তথ্য সন্ত্রাস ও বর্বরতার শিকার ইসলামী আন্দোলন-৬
০৮ ই নভেম্বর, ২০০৬ রাত ১:১৬
দেখুন !@@!169124 !@@!169125
টিভি স্কীনে মুজাহিদের করুণ শাহাদাতের চিত্র মুছে যেতে না যেতেই ভেসে ওঠে আওয়ামী তথ্য সন্ত্রাসের বিভৎস্য চেহারা। ২৮ অক্টোবর পল্টন মোড়ে ৬ ঘন্টায় যা দেখলাম টিভির সংবাদে আর পরবর্তী দিন পত্রিকার সংবাদ পড়ে আমার আক্কেল গুড়ুম। সাদাকে কিভাবে কালো করতে হয়, সত্যকে কিভাবে মিথ্যেয় পরিণত করতে হয় তা মিডিয়ার তথ্য সন্ত্রাস কাছে থেকে না দেখলে বুঝে উঠা কঠিন।
আওয়ামী লীগ লাশের রাজনীতি করে এই কথাটি সমাজে বেশ চালু আছে, রিন্টুর আমার ফাঁসি চাই বইতেও শেখ হাসিনার লাশের রাজনীতি নিয়ে আলোচনা রয়েছে কিন্তু তা যে কতটা বাস্তবচিত্র তা ২৮ তারিখে স্বচক্ষে দেখে বুঝতে পারলাম, এবং রাজনীতিতে টিকে থাকার জন্য যে কোন ধরণের অন্যায়কেই যে আওয়ামী লীগ বৈধ কিংবা অবশ্য করণীয় বলে মনে করে তা হাড়ে হাড়ে টের পেলাম।
২৮ তারিখে হাবিবুর রহমানের লাশ নিয়ে আওয়ামী লীগের কুৎসিত রাজনীতি পুরো জাতিকেই স্তম্ভিত করেছেন। রাজনৈতিক স্বার্থে একটি লাশকে ভিন্ন নামে ভিন্ন পরিচয়ে মর্গ থেকে কেড়ে নেয়ার চেষ্টা আমাদের মনে করিয়ে দেয় শেয়াল কুকুরের কথাই যা কবরের মাটি দন্ত-নখর দিয়ে আচড়িয়ে লাশকে ছিন্ন ভিন্ন করে খাওয়ার জন্য গভীর রাতে হানা দেয় গোরস্তানে। ওরা তার চেয়েও নীচ, শেয়াল কুকুর রাতের আধারে লাশ কেড়ে নেয়, ওরা মিডিয়ার টিভি ক্যামেরার সামনে দিন দুপুরে সবার চোখে ধুলো দিয়ে লাশ কেড়ে খেতে চায়।
২৮ তারিখে জামায়াত কর্মী হাবিবুর রহমান আওয়ামী নরখাদকদের বুলেটের আঘাতে মৃত্যু বরণ করেন। ২৮ তারিখের পৈশাচিক হামলায় আওয়ামী লীগের একজনও নিহত না হওয়া একটা লাশের জন্য ওরা মরিয়া হয়ে ওঠে। আর জামায়াত কর্মী হাবিবুর রহমান ওদের গুলির আঘাতে নিহত হলে তাকেই ওদের কর্মী বলে চালিয়ে দেয়ার জন্য লাশ দখল করে। শুরু হয় হাবিবুর রহমানের লাশকে আওয়ামী কর্মী মনির হোসেন বাবানোর বিভৎস্ নাটক। হাবিবুর রহমানের লাশ দখলের মাধ্যমে আওয়ামী অপশক্তি এক ঢিলে দুই পাখি মারার পরিকল্পনা নেয়, একে তো তাদের একটা লাশ দরকার, হাবিবুর রহমান সেই লাশের তৃষ্ণা কিছুটা হলেও মিটাবে, আবার জামায়াত শিবিরের পক্ষ থেকে একটা বুলেটও নিক্ষিপ্ত না হওয়ায় জামায়াতকে জঙ্গী সংগঠন প্রমাণের সুযোগটাও হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছিল তাও সহজে প্রমাণ করা যাবে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আহত ও নিহতদের দেখতে গিয়ে সাবেক সংসদ সদস্য আওয়ামী গডফাদার হাজী সেলিম হাবিবুর রহমানের লাশ দেখে আর দেরি করেন নি। দ্রুত হাজারীবাগ রিক্সা শ্রমিক লীগের সভাপতি পরিচয়দানকারী নূরু মিয়াকে মনির হোসেনর পিতা পরিচয়ে পাঠান মর্গে। হাবিবুর রহমানের লাশকে তার সন্তান মনির হোসেনের লাশ বলে হাবিবুর রহমানকে আওয়ামী লীগের কর্মী বানানোর নাটকে অভিনয় শুরু করে।
পৃথিবীতে সবচেয়ে ভারী বস্তু কি এ প্রশ্নের জবাবে সবাই একবাক্যে বলবেন যে পিতার কাধে সন্তানের লাশই সবচেয়ে ভারী। অথচ যারা টিভিতে নূরু মিয়ার সাক্ষাৎকার দেখেছেন তাদের কারো পক্ষেই কি মেনে নেয়া সম্ভব নূরু মিয়া ঐ লাশের পিতা? সুস্থ, স্বাভাবিক, শোকাতাপহীন একজন পিতার আচরণ করেছেন তিনি, যেন তার সন্তান ক্লান্ত শ্রান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে আর তিনি তার ছেলের সাফল্য বর্ণনা করছেন।
কিন্তু মিথ্যে দিয়ে কখনোই সত্যকে ঢেকে রাখা যায় না যেমন ঢেকে রাখা যায় নি আওয়ামী লাশের রাজনীতির নাটক। হাবিবুর রহমানের স্ত্রী আসিয়া, সন্তান রুবেল ও তানজিলার শোকার্ত, বিধ্বস্ত উপস্থিতি নিমিষেই মিথ্যের মুখোশ উন্মেচিত করে দেয়। নূরু মিয়া আর তার দোসর আর গডফাদাররা নিমিষেই হাওয়া হয়ে যায়, তাদের লাশের রাজনীতি ভেস্তে যাওয়ায় জনধিক্কার কুড়াতে কুড়াতে ওরা পালিয়ে যায়।
২৮ অক্টোবর আওয়ামীদের গুলি, লগি বৈঠা আর ইটের আঘাতে পল্টনে আহত হয় ছয় শতাধিক জামায়াত-শিবির কর্মী। এদের অনেকেই আহত হয় বুলেটের আঘাতে। অপরপক্ষে আওয়ামী অপশক্তির আহত হয় মাত্র জনা ত্রিশেক কর্মী। জামায়াত-শিবির যদি আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে থাকে তবে তার আঘাতে একজনও ১৪দল কর্মী মারা গেল না, একজনও আহত হলো না, বরং আহত হলো জামায়াত-শিবির কর্মী, এটা কেমন করে হয়? অথচ আওয়ামী অপশক্তির গুলির আঘাতে ওখানেই নিহত হয় তিন জন, মুজাহিদ নিহত হয় বর্বর লগি বৈঠার আঘাতে। জামায়াত-শিবির যদি আগ্নেয়াস্ত্রই ব্যবহার করে থাকবে তবে জামায়াত-শিবিরের কয়েকশ কর্মীর সামনে মুজাহিদকে পৈশাচিক উন্মত্ততায় হত্যা করা হলো, তখনও জামায়াত-শিবিরের পক্ষ থেকে মুজাহিদকে রক্ষা করার জন্য একটা ফাঁকা গুলি করা হলো না এটা সুস্থ বিবেকবুদ্ধি সম্পন্ন কারো পক্ষেই মেনে নেয়া সম্ভব নয়।
আওয়ামী অপশক্তির হাতে রয়েছে শক্তিশালী ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া। সাদাকে কালো করার জন্য প্রয়োজন এমন কোন অস্ত্রের ঘাটতি নেই ওদের। সময় সুযোগ পেলেই ওরা তথ্য-সন্ত্রাসের বাক্স খুলে মনগড়া, ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রনোদিত চটকদার ডেস্কনির্ভর সংবাদের ডালি সাজিয়ে বসে সহজ-সরল নিরীহ মানুষের সামনে। একই ছবির ক্যাপশন উল্টো করে দিয়ে আওয়ামী অপশক্তির অপকর্মের দায় কত সহজেই যে ওরা ইসলামী আন্দোলনের ঘাড়ে ছুড়ে মারতে পারে তা লাশ নিয়ে আওয়ামী তথ্য সন্ত্রাস ও রাজনীতি সচক্ষে না দেখেছে তাদের পক্ষে বুঝে ওঠা কতই না কঠিন।
(চলবে)
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরী বিভাগে ।
ধানসিঁড়ি বলেছেন:
হ্যা, আওয়ামী লীগ যে কতটা উগ্র তা বাংলার জনগণ জানে না। আশাকরি জনগণের চোখে বেশী দিন ধুলো দিয়ে পৈশাচিক কর্মকান্ড চালাতে পারবে না আওয়ামী লীগ।
অতিথি বলেছেন:
আপনাদের ভালোমানুষী তো একাত্তরে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন। পাকিস্তানের পক্ষ নিয়ে নিজ জাতির উপর নির্মম গণহত্যায় সহযোগিতা করেছিলেন। এমনকি আজ পর্যন্ত আপনারা এর জন্য বিন্দুমাত্র লজ্জিত নন।
অতিথি বলেছেন:
ভাই, আমার প্রশ্নের জবাব দেননি ভালো কথা। তাই বলে আবারো জামাত-শিবিরীয় আন্দোলনকে ইসলামী আন্দোলন বলছেন কেনো?
অতিথি বলেছেন:
লজ্জা তো মানুষেরা পায় হারামী মিয়া। ওরা কেনো পাবে? আর লজ্জা জিনিষ্টার ছিটাফোটা থাকলেও কি আমাদের সন্মানিত ব্লগার ধানসিড়ি এই ব্লগকে জামাতের নিরবাচনী প্রচারণার জন্য ব্যবহার করেণ? চালিয়ে যান ধানসিড়ি।
ধানসিঁড়ি বলেছেন:
লজ্জা কি করে পাব বলেন, লজ্জা নিবারণী বস্ত্র তো আওয়ামীরা কেড়ে নিয়েছে (আপনাদের পত্রিকায় নিশ্চয় দেখেছেন কিভাবে দিগম্বর করা হয়েছে এক হিন্দু পুলিশকে, এমন ঘটনা বিএনপির হাতে ঘটলে নির্ঘাত সংখ্যালঘু নির্যাতনের নাটক শুরু হতো। আরো মনে আছে নিশ্চয় ৯৬ সালে একজন উপসচিবকে কিভাবে ছাত্রলীগের ছেলেরা দিগম্বর করেছিল।)
অতিথি বলেছেন:
আমাদের পত্রিকা? ভালোই বলেছেন। আমি তথা আমরা কবে যেনো আপনার মতো করে একটা পারটিকুলার দলকে সাপোরট দিয়ে নিরবাচনী এলাকা হিসেবে, পল্টন ময়দানের বিকল্প হিসেবে ব্লগটারে ব্যবহার ক্রছি?আমি তথা আমাদের আর আপনার মাঝে বড় পারথক্য কোথায় জানেন? আমরা যে পাতে খাই সে পাতে কখনোই বমি করিনা। কিন্তু আপনি সেই কাজটা অতি গর্ব নিয়ে করেণ। শুধু বমি করেই কষান্ত নন আপনি, বমি করা সেই থালা সবাইকে দেখানোর একটা অদম্য বাসনা আছে আপনার।
আপনি ভাই এখানে ব্লগে কী করেণ, গ্রামে চলে যান ভালো মোড়লগিরী করতে পারবেন, সাথে আপনার নোংরা "ভিলেজ পলিটিক্স"। লজ্জা আপনাকে আসলেই মানায় না!
অতিথি বলেছেন:
ধুসর গোধুলী, ওনারা কেবল বমিই করেন না, চানস পাইলে হাইগাও দেন। তারপর হাগা আর পাছা বের করে লোকেন সামনে দেখায়।
হাসান বলেছেন:
আজকাল টিভিতে একটা এ্যাড দেয় - এক বয়স্ক খাঁটি সরিষা তেলের খোঁজ করে বেড়াচ্ছে। আমি এখন নিশ্চিত ওই দিন জামাতী আর শিবিরের যারা নামাজ পড়তে বায়তুম মোকাররমই গিয়েছিল - তারাই খাঁটি ঈমানদার। নয়তো আওয়ামী অপশক্তি এত আঘাত হানলো আর ওরা কিছু করলো। চলেন ভাই আমরা সবাই দ্্বীনের পথে পরিচালিত হই। জামাতীদের ইসলামী আন্দোলনে দলে দলে যোগ দিয়ে অশেষ নেকী অর্জন করি।
সবাই বলেন "আমিন"।
অতিথি বলেছেন:
এইটাই শিবিরের রাজনীতি। দ্যাখেন, একটু আগে ধানসিঁড়ির পোস্টে তথ্যসন্ত্রাসের অভিযোগটা নড়বড়ে করে দিয়েছেন তিনি নিজেই। কারণ ধানসিঁড়ি বলতে চাইছেন তাবৎ সংবাদমাধ্যম (নয়াদিগন্ত-সংগ্রাম ছাড়া) তথ্য সন্ত্রাস করেছে বিষয়টিকে নিয়ে। কিন্তু মুখ ফস্কে মন্তব্যে বলে ফেলেছেন, আপনাদের (মানে উনারা যেমন জামাত-শিবির ছাড়া কিছু বোঝেন না, তেমনি উনারা মনে করেন, এই ব্লগে যারা তাদের বিরুদ্ধে কথা বলে তারা আওয়ামী লীগ ছাড়া কিছই বোঝে না। আর ওইসব পত্রিকা আওয়ামী লীগের) একটি পত্রিকা ছবি ছেপেছে, কীভাবে হিন্দু পুলিশের কাপড় খুলে নিয়েছে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। বোঝেন ব্যাপারটা, আমাদের (ধানসিঁড়ির ভাষায়) পত্রিকাতেই যখন আওয়ামী সন্ত্রাসীদের ছবিটা ছাপা হচ্ছে, তখন সেই পত্রিকার বিরুদ্ধে তথ্য সন্ত্রাসের অভিযোগ কতোটা ধোপে টেকে? কই আমরা তো কোনোদিন নয়াদিগন্ত, সংগ্রামে শিবিরের কোনো হামলার ছবি ছাপতে দেখলাম না। আওয়ামী লীগের ছবি ছাপা হয় বড় করে হামলার। আর শিবির হামলা করলে ওই দুটি পত্রিকায় সেটি হয়ে যায় সন্ত্রাসী হামলা। ধানসিঁড়ি আপনার এই স্ববিরোধিতাই প্রমাণ করে আপনি মিথ্যে বলছেন। তথ্য সন্ত্রাসী আপনিই।
অতিথি বলেছেন:
আওয়ামীলিগ ধোয়া তুলসি পাতা। তারা কিভাবে অন্যায় করে? ছি ছি ধানসিঁড়ি আপনি এইসব কি বলেন? আপনার এইসব বলা একদম উচিত হয় নাই।যান এখনই গিয়ে ধর্ষনে সেঞ্চুরী করে আসেন। ফ্রিগেট মিগ ইত্যাদি ক্রয় করার নামে জনগনের কোটি কোটি টাকা মেরে দিন। শামীম ওসমান, জয়নাল হাজারী ওগোরে নিয়া দল গঠন করেন। তারপর বিবৃতি দেন যে ওরা সোনার ছেলে। তাইলেই আপনি আওয়ামীলিগের মত ধোয়া তুলসি পাতা হইবার পারবেন।
অতিথি বলেছেন:
শিবলী ছেলেটাতো ভালোই মনে হচ্ছে। বিবেক-বুদ্ধি স্ট্রং। ধানসিঁড়িরে ছাই দিয়া ধরছে। যাক জামাত প্রামাণ্যচিত্র বানায়া ফেলছে নির্বাচনের জন্য।
লাশ প্রতি সিট পেলেই খুশি তারা।
ধানসিঁড়ি ডকুটা এইখানে দেন, আমরা দেখি কেমন সুন্দর ছায়াছবি আপনারা বানাইতে পারেন।
কুয়াশা বলেছেন:
আমার বাসাটা ঢাকার শাহাবাগে হওয়ায় 28 অক্টোবর দেখলাম লগী বৈঠা হাতে সমাজের বিবেকবান মানুষদের দ্্বারা পিজি হাসপাতাল ভাঙ্গার দৃশ্য। এবং রগী ও রোগীর সাথে আসা আত্মীয় স্বজনের আতঙ্কে এদিক ওদিক ছোটা ছুটির দৃশ। হাসপাতালের মত সেবা প্রতিষ্ঠান যাদের হাতে আক্রান্ত হয় তার আর যাই হোক নিহেকে মানুষ বলে দাবী করতে পারেনা।
কুয়াশা বলেছেন:
ধানশিড়ি বললেন জামাতের বিরুদ্ধে তথ্য সন্ত্রাস করা হয়েছে। আর শিবলি নোমন বললেন না কোন তথ্য সন্ত্রাস করা হয়নি। আমি ধান শিড়ির মত জ্ঞান পাপী না আবার শিবলি নোমানের মত মুক্ত চিন্তার অধিকারীও না। একজন একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করছে আর একজন তার যুক্তি খন্ডন করছে এই ব্যাপারটা আমার কাছে বেশ ভাল লাগছে। তাই এখানে আমিও আমার স্বচোক্ষে দেখা জিনিশটা তুলে ধরেছি। তথ্য সন্ত্রাস কিনা জানিনা তবে একথা ঠিক পিজি হাসপাতাল ভাঙ্গার সময় অনেক সাংবাদিক সেখানে উপস্থিত ছিলেন তবে পরদিন সেই সংবাদ দেশের অধিকাংশ শীর্ষস্থানিয় পত্রিকায় আসেনি।
কুয়াশা বলেছেন:
ঠিক যেমন ভাবে আসেনি এন টিভিতে প্রচারিত লাশের উপর দাড়িয়ে উল্ললাস প্রকাশের দৃশ্য।
অতিথি বলেছেন:
তথ্য সন্ত্রাস এই দেশে যুগে যুগে কালে কালে হইছে এই বিষয়ে আমি নিশ্চিত। এই তথ্য সন্ত্রাস যে যেমনে পারে করে। প্রথম আলে গত নির্বাচনের টাইমে সময় বুইঝা আওয়ামি বিরোধী কথাবার্তা লিখতে শুরু করছিলো। আবার এইবার বিএনপি জামাত বিরোধী শুরু করছে। টিভি চ্যানেল গুলি যেইরমই কউক, তার মধ্যে ব্যালেনস করনের চেষ্টা থাকে।
অতিথি বলেছেন:
আচ্ছা, এদের জন্য তো খুবই আফসোস হয়, বেচারাদের নিকট 71 ছাড়া আর কোন ইসূ্যই নেই। njy` mvsevw`KZv কিংবা মিথ্যাচারের মাধ্যমে তো জান-প্রাণ দিয়ে লেগেছে, কিন্তু ব্যাপারগুলো দেখে তো মনে হচ্ছে সব বুমেরাং হচ্ছে। কথায় বলে না- ধর্মের কল বাতাসে নড়ে।
আল্লাহর দ্্বীনের প্রদীপকে তোমরা পারবে না মুখের ফুঁ দিয়ে নিবিয়ে দিতে। শুনে রাখ আবু লাহাব, আবু জাহলের উত্তরসূরীরা।
এদেরকে সরাসরি প্রশ্ন করার সময় যেন এসে গেছে যে, "তোমরা কি মুসলমান?"
অতিথি বলেছেন:
ওই চোদনা তুই তো নিজেই মুসলমান না, তুই তো জামাত, রাজাকার।
অতিথি বলেছেন:
শিবিরের হাজাম ফজলে এলাহি দেশে থাকলে আরো ভালোভাবে পাবলিক গোয়ানোর কাজ করতে পারতেন !
অতিথি বলেছেন:
ফজলে এলাহী শুধু ওই একটাই তো তোমরা পারো। তোমরা তো নিজেদের পরিচয় এইখানেই দিয়ে দিলা ভালো করে। কোন যুক্তিতে তোমরা অন্য মানুষদের মুসলমান নও বলে ফতোয়া দেও? শুধু সে কি জামা-শিবির করে না, সেই জন্য? ইসলাম কি জামাত-শিবিরের বাপের সম্পত্তি। অন্যদের মুসলমান কি না এ প্রশ্ন করে তুমি কি বোঝাতে চাও যে তুমি বা তোমরা ছাড়া সব কাফের? কিন্তু তুমি তো নিশ্চয়ই জানো, ইসলাম কোনো মুসলমানকে কাফের বলার অধিকার দেয়নি। সেক্ষেত্রে মুসলমানের সংজ্ঞাটা কি তুমি আমাদের জানাবে?
অতিথি বলেছেন:
এখানে কেউ কাউকে কাফের বলছে না; বরং যারা ইসলামকে বিভিন্নভাবে অবজ্ঞা করছে, তাদেরকে বলা হচ্ছে।আগেও বলেছি, এখনো বলছি যে, ইসলাম যদি তোমাদের এতই গাত্রদাহ হয়ে যায়, যেরূপ হয় ইবলীসের, তাহলে নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশের মুসলমানদেরকে তোমাদের প্রতারণা থেকে মুক্তি দাও।
মুসলিম আর কাফের বলাবলি প্রসঙ্গে আমার সমর্থন জানতে হলে [link|http://www.somewhereinblog.net/Fazalblog/post/23908|
অতিথি বলেছেন:
চিনছে বইলাইতো তোমারে শিবিরের হাজাম কইছে রাম ছাগল কোথাকার!
অতিথি বলেছেন:
তোমরাও বাংলাদেশের মুসলমানদের এই প্রতারণা থেকে মুক্তি দাও যে, তোমরা আসলে বাঙালি বা বাংলাদেশী কোনোটাই না তোমরা আসলে পরাজিত পাকিস্তানীদের প্রেতাত্মা।
অতিথি বলেছেন:
এলাহি মিয়া ভাল আছো?
বিজলীর খড়ি বলেছেন:
ধানসিড়ি এগিয়ে চলুন। বিদ্যানের কলমের কালি শহীদের রক্তের চেয়েও পবিত্র। 'আল্লল্লাহ যাকে ইচ্ছা তাকে হেদায়াত দান করেন' । আমার মতো আপনার অনেক পাঠক আছেন যারা সময়ের অভাবে লিখতে পারেন না। তথ্যের লড়াইয়ের দূর্গম পথে আপনাকে সালাম।
অতিথি বলেছেন:
হ
অতিথি বলেছেন:
হ
অতিথি বলেছেন:
অপেক্ষা করুন! আগামী দিনগুলিই বলে দেবে, জাতি কাদের কাছ থেকে মুক্তি চায়। ইনশাআল্লাহ।বাংলাদেশের মানুষের জন্য সময় আসছে জন্মসূত্রে পাওয়া হলেও নিজেদের আত্মপরিচয় জানার; তারা যে মুসলমান এবং একজন মুসলিমের পরিচয় কি এই বিশ্বজাহানে; তার দায়িত্ব কি, কর্তব্য কি, গন্তব্য কোথায়? -এসব জানার আগ্রহী মানুষ এবং অন্যকে জানানোর মত সক্রিয় মানুষদের সংখ্যা আল্লাহর রহমতে দিনে দিনে বৃদ্ধিই পাচ্ছে। আল্লাহই আমাদের একমাত্র সহায়।
অতিথি বলেছেন:
লেখা মিস করতেছি!
ফজলে এলাহি বলেছেন:
আল্লাহ্ আপনাকে সর্বোত্তম প্রতিদান দিন ধানসিঁড়ি; সেদিনের চাক্ষুষ চিত্রগুলো তুলে ধরার জন্য।এদেশের ইসলামী আন্দোলনের ইতিহাসে শিক্ষা ও প্রেরণা হয়ে থাকবে ২৮ শে অক্টোবর।
রাশেদ বলেছেন:
আরো মরুক শিবির।
আজকে থেকে ত্রিভুজ আওরঙ্গ ভিমরু মাহমুদ রহমান রাজাকারদের ব্যান করলাম।



















ামরা কত উগ্র তা বাংলার জণগন জানেনা