আমার প্রিয় পোস্ট

তথ্য সন্ত্রাস ও বর্বরতার শিকার ইসলামী আন্দোলন-৪

০৬ ই নভেম্বর, ২০০৬ ভোর ৫:৩৫

শেয়ার করুন:                   Facebook

দেখুন !@@!163692 !@@!163693

জামায়াত শিবিরের কর্মীদেরকে অসহায়ত্ব দেখে আমার খুব আফসোস হয়। এ দলটা সম্পর্কে আজীবন শুনেছি, কর্মীদেরকে নিয়মিত অস্ত্রের ট্রেনিং দেয়, হত্যা নির্যাতন করা এদের পেশা অথচ বাস্তবে পল্টনের রণক্ষেত্র দেখে আমার আক্কেলগুড়ুম। জামায়াতের নেতৃবৃন্দ, বিশেষ করে যারা শিবিরের একসময় কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিল এবং বর্তমান শিবির কেন্দ্রীয় সভাপতি হাতে মাথায় ব্যান্ডেজ বেঁধে আওয়ামী আক্রমণ প্রতিহত করতে মাঠে নেমেছে। আগে শুনেছি শিবিরের কোন নেতার গায়ে আঘাত লাগলে দেশে কেয়ামত বয়ে যায় অথচ শিবিরের বাঘা বাঘা নেতারা আহত হওয়ার পরও দলটি আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে না দেখে ভারী অবাক হলাম। শুনে এসেছি একে ৪৭ ছাড়া এরা একপাও নড়েনা অথচ বুলেটের আঘাতে একের পর এক মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ার পরও খালি হাতে সন্ত্রাসীদের মোকাবেলা করছে। তাহলে এরা দেশে অস্ত্রাগার গড়ে তুলেছে, আর্মীর চেয়েও বেশি অস্ত্র এদের এসব কথা যে শুনে এসেছি তা কি ফাঁকা বুলি? জামায়াত শিবির অস্ত্র নির্ভর একটি দল এটা কি তবে আওয়ামীদের অপপ্রচার?

পুরো রাস্তায় বিধ্বস্ত, বিক্ষুব্ধ কর্মীদের একটাই প্রশ্ন ছিল নেতাদের কাছে, "আর কত এভাবে মার খাবো আমরা? আর কতো মায়ের বুক খালী হবে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের বুলেটের আঘাতে? বার বার জামায়াত শিবির কর্মীরা বিক্ষোভ করছিল কেন ওদের মতো আমাদেরকেও অস্ত্র দেয়া হয় না। আমরা অস্ত্রবাজী করি বলে মিডিয়াতো সব সময় মিথ্যাচার করে তবে কেন সত্যি সত্যি আমরা অস্ত্র ব্যবহার করতে পারি না?"

সবাই জানে ২৮ অক্টোবর রাজপথ উত্তপ্ত থাকবে। দেশের সকল সচেতন নাগরিকের দৃষ্টি ছিল এ দিনটির দিকে। তাহলে জামায়াতে ইসলামীর নেতারা এ সম্পর্কে এতোটা বেখবর হন কি করে? হ্যা ঠিক যে তাদের সমাবেশ হওয়ার কথা বিকেল ৩ টায় তাই বলে সকাল থেকেই কেন নিরাপত্তার ব্যাপারটি তাদের নজরে এলো না।

বাসা থেকে বার বার ফোন আসছে, অফিসে থেকে ফিরতে এতো দেরি দেখে। আমি কিছুতেই বলতে পারি না আমি নারকীয় তান্ডরের নীরব দর্শক। পল্টনে রঙ তামাশা দেখতে এসে আমিই যে এখন হাসির পাত্রে পরিণত হয়ে গেছি তা বলতে পারি না। আশ্বস্ত করি, সন্ধ্যার পরই বাসায় আসছি।

ফোনে বললেও আসলে বাসায় ফেরাটা অত সহজে হয়ে ওঠে না। একে তো রক্তমাখা শার্ট গায়ে, আবার বাসার পথে কোন রিক্সা-টেক্সি কিছুই যাচ্ছে না। সন্ধ্যার খানিক পরে যুদ্ধ থামে, আওয়ামী পিশাচদের প্রলয়নাচন থামে, জামায়াত শিবির কর্মীরা একে একে দলের অফিসে ফেরে কেউ কেউ দল বেধে বাড়ির পথ ধরে। কিন্তু আমার তো কোন দল নেই, আমি আমার এলাকার আওয়ামী লীগ, বিএনপি কিংবা জামায়াতে ইসলামীর কোন নেতাকে চিনি না তাহলে কি করে বাসায় ফিরি? আমার গায়ে রক্তমাখা সাদা শার্ট, দূর থেকেও দেখলেই যে কেউ বুঝতে পারে, মুখে আছে একছটাক ছাগুলে দাড়ি। এবার আমি পড়ি আসল বিপড়ে। আস্তে আস্তে দৈনিক বাঙলা মোড়ে এসে অপেক্ষমান কয়েকটা রিক্সা দেখে বুড়ো মতো একজনকে যাওয়ার কথা বলতেই রাজী হয়ে গেল। বিপদের সময়ে রিক্সা সাধারণত পাওয়া যায় না বা পাওয়া গেলেও হাত-পা ধরেও গন্তব্যে যেতে রাজী করানো যায় না, অথচ বেচার আমাকে দেখে কি মনে করলো জানি না, রাজী হয়ে গেল। পুরোটা পথ এতটা আতঙ্কে ছিলাম যে প্রতিমুহূর্তে মনে হচ্ছিল এই বুঝি অন্ধকারে ওত পেতে থাকা আওয়ামী হায়েনারা হামলে পড়ে আমায় ছিড়ে টুকরো টুকরো করে হত্যা করবে। কিন্তু আল্লাহ সহায় হওয়ায় সে যাত্রায় প্রাণ নিয়ে বাসায় ফিরি।

(চলমান)

 

প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরী  বিভাগে ।

 

  • ৩২ টি মন্তব্য
  • ৪৭১ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৩ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
১. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:৪০
comment by: অতিথি বলেছেন: প্রকাশ্যে আপনাদেরকে অস্ত্র দেয়া হয় না। কারণ আপনাদের লাশ দেখিয়ে আবার ক্ষমতায় যাওয়ার ইচ্ছা নিজামী-মুজাহিদের।
২. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:৪২
comment by: অতিথি বলেছেন: প্রাণ নিয়ে শেষে বাসায় আসলেন সেটা সৌভাগ্যের বিষয়। কিন্তু আপনার বাসায় সবাই নাকি আওয়ামী লীগের নামে পাগল। সেখানে কোনো আওয়ামী হায়েনা নাই তো? ভাল করে খোঁজ-খবর নেন, বাসাটা নিরাপদ কি না?
৩. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:৪৬
comment by: আজকাল বলেছেন: শোমচৌ,
কারে কি কন? এই পোস্টগুলা সিজনিং বারকিং। চলবে।
৪. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:৪৯
comment by: অতিথি বলেছেন: একই সিরিজের এর আগের একটি পোস্টে আমি মন্তব্য করেছিলাম, আন্দোলনটা কি ইসলামী, নাকি জামাত-শিবিরীয়, তা আগে পরিস্কার করা দরকার। সেই বিষয়টা পরিস্কার করেননি ধানসিঁড়ি।
৫. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:৫৫
comment by: ধানসিঁড়ি বলেছেন: জামায়াতে-শিবিরের আন্দোলন ইসলামী আন্দোলন কি না এ ব্যাপারে তথ্যসন্ত্রাসীদের বিভ্রান্তিকর তথ্যে অনেকের মতো আমিও বিভ্রান্ত ছিলাম। এখন সত্য আর মিথ্যের মাঝে পার্থক্যটা এত স্পষ্ট যে জামায়াত-শিবিরের আন্দোলন যে ইসলামী আন্দোলন এ ব্যাপারে আমি সন্দেহমুক্ত॥
৬. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:৫৯
comment by: অতিথি বলেছেন: আমি জামাতের পুরা পাংখা হইয়া যাইতাছি দিনদিন। কিন্তু মানুষের দিল পাথ্থর হয়া গেছে, এদের কোন সহানুভূতির জন্য চিৎকারও কেমন যেন প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যায়। কিছু কাল পরে হয়তো লোকজন বলবে দুই প্রকার মানুষ আছে বাংলাদেশে এক. বাঙালী দুই জামাতী।

জয় জামাতে এসলামী।
৭. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:০০
comment by: অতিথি বলেছেন: ঐত সেই পুরাণা প্যাচ। তাল গাছ লগে নাইরকেল, ডাব সব গাছই আপনের। বাকি আমরা বুইসা বুইসা হাতের বুড়া আঙুল চুষি আর আইন্নের আস্ফালন দেহি।
৮. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:০৫
comment by: অতিথি বলেছেন: নিরপেক্ষ হইয়া পক্ষপাতিত্ব করার স্টাইলটা পুরানা। এখন আর এইটা কাজে দেয় না জনাব।
৯. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:১২
comment by: ধানসিঁড়ি বলেছেন: কে বললো আমি নিরপেক্ষ? আমি নিরপেক্ষ নই, আমি আওয়ামী অপশক্তি বিরুদ্ধে।
১০. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:১৪
comment by: অতিথি বলেছেন: হাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহহাহাহাহাহাহাহাহাহাহহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহহাহাহাহাহাহাহা
১১. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:১৬
comment by: অতিথি বলেছেন: ইসলামী আন্দোলন আর জামাতী আন্দোলনের সত্য-মিথ্যার দ্্বন্দ কিভাবে পানির মতো পরিস্কার হয়ে গেল। ইসলামী ব্যাংকে চাকরী নাকি সিডি এইটটি মোটর সাইকেল? রাসেলই ভালো প্রতীক বানাইছে। ধোনছিড়ি!
১২. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:৪৫
comment by: হাসান বলেছেন: নিয়মিত ব্লগে ঢুঁকা হয় না, তাই অফলাইনেই পোষ্টগুলো পড়া শেষ করে নেই। এই সিরিজের লেখাগুলো পড়ে মন্তব্য না করে পারলাম।

ঘটনাস্থলে ছিলাম না, কিন্তু প্রথম আলো'র খবর আর সিরিজের কাহিনী তো পুরো ভিন্ন। কষ্ট হলো জামাতের [গাঢ়]নিরীহ প্রানীগুলো[/গাঢ়] অঘোরে প্রাণ হারালো ... আহারে ওরাতো মানুষ!
১৩. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:০৯
comment by: সুর বাংলা বলেছেন: রাসেল () ধোনছিড়ি লো! দেশে আইয়া !!
১৪. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:৪৩
comment by: অতিথি বলেছেন: যঃঃঢ়://িি.িংড়সবযিবৎবরহনষড়ম.হবঃ/ংধযধৎধনষড়ম/ঢ়ড়ংঃ/23596
ওপরের লিঙ্কটায় গিয়ে মেহেরুল হাসান সুজনের দ্্বিতীয় মন্তব্যটা পড়ুন। সেখানে সুজন কিছু বিষয় উল্লেখ করে ধানসিঁড়ির লেখাটিতে ইসলামী আন্দোলন নাকি জামাত-শিবিরীয় আন্দোলন ব্যবহার করা শ্রেয় হবে তার জানতে চেয়েছে ধানসিঁড়ির কাছ থেকে। কিন্তু এই পোস্টে ধানসিঁড়ি তার জবাব যেভাবে দিলেন তাতেই একটা বিষয় স্পষ্ট, মৌলবাদীর সংজ্ঞা কী; ওই যে বিচার মানি কিন্তু তালগাছ আমার!
১৫. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৫:০৯
comment by: অতিথি বলেছেন: কথায় বলে যত দোষ নন্দঘোষ ,অন্যেরা রগ কাটলেও এখন বলে যে এইটা করেছে জামাত।
১৬. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৫:১৫
comment by: অতিথি বলেছেন: এজন্যই ধর্মভিওিক রাজনীতি নিষিদ্ধ হওয়া উচিত। অন্তত: ইসলামী আন্দোলনের নাম বেচে নিজামীরা নিরীহ পোলাপানদের রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির জন্য রাজপথে নামাতে পারতো না। আর এসব ফেতনা ফ্যাসাদে অন্তত: ইসলামের নাম বেচে কিছু মানুষের রক্তও ঝড়তো না। ধন্যবাদ।
১৭. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৫:৩৪
comment by: অতিথি বলেছেন: আর জামায়াতি কিম্বা বিএনপি অপশক্তিগো বিরুদ্ধে যাইতে কি ইচ্ছা করে না? নকি তাগো ভালোশক্তি মনে করেন?
১৮. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৫:৫৪
comment by: অতিথি বলেছেন: শহীদউল্লাহ> এখন অবশ্য লোকজন অন্য কেউ রগ কাটলে বলে জামাত কাটচে। কারণডা কি জানেন? কারণ হইতাছে এই ট্রাডিশন সর্বপ্রথম বাংলাদেশে আপনাগো জানে জিগার ইসলামের নাম ভাঙায়া নিজেগো কপাল খোলনের রাজনীতি করা জামা-শিবিরই আমদানি করচিলো। একটা দুটা না অনেক রগই তারা কাটচে। অহন সাধু সাজনের চেষ্টায় এই ব্লগে আপনারা যেহারে দিনরে রাত বানাইতাছেন তাতে আপনার এই রগকাটনের কথা পইড়া আপনাগোই তথ্য সন্ত্রাসী কই।
১৯. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:২০
comment by: অতিথি বলেছেন: হাসান যেটা বলেছেন তার সাথে সম্পূর্ণ একমত।
২০. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৬ রাত ৯:৪০
comment by: অতিথি বলেছেন: আড্ডাবাজের মন্তব্যেটায় আমি একটু কনফিউজড হলাম। তার মানে কি দাড়াচ্ছে ভিন্ন মতাদর্শের হলেই রাস্তাতে এভাবে একটি রাজনৈতিক দলের কর্মীকে পিটিয়ে হত্যা করা জায়েজ হয়ে যাবে!

আসলে উনি মনে হয় বোঝাতে চাচ্ছেন যারা আওয়ামী লীগের আদর্শ বিরোধী তাদেরকে রাজপথে লগি বৈঠা এবং আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে হত্যা করা উচিত।

উনার কাছে এই মন্তব্য আশা করিনি আমি উনাকে একজন যুক্তিবাদী আওয়ামী লীগার হিসেবে জানতাম।
২১. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৬ রাত ১০:৫৪
comment by: অতিথি বলেছেন: ভাইয়া,
ব্লগে অনেক দিন আসা হয় নি। প্রধানত পরীক্ষার জন্য। এখনও চলছে পরীক্ষা। কাল এসে পড়লাম বেশি কিছু পোস্ট। আরও বাকি আছে। বুক মার্ক করে রাখছি, পরীক্ষার পরে পড়বো ইনশাআল্লাহ। ভালো থাকবেন। আর শোমচৌ এর জন্য প্রশ্ন, আপনি কি করে জানেন জামাত কাকে অস্ত্র দেয়? আপনি তো যুক্তিহীন না, প্রমানের বাইরে কথা বলেন না। কি কি প্রমান পেয়েছিলেন আপনার শিবির জীবনে সেগুলো বলেই ফেলুন না। কোন কোন নেতাকে কাছ থেকে দেখেছেন বলে ফেলুন জলদি। ধানসিড়ি খুব স্পষ্ট বলেছেন, তিনি দেখেছেন শিবির নেতারা নিজেরা আহত হয়েছেন। গত দুই বছরের শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি আহত হয়েছেন গুরুতর। আহত হওয়ার ব্যপারটা অভিনয় করা যায় না। স্বার্থপর নেতারা নিজেদের জীবন বাজি রেখে সাধারণ মানুষকে রাজনীতির জন্য কিছু বিশ্বাস করাতে যাবে না। এই সব সত্য মানুষ বুঝে। তাই হয়তো ভুল ভাঙে। ব্লগে এসে আওয়ামী লীগের শিবির বিতাড়ন অভিজানের কথা পড়েছি। শিবির নেতারা নাকি একটা ডান্ডা দিয়ে পিস্তলের বিপরীতে যুদ্ধ করতে আসে হল দখলের সময়! এরাই আবার দাবী করছেন জামাত শিবির অস্ত্রের রাজনীতি করেন! হায় রে পাবলিক!
দোআ রইলো, ধানসিঁড়ি ভাই।
২২. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৬ রাত ১২:০০
comment by: অতিথি বলেছেন: জামাত কাকে অস্র দেয় আমি জানি না । তবে 1999 অথবা 2000সালে চট্টগ্রাম কলেজের সামনে শিবিরের এক সদস্য সন্ত্রাসীদের গুলিতে মারা যায়(সন্ত্রাসীগুলোর ছাত্রলীগের হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশী)। ওই সদস্য যখন মারা যায় তখন তার হাতে একটা কাটা রাইফেল ছিল আর আমি তার পাশ দিয়ে রাস্তা পাড় হচ্ছিলাম। তার কাজ ছিল হরতালের মধ্যে চট্টগ্রাম কলেজ পাহাড়া দেয়া । পরদিন কাগজে লেখা হয় শিবিরের নেতা সন্ত্রাসীদের গুলিতে শহীদ হয়েছেন। তার হাতে যে অস্র ছিল সেইটা কোথাও লেখা নাই। তখন আমি বুঝলাম ইসলামী আন্দোলন করতে কাটা রাইফেল লাগে কিন্তু কাটা রাইফেল এর কথা লেখা যায় না। ঢাকার রাজপথে শিবির অস্র ব্যবহার করে না কেন এই ব্যাপারটা আমার পরিস্কার না। চট্টগ্রামে আমি শিবিরের সব আন্দোলনেই অস্র ব্যবহার করতে দেখছি।
২৩. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৬ ভোর ৬:১৭
comment by: অতিথি বলেছেন: আওয়ামি লীগের শিবির বিতারনের গল্প? ব্লগে? কাছাকাছি সময়ে নিজেরটা ছাড়া আর কারো শিবির বিতারনের গল্প দেখি নাই ব্লগে তাই নিজের উপর'ই নিলাম আস্তমেয়ে। জাবিতে শিবির বিরোধী আন্দোলন কখনোই আওয়ামিগো শিবির বিতারনের আন্দোলন ছিলো না। জাবিতে শিবির বিরোধী আন্দোলন ছিলো সাধারণ ছাত্র ছাত্রীগো আন্দোলন। যেই আন্দোলনে আপনেগো প্রিয় বন্ধু সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলও ছিলো। তয় তারা আদর্শগত কারনে এই আন্দোলনে ছিলো এইটা কওয়া যাইবো না, 89'এ আ.ফ.ম. কামালউদ্দিন হলের সামনে দিনের আলোতে শিবির কর্মীরা প্রথমে গুলি কইরা তারপর কোপাইয়া ছাত্রদল নেতা হাবিবুর রহমান কবিররে মাইরা ফেলনের পর থেইকা জাবি ছাত্রদল শিবির বিরোধী অবস্থান নিছিলো, ( এখন পর্যন্ত সেই রাজনৈতিক অবস্থানেই তারা আছে)। শিবিরের চিহ্নিত সন্ত্রাসীরাই এই খুন করছিলো আর তাগো হাতে অস্ত্র ছিলো, শ'খানেক ছাত্রছাত্রী এইটা দেখছিলো আর এই খুনের পর সংগবদ্ধ ভাবে শিবিররে বিতারণ করা হইছিলো।
আর আমাগো আন্দোলনের সময়েও একই ঘটনা ঘটছিলো, শিবিরের কর্মীরা রাইফেল পিস্তল হাতেই ছিলো হল দখলের সময়ে। তারা যখন ধরা খাইছিলো পুলিশের হাতে তখন অস্ত্র সমর্পণ করছিলো। পুলিশ তাগো বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলাও করছিলো। মনে রাইখেন তখন ক্ষমতায় ছিলো বিএনপি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ছিলো রাজাকার আব্দুল মতিন চৌধুরী!
অহেতুক বাগাড়ম্বর না কইরা নিজের ভাবনা নিজের মধ্যে রাখেন, পায়ে পারা দিয়েন না। দেশের মানুষের অধিকাংশ এখনো জামায়াত বিরোধী। ভোটের হার দেইখা এইটা খুব সহজে বুঝতে পারবেন। আমি গত নির্বাচনের ফলাফল দেখতে কইতাছি আপনেরে।
এইরম মিথ্যা কথা কথা কইয়া আসলে আপনেরা কি ফায়দা লুটতে চান? ক্ষমতা? তার মানে আপনে নিজেও তো বেহেস্তের কথা ভাবনের আগে দুনিয়া ভাবেন!!! আমি নাস্তিক কি সমস্যা করলাম তাইলে!!
২৪. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:০৩
comment by: অতিথি বলেছেন: আর শিবির কর্মীরা চট্টগ্রামে বহদ্দারহাটে যেই এইট মার্ডার করছিলো, ঐটাতে কি গুলতি ব্যবহার করছিলো? আমার তো মনে আছে হুমায়ুন নামে এক শিবির কর্মী একে-47 ব্যবহারের কথা স্বীকার করছিলো।ঐ মামলার রেফারেনস দিতে হইবো নাকি? আমি অতো রেফারেনস দিতে অপারগ জামায়াতি বন্ধু রা! নিজেরা খবরের কাগজ পইড়া জাইনা লইয়েন।
২৫. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৬ রাত ১১:৫০
comment by: অতিথি বলেছেন: ধানসিঁড়ি, আদর্শ এমনি, আদর্শের সত্যিকারের অনুসারীরা উদাহরণ রাখেন বক্তৃতায় ও ময়দানে। সত্য একদিন না একদিন গণমানুষের হৃদয়ে স্থান করবেই। মানুষ বুঝতে শুরু করেছে দিনে দিনে, কারা সত্যিই দেশের বন্ধু আর কারা স্বাধীনতার ঐতিহাসিক বুলি (?) সর্বস্ব লোভী হন্তারক।
আপনার সুস্থাবস্থায় বাড়ী ফেরায় আল্লাহকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
২৬. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৬ রাত ২:১৭
comment by: অতিথি বলেছেন: যদিও বাংলাদেশে মুসলমানের সংখ্যা বেশি তবুও ইসলামের শ্লোগান দিয়া ক্ষমতায় যাওয়ার আশা বাদ দেন।

আল্লাহর নামে পাল্লা মারার কারবার করে সুবিধা হবে না।
২৭. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৬ ভোর ৪:৩৮
comment by: অতিথি বলেছেন: গুলতি দিয়া ব্রাশ ফায়ার কেমনে করে ?
২৮. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৬ ভোর ৫:৩৭
comment by: অতিথি বলেছেন: ঐখানে ঐ শিবিরের হুমায়ুন মোছলমান হিসাবে তার নিজের মাজেজা দেখাইছিলো সুমন। ফু দিতেই গুলতি হইলো একে-47।
আল্লাহর কি কুদরত,
লাঠির ভিতর শরবত!
২৯. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৭:০৫
comment by: ফজলে এলাহি বলেছেন: জামায়াত সেদিন আল্লাহর দরবারে শাহাদাতের নজরানা পেশ করেও বাংলাদেশের বুকে তাঁর দ্বীনের প্রতিষ্ঠাদুর্গ থেকে একবিন্দুও হটেনি। অতএব, সেদিনের বিজয় ছিল জামায়াতে ইসলামীর।

সেদিন বিশ্ববাসী স্তম্ভিত হয়েছিল আওয়ামী বর্বরতা দেখে!
৩০. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৭:০৬
comment by: রাশেদ বলেছেন: ভুল। খুশি হইছিল শিবির মরছে দেইখা।
৩১. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৯:১৮
comment by: ফজলে এলাহ বলেছেন: ভাইসব আমি আমার ভুল বুজতে পারছি। এখন থেকে আমি জামাত ইতরামিকে চুদব। জামাতের রাজাকারির কথা আমি সবাইকে বলব। যে সকল চুদমারানির গু আ র জারজরা শিবির করস তাদের প্রতি আহ্বান তুরাও আমার মত ভাল হইয়া যা। নাহয় চুদা দিমু।

আজকে থেকে ত্রিভুজ আওরঙ্গ ভিমরু মাহমুদ রহমান রাজাকারদের ব্যান করলাম।

৩২. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:৩৭
comment by: প্রচুর বলেছেন: বিশ্বের প্রায় প্রতিটা দেশেই ধর্মভিত্তিক রাজনীতি বিদ্যমান যেটা নির্ভর করে সেই দেশের সংখ্যাগরিষ্ট জনগণের ধর্মের উপর।

 



 


আপনি জানেন কি এইডস মানে নিশ্চিত মৃত্যু?
আপনি কি এইডস সম্পর্কে সচেতন?
একটু অসচেতনা আপনার, আপনার আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবের...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ১৫২১৯