আমার প্রিয় পোস্ট
- ভালোবাসার হতভাগাদের জন্য ১০টি মুভি + ডাউনলোড লিংক - নাফিজ মুনতাসির
- আমার চোখে বাংলা ব্যান্ডের সেরা ৫০ !!! লিংক সহ!!! - প্রজন্ম৮৬
- আমার দেখা কিছু বড়দের মুভি ১৮+ সিজন 3
- পুশকিন
- সি++,জাভা,এইচটিএমএল, জাভাস্ক্রিপ্ট, পিএইচপি এর বাংলা ভিডিও টিউটোরিয়াল!!!সবাইরে ওয়েলকাম!!!কারো একফোটা কামে দিলেই আমি ধন্য!!
- আন্ধা পোলা
- সেনাবাহিনীর কুকীর্তির লিষ্ট : আমাদের গোল্ড ফিশ মেমরীকে ব্লগে সংরক্ষন - শূন্য আরণ্যক
- রসদঃ মুক্তচিন্তা, অবিশ্বাস, সন্দেহবাদীতা, যুক্তিবাদীতা এবং বিজ্ঞানবিষয়ক পোস্ট সংকলন। - আসিফ মহিউদ্দীন
- বাংলা কবিতার সবচেয়ে জনপ্রিয় লাইনগুলো সামুর প্রতিটা ব্লগার এবং পাঠকের যা অবশ্যই পড়া উচিত। - শব্দহীন জোছনা
- কবি হেলাল হাফিজের “অচল প্রেমের পদ্য” - আসিফ আহমেদ মামুন
- যে কবিতাটি পড়ে মুগ্ধ হয়েছিলাম ৬ - কবি রাজ
- যে কবিতাটি পড়ে মুগ্ধ হয়েছিলাম ৭ - কবি রাজ
- সামু ব্লগের আস্তিক নাস্তিক বিতর্ক - প্রলাপ
- GIS এর খুটিনাটি -২: - পরিবেশবাদী ঈগলপাখি
- হুমায়ুন আহমেদ এর আত্মজীবনী-ফাউনটেনপেন (১-২) - পৃথিবীর আমি
- ধর্মানুভূতির উপকথা-হুয়ামুন আজাদ - সন্যাসী
- ফিফা বিশ্বকাপে ব্যবহৃত সব ফুটবল (ছবি ব্লগ) - প্রবাসী রনি
- সেরা সাইট...... সকল প্রকার খেলা দেখার জন্যে। - মাহমুদুল হাসান কায়রো
- যুক্তি-তক্কো-গল্প (পর্ব ২: সৃষ্টি রহস্য১) - নাস্তিকের ধর্মকথা
- বাংলা ব্লগ'স্ফেয়ারে মুক্ত'চিন্তার গুরুত্বপূর্ণ লেখা/পোস্ট/ব্লগ সংগ্রহের উদ্যোগঃ সচেতন সকলে'র অংশগ্রহন কাম্য … - মনির হাসান
- সাত আসমান কি? (সাময়িক পোস্ট) - তানভীর চৌধুরী পিয়েল
- সুরা লাহাব নিয়ে কিছু কথা .. - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ধর্ম'গুলোর ভবিষ্যত কি ? নাস্তিক'রা ধর্মের কি পরিনতি বা অবস্থা দেখতে চায় ? ...একটি আলোচনা পোস্ট ..বিশেষত নাস্তিকদের জন্য - মনির হাসান
- কোরআন ও নারী এবং জাকির নায়েকদের গালগল্পের জবাবে- ২ - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ধরা যাবে না ছোঁয়া যাবে না বোঝা যাবে না মর্ম, জন্মসূত্রে পেলাম এমন ঠুনকো কাঁচের ধর্ম! - অরণ্যদেব
- এ বছরের সেরা টিভি নাটক নাম টক শো... - বীর বাহাদুর বলবল সিং
- খালেদা জিয়া'র জন্মদিনের ডকুমেন্টস - সেলটিক সাগর
- জ্বীন’দের 'বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতিতে' অন্তর্ভূক্তি পূর্বক এই প্রজাতি রক্ষায় 'পঞ্চবার্ষিকী প্রকল্প' গ্রহন করার দাবী জানাই । - মনির হাসান
- ফেলে আসা ঠিকানা - বিবর্তনবাদী
- বাংলাদেশী মুদ্রার সচিত্র ইতিহাস - তুষারপাত
- মন খারাপ করা একটি গান। মনে হয় অনেক দিনের চেনা গান কাঞ্চনজংঘা - মোতাব্বির কাগু
- এই গানটা খুজিঁ - রুদ্র মোহাম্মদ
- ধর্মনিরপেক্ষ বাঙালী! - লাশ
- ইউটিউব থেকে কিভাবে ভিডিও ডাউনলোড করবো? - রয়েল বেঙ্গল টাইগার
- তোমার জন্য খেলা, আমার জন্য জ্বালা - লেখাজোকা শামীম
- ইসলামে নারীর মর্যাদা, অধিকার ও ক্ষমতায়ন - নুরুজ্জামান০৮
- জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা নিয়ে স্বগতোক্তি এবং বিক্ষিপ্ত প্রশ্ন - সোজা কথা
- একজোড়া সেন্ডেল, টিশার্ট, ঢাকাক্লাবের প্রেসকনফারেন্স ও ড্রেস কোড কালচারে আমার পরাজয় - রহমান মাসুদ
- বিশ্বাসী বেশ্যারা চিরজীবী হও - সবাক
- নাস্তিক হয়ে ওঠার গল্প নিয়ে সংকলন ..... - নাস্তিকের ধর্মকথা
- সশস্ত্র বাহিনীতে গণহত্যা (১৯৭৫-১৯৮১) একটি প্রামাণ্য দলিল - শওকত হোসেন মাসুম
- কেন কিনবেন বই যখন ফ্রী পাচ্ছেন? - তামিম
- পন্ডিত মশাই, কুকুরের ঠ্যাং এবং অন্যান্য - আতিকুল হক
- অন্ধকারে কাঁদো শিরিন, তোমার বাবার মৃত্যুর তদন্ত হবে না, - অপ বাক
- ভাড়া কত হওয়া উচিৎ??? ( মাথা ঘুরালে পড়বেন না
) - অরণ্য আনাম
- কতজন বিডিআর মারা গেছে? কেউকি জানেন? - বিডিট্রন
- পিলখানার সম্পুর্ন খবর! সকল সচেতন সদস্যের কাছে অনুরোধ। - বিডিট্রন
- আমরা ব্লাডি সিভিলিয়ান, বকরীর ৩নং বাচ্চা - নায়করাজ
- উর্দির সুবিধাসমুহ - অপ বাক
- যে প্রশ্নগুলোর উত্তর নাই - লেখাজোকা শামীম
- অনলাইনে বাংলা লিখুন কোন সফটওয়্যার ছাড়াই - jewelosman
- মৌরীর কাছে আমার দাবি - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- ধর্মের ভৌতিকতা কিম্বা ভুত'আশ্রয়ী ধর্মের অম্লঃপরীক্ষা ... ০১ ... - মনির হাসান
- ফটো ব্লগ-মহাকবি মাইকেল মধুসুদন এর বাড়িতে একদিন - মুনীর উদ্দীন শামীম
- গণতন্ত্র নাকি বিকল্প পথ? লিখেছেন সাহোশি৬ - ধীবর
- কোরআনের সংরক্ষণ।-১ - কুম্ভকর্ণ
- ১৭-ই রমজান ইসলামের ইতিহাসের প্রথম যুদ্ধ এই দিনে হয়েছিলো - অভ্র
- প্রিয় কবি হুমায়ুন আজাদ - রিয়াজ শাহেদ
- মুক্তিযুদ্ধের কিছু প্রামান্য বইয়ের তালিকা - ফারহান দাউদ
- একাত্তর নিয়ে যে বইগুলো পড়া দরকার : : একটি তালিকা - শাহিন০৩
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা- ৩০ (খেলাঘর--নির্মলেন্দু গুণ)] - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- কোরান সংকলনের ইতিহাস- 4 - অপ বাক
- কোরানের সংকলনের ইতিহাসের প্রারম্ভিকা - অপ বাক
- ক্যাচালের আল-কোরান বিষয়ে সাতটি প্রশ্ন - সুশীল সমাজ
কোরান অবিকৃত অবস্থায় সংরক্ষিত হয় নি
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৪১
কিছুদিন ধরে এই ব্লগে কোরান অবিকৃত অবস্থায় সংরক্ষিত হয়েছে কি হয় নাই এ ব্যাপারে আলোচনা চলছে। সেই আলোচনার সূত্রপাত ধরেই আমি বলতে চাই কোরান অবিকৃত অবস্থায় সংরক্ষিত হয় নি। [মূল আলোচনায় যাবার পূর্বে আমি সকলকে একটা অনুরোধ করতে চাই, দয়া করে ব্যক্তি আক্রমণ করবেন না। কোরান এবং সুন্নাহর ব্যাপারে আপনার যদি কোন মন্তব্য থাকে তাহলে সানন্দে দিন কিন্তু ব্যক্তি আক্রমন করা ঠিক না।]
আমার বক্তব্যকে আমি প্রধান তিনটি ভাগে ভাগ করতে চাই । প্রতিটি ভাগের স্বপক্ষে আমি হাদিস উল্লেখ করে আমার বক্তব্যকে সমর্থন করব।
১। কোরান পরিপুর্ণভাবে সংগ্রিহীত হবার পুর্বেই কোরান সংরক্ষনের কাজ শুরু হয় যা কোরানকে পূর্নতা দেয় নি
উমর আবু বকর কে অনুরোধ করেন যেন লিখিত ফর্মে কুরআন সংরক্ষণ করা হয়। আবু বকর একটা কমিটি করেন যারা বিচ্ছিন্নভাবে ছড়ানো ছিটানো সংরক্ষিত কুরআনের একটা অথরিটেটিভ কপি করেন(১)। এই কপিটাকে "মুশাফ"( loose sheets which bore the entire revelation on them) বলা হত। মুশাফে যাতে কোনরকম ভুলভ্রান্তি না থাকে সেজন্য কমিটি লেখা গ্রহণ করার জন্য দু'টা শর্ত জুড়ে দিয়েছিলেন(২)
i) শুধুমাত্র সেসব কপিই গ্রহণ করা হবে যা হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ)-এর উপস্থিতিতেই সংরক্ষণ করা হয়েছিল। (এবং)
ii) কমপক্ষে দুজন বিশ্বাসযোগ্য সাক্ষী এই মর্মে ঘোষণা দিবেন যে তারা রাসুল (সাঃ) কে এই আয়াত আবৃত্তি করতে নিজের কানে শুনেছেন।
এবার আসুন দেখি এ ব্যাপারে হাদিস কি বলে?
Bukhari: vol. 6, hadith 509, p. 477; book 61
Narrated Zaid-bin-Thabit:
Abu Bakr As-Siddiq sent for me when the people of Yama-ma had been killed (i.e. a number of the prophets companions who fought against Musailama). (I went to him) and found Umar bin Al-Khattab sitting with him. Abu Bakr then said to me, "Umar has come to me and said: `Casualties were heavy among the Qurra of the Qur'an (ie those who knew the Qur'an by heart) on the day of the battle of Yama-ma, and I am afraid that more heavy casualties may take place among the Qurra on other battle fields, whereby a large part of the Qur'an may be lost. Therefore I suggest that you (Abu Bakr) order that the Qur'an be collected'." I said to Umar, "How can you do something Allah's Apostle did not do?" Umar said, "By Allah, that is a good project". Umar kept on urging me to accept his proposal till Allah opened my chest (persuaded me) for it and I began to realise the good idea which Umar had realised.
উপরের হাদিসে এটা স্পষ্ট মোহাম্মদের জীবদ্দশায় পুরো কোরান collection শেষ হয় নাই। তাই তো আবু বকর উমরকে বললেন "How can you do something Allah's Apostle did not do?" যদি মোহাম্মদের জীবদ্দশায় কোরান পুরোপুরি সংগৃহিত হয়ে না থাকে তাহলে আবু বকর কিভাবে সেসব কপিই গ্রহণ করলেন যা শুধু মোহাম্মদের উপস্থিতিটেই সংরক্ষণ করা হয়েছিল? এতে কি এটা প্রমান হয় না যে কোরান পরিপুর্ণভাবে সংগ্রিহীত হবার পুর্বেই কোরান সংরক্ষনের কাজ শুরু হয় যা কোরানকে পূর্নতা দেয় নি।
উমরের সংরক্ষিত কোরান হাফসার (উমরের মেয়ে) কাছে ছিল যা থেকে পরবর্তীতে উসমান অসংখ্য কপি করে বিলি বন্টন করেন।
২। কোরানে মোহাম্মদের সময়কার অনেক আয়াত লিপিবদ্ধ হয় নি আবার এমন অনেক আয়াত কোরানে সংযুক্ত হয়েছে যার সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন আছে
Bukhari: vol. 6, hadith 521, pp. 487-488; book 61
Narrated Masruq:
... I heard the Prophet saying, "Take (learn) the Qur'an from four (men): `Abdullah bin Masud, Salim, Mu'adh and Ubai bin Ka'b."
লক্ষ্য করুন উপরের হাদিসে মোহাম্মদ মাসুদ এবং উবাই এর কাছ থেকে কোরান শিখতে বলেছেন । এবার নীচের হাদিসটি দেখুন
Muslim: vol. 4, hadith 6022, p. 1312; book 29
`Abdullah (b. Mas'ud) reported that he (said to his companions to conceal their copies of the Qur'an) and further said: He who conceals anything he shall have to bring that which he had concealed on the Day of Judgement, and then said: After whose mode of recitation do you command me to recite? I in fact recited before Allah's Messenger (may peace be upon him) more than seventy chapters of the Qur'an and the Companions of Allah's Messenger (may peace be upon him) know it that I have better understanding of the Book of Allah (than they do), and if I were to know that someone had better understanding than I, I would have gone to him. Shaqiq said: I sat in the company of the Companions on Muhammad (may peace be upon him) but I did not hear anyone having rejected that (that is, his recitation) or finding fault with it.
উপরের লেখা থেকে এটা স্পষ্ট যে Ibn Mas'ud কখনোই উসমানের সংরক্ষিত কোরান মেনে নেন নি। অথচ মোহাম্মদ তার এক হাদিসে মাসুদের কাছ থেকে কোরান শিখতে বলেছিলেন। এবার নীচের হাদিসটি দেখুন
Mishkat Al-Masabih: book 8, ch. 3, last hadith [4]
Ibn Abbas said he asked Uthman[1] what had induced them to deal with al-Anfal[2] which is one of the mathani[3] and with Bara`a[4] which is one with a hundred verses, joining them without writing the line containing "In the name of God, the Compassionate, the Merciful,"[5] and putting it among the seven long ones. When he asked again what had induced them to do that, Uthman replied, "Over a period suras with numerous verses would come down to God's messenger, and when something came down to him he would call one of those who wrote and tell him to put these verses in the sura in which such and such is mentioned, and when a verse came down he would tell them to put it in the sura in which such and such is mentioned. Now al-Anfal was one of the first to come down in Medina and Bara`a was among the last of the Qur'an to come down, and the subject-matter of the one resembled that of the other, so because God's messenger was taken without having explained to us whether it belonged to it, for that reason I joined them without writing the line containing `In the name of God, the Compassionate, the Merciful,' and put it among the long suras."
এই হাদিসে স্পষ্ট সে সময়কার মোসলমানেরা উসমানকে প্রশ্ন করেছিলেন "In the name of God, the Compassionate, the Merciful", এই আয়াতটি ৯ নম্বর সুরায় নাই কেন? মুসলমানদের মতে এই আয়াতটি ঐ সুরায় থাকা উচিৎ ছিল, অথচ উসমান চান নি বলেই ঐ আয়াতটি কোরানে সংরক্ষিত হয় নি।
আবার দেখুন,
Bukhari: vol. 6, hadith 60, p. 46; book 60
Narrated Ibn Az-Zubair:
I said to `Uthman, "This Verse which is in Surat-al-Baqara: `Those of you who die and leave wives behind............ without turning them out,' has been abrogated by an other Verse. Why then do you write it (in the Qur'an)?" `Uthman said, "Leave it (where it is), O son of my brother, for I will not shift anything of it (i.e. the Qur'an) from its original position."
উপরের হাদিস দ্বারা এটা স্পষ্ট Ibn Az-Zubair চাইছিলেন যে আয়াতটি কোরান থেকে মোছা হোক, কিন্তু উসমান চাইছিলেন যে আয়াতগুলো থাকুক, তাই আধুনিক কোরানে উপরের আয়াতগুলো বিদ্যমান।
৩। মোহাম্মদের পর বিভিন্ন সময়ে কোরান পরিবর্তিত হয়েছে[/su
Bukhari: vol. 6, hadith 468, p. 441-442; book 60
Narrated Ibrahim:
The companions of 'Abdullah (bin Mas'ud) came to Abi Darda', (and before they arrived at his home), he looked for them and found them. Then he asked them,: "Who among you can recite (Qur'an) as 'Abdullah recites it?" They replied, "All of us." He asked, "Who among you knows it by heart?" They pointed at 'Alqama. Then he asked Alqama. "How did you hear 'Abdullah bin Mas'ud reciting Surat Al-Lail (The Night)?" Alqama recited:
'By the male and the female.' Abu Ad-Darda said,
"I testify that I heard me Prophet reciting it likewise, but these people want me to recite it:--
'And by Him Who created male and female.' But by Allah, I will not follow them."
এই হাদিস দ্বারা এটা স্পষ্ট ভিন্ন অন্চলের মুসলিমরা ভিন্ন ভিন্ন উচ্চারনে কোরান পড়তেন। যারা 'Abdullah bin Mas'ud এর কাছে কোরান শিখেছিলেন তারা কোরানের 92:1-3 আয়াত পড়তেন 'By the male and the female.' , আর অন্য মুসলিমরা একই আয়াত পড়তেন 'And by Him Who created male and female.' সুতরাং এ থেকেই বোঝা যাচ্ছে যে ইসলামের শুরুতেও মুসলিমরা একই way তে কোরান মুখস্ত করেন নি। সুতরাং প্রথম থেকেই কোরানের উচ্চারনজনিত সমস্যা ছিলই, যা মোহাম্মদের মৃত্যুর পর প্রসার লাভ করে।
আবার দেখুন
Bukhari: vol. 8, hadith 817, p. 539-540; book 82
Allah sent Muhammad with the Truth and revealed the Holy Book to him, and among what Allah revealed, was the Verse of the Rajam (the stoning of married person (male and female) who commits illegal sexual intercourse), and we did recite this Verse and understood and memorized it. Allah's Apostle did carry out the punishment of stoning and so did we after him. I am afraid that after a long time has passed, somebody will say, `By Allah, we do not find the Verse of the Rajam in Allah's Book,' and thus they will go astray by leaving an obligation which Allah has revealed.
উপরের হাদিস থেকে এটা স্পষ্ট যে উমর convinced ছিলেন stoning an adulterer কোরানের অংশ ছিল এবং কোরান থেকে মুছে ফেলা হয় নি। অথচ আধুনিক কোরানে এই আয়াতগুলো নেই। এটা দিয়ে কি প্রতিয়মান হয় না যে উমরের দল দ্বারা সংরক্ষিত কোরানেও edition এবং selection হয়েছে?
শুধু ওসমানের সময়ই নয়, উমরের সময়ও কোরানে পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। সুতরাং বর্তমান কোরান আর মোহাম্মদের সময়ের কোরান এক নয়।
রেফারেন্স
১. Saheeh Al-Bukhari Vol.6, Hadith Nos.201 & 509; Vol.9, Hadith No.301.
২. Ibn Hajar al-’Asqalani, Fath al-Bari, Vol.9, p.10-11
৩। Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:২২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
বেয়াকুফ বলেছেন:
+
মানুষের পৃথিবী বলেছেন:
প্রিয়তে নিশ্চয়ই।
না বলা কথা বলেছেন:
দুনিয়ায় এত কিছু থাকতে,এই ব্যাপার নিয়া উথলা হইলা ক্যান?
অনিন্দিতা ০১ বলেছেন:
+
না বলা কথা বলেছেন:
প্রতিদিন ব্লগ খুললেই এই ব্যাপার নিয়ে চটকাচটকি,আর একেক জনের পান্ডিত্যের কি অবস্থা।
যে দেশে এতো বুদ্ধিজীবীর দল, হে দেশের এ অবস্থা ক্যান?
কোরান সংগ্রহই শেষ হয়নাই বলে কি বুঝালেন?
কোরানের আরো আয়াত আসা বাকী ছিলো? নাকি, বিক্ষিপ্তভাবে কোরানের আয়াতগুলো যে লিখিতভাবে সংরক্ষিত ছিলো সেখানে সব আয়াত সংরক্ষিত ছিলোনা?
আমি তো হাদীসটা পড়ে যেটা বুঝলাম সেটা হলো, সব আয়াতই কোথাও না কোথাও সংরক্ষিত ছিলো, কারণ তা না হলে উমর (রাঃ) প্রস্তাবটাই দিতেননা, তাইনা?
আবুবকর (রাঃ) কালেকশন বলতে যেটা বুঝিয়েছেন সেটা কি এটাই না যে "সব আয়াতকে একসাথ করে পূর্ণাঙ্গ কোরানের একটা লিখিত সংস্করণ" নবীর আমলে করা হয়নি? সেটার মানে তো এই না যে বিক্ষিপ্তভাবে থাকা প্রত্যেক আয়াতই লিখে রাখার সময় বা মুখস্থ করার সময় মোহাম্মদ (সাঃ) এর কনফারমেশন নেয়া হয়নি।
প্রশ্নটা শুধু সব একসাথ করা হয়েছে কি হয়নি, সেখানেই।
আপনি বলেছেন ইবনে মাসুদ(রাঃ) কখনই উসমানের কোরান মেনে নেননি -- এটা কি ঠিক? ইবনে মাসুদ(রাঃ) প্রথমে বিরোধিতা কর্বছিলেন, যখন বলা হয়েছিলো তাঁর কাছে যে কপিটা ছিলো সেটা পুড়িয়ে ফেলতে হবে, কারণ, কুরানের সংরক্ষক হিসেবে তাঁর খ্যাতি ছিলো সবচেয়ে বেশী। পরে যখন তাঁকে বোঝানো হলো যে তাঁর সংরক্ষিত কপিতে মার্জিনের বাইরে তাঁর নিজের লেখা প্রচুর ফুটনোট ছিলো, যেকারণে সেই কপিটা সংরক্ষিত থাকলে পরবর্তিতে ইবনে মাসুদ (রাঃ)র লেখা ফুটনোটকেও মানউষ কোরানের আয়াত বলে ভুল করতে পারে, সেজন্য তাঁর কপিটি পুড়িয়ে ফেলা হবে, তখন তিনি সেটা মেনে নিয়েছিলেন। শুধু এনসারিং-ইসলাম.অরগ এ লেখা অংশটা থেকে পুরো ইতিহাস বুঝে ফেলতে গেলে কিন্তু হবেনা, আপনি সেই ইতিহাসটা পুরো পড়তে পারেন।
ইবনে মাসুদের ইতিহাস নিয়ে আশা করি পরে আপনাকে ভালো কোন বই রিফার করতে পারবো, এখন মনে আসছেনা।
আপনি প্রথম যে পয়েন্টটা বলেছিলেন, ভ্যারিয়ান্ট রিসাইটেশন অভ কোরান, সেটা খুব লোকাল লেভেলের। উমর (রাঃ) এর সময় ইসলাম ছড়িয়ে গেলে নন-এ্যারাবদের জন্য হলেও জের-যবর-পেশ এগুলোর সংযোজন প্রয়োজন হয়। মজার ব্যাপার হলো,অনেক আবুল এটাকেও কোরানের পরিবর্তন/পরিবর্ধন বলে। এখানে মনে রাখা জরুরী যে এটা শুধু আরবী একটি নির্দিষ্ট উচ্চারণ রীতিতে পুরো কোরানের স্ট্যান্ডার্ডাইজেশন, ভাষার স্ট্যান্ডার্ডাইজেশন ডকুমেন্ট সংরক্ষণের জন্য খুবই জরুরী। একই ডকুমেন্ট কিছু অংশ নোয়াখালীর, কিছু অংশ ঢাকাইয়া আবার কিছু অংশ প্রমিত বাংলায় নিশ্চয়ই কেউ লেখেনা, একটা স্ট্যান্ডার্ড ফলো করে।
সবচেয়ে বড় যে পয়েন্ট সেটা হলো, যে হাদীসগুলোর ভিত্তিতে কোরানের সংকলনের ইতিহাসের এই রিফিউটেশন আপনি করছেন, সেই হাদীসগুলোকে কেন নির্দ্বিধায় মেনে নেয়া হচ্ছে? সেগুলোর সত্যতা সম্পর্কে আপনি এত নিশ্চিত কিভাবে?
লেখক বলেছেন: আপনার প্রশ্নের উত্তর কুম্ভকর্নের ব্লগেও দিয়েছি, এখানেও দিলাম।
আপনি বলেছেন: "সবচেয়ে বড় যে পয়েন্ট সেটা হলো, যে হাদীসগুলোর ভিত্তিতে কোরানের সংকলনের ইতিহাসের এই রিফিউটেশন আপনি করছেন, সেই হাদীসগুলোকে কেন নির্দ্বিধায় মেনে নেয়া হচ্ছে? সেগুলোর সত্যতা সম্পর্কে আপনি এত নিশ্চিত কিভাবে?"
এটাই আসল কথা, তাহলে দেখা যাচ্ছে হাদীসের ব্যাপারে কেউ কেউ প্রশ্ন তুলতে পারে। সেক্ষেত্রে বলা যায় কোরান তো লিখিত ফরম্যাটে আছে এবং মুসলমানেরা মনে করে কোরান সর্বকালের সর্ব শ্রেষ্ঠ বই এবং এই বইয়ে কোন ভুল নাই। তাহলে আসুন কোরান নিয়ে আলোচনা করি।
কোরানে আল্লাহ স্পস্টভাবে চ্যালেন্জ করেছেন মানুষ কোরানের একটি সুরার মতো সুরাও লিখতে পারবে না।
"Oh people, if you doubt the heavenly origin of this Book which We have sent down to Our servant, the Prophet, produce one surah like it." (2:23)
আশ্চর্যের ব্যাপার হলো, চ্যালেন্জ দিয়েই খালাস। যে কোন লেখাই একেক জনের কাছে একেক রকমভাবে ধরা দেয়। যেমন কোরানের কথাই ধরুন, আপনার কাছে মনে হচ্ছে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বই, অথচ একজন নাস্তিকের কাছে কোরান ১৪০০ বছর আগে লেখা একটা বই মাত্র। সুতরাং চ্যালেন্জের পাশাপাশি কোন লেখায় কি কি বৈশিষ্ট্য থাকলে সেই লেখাকে কোরানের একটি সুরা থেকে উন্নত বলা যাবে তা কোরানে অবশ্যই উল্লেখের প্রয়োজন ছিল।
যাই হোক দেখা যাক কোরানের একটি সুরা থেকে উন্নত একটি লেখা পাওয়া যায় কিনা, নীচে সুরা এখলাসের চেয়ে উন্নত লেখা দেয়া হলো:
সুরা এখলাস:
Qul Huwallaahu ahad;
Allahus-swamad;
Lam yalid wa lam yoolad;
Wa lam yakun lahu, kufuwan ahad.
অর্থ: Say: He is God, the one and only;
God, the Eternal, Absolute;
He begetteth not, nor is He begotten;
And there is none like unto Him.
ভাষা পান্জাবি, সময়: ৭ম শতাব্দী
Ik onkar, satnaam,
Kartaa purakh
Nirbhau, nirvair
Akaal murat
Ajuni saibhau
Guru prasad
অর্থ: God is one; God's name is Truth;
God is the immanent Creator;
Without fear, without enmity;
Immortal in form;
Unborn and self existent
(Known by) the grace of the Guru.
ভাষা: তামিল, সময়: ৮ম শতাব্দী
Aanallan, Pennallan,
allaa aliumallan!
Kaanalum aagaan,
ulanallan illai allan!
Penungal penum,
uruvaagum allanum aam!
Konai peridhudaithu
embemmanai koorudhale!
অর্থ: Neither male, nor female,
Nor neuter is He (by gender)!
Neither discernible, nor the existent,
Nor the non-existent is He!
He appears in whatever form conceived,
And remains other than such!
Indentifying the Lord as Narayana (by name),
Is the best of such.
ভাষা: সংস্কৃত, সময় ৪র্থ শতাব্দী
divyo hy amrutah purusah
sa bahyabhyantaro hy ajah
aprano hy amanah
subhro aksarat
pratah parah
অর্থ: He, the divine, the formless spirit;
He is the outward and the inward;
And He the unborn;
He is beyond life, beyond mind, luminous;
Supreme beyond the immutable!
ভাষা: সংস্কৃত, সময় ৫ম শতাব্দী
na tasya kascit asti loke,
na cesita naiva
ca tasya lingam,
na karanam
karanadhipadhipo
na cesya kasciji janita
na cadhipah.
অর্থ: He hath no master in all this world.
There is none that shall rule over Him.
Nor feature nor distinction hath He;
For He is begetting cause
And Sovran over the lords
of these natural organs;
But himself hath no begetter,
Neither any sovran.
আপনি যদি বলেন এগুলো একটাও কোরানের কোন সুরা থেকে উন্নত কিছু না, তাহলে আমার প্রশ্ন হবে কেন? কোরানকে প্রমান করতে বলুন উপরের একটি লেখাও কেন কোরানের একটা সুরা থেকে উন্নত হবে না? কোরান তো চ্যালেন্জ দিয়েছে যে কোরানের একটা সুরার থেকে উন্নত কোন লেখা মানব সমাজের কেউই প্রসব করতে পারবে না। এই চ্যালেন্জ গ্রহণ করে কেউ যদি উপরের লেখাগুলো দিয়ে বলে এগুলো প্রত্যেকটা কোরানের একটি সুরা থেকে উন্নত, তাহলে কোরান নিজেকে কি বলে defend করবে?
উপরের লেখাগুলোয় কি এমন অনুপস্থিত আছে যা কোরানের প্রত্যেকটি সুরায় উপস্থিত?
কোরানের আয়াত উল্লেখ করে বলেন যে কেন উপরেল্লেখিত চারটি কবিতা সুরে এখলাসের চেয়ে উন্নত হবে না? (বিদ্র: আপনার ব্যাখ্যা নয়, কিংবা কোরান বিশেষজ্ঞের ব্যাখ্যা নয়, কোরানের আয়াত উল্লেখ করে বলুন যে কি এমন কোরানের প্রতিটা সুরায় আছে যা উপরে চারটি কবিতায় নেই)।
Click This Link
লেখক বলেছেন: আমার উপরের প্রশ্নের জবাব দিন
মানুষের পৃথিবী বলেছেন:
@ না বলা কথা:
কোরানের ভুত না ছাড়ালে এ অবস্থা এক লাখ বছরেও ঘুচবে না। আমরা সেই পবিত্র দায়িত্বেই আছি। আমিন।
লেখক বলেছেন: একমত
রক্তাক্ত যোদ্ধা বলেছেন:
লজিক্যাল লেখা................
মানুষের পৃথিবী বলেছেন:
@ সকল আস্তিকদের প্রতি:
বলুন, কোরান আল্লাহ হেফাজত করেন। বলুন, আগুন লাগলে কোরান পোড়ে না। পানিতে ভিজে না। গোয়ান্তানামোয় বাথরুমে ফেলে দিতে চাইলে তা বাথরুমে পড়ে না।
বলুন, পরীক্ষার সময় মাদ্রাসার ছেলেরা মোজার ভিতর থেকে কোরানের ক্লিপিংস বের করার সাথে সাথে তাদের পায়ে কুষ্ঠ রোগ হয়।
বলুন, নিজের ঘর মসজিদকে তিনি ব্ন্যা, নদী ভাঙ্গন, সময়জনিত ক্ষয় প্রাপ্তি, বোমা হামলা ইত্যাদি থেকে রক্ষা করতে পারেন।
বলুন, রিজিকদাতা নামধারী আল্লাহর দুনিয়ায় একটি শিশুও না খেতে পেরে মারা যায় না, যায়নি। সোমালিয়ায় না, ইথিওপিয়ায় না, পঞ্চাশের মন্বন্তরে বঙ্গভূমিতে না।
বলুন, রুশদী, তসলিমা এবং সা.ইনের নাস্তিকগণের কলম (কিংবা কিবোর্ড) আল্লাহ থামিয়ে দিতে সক্ষম।
যদি উপরের কিছুই বলতে না পারেন তাহলে বলুন,
১। আমরা (তথা মানুষেরাই) অন্যান্য সকল দেবতার মতো আল্লাকেও কল্পনায় ক্ষমতা দেই।
২। তাকে বিলুপ্তি সাধনের হাত থেকে বাচানোর জন্য নাস্তিকদেরকে মৃত্যুদন্ড দেই।
৩। গোয়ান্তানামোয় কোরান বাথরুমে নিক্ষিপ্ত হলে পাকিস্তানে জীবন দেই।
আলোতে আসুন।
মানবজমিন বলেছেন:
বিশ্বাসে মিলায় বস্তু, তর্কে বহুদুর। ১৪০০ বছর ধরে যে গ্রন্হ পৃথিবীর কোটি কোটি মুসলমান পরে এসেছে তাকে নিয়ে কৌতুহল ও বিতর্ক থাকবেই। আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেদায়েত দান করুন।
জুবাইর রেযা বলেছেন:
আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেদায়েত দান করুন।
আউটসাইডার বলেছেন:
ভাই, এই লেখা যদি আপনার নিজের চিন্তার ফসল হইতো তাহলে যতই দ্বিমত থাকুক না কেন প্লাস দিতাম। কিন্তু আপনার লেখা তো পুরা কপি পেস্ট। তাই মাইনাস দিলাম। আর আপনি তো নাস্তিক। আপনার কি দরকার কোরআনের পূর্নতা নিয়ে? আমি একজন মুসলিম হিসেবে জানি যে কোরআন শরীফ কে রক্ষা করার দায়িত্ব আল্লাহ তাআলার এবং তিনি তা করছেন ও করবেন। আপনার এসব দূর্বল হাদীস আর আলোচনা দিয়ে আমার এ বিশ্বাস আরো শক্ত হইলো।
হযরত মুহাম্মদ (সা
পৃথিবীর কোন ধর্মগ্রন্হ কি মানুষ মুখস্ত করে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত? কোন এদিক সেদিক না করে? করা সম্ভব হয়েছে কি? আমি জানিনা। কিন্তু কোরআন মুখস্ত করেছে কোটি কোটি মানুষ।
মানুষের পৃথিবী বলেছেন:
@ জ্বীনের বাদশা:
'সবচেয়ে বড় যে পয়েন্ট সেটা হলো, যে হাদীসগুলোর ভিত্তিতে কোরানের সংকলনের ইতিহাসের এই রিফিউটেশন আপনি করছেন, সেই হাদীসগুলোকে কেন নির্দ্বিধায় মেনে নেয়া হচ্ছে? সেগুলোর সত্যতা সম্পর্কে আপনি এত নিশ্চিত কিভাবে?'
লেখক এখানে মুসলিম জাহানের অবিসম্বাদিত দুটি হাদিসগ্রন্থ বোখারী এবং মুসলিমের উদ্ধৃতি দিয়েছেন। এর হাদিসগুলো নিয়ে আপনার সন্দেহ। আপনি তো দেখি আমাদের চেয়ে বড় নাস্তিক! হাত মিলান নাস্তিক ভাই (একই নরকের বাসিন্দা হবো তো তাই।)
আপনার মতো করে একটু বলি - সবচেয়ে বড় যে পয়েন্ট সেটা হলো, হাদিসের সহায়তা ছাড়া কোরান তথা ইসলাম একেবারেই পঙ্গু। ছোট্ট একটা উদাহরণ দেই। কোরানে নামাজের কথা বলা শুধু এইভাবে - তোমরা সালাত কায়েম কর। কিন্তু বলা নেই কিভাবে তা করতে হবে। এক্ষেত্রে হাদিস না থাকলে মানুষ কিভাবে বুঝতো সালাত কি জিনিষ?
ধন্যবাদ সহনাস্তিক।
মো: খায়রুল বাসার বলেছেন:
বিতর্কিত পোষ্ট । ।জ্বিনের বাদশা তো আপনার উত্তর দিয়েছেন । কিন্তু আপনি অন্যদিকে মোড় ঘুরলেন কেন ? তাতে বুঝা যায় কপি-পেষ্ট । কি লাভ হবে ? এতে হয়ত কেউ কেউ খনিকের জন্য উৎসাহ বোধ করবেন । এরকম অল্প জানার লোকদের উত্তর দিয়ে কি লাভ ?
অনেকে কাছে কোরানে আয়াতের অন্যকিছু ভাল লাগতে পারে, তাতে কি আছে ?
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন:
আপনি কোরআনকে ভুল প্রমান করার জন্য বা কোরআন সংরক্ষনে ভুল ছিল প্রমানের জন্য এত পরিশ্রম করে দুনিয়ার প্রায় সব জ্ঞান ভান্ডার আয়ত্ম করে ফেলেছেন দেখে রিতিমত মায়া হচ্ছে। আপনার এই বিশাল কর্মযজ্ঞের মুলে কি বলুন তো? আসল বিষয় হচ্ছে আপনি আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস করেন না। আর আল্লাহর অস্তিত্ব এমন এক জিনিস যা দুনিয়ার জ্ঞান দিয়ে কখনই প্রমান করা যাবে না। কারণ এটাই মানুষের জন্য পরীক্ষা। পরিক্ষার উত্তর যদি পরীক্ষার হলেই দিয়ে দেয়া হয় - তাহলে তো আর সেটা পরীক্ষা থাকে না, তাই না?দেখুন, আপনি যদি আল্লাহকে সত্যিকার অর্থে বিশ্বাস করতেন - তাহলে এটা অবশ্বই মানতেন যে তিনি তাঁর প্রিয় সৃস্টি মানুষের পথনির্দেশনার জন্য গাইড লাইন দেবেন। যত দিন পর্যন্ত মানুষ সেই গাইড লাইন সংরক্ষনের উপযুক্ত হয়নি ততদিন পর্যন্ত তিনি একের পর এক নবী রাসুল(আ: ) দের পাঠিয়েছেন। মানুষের জ্ঞান বুদ্ধি যখন যথেস্ট পরিপক্ক হয়েছে তখন তিনি পাঠিয়েছেন কোরআন এবং একেই কেয়ামত পর্যন্ত মানুষের হেদায়াতের উপায় হিসেবে ঘোষনা করেছেন, বলেছেন এর পরে আর কোন নবী, রাসুল বা আসমানী কিতাব আসবে না। এখন যদি সেই কোরআন কেয়ামত পর্যন্ত অবিকৃত ভাবে সংরক্ষিত না হয় তাহলে আল্লাহর এই ঘোষনা অর্থহীন হয়ে যায়, প্রয়োজন দেখাদেয় নতুন রাসুল এবং নতুন আসমানী কিতাবের। কিন্তু আল্লাহর ঘোষনা অনুযায়ী তা সম্ভব নয়। তার অর্থ আমাদের কাছে যে কোরআন আছে তাই কেয়ামত পর্যন্ত সংরক্ষিত থাকবে এবং এটাই আসল কোরআন। কারণ আল্লাহর ঘোষণা কখনই ভুল হতে পারে না।
আবার দেখুন - এটা আপনি মানছেন যে ওসমান(রা: ) এর সময়ে সংরক্ষিত কোরআন এখনও অবিকৃত আছে, অথচ এটা মানতে চাইছেন না যে রাসুল(স: )এর সময়ের কোরআন ওসমান(রা: ) পর্যন্ত অবিকৃত ছিল। কি আশ্চর্য কথা!! যেই কোরআন মানুষের মুখে মুখে সারা দুনিয়ার শত কোটি মানুশের মাঝে ছড়িয়ে যাবার পরও দেড় হাজার বছর ধরে অবিকৃত থাকতে পারল তা রাসুল(স: ) এর ওফাতের পর মাত্র ১০-১৫ বছর - যখন বহু হাফেজে কোরআন সাহাবী জীবিত ছিলেন - তখন পর্যন্ত অবিকৃত থাকতে পারল না? এটা কি ধরনের যুক্তি হল?
আসল কথা হচ্ছে আল্লাহর ঘোষনা অনুযায়ী হাজারো হাফেজে কোরআনের হৃদয়ে কোরআন অবিকৃত অবস্থায় সংরক্ষিত আছে এবং থাকবে কেয়ামত পর্যন্ত এটা একটা সত্য আবার এটাও সত্য যে সেই আবুলাহাব আবু জাহেল থেকে কোরআনের বিরোধিতার যে ধারা শুরু হয়েছে তাও থাকবে কেয়ামত পর্যন্ত। আর এখানেই মানুষের পরীক্ষা, সে কোনটা সমর্থন করে - আল্লাহর সুস্পস্ট ঘোষনা না ঐ ধারার নানা কুযুক্তিসম্বলিত বক্তব্য?
আর যদি আপনি আল্লাহর অস্তিত্বেই বিশ্বাস না করেন, তা হলে আপনার কাছে সব কিছুই গোলমেলে মনে হবে - তখন আপনাকে শুরু করতে হবে আল্লাহর অস্তিত্বের প্রমান নিয়ে। সেখান থেকে শুরু করতে চাইলে এই লেখাটা পড়ে দেখতে পারেন : Click This Link
মুছাব্বির বলেছেন:
সব পড়ে মাইনাস দিলাম। সকল জ্ঞাণপাপীকে ১০০০০০০ মাইনাস।
লেখক বলেছেন: জবাব দেবার মুরোদ নেই তাই মাইনাস ছাড়া আর কি দিবেন? পারলে জবাব দিয়ে দেখান
বিডি আইডল বলেছেন:
পার পোষ্টে কত পান? আমার টাকার খুব দরকার...একটু লাইন ঘাট দেখান
লালন অনিক বলেছেন:
আসাধারণ পোষ্ট....++++অন্ধত্ব যাদের প্রেরণায়...আলোকের গান তারা কি করে গায়..?
যুক্তির মাপকাটিতে যাদের ব্যর্থতা শতভাগ, তারায় তৃপ্ত হয় বিশ্বাসে নিঃশ্বাস ফেলে...
ভালথাকা হউক
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন:
পোস্ট খারাপ না।
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
পোস্টে অবশ্যই প্লাস।
কয়েকজনের অনুরোধে আমি এবিষয়টি নিয়ে একটি বড় পোস্ট (কয়েক পর্বে) দিতে পারি- তবে অপেক্ষা করছি, ত্রিভুজ ও কুম্ভকর্ণের পোস্টের জন্য। তাদের আলোচনার সুবিধার্তে নাস্তিকদের কিছু আলোচনা তাদের পোস্ট দুটিতে তুলে ধরেছি- যাতে তাদের পরবর্তি পোস্টে এসমস্ত বিষয়কে খণ্ডন করে তাদের যুক্তি আসে। দেখা যাক- শেষ পর্যন্ত কি দাঁড়ায়।
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
@সাহোশি৬,
আপনার হাদীসের রেফারেন্স মানে- যেখান থেকে হাদীসগুলোর অনুবাদ এখানে তুলে দিয়েছেন- সেখানকার লিংক।
যদি কোন হাদীসের বই থেকে তুলে দিয়ে থাকেন- তবে সে বইয়ের নাম ও অনুবাদকের নাম; নেটের কোন হাদীস সংক্রান্ত সাইট থেকে কপি করলে- সেটির লিংক।
আর যদি- কোন একজনের লেখায় উল্লেখিত হাদীস সরাসরি এখানে কপি করে থাকেন, তবে একটু কষ্ট করতে হবে আপনাকে- সেটা হলো হাদীস সংক্রান্ত ইসলামী সাইটে গিয়ে এই হাদীসগুলো বের করা, এবং সেসব এখানে দিয়ে দেয়া (এডিট করে) এবং সেই সাইটের লিংক দেয়া। (আমি নিজেও এ কাজটি করি, কেননা এখানকার মোল্লাদের একটা কমন অভিযোগ, না যাচাই করেই, হাদীসের অনুবাদের সময় বিকৃত করা হয়েছে!!!)।
হোসেইন বলেছেন:
জানলাম ।
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
@আহমেদ মাহদী আকেফ,
নাস্তিকেরা নিজেদের জারজ মনে করে এমনটি নয়।
নাস্তিকেরা তাদের যুক্তিতে এটুকু বুঝতে পারে- আহমেদ মাহদী আকেফ সহ সকলের ক্ষেত্রেই তারা কি মনে করে বা করে না- এটার উপর তারা জারজ কিনা তা নির্ভর করে না।
এক আকেফ বা যেকেউ যতই মনে করুক না কেন যে সে জারজ না- যদি সে তার স্বীকৃত পিতা ব্যতীত অন্য কারো ঔরসে মাতার গর্ভে আসে- তবে সেও জারজ, অন্তত বর্তমান সামাজিক সংজ্ঞায়।
আরেকটি ব্যাপার হলো- নাস্তিকেরা জারজ বিষয় নিয়ে তেমন মাথা ঘামাতে পছন্দ করে না; কারণ কোন ব্যক্তির জন্মের উপর তার নিজের কোন হাত নেই- ফলে পিতা-মাতার কোন কর্মের জন্য সন্তানকে এমন জারজ নামক গালি দেয়াটাই প্রচণ্ড অন্যায়। দ্বিতীয়ত, কোন ভ্রুণ যখন তৈরী হয় তা একটি শুক্রাণু ও একটি ডিম্বানু মিলেই তৈরী হয়; শুক্রাণ একজন পুরুষের কাছ থেকে এবং ডিম্বাণু একজন নারীর কাছ থেকেই আসে। ফলে- যেকোন সন্তানের জন্মগতভাবে একজন পিতা এবং একজন মাতা থাকেই। এখন পিতার সাথে সেই সন্তানের পরিচয় থাকলো কি না, মাতার সাথেই বা পরিচয় থাকলো কি না বা মাতা-পিতা পরষ্পরের সাথে সামাজিক বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলো কিনা- এসব নিয়ে অন্যদের মাথা ঘামানোটাই অন্যায়।
ব্যাপক জ্ঞানী সাজছেন সাজেন। জ্ঞানের আলোয় চোখ ঝাপসা হইয়া যাউক ভাল কথা- তয় মি. জ্ঞানী অন্ধের হাতি দেখার গল্পডা জানেন তো। আপনারা যারা জ্ঞানের বাত্তি জ্বালাইয়া পাবলিকের কানা চোখ অপারেশন করতে ছুড়ি কাচি লইয়া আসছেন- আগে একটু খেয়াল কইরা দেখেন নিজের রেটিনা ঠিক আছে কিনা। (দেখতে পারবেন তো?) সবসময়েই মনে রাইখেন আপনে যা দেখেন তার বাইরেও দেখার অনেক কিছু থাকে। আপনে তো বাতাসের মত এটা জেনুইন পদার্থ্ও দেখেন না। আর আমি যদি কই একটা চতুর্থমাত্রিক বস্তুর মডেল আঁকেন দেখি- পারবেন??? বাদ দেন চতুর্থ মাত্রা পারলে একটা একমাত্রার জিনিস ধইররা দেখান।
কি ভাবছেন ধান ভানতে শিবের গীত। জ্বিনা ভাইজান আপনেগো মত ব্যাপক জ্ঞানী মানুষরা আসলে যে কতখানি আন্ধা তার একটা নমুনা খাড়া করলাম। আপনে প্রশ্ন করছেন আপনের মত। আমি প্রশ্ন করলাম আমার মত। উত্তরডা দেন দেখি।
আর একটা কথা কই মিষ্টার জ্ঞানী- দুনিয়া নিয়া অনেক গবেষণা হইছে। পারলে একটু আইনষ্টাইন আর হকিন্সের বই গুলা মন লাগাইয়া পইড়েন। আপনার ব্যাপক জ্ঞানী চোখ- চাই কি কিছু দেখতেও পারে।
পরিশেষে + - কিছ্ই দিলাম না। আপনার বুদ্ধি লইয়া ঠিক মত রাইতে যদি ঘুমাইতে পারেন তাইলেই আমি খুশী।
ইন্ঞ্জিনিয়ার বলেছেন:
"যদি মোহাম্মদের জীবদ্দশায় কোরান পুরোপুরি সংগৃহিত হয়ে না থাকে তাহলে আবু বকর কিভাবে সেসব কপিই গ্রহণ করলেন যা শুধু মোহাম্মদের উপস্থিতিটেই সংরক্ষণ করা হয়েছিল?"বিক্ষিপ্ত অবস্হায় কুরআন সংরক্ষণ মহানবীর জীবদ্দশাতেই করা হয়েছিল। পাথর, উটের চামড়া, গাছের বাকল বিভিন্ন জিনিসে লেখা ছিল। পরর্বতীতে সংকলনের সময় একই আয়াত বিভিন্ন সোর্স থেকে পাওয়া গেলে সেগুলোই গ্রহণ করা হয় যেগুলো মহানবীর সামনে সংরক্ষণ করা হয়েছিল। তাছাড়া সংকলনের দ্বায়িত্বে যাঁরা ছিলেন তাঁরা সংকলনের সময় অনেক হাফেজের মুখস্ত কুরআন তিলাওয়াত শুনে verify করে নিতেন।
যাই হোক ভাই এসব তর্ক করতে ভাল লাগেনা। আপনার মনে প্রশ্ন উদয় হলে আপনি সেই মোতাবেক কাজ করেন। আমি অনেকবার দেখেছি আপনারা যারা মুক্তবুদ্ধির মানুষ বলে নিজেদের দাবী করেন- তারা সাংঘাতিক গোড়া তো হনই একই সংগে সাংঘাতিক প্রতিক্রিয়াশীল্ও বটে।
পানজেরী বলেছেন:
পোষ্টে মাইনাস, মাইনাস, মাইনাস.........। প্লাসটা লুতফুল বারি পান্নারই পাওনা থাকলো।
আব্দুর রহমান বলেছেন:
@ নাস্তিক ও কুরআন বিরুদ্ববাদীদের প্রতি >> আপনাদের যা খুশি আপনারা প্রমান করুন, যত খুশি থিসিস করুন, যা মনে হয় তাই করুন, কোন বাধা নেই! মরণের আগ পর্যন্ত চেষ্ট্রা চালিয়ে যান, গলার রগ ফুলিয়ে চিল্লান কোন সমস্যা নেই! মানুষ স্বাধীন! দরকার হলে হাজারটা লেখা লিখুন না মিলিয়ন অহ... ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন লিখা লিখুন, কোন সমস্যা নেই! মানুষ স্বাধীন! তাকে কেউ বাধ্য করে নি, ব্যাটা তোর তো ঐ কাজটা না করলে রক্ষা নাই! যে যা বুঝে সে তাই করবে কোন বাধা নেই! সবারই ব্রেইন আছে, সবাই দেখুক কোনটা সত্য আর কোনটা মিথ্যা। সাবই চিন্তা-ভাবনা করতে পারে স্বাধীনভাবে। নাস্তিকতা তো নতুন কিছু না! সব আমলেই ছিল! দুনিয়ার সব মানুষও যদি নাস্তিক হয় তাতেও ইসলামের কিছুই যায় আসবে না। কিছুই হবে না....কিচ্ছু হবে না। শুধু একটা কথাই বলব >>আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসীরাই জয়ী হবে। সাবই ভাল থাকবেন।
রুদ্র নীল বলেছেন:
ভাই ৪মাত্রার ছবির কি হল?আইকা দেখায় দেন চার মাত্রার ছবি।আর ১মাত্রার কিছু একটা ধইরাও দেখায় দেন।
যে নিজের রেটিনাই চোখে দেখেনা সে আল্লাহ কে দেখব কেমনে?
হেমায়েতপুরী বলেছেন:
-
রাফাত সাদাত বলেছেন:
-
তৌফিকুর রহমান রাসেল বলেছেন:
কোরান নিঃসন্দেহে নির্ভুল ...
পথভূলো পথিক বলেছেন:
এত কিছু আপনাদের নাস্তিকদের বুঝিয়েও কোন লাভ হবে না, আপনারা বুঝবেন না, কারণ আপনারা বড় অভাগা। আপনাদের সম্পর্কে আমাদের পবিত্র গ্রন্থেই আল্লাহ বলে দিয়েছেন:"আল্লাহ তাদের হৃদয় এবং শ্রবনেন্দ্রিয়কে ঢেকে দিয়েছেন, এবং টেনে দিয়েছেন চোখের উপর পর্দা।" (সূরা বাকারা)
আপনাদের মুক্তি নেই।
লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন।
অদ্বিতীয়া সিমু বলেছেন:
++ প্রিয়তে....।
নীল মেঘ বলেছেন:
গরু ছাগলে উইকিপিডিয়া আর গুগলে সার্চ মারতে শিখছে তো তাই নিজেরে মানুষ ভাবতে শুরু করেছে। মুরোদ থাকলে আস্ত কোরআন পড়ে দেখ। এখন যে হাজার হাজার হাফেজ বের হয় চোখে কি তখন ছানি পড়ে ? হাজার বছর আগে তখন কোরআন মুখস্থ করা নিশ্চয় অসম্ভব ছিলনা। রেফেরেন্স নেট থেকে মার কেন? কোরআন পড় সাথে হাদীসগুলোও।সরারসরি। এত কিছু থাকতে এইডার পিছে লাগছস এইডাই প্রামন করে কোরআনের অবস্থান, যে তোর মত জারজ গুলা সুবিধা করতে পারছেনা কোরআনের বিশুদ্ধতার জন্য।মানুষের পৃথিবী : পৃথিবী মানুষেরই, ঠিক আছে, এইখানে জানোয়াররাও থাকে সেটাও বুঝলাম।
লাভলু জাফর সাদিক চৌধুরী বলেছেন:
এখন আপনি কি বলতে চান। যা আছে সেটা অপর্যাপ্ত??? এ সব নিয়া যে কেন লেখা লেখি করেন আসলে বুঝি না ভায়েরা। কুরআন পরিপূর্ণভাবে সংগ্রীহীত হয়েছে কিনা এটা কি এতই গুরুত্বপূর্ণ??? আপনি ৫ ওয়াক্ত নামাজ পরতেছেন তো, না?? ওতেই চলবে।।।।।
লুৎফুল কাদের বলেছেন:
Minus Minus Minus.
পিচ্চি হুজুর বলেছেন:
গুগলে search মাইরা যদি সব জানা যাইত তাইলে গরু গাধাও Phd degree পাইয়া যাইত।
ইসটুপিড বলেছেন:
খুবই ভাল পোস্ট দিয়েছেন,....ব্যাপক তথ্যসমৃদ্ধ পোস্ট,.......আসা করা যায় অনেকের ভ্রান্ত ধারণা পরিস্কার হবে। মাইনাস।
হোসাইন১৯৫০ বলেছেন:
ক্ষুধার্ত শিশুর মা দেশে দেহ বেঁচে যায় , জ্ঞানী বুদ্ধিজীবি ঈশ্বরের তর্কে যায় .............. হায়রে বুদ্ধিজীবি , গণিকা যে ধর্ম বুঝে না ।
ভদ্র বলেছেন:
একমুখী আলোচনা। ব্লগে এসব লিখা অর্থহীন। বাংলাদেশের বড় বড় মাদ্রাসায় গিয়ে তাদের সামনে এসব তথ্য তুলে ধরে তাদের নিকট থেকে জেনে তারপর কথা বলা উচিত।
ভদ্র বলেছেন:
১+২+৩+৪+৫=১৫-২-১-৫-৩-৪=০আপনি শুধু আপনার ধারণার পক্ষে যোগ সংক্রান্ত জ্ঞানই (১+২+৩+৪+৫=১৫) উল্লেখ করলেন। বাকীগুলো করলেন না। যে ব্যক্তি ইসলাম সম্পর্কে যত বেশী জেনেছে সে তত মুসলমান হয়েছে। আপনি আরও জানুন।
ভদ্র বলেছেন:
যে সব হাদীসের বইয়ের উৎস দিলেন। সেগুলোর লেখকও মুসলমান। কেন? চিন্তা করেন।
মাহমূদ হাসান বলেছেন:
হাদারাম কোথাকার।
ভদ্র বলেছেন:
@ লেখক বলেছেন:"""""কোরানের আয়াত উল্লেখ করে বলেন যে কেন উপরেল্লেখিত চারটি কবিতা সুরে এখলাসের চেয়ে উন্নত হবে না? (বিদ্র: আপনার ব্যাখ্যা নয়, কিংবা কোরান বিশেষজ্ঞের ব্যাখ্যা নয়, কোরানের আয়াত উল্লেখ করে বলুন যে কি এমন কোরানের প্রতিটা সুরায় আছে যা উপরে চারটি কবিতায় নেই)।"""""----বোঝা যাচ্ছে কোরআনের সুর, অর্থ সম্পর্কে আপনার কোন ধারণা হয় নি। বারবার পড়ুন। কোরআনের প্রতিটা সূরায় কি আছে তা কোরআন পড়লে নিজ থেকে উপলব্ধি করা যায়।
উদাহরণতঃ আপনি কোন মানুষের সাথে সর্বক্ষণ থাকলে তার সম্পর্কে আপনি নিজ থেকে জানতে পারবেন। অন্য কারও সাহায্য প্রয়োজন হওয়ার কথা নয়।
আপাতত নিচের লিংকসমূহ দেখে আসুনঃ
Click This Link
Click This Link
অতঃপর 'চিন্তাভাবনার স্বরুপ' (Click This Link)শিরোনামে লিখাটি পড়ে নিন।
এবং ইমাম গাজ্জালী রচিত 'এহইয়াউ উলূমিদ্দীন' বইটি পড়ুন।
shr বলেছেন:
সত্য কোনো বিষয়কে ট্রিলিয়ন বার মিথ্যা বললেও তা মিথ্যা বলে প্রমাণীত করা যাবেনা। এখন সামু তে অনেক পেইড এজেন্ট আছে যাদের কাজ হচ্ছে নাস্তিকতা আন্দোলন। এতো চিল্লা চিল্লি কইরা কি লাভ। পৃথিবীর তো হাজার বয়স হইলো কিন্তু এখন পর্যন্ত তো মহা নির্বোধ নাস্তিক গুলা কোরআন শরীফ এর আয়াতের মতো একটা লাইন লেখবার পারলোনা। ছাগল যেমন তার সারা জীবন শুধু ভ্যা ভ্যা ই করতে পারে কিন্তু মানুষের মতো একটা শব্দ করতে পারেনা তেমনি নাস্তিকেরাও হচ্ছে সে ধরনের নির্বোধ পশু। শুধুই আল্লাহ নাই আল্লাহ নাই (নাউযুবিল্লাহ) বইলা চিল্লায় কিন্তু দুনিয়া থেইকা একদিন সে নিজেই নাই হইয়া যায়। নাস্তিক দের পোষ্ট পড়া ও উচিৎ না এবং তাদেরকে বয়কট করা উচিৎ। পোষ্ট এর বিষয়বস্তু দেখেই তা না পড়া উচিৎ, কারণ এই যে জনাব সাহোশীর পোষ্ট পড়ে সবাই কমেন্ট করছে তাতে তার উৎসাহ বাড়ছে। ভাবা ধরকার পাগলে কিনা বলে। তাই আসুন সবাই নাস্তিকদের পোষ্ট পড়লেও তাতে কোনো কমেন্ট করবোনা (সেগুলো পড়ার ই দরকার নাই)। জগতে এতো কিছু পড়ার থাকতে কিছু রামছাগল দের পোষ্ট পইড়া আজাইড়া সময় নষ্ট করার কি দরকার। কারণ তারা পোষ্ট এর কমেন্ট এর সংখ্যা দেখে নিজেকে গর্বভতি ভাবে। আর আমাদের মডারেটররা নাস্তিকদের কখনোই ব্যান্ড করেনা। যে তার সৃষ্টিকর্তাকেই অস্বীকার করে তার ...........সম্পর্কে সন্দেহ...........
turborx15 বলেছেন:
@ all..........apnar muslim vai apanara jara allah ke believe koren tara nastik theke dure thakun...nastikra sudhu udvrot prosno kore manus ke bipode fele...nastik der hajar vuleo kaj hobe na...tara sudhu jamelar jonnoi eisob udvrot qus kore.... tai tader eisob udvrot qus er ans na diye nastik der bolun....tomader kotha ami mene nibo...tar age bolo tomader eisob tothakothito sotter subidah ki?....dekhben nastikra okopote ans dibe seisbo kajer ....jar sobi onnnay...ottachar,,,,bavichar...julum...!!! ..karon jar kno voy nai...tar darai sokol onnnay...ottachar,,,,bavichar...julum...somvob...tai muslim vai der ke amr unorod apnara nastik der kothay bicholito hobe na.....
Muhammad (S.A.V) ekbar sahbider bolen.... keyamoter age muslim der oneek boro boro gunah map kore deya hobe oneek choto uchilay...tokhon sahabia bolechilo kno?...
Muhammad (S.A.V)...utttore bolen....karon tokhon islam er upore chola hobe gorom tawer upore thaka....r tomra amake dekhe mano...r tara amake na dkehe manbe.....!!!
ei gorom tawer fol ta amara ekhon dekhtasi...islam er nitior upore cholte gelei ashe...nastik der badha....muhammad (s.a.v) er sunnot mante giye je aj amra dari ta rakhbo ...sei dari ta rakhte gelei 1st badha dey oi lokeri wife...je tar sathei thake...tar mane ekhon badaha to suru hoyeceh nijer ghor thekei,,, tarporo apnara allah ke bissash koren......islam er nitior upore cholte jeno paren...sei doa kori....Amin.....allah sokol nastik der tumi hedayet dau....
Muslim vaiye ra apnare nastik der dekhe bicholi hoyen na....Allah tala quran e oneek ageo bolechen...keyamoter age islam er upore oneek akkromon asbe...R ekhon apnara ta dekhtesen ....muslim der opore nastik der akkromon...tai quran er kotha jokhon nijei dekhlen tai apnader uchit iman ke aro mojbut kora ..karon keyamot tokhoni hobe jokhon allah er nam neyar moto kew thakbe na....... mumin ra nastiker kotha sune vul pothe jay na...nastik der kotha sune mumin der iman aro mojbut hoy sei kotha ta nastik der jana uchit....!!!
@ Duniar sokol nastik......manus jokhon kno company te chkuri kore tokhon oi loker kaj thake company aro establish kora...tar unnoti kora...r er binimoye malik take beton dey...kormocharir kaj thake na je malik company ta kivabe banaise....?????.....r ei kaj jodi office bose kore tahole oi kormocharir beton to durer kotha chakuri koy din thake seita vabar bishoy....R apnar nastikera sei company kivabe banano hoise sei kothai vabtesen....chakuri r koydin apnader ache sei chinta ekhon koren!!!!
“Allah sokol nastik der tumi hedayet dau....sobai bolun Amin……”
মাহফুজশান্ত বলেছেন:
কে কি বলল সেটা বড় কথা নয়, আল-কোরআন যে তার স্বমহিমায় প্রকৃত অবস্থাতেই সংরক্ষণ করা হয়েছে তা হযরত ওসমান (রাঃ) বক্তব্য থেকেই স্পষ্টভাবে বুঝে নেয়া যায়-`Uthman said, "Leave it (where it is), O son of my brother, for I will not shift anything of it (i.e. the Qur'an) from its original position."
মাহফুজশান্ত বলেছেন:
এইবার আপনি একটু চেষ্টা করে দেখেন দেখি- আল-কোরআনের কিছু পরিবর্তন করতে পারেন কিনা। আপনার সব বস্ ও চ্যালাদের সঙ্গে নিয়ে নেমে পরুন। কি পারবেন নি? না না, কখনই পারবেন না। অতীতেও পারেন নাই, বর্তমান এবং ভবিষ্যতেও পারবেন না।
মেঘলা আকাশ ও বিষন্ন মন বলেছেন:
তুমি নির্বোধ জ্ঞানী। অনেক কিছুই বলতে পারতাম, এতো কমেন্টের পর আর কিছু বলতে মন চাইলো না। শুধু এই টুকু বলবো আরো ভালোভাবে ইতিহাস জানো। আর তওবা করে আল্লাহর কাছে করুনা ভিক্ষা চাও।
কাজিম কামাল বলেছেন:
একটা সূরায় বিসমিল্লাহ নাই, অন্য সুরায় দুই বার আছে। ১১৪ সংখ্যা মিলিয়ে দিতে।কোরান এর mathematical কিছু নিয়ম আছে......।জেনে নিবেন...।।
মুনতাসির বিল্লাহ মুন্না বলেছেন:
-------------------------------------------------------------------------------------
ভাবসাধক বলেছেন:
মেঘলা আকাশ ও বিষন্ন মন বলেছেন: তুমি নির্বোধ জ্ঞানী। অনেক কিছুই বলতে পারতাম, এতো কমেন্টের পর আর কিছু বলতে মন চাইলো না।
শুধু এই টুকু বলবো আরো ভালোভাবে ইতিহাস জানো। আর তওবা করে আল্লাহর কাছে করুনা ভিক্ষা চাও।
প্রভাষক বলেছেন:
আফসোস... এসব তার্কিক-রা আর নেই... অন্ততঃ আমি আর ব্লগে দেখি না!!!... এমন দুর্দান্ত লেখা!!!... আমি শুনেছিলাম... ব্লগে এখন না-কি আর এসব লেখক লেখেন না!!!... কেউ কি তাদের ঠিকানা দিতে পারবেন???...প্লাস এবং সোজা প্রিয়তে...
ধন্যবাদ...
আলনূর বলেছেন:
আল্লাহ্ তায়ালা নিখুঁত ও পরিপূ্র্ণরূপে কোরআন নাজিল করেছেন এবং বলেছেন যারা বিশ্বাস সহকারে কোরআন পড়ে তাদের জন্য হেদায়েত রয়েছে। কোরআন চ্যালেন্জ্ করেছে নতুন কোন সূরা তৈরী করার যেখানে আল্লাহ্ তায়ালা যা বলেছেন তা ব্যতীত অন্য কথা থাকবে। আপনিতো সূরা এখলাছের অনুরূপ কথাই ভিন্ন ভাষায় তুলে দিয়েছেন।
আল্লাহ্ তায়ালা কি বুঝাতে চেয়েছেন তা আগে ভাল করে বুঝুন এবং তারপর উত্তর দিন।
অপ্রিয় হলেও সত্য, হাতী-ঘোড়া গেল তল .....কত জল।
সূরা বাকারায় আছে: যাদের অন্তরে মরিচা ধরেছে আল্লাহ্ তাদের অন্তরের মরিচা আরো বাড়িয়ে দেন।
তওবা করে আল্লাহর কাছে করুনা ভিক্ষা চান, নিশ্চয়ই আল্লাহ্ সঠিক পথের সন্ধান দিবেন।
আলনূর বলেছেন:
পবিত্র কোরআন এ সব কথা আল্লাহ বলে দিয়েছেন, আপনার কষ্ট করে কোন সূরা তৈরী করতে হবেনা
লড়াকু বলেছেন:
+
নাম তার সজীব বলেছেন:
লেখক লেখাটি ব্মলগে প্রকাশ করে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে ঘোলা পানিতে মৎস্য শিকার করার চেষ্ন্তটা করেই খালাস। পকাশিত মন্তব্যের যুক্তিসংগত কোন জবাব তিনি দেন নাই অথবা জবাব দিবার ক্ষমতা নেই, যা নাস্তিক হিসেবে কলংকজনক।আশা করব তিনি আরো আরো খোড়াযুক্তি দিয়ে জবাব দেওয়ার চেষ্টা করবেন। সেই সাথে আমাদের বিশ্বাসকে আরো সুদৃঢ় করতে সাহায্য করবেন।লেখক বলেছেন: ভাই যত যুক্তি নিয়েই আসি না কেন, তাল গাছটা আপনাদের ছিল, আছে, এবং থাকবে।
আমাদের কি দোষ বলেন? কোরানে তো আল্লাহ নিজেই বলে দিয়েছেন
"Allâh has set a seal on their hearts and on their hearings, (i.e. they are closed from accepting Allâh’s Guidance), and on their eyes there is a covering. Theirs will be a great torment।" (২:৭)
আশরাফ উজ জামান বলেছেন:
হাদিসের রেফারেন্স টেনে আপনি কুরআন এর ব্যাপারে প্রশ্ন তুলছেন - এই হাদিস সংগ্রহ কবে হয়েছিল বলতে পারেন? আমি যতটুকু জানি রাসুলুল্লাহ (সতবে আপনার মেহনত এর জন্য ধন্যবাদ. বিষয়টি নিয়ে আরো স্টাডি করে আপনি হয়ত আমাদের আরো নতুন কিছু তথ্য দিতে পারবেন।
আশরাফ উজ জামান বলেছেন:
হাদিসের রেফারেন্স টেনে আপনি কুরআন এর ব্যাপারে প্রশ্ন তুলছেন - এই হাদিস সংগ্রহ কবে হয়েছিল বলতে পারেন? আমি যতটুকু জানি রাসুলুল্লাহ (স) এর মৃত্যুর প্রায় ২০০ বছর পর হাদিস সংগ্রহ শুরু হয়। এবং এটা এখন সবাই স্বীকার করেন যে অনেক হাদীসই রাসুলুল্লাহ এর কাছ থেকে আসেনি - ফায়দা লোটার উদ্দেশ্যে কিছু মানুষ রাসুলুল্লাহ এর নাম দিয়ে চালিয়ে দিয়েছে। সুতরাং কুরআন এর কোনো কিছু নিয়ে প্রশ্ন তোলার আগে খুব ভালো ভাবে চিন্তা ভাবনা করে এগোনো ভালো। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন যেখানে বলেছেন "এটি এমন এক কিতাব যাতে কোনো সন্দেহ নেই" সেখানে গুটিকয় হাদিসের উপর ভিত্তি করে এ ব্যাপারে প্রশ্ন তোলা কতটুকু যুক্তিযুক্ত ভেবে দেখা প্রয়োজন। আর একটা অনুরোধ - কুরআনের ব্যাপারে কোন প্রশ্ন তোলার আগে পুরো কুরআন একবার অর্থ বুঝে ভালো ভাবে পড়ে নিন। জানেনই তো - "অল্প বিদ্যা ভয়ঙ্করী"।একজন উকিলও কিন্তু মামলা লড়ার আগে সেটা ভালমত স্টাডি করেন। শক্ত কোন প্রমান ছাড়া স্পর্শকাতর একটা বিষয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য মাইনাস।মানুষের সৃষ্টি কোন কিছুই শতভাগ নিখুত নয়, সুতরাং আপনার কথা অনুসারে কুরআনেও অনেক গরমিল থাকার কথা। দু একটা নিয়ে আসুন দয়া করে।তবে আপনার মেহনত এর জন্য ধন্যবাদ। বিষয়টি নিয়ে আরো স্টাডি করে আপনি হয়ত আমাদের আরো নতুন কিছু তথ্য দিতে পারবেন।
শয়তানেকচুয়াল বলেছেন:
@ সাহোশি৬: যদি কোনোদিন তোরে সামনে পাই, তাহলে যেকোন ১টা ব্যাপার ঘটবে... হয় তুই মাটিতে গইড়াবি অথবা আমি। শালা ছাগুর লাদি কোথাকার।
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন:
িিিিিিিিি
ভাবসাধক বলেছেন:
আর যদি আপনি আল্লাহর অস্তিত্বেই বিশ্বাস না করেন, তা হলে আপনার কাছে সব কিছুই গোলমেলে মনে হবে - তখন আপনাকে শুরু করতে হবে আল্লাহর অস্তিত্বের প্রমান নিয়ে।
জাওয়াদ তাহমিদ বলেছেন:
সব্বাইরে একটা পরিষ্কার কথা বলি। নাস্তিকেরা হল মুসলিমদের জন্য দুনিয়ার পরীক্ষার একটা অংশবিশেষ। এদের কথা শুনে যে বিচ্যুত হবে সে ফেল আর ইমানে অটল থাকবে সে পাশ।
সুতরাং এদের কাজ এরা করে যাক, আমাদের কান দেয়ার দরকার নাই। কুরআন আল্লাহ নিজ দায়িত্বে লাউহে মাহফুযে সংরক্ষন করে রেখেছেন। দুনিয়াতে কুরানের কপির প্রতি যে অশ্রদ্ধা করবে তার উপর আল্লাহর লানত পড়ুক। কুরানের কয়েকটা কপি পোড়ালেই যে তা ধ্বংস হবেনা এটা মুর্খরা বোঝেনা।
নাস্তিকেরা যুগ যুগ ধরে আমাদেরকে ডাইভার্ট করার চেস্টা চালাচ্ছে। এদের কথায় মুসলিমদের কান না দেয়াই ভাল। তবে নাস্তিকদেরকে আমি ধন্যবাদ দেই এই জন্য যে তারা আ,আদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে যা মুস্লিম হিসাবে আমাদের বেশিরভাগ এরই নিজের ধর্ম সম্পর্কে জ্ঞান কত কম। আমাদের সজাগ হওয়ার সময় হয়েছে।
অলবাস বলেছেন:
ও নাস্তিক ভাই গেলেন কই।এমনেই কিবোর্ডে হাত দিতে চাইনা কিন্তু আপনারে একটা কথা না কইয়াও পারলামনা। আপনে সূরা এখলাসের মত কয়েকটা লেখা দিছেন। কিন্তু কথা হইলো গিয়া সব গুলানই তো এখলাসের বিকৃত রূপ।
এমন কিছু আবিস্কার করেন না ভাই, যেগুলা ইতিপুর্বে দুনিয়ার কেউ জানতোনা। তাইলে আপনের লগে একমত হইতাম আরকি, হেহেহেহহেহ।
দ্রাবিড় দোলন বলেছেন:
এমন কিছু আবিস্কার করেন না ভাই, যেগুলা ইতিপুর্বে দুনিয়ার কেউ জানতোনা>E=mc2 আপনার নবী জানতো?
দ্রাবিড় দোলন বলেছেন:
এমন কিছু আবিস্কার করেন না ভাই, যেগুলা ইতিপুর্বে দুনিয়ার কেউ জানতোনা>E=mc2 আপনার নবী জানতো?
মুহাম্মদ মইনুল হুদা বলেছেন:
ফাউল যত্তোসব!
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন:
কাঙ্গাল মুরশিদ মানুষের জ্ঞান বুদ্ধি যখন যথেস্ট পরিপক্ক হয়েছে তখন তিনি পাঠিয়েছেন কোরআন এবং একেই কেয়ামত পর্যন্ত মানুষের হেদায়াতের উপায় হিসেবে ঘোষনা করেছেন, বলেছেন এর পরে আর কোন নবী, রাসুল বা আসমানী কিতাব আসবে না।
কাঙ্গাল মুরশিদ আপনি এই কথা গুলি কোথায় পাইলেন একটু দয়া করে বলবেন? এই কথাগুলি কোরআনের কোথায় আছে? কোন সূরা বা আয়াতে আছে।
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন:
লুতফুল বারি পান্না আপনি যে কেবল মহা জ্ঞানী তা আপনার এই কমেন্ট পড়ে মনেহলো। আপনি বলেছেনএকটা সুরায় কেন বিসমিল্লাহ আসেনাই সেইটা- বিশেষ কারো ইচ্ছায় হয়ে থাকে তাহলে তিনি কেন সেই বিশেষ সুরাটার জন্যই বিসমিল্লাহ বাদ রাখলেন কেন? চাইলে তো সব সুরার জন্যই বাদ করে দিতে পারতেন। সেই ৯ নং সুরা বা সুরা তাওবাহ তার কাছে এমন কি বিশেষ অপরাধ করেছে।
আপনিকি জানেন কেন এই তওবা সূরায় বিসমিল্লাহ নাই? জানেন না। তবে বাংলাদেশে সরকার অনুমোদিত কোরআন হলো ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর কোরআন। সেটা পড়ে দেখুন তাতে বিসমিল্লাহ আছে। কেন ছিলো না বা কেন তারা বিসমিল্লাহ দিলেন সেটা ভালো করে দেখুন।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















