বসুন্ধরা সিটিতে বইয়ের স্তুপের মাঝে নাকি একখন্ড কোরান পাওয়া গেছে, অবিকৃত। মানে পোড়ে নাই। এইটারে হুজুর সদৃশ কিছু রিপোর্টার বিশাল কাহিনী বানায়া ফেলছে।
আমরা যারা সমানে এইটারে বাহাবা দিয়া আমাগো বিশ্বাসের জোর পোক্ত করতেছি, তারা কেউ খৈয়ালই করতেছি না, যে ওই স্তুপে এই একই প্রিন্টিং ডিজাইনের অন্য কোন বই, যেমন 'ল কালেকশন' বা এলমানাক, বা আটলাস টাইপের অন্য কোন বইও পুড়বো না।
এইটা সিম্পল সায়েন্স! যে শক্ত ল্যামিনেটেড কাভার আর পাতলা পাতায় কোরান প্রিন্ট করা হয়, তাতে এই বইয়ের টোটাল ম্যাস হেভিলি কন্ডেন্সড মানে স্বাভাবিকের চেয়ে ঘনীভুত থাকে।
আমরা জানি আগুন লাগতে হলে বাতাস অর্থ্যাৎ অক্সিজেনের উপস্থিতি প্রয়োজন।
পাতলা পাতার বই যখন ভারী মলাটে আবদ্ধ থাকে, তখন পাতাগুলির মাঝ থেকে সামান্য পরিমান বাতাসও নিষ্কাষিত হয়ে যায়। ফলে পুরো বইটা একটা ইঁটার মতো আচরন করে আগুনের সাথে। মানে হলো একটা ইঁটা, কোরান, আর একই ধরনের প্রিন্ট ও ডিজাইনের অন্য একটা বই যদি পাশাপাশি রেখে আগুন ধরিয়ে দেয়া যায়, দেখা যাবে কোনটাই পোড়ে নি। তবে দীর্ঘক্ষন উচ্চতাপে পোড়ালে আশে পাশে কালচে দাগ পড়বে, যেটা এক্ষেত্রে হয়েছেও।
আসলে্ বিশ্বাস কখনো বই থেকে আসে না, আসে অন্তর থেকে। আমরা প্রায়শই ভুলে যাই সেটা!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



