আমার প্রিয় পোস্ট

একজন অপ্রকৌশলীর বুয়েট প্রেম

০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:২১

শেয়ারঃ
0 0

কিছুদিন থেকে দেখছি ব্লগে বুয়েটের ছাত্রদের ব্যাপারে আলোচনা চলছে, সেই প্রেক্ষিতেই লেখাটা দিলাম।

ইন্টারের পরে আমরা আট বন্ধু একসাথে বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষা দিয়েছিলাম। শুধু আমি ছাড়া বাকি সাত জনই চান্স পেয়েছিল। সেদিন থেকেই আমি জানি আমি শুধু রাম ছাগল না আমি হলাম রাম গাধা। যাই হোক, বুয়েটে চান্স না পেয়ে বুয়েটের উপর আমার অন্য রকম শ্রদ্ধাবোধ চলে আসে। ঢা, বি তে পড়ার সময় কেউ বুয়েট নিয়ে কোন উল্টা পাল্টা মন্তব্য করলেই আমি সাথে সাথে তার তীব্র প্রতিবাদ করতাম।

ইউনিভার্সিটি লাইফে পড়েছি ঢা,বিতে কিন্তু আড্ডা মেরেছি বেশী বুয়েটে। আমার সব বন্ধুই তো ওখানে ছিল। ঢা,বিতে নিজেকে এতিম এতিম লাগত, বুয়েটে পা দিলেই মজা পেতাম!! আমাদের ব্যাচ বুয়েটে দুইটা annual feast পেয়েছিল। এরপর থেকে বুয়েটে annual feast বন্ধ হয়ে যায়। প্রতিবারই আমি গেস্ট হিসাবে উপস্থিত (বন্ধুরা চাঁদা তুলে আমার জন্য ১০০টাকা দিয়ে গেস্ট টিকেট কিনত)। ইউনিভার্সিটি লাইফ শেষ করেছি অনেক আগে। আজও আমার চারিদিকে যখন তাকাই দেখি আমার পরিচিত গন্ডী বুয়েটিয়ান দিয়েই ভরা। নিজের ব্যাচ তো অবশ্যই, আমার সিনিয়র-জুনিয়র ব্যাচেরও যাদের চিনি তাদের বেশীরভাগই বুয়েটিয়ান।

আমি ঢাকার ছেলে তাই ইউনিভার্সিটি লাইফে হলে থাকতে হয় নাই। আমার বুয়েটের বন্ধুরাও ঢাকার ছেলে হলেও বিভিন্ন কারনে হলে থাকত, বন্ধুদের পাল্লায় পড়ে দেখা গেছে আমি বহুদিন বুয়েটের হলে রাত কাটিয়েছি। অথচ ঢা,বির হলে কোনদিনই থাকা হয় নি। বুয়েটিয়ানদের মতো আমিও নজরুল ইসলাম হলকে বলতাম 'বয়লার'।

বুয়েটে এত বেশী যেতাম যে যারা আমার বন্ধু না তারা ভাবত আমি বোধ হয় বুয়েটেই পড়ি। আমার কথা বার্তাও সব বুয়েট মার্কা হয়ে গিয়েছিল। যেমন আমাদের সময় ঢা,বি এর স্টুডেন্টদের কাছে 'চোথা' শব্দটি অত পরিচিত ছিল না, কিন্তু ঢা,বিতে থাকার সময় আমি সব সময় চোথা শব্দটা ব্যবহার করতাম। পিএল কি জিনিষ তাই তো ঢা,বি এর ছাত্ররা জানত না। একবার হলো কি, আমাদের ঢা,বি এর সেকেন্ড ইয়ারের ফাইনাল পরীক্ষা সামনে, স্যার ক্লাসে বলছেন ভালো মতো পড়াশোনা কর, নইলে খবর আছে। আমি হঠাৎ বলে উঠলাম, স্যার পিএলে ফাইট দিয়ে নামিয়ে দেব। আমার কথা শুনে ক্লাসের ছাত্র-ছাত্রী তো অবশ্যই, স্যার পর্যন্ত অবাক!! সবার একই প্রশ্ন পিএল কি জিনিষ? ব্যবহারিক ক্লাসকে ঢাবি এ আমার বন্ধুরা বলত ল্যাব ক্লাস, আর আমি বলতাম সেশনাল, কারন - বুয়েট।

বিশ্ববিদ্যালয় পাশ করার পর বিদেশে উচ্চ শিক্ষার্থে আসব বলে ঠিক করলাম। সদ্য ইন্জিনিয়ার হওয়া বন্ধুগুলো আমাকে বলে চল, আমেরিকা যাই। আমি তাদের বলি, আমেরিকা হলো ইন্জিনিয়ারদের জায়গা, সেখানে আমি গিয়ে কি করব? তারা বলে, আমরা যাচ্ছি তাই তোকেও যেতে হবে, কি করবি সেটা পরের কথা। যা ভাবা তাই কাজ। বন্ধুদের সাথে টোফেল-জিআরই দিয়ে আমার সাবজেক্টের জন্য মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এ্যাপ্লাই করতে লাগলাম। এমন সময় এক বন্ধুর পরামর্শে আমেরিকার একটা ইউনিভার্সিটিতে পরিবেশ প্রকৌশলে এপ্লাই করে দিলাম। আশ্চর্যজনকভাবে স্কলারশিপ সহ এডমিশন পেয়ে গেলাম। এডমিশন পেয়েছি তো কি হয়েছে? তাই বলে কি প্রকৌশলবিদ্যায় এম এস করতে আমেরিকা যাব নাকি? প্রকৌশলবিদ্যার কিছুই তো জানি না, এই বিষয়ে পড়তে গেলে তো ফেলও করব না। বন্ধুরা বলল, তোর চিন্তা কি, আমরা আছি না? চলেও এলাম আমেরিকা। এসেই ধরলাম বন্ধুদের, তোরা আমাকে এনেছিস, এবার তোরাই আমাকে পড়া, এই প্রকৌশলবিদ্যার 'প' ও আমি জানি না। আমাকে স্ট্যাটাস রাখতে হলে পাশ করতে হবে। ওরা বলল, 'নো চিন্তা ডু ফুর্তি।' আমরা আছি কি জন্য? এগুলো কোন ব্যাপার হলো? ওরাই আমাকে পড়ানো শুরু করল। এভাবেই কেটে গেল বেশ কয়েক বছর। গ্রাজুয়েশন করে দেখি আমি একজন প্রকৌশলী হয়ে গেছি। আমার মায়ের সারা জীবনের শখ আমি প্রকৌশলী হব, মা-বাবাকে ফোন করে জানালাম, আমি প্রকৌশলীর সার্টিফিকেট পেয়ে গেছি। আমার কথা শুনে আব্বা বলল, তুমি সাইনটিস্ট থেকে ইন্জিনিয়ার হয়ে গেছ। এটা কি কোন আনন্দের খবের হলো? তোমার তো ডিমোশন হয়েছে। আমি উত্তরে আব্বাকে বললাম, বুয়েটে প্রতি বছর বাংলাদেশের সেরা ছাত্ররা ভর্তি হয়, এটা কি ওদের ডিমোশন? আর আমার মা? আমার মা তো হেভী খুশী।

ইন্জিনিয়ার হয়েও বুয়েটে চান্স না পাবার দু:খ ভুলতে পারি নি। আজও বুয়েটের সামনে দিয়ে যাবার সময় নিজের অজান্তেই একটা দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে আসে। বুয়েটকে আজও বড় আপন মনে হয়।

 

সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:০৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:২৮
এখন ও বৃষ্টি ভালবাসি বলেছেন: এখন কী দেশেই থেকে যাবেন ,নাকী আবার আমেরিকা ।
৩. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:৪০
কানা-বাবা বলেছেন: আমার কথা শুনে আব্বা বলল, তুমি সাইনটিস্ট থেকে ইন্জিনিয়ার হয়ে গেছ। এটা কি কোন আনন্দের খবের হলো? তোমার তো ডিমোশন হয়েছে।


~ আপনার বাবার প্রতি রইল অশেষ শ্রদ্ধা। তার বুদ্ধি এবং বিবেচনা বাংলাদেশের অধিকাংশ বাবার চেয়ে অনেক বেশি।
৪. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:৪৩
স্পাইডার বলেছেন: বটম লাইন- আমেরিকায় থাকবো প্রকৌশল ডিগ্রী নিয়ে
৫. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:২৯
নাজিম উদদীন বলেছেন: আমারও অনেক বন্ধু বুয়েটের, আর এখন যাদের সাথে প্রায় প্রতিদিন আড্ডা দিই সব বুয়েটের সিএসই'র ছাত্র।
৬. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:৩১
পড়ুয়া_পড়ুয়া বলেছেন: বুয়েটে প্রতি বছর বাংলাদেশের সেরা ছাত্ররা ভর্তি হয়, এটা কি ওদের ডিমোশন?
আপনার বাবার প্রতি শ্রদ্ধা , আমার বাবাও যদি এমন বুঝতে পারতো !!!
৭. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৭:৩০
পথিক!!!!!!! বলেছেন: ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার পর সব ইঞ্জিনিয়ার দের বোধদয় হয়.....না পড়লেই ভাল আছিল....

....কেন? সে ব্যাখ্যা বিষদ/////কাছাকাছি কাউকে জিজ্ঞেস করুন ....

( নিজে প্রকৌশলি বলে বলার সাহস রাখি)

--মানুষ হুদাই আফসোস করে
এই দেশে সবচেয়ে ভাল থাকে তারাই যারা সবচেয়ে কম কষ্টের পড়ালেখা করে ...
কারন টাও বিষদ
এই দেশে ইঞ্জিনিয়ার ডাক্তারী পড়া মানে বেগার খাটা

দেশের টপ অবস্থানে আসিন ব্যক্তিদের মধ্যে কয়জন ইঞ্জি আর ডাক্তার আছে একটু ভাবুন...

অথচ স্কুল থেকে ইন্টার পর্যন্ত টপ ছাত্র ছাত্রীরা সবই প্রায় ঐ দুই বিষয়ের পিছে দৌড়াইছে .....তারপর মগডালে উঠে গেছে অন্যরা

মন্ত্রী পাবেন কিছূ ইঞ্জি আর ডাক্তার ..কিন্তো তারা ঐ মন্ত্রী হইছে পলিটিক্যস নামক আরেক বেরামে গা ভাসাইয়া.....লেখাপড়া যে বেরামে কাজে লাগেনা...

উদাহরণ ভরি ভুরি

৮. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৭:৩১
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: চাকুরির বাজার বা মেধাবীদের 'পঠনীয় বিষয়' নিয়ে আলাপ করতে চাইনা। বুয়েটের ব্যাপার এমন দাড়িয়েছে যে যেকোন একটা বিভাগে ভর্তি হতে পারলেই হল, বুয়েট বলে কথা! এমনিতেই বুয়েটে সেশন জট নিয়ে অনেক বদনাম। তারপরেও ঢাবির শিক্ষকরা যেধরনের প্রত্যক্ষ রাজনীতি করেন, ক্লাশ ফাকি দেন, ছাত্র নেতাদের যে ধরনের দাপট হলে ও ক্যাম্পাসে চলে, সেটা দেখে অভিভাবকের চাপ থাকে বুয়েটে একটা বিভাগে চান্স পেতেই হবে, কারণ দেশে বুয়েট ছাড়া পড়াশোনার ভাল পরিবেশ নাই এমন 'অন্ধবিশ্বাস' অনেকেই লালন করেন।

ঢাবিতে 'আই বি এ' তে যে পড়াশোনার মান, সময়ানুবর্তিতা, শৃঙ্খলার চর্চা হয়, সেটি বাকি ঢাবি তে প্রয়োগ করলে ছাত্ররা আর বুয়েটের 'যেকোন বিভাগে' ভর্তি হবেনা । ছাত্র -শিক্ষকরা যৌথভাবে ক্যাম্পাসে মাস্তানি আর রাজনীতি ফলাবে, আর দেশের সেরা মেধা মৌলিক বিজ্ঞানের নেশায় ঢাবি পদার্থ বিজ্ঞানে ভর্তি হয়ে মাস্তানির খাতায় নাম লেখাবে তা তো হয়না। এখনও শুনি ঢাবিতে সিজিপিএ আসেনি, ট্রান্সক্রিপ্টে মেধা তালিকা থাকেনা, সেমিস্টার প্রথা চালু হয়নি আরো শত অভিযোগ, যেটি বুয়েটে অনুপস্থিত। আগে পড়াশোনার পরিবেশ নিশ্চিত করুন, ভাল ছাত্রদের একটা বড় অংশ এমনিতেই পাবেন।
৯. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৭:৪২
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: এখনও শুনি ঢাবিতে সিজিপিএ আসেনি, ট্রান্সক্রিপ্টে মেধা তালিকা থাকেনা, সেমিস্টার প্রথা চালু হয়নি আরো শত অভিযোগ, যেটি বুয়েটে অনুপস্থিত। ---

---------------------------------------------------------

জেনে নিয়ে মন্তব্য করাটাই ভালো সাইফ শেরিফ ।

--------------------------------------------

পোস্টে প্লাস @ লেখক ।
১০. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৭:৪৪
নীলতারা বলেছেন: পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিলো- গল্পের বইয়ের একটা পৃষ্ঠা এটা!
১১. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৭:৫২
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: বুয়েট আর ঢাবির স্টুডেন্ট এমন ব্লগার দের মধ্যে ডিফারেন্স হোলো , এভাবে যদি একগাদা মিথ্যা কথা বুয়েট সম্বন্ধে বলা হোতো , এখানে গালাগালির ঝড় বয়ে যেতো । :):)
১২. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:০১
রুমমা বলেছেন: ভালো লাগলো।আর আপনার জন্য ...ইশ..।
০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:২০

লেখক বলেছেন: ইশ্ ইশ্

১৩. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:০২
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: @একলব্যের পুনর্জন্ম, দেশে আমার ছাত্রত্ব বাতিল হয়েছে অনেক আগেই। এর মাঝে যদি পরিবর্তন এসে থাকে, সেটি শুধরে দিবেন, সমস্যা নাই। কিন্তু ঢালাও মিথ্যে কথার অভিযোগটা ইঙ্গিতপূর্ণভাবে, খানিকটা অপমানবোধ থেকে করলেন কিনা বুঝলাম না। সারা দেশে যখন সেমিস্টার, সিজিপিও কালচার চালু হয়ে গিয়েছে বহু আগে থেকেই, সেখানে ঢাবির এত কাল বিলম্বটা বিশেষভাবে চোখে পড়ার মতই, তাই উল্লেখ্য করলাম। এটা যদি কোন প্রশাসনিক জটিলতার কারণে হয়ে থাকে তো বলব , শক্ত প্রশাসনিক মেরুদন্ড গড়ে তোলা দরকার, যার জন্য শিক্ষকদের রাজনীতির প্রভাবমুক্ত হবার কোন বিকল্প নেই। কিন্তু ঐতিহাসিক বা ঐতিহ্যগত কারণে সেটি হয়ত সম্ভব নয়। ধন্যবাদ।
১৪. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:০৮
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: হ্যা , শক্ত প্রশাসনিক মেরুদন্ড দরকার । তবে সেটা কি কেবল ঢাবিতেই নাই নাকি ? বুয়েটের যদি এত শক্ত প্রশাসন হোতো, তবে স্টুডেন্ট রা চাইলেই পরীক্ষা মাসের পর মাস পিছাতে পারে এই অবস্থা মনে হয় থাকতো না । খেলা দেখার জন্যও পরীক্ষা পিছানোর আন্দোলন ----

যাই হোক , আমি যেহেতু বুয়েট না - এগুলো বুঝি না । হয়তো প্রশাসন শক্ত হলেও এগুলো হতে পারে ।

রাজনীতির লেজুড়বৃত্তি বন্ধ করা উচিত - একমত ।
১৫. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:১২
লড়াকু বলেছেন: আসলে আমাদের ভাগ্যটাই খারাপ, ভর্তি পরীক্ষা নামক একটা অমানুষিক প্রক্রিয়ার কারণে কতজনের স্বপ্ন যে ছিন্ন বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় তার কোন হিসেব নেই। অনেক মেধাবী ছাত্রও দেখেছি বুয়েট ঢাবিতে চান্স না পাওয়ার দুঃখ সারা জীবন পুষে রেখেছে, তার প্রভাব এমনকি ক্যারিয়ারেও পড়েছে। আপনি সে দিক দিয়ে অনেকটাই ভাগ্যবান, বাস্তবতাকে মেনে নিয়ে সামনে এগিয়ে গেছেন।

এই পোস্টে মাইনাস দেয়ার কি আছে বুঝলাম না।
১৬. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:১৬
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: @একলব্যের পুনর্জন্ম , বুয়েটে সেশন জটের জঘন্য ব্যাপারটি তো উল্লেখ করলামই। বিশ্বকাপের ছুটি নিয়ে বাড়ি ফেরত অপদার্থ বুয়েটের ছেলেদের নোয়াখালি বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষকরাও এক চোট অপমান করেছে শুনেছি। তারপরেও দেখুন একই ব্যাচের কার্জন হলের বিজ্ঞানীরা বুয়েটের পরেই বের হচ্ছে! সেশন জটের কারণ 'রাজনৈতিক' (ক্যাডারগিরি, লাঠা লাঠি) বনাম 'একাডেমিক' (পরীক্ষা পেছানো) মাঝে একটু গুণগত তফাত আছে বৈকি। :)
১৭. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:২২
আট আনা বলেছেন: ইন্জিনিয়ারিং ডিগ্রি থাকলেই কি নিজেকে প্রফেশনাল ইন্জিনিয়ার দাবি করা যায় ? আমি যতদুর জানি, একটা সার্টিফিকেশন এক্সাম দিয়ে পাশ করলে তারপরে ইন্জিনিয়ার বলতে বা দাবি করা যায়, আমেরিকায়। অনেকটা ডাক্তারদের মত। এমবিবিএস বা এমডি পাস করলেই ডাক্তার হয়না, ইন্টার্নশিপ করে তারপর প্র্যাকটিস করার বৈধতা পায়। আপনার কি সেই পরীক্ষা দেয়া আছে ?

অধমের জানার ভুলও হতে পারে।
০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:১১

লেখক বলেছেন: আপনার তথ্য ঠিকই আছে। প্রফেশানাল ইন্জিনিয়ারিং এর লাইসেন্স কম্পু, ইলেক, সিভিল, এনভায়রোনমেন্ট, মেকা, কেমি সহ আরো অনেক ইন্জিনিয়ারিং শাখার যে কোন এক অথবা একাধিক শাখায় নেয়া যেতে পারে (যদি ঐ শাখায় লাইসেন্স পাবার যোগ্যতা কারুর থাকে)। তবে সত্য কথা কি জানেন, আমরিকার চাকুরির বাজারে বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই employerরা শুধু সিভিল আর এনভায়রোনমেন্ট ইন্জিনিয়ারদের কাছেই প্রফেশানাল ইন্জিনিয়ারিংয়ের লাইসেন্স আছে কিনা এই তথ্য জানতে চায়, বাকি শাখার ইন্জিনিয়াররা প্রফেশানাল ইন্জিনিয়ারিংয়ের লাইসেন্স ছাড়াই দিব্যি বহাল তবিতে কাজ করে যায়।

কথায় কথায় কত গল্প চলে আসে - আমিও কিন্তু লাইসেন্সধারী প্রফেশানাল ইন্জিয়ার। এই লাইসেন্স পেতে দুইটা পরীক্ষা দিতে হয়, প্রতিটা ৮ ঘন্টা করে। প্রথম পরীক্ষাটা হয় fundamentals of Engineering এর উপর। এই পরীক্ষায় পাশ করলে ইআইটি (ইন্জিনিয়ার ইন ট্রেইনিং) সার্টিফিকেট পাওয়া যায়। আর দ্বিতীয় পরীক্ষা (যেটা সাবজেক্ট স্পেসিফিক) পাশ করলে প্রফেশানাল ইন্জিনিয়ার (পি ই) লাইসেন্স পাওয়া যায়। অবশ্য দ্বিতীয় পরীক্ষা দেবার অন্যতম প্রধান যোগ্যতাগুলোর একটি হলো প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতা।

দুইটা পরীক্ষাতেই আমি কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ন - কারন? কারন আমার বন্ধুরা। ইআইটি যেহেতু fundamenrtals of Engineering এর উপর হয়, তাই আমি খুব ভয়ে ছিলাম। আমার বন্ধুরা বলল, এগুলো কোন ব্যাপার হল, আয় ফাইট দেই। তাদের সাথে মিলে দিলাম ফাইট। ব্যাস আর যায় কই। এক চেষ্টাতেই সফল।

১৮. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:২২
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: তাহলে আমিও একটু অ্যাড করি । আমি ইকনমিক্স এ ২০০৪ সালের এইচ এস সি ব্যাচ।

আমাদের সময় বুয়েটে ক্লাস শুরু হয়েছিলো ডিসেম্বর ২০০৪ এ। তখন আমাদের ভর্তি পরীক্ষাই অনেক দেরি । এর পর আমাদের ক্লাস শুরু হয় এপ্রিল এর ২৩ তারিখ ।আমাদের ফাইনাল পরীক্ষা( অনার্স ফাইনাল) শেষ হয়েছে এই বছর এপ্রিল মাসে । এখন এম এস চলছে ।
আমাদের ব্যাচের বুয়েট এ এখন এক্সাম চলে - মানে শুরু হোলো আর কি !

হ্যা , বুয়েটের একাডেমিক ব্যাপার ভাই - ঢাবির গোবেচারা মানুষ - বুঝি না । কিন্তু আমার উদাহরণ টার সত্যতা নিয়ে খোজ নিতে পারেন । তাহলে হয়তো শেষের ইমোটা বদলাবেন।
১৯. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:২৩
আট আনা বলেছেন: সার্চ দিয়ে উইকিপিডিয়াতে এটা পেলাম ---

In the United States engineering certification is carried out by the National Council of Examiners for Engineering and Surveying. Professional engineers are required to pass a basic Fundamendals of Engineering (FE) examination, complete a specified number of years of working in the field, and then pass a rigorous and thorough Professional Engineering (PE) examination.


http://en.wikipedia.org/wiki/Engineer#USA
০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৯:৪৯

লেখক বলেছেন: আপনার তথ্যে কোন ভুল নেই। উপরে আপনার করা মন্তব্যের উত্তর দেখুন।

২০. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:৫৭
সরকার সেলিম বলেছেন: ".....আমার কথা শুনে আব্বা বলল, তুমি সাইনটিস্ট থেকে ইন্জিনিয়ার হয়ে গেছ। "
..........................................
বুয়েটের স্পেলাইজেশন কিন্তূ ইন্জিনিয়ারিং এর উপর এইটা বুঝতে হবে, তারা মাত্র ৬/৭ সাবজেক্ট পড়ায়। ঢাবি কিন্তূ তা না, ঢাবি শত শত সাবজেক্টে অনার্স পড়ায়। বুয়েটের সাথে আপনি ঢাবির তুলনা করছেন কেন ভাই?

ভাই আমার এম.এস.সি র থিসিসে ২ জন সুপারভাইসার ছিল। একজনের বি এস সিতে ম্যাথামেটিকস, মাসটার্সে ও পি এইচ ডিতে ইলেকট্রনিকস রিলেটেড। আর অপরজনের শুরু থেকেই পি এইচ ডি পর্যন্ত সব ইন্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রনিকস রিলেটেড। আমার কছে কিন্তূ প্রথম জনই তুরুপ মনে হয়েছে। আপনি অ্যানালাইসেস বলেন, আর ক্যালকুলেশন বলেন প্রথম জনই কিন্তূ জটিল একজন জিনিস। এখন কিন্তূ আমার আপসুস হয়, আমি ব্যাচেলার কেন ম্যাথামেটিকর্সে অনার্স পড়ি নাই, তাহলে আমি আমার সেই সুপারভাইসর এর মতই রিসার্সে আরো বেশি দক্ষ হতে পারতাম।

আমি শুধু আমার কথা বলছি, আমি যে ফিল্ডে রিসার্স করছি সেই ফিল্ডে একজন ইলেকট্রনিক্স ইন্জিনিয়ারিং এর ছাত্রর চেয়ে একজন অ্যাপলাইড পিসিক্স এর ছাত্রই দেখেছি অনেক জিনিস ভালো বুঝে আমাদের ল্যাবে কিনতু ২ দলই আছে ইলেকট্রনিক্স ইন্জিনিয়ারিং আর অ্যাপলাইড পিসিক্সের। ভাই আমি নিজেও কিন্তূ একজন ইন্জিনিয়ারিং ব্যাকগ্রাউন্ডের ছাত্র। আমার কাছে এগুলোর কোন ভেলু নাই। আপনার কাছে সাইনটিস্ট বড় না ইন্জিনিয়ার বড়?
২১. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৯:০৫
কানা-বাবা বলেছেন: পড়ুয়া_পড়ুয়া বলেছেন: বুয়েটে প্রতি বছর বাংলাদেশের সেরা ছাত্ররা ভর্তি হয়, এটা কি ওদের ডিমোশন?

~ সেরা ছাত্ররা পড়বে মৌলিক বিজ্ঞান কেননা প্রয়োগিক দিক থেকে তা অনেক বেশি ডিমান্ডিং এন্ড চ্যালেন্জিঙ। সেরা ছাত্ররা যখন তা না পড়ে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে যায় ( বিভিন্ন কারনে, যেমন চাকুরির নিশ্চয়তা, উচ্চ বেতন, প্রতিষ্ঠানের সুনাম দেখে, বিদেশে যাওয়ার সুযোগ ইত্যাদি) তখন তা এক ডিমোশোনই বটে। এখানে আমি কোন প্রতিষ্ঠান যেমন বুয়েটকে স্পেসিফিকভাবে বলছি না। আমি জাস্ট একটা সামজিক ট্রেন্ডের এ্যানালাইজ করলাম। ধন্যবাদ।
২২. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৯:০৯
সরকার সেলিম বলেছেন: @কানা-বাবা : আমি আপনার সাথে সম্পুর্ন একমত। সেরা ছাত্রদের মৌলিক বিজ্ঞান পড়াই উচিত যেটা অনেক বেশি ডিমান্ডিং এন্ড চ্যালেন্জিঙ।
২৩. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৯:৩১
মুহিব বলেছেন: আপনি তো প্রকৌশলী হয়েছৈন। আমার আফসোস রয়েই গেল।
০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:০১

লেখক বলেছেন: ইশ - ইশ। আসেন ভাই গলা জড়ায় ধরে কাঁদি। আমার জীবনে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেদনাদায়ক স্মৃতিটা হলো বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষার রেজাল্ট দেখে (স্বভাবতই আমি অকৃতকার্য) আমার দুই বন্ধুর সাথে (যারা কৃতকার্য) কার্জন হলের পাশ দিয়ে হাঁটছি, কিছুক্ষণ পর পর আমার বন্ধুরা আমার পিঠে স্বান্তনা সূচক বাড়ি দিচ্ছে। কি যে কষ্ট কি যে কষ্ট ---

২৪. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৯:৩২
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: @একলব্যের পুনর্জন্ম , আমি কিন্তু কার্জন হলের বিজ্ঞানীদের কথা বলছি। আপনারা কলা অনুষদে, এখানে কার্জন হলের মৌলিক বিজ্ঞানীদের নিয়ে কথা হচ্ছে, কলা বা বাণিজ্য অনুষদ নিয়ে নয়।:)
@ সরকার সেলিম, আপনার পড়াশোনা কম্পিউটার সায়েন্সে যতদূর জেনেছিলাম, তাও বাংলাদেশের বাইরে। আপনার চিন্তাধারা আর অভিজ্ঞতার সাথে আমাদের মত দেশে পড়া গরীব ছাত্রদের সাথে মিলবেনা এটাই সত্য। এখন সি মস নিয়ে কাজ করছেন, সেটিও জেনেছি। এপ্লাইড ফিজিক্সের বিশালতা বলাই বাহুল্য। এর সাথে যন্ত্র কৌশল, তড়িৎকৌশল সব কিছুই চলে আসে। মৌলিক বিজ্ঞানে সেরা মেধাদের পড়া উচিত এটি বহু পুরনো কথা, নতুন করে উল্লেখ্ করার কিছু নাই। "ঢাবি কিন্তূ তা না, ঢাবি শত শত সাবজেক্টে অনার্স পড়ায়। বুয়েটের সাথে আপনি ঢাবির তুলনা করছেন কেন ভাই?" খুব বাজে একটা এনালজি দিই তাহলে, এম আই টির সাথে হার্ভাডের কোন রকম তুলনা করা তাহলে অন্যায়! আর বুয়েটে যে মাত্র ৬/৭ বিষয় পড়ায় সেটি কী অস্ট্রেলিয়াতে বসে গুনে বলছেন? শুধু বুয়েটের পুর কৌশলে ৬০ জন শিক্ষকের পিএইচ ডি আছে, যাদের দু'জন হলেন এম আই টি থেকে পিএইচডি। একটু ভাল করে খোজ নিয়েন ভাই ।
২৫. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৯:৩২
নাজিম উদদীন বলেছেন: এইটা পড়ে দেখতে পারেন @ মুহিব

Click This Link
২৭. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:০০
সিউল রায়হান বলেছেন: পড়ে ভাল লাগলো....... প্লাস....... :)


কপাল ভাল সোহরাওয়ার্দী হলে থাকতেন না, কারণ ওটার নিক লেডিস হল ;)
২৮. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:০৮
এম্নিতেই বলেছেন: ভাইগণ, ইউনিভার্সিটি নিয়া মারামারি করার কি দরকার?? আমি বুয়েটে ছিলাম, এমন কোন সন্দেশ টাইপ জায়গা না যে ঐখানেই পড়তে হবে। আমার নিজের খুব ইচ্ছা ছিল ইকোনোমিকস পড়ার, পেট চালাতে হবে এই জন্য ইলেক. ইঞ্জি. পড়া :(

এখনো স্বপ্ন দেখি, ইকো. তে মাস্টার্স করার :)
২৯. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:০৯
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: কলা অনুষদ কাকে বলে সেটাও জানেন না বলতেই হচ্ছে - একটু খোজ খবর নিয়ে কথা বলার বিনম্র অনুরোধ থাকলো আবারও । @ সাইফ শেরিফ
৩১. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:১৩
তামজি বলেছেন: চরম বিরক্তি চলে এল তোর উপর X(
৩২. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:১৪
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: করতেই পারেন ভাই -- এই দেশে অবশ্য হবে না - :( এই নিয়ম টা খুব ইললজিকাল ।

আপনি কানাডা অ্যাপ্লাই করলে চান্স পেয়ে যাবেন - :)


কেউ ইকনমিক্স এ ইনটারেসটেড শুনতেই ভালো লাগে :D
৩৩. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:১৫
একলা একজন বলেছেন: ছাগল মার্কা পোষ্ট
০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:১৮

লেখক বলেছেন: অবশ্যই। আমার পোস্টেই তো আমি বলেছি, আমি হলাম রাম ছাগল, শুধু তাই না একটা রাম গাধাও বটে। রাম ছাগলের কাছ থেকে তো রাম ছাগল মার্কা পোস্টই আসবে।

৩৪. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:১৫
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: ৩২ নাম্বার কমেন্ট @ এম্নিতেই ।
৩৫. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:২৩
সিউল রায়হান বলেছেন: @ এপু:

বাদ দাও....... সে জানে খালি অপমান করার ট্রাই করতে..... সে যদি এতই দেশ দরদী হইতো তাহলে তার পয়েন্টে গ্রাজুয়েটদের পাস করার টাইম থেকেও গ্রাজুয়েশন লাইফে কিভাবে পড়াশুনা একজন গ্রাজুয়েট হয়, গ্রাজুয়েশন লাইফটা কেমন মূল্যবোধ নিয়ে পার করে এবং পাস করার পর নিজের শিক্ষা তার নিজের জীবন এবং তার পারিপার্শ্বিক জীবনে কতটা ইফেক্টিভ হয় এগুলো দিয়ে তুলনা করত.......

সে ধরেই আছে.... ভার্সিটি মানে ৪ বছরের একটা গেম, যে টাইমলি শেষ করতে পারলো না সে গন কেস, যে আগে আসলো সে উইনার........ এর মাঝে-আগে-পরে আর কিছু নাই....

এরকম মানুষের সাথে আজাইরা তর্ক কোর না
৩৬. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:২৪
খেক খেক বলেছেন: ছাগল মার্কা পোষ্ট
ঢাবি এর মজা বুঝলা না চান্দু
কি জিনিস মিস করস এইতা বুঝলা না

০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৩০

লেখক বলেছেন: অবশ্যই। আমার পোস্টেই তো আমি বলেছি, আমি হলাম রাম ছাগল, শুধু তাই না একটা রাম গাধাও বটে। রাম ছাগলের কাছ থেকে তো রাম ছাগল মার্কা পোস্টই আসবে।

ছাগলরা মনে হয় কোন মজাই বুঝতে পারে না। আর আমার মতো ছাগলের পক্ষে কি ঢা,বি এর আওকাত বোঝা সম্ভব?

৩৭. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:২৪
ম্যাক্স পেইন বলেছেন: বুয়টের জনপ্রিয়তা সামুতে ভালই
আমি বলবো যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য হওয়া উচিৎ ভাল মানুষ তৈরী, ইররেসপাক্টিভ অভ দ্য সাবজেক্ট অর দ্য ফ্যাকাল্টি
৩৯. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৩৪
স্পাইডার বলেছেন: ৪ নং কমেন্টাই ঠিকাছিল বুঝা গেল
৪০. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৪৯
তামজি বলেছেন: @সাহোশি,
একটা নেমকহারাম
রাজাকারদের চেয়েও ঘৃনিত :|
সাহসী বানান পারস না আবার ফালতু পোষ্ট করাড় সাহস দেখাস X(
০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৫৮

লেখক বলেছেন: ভাই, নামটা ঠিকই আছে, সাহোশি। এই নামের একটা মারতাবা আছে, সেটা আপনি বুঝবেন না, সুতরাং এ নিয়ে কথা না বলাই ভালো।

পোস্টটা তো অবশ্যই ফালতু। একজন ফালতু মানুষের কাছ থেকে ফালতু পোস্ট আসবে এটাই স্বাভাবিক।

তবে আমি কেন রাজাকারের চেয়েও ঘৃনিত হব, এটা দয়া করে ব্যাখ্যা করুন। পোস্টে আমি আমার আনন্দ বেদনার কথা লিখেছি, এটা কি অন্যায়? যদি অন্যায় হয়ে থাকে তাহলে কেন?

৪১. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৫২
মো. লুৎফর রহমান বলেছেন: রুবাবা দৌলাকে ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের সভাপতি বানানো হইলো কেন? রুবাবা দৌলাকে বাংলা সিনেমার নায়িকা হিসেবে নিয়োগ দেয়া হোক
৪২. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৫২
আকাশনীল বলেছেন: ভাই আপনি তো দেখি মনে প্রানে প্রকৌশলী। শুভেচ্ছা আপনাকে।

পথিক!!! ভাই কিছু নির্মম সত্য কথা বলেছেন তার কমেন্টে "মানুষ হুদাই আফসোস করে
এই দেশে সবচেয়ে ভাল থাকে তারাই যারা সবচেয়ে কম কষ্টের পড়ালেখা করে ...
কারন টাও বিষদ
এই দেশে ইঞ্জিনিয়ার ডাক্তারী পড়া মানে বেগার খাটা"

এপু নিজের ডিপ-ভার্সিটির প্রতি অন্যরকম ভালবাসা আবেগ সবার থাকবে। এটা আপনার যেমন আছে আমাদের ও আছে। :)
৪৩. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৫৭
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: @ আকাশনীল ,অবশ্যই থাকবে - থাকাটাই স্বাভাবিক ।


কিন্তু অপ্রাসংগিক ভাবে অন্য ইউনিভার্সিটি নিয়ে ভুল তথ্য দেয়াকে আপত্তি জানানো নিশ্চয়ই খারাপ কিছু নয়. আমি সাধারণত কোনো ইউনিভার্সিটি নিয়েই মন্তব্য করি না । কারণ ঘর সামলে পরকে শোধরাতে চাওয়া উচিত মনে করি।
৪৪. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৫৭
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: তামজি , কিসের মধ্যে কি ! হঠাৎ এমন গালি দেয়া শুরু করলেন কি বুঝে !!!!!
৪৫. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৫৯
অদ্রোহ বলেছেন: এখানেও ক্যাচাল :(
০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:০২

লেখক বলেছেন: ভাই, দোষ কিন্তু আমার না। আমি শুধু আমার নিজের জীবনের আনন্দ বেদনার কথাগুলো লিখেছি। কোন প্রতিষ্ঠানকে হেয় করা কিংবা কোন প্রতিষ্ঠানের গুনগান গাওয়া আমার উদ্দেশ্য ছিল না।

৪৬. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:০৮
অদ্রোহ বলেছেন: আপনার অকপট সত্যকথনের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ,কিন্তু এই পোস্টেও যে জল এতদূর গড়াবে সেটা আপনিও বোধহয় অনুমান করতে পারেননি । :)

ও হ্যাঁ,আমার তরফ থেকে ++ । :)
৪৭. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:২০
পলাশ ভাই বলেছেন: বুয়েট আর ঢাবি ছাড়া অন্যেরা কি রাম গাধা বা রাম ছাগল কোন পর্যায়েই পড়ে না ভাই?
০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:২৪

লেখক বলেছেন: ভাই, আমার মতে আমি ছাড়া এ পৃথিবীর সকলেই স্মার্ট।

৪৮. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৩৬
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: বুয়েট আর ঢাবি নিয়ে সবাই তাওয়া যেমনে গরম করতেছে সেটা বেশ মজাদার।

পোস্টটা খুব ভালো লেগেছে সাহোশি। আপনার মনের কথাগুলো এভাবে বলেছেন, আসলে মনের ইচ্ছাশক্তির জোর থাকলে যে কোন লক্ষ্যই অর্জন করা যায়! আমি মাঝে মাঝে যখন খুব হতাশ বোধ করবো, এরপর থেকে আপনার এই পোস্ট পড়ে উৎসাহ নিবো! :)
০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:১৯

লেখক বলেছেন: আরে বলেন কি? আমি হলাম ছাগল প্রজাতির একজন মানুষ। আমার কি ক্ষমতা আছে মানুষকে সাহস যোগানোর?

৪৯. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৩৭
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন: প্রাতিষ্ঠানিক গণ্ডী আসলে মানুষকে বেধে রাখতে পারেনা ভাই, যেমন আপনার প্রিয় বন্ধুগুলোর টান আপনাকে সবসময় কাছে টেনে এনেছে। আপনার পোস্টটি সুন্দর, আপনার জন্য শুভকামনা।

কাপুরুষরাই গালি দেয়। আপনার আর আপনার বন্ধুদের বন্ধুতা দেখে ওরা ঈর্ষাণ্বিত - ওদেরকে ইগনোর করাই ভালো :)
৫০. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৫৯
সাইলেন্সার বলেছেন:
মৌলিক বিজ্ঞানে সেরা মেধাদের পড়া উচিত- এই কথাটির সাথে একমত।
কিন্তু আমাদের দেশে অধিকাংশ বাবা-মা সন্তানকে ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার বানাতে আগ্রহী। দেশটা গরীব, আর বাবা-মা-রা মনে করেন ঐ দুই পেশার মানুষই সমাজে সম্মান নিয়ে টিকে থাকতে পারবে।
৫১. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৫৯
জাগরূ৪৯ বলেছেন:
এই আজাইরা পেচালডা এখন বন্‌ করেন, শবে বরাতের রুটি খান।পারলে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি থাইকা একটা বিবিএ করেন, বুয়েটের পোলাপাইনগো চাকরি দ্যান।

"তুমি সাইনটিস্ট থেকে ইন্জিনিয়ার হয়ে গেছ। এটা কি কোন আনন্দের খবের হলো?"

'ইন্জিনিয়ারিং সাইন্স" পড়েন সমন্বয় হবে। আজাইরা পেচাল।
৫২. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:৫০
রুমমা বলেছেন: তামজির ব্যপারটা বুজলামনা।উনার জন্য কি কেউ কোনো পোস্টে নিজের কথা অন্যের সাথে শেয়ারও করতে পারবেনা নাকি।সেক্ষেত্রে উনি ব্লগিং না করলেই পারে।
৫৩. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৩৩
অন্ধ দাঁড়কাক বলেছেন: আপনার স্বপ্ন পূরণ হওয়ায় খুশী হলাম।

তবে আমার কাছে মনে হয়েছে প্রত্যেকের নিজের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য একটা গর্বের জায়গা থাকা উচিত।
০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:২০

লেখক বলেছেন: আপনার কথাটাও ঠিক।

৫৪. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:০৭
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: স্বপ্ন পূরণের জন্য অভিনন্দন।
৫৫. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:০৮
অপরিচিত_আবির বলেছেন: লেখককে সেলুট আমাদের বুয়েটকে আপন করে নেবার জন্য।

আপনার বাবাকেও সেলুট, উনি আপনাকে এমন একটা সত্য কথা বলেছেন যেটা এখন বুয়েটের মেধাবীরা উপলদ্ধি করতে পারে না।

বুয়েট আসলেই এমন কোন রসগোল্লা না। আমার নিজের ইচ্ছে ছিল ঢাবির অ্যাপ্লাইড ফিজিক্সে পড়ার। বাবা মা দুজনেই ঢাবির ছাত্রছাত্রী হওয়ায় ছেলেবেলা থেকেই ঢাবির গল্প শুনে বড় হয়েছি, ঢাবি সম্পর্কে অন্যরকম একটা ফ্যাসিনেশন ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত রসকষহীন বুয়েটে ভর্তি হলাম।

আর কমেন্টকারীদের প্রতি - একটা স্মৃতিচারণমুলক পোস্টে ঝগড়া বাঁধানোর কোন মানে আসলেই হয় না। আপনারা পোস্টের লেখককেই থার্ড পার্সন সিঙ্গুলার নাম্বার করে দিচ্ছেন।
৫৬. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৫৫
সরকার সেলিম বলেছেন:
@সাঈফ শেরিফ : না ভাই, আমি বাংলাদেশের থেকেই ব্যাচেলার করেছিলাম সিএস ই তে। আমার এম.এস.সি টা বাহিরে আর পিএইচডি টা এখন বাহিরে করছি।
আপনি মনে হয় আমাকে একটু ভুল বুঝলেন, বুয়েটকে আমি একটু ও খাটো করি নাই ভাই। বুয়েট তো আমাদের বাংলাদেশের অহংকার, তাই না। আমি শুধু বলতে চেয়েছি ঢাবি কে কেন আমরা বুয়েটের কাছে খাটো করছি, ২ টা তো আলাদা জিনিস, তাই না। বুয়েট শুধুমাত্র টেকনিক্যাল সাবজেক্ট গুলো পড়ায় আর ঢাবি সব পড়ায়।

@লেখক: ভাই, আপনি খুব ভাগ্যবান যে, আপনে সুন্দুর কিছু বন্ধু পেয়েছেন।
ভাই, আমার কাছে সায়েন্টিসট আর ইন্জিনিয়ার এর মধ্য তফাত হলো: সায়েন্টিসট রা কোন বস্তূকে অয়ানালাইসিস করে সেই বস্তূর ধর্ম বা ক্যাকেরটার জানিয়ে দেয় আর ইন্জিনিয়ার রা সেই বস্তূর ঐ ধর্মটাকে মানবজাতির ব্যাবহারের জন্য উপায় খুজে। একটু চিন্তা করে দেখুন কে বেশি রুটে সায়েন্টিসট না ইন্জিনিয়ার !! আপনার বাবা ঠিকই বলেছিলেন, আপনার ডিমোশন হয়েছে!!!

@ব্লগার গন: আপনারা কিন্তূ লেখককে যা তা বলছেন। উনি উনার মনের অবস্হান ব্যাখ্যা করেছেন মাত্র।

বন্ধুত্বেরই জয় হলো। বন্ধুত্বের জয় হোক..।
৫৮. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:০৯
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
আপনার বন্ধুভাগ্য ভালো। পোস্ট পড়ে এটাই মনে আসলো।
ইউনি বা বিষয় নিয়ে কচলাকচলি করে লাভ নাই। আমার ইচ্ছা ছিলো পড়বো আন্তর্জাতিক সম্পর্ক; তখঙ্ককার সময়ের টানে পড়লাম কম্পিউটার কৌশল। তার আগেও প্রথমে ঢাবিতে এপ্লায়েড ফিজিক্স ছেড়ে বুয়েটে মেকানিক্যাল তারপর সিইউইটি তে সিএসই।

পথিক ভাইয়ের কমেন্ট টা অনেক সত্য। ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার হ্যাপা দেখে মনে হয় জীবনটারে এইভাবে আলুভর্তা বানানোর কোন মানে আছে?
৫৯. ০৮ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:১৩
আট আনা বলেছেন: আহা! এই কথাটা পোষ্টে বলে দিলে আর সমস্যা হতনা। যাহোক, আপনি কোন স্টেটে আছেন ?
৬০. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৫৬
জনৈক আরাফাত বলেছেন: সরলীকৃত স্মৃতিকথার জন্য চমৎকার লাগলো-------- প্লাস------কেন যে লোকে অকারণে ঝগড়া বাধায়?! --------

পথিকের কমেন্টে সম্পূর্ণ প্লাস---- নিজেরাও তো তাই বলি----


----- নজরুল হলকে বয়লার বলাতে মাইনাস!
৬১. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:৩২
ড়ৎশড় বলেছেন: পুরনো কথা মনে করিয়ে দিলেন।এক সাথে চার বন্ধু(সবাই আইডিয়াল-নটরডেম) থাকতাম।বুয়েটে পরীক্ষা দিয়েছিলাম চারজনই।টিকলো মাত্র একজন।রেজাল্ট দেয়ার পর বাকি তিনজন বুঝলাম,ভর্তি পরীক্ষা পাত্তা না দিয়ে ভুল করেছি।ভাবছিলাম ট্রেন্ড অনুযায়ী এমনিতেই টিকে যাবো।সেদিন দুঃখ পেয়েছিলাম।

পরে কুয়েট,রুয়েট,ঢাবি,এম.আই.এস.টি সব জায়গায় বেশ ভালো ভাবে টিকেছিলাম,যারা বুয়েটে চান্স পেয়েছে তাদের কেউ কেউ আমার পেছনেও ছিলো।তাই নিজেকে আর রামছাগল মনে হয় নাই।আপনি কেন বারবার নিজেকে এভাবে বলছেন জানিনা।বর্তমানে আপনি যে অবস্থানে আছেন সেখানে কয়জন পৌছুতে পারে বলেনতো দেখি?

আমি পরে এম.আই.এস.টি থেকে পাশ করেছিলাম ইলেকট্রিক্যাল নিয়ে।কিন্তু এখনো আফসোস হয় ঢাবির জন্য।সেখানে কম্পু বা তাত্ত্বিক পদার্থবিদ্যাইয় চান্স পেতাম ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল অনুযায়ী।কিন্তু আপনার বাবার মত চমৎকার মন মানসিকতা সবার হয়না।তাই হয়ত ভুল করে ফেলেছি।

ভালো থাকবেন ভাইয়া।দোয়া করবেন আমার জন্য।
৬২. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২০
দূর আকাশের নীল তারা বলেছেন: ভাই কোন ইয়ারের ছাত্র ছিলেন উল্লেখ্য করলে ভালো হত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও শিক্ষকরা এত গোবর না যে, চোথা, পিএল এগুলো বুঝবে না্। আপনার কথায় মনে হইল, এগুলি কেবল বুয়েটের সম্পত্তি। বুয়েটপ্রীতি নিয়ে আপনি আরো অনেক বড় হন, দোয়া করি, কিন্তু এভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ছাত্রদের অপমান না করলে খুশী হব। ই মাইনাস দিলাম।
৬৩. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:০১
অচেনা সৈকত বলেছেন: এতদিন পরে পড়লাম!!! চমৎকার পোস্ট।
৬৪. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৪৮
কোর আই সেভেন বলেছেন: আচ্ছা আপনি ঢাবিতে কোন ডিপার্টমেন্টে ছিলেন?
৬৫. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২৯
জামাল ঊদ্দিন বলেছেন: ইঞ্জিনিয়ার তো হয়েই গেলেন ... আপনার আব্বাকে আমার শ্রদ্ধা...আমার লক্ষ্য ছিল বিজ্ঞানী হওয়া...আর হয়ে যাচ্ছি :|... তবুও লক্ষ্য ছাড়বো না ইনশাল্লাহ...

অফ-টপিকঃ ভর্তি হয়ে অলস বসে আছি... কি করব বলেন তো ভাইয়া... :(
৬৬. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৯
শিবলী বলেছেন: ইন্জিনিয়ার হয়েও বুয়েটে চান্স না পাবার দু:খ ভুলতে পারি নি। আজও বুয়েটের সামনে দিয়ে যাবার সময় নিজের অজান্তেই একটা দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে আসে। বুয়েটকে আজও বড় আপন মনে হয়।

- আমারো একটা দুঃখ। আমি মনের দুঃখে ঐ এলাকা মাড়াই না খুব একটা:(
৬৭. ১২ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৭:৫২
পৃথিবীর আমি বলেছেন: কানা-বাবা বলেছেন: আমার কথা শুনে আব্বা বলল, তুমি সাইনটিস্ট থেকে ইন্জিনিয়ার হয়ে গেছ। এটা কি কোন আনন্দের খবের হলো? তোমার তো ডিমোশন হয়েছে।


~ আপনার বাবার প্রতি রইল অশেষ শ্রদ্ধা। তার বুদ্ধি এবং বিবেচনা বাংলাদেশের অধিকাংশ বাবার চেয়ে অনেক বেশি।

সরকার সেলিম বলেছেন:
বুয়েটের স্পেলাইজেশন কিন্তূ ইন্জিনিয়ারিং এর উপর এইটা বুঝতে হবে, তারা মাত্র ৬/৭ সাবজেক্ট পড়ায়। ঢাবি কিন্তূ তা না, ঢাবি শত শত সাবজেক্টে অনার্স পড়ায়। বুয়েটের সাথে আপনি ঢাবির তুলনা করছেন কেন ভাই?
৬৮. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ৮:৩৪
িনদাল বলেছেন: কানা-বাবা বলেছেন: আমার কথা শুনে আব্বা বলল, তুমি সাইনটিস্ট থেকে ইন্জিনিয়ার হয়ে গেছ। এটা কি কোন আনন্দের খবের হলো? তোমার তো ডিমোশন হয়েছে।


~ আপনার বাবার প্রতি রইল অশেষ শ্রদ্ধা। তার বুদ্ধি এবং বিবেচনা বাংলাদেশের অধিকাংশ বাবার চেয়ে অনেক বেশি।
৬৯. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ৮:৩৮
নামহীন আমি বলেছেন: বুয়েটকে আজও বড় আপন মনে হয়।
৭০. ৩১ শে মে, ২০১১ রাত ১১:১১
দরজার ওপাশে বলেছেন: ব্লগার 'পৃথিবীর আমি'র কমেন্টের প্রথমাংশের সাথে একমত।

'আদর্শ' বাবাদের মানসিকতা সাধারণত *** টাইপের হয়...

(***=কোন শব্দ খুঁজে পেলাম না)

 

মোট সময় লেগেছে ২.৯২৯৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি একজন স্বপ্নের ফেরিওয়ালা।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই