
"লোকে বলে বলেরে, ঘর বাড়ী ভালা নায় আমার
কি ঘর বানাইমু আমি, শূন্যের-ই মাঝার
ভালা করি ঘর বানাইয়া, কয় দিন থাকমু আর
আয়ন দিয়া চাইয়া দেখি, পাকনা চুল আমার"
ঠিকই ধরেছেন, তিনি হলেন দেওয়ান হাসন রাজা । যিনি এক সময় প্রতাপশালী জমিদার থেকে এক আধ্যাত্নিক স্বপ্ন-দর্শনে নিজের জীবন দর্শন আমূল পরিবর্তন করে দেন। কয়েকদিন আগে গিয়েছিলাম সুরমা নদীর তীরে তার বাড়িতে, তারই ফটোব্লগ দেখুন.......

হাছন রাজার বাড়ির নীচ তলার একটা অংশকে যাদুঘর বানানো হয়েছে ।

রাজার সাথে এক প্রজা

এই আলখেল্লাটি হাছন রাজা ব্যবহার করতেন শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিক সময়ে, সাধারণতঃ তিনি ধূতিকে লুঙ্গির মতো পেচিয়ে এবং হাতওয়ালা গেঞ্জি পড়তে ভালোবাসতেন ।

হাছন রাজার কাঁচা পয়সা রাখার কলসী । হাছন রাজার এক মজার সখ ছিলো ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের জরো করে রূপার টাকা বিলিয়ে দেওয়া । ওরা যখন হুটোপুটি করে টাকা কুড়িয়ে নিতো তা দেখে হাছন রাজা খুব মজা পেতেন । কথিত আছে এই কলসী থেকেই উনি মুঠি মুঠি পয়সা বিলিয়ে দিতেন ।

হাছন রাজার কনিষ্ট পূত্র দেওয়ান আফতাবুর রাজা ব্যবহৃত ঘড়ি ।
সময়কালঃ ১৯৪৯-১৯৫৩ সাল ।

হাছন রাজার জমিদারী নথিপত্র ।

দুধ ছিলো হাছন রাজার প্রিয়, গাভীর দুধ দোহনে এই পাত্রটি ব্যবহৃত হতো ।

হাছন রাজা ব্যবহৃত রেডিও ঢাকার কাঠের কভার ।

হাসন রাজা ব্যবহৃত কলস ।

হাছন রাজার পিকদান ।

হাছন রাজার বাড়ি


হাছন রাজার বাড়ির সামনের গাছে ফুটে থাকা এই ফুলের নামটা আমি জানিনা, কেউ মনে হয় বলেছিল কাঁঠা চাপা, আপনারা জানেন কি ??


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



