বাবা হাতের ধরে আলোর পথে পথে...
২৯ শে জানুয়ারি, ২০০৬ সকাল ৭:৩৩
মনে করতে পারেন সেই সি্নগ্ধ শৈশব যখন আপনি একা একা হাঁটতে পারতেন না। অথচ তখন প্রতিদিন বিকেলেই খেলার মাঠে, পুকুর ঘাটে কিংবা কোন এক হাঁটে বা বাজারে বেড়াতে যেতেন। শুধু বেড়াতেই যেতেন না, চকলেট-আইসক্রিম এটা-সেটা কিনেও খেতেন। বলুন তো কিভাবে এসব করতেন? থাক উত্তরটা আমিই দিয়ে দিচ্ছি। হাজারটা বাঙালি
সন্তানেরও বোধহয় আমার মত একই জবাব হবে-'বাবাই সব করতেন। আমি শুধু তার কোলে বসে থাকতাম।'
এটা আমরা সবাই জানি এবং মানি যে, বাবার উদয়াস্ত পরিশ্রম আর অকৃত্রিম ভালবাসায় সিক্ত হয়ে আমরা ধীরে ধীরে বড় হয়েছি, লেখাপড়া শিখেছি, সর্বপোরি এ কঠিন পৃথিবীতে বেঁচে আছি। কিন্তু আমরা বড়ই অদ্ভুত মানসিকতার মানব সমপ্রদায়। খুব সহজেই আমরা বাবাকে ভুলে যেতে পারি। ভুলে যেতে পারি আমাদের জন্য তার বুকের রক্ত পানি করা অবদানকে। কখনো কখনো উপাজনমতাহীন বৃদ্ধ বাবাকে "বোঝা" বলতেও আমাদের হৃদয় এতটুকু কাঁপে না। কথায় বলে- মানুষ সবই পারে যদি সে চায়। আসলেই আমরা সবই পারি, মনে হয় একটু বেশিই পারি!
অনেকে তো বৃদ্ধ বাবাকে ঘরেই রাখেন না। পাঠিয়ে দেন বৃদ্ধাশ্রমে। হয়ত বছরে দু'একবার বাবার সাথে দেখা করতে যান। কেউ বা যানই না। গিয়ে দেখুন বৃদ্ধ বাবা আপনার আচরণে কষ্ট পেলেও ুব্ধ হননি। তিনি সারাণ জায়নামাযে বসে আপনার জন্যই দোয়া করেন।
আসলে সবারই জানা উচিত, প্রকৃতি কাউকে মা করে না। আজকে আপনি বাবাকে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠিয়েছেন, আগামীতে আপনার সন্তান যে আপনাকে রাস্তায় বের করে দিবে না তার কী নিশ্চয়তা আছে!
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
মো: মোফাচ্ছির হোসেন বলেছেন:
অতি নির্মম একটি বাস্তবতা তোলে ধরেছেন।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














