আমার প্রিয় পোস্ট
- ধর্মের ভৌতিকতা কিম্বা ভুত'আশ্রয়ী ধর্মের অম্লঃপরীক্ষা ... ০১ ... - মনির হাসান
- ফটো ব্লগ-মহাকবি মাইকেল মধুসুদন এর বাড়িতে একদিন - মুনীর উদ্দীন শামীম
- গণতন্ত্র নাকি বিকল্প পথ? লিখেছেন সাহোশি৬ - ধীবর
- কোরআনের সংরক্ষণ।-১ - কুম্ভকর্ণ
- ১৭-ই রমজান ইসলামের ইতিহাসের প্রথম যুদ্ধ এই দিনে হয়েছিলো - অভ্র
- পুরুষ রচিত ধর্মে বিকলাঙ্গ নারী - শেষ পর্ব - আরিফুর রহমান
- প্রিয় কবি হুমায়ুন আজাদ - রিয়াজ শাহেদ
- মুক্তিযুদ্ধের কিছু প্রামান্য বইয়ের তালিকা - ফারহান দাউদ
- একাত্তর নিয়ে যে বইগুলো পড়া দরকার : : একটি তালিকা - শাহিন০৩
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা- ৩০ (খেলাঘর--নির্মলেন্দু গুণ)] - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- কোরান সংকলনের ইতিহাস- 4 - অপ বাক
- কোরানের সংকলনের ইতিহাসের প্রারম্ভিকা - অপ বাক
- ক্যাচালের আল-কোরান বিষয়ে সাতটি প্রশ্ন - সুশীল সমাজ
কোরান অবিকৃত অবস্থায় সংরক্ষিত হয় নি
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৪১
কিছুদিন ধরে এই ব্লগে কোরান অবিকৃত অবস্থায় সংরক্ষিত হয়েছে কি হয় নাই এ ব্যাপারে আলোচনা চলছে। সেই আলোচনার সূত্রপাত ধরেই আমি বলতে চাই কোরান অবিকৃত অবস্থায় সংরক্ষিত হয় নি। [মূল আলোচনায় যাবার পূর্বে আমি সকলকে একটা অনুরোধ করতে চাই, দয়া করে ব্যক্তি আক্রমণ করবেন না। কোরান এবং সুন্নাহর ব্যাপারে আপনার যদি কোন মন্তব্য থাকে তাহলে সানন্দে দিন কিন্তু ব্যক্তি আক্রমন করা ঠিক না।]
আমার বক্তব্যকে আমি প্রধান তিনটি ভাগে ভাগ করতে চাই । প্রতিটি ভাগের স্বপক্ষে আমি হাদিস উল্লেখ করে আমার বক্তব্যকে সমর্থন করব।
১। কোরান পরিপুর্ণভাবে সংগ্রিহীত হবার পুর্বেই কোরান সংরক্ষনের কাজ শুরু হয় যা কোরানকে পূর্নতা দেয় নি
উমর আবু বকর কে অনুরোধ করেন যেন লিখিত ফর্মে কুরআন সংরক্ষণ করা হয়। আবু বকর একটা কমিটি করেন যারা বিচ্ছিন্নভাবে ছড়ানো ছিটানো সংরক্ষিত কুরআনের একটা অথরিটেটিভ কপি করেন(১)। এই কপিটাকে "মুশাফ"( loose sheets which bore the entire revelation on them) বলা হত। মুশাফে যাতে কোনরকম ভুলভ্রান্তি না থাকে সেজন্য কমিটি লেখা গ্রহণ করার জন্য দু'টা শর্ত জুড়ে দিয়েছিলেন(২)
i) শুধুমাত্র সেসব কপিই গ্রহণ করা হবে যা হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ)-এর উপস্থিতিতেই সংরক্ষণ করা হয়েছিল। (এবং)
ii) কমপক্ষে দুজন বিশ্বাসযোগ্য সাক্ষী এই মর্মে ঘোষণা দিবেন যে তারা রাসুল (সাঃ) কে এই আয়াত আবৃত্তি করতে নিজের কানে শুনেছেন।
এবার আসুন দেখি এ ব্যাপারে হাদিস কি বলে?
Bukhari: vol. 6, hadith 509, p. 477; book 61
Narrated Zaid-bin-Thabit:
Abu Bakr As-Siddiq sent for me when the people of Yama-ma had been killed (i.e. a number of the prophets companions who fought against Musailama). (I went to him) and found Umar bin Al-Khattab sitting with him. Abu Bakr then said to me, "Umar has come to me and said: `Casualties were heavy among the Qurra of the Qur'an (ie those who knew the Qur'an by heart) on the day of the battle of Yama-ma, and I am afraid that more heavy casualties may take place among the Qurra on other battle fields, whereby a large part of the Qur'an may be lost. Therefore I suggest that you (Abu Bakr) order that the Qur'an be collected'." I said to Umar, "How can you do something Allah's Apostle did not do?" Umar said, "By Allah, that is a good project". Umar kept on urging me to accept his proposal till Allah opened my chest (persuaded me) for it and I began to realise the good idea which Umar had realised.
উপরের হাদিসে এটা স্পষ্ট মোহাম্মদের জীবদ্দশায় পুরো কোরান collection শেষ হয় নাই। তাই তো আবু বকর উমরকে বললেন "How can you do something Allah's Apostle did not do?" যদি মোহাম্মদের জীবদ্দশায় কোরান পুরোপুরি সংগৃহিত হয়ে না থাকে তাহলে আবু বকর কিভাবে সেসব কপিই গ্রহণ করলেন যা শুধু মোহাম্মদের উপস্থিতিটেই সংরক্ষণ করা হয়েছিল? এতে কি এটা প্রমান হয় না যে কোরান পরিপুর্ণভাবে সংগ্রিহীত হবার পুর্বেই কোরান সংরক্ষনের কাজ শুরু হয় যা কোরানকে পূর্নতা দেয় নি।
উমরের সংরক্ষিত কোরান হাফসার (উমরের মেয়ে) কাছে ছিল যা থেকে পরবর্তীতে উসমান অসংখ্য কপি করে বিলি বন্টন করেন।
২। কোরানে মোহাম্মদের সময়কার অনেক আয়াত লিপিবদ্ধ হয় নি আবার এমন অনেক আয়াত কোরানে সংযুক্ত হয়েছে যার সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন আছে
Bukhari: vol. 6, hadith 521, pp. 487-488; book 61
Narrated Masruq:
... I heard the Prophet saying, "Take (learn) the Qur'an from four (men): `Abdullah bin Masud, Salim, Mu'adh and Ubai bin Ka'b."
লক্ষ্য করুন উপরের হাদিসে মোহাম্মদ মাসুদ এবং উবাই এর কাছ থেকে কোরান শিখতে বলেছেন । এবার নীচের হাদিসটি দেখুন
Muslim: vol. 4, hadith 6022, p. 1312; book 29
`Abdullah (b. Mas'ud) reported that he (said to his companions to conceal their copies of the Qur'an) and further said: He who conceals anything he shall have to bring that which he had concealed on the Day of Judgement, and then said: After whose mode of recitation do you command me to recite? I in fact recited before Allah's Messenger (may peace be upon him) more than seventy chapters of the Qur'an and the Companions of Allah's Messenger (may peace be upon him) know it that I have better understanding of the Book of Allah (than they do), and if I were to know that someone had better understanding than I, I would have gone to him. Shaqiq said: I sat in the company of the Companions on Muhammad (may peace be upon him) but I did not hear anyone having rejected that (that is, his recitation) or finding fault with it.
উপরের লেখা থেকে এটা স্পষ্ট যে Ibn Mas'ud কখনোই উসমানের সংরক্ষিত কোরান মেনে নেন নি। অথচ মোহাম্মদ তার এক হাদিসে মাসুদের কাছ থেকে কোরান শিখতে বলেছিলেন। এবার নীচের হাদিসটি দেখুন
Mishkat Al-Masabih: book 8, ch. 3, last hadith [4]
Ibn Abbas said he asked Uthman[1] what had induced them to deal with al-Anfal[2] which is one of the mathani[3] and with Bara`a[4] which is one with a hundred verses, joining them without writing the line containing "In the name of God, the Compassionate, the Merciful,"[5] and putting it among the seven long ones. When he asked again what had induced them to do that, Uthman replied, "Over a period suras with numerous verses would come down to God's messenger, and when something came down to him he would call one of those who wrote and tell him to put these verses in the sura in which such and such is mentioned, and when a verse came down he would tell them to put it in the sura in which such and such is mentioned. Now al-Anfal was one of the first to come down in Medina and Bara`a was among the last of the Qur'an to come down, and the subject-matter of the one resembled that of the other, so because God's messenger was taken without having explained to us whether it belonged to it, for that reason I joined them without writing the line containing `In the name of God, the Compassionate, the Merciful,' and put it among the long suras."
এই হাদিসে স্পষ্ট সে সময়কার মোসলমানেরা উসমানকে প্রশ্ন করেছিলেন "In the name of God, the Compassionate, the Merciful", এই আয়াতটি ৯ নম্বর সুরায় নাই কেন? মুসলমানদের মতে এই আয়াতটি ঐ সুরায় থাকা উচিৎ ছিল, অথচ উসমান চান নি বলেই ঐ আয়াতটি কোরানে সংরক্ষিত হয় নি।
আবার দেখুন,
Bukhari: vol. 6, hadith 60, p. 46; book 60
Narrated Ibn Az-Zubair:
I said to `Uthman, "This Verse which is in Surat-al-Baqara: `Those of you who die and leave wives behind............ without turning them out,' has been abrogated by an other Verse. Why then do you write it (in the Qur'an)?" `Uthman said, "Leave it (where it is), O son of my brother, for I will not shift anything of it (i.e. the Qur'an) from its original position."
উপরের হাদিস দ্বারা এটা স্পষ্ট Ibn Az-Zubair চাইছিলেন যে আয়াতটি কোরান থেকে মোছা হোক, কিন্তু উসমান চাইছিলেন যে আয়াতগুলো থাকুক, তাই আধুনিক কোরানে উপরের আয়াতগুলো বিদ্যমান।
৩। মোহাম্মদের পর বিভিন্ন সময়ে কোরান পরিবর্তিত হয়েছে[/su
Bukhari: vol. 6, hadith 468, p. 441-442; book 60
Narrated Ibrahim:
The companions of 'Abdullah (bin Mas'ud) came to Abi Darda', (and before they arrived at his home), he looked for them and found them. Then he asked them,: "Who among you can recite (Qur'an) as 'Abdullah recites it?" They replied, "All of us." He asked, "Who among you knows it by heart?" They pointed at 'Alqama. Then he asked Alqama. "How did you hear 'Abdullah bin Mas'ud reciting Surat Al-Lail (The Night)?" Alqama recited:
'By the male and the female.' Abu Ad-Darda said,
"I testify that I heard me Prophet reciting it likewise, but these people want me to recite it:--
'And by Him Who created male and female.' But by Allah, I will not follow them."
এই হাদিস দ্বারা এটা স্পষ্ট ভিন্ন অন্চলের মুসলিমরা ভিন্ন ভিন্ন উচ্চারনে কোরান পড়তেন। যারা 'Abdullah bin Mas'ud এর কাছে কোরান শিখেছিলেন তারা কোরানের 92:1-3 আয়াত পড়তেন 'By the male and the female.' , আর অন্য মুসলিমরা একই আয়াত পড়তেন 'And by Him Who created male and female.' সুতরাং এ থেকেই বোঝা যাচ্ছে যে ইসলামের শুরুতেও মুসলিমরা একই way তে কোরান মুখস্ত করেন নি। সুতরাং প্রথম থেকেই কোরানের উচ্চারনজনিত সমস্যা ছিলই, যা মোহাম্মদের মৃত্যুর পর প্রসার লাভ করে।
আবার দেখুন
Bukhari: vol. 8, hadith 817, p. 539-540; book 82
Allah sent Muhammad with the Truth and revealed the Holy Book to him, and among what Allah revealed, was the Verse of the Rajam (the stoning of married person (male and female) who commits illegal sexual intercourse), and we did recite this Verse and understood and memorized it. Allah's Apostle did carry out the punishment of stoning and so did we after him. I am afraid that after a long time has passed, somebody will say, `By Allah, we do not find the Verse of the Rajam in Allah's Book,' and thus they will go astray by leaving an obligation which Allah has revealed.
উপরের হাদিস থেকে এটা স্পষ্ট যে উমর convinced ছিলেন stoning an adulterer কোরানের অংশ ছিল এবং কোরান থেকে মুছে ফেলা হয় নি। অথচ আধুনিক কোরানে এই আয়াতগুলো নেই। এটা দিয়ে কি প্রতিয়মান হয় না যে উমরের দল দ্বারা সংরক্ষিত কোরানেও edition এবং selection হয়েছে?
শুধু ওসমানের সময়ই নয়, উমরের সময়ও কোরানে পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। সুতরাং বর্তমান কোরান আর মোহাম্মদের সময়ের কোরান এক নয়।
রেফারেন্স
১. Saheeh Al-Bukhari Vol.6, Hadith Nos.201 & 509; Vol.9, Hadith No.301.
২. Ibn Hajar al-’Asqalani, Fath al-Bari, Vol.9, p.10-11
৩। Click This Link
বেয়াকুফ বলেছেন:
+
মানুষের পৃথিবী বলেছেন:
প্রিয়তে নিশ্চয়ই।
না বলা কথা বলেছেন:
দুনিয়ায় এত কিছু থাকতে,এই ব্যাপার নিয়া উথলা হইলা ক্যান?
অনিন্দিতা ০১ বলেছেন:
+
না বলা কথা বলেছেন:
প্রতিদিন ব্লগ খুললেই এই ব্যাপার নিয়ে চটকাচটকি,আর একেক জনের পান্ডিত্যের কি অবস্থা।
যে দেশে এতো বুদ্ধিজীবীর দল, হে দেশের এ অবস্থা ক্যান?
জ্বিনের বাদশা বলেছেন:
"আমি আমার আগের লেখায় Bukhari: vol. 6, hadith 509, p. 477; book 61 হাদিসটি উল্লেখ করে দেখিয়েছি যা মোহাম্মদের জীবদ্দশাতে কোরান সংগ্রহই (collection) শেষ হয় নাই, তাহলে আবুবকর কিভাবে সেসব কপিই গ্রহণ করলেন যা শুধু মোহাম্মদের উপস্থিতিটেই সংরক্ষণ করা হয়েছিল?"কোরান সংগ্রহই শেষ হয়নাই বলে কি বুঝালেন?
কোরানের আরো আয়াত আসা বাকী ছিলো? নাকি, বিক্ষিপ্তভাবে কোরানের আয়াতগুলো যে লিখিতভাবে সংরক্ষিত ছিলো সেখানে সব আয়াত সংরক্ষিত ছিলোনা?
আমি তো হাদীসটা পড়ে যেটা বুঝলাম সেটা হলো, সব আয়াতই কোথাও না কোথাও সংরক্ষিত ছিলো, কারণ তা না হলে উমর (রাঃ) প্রস্তাবটাই দিতেননা, তাইনা?
আবুবকর (রাঃ) কালেকশন বলতে যেটা বুঝিয়েছেন সেটা কি এটাই না যে "সব আয়াতকে একসাথ করে পূর্ণাঙ্গ কোরানের একটা লিখিত সংস্করণ" নবীর আমলে করা হয়নি? সেটার মানে তো এই না যে বিক্ষিপ্তভাবে থাকা প্রত্যেক আয়াতই লিখে রাখার সময় বা মুখস্থ করার সময় মোহাম্মদ (সাঃ) এর কনফারমেশন নেয়া হয়নি।
প্রশ্নটা শুধু সব একসাথ করা হয়েছে কি হয়নি, সেখানেই।
আপনি বলেছেন ইবনে মাসুদ(রাঃ) কখনই উসমানের কোরান মেনে নেননি -- এটা কি ঠিক? ইবনে মাসুদ(রাঃ) প্রথমে বিরোধিতা কর্বছিলেন, যখন বলা হয়েছিলো তাঁর কাছে যে কপিটা ছিলো সেটা পুড়িয়ে ফেলতে হবে, কারণ, কুরানের সংরক্ষক হিসেবে তাঁর খ্যাতি ছিলো সবচেয়ে বেশী। পরে যখন তাঁকে বোঝানো হলো যে তাঁর সংরক্ষিত কপিতে মার্জিনের বাইরে তাঁর নিজের লেখা প্রচুর ফুটনোট ছিলো, যেকারণে সেই কপিটা সংরক্ষিত থাকলে পরবর্তিতে ইবনে মাসুদ (রাঃ)র লেখা ফুটনোটকেও মানউষ কোরানের আয়াত বলে ভুল করতে পারে, সেজন্য তাঁর কপিটি পুড়িয়ে ফেলা হবে, তখন তিনি সেটা মেনে নিয়েছিলেন। শুধু এনসারিং-ইসলাম.অরগ এ লেখা অংশটা থেকে পুরো ইতিহাস বুঝে ফেলতে গেলে কিন্তু হবেনা, আপনি সেই ইতিহাসটা পুরো পড়তে পারেন।
ইবনে মাসুদের ইতিহাস নিয়ে আশা করি পরে আপনাকে ভালো কোন বই রিফার করতে পারবো, এখন মনে আসছেনা।
আপনি প্রথম যে পয়েন্টটা বলেছিলেন, ভ্যারিয়ান্ট রিসাইটেশন অভ কোরান, সেটা খুব লোকাল লেভেলের। উমর (রাঃ) এর সময় ইসলাম ছড়িয়ে গেলে নন-এ্যারাবদের জন্য হলেও জের-যবর-পেশ এগুলোর সংযোজন প্রয়োজন হয়। মজার ব্যাপার হলো,অনেক আবুল এটাকেও কোরানের পরিবর্তন/পরিবর্ধন বলে। এখানে মনে রাখা জরুরী যে এটা শুধু আরবী একটি নির্দিষ্ট উচ্চারণ রীতিতে পুরো কোরানের স্ট্যান্ডার্ডাইজেশন, ভাষার স্ট্যান্ডার্ডাইজেশন ডকুমেন্ট সংরক্ষণের জন্য খুবই জরুরী। একই ডকুমেন্ট কিছু অংশ নোয়াখালীর, কিছু অংশ ঢাকাইয়া আবার কিছু অংশ প্রমিত বাংলায় নিশ্চয়ই কেউ লেখেনা, একটা স্ট্যান্ডার্ড ফলো করে।
সবচেয়ে বড় যে পয়েন্ট সেটা হলো, যে হাদীসগুলোর ভিত্তিতে কোরানের সংকলনের ইতিহাসের এই রিফিউটেশন আপনি করছেন, সেই হাদীসগুলোকে কেন নির্দ্বিধায় মেনে নেয়া হচ্ছে? সেগুলোর সত্যতা সম্পর্কে আপনি এত নিশ্চিত কিভাবে?
লেখক বলেছেন: আপনার প্রশ্নের উত্তর কুম্ভকর্নের ব্লগেও দিয়েছি, এখানেও দিলাম।
আপনি বলেছেন: "সবচেয়ে বড় যে পয়েন্ট সেটা হলো, যে হাদীসগুলোর ভিত্তিতে কোরানের সংকলনের ইতিহাসের এই রিফিউটেশন আপনি করছেন, সেই হাদীসগুলোকে কেন নির্দ্বিধায় মেনে নেয়া হচ্ছে? সেগুলোর সত্যতা সম্পর্কে আপনি এত নিশ্চিত কিভাবে?"
এটাই আসল কথা, তাহলে দেখা যাচ্ছে হাদীসের ব্যাপারে কেউ কেউ প্রশ্ন তুলতে পারে। সেক্ষেত্রে বলা যায় কোরান তো লিখিত ফরম্যাটে আছে এবং মুসলমানেরা মনে করে কোরান সর্বকালের সর্ব শ্রেষ্ঠ বই এবং এই বইয়ে কোন ভুল নাই। তাহলে আসুন কোরান নিয়ে আলোচনা করি।
কোরানে আল্লাহ স্পস্টভাবে চ্যালেন্জ করেছেন মানুষ কোরানের একটি সুরার মতো সুরাও লিখতে পারবে না।
"Oh people, if you doubt the heavenly origin of this Book which We have sent down to Our servant, the Prophet, produce one surah like it." (2:23)
আশ্চর্যের ব্যাপার হলো, চ্যালেন্জ দিয়েই খালাস। যে কোন লেখাই একেক জনের কাছে একেক রকমভাবে ধরা দেয়। যেমন কোরানের কথাই ধরুন, আপনার কাছে মনে হচ্ছে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বই, অথচ একজন নাস্তিকের কাছে কোরান ১৪০০ বছর আগে লেখা একটা বই মাত্র। সুতরাং চ্যালেন্জের পাশাপাশি কোন লেখায় কি কি বৈশিষ্ট্য থাকলে সেই লেখাকে কোরানের একটি সুরা থেকে উন্নত বলা যাবে তা কোরানে অবশ্যই উল্লেখের প্রয়োজন ছিল।
যাই হোক দেখা যাক কোরানের একটি সুরা থেকে উন্নত একটি লেখা পাওয়া যায় কিনা, নীচে সুরা এখলাসের চেয়ে উন্নত লেখা দেয়া হলো:
সুরা এখলাস:
Qul Huwallaahu ahad;
Allahus-swamad;
Lam yalid wa lam yoolad;
Wa lam yakun lahu, kufuwan ahad.
অর্থ: Say: He is God, the one and only;
God, the Eternal, Absolute;
He begetteth not, nor is He begotten;
And there is none like unto Him.
ভাষা পান্জাবি, সময়: ৭ম শতাব্দী
Ik onkar, satnaam,
Kartaa purakh
Nirbhau, nirvair
Akaal murat
Ajuni saibhau
Guru prasad
অর্থ: God is one; God's name is Truth;
God is the immanent Creator;
Without fear, without enmity;
Immortal in form;
Unborn and self existent
(Known by) the grace of the Guru.
ভাষা: তামিল, সময়: ৮ম শতাব্দী
Aanallan, Pennallan,
allaa aliumallan!
Kaanalum aagaan,
ulanallan illai allan!
Penungal penum,
uruvaagum allanum aam!
Konai peridhudaithu
embemmanai koorudhale!
অর্থ: Neither male, nor female,
Nor neuter is He (by gender)!
Neither discernible, nor the existent,
Nor the non-existent is He!
He appears in whatever form conceived,
And remains other than such!
Indentifying the Lord as Narayana (by name),
Is the best of such.
ভাষা: সংস্কৃত, সময় ৪র্থ শতাব্দী
divyo hy amrutah purusah
sa bahyabhyantaro hy ajah
aprano hy amanah
subhro aksarat
pratah parah
অর্থ: He, the divine, the formless spirit;
He is the outward and the inward;
And He the unborn;
He is beyond life, beyond mind, luminous;
Supreme beyond the immutable!
ভাষা: সংস্কৃত, সময় ৫ম শতাব্দী
na tasya kascit asti loke,
na cesita naiva
ca tasya lingam,
na karanam
karanadhipadhipo
na cesya kasciji janita
na cadhipah.
অর্থ: He hath no master in all this world.
There is none that shall rule over Him.
Nor feature nor distinction hath He;
For He is begetting cause
And Sovran over the lords
of these natural organs;
But himself hath no begetter,
Neither any sovran.
আপনি যদি বলেন এগুলো একটাও কোরানের কোন সুরা থেকে উন্নত কিছু না, তাহলে আমার প্রশ্ন হবে কেন? কোরানকে প্রমান করতে বলুন উপরের একটি লেখাও কেন কোরানের একটা সুরা থেকে উন্নত হবে না? কোরান তো চ্যালেন্জ দিয়েছে যে কোরানের একটা সুরার থেকে উন্নত কোন লেখা মানব সমাজের কেউই প্রসব করতে পারবে না। এই চ্যালেন্জ গ্রহণ করে কেউ যদি উপরের লেখাগুলো দিয়ে বলে এগুলো প্রত্যেকটা কোরানের একটি সুরা থেকে উন্নত, তাহলে কোরান নিজেকে কি বলে defend করবে?
উপরের লেখাগুলোয় কি এমন অনুপস্থিত আছে যা কোরানের প্রত্যেকটি সুরায় উপস্থিত?
কোরানের আয়াত উল্লেখ করে বলেন যে কেন উপরেল্লেখিত চারটি কবিতা সুরে এখলাসের চেয়ে উন্নত হবে না? (বিদ্র: আপনার ব্যাখ্যা নয়, কিংবা কোরান বিশেষজ্ঞের ব্যাখ্যা নয়, কোরানের আয়াত উল্লেখ করে বলুন যে কি এমন কোরানের প্রতিটা সুরায় আছে যা উপরে চারটি কবিতায় নেই)।
Click This Link
জ্বিনের বাদশা বলেছেন:
আপনার তুলে ধরা প্রত্যকেটা পয়েন্টই এ্যানসারিংইসলাম ডট অরগে স্যামুয়েল গ্রীনের রচনা থেকে হুবহু একই ক্রমে এসেছে ... নেটেই স্যামুয়েল গ্রীনের প্রশ্নগুলোর অনেক উত্তর ছড়িয়ে আছে ... খুঁজলেই পাবেনলেখক বলেছেন: আমার উপরের প্রশ্নের জবাব দিন
মানুষের পৃথিবী বলেছেন:
@ না বলা কথা:
কোরানের ভুত না ছাড়ালে এ অবস্থা এক লাখ বছরেও ঘুচবে না। আমরা সেই পবিত্র দায়িত্বেই আছি। আমিন।
লেখক বলেছেন: একমত
রক্তাক্ত যোদ্ধা বলেছেন:
লজিক্যাল লেখা................
মানুষের পৃথিবী বলেছেন:
@ সকল আস্তিকদের প্রতি:
বলুন, কোরান আল্লাহ হেফাজত করেন। বলুন, আগুন লাগলে কোরান পোড়ে না। পানিতে ভিজে না। গোয়ান্তানামোয় বাথরুমে ফেলে দিতে চাইলে তা বাথরুমে পড়ে না।
বলুন, পরীক্ষার সময় মাদ্রাসার ছেলেরা মোজার ভিতর থেকে কোরানের ক্লিপিংস বের করার সাথে সাথে তাদের পায়ে কুষ্ঠ রোগ হয়।
বলুন, নিজের ঘর মসজিদকে তিনি ব্ন্যা, নদী ভাঙ্গন, সময়জনিত ক্ষয় প্রাপ্তি, বোমা হামলা ইত্যাদি থেকে রক্ষা করতে পারেন।
বলুন, রিজিকদাতা নামধারী আল্লাহর দুনিয়ায় একটি শিশুও না খেতে পেরে মারা যায় না, যায়নি। সোমালিয়ায় না, ইথিওপিয়ায় না, পঞ্চাশের মন্বন্তরে বঙ্গভূমিতে না।
বলুন, রুশদী, তসলিমা এবং সা.ইনের নাস্তিকগণের কলম (কিংবা কিবোর্ড) আল্লাহ থামিয়ে দিতে সক্ষম।
যদি উপরের কিছুই বলতে না পারেন তাহলে বলুন,
১। আমরা (তথা মানুষেরাই) অন্যান্য সকল দেবতার মতো আল্লাকেও কল্পনায় ক্ষমতা দেই।
২। তাকে বিলুপ্তি সাধনের হাত থেকে বাচানোর জন্য নাস্তিকদেরকে মৃত্যুদন্ড দেই।
৩। গোয়ান্তানামোয় কোরান বাথরুমে নিক্ষিপ্ত হলে পাকিস্তানে জীবন দেই।
আলোতে আসুন।
মানবজমিন বলেছেন:
বিশ্বাসে মিলায় বস্তু, তর্কে বহুদুর। ১৪০০ বছর ধরে যে গ্রন্হ পৃথিবীর কোটি কোটি মুসলমান পরে এসেছে তাকে নিয়ে কৌতুহল ও বিতর্ক থাকবেই। আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেদায়েত দান করুন।
জুবাইর রেযা বলেছেন:
আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেদায়েত দান করুন।
আউটসাইডার বলেছেন:
ভাই, এই লেখা যদি আপনার নিজের চিন্তার ফসল হইতো তাহলে যতই দ্বিমত থাকুক না কেন প্লাস দিতাম। কিন্তু আপনার লেখা তো পুরা কপি পেস্ট। তাই মাইনাস দিলাম। আর আপনি তো নাস্তিক। আপনার কি দরকার কোরআনের পূর্নতা নিয়ে? আমি একজন মুসলিম হিসেবে জানি যে কোরআন শরীফ কে রক্ষা করার দায়িত্ব আল্লাহ তাআলার এবং তিনি তা করছেন ও করবেন। আপনার এসব দূর্বল হাদীস আর আলোচনা দিয়ে আমার এ বিশ্বাস আরো শক্ত হইলো।
হযরত মুহাম্মদ (সা
পৃথিবীর কোন ধর্মগ্রন্হ কি মানুষ মুখস্ত করে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত? কোন এদিক সেদিক না করে? করা সম্ভব হয়েছে কি? আমি জানিনা। কিন্তু কোরআন মুখস্ত করেছে কোটি কোটি মানুষ।
মানুষের পৃথিবী বলেছেন:
@ জ্বীনের বাদশা:
'সবচেয়ে বড় যে পয়েন্ট সেটা হলো, যে হাদীসগুলোর ভিত্তিতে কোরানের সংকলনের ইতিহাসের এই রিফিউটেশন আপনি করছেন, সেই হাদীসগুলোকে কেন নির্দ্বিধায় মেনে নেয়া হচ্ছে? সেগুলোর সত্যতা সম্পর্কে আপনি এত নিশ্চিত কিভাবে?'
লেখক এখানে মুসলিম জাহানের অবিসম্বাদিত দুটি হাদিসগ্রন্থ বোখারী এবং মুসলিমের উদ্ধৃতি দিয়েছেন। এর হাদিসগুলো নিয়ে আপনার সন্দেহ। আপনি তো দেখি আমাদের চেয়ে বড় নাস্তিক! হাত মিলান নাস্তিক ভাই (একই নরকের বাসিন্দা হবো তো তাই।)
আপনার মতো করে একটু বলি - সবচেয়ে বড় যে পয়েন্ট সেটা হলো, হাদিসের সহায়তা ছাড়া কোরান তথা ইসলাম একেবারেই পঙ্গু। ছোট্ট একটা উদাহরণ দেই। কোরানে নামাজের কথা বলা শুধু এইভাবে - তোমরা সালাত কায়েম কর। কিন্তু বলা নেই কিভাবে তা করতে হবে। এক্ষেত্রে হাদিস না থাকলে মানুষ কিভাবে বুঝতো সালাত কি জিনিষ?
ধন্যবাদ সহনাস্তিক।
মো: খায়রুল বাসার বলেছেন:
বিতর্কিত পোষ্ট । ।জ্বিনের বাদশা তো আপনার উত্তর দিয়েছেন । কিন্তু আপনি অন্যদিকে মোড় ঘুরলেন কেন ? তাতে বুঝা যায় কপি-পেষ্ট । কি লাভ হবে ? এতে হয়ত কেউ কেউ খনিকের জন্য উৎসাহ বোধ করবেন । এরকম অল্প জানার লোকদের উত্তর দিয়ে কি লাভ ?
অনেকে কাছে কোরানে আয়াতের অন্যকিছু ভাল লাগতে পারে, তাতে কি আছে ?
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন:
আপনি কোরআনকে ভুল প্রমান করার জন্য বা কোরআন সংরক্ষনে ভুল ছিল প্রমানের জন্য এত পরিশ্রম করে দুনিয়ার প্রায় সব জ্ঞান ভান্ডার আয়ত্ম করে ফেলেছেন দেখে রিতিমত মায়া হচ্ছে। আপনার এই বিশাল কর্মযজ্ঞের মুলে কি বলুন তো? আসল বিষয় হচ্ছে আপনি আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস করেন না। আর আল্লাহর অস্তিত্ব এমন এক জিনিস যা দুনিয়ার জ্ঞান দিয়ে কখনই প্রমান করা যাবে না। কারণ এটাই মানুষের জন্য পরীক্ষা। পরিক্ষার উত্তর যদি পরীক্ষার হলেই দিয়ে দেয়া হয় - তাহলে তো আর সেটা পরীক্ষা থাকে না, তাই না?দেখুন, আপনি যদি আল্লাহকে সত্যিকার অর্থে বিশ্বাস করতেন - তাহলে এটা অবশ্বই মানতেন যে তিনি তাঁর প্রিয় সৃস্টি মানুষের পথনির্দেশনার জন্য গাইড লাইন দেবেন। যত দিন পর্যন্ত মানুষ সেই গাইড লাইন সংরক্ষনের উপযুক্ত হয়নি ততদিন পর্যন্ত তিনি একের পর এক নবী রাসুল(আ: ) দের পাঠিয়েছেন। মানুষের জ্ঞান বুদ্ধি যখন যথেস্ট পরিপক্ক হয়েছে তখন তিনি পাঠিয়েছেন কোরআন এবং একেই কেয়ামত পর্যন্ত মানুষের হেদায়াতের উপায় হিসেবে ঘোষনা করেছেন, বলেছেন এর পরে আর কোন নবী, রাসুল বা আসমানী কিতাব আসবে না। এখন যদি সেই কোরআন কেয়ামত পর্যন্ত অবিকৃত ভাবে সংরক্ষিত না হয় তাহলে আল্লাহর এই ঘোষনা অর্থহীন হয়ে যায়, প্রয়োজন দেখাদেয় নতুন রাসুল এবং নতুন আসমানী কিতাবের। কিন্তু আল্লাহর ঘোষনা অনুযায়ী তা সম্ভব নয়। তার অর্থ আমাদের কাছে যে কোরআন আছে তাই কেয়ামত পর্যন্ত সংরক্ষিত থাকবে এবং এটাই আসল কোরআন। কারণ আল্লাহর ঘোষণা কখনই ভুল হতে পারে না।
আবার দেখুন - এটা আপনি মানছেন যে ওসমান(রা: ) এর সময়ে সংরক্ষিত কোরআন এখনও অবিকৃত আছে, অথচ এটা মানতে চাইছেন না যে রাসুল(স: )এর সময়ের কোরআন ওসমান(রা: ) পর্যন্ত অবিকৃত ছিল। কি আশ্চর্য কথা!! যেই কোরআন মানুষের মুখে মুখে সারা দুনিয়ার শত কোটি মানুশের মাঝে ছড়িয়ে যাবার পরও দেড় হাজার বছর ধরে অবিকৃত থাকতে পারল তা রাসুল(স: ) এর ওফাতের পর মাত্র ১০-১৫ বছর - যখন বহু হাফেজে কোরআন সাহাবী জীবিত ছিলেন - তখন পর্যন্ত অবিকৃত থাকতে পারল না? এটা কি ধরনের যুক্তি হল?
আসল কথা হচ্ছে আল্লাহর ঘোষনা অনুযায়ী হাজারো হাফেজে কোরআনের হৃদয়ে কোরআন অবিকৃত অবস্থায় সংরক্ষিত আছে এবং থাকবে কেয়ামত পর্যন্ত এটা একটা সত্য আবার এটাও সত্য যে সেই আবুলাহাব আবু জাহেল থেকে কোরআনের বিরোধিতার যে ধারা শুরু হয়েছে তাও থাকবে কেয়ামত পর্যন্ত। আর এখানেই মানুষের পরীক্ষা, সে কোনটা সমর্থন করে - আল্লাহর সুস্পস্ট ঘোষনা না ঐ ধারার নানা কুযুক্তিসম্বলিত বক্তব্য?
আর যদি আপনি আল্লাহর অস্তিত্বেই বিশ্বাস না করেন, তা হলে আপনার কাছে সব কিছুই গোলমেলে মনে হবে - তখন আপনাকে শুরু করতে হবে আল্লাহর অস্তিত্বের প্রমান নিয়ে। সেখান থেকে শুরু করতে চাইলে এই লেখাটা পড়ে দেখতে পারেন : Click This Link
লেখক বলেছেন: জবাব দেবার মুরোদ নেই তাই মাইনাস ছাড়া আর কি দিবেন? পারলে জবাব দিয়ে দেখান
বিডি আইডল বলেছেন:
পার পোষ্টে কত পান? আমার টাকার খুব দরকার...একটু লাইন ঘাট দেখান
লালন অনিক বলেছেন:
আসাধারণ পোষ্ট....++++অন্ধত্ব যাদের প্রেরণায়...আলোকের গান তারা কি করে গায়..?
যুক্তির মাপকাটিতে যাদের ব্যর্থতা শতভাগ, তারায় তৃপ্ত হয় বিশ্বাসে নিঃশ্বাস ফেলে...
ভালথাকা হউক
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন:
পোস্ট খারাপ না।
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
পোস্টে অবশ্যই প্লাস।
কয়েকজনের অনুরোধে আমি এবিষয়টি নিয়ে একটি বড় পোস্ট (কয়েক পর্বে) দিতে পারি- তবে অপেক্ষা করছি, ত্রিভুজ ও কুম্ভকর্ণের পোস্টের জন্য। তাদের আলোচনার সুবিধার্তে নাস্তিকদের কিছু আলোচনা তাদের পোস্ট দুটিতে তুলে ধরেছি- যাতে তাদের পরবর্তি পোস্টে এসমস্ত বিষয়কে খণ্ডন করে তাদের যুক্তি আসে। দেখা যাক- শেষ পর্যন্ত কি দাঁড়ায়।
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
@সাহোশি৬,
আপনার হাদীসের রেফারেন্স মানে- যেখান থেকে হাদীসগুলোর অনুবাদ এখানে তুলে দিয়েছেন- সেখানকার লিংক।
যদি কোন হাদীসের বই থেকে তুলে দিয়ে থাকেন- তবে সে বইয়ের নাম ও অনুবাদকের নাম; নেটের কোন হাদীস সংক্রান্ত সাইট থেকে কপি করলে- সেটির লিংক।
আর যদি- কোন একজনের লেখায় উল্লেখিত হাদীস সরাসরি এখানে কপি করে থাকেন, তবে একটু কষ্ট করতে হবে আপনাকে- সেটা হলো হাদীস সংক্রান্ত ইসলামী সাইটে গিয়ে এই হাদীসগুলো বের করা, এবং সেসব এখানে দিয়ে দেয়া (এডিট করে) এবং সেই সাইটের লিংক দেয়া। (আমি নিজেও এ কাজটি করি, কেননা এখানকার মোল্লাদের একটা কমন অভিযোগ, না যাচাই করেই, হাদীসের অনুবাদের সময় বিকৃত করা হয়েছে!!!)।
হোসেইন বলেছেন:
জানলাম ।
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
@আহমেদ মাহদী আকেফ,
নাস্তিকেরা নিজেদের জারজ মনে করে এমনটি নয়।
নাস্তিকেরা তাদের যুক্তিতে এটুকু বুঝতে পারে- আহমেদ মাহদী আকেফ সহ সকলের ক্ষেত্রেই তারা কি মনে করে বা করে না- এটার উপর তারা জারজ কিনা তা নির্ভর করে না।
এক আকেফ বা যেকেউ যতই মনে করুক না কেন যে সে জারজ না- যদি সে তার স্বীকৃত পিতা ব্যতীত অন্য কারো ঔরসে মাতার গর্ভে আসে- তবে সেও জারজ, অন্তত বর্তমান সামাজিক সংজ্ঞায়।
আরেকটি ব্যাপার হলো- নাস্তিকেরা জারজ বিষয় নিয়ে তেমন মাথা ঘামাতে পছন্দ করে না; কারণ কোন ব্যক্তির জন্মের উপর তার নিজের কোন হাত নেই- ফলে পিতা-মাতার কোন কর্মের জন্য সন্তানকে এমন জারজ নামক গালি দেয়াটাই প্রচণ্ড অন্যায়। দ্বিতীয়ত, কোন ভ্রুণ যখন তৈরী হয় তা একটি শুক্রাণু ও একটি ডিম্বানু মিলেই তৈরী হয়; শুক্রাণ একজন পুরুষের কাছ থেকে এবং ডিম্বাণু একজন নারীর কাছ থেকেই আসে। ফলে- যেকোন সন্তানের জন্মগতভাবে একজন পিতা এবং একজন মাতা থাকেই। এখন পিতার সাথে সেই সন্তানের পরিচয় থাকলো কি না, মাতার সাথেই বা পরিচয় থাকলো কি না বা মাতা-পিতা পরষ্পরের সাথে সামাজিক বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলো কিনা- এসব নিয়ে অন্যদের মাথা ঘামানোটাই অন্যায়।

















