আমার প্রিয় পোস্ট

তথ্য সন্ত্রাস ও বর্বরতার শিকার ইসলামী আন্দোলন-৩

০৬ ই নভেম্বর, ২০০৬ ভোর ৪:৫৩

শেয়ার করুন:                   Facebook

দেখুন !@@!163250 !@@!163251

ইতোমধ্যেই কানাকানি শুরু হয়ে যায় যে আসরের নামাজের সময় আক্রমণ হতে পারে। যেহেতু নামাজে ব্যস্ত থাকবে জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা সেই সুযোগটাই নিতে চায় আওয়ামী লীগ। কিন্তু জামায়াত শিবিরের কর্মীরা সুকৌশলে দলে দলে ভাগ হয়ে পর্যায়ক্রমে জামায়াত আদায় করলে ওদের কৌশল ব্যর্থ হয়ে যায়।

বিকেলে ৫ টার দিকে নির্মানাধীন ব্যাংকস ভবন থেকে মুহুর্মুহূ বোমা নিক্ষিপ্ত হয়, সমানে চলতে থাকে গুলি। একই সাথে বাসস (বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার) ভবন ও পাশের আরেকটি ভবনের ছাদ থেকে আস্ত একেকটা ইট ছুড়তে থাকে আওয়ামী হায়েনারা। আর কি আশ্চর্য মুহুর্তেই পুলিশ হাওয়া হয়ে যায়। এই ফাকে একদল সন্ত্রাসী জামায়াতের স্টেজ লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে থাকে, ওদের টার্গেট ছিল জামায়াতের নেতাদের হত্যা করা। কিন্তু জামায়াত সম্পর্ক ওদের ধারণা মনে হয় স্পষ্ট নয়। জামায়াত কোন ব্যক্তি নির্ভর দল নয়। এ সংগঠনের সাংগঠনির ভিত্তি এতটাই মজবুত যে প্রথম সাড়ির শ'খানেক নেতাকে হত্যা করলেও দলটি থমকে দাড়াবে না কারন দলটি কর্মী তৈরীর চেয়ে নেতা তৈরীতেই বেশি মনোযোগ দিয়ে থাকে।

আগেই বলেছি, আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হামলার মুখে অনঢ় অবস্থানে থাকা জামায়াত-শিবিরের জন্য ছিল জীবন মরণ প্রশ্নের মতো গুরুত্বপূর্ণ। এদিন যদি জামায়াত-শিবির কর্মীরা পিছু হটতো, তাহলে জামায়াতের কর্মীদের পাশাপাশি নেতৃবৃন্দকেও বেঘোরে প্রাণ হারাতে হতো। শুধু তাই নয় আওয়ামী অপশক্তি জামায়াত শিবিরকে সেদিন পল্টন থেকে বিতারিত করতে পারলে নিশ্চিত যে দেশব্যাপী জামায়াত-শিবিরের সমর্থক, পরিবার পরিজনের উপর কেয়ামত বয়ে যেত। ওদের টার্গেট যে জামায়াতের নেতাদেরকে হত্যা করা তা তো আওয়ামী লীগের মঞ্চ থেকে জামায়াত শিবিরের উপর আক্রমনের বার বার নির্দেশ দানই প্রমাণ করে। এছাড়া বাঙলা ভিশনের সৌজন্যে সবাই দেখেছে যে মালিবাগ হত্যাকান্ডের নায়ক ড. ইকবাল কিভাবে সন্ত্রাসীদেরকে জামায়াত শিবিরের উপর ঝাপিয়ে পড়ার নির্দেশ দিচ্ছেন। আমি ভেবে পাই না, যে লোক শিক্ষা গ্রহণ করেছে চিকিৎসাশান্ত্রে, যার দায়িত্ব মানুষের বিপদে আপদে সাহায্য করা, মৃত্যুপথযাত্রীদেরকে জীবনের আলোয় ফিরে আসতে সাহায্য করা সেই ডাক্তার নামধারী কসাই কি করে মানুষ হত্যার খেলায় মেতে ওঠে। আসলে আওয়ামী লীগ নেতা বাছাইয়ের সময় খুন করায় দক্ষতা কার কতটুকু, কার পেশি শক্তি বেশি, কে সন্ত্রাস আর নৈরাজ্য সৃষ্টিতে পারঙ্গম তা দেখেই বোধহয় হাতে নেতৃত্ব তুলে দেয়। আওয়ামী লীগের এমন নেতা পাওয়া দুষ্কর যিনি সন্ত্রাসীদের গডফাদাররূপে সমাজে ধিকৃত হন নি।

একের পর এক সন্ত্রাসী আক্রমন, হত্যাযজ্ঞ, নির্যাতন তবু জামায়াতকে নির্মূলের খায়েশ আওয়ামী হায়েনাদের পূর্ণ হয় না। যথাসময়ে জামায়াতের আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, এমপি বক্তব্য রাখেন। আমি অবাক হয়ে যাই, যে দলের তাজা তাজা তরুণ প্রাণ গুলো আওয়ামী হায়েনাদের আঘাতে ক্ষতবিক্ষত হয়ে দূনিয়া থেকে বিদায় নিল, যার মঞ্চ লক্ষ করে গুলী ছোড়া হলো, বক্তব্য প্রদানকালীন যখন তুমল আক্রমণ চলছে মঞ্চ দখলের জন্য তখন তিনি হিংসাত্মক বক্তব্য না রেখে নির্বাচনে ব্যালটের মাধ্যমে জনগণ এর জবাব দেবে বলে বক্তব্য রাখছেন। হাজারো অপবাদে বিধ্বস্ত একটা দলের আমীর এতটা অহিংস বক্তব্য রাখতে পারেন এমন দুর্যোগপূর্ণ দিনে তা নিজের চোখে না দেখলে হয়তো বিশ্বাস করাই কঠিন হতো।

(চলমান)

 

প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরী  বিভাগে ।

 

  • ২৫ টি মন্তব্য
  • ৩২১ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৫ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
১. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:৫৭
comment by: অতিথি বলেছেন: একটা ডকুমেন্টারী বানায়া ফেলান মোনো।
২. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:০০
comment by: অতিথি বলেছেন: হাতে লগি-বৈঠা,পিস্তল আর বোমা লইয়া এরাই তো শান্তি চায়.....

এগুলো হইলো শান্তি সৃষ্টি করার উপকরণ...

কবে ফোন করছিলেন???আপনার নতুন নাম্বারটা মেইলে পাঠাইয়া দিয়েন....
৩. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:০০
comment by: অতিথি বলেছেন: ধানসিঁড়ি ভাই ছবি লোড হতে অনেক সময় নিচ্ছে , রেজুলেশন কমিয়ে দিলে ভাল হতো বোধহয় , লেখাটা ভাল ।
৪. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:০১
comment by: ধানসিঁড়ি বলেছেন: নতুনকরে ডকুমেন্টারী করার আর কি দরকার। সারা বিশ্ববাসীইতো প্রত্যক্ষ করেছে আওয়ামী বর্বরতা
৫. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:০২
comment by: অতিথি বলেছেন: ছবি কালেকশন গুলো দারুন হইছে.......
৬. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:০২
comment by: আজকাল বলেছেন: তথ্য সন্ত্রাস করে কয়; এই পোস্টগুলান পড়লে বুঝা যায়।
৭. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:০৫
comment by: অতিথি বলেছেন: নিঘঘাত মিনিস্টারী পাইয়া যাইবাইন। আল্লামা ধানসিড়ি (সালাম)
৮. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:০৭
comment by: অতিথি বলেছেন: ধেনোরে সবাই 5 দেন ।
৯. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:০৭
comment by: অতিথি বলেছেন: কথা সইত্য বলিছে যুধিষ্ঠির ভাই আমার, কে জানি বলছিলো তোমার বক্তব্যেপ্রকাশ পায় তুমি কোন পত্রিকা পড়ো, আবু সালেহ আর ধোনছিড়ির কথা শুইন্যাও আমার কেন জানি সংগ্রামের কথা মনে পড়ে যায়, মনে পড়ে সোনার বাংলার কথা।
ধোনছিড়তে অফিস ফেলায়া ক্যান যে পলটন গেলেন ভাইটি আমার, সইত্য পোরোকাশের অবৈধ্য গর্ভ যন্ত্রনা এড়াইতে পারতেছে না, কতভাবেই না মানুষ গর্ভবতি হয়, আল্লাহ পাকের লীলা বুঝা ভার, মরিয়মরে হাওয়ায় পোন্দাইয়া যীশুরে জন্মায় আবার ধোনছিড়িরেও বাতাসে হোগা মাইরা সইত্যের জন্ম দেয়, সবই তেনার লীলাখেলা। আমরা কেলেকুচ্ছিত নমশুদ্্র ঐসব কি বুঝতে পারি।
১০. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:১০
comment by: অতিথি বলেছেন: আজকাল, এগুলা বুইলা আল্লামা ধানসিড়ি (সালাম)-এর দিলে চোট দিয়েন না। তাইলে কইলাম আওয়ামী দুঃশাষন না আহুক জোমাতে পিছলামীর সুঃশাষনের সোমোয়গা আল্লামা ধানসিড়ি (সালাম) আইন্নের মধ্যরাতের সংবাদ পাঠা করাইব।
১১. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:১২
comment by: ধানসিঁড়ি বলেছেন: রাসেল: শনিবার অফিস করা আমার জন্য বাধ্যতামূলক নয়। আর শনিবারে অফিস আধাবেলা জানা আছে নিশ্চয়ই।
১২. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:১৩
comment by: অতিথি বলেছেন: তা হইবেক, হইতে সমস্যা নাই কোনো।
১৩. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:১৪
comment by: অতিথি বলেছেন: ভাং এর উপর ধেনো চলবো ?
১৪. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:৩৯
comment by: অতিথি বলেছেন: সাধক দাদা, ধেনোরে 5 দিলাম।
১৫. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:১৯
comment by: অতিথি বলেছেন: হ ঠিকই কইচেন, জামাত সম্পর্কে আমগো ধারণা স্পষ্ট না। কারণ আপনারা মুখে এক কথা কন আর অন্তরে কন আরেক কথা। আপনাগো নেতা যেমন আচে। তেমন ক্যাডারও আচে। এইডা ভাই আপনি সারাদেশের লোকেগো বুঝাইবার পারবেন। মাগার যারা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে তাগোর বুঝাইবার আসনডা ঠিক হইবো না। কারণ আমরা হেগোরো জানি। হেরা হায়েনার চাইতেও কয়েক গুন বেশি হিংস্র। মারামারি তো মাসুদ করবো না। হেরা মুখে এমনেই শান্তির কথা কইবো। মারামারি করনের লোক আচে আলাদা। হেরা নেতৃত্ব দেয় না।
১৬. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:৩৭
comment by: অতিথি বলেছেন: ধানসিঁড়ি ভাই, আমি এ খবরটির জন্য কিছুটা অধীর ছিলাম যে, এই যুদ্ধপ্রায় পরিস্থিতিতে সালাত আদায় করেছিল কিভাবে। সুবহানআল্লাহ! যুদ্ধের ময়দানেও মুজাহিদ বাহিনী সালাত আদায় করেছেন এবং বিভক্তভাবেই আদায় করেছিলেন। ইসলামী আন্দোলনের কর্মীরা ঠিক সেভাবেই আদায় করেছে শুনে আনন্দে মনটা ভরে গেল। আলহামদুলিল্লাহ।

আর সেদিন আল্লাহর পথের সৈনিকদের সে অবস্থানে মজবুত থাকাটাই ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদিও এর জন্য কুরবান করতে হয়েছিল কয়েকটি তাজা প্রাণ। আল্লাহ তাদের শাহাদাত কবূল করুন। আমীন।

আর অবশ্যই আমাদের জন্য শিক্ষা রয়েছে সমকালীন আলজেরিয়ার ইসলামী আন্দোলন থেকে। সেখানে তো মসজিদে আশ্রয় নেয়ার আদেশ দিয়েছিল কর্মীদের। আর তাতেই শুরু হয় দেশ ব্যাপী সেই নিপীড়ন; যার ইঙ্গিত আপনার পোষ্টে রয়েছে। আল্লাহই ইসলামের সৈনিকদের একমাত্র সাহায্যকারী, অভিভাবক।

আল্লাহ আপনাকে সর্বোত্তম প্রতিদান দিন।
১৭. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:৪২
comment by: অতিথি বলেছেন: নিজামী সাহেব কি খুব ভাল মানুষ?
আমি সত্যিকার অর্থে জানি না, অনেকে অনেক কথাই বলে ।
১৮. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:১৭
comment by: অতিথি বলেছেন: রিফাত ভাই, 1971 সালে মতিউর রহমান নিজামীর উপাধি ছিল মইত্যা দালাল।

আর যাগো আলজেরিয়া যাইবার মন চায় তারা বাংলাদেশে পইড়া রইছে কেন?
মনে রাখবেন, 30 লক্ষ শহীদের রক্তস্নাত ভূমিতে রাজাকারের কোনো ঠাঁই নাই।
১৯. ১০ ই আগস্ট, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:২২
comment by: এস্কিমো বলেছেন: আওয়ামী অপশক্তি জামায়াত শিবিরকে সেদিন পল্টন থেকে বিতারিত করতে পারলে নিশ্চিত যে দেশব্যাপী জামায়াত-শিবিরের সমর্থক, পরিবার পরিজনের উপর কেয়ামত বয়ে যেত।

- এটা হলো ব্লগারের অনুমান নির্ভর কথা। অবশ্যই রাজনৈতিক বক্তব্য।
২০. ১০ ই আগস্ট, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:২৮
comment by: উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: বাংলা ৭১ একটা কথা কইছিলো:
অভিজ্ঞতা থিকা দেখা যাইতাছে যে পাবলিক ছাড়া কাউরে জামাত ভয় পায় না। এল্লেগাই লেখকরা অগো চোক্ষের বিষ। অগো দরকার জলপাই লেখক। সুতরাং পাবলিকের অবস্থান থিকা আক্রমণ চালাইতেই হইবো।

এই লেখাটা পইড়া আমার এই কথাটা মনে পড়লো!
২১. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৫:৫৭
comment by: ফজলে এলাহি বলেছেন: বিগত ২৮ শে অক্টোবর দেশবাসীকে তারও পূর্বের পাঁচ বছরের আওয়ামী দুঃশাসনকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছিল!
যখন হত্যা, খুন, ধর্ষন রেকর্ড ছাড়িয়ে গিয়েছিল!
২২. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৬:০০
comment by: রাশেদ বলেছেন: হট্টগোল বলেছেন :
২০০৭-১০-২৮ ০৫:৫৪:১০
ঘুরে ফিরে আজো এলো সেই দিন
শুধু তারা নেই যারা ছিল সেই দিন
----------------
আল্লাহ বাঁচাইছে ওই শিবির কুত্তাগুলা মরছে।
-----------------

আরো মরল না কেন?
২৩. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৭:১৩
comment by: ফজলে এলাহি বলেছেন: ২৮ শে অক্টোবরের নৃশংসতা দেখে যারা হাসে, আনন্দ উপভোগ করে, তাদেরকে দেখে বোধ হয় ইবলীসও শংকিত হয়। কতটা জঘন্য হলে মানুষ এমন নিকৃষ্ট অন্তরের অধিকারী হতে পারে! এরা আসলে মৃতপ্রায় আত্মা!
২৪. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৭:১৪
comment by: রাশেদ বলেছেন: আর যারা একাত্তরের ঘটনারে অস্বীকার করে তারা কি?
২৫. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৯:১৬
comment by: ফজলে এলাহ বলেছেন: ভাইসব আমি আমার ভুল বুজতে পারছি। এখন থেকে আমি জামাত ইতরামিকে চুদব। জামাতের রাজাকারির কথা আমি সবাইকে বলব। যে সকল চুদমারানির গু আ র জারজরা শিবির করস তাদের প্রতি আহ্বান তুরাও আমার মত ভাল হইয়া যা। নাহয় চুদা দিমু।

আজকে থেকে ত্রিভুজ আওরঙ্গ ভিমরু মাহমুদ রহমান রাজাকারদের ব্যান করলাম।

 



 


আপনি জানেন কি এইডস মানে নিশ্চিত মৃত্যু?
আপনি কি এইডস সম্পর্কে সচেতন?
একটু অসচেতনা আপনার, আপনার আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবের...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ১৫২২৯