আমার প্রিয় পোস্ট
- আমার বিবেচনায় সেরা ১০ হট/সেক্সি মুভি [ছোটদের পড়া নিষেধ] - হাসান বিপুল
- সব বিশ্ব সুন্দরী এক সাথে...
- গাইতে ভালো লাগে
-
বিখ্যাত লেখক গণের বিচিত্র বাতিক - ইসতিয়াক আহম্মেদ
- ফোবিয়া // ভীতি // আতঙ্ক সমূহ (সম্পূর্ণ) - মইন
- ইউটিউবে আপনারা কি মাস্টারপিস সিনেমাগুলো দেখেন? - ফাহমিদুল হক
- স্প্যানীস চিত্রকর পাবলো পিকাসোর চিত্রকলা। - রামন
গাল জুড়ে নি:সঙ্গ ঢেউ
২৬ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১:৪২
আঁতলামির সাথে প্রেমের বৈরিতা থাকে
ও যখন কথা বলে, গালে একটা ঢেউ খেলে যায়। হঠাৎ মনে হতে পারে একটা নি:সঙ্গ ঢেউ আছড়ে পড়লো বেলাভূমিতে। বয়ে গেলো ওর মসৃণ গাল জুড়ে। এই একটা বিষয় তাকে সবার থেকে আলাদা করে দিয়েছে।
এটুকু বলে জানালা দিয়ে বাইরে তাকায় হাসান। অনেক দূরের আকাশ দেখে। ওর বাসায় ডাকটিকেটের মতো একটুকরো আকাশ। সে আকাশ বা জানালার প্রেমে কখনো পড়েনি হাসান। কাজেই, আমার অনেক পছন্দের জানালা বিলাস যে ওকে টানে তা আমি মনে করিনা। অপেক্ষায় থাকি কখন মেয়েটার গল্প শুরু করে।
ও একবার আমার সামনে এসে চুল পেছনে টেনে খোপা বেঁধেছিলো। ওমনি বদলে গিয়েছিলো তার চেহারা। অন্যরকম। মানুষ এমন হয়, পরতে পরতে বদলায়।
মানুষতো পেঁয়াজ না, একটার পর একটি খোসা খুলে গেলেও একই থাকবে তার চেহারা। আর আপাদমস্তক একই থাকলে আকর্ষণ হারাবে না মানুষ? তাই রহস্যময়ীরাই যুগ যুগ ধরে ভালোবাসা পেয়ে এসেছে। পত্তন হয়েছে ষোল কলার।
ভালো কথা, কলা বুঝিস?
হাসানের হতবিহ্বল চেহারায় তাকিয়ে বলি, সাগর কলা না। বুঝলি না ছলাকলা না থাকলে মুগ্ধতা থাকে না। বল তোর গল্প বল। আমি তাগাদা দেই।
মেয়েটা যখন হাসে...
কথা হয়েছে তার সাথে?
না, জবাব হাসানের।
তা হলে এই আলাপ বাদ দে। বায়বীয় প্রেমের কোন আবেদন এখন নেই। তারচেয়ে চাকরীর পাশাপাশি কোন একটা বিজনেস শুরু করা যায় কি না, চল তা নিয়ে কথা বলি। শেয়ার বাজারে টাকা খাটানো যেতে পারে। সামনেই ট্রাস্ট ব্যাংক বোনাস শেয়ার দেবে। সেকেন্ডারি মার্কেটে নাকি তার দামও কমেছে।
ওকে আমার ভালো লাগে । হাসানের দৃপ্ত ঘোষনা।
ওয়েল, গুড। এই সিদ্ধান্ত টানতে পারাটাই গুরুত্বপূর্ণ। এবার সেটা সরাসরি তাকে বল।
যদি ফিরিয়ে দেয়।
দেবে। তোর যেমন তাকে ভালো লাগার অধিকার আছে, তারও অধিকার আছে তোকে ভালো না লাগার। এটার নাম গণতন্ত্র। তার মতপ্রকাশের স্বাধীনতা দিতেই হবে। তা তুমি মানো আর নাই মানো।
ইস তোর আঁতলামি এই জীবনে গেলো না। তুই থাক তোর গণতন্ত্র নিয়ে আমি যাই। মানুষের মন বোঝার বুদ্ধি কোন কালেই তোর হলোনা। এজন্যই তোর কপালে প্রেম নেই। মন ভাঙ্গার ওস্তাদ। জানিস না , মন ভাঙা আর মসজিদ ভাঙা সামান কথা। শালা, বন্ধুরা কি বলতে চায় তাই বুঝতে পারে না, তার আবার জীবন। আপন মনে কথা বলতে বলতে বেরিয়ে যায় হাসান।
আমি অবাক হই । আঁতলামির সাথে প্রেমের বৈরিতা কেথায়? কবে শুরু এই শত্রুতা।
ও হাসলে সকাল সকাল লাগে
টানা তিনদিন পর ঢাকায়। দেশের কোলড স্টোরেজগুলো ঘুরে ঘুরে গেলো এই তিন দিন। এইবার আলু হয়েছে প্রচুর। রাখার জায়গা নেই । হিমঘরগুলো ভরে আছে আলুতে। কৃষকের উঠানেও পড়ে আছে তা। এদিকে আকবর আলি খান বলেছেন দেড় কোটি মানুষকে জরুরী ভিত্তিতে খাদ্য সাহায্য দেয়া প্রয়োজন।
চালের দাম নিয়ে কথা না বলাই ভালো। পাশের বাসার যে ভাবী প্রতিদিন চুল চেহারা নানা ফলজ বনজবাটা দিয়ে ঢেকে সকালের হিমেল রোদে নিজের দুধে আলতা গায়ের রঙ মেলে বসে থাকতো...তার অভ্যাস বদলে গেছে গত পনের দিনে।
ডিম মাথার অভ্যাস অবশ্য গেছে বার্ড ফ্লুর ভয়ে। আর বাকিটা নাকি নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ায়। আমাদের চেংড়া দারোয়ান সেদিন বাড়িওয়ালার ড্রাইভারকে এসবই বলছিলো। কথার মুল সুর অবশ্যই পাশের বাড়ীর ভাবীর যৌবন আর তার প্রকাশিত লক্ষণগুলো। এর মধ্য থেকেই প্রয়োজনীয় তথ্য টুকে নিতে হয়। এটাই আমার পেশা। মানুষের আয় এবং খাদ্যাভ্যাস নিয়ে কাজ করে এমন একটি এনজিওর মাঝারি কর্তা আমি। এখন আমার কাজ দেশের খাদ্য পরিস্থিতি জানা। কারণ দারিদ্র বিমোচন করতে আমাদের এনজিওগুলো এবার গরীবদের মধ্যে খাবার বিতরণের কথা ভাবছে। এডিবি, জাতিসংঘ বাংলাদেশের জন্য খাদ্য সাহায্যের সুপারিশ করার পর টনক নড়েছে আমাদের কর্তাদেরও। সুতরাং কর্তার ইচ্ছায় কর্ম। এই তিন দিন গেলো মানুষের পেটের খবর নিয়ে।
সরকার যে আন্তরিক, তা অবশ্য প্রধান উপদেষ্টা ড. ফখরুদ্দীন আহমদ বারবারই বলেছেন। তাঁর যে মুখপাত্র সৈয়দ ফাহিম মুনেম তিনিও বলেছেন অনেকবার। এই ভদ্রলোকের নামের বানান একেক পত্রিকায়
একেক রকমভাবে লেখা হয়। আগামী বোরো মৌসুমের দিকে যে সরকার আগ্রহ নিয়ে তাকিয়ে আছে তা ফাহিম মুনেমকে কোট করে সাংবাদিক
বন্ধুরা জানিয়ে দিয়েছে জনগনকে।
আর প্রতিদিন টিভির খাদ্যসংশ্লিষ্ট রিপোর্ট আমরা যত মনোযোগ দিয়ে দেখি, সংশ্লিষ্ট রিপোর্টারও মনে হয়না এতো মনযোগ দিয়ে রিপোর্ট করে। পত্রিকা যত মনযোগ দিয়ে আমরা পড়ি, পত্রিকার বেতনভূক প্রুফরিডারও মনে হয়না এতো মনযোগ দিয়ে তা পড়ে। তো, পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে আমাকে দুয়েকদিনের মধ্যেই রিপোর্ট পাঠাতে হবে। সাহায্য নিয়ে আগে মাঠে নামতে চায় আমাদের এনজিও। সুতরাং তার আগে গত তিনদিনের বাসি মেইলগুরো চেক করে নেয়া ভালো।
আর মেইল খুলতেই হাসান। তিনদিনে তিনটি মেইল। প্রেমে থৈ থৈ মেইল।
হাসান থাকে রামপুরায়। অফিস করে ধানমন্ডিতে। দিবাতে আসে। নিশীথে যায়। দশ টাকা । দশ টাকা। পরিবহনের নামও দিবানিশি। দুবেলা দুই টুকরা ঘুম। হেলপারের চিল্লাচিল্লিতে সেই ঘুম মাঝেমাঝেই চার টুকরা হয়। বাস থেকে নেমে একটু বাঁয়ে গেলেই তার দশতলা অফিস। সেন্ট্রাল এসি। তিনবছরের চাকরিজীবনে লেট হয়নি কখনো। ছুটির আগে বেরও হয়নি অফিস থেকে। ফলে, ছাত্রজীবনের শ্যামলা হাসান এখন রীতিমতো ফর্সা। আর বাস থেকে নেমে ডানেই একটা প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি। বাবুই পাখির বাসার মতো ক্যাম্পাস। ছাত্রদের আড্ডা তাই রাস্তায়। ফুচকার দোকান ঘিরে কতগুলো রঙ্গিন প্রজাপতি। মেয়েগুলোতো এডরেবল ডল। আর লাবণ্যময়ীদের আড্ডা তাদের রুপের চেয়েও রঙ্গিন। সেই আড্ডাতেই মেয়েটিকে দেখে হাসান । যে কথা বললে গালে ঢেউ বয়ে যায়। আর হাসলে সকাল । প্রথম দেখায় ঠিক তাই মনে হয় হাসানের।
তিন বছরের চাকরিজীবনে সেটাই হাসানের প্রথম লেট। হাসান ভুলে যায় তার পথ বাঁয়ে। কিংবা পছন্দ হলেই এভাবে তাকিয়ে থাকতে হয় নার মতো নীতি কথা। মেইলে অবশ্য হাসান মনে করিয়ে দিয়েছে প্রয়োজন কোন আইন মানে না। তাই তার নিরন্তর তাকিয়ে থাকা।
হাসানের দ্বিতীয় মেইল; বার্গার রোদের কয়েকলাইন
রোদের ধর্ম তাপ দেয়া। গায়ে লাগে। মন পোড়ে ওর তাপে। জিন্স পড়ে ক্লাসিক পড়ে গান করে আর সেক্স করে। সিওর । রেনডম প্লে।
ফুচকা খায় সিনেমায় যায় টাকা ওড়ায় সুখ কুড়ায়। ভালোবাসে জোরে হাসে। ডিজুস কোকাকোলা।
আহারে, তার জন্য হইলো মন উতলা ।
থার্টি সিক্স শিওর টুয়েন্টি ফাইভ সিওর থার্টি সিক্স শিওর । এখানে রমনীরা নদীর মতো। ।
আহারে তার জন্য পেট পোড়ে।
রাস্তায় দাঁড়ায়, হোন্ডা যায়। রিকশা চলে। চুল দোলে। বাতাস বয়। গল্প কয়। সময় গড়ায় বেল বাজায়।
কানে এমপি থ্রি । জন এডামস। হাঁটা ওফ সেক্সিসেক্সিসেক্সি ট্যাক্সিট্যাক্সিট্যাক্সি।
আবার জিগস আবার জিগস মামা একদম।
তারপর তার ক্লাস শুরু। ঘন্টি বাজলে পথ। দুপুর নামে শহরে মেয়ে নামে পথে।
হাসানের তখন লাঞ্চ।
ফাইল আসে । খসখস। সিগনেচার, বিল পাশ।
টার্গেট কমপ্লিট?
বড় স্যার বুলায়।
এমডির রুম বড়। কেরানির রুম ছোট। এমডি সিদ্ধান্ত নেয়। কেরানী হিসাব লেখে।
হাসান, কি করো তুমি?
ধান বুনি। ঠাঁই নাই ঠাঁই নাই ছোট এই তরি , আমারি সোনার ধানে গিয়াছে ভরি।
হাসান, ডিয়ার বয়, গত তিন বছরে এই প্রথম তোমার হাজিরা খাতায় লাল কালি পড়লো।
এনি প্রোবলেম?
শেষ লাইনটিতে হাসান লিখেছে, বস আমাকে লাল দেখালো, বুঝলি? অনেকক্ষণ রোদে দাড়িয়ে থাকলে মেয়েটার গালও লাল হয়।
নয়া প্রেমে মন মজাইয়া নয়আআ প্রেমে মন মজাইয়া ...
বোরো ফলন ঘরে আসতে বেশীদিন বাকী নেই । মজুদ চাল এবার বাজরে আসবে। নতুন মজুদ হবে কী? কী করে বলি। বিশ্বজুড়ে চালের মৌসুম
শুরু হতে আরো ৮ মাস বাকী। গমের খবর আশাব্যঞ্জক না। ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টারের রিপোর্ট।
মাথা আমার বোঁ বোঁ করে ঘুরছে। একটা রিপোর্ট জমা দেবার পর বেশ কিছূদিন আরাম করা যায়, সাধারণত। এনজিওর মজাটাই এখানে। এবার তা হলো না। এনজিওর চাকরিতেও এতো কাজ। ওপর থেকে চাপ। প্রতিদিনই রিপোর্ট পাঠাতে হচ্ছে। ডলারের দাম কমে একটা বিচ্ছিরি ব্যাপার হলো দুনিয়া জুড়ে। চালের দাম বাড়ছেই। এর মাঝে হাসান। গত পনের দিন ধরে নিয়মিত লাল কালি পড়েছে তার হাজিরা খাতায়। এখন সেও দাঁড়িয়ে থাকে পথে। আমি বারবার বলেছি, জানিয়ে দে। হাত চেপে বলে ফেল ভালোবাসি।
তার ভয় লাগে, যদি ফিরিয়ে দেয়।
আরে প্রেমে পড়লে মানুষ তারায় তারায় রটিয়ে দেয়। আর তুই শুধু তাকে বলবি।
মনে মনে বলি।
সামনাসামনি বল।
বলিতো। সামনে গিয়ে মনে মনে বলি।
হাসান, লিসন । তোর চাকরি আছে। ইনকাম ভালো। সবকিছু ঠিক আছে।
সমস্যা নেই । এই শহরে কতো মানুষের এক্সট্রা মেরিটাল এফেয়ার্স আছে। চরম বুদ্ধিমত্তা ও সাহস দিয়ে সেগুলো মেইটেইনও করে। ধর হাজবেন্ডের সাথে একধরনের ইদুর বেড়াল খেলা চলে। টম এন্ড জেরি গেম। আর তুই একটা প্রেম করবি। জেনুইন। মেয়েটাকে জানা।
আমিতো বলতেই চাই । একবার গিয়েছিলামও তার কাছে। ভেবেছি,
তাকে বলবো, আপনাকে ফ্রেস লাগছে । কিন্তু ওর রুপের এমন প্রকাশ... তাজ্জব বনে গেছি। বলতে পারি নাই । পরের দিন ও স্কার্ট পড়ে এসেছিলো। ওহ! পুরা বিলাতি মেম। বলতে পারি নাই। শুধু ভয় লাগে। যদি ফিরিয়ে দেয়। যদি বলে সরি।
তা হলে কিছুই হবে না। অনেকেই ঘর ছেড়ে, অনেকদিনের পুরনো স্বামীকে ছেড়ে নতুন প্রেম করে। করে না? ওর প্রেম থাকলেও সেখান থেকে তাকে বের করে আনতে হবে। পুরুষদের জন্য প্রেম অনেক আগে থেকেই যুদ্ধ। ছিনিয়ে আনার যুদ্ধ, বুঝলি। ম্যানেজ এন্ড মেইনটেইন।তুই তাকে কালই বলবি। অফিসে মনযোগি হবি।
বলবো ভালোবাসি। ভালোবাসি।
তারপর একসপ্তাহের জন্য আমি ঢাকার বাইরে। ফিরে হাসানকে ফোন দেই লাপাত্তা। মেইলে নেই ।
কী আর করা, দিবিনিশীথে রামপুরা।
হাসানের ঘর অন্ধকার। পর্দা সরাতেই আছড়ে পড়ে আলো।
কোন খোঁজ খবর নেই ?
চাকরিটা চলে গেলো। এতো কষ্ট করলাম তার কোন মূল্যায়ন হলো না।
কেন যায় চাকরি?
এমডি বললো, মাই বয়, সিট ডাউন। টুয়েলভ ইয়ারস এখানে অফিস চালাচ্ছি। কোনদিন আজেবাজে ঘটনা ঘটলো না। আর তুমি ডুবিয়েছো
আমাকে।
তারপর কলিংবেলে আলতো চাপ। জি স্যার, এডমিনের আলমসাহেব।
আলম , হাসানের পাওনাটা দিয়ে দিন। আর আইডি কার্ডটা আমার কাছে পাঠিয়ে দেবেন।
কী এমন করেছিলি যে চাকরি গেলো?
আমি কিছু করি নাই । যা করার করেছে ওই ইউনিভার্সিটির কয়েকটা ছাত্র।
কী করেছে?
মারামারি ।
তার সাথে তোর চাকরি যাবার সম্পর্ক কি হাসান?
মারামারির অপর পক্ষ আমি।
তুই মেরেছিস?
মারতাম। মানে চার-পাঁচজনের সাথে একা পারবো না ভেবে ভরসা ছেড়ে দিয়েছিলাম।
খুব মেরেছে।
না, খুব মারতে পারে নাই । কলার ধরেছে। চড়- থাপ্পর আর কয়েকটা লাথ্থি ।
এমডি তখন অফিসে যাচ্ছিলো। কি করো কি করো বলে এগিয়েও এলো।
চুপ বেয়াদব , ছাড় ওকে বলে হুংকারও দিলো।
আরে আংক্যাল এটা একটা লোফার। প্রতিদিন সকাল বিকাল দুই বেলা
এখানে এসে দাঁড়ায় আর লাবণ্য'র দিকে তাকিয়ে নানা ভঙ্গি করে। মার শালারে।
হতে পারেনা। হাসান আমার বেস্ট এমপ্লয়ি। তোমাদের নামে আমি সু করবো। দেখে নেবো।
এই পাগল আপনার এমপ্লয়ি? কী বলেন? দেখেন দুই পায়ে দুই রকমের জুতো। লাবণ্যইতো প্রথমে খেয়াল করলো। আর লাবণ্য হলে আর ইয়াবা লাগে না। মার শালারে।
এরপর আর কারো চাকরি থাকে। বল দেখি। অবশ্য মেয়েটার নাম যে লাবণ্য তা তখনই প্রথম জানতে পারি আমি। বলতো এমন একটা চৌকস মেয়ের ষাটের দশকের নাম? মানা যায়? হইতো নিকিতা,মৌমিতা,বাবো মানাতো।
আমার মনে হয় হাসান সত্যি সত্যি জানতে চায়।
তুই দুই পায়ে দুই জুতো পরতে গেলি কেন।
জুতোর দিকে তাকানোর সময় কই । সারাক্ষণ তো মেয়েটার চেহারা চোখে ভেসে থাকে। সেদিন একটু তাড়াহুড়োও ছিলো। ঠিক করেছিলাম প্রপোজ করবো। কিন্তু কেন এমন হলো?
আচ্ছা একটা গান শুনবি...
নতুন প্রেমে মন মজাইয়া করলাম আমি একি ভুল ...
আমার লাভের মাঝে কি লাভ হইলো গলাতে কলংকের ঢোল...(সমাপ্ত)
এই গল্পটি সাপ্তাহিক কাগজে ০৮ মে ২০০৮ প্রকাশিত হয়েছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সোমেশ্বর অলি।
আমিও আশা করি মন্তব্যে মন্তব্যে প্রচুর কথা হবে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
ভাই, একটা কথা বলতে চাই।বড় গল্প হলে ২/৩ ভাগে দিন। ব্লগে বড় গল্প কেউ পড়তে চায় না। ২/৩ ভাগে সিরিজ আকারে দিলে সবার পড়তে সুবিধে হবে, আসলে সবাই এটাই চায়।
দারুন গল্প, এটাই বলতেই হয়।



















আবার পড়ে বলবো কেমন লাগছে।
নতুন গল্প দে,কাঁচা প্রেমের গল্প পড়তে ইচ্ছা করছে।