আমার প্রিয় পোস্ট
- যে বই গুলো পড়া দরকার (সবগুলোর লিস্ট) - সপ্নীল
- বাংলা ওয়েব এড্রেসগুলোর তালিকা - বাষ্প
- `ঈশ্বরের চোখ' থেকে : কবি রণজিৎ দাশের ১০টি কবিতা - সফেদ ফরাজী......
- ।।জন্মশতবার্ষিক শ্রদ্ধাঞ্জলি।। কবি বুদ্ধদেব বসুর তপস্বী ও তরঙ্গিণী : পুরাণের নবরূপায়ণ - তপন বাগচী
- আমার রবীন্দ্র অভিজ্ঞতা - মৃদুল মাহবুব
- `আমারেও ডাকেনি কি কেউ এসে জ্যোৎস্নায়' - সফেদ ফরাজী......
- কবি মজনু শাহ'র ৫টি কবিতা - সফেদ ফরাজী......
- বৃত্তবন্দি নজরুল ও কিছু প্রশ্ন - সফেদ ফরাজী......
- কবি শহীদ কাদরীর ৫টি নির্বাচিত কবিতা - সফেদ ফরাজী......
- জনপ্রিয় কিছু ওয়েব সাইট এর ঠিকানা.......... - গিফার
নিউইর্য়কে আন্তর্জাতিক বাংলা উৎসব ২০০৮
০৬ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:৪২
জল তাহলে থেমে নেই। গড়িয়েছে অনেক দূর। গড়াতে গড়াতে ছড়িয়েও পড়ছে দিকে দিকে। হ্যাঁ গো হ্যাঁ সত্যি, সত্যি। আজ আর বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি চর্চা কেবল বাংলাদেশ বা পশ্চিমবাংলার সীমারেখার ভেতরই আবদ্ধ থাকছে না। ছড়িয়ে পড়ছে দেশে দেশে। আন্তর্জাতিক হয়ে উঠছে।
নিউইয়র্কে অভিবাসী বাঙালিদের প্রাণকেন্দ্র জ্যাকসন হাইটস-এর রুজভেল্ট এভিনিউ ও ৭৪ স্টিটের কোণায় অবস্থিত ‘মুক্তধারা’ নামে একটি বইয়ের দোকান। যার স্বত্বাধিকারী বিশ্বজিৎ সাহা। হ্যাঁ, বাংলাদেশের ‘মুক্তধারা’র স্বত্বাধিকারী সদ্য প্রয়াত চিত্তরঞ্জন সাহার নিকটাত্মীয় সে, মানে সম্পর্কে ভাগিনা। তার প্রচেষ্টায়ই নিউইয়র্কে প্রথম বাংলা বইয়ের দোকান ‘মুক্তধারা’ প্রতিষ্ঠা, জাতিসংঘের সামনে অস্থায়ী শহীদ মিনার বানিয়ে একুশের প্রথম প্রহরে পুষ্পার্পণ, এবং মুক্তধারার আয়োজনেই বাংলা বইমেলার আয়োজন সম্ভব হয়েছে।
১৯৯২ সালে নিউইয়র্কে একুশে ফেব্র“য়ারি পালনের পরই বাংলা বইমেলা শুরু হয়। যদিও এর আগে বিচ্ছিন্নভাবে একুশে ফেব্র“য়ারি পালন হয়েছে। কিন্তু আনুষ্ঠানিকভাবে বৃহৎ কলেবরে এটাই প্রথম। এরপর ১৯৯৩-এ জাতিসংঘের সামনে অস্থায়ী শহীদ মিনার বানিয়ে পুষ্পার্পণের মধ্য দিয়ে একুশের প্রথম প্রহর পালন করে বাঙালির চেতনা মঞ্চ ও মুক্তধারা। এরপর অদ্যাবধি প্রতিবছরই সেটি পালিত হয়ে আসছে।
আগামী ২৭ জুন উদ্বোধন হয়ে ২৮ ও ২৯ জুন পর্যন্ত চলবে নিউইর্য়কে আন্তর্জাতিক বাংলা উৎসব ২০০৮। এতে থাকবে সেমিনার, বইমেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বাংলা গান-সিনেমার সিডি-ডিভিডি ও বিভিন্ন সাজসরঞ্জামের দোকান এবং প্রিয় লেখকদের সঙ্গে আড্ডার আয়োজন। এবার মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত এই উৎসবের উদ্বোধন করবেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক ও সুচিত্রা ভট্টাচার্য।
এর আগে জ্যোতিপ্রকাশ দত্তকে দিয়ে শুরু করে শহীদ কাদরী, ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল, পূবরী বসু, আব্দুল গাফফার চৌধুরী, হুমায়ুন আহমেদ, সৈয়দ মোহাম্মদউল্লাহ, দিলারা হাশেম, ভাষাসৈনিক আব্দুল মতিন, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, ড. হুমায়ুন আজাদ, জয় গোস্বামী, শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়, রাবেয়া খাতুন, ড. আব্দুর নূর, আনিসুল হক, গোলাম মুরশিদ, ড. আনিসুজ্জামান, সমরেশ মজুমদার পর্যন্ত সবাই নিউইয়র্ক বইমেলার উদ্বোধন করেছেন।
এই উৎসব নিউইয়র্কের অভিবাসী বাঙালিদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। যেখানেই যে থাকুক, যত ব্যবস্তায়, এই উৎসবে আসা চাই-ই চাই। কেননা সবার সঙ্গে দেখা হওয়া, প্রিয় বইগুলো সংগ্রহ, প্রিয় লেখকদের সঙ্গে সামনাসামনি আড্ডা দেওয়া, বাংলা গান, সেমিনার শোনার এ যে এক বিরাট সুযোগ। প্রবাসে ভিনভাষী পরিমণ্ডলেও বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির চর্চা থেমে নেই জেনে আমাদেরও ভালো লাগে। সাধুবাদ নিউইয়র্কে অবস্থানরত বাঙালিদের প্রতি। সাধুবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও সাধুবাদ, পড়ার জন্য।
আলফ্রেড খোকন বলেছেন:
সফেদ তুমি কি ওইখানে গেছ ? জানলাম না তো।
লেখক বলেছেন: না যাই নাই। গেলে আপনি না জেনে পারতেন?
মৃদুল মাহবুব বলেছেন:
সুসংবাদ।
লেখক বলেছেন: হ, সুসংবাদই বটে।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও সাধুবাদ।
জুয়েল মোস্তাফি. বলেছেন:
এটা সত্যতো?
লেখক বলেছেন: কি জানি। তবে এটা হচ্ছে এটা জানি। সত্য মিথ্যা নিরূপণ কর তুমি এখন।



















ভালো লাগলো পড়ে। +