আমার প্রিয় পোস্ট
- "চলচ্চিত্র সমাজ পরিবর্তন করতে পারে না, কখনো করেও নি" -- সত্যজিৎ রায়ের সাক্ষাৎকার - ফাহমিদুল হক
- যে বই গুলো পড়া দরকার (সবগুলোর লিস্ট) - সপ্নীল
- `ঈশ্বরের চোখ' থেকে : কবি রণজিৎ দাশের ১০টি কবিতা - সফেদ ফরাজী......
- ।।জন্মশতবার্ষিক শ্রদ্ধাঞ্জলি।। কবি বুদ্ধদেব বসুর তপস্বী ও তরঙ্গিণী : পুরাণের নবরূপায়ণ - তপন বাগচী
- আমার রবীন্দ্র অভিজ্ঞতা - মৃদুল মাহবুব
- `আমারেও ডাকেনি কি কেউ এসে জ্যোৎস্নায়' - সফেদ ফরাজী......
- বৃত্তবন্দি নজরুল ও কিছু প্রশ্ন - সফেদ ফরাজী......
- কবি শহীদ কাদরীর ৫টি নির্বাচিত কবিতা - সফেদ ফরাজী......
- জনপ্রিয় কিছু ওয়েব সাইট এর ঠিকানা.......... - গিফার
ঔপন্যাসিক মীনা ফারাহ'র ছেলের লাশকে প্রথমে জানাজা, পরে দাহ!!!
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৯
নিউ ইয়র্কে বসবাসরত বাংলাদেশী লেখিকা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, ডেন্টিস্ট মীনা ফারাহ'র ছেলের লাশ প্রথমে জানাজা ও পরে দাহ করা নিয়ে নিউ ইয়র্কের বাংলাদেশী কমিউনিটিতে বেশ আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
জানা যায়, মীনা ফরাহ'র বড় ছেলে সাফায়েত রেজা গত ২ সেপ্টেম্বর এক সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে টানা আট দিন হাসপাতালে থাকার পর মারা যান ১০ সেপ্টেম্বর। সাফায়েত এ বছর ব্রুক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রাজুয়েশন করেছিলেন। মৃত্যুর পর মীনা ফারাহ'র স্বামী অর্থাৎ সাফায়েতের পিতা ফরহাদ রেজার ইচ্ছানুয়ায়ী ওইদিনই সকাল সাড়ে আটটায় মুসলিম রীতি অনুযায়ী তার জানাজার নামাজ সম্পন্ন করা হলেও পরে মা মীনা ফারাহ'র তত্ত্বাবধানে কঠোর পুলিশি পাহারায় হিন্দু ধর্মমতে একটি সেমিটারিতে নিয়ে তার মৃতদেহ দাহ করা হয়।
এ নিয়ে নিউ ইয়র্কে বসবাসরত বাংলাদেশী বিশেষত মুসলিম কমিউনিটিতে প্রচণ্ড প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। ১০ সেপ্টেম্বর ঘটিত ওই ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার সন্ধ্যায় ভলান্টিয়ার অব বাংলাদেশ কমিউনিটির উদ্যোগে মুসলিম যুবকের লাশ দাহ করাকে মানবাধিকারের পরিপন্থী আখ্যায়িত করে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় বক্তারা দেশে বিদেশে সকল বাংলাদেশীর প্রতি মীনা ফারাহকে বয়কটের আহ্বান জানিয়ে জ্যাকসন হাইটসে অবস্থিত মীনা ফারাহ'র মালিকানাধীন বাংলাদেশ প্লাজার সামনে জুতা বিক্ষোভ প্রদর্শনের ভিতর দিয়ে প্রতিবাদ সমাবেশের সমাপ্তি ঘটান।
এই ঘটনার দুইদিন পর ১২ সেপ্টেম্বর দুপুরে বাংলাদেশ প্লাজায় এক সংবাদ সম্মেলন করে মীনা ফারাহ উপস্থিত সকলের উদ্দেশে বলেন, তার ছেলে অর্ধেক হিন্দু এবং অর্ধেক মুসলমান ছিল। সে যেমন তার পিতার সাথে মসজিদে নামাজে যেত, একইভাবে তার সাথে মন্দিরে পুজা দিতেও যেত। আর তার ছেলের শেষকৃত্য কিভাবে হবে সেটা তাদের ব্যক্তিগত বিষয় বলেও জানান তিনি। এ নিয়ে কেউ কেউ জল ঘোলা করার প্রয়াস চালাচ্ছে, আর বেশি বাড়াবাড়ি হলে তিনি আইনি ব্যবস্থার দ্বারস্থ হবেন বলে হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন।
এই সংবাদ চলাকালে বাংলাদেশ প্লাজার অনতিদূরে সাফায়েতের সহপাঠী কয়েকজন ছাত্রছাত্রী একটি ব্যানার নিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ করে। ব্যানারে তারা সাফায়েতকে মুসলিম দাবি করে বলেন, দুর্ঘটনার দিনও সে রোজা রেখেছিল এবং সে নিয়মিত নামাজ পড়ত।
ওই সময় স্থানীয় হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের কয়েকজন নেতা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয় এবং মুহূর্তের মধ্যে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে পড়ায় সবাই দ্রুত স্থান ত্যাগ করতে বাধ্য হয়।
উল্লেখ্য, ঔপন্যাসিক মীনা ফারাহ একজন হিন্দু ধর্মাবলম্বী নারী। তার মূল নাম মীনা রানী সাহা। স্বামী ফরহাদ রেজা একজন মুসলিম ধর্মাবলম্বী পুরুষ। দু'জনে একত্রে সংসার করলেও তারা স্ব স্ব ধর্ম পালন করে আসছেন দীর্ঘদিন।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
নির্বাসন বলেছেন:
পুরা হীন্দি ছিঃনেমা।
লেখক বলেছেন: হ, কিছুটা ওই রকমই।
জামালiiuc বলেছেন:
এই বিষয়ে ব্লগে অনেক লেখালেখি আছে, যেদিন ঘটনা ঘটেছিল সেদিন থেকে শুরু করে বেশ কয়েকদিন এই নিয়ে বিস্তর লেখালেখি আছে। তবুও আপনাকে ধন্যবাদ আবার মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য।লেখক বলেছেন: পুরাতন বিষয়কে নতুন করে মনে করা কি দরকার না? যখন এই ইস্যু নিয়ে এত এত কাণ্ড, দেশে-বিদেশে!
ধন্যবাদ আপনাকে।
বেরসিক বলেছেন:
এটা তো হতেই পারে
লেখক বলেছেন: হয়তোবা।
ইলা বলেছেন:
রীতিমত দুঃখজনক। বাবা মায়ের অপকর্মের ফল ভোগ করতে হল সন্তানকে।
লেখক বলেছেন: এজন্য কি ধর্মই দায়ী নয়?
তানভীর রাতুল বলেছেন:
শেষকৃত্য হওয়া উচিত ছিল পোলার ধর্মানুসারে, যেটার উল্লেখ এইখানে দেখি নাই। জাপান এইদিক দিয়া ভালো, জন্মগতসূত্রে কেউ কোন ধর্মের আওতাভুক্ত না সেখানে।
লেখক বলেছেন: ছেলে যে `আসলে' কোন ধর্মমত বিশ্বাস করতো, তাই নিয়েই তো ধোঁয়াশা! মা বলছে, ছেলে আধা মুসলিম ধর্মের, আধা হিন্দু ধর্মের।
হতে পারে ছেলে আসলে দুটো ধর্মমতেই বিশ্বাসী ছিলেন, কিংবা কোনোই নয়।
আপনার জাপানি তথ্যমত ওখানে চালু থাকলে এই সমস্যা হয়তো হতো না।
আহমেদ চঞ্চল বলেছেন:
ধণ্যবাদ। আপনি নতুন করে না লিখলে বিষয়টি আমার অজানা থেকে যেত।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ, পড়ার জন্য।
লেখক বলেছেন: ???????????
লাল দরজা বলেছেন:
দুঃখ জনক ত বটেই। মীনা বললেন ছেলে অর্ধেক হিন্দু ছিল আর অর্ধেক মুসলমান ছিল! আফছোস্ আমরা মানুষ হইতে পারলাম না, হিন্দু মুসলমানই রয়েগেলাম।মৃতের এখানে কোন কিছু করার ছিল না, যদি না সে তার সৎকার কিরুপে হইব তা মৃত্যুর আগে লেখাপড়া করে না যায়। অর্ধেক অর্ধেক হইলেত অর্ধেক কবর আর অর্ধেক পোড়ানোর কথা। পুরা দেহ পোড়াইল ক্যান!
মীনা ফারহা নব্বই দশকের কোন এক সময় নিউইয়র্কে তার মালিকানায় এক দোকানের সামনে মৃনাল হকরে দিয়া দেয়ালে মোজাইকের একটা কাজ করাইছিল। পরে দেখাগেল আমেরিকার ইংরেজ/বাংলা সংবাদ মাধ্যমে খালি মৃনালের ছবি আর স্বাক্ষাৎকার উডে মীনা ফারারে কেউ জিগায় না। এনিয়া মহিলা ভীষন খাপ্পা হইয়া গেছিলেন। কিছু কর্তে না পাইরা, নিজ মালিকানার ঐ ভবনের সামনে ময়লা ফেলার ব্যাবস্থা করলেন। দিন ভর গ্রোসারী দোকানের ময়লা ফেলাইয়া মৃনালের শিষ্প কর্মের গুষ্টি উদ্ধার করলেন তিনি।
এখনো সম্ভবত নিউইয়র্কের বাঙালি অধ্যুষিত জ্যাকশন হাইটসএ গেলে মৃনালের ঐ শিল্প কর্মের টুকরা টাকরা মীনা ফারার ঐ দোকানের দেয়ালে লেগে থাকতে দেখা গেলেও যেতে পারে।
মীনা ফারহার বাচ্চাটা অকালে মারা গেছে সে জন্য সহানুভুতি রইল।
লেখক বলেছেন: মৃণাল হককে দিয়ে শিল্পকর্ম করিয়ে তারপর এইসব নাটকের খবর জানতাম না। ধন্যবাদ আপনাকে।
তবে মীনা ফারাহ `হিটলার থেকে জিয়া' বইটি লিখে বেশ সমালোচিত হয়েছেন, শুনেছি। ওখানে নাকি ইতিহাসবিকৃতির বিষয় আছে।
লেখক বলেছেন: অনুমান করি, সামনের বইমেলায় হয়তোবা এই বিষয়েই একটি উপন্যাস লিখবেন তিনি।
প্রজ্ঞা তাসনুভা রূবাইয়াৎ বলেছেন:
এইটা আসলেই যার যার ব্যক্তিগত ব্যাপারই হওয়া উচিত। সে যা করসে তার মত করসে, আপনার খারাপ লাগঅলে আপনি এমন না করলেই হইলো। হুদাই চিল্লাপাল্লায় লাভ কি??
লেখক বলেছেন: চিল্লাপাল্লার পক্ষে আমরাও না। তাই তো।
কিন্তু সামাজিক যে সমস্ত ইস্যু নিয়া অনেকেই ফায়দা লুটতে চায়
এ বিষয়ে সজাগ থাকতে হইবো তো। তাই না?
সুতরাং বলেছেন:
খবরটি জানা ছিল না। জানানোর জন্য সফেদকে ধন্যবাদ। তবে বিষয়টি গোলমেলে। শালা ধর্মের ...
লেখক বলেছেন: শালা ধর্মের.... কী? বলেন....
লেখক বলেছেন: মনে হয়।
ফজলুল কবিরী বলেছেন:
বিষয়টা নিয়ে ব্লগে আর কোনো লেখা পড়া হয় নি। বিষয়টা জানাও ছিল না আমার। কমপ্লেক্সিটিই সম্ভবত নতুন চিন্তা ও ধর্মব্শ্বাসের জন্ম দেয়।
লেখক বলেছেন: নতুন চিন্তাতো বরাবরই ভালো কিন্তু তা যখনই কোনো নির্দিষ্ট ধর্মচিন্তার ঘেরাটোপে পড়ে তখনই তো সমস্যা।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














