোয়ার ভাটার খেলা। জোয়ারে দুইকূল ছাপিয়ে পানি আসে , ভাটায় রেখে যায় ভেজা মাটির দাগ। নদীর বুকে ভেসে চলা কচুরীপানা দেখে দেখে কাটিয়েছি কত বেলা তার কোন হিসাব নেই। কচুরীপানার ভেসে যাওয়া দেখে মনে হতো ইস আমিও যদি কচুরীপানার মতো দূরদেশে ভেসে যেতে পারতাম।আর বাংলাদেশের নদীগুলোও যেন সকল দু্ঃখবিনাশীনি। একটু মন খারাপ হলেই ছুটে যাওয়া নদীর কূলে......সারা পৃথিবীর উপর অভিমান করে কিছুক্ষন উদাস নয়নে তাকিয়ে থাকা ......ব্যস সমস্ত দু্ঃখ মাটি। নদীর ওপারের গ্রামীন পরিবেশ ছিল চিরমনোহর ( আমাদের কূলটা ছিল একটু commercialized ) । নদীর ওপারের মাঠে গরুর অলস ভঙিতে চরে বেড়ানো.....গাছের নিচে অলস দুপুরে ঘুমন্ত রাখাল .....নাম না জানা পাখির ডাক ......শান্ত নিরব পরিবেশ । মাঝে মাঝে ওপার থেকে ভেসে আসতো পুজোর ঢোলের আওয়াজ, মরা পোড়ানোর আওয়াজ। যেন চিররহস্যের হাতছানি। হঠাৎ ড্রাইভারের মোটা গলার আওয়াজে ( নাইজেরিয়ানদের সবারই বাঁজখাই গলা, প্রথম প্রথম ভাবতাম রাগ করছে বুঝি , এখন অভ্যস্ত হয়ে গেছি) ফ্লাশব্যক থেকে বর্তমানে ফিরে আসি। গাড়ী ব্রিজের উপর দিয়ে পার হচ্ছে........। ড্রাইভারকে কৌতুহলী হয়ে জিগ্ঙাসা করলাম নদীর বৃত্তান্ত.....জানলাম এর দুইমাথাই আটলান্টিকে পড়েছে। শুনে আরো উৎসাহিত হয়ে জিগ্ঙাসা করলাম নদীর নাম। ড্রাইভার পিজিয়ন ইংলিশে বলল "কোন নাম নাই, শুধু লেগুন"। হা পোড়া কপাল এত সুন্দর নদীর কোন নাম নাই ? অথচ আমার দেশে সবচেয়ে সুন্দর নামগুলোই হলো নদীর নাম। বুকের মধ্যে আবার দেশের জন্যে মোচড় দিয়ে উঠলো ........
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sadakaloronginblog/28778781 http://www.somewhereinblog.net/blog/sadakaloronginblog/28778781 2008-03-13 13:54:32
ভোটারলিস্ট এর তথ্যের ওয়েবপেজটি জানতে চাই
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sadakaloronginblog/28778362 http://www.somewhereinblog.net/blog/sadakaloronginblog/28778362 2008-03-11 21:46:32
সাদা ....... কালো .......রঙিন......
বুয়েটের সোনালি দিনগুলো শেষ করে প্রথম সারির এক মোবাইল কম্পানির চাকরির যাঁতাকলে পড়ে মন আরো নিরস হয়ে যায়। ব্লগের লেখা নিয়মিত পড়াও হয় না। এইভাবে কেটে যায় দিন। সুখে থাকলে ভুতে কিলায়। হঠাৎ নিজের ক্যারিয়ারটাকে একটু নাড়াচাড়া দিতে ইচ্ছা হলো। কুপের এই বাঙালীর একটু দুনিয়া দেখতে স্বাদ হলো। রঙিন চামড়ার বাঙালির তো আর সাদাদের দেশে কোন দাম নাই তাই আমার জায়গা হলো কালো চামড়ার নাইজেরিয়াতে।

অনেক আগে একবার ব্লগে লেখার ইচ্ছা থেকে নাম নিয়েছিলাম "সাদা-কালো-রঙিন"। আজ যখন প্রথমবারের মত লিখতে বসে লেখার বিষয় নিয়ে ভাবছি তখন মনে হলো আমার লগইন টাইটেলটাই তো একটা বিষয়

"সাদা-কালো-রঙিন" এই তিন কম্বিনেশন কতকিছুই mean করে......আমার কাছে :

সাদা : পবিত্রতার প্রতীক
কালো : অপবিত্রতার প্রতীক
রঙিন : পবিত্রতার + অপবিত্রতার প্রতীক

দুবাই ইমিগ্রেশনে এসে অন্য ধারনা হলো। ইমিগ্রেশন অফিসার এর ব্যবহার দেখে মনে হলো সাদা চামড়া বিত্তের প্রতীক, কালো অচ্ছুৎ , আর আমাদের এই রঙিন চামড়া ( কারো একটু শ্যামলা, কারো একটু সাদা তাই আমি নাম দিয়েছি রঙিন চামড়া) চাকর, শ্রমিকের প্রতীক।

নাইজেরিয়াতে এসে দেখলাম অন্যদিক। এখানে আমার এই রোদে পোড়া রঙিন চামড়াও সাদা হিসাবে সম্মান পায়। এতে হয়তো আমার খুশি হওয়ার কথাই ছিল। কিন্তু এখানে সাদাদের ( এমনকি রঙিনও ) ওপরই কালোদের আক্রোশ বেশি। গাড়ীতে যখন আসছিলাম, রেডিওতে এক আলোচনা অনুষ্ঠান চলছিল, "is black people cursed ? "ড্রাইভার যখন আমাকে আড়চোখে দেখছিলো আর ভাবছিল "এই সাদারা আমার দেশটা চুষে খেল...." তখন আমার মনে হচ্ছিল লজ্জায় মাটির সাথে মিশে যাই।

সাদা-কালো-রঙিন এই ভেদাভেদ আর কতদিন চলবে ? মানুষ কি একবার ও ভাবে না সবার রক্তই লাল ?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sadakaloronginblog/28777259 http://www.somewhereinblog.net/blog/sadakaloronginblog/28777259 2008-03-07 20:22:50