আমার প্রিয় পোস্ট

বেকার লাইফে এত মজা কেন।আর ভাল লাগে না

ভাইরাস কে না বলুন-১ (ব্যাবহার করুন pc tool threat fire-v4.08)

১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:২২

শেয়ারঃ
1 0

প্রতিদিন কয়টা ভাইরাস অমাদের ভাইরাস ম্যাকার ভাইরা বানান অল্লাহ মালুম।আর এদের সবগুলা কে ডিটেক্ট করা নিয়া জামেলারও কমতি নাই। আর যেনতেন এন্টিভাইরাস সব ডিটেক্ট করতেও পারেনা।ভাল এন্টিভাইরাস এর দামও মাশাল্লাহ কমনা। তাই মোটামুটি ভাল একটা এন্টিভাইরাস এর ডিটকশন ক্ষমতা বাড়াতে একটা জটিল সহকারি হল থ্রেটফায়ার(threat fire)।

থ্রেটফায়ার এর একটা বিশেষত্ব হল এটা বিহেবিয়ার বেজ এণ্টিভাইরাস।এটি ব্যবহার এর উপর নির্ভর করে ভাইরাস ডিটেকশন করে।তাই নতুন ভাইরাস বা পুরান ভাইরাস যাই হোক না কেন এটা আপনাকে একটা সতর্ক সংকেত দিবে।তারপর আপনার যা ইচ্ছা।এখানে বলে রাখা ভাল পিসিতে থাকা বিভিন্ন সফটওয়ার এর ক্রাক,প্যাচ এগুলা মাঝে মাঝে ভাইরাস হিসাবে ডিটেক্টেট হয়ে থাকে এবং বেশিভাগ সময়ে আসলেই এতে ভাইরাস প্রোগ্রাম ব্লাইন করা থাকে।তাই ভাল সব এন্টিভাইরাস এর মত থ্রেটফায়ার ও প্যাচিং এ জামেলা করবে।
যাইহোক এটি আমার দেখা ভাল সহকারি এন্টিভাইরাস এর একটি। আর কম্পুটার কে ভাইরাস ফ্রী রাখতে এর জুরি নাই।আর সবচে জটিল হল এর ফ্রী ভার্শন আর প্রো ভার্শন এর মধ্যে পার্থক্য নাই বল্লেই চলে।সাধারন ব্যাবহারকারির জন্য এর ফ্রী ভার্শন যথেস্ট।

থ্রেট ফায়ার ডাউনলোড লিংক

http://www.threatfire.com/download/

আর যারা ফ্রীতে খুশি না তাদের জন্য আর প্রো এর রেজি করা ফাইলটার ডাউনলোড লিংক দিলাম।

Click This Link


আর যারা এই দুইনাম্বারি করতে চান না। তাদের ও কোন ক্ষতি নাই।এর প্রো আর ফ্রীতে তফাত নাই বল্লেই চলে।


আশা করি কাজ হবে।

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:২৪
স্বাধীন_০৮ বলেছেন: রেজিটা একটু বুদ্ধি খ্ররচ করা লাগে। সমস্যা হলে জানাবেন।
২. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:২৭
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন: খালি ডাইনলোড করলেই চলবে।
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৩২

লেখক বলেছেন: না ইনিস্টল করাও লাগবে। চাইলে প্রো করে নিতে পারেন।

৩. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:২৭
প্রলাপ বলেছেন: আমার পিসিতে বায়োস ভাইরাস ঢুকছে, উইন্ডোজ রিইনস্টল দিয়াও কিচ্ছু হচ্ছে না :(
উইন্ডোজের আগে ভাইরাস লোড হ্য়, তাকাইয়া দেখা ছাড়া কিছুই করতে পারি না
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৩৬

লেখক বলেছেন: হওয়ার কথা না। টেকি ভাইরা ভাল বলতে পারে। আমার কাছে একটা সিস্টেম ছিল পাইলে আপনাকে জানাব।

৪. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৩৭
স্বজন বলেছেন: @প্রলাপ, বায়োস ভাইরাস ঢুকছে! কি বলেন? এটার কি প্রতিকার নাই? কারো জানা থাকলে আওয়াজ দিয়েন।
৫. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৩৭
~স্বপ্নজয়~ বলেছেন: ধন্যবাদ, এটার কথা জা্নতামনা
৬. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৪৭
আব্দুল্লাহ শহীদ বলেছেন: আমি ট্রাই করমু বলে ভাবছি। পারি আর না পারি লেখক-কে আগে ধন্যবাদ দেই জনকল্যাণ মুলক একটি পোষ্ট উপহার দেয়ার জন্য। ধন্যবাদ সাথে + + +
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৭. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৪৭
নির্বাসন বলেছেন: এন্টি ভাইরাস কোম্পানির লোকজন ই ভাইরাস বানায়, সুতরাং নতুন নতুন ভাইরাস আসতেই থাকবে এবং এন্টি ভাইরাসের নতুন নতুন ভার্সন ও বের হতে থাকবে।
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৫১

লেখক বলেছেন: লোকে বলে এই কথা তবে আমার জানা নাই।

আর নতুন ভাইরাস এন্টিভাইরাস দুইটাই আসতে থাকবে।

৮. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৪৮
বুলবুল আহমেদ পান্না বলেছেন: রেজি. টা তো ডাউনলোডাইতেই পার্লাম না:(
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:০২

লেখক বলেছেন: দেখছি

১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:০৪

লেখক বলেছেন: ভাই লিংক ঠিকাছে আবার ট্রাই করেন।

৯. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৫২
প্রলাপ বলেছেন: আমিও প্রথম আক্রান্ত হইলাম, কোথা থিকা আসলো বুঝলাম না। তেমন ঝামেলা করে না, শুধু t.exe আর autorun.inf file বানায়। ডিলিট করলে আবার চলে আসে। c: drive ফরমেট করে উইন্ডোজ রিইনস্টল দিলাম, পাক্কা দুই ঘন্টা সময় লাগলো রিইনস্টল হইতে। ফাইল গুলাও থেকে গেল। এক টেকি বন্ধু বলল বায়োস অথবা মাস্টার বুট রেকর্ডে ঢুকছে, সারানো অনেক কঠিন।
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৫৯

লেখক বলেছেন: autorun.inf বায়োস ভাইরাস জটিল কথা কইছে ওনি।

ভাই এইটা কোন ভাইরাস এর পর্যায়ে ফালান যায় না।

এক কাজ করেন। একটা খালি txt ফাইল খোলেন তারপর এর নাম দেন
autorun.inf,সেভ করেন এবং প্রতিটা ড্রাইভে নিয়া পেস্ট করেন। রিপ্লেস চাবে করে দিবেন। বাস আর সমস্যা নাই।

ভাল কথা এক্সটেনসন কিন্তু চেঞ্জ হবে।।। txt থেকে inf

১১. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৫৬
এস.কে.ফয়সাল আলম বলেছেন:
আমি NOD32 দিয়া ব্যাপক শান্তিতে আছি।
এটা এত কম মেমোরি খায় যে মনেই হয় না পিসিতে কোন এন্টিভাইরাস আছে।
আর নয়া - পুরান সব রকম ভাইরাস ধরনের ওস্তাদ।
আমি চ্যালেঞ্জ দিয়া বলতে পারি আপনি যদি এইটা USE করেন, তাহলে অন্য কিছুর কথা ভাবতে যাবেন না।
লাগলে আওয়াজ দিয়েন।
ধন্যবাদ।
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:০১

লেখক বলেছেন: এই তর্ক বহুত পুরাতন। আগে ঐটা ব্যাভার করতাম। এখন কাস্পার করি ঠেলা খাইয়া ।

সবচে ভাল হল নরটন। কিন্তু ব্যাপক দাম আর পিসি স্লো করে।

১২. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:১১
এস.কে.ফয়সাল আলম বলেছেন: হ ভাই ঠিক কইছেন যে এই প্যাচাল অনেক পুরানো। তয় যারা নতুন USER আসছে তাদের জন্য এইসব জানানো উচিৎ।
আমিও কম ঠেলা খাই নাই এসব হাবিজাবি এন্টি ভাইরাস ব্যবহার কইরা।

এইসব পোস্ট গুলো নয়া কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের ব্যাপক উপকারে আসে।
১৩. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:১১
আবু সালেহ বলেছেন:

ভাইরে ভাইরাস মামারে নিয়া বহুত যন্ত্রনায় আছি......
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৩০

লেখক বলেছেন: এই পুস্টা আর আগের পোস্টটা পরেন আশা করি যন্রনা থেকে মুক্তি পাবেন।

১৪. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:২২
প্রলাপ বলেছেন: কইলাম, আপ্নে বিশ্বাস করলেন না..
Click This Link
autorun রে কে পাত্তা দেয়? সমস্যা হইল এইটা কোন ভাবেই দুর হয় না, লেটেস্ট কাসপারসকি ও পারে না। যে ভাইরাস উইন্ডোজ রি ইন্সটল দিলেও যায় না, তার আমার অটোরান ফাইল মুইছা নিজেরটা লিখতে কোন সমস্যাই হয় না।
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৩৮

লেখক বলেছেন: আপনার পিসিতে সব ড্রাইবে ভাইরাসটা রয়েছে। উইন্ডোজ রি ইন্সটল দিয়া ডাইরেক্ট কোন ড্রাইবে না গিয়া ফোল্ডার অপ্সশন ব্যাবহার করে ডুকেন এবং ভাল একটা এন্টি ভাইরাস ইন্সটল %E

১৫. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:২৮
স্বাধীন_০৮ বলেছেন: pc tool threat fire-v4.08 ব্যাবহার করেন। কাজ হইবে ।

কি হল জানাবেন।
১৬. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:১৯
প্রলাপ বলেছেন: ধন্যবাদ। কোন পদ্ধতি ই বাকি রাখি নি। সমস্যা হল পিসি চালু করলে উইন্ডোজ আসার আগেই কি যেন একটা চালু হয়, হাইবারনেশন এর পর স্টার্ট করলে যেরকম স্ক্রীন আসে সেরকম স্ক্রীন থাকে প্রায় দেড় মিনিট। এরপর উইন্ডোজ চালু হয়। কোন অ্যান্টিভাইরাস ই আসল ভাইরাসটিকে ধরতে পারে না। নেট থেকে সার্চ দিয়ে যা বুঝলাম সেটা হল ভাইরাসটি মাস্টার বুট রেকর্ড এ আছে। সারাতে হলে পার্টিশন ভাঙতে হতে পারে। এটা নিজে কোন সমস্যা করে না, শুধু নেট থেকে t.exe নামে একটা ট্রোজান ডাউনলোড করে, যা কম্পিউটারকে স্লো করে দেয়। ফায়ারওয়াল দিয়ে ঐ সাইট এ যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছি আর ড্রাইভগুলো থেকে সব t.exe অটোরান সহ ডিলিট করে দিয়েছি। এখন একটাই সমস্যা, উইন্ডোজ চালু করতে দেরী হয়।

এই ধরণের ভাইরাস কে নাকি মেমরী রেসিডেন্স ভাইরাস বলা হয়। ওরা বায়োস বা MBR এ থাকে, তাই উইন্ডোজ রিইনস্টল করলেও যায় না। সমস্যা পুরোপুরি সমাধানের জন্য পার্টিশন ভাঙতে হয় আর বায়োস এর ব্যাটারী ৩০ মিনিট খুলে রাখতে হয় বায়োস রিসেট করার জন্য। এসব করাতো বিরাট ঝামেলা, তারচেয়ে আমার ফায়ারওয়াল ই আপাতত পাহারা দিক।

আপনাকে ধন্যবাদ

Click This Link
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৭

লেখক বলেছেন: হমম বুঝলাম।।

আপনাকে ও ধন্যবাদ।

১৭. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:২২
প্রলাপ বলেছেন: ওহ... ভাইরাসটির নাম হচ্চে ট্রোজান ডাউনলোডার। এর অনেক টাইপ আছে, যার একটি হচ্ছে মেমরী রেসিডেন্ট।
১৮. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:২৮
ল্যাটিচুড বলেছেন: হায় - হায় প্রলাপ ভাই একি প্রলাপ পাড়তাছেন, আপনার বিবরণ দেইখা মনে হইতাছে আমার পিসিরেও মেমরী রেসিডেন্টে ট্রোজান ভাইরাসে খাইছে ....। অহন - ফরম্যাট করা ছাড়া এই বিপদ থেকে উদ্ধারের উপায় কি ?

১৯. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪০
স্বাধীন_০৮ বলেছেন: প্রলাপ ভাই t.exe ভাইরাসটা আমার পিসিতেও একটা ডাউনলোড ফাইল এর সাথে নেমেছিল।কিন্তু এক্টিভ হওয়ার আগেই তা threat fire

ডিটেক্ট করে এবং কাস্পারস্কাই তা ডিলিট করে।

মজার কথা হইল কাস্পার কিন্তু এইটারে ভাইরাস না এপ্লিকেশন মনে করে একসেস দিয়েছিল। কিন্তু এটার এটাকিং স্টাইল দেখে তা ধরা খায়।


আপনি threat fire দিয়া একটা থরোস্কান দেন কাজ হবে আশা রাখি।

 

মোট সময় লেগেছে ২.৮৩০১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি সারাদিন হাসি,খুব আনন্দ পেলেও হাসি,আবার খুব কষ্ট পেলেও হাসি।আদ্ভুদ এক লকুচুরি আমার আমির সাথে। মনের মাঝে খালি প্রশ্ন গুরে,ঝাটাইয়াও...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই