গল্প লিখতে ভালোবাসি

লাভ অ্যাট ফার্স্ট হিয়ারিং

২৯ শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৯

শেয়ার করুন:                   Facebook

মানুষের মন কীভাবে কাজ করে তা আমি বুঝতে চাই ।

নিজের শরীরের মতোই মেদহীন বাক্যটি বলে আম গাছের দিকে তাকায় লাবণী। এই একটি বাক্য শুনেই প্রেমে মজে মুরাদ। যাকে বলে লাভ অ্যাট ফাস্ট হিয়ারিং । প্রথম শোনাতেই প্রেম।

তো, মন বুঝাতো সহজ না । তার কিছু নিয়ম আছে । স্টেপ বাই স্টেপ এগুতে হয়। আমিও তাই করলাম, লাবণী আম গাছের দিকে তাকিয়ে বলে যায়। আমি পড়া শুরু করলাম সাইকোলজি।

তাতে লাভ হলো ? মুরাদের আগ্রহ বাড়ে।

হু। অনেক কিছু বদলে গেলো। প্রথমেই জানতে হলো মাথা কি করে কাজ করে। আর তা জানতে লাইব্রেরিতে পড়ে থাকতে হলো দিনের পর দিন। বইয়ের একটা আকর্ষণ আছে।
মুরাদ মনে হলো তা মানতে পারলো না। বউয়ের আকর্ষণ থাকতে পারে। বৌ হলো একটা মেয়ে। বই হলো কাগজ। তার আবার আকর্ষণ কী?

সে আলতো করে লাবণীর হাতের দিকে হাত বাড়িয়ে দেয়। লাবণী তার আংগুলের ভাঁজে ভাঁজে মুরাদের আ্গংুল জড়িয়ে আলতো চাপ দিয়ে ছেড়ে দেয়। দুর্দান্ত এক শিহরণ বয়ে যায় তার গা জুড়ে ।

এর নাম সুখ । লাবনী বলে । এখন তোমার যে অনুভুতি এটার নাম সুখ। এটা তৈরী হয়েছে তোমার মাথায়। বাট সুখটা পেয়েছো মনে। এখন মন তোমার মাথায় ওঠে বসে আছে। আর এই যে আবেশে বুজে যাচ্ছে তোমার চোখ, এটা হলো শরীরের আচরণ। মানুষের আচরণ নিয়েই কাজ করে সাইকোলজি। এখন বুঝতে পারলে বালক, সাইকোলজি পড়ে বোঝা যায় মনের কারুকাজ ।

আমি তাই সাইকোলজি পড়ি, প্রতিদিন।
মুগ্ধতা বাড়ে মুরাদের। মাথাটা সামনে ঝুকিয়ে আনতেই সতর্ক হয় লাবণী।
এটা রমনা পার্ক । চারদিকে লোক আছে । দেখবে।

মুরাদ হতভম্ব । কী করে এতো বুঝে মেয়েটা। মনে একটা ইচ্ছা জাগলেই টের পেয়ে যায় সে। সাইকোলজির এতো শক্তি!

প্রথম দেখাতেও তাই হয়েছিলো।

সেটা ইস্টার্ন প্লাজার চলন্ত সিড়িতে। পরিচিত হবার খুব ইচ্ছে হলো মুরাদের। আর আচমকা মেয়েটা মুখ ফিরিয়ে বললো এই তোমার নাম কি?

এরপর অনেক কিছুই জানা। বাড়ী নাটোর। বনলতা সেন। বাবানেই মানেই ভাইনেই বোননেই একা। ঢাকায় থাকে চাচার বাসায়। দুজনে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। তাই রংগিন জীবনে ভাসতে খুব একটা সময় লাগেনি।


ড্রিম ইজ দ্যা লাইটিং সিস্টেম অব ব্রেইন
মুরাদ স্বপ্নে দেখলো যে লাবনী তার বাসায় এসেছে। শুনে মেয়েটি বললো এটা একটা স্বপ্ন হলো?

বাসা তোমার পছন্দ হলো লাবনী । তুমি বললে কিউট। সেটা আমাকেও বলো তুমি। তোমাকে কখনো কিউট বলা যায় না । তুমি মনে করো কিউট কালো মেয়েদের বন্দনার শব্দ। শরীরের রং একটু ময়লা বলে তা নিয়ে ব্যাপক মনো যাতনা তোমার ।

মুচকি হাসি ছড়িয়ে দিয়ে বিকেলের পড়ন্ত রোদে, তুমি বললে এসব কথা থাক মুরাদ।
সেই মুহুর্তে বালু ঝড়ে পথ হারানো কোন মরু রাখালের মতো অসহায় হয়ে যাই আমি। দিব্যি বলছি লাবণী , তুমি তা ব্যাপক উপভোগ করো। তোমার চেহারা আমুল বদলে যায়। ব্যাপারটা অনেকটা দীর্ঘ লোড শেডিং এর পর বিদ্যুৎ আসার মতো। বিদ্যুতের উপমাতেও আপত্তি আছে তোমার। এর সাথে রাজনীতি কিংবা ভোট কিংবা সরকার বদলের প্রসঙ্গ টানবে তুমি।


যা বলছিলাম, স্বপ্নে বেশ ছটফটে তুমি। এ ঘর ওঘর প্রজাপতির মতো ঘুরলে কিছুক্ষণ। বলা ভালো উড়লে। নিজের গায়ের গন্ধ ছড়ালে বাতাসে। অনেকক্ষন এই গন্ধ তাড়া করলো আমাকে।

বাজে বকোনা , স্বপ্নে কোন গন্ধ থাকেনা।

যাই হোক, বারান্দা পছন্দ হলো তোমার। বারান্দার কোনায় একটা চড়াই পাখির বাসা। বললে এই বাসায় একটা ডায়মন্ড থাকলে ভালো হতো। তুমি মুখ আলো করা হাসি দিয়ে বললে, একটা ডায়মন্ড তোমার চাই ।

আমি অবাক মানি, স্বপ্নেও তোমার হাসি সুন্দর।
আর স্বপ্নেও তোমার কথা ফেলতে পারিনি আমি ।
ফলে ,ডায়মন্ডের খোঁজে পথে নামি।

তুমি চাইলে একমুঠো তুলো আনতে পারি মেঘ নিঙড়ে..
তুমি চাইলে নামতে পারি কাদা-জলে...
আর এতো ডায়মন্ড.
তুমি বললে, কাব্য না । ওসবের দিন কি আছে?
কোথায় পাই ? কোথায় পাই ডায়মন্ড। এদিক ওদিক হাতড়ে বেড়াই । কোন কিছু না পেলে দিগন্ত বুঝি ছোট হয়ে আসে। তখনি কি বলা হয় পৃথিবী হাতের মুটোয় এনে চেষ্টা করেছি। জানি না । জানলেও বলা যাবেনা। অন্য প্রেমিকদের মতো আমিও তোমার কাছে বিতর্কিত হতে চাই না।

যাহোক, পুরো পরিশ্রম সহজ করে দিতে হঠাৎ কোথ্থেকে যেন একটা সাপ এলো। তার মাথায় জ্বল জ্বল করছে একটা ডায়মন্ড।

সাপ ! আমার ডায়মন্ড চাই ।

অমনি সাপটি ছোটদের মন ভুলানো রুশ গল্প শুরু করলো।

ছোট্র গোল রুটি
চলছে গুটি গুটি
গমের ধামা চেছে
ময়দার টিন মুছে
ময়ান দিয়ে ঠেসে
ঘি দিয়ে ভেজে
জুড়োতে দিলো যেই
পালিয়ে এলাম সেই ।
বুড়ো পেলো না বুড়ি পেলো না ক্যাট পেলো না ওরে মুরাদ তুই কি তাকে পাবি।
না না না
সাপটা বললো আবারো গানটা শুনবে মুরাদ? বুড়ো শুনলো টা টা পেলো। বুড়ি শুনলো বিদায় নিলো । শুনবে তুমি শুনবে?

আমি বললাম পাবো।

তুমি জানতে চাইলে কি সাপ। বলো স্বপ্নে কোন সাপের পরিচয় জানতে চাওয়া যায়।

তারপর কি হলো ?

তারপর সারটি রাত কেটে গেলো সাপের সাথে । বনে বাদাড়ে ঘুরে। কড়াই গাছের নিচে তমাল গাছের পাশে । রাত শেষ হবার আগেই হাতে ডায়মন্ড এলো।

সব শুনে লাবণী বললো যা হোক সফল।

এক শব্দে আমার মন ভরে না । তাই জানতে চাই এই স্বপ্নের কি মানে হতে পারে।


অবচেতন মনের প্রকাশ। সাইকোলজির বিদ্যা ঝাড়লে লাবণী ।
সামনেই কোন একটা সাফল্য আসবে। রাজকীয় ফরমান তোমার।
কি করে বুঝলে ?
সাইকোলজি। ড্রিম শুনে। জানোনা ড্রিম ইজ দ্যা লাইটিং সিষ্টেম অব দ্যা ব্রেইন।

বাজারে যাও খোকা? মানুষ বোঝবা কেমনে?

হ্যালো .... আজ সকালে এক বন্ধু ফোন দিয়েছিলো । লাবনী জানায়।
বললো এতো বেলা করে ঘুমাও তুমি । ওঠো । দেখো বাইরে কেমন রোদ পড়েছে। আমি আলসেমি করে বলেছি আরো ঘুমাবো । তারপর ফোন রেখে দিয়েছি ।
কি করো মুরাদ।
মুগ্ধ হই ।
মানে কি?
মানে হলো শরীর মনে দোলা দেয়া । গানদেখি নাচদেখি নায়িকাদেখি মুদ্রাদেখি শিহরনপাই সুখপাই। চ্যানেল বদলাই, টিভি চালাই।
তাহলে তোমার একটা শরীর আছে? আর তাতে দোলাও লাগাও তুমি।
হুম! লাগাই লাগাই। আন্দোলিত হয় মুরাদ। আচমকাই বড় গেরস্থালী লাগে লাবণীকে। বাবা গেছে অফিসে বোন গেছে কলেজে। মা যে কেন যায়না কোথাও? তা হলেই তো লাবণীকে আনা যায় বাসায়। গেরস্থালি বুনো সময় পার করা যায় অনায়াসে।
আমাদের বাসায় আসবে ?
কি খাওয়াবে।
মানে কি ?
মেনু কি ?
এনি মেনু ।
মানে কি ?
যা খেতে চাও। পোলাও সাদাভাত বাসমাতি নাজিরশাইল চিকনচাল । খাসিগরুমুরগী । কবুতরহাস ।
ইলিশইলিশইলিশ।
দুধদইছানা।
আমআপেলকমলা। বলো লাবণী আর কি খেতে চাও তুমি।
এতো কিছু লাগবেনা। শাকভাত ডালভাত ব্যাস।
না এতো অল্প না । তোমাকে খেতে হবে অনেক কিছু।
বাজার করবে কে ?
বাবা।
তাই বলো। কনডম ছাড়া জীবনে কিনেছ কিছু ? গেছো বাজারে কখনো?
তা যাইনি ।
তা হলে তুমি ঘোড়ার ডিম বোঝো। এ জন্যই স্বপ্নে খুঁজে পাও ডায়মন্ড ।
তুমি কি বাজারে যাও ? কি করে বোঝো এসব।
সাইকোলজি বালক ! সাইকোলজি!
বাজারের সাথে উঠানামা করে কর্তার মন। কর্তার মন ভালো তো গৃহিনী স্বামী সোহাগিনী। মাথা ঠান্ডা। সংসার শান্তিময়। এতো কিছু কি করে
বোঝো লাবণী!
সাইকোলজি। বুঝলে না । আজ রাখি মুরাদ । আগামীকাল শুক্রবার । তোমার সাথে কোন দেখা বা কথা হবে না ।
চাচা বাসায় থাকবে । প্লিজ ফোন করো না।

নতুন প্রেমে মন মজাইয়া

লাবনী স্বপ্নে দেখে দেখে একটা মাঠ । যার কোন শেষ নেই । একহাত উঁচু করে সে মাঠের শেষটা দেখায় মুরাদকে। অপর হাতটি হেচকা টানে নিজের আয়ত্বে নেয় মুরাদ। তারপর ছুট লাগায়। দৌড় দে দৌড়। দিগন্ত বিস্তৃত মাঠে গর গর শব্দে চালু হয় চলন্ত সিড়ি। ইস্টার্ন প্লাজার চেয়েও বড়ো? জানতে চায় মুরাদ।
স্বপ্ন বলার মাঝে কথা বলো না । মৃদু ধমক লাবনীর।
চলন্ত সিড়ি চলতেই থাকে। পার হয় মাঠ। ঐ দেখো হরিণ সবুজ ঘাস বনমোরগ।
চলন্ত সিড়ি শেষ হলে কাচা বাজার । চালআছে মানুষআছে বাজারেরব্যাগআছে। টাকা আছে । স্বপ্নে তোমায় জড়িয়ে ধরি মুরাদ।
তারপর ?
লাবণী আনমনে রমনা পার্কের এমাথা ওমাথা তাকায় কিছুক্ষণ। দেখে পাতা নড়ে বাতাস বয় সাহেব হাটে বিবি হাপায়।
কলেজ ড্রেস বুকে চেপে ধরে আছে স্কুল ড্রেসকে। রোদ গাছের ফাঁক গলে নেমে আসে মাটিতে । ঘাসেরা জীবন পায়।
তারপর কি হলো? স্বপ্ন শুনতে আগ্রহী মুরাদ।
বাজার পার হলে পাহাড়। চারদিকে পাহাড়। মাঝখানে সমতল । সবুজ আর সবুজ। সেখানে একটা বড় বট গাছ । তার নিচে একটুকরো ছায়া। তাকে বড় করে দেয় ভাসমান মেঘ।
তোমাকে পাশে নিয়ে দাঁড়াতেই সরে যায় পাহাড়। আর আমরা প্রবেশ করি সেই মনোরম সমতলে।

তারপর ?
তুমি আমার হাত ছাড়োনি কখনোই । টেনে বুকে জড়িয়ে নিলে । আমি তোমার পায়ের ওপর দাঁড়ালাম। এরচেয়ে কাছে যাওয়া যায় মুরাদ? যায়না।
তারপর কি হলো ।
ওহ তারপরই আমার বদমাইশ জামাইটা ব্রেস্ট্র চেপে ধরলো। বলো, বিয়ের পাঁচ বছর পরও কিএসব ভালো লাগে। জানোয়ারের মতো দুধ চেপে ঘুম ভাঙানো।

তুমি বিবাহিত লাবণী ??
হতবিহ্বল লাবণী এক মুর্হূতে তাকায় মুরাদের দিকে । তারপর স্বপ্নের হরিণের মতো দ্রুত চঞ্চল পায়ে বের হয়ে যায় রমনা পার্ক থেকে। অস্ফুটে বলে যায় সরিরিরিরিরি।
সমাপ্ত
আনোয়ার সাদী. ঢাকা।

 

 

  • ১৭ টি মন্তব্য
  • ২২৯ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৬ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৯ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ৮:০১
comment by: অক্ষর বলেছেন: অনেক বড় লেখা
০৩ রা আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:২২

লেখক বলেছেন: হুমমম! তারপরও সবাই এর নাম দেয় ছোট গল্প।

২. ২৯ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ৮:০৫
comment by: ফয়সল নোই বলেছেন: :),+

প্রথম পাতায় স্বাগতম:)

দারুণ লেখা।ভালো থাকিস।শুভেচ্ছা।
৩. ২৯ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ৮:৫৫
comment by: সুদীপ্ত সরকার বলেছেন: ভাল হয়েছে গল্প। +
৪. ২৯ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ৮:৫৯
comment by: লিপিকার বলেছেন: ভালৈ............+
০৩ রা আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:২৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ফয়সাল, সুদীপ্ত সরকার ও লিপিকার।

৫. ২৯ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:২৬
comment by: ফাহমিদুল হক বলেছেন: ব্লগে স্বাগতম সাদী।
'গাল জুড়ে নিঃসঙ্গ ঢেউ' বেশি ভালো লাগলো। এইটায় খানিক পরাবাস্তব ফ্লেভার থাকলেও নিরেট প্রেমের গল্প বলেই কিনা, অত ভালো লাগেনি।
'গাল জুড়ে নিঃসঙ্গ ঢেউ'-এ সমান্তরালে সমাজ ছিল, আর প্রেমের গভীরতাটাও স্পর্শ করে।
আরও গল্প চাই।
আর রিপোটিংয়ের অভিজ্ঞতায় প্রাপ্ত অথচ ছাপানো/প্রচার করা যায়না/যায়নি ইত্যাদি বিষয় শেয়ারের জন্য ব্লগ ভালো জায়গা। সেরকম কিছুও চাই তোমার কাছ থেকে।
০৩ রা আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:২৭

লেখক বলেছেন: ফাহমিদ ভাইকে অনেক ধন্যবাদ।

বেশ কিছু প্রেমের গল্প লেখার পরিকল্পনা করেছি। এখন সবার ব্লগ পড়ছি।
আপনার পরামর্শ সব সময় আমাকে লাভবান করেছে ফাহমিদ ভাই । আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

৬. ৩০ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৪০
comment by: সোনারমানুষ বলেছেন: অনেক ভালো লেগেছে সাদী। বাংলাভিশনে সাংবাদিকতা করে সময় পান কখন?

আপনার জন্য শুভ কামনা।
০৩ রা আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:২৯

লেখক বলেছেন: সেনারমানুষ ধন্যবাদ।

আপনার জন্য শুভেচ্ছা রইলো। সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

৭. ৩১ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১:০৪
comment by: ইফতেখার ইনান বলেছেন: ভাল লাগল...
শুভেচ্ছা জানবেন...
০৩ রা আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৩০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ইফতেখার ইনান।
আপনার জন্য শুভ কামনা।

৮. ০৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:০৭
comment by: মমমম১২ বলেছেন: ভালো লাগলো খুব।
০৫ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৮:২৯

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ মমমম১২।
শুভেচ্ছা।

৯. ০৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:২০
comment by: আরিফ থেকে আনা বলেছেন: ভাল লিখেন , চালিয়ে যান :)
০৫ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:৪৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জানবেন আরিফ থেকে আনা।
শুভেচ্ছা।

১০. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:১১
comment by: অচেনা সৈকত বলেছেন: ভাল লাগল খুব। শোভনের ব্লগে আপনার কমেন্ট দেখে আপনার ব্লগে এলাম।ভাগ্যিস এলাম। না হলে এত সুন্দর গল্পটা কি পড়া হত?

 



 


পেশা সাংবাদিকতা। ভালোবাসি গল্প লিখতে।
আইনের ছাত্র ছিলাম । সুতরাং কপি রাইট সংরক্ষিত..
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৩২৫৫