আমার প্রিয় পোস্ট

আস্তিক-নাস্তিক ফ্যাসাদ

০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:১৩

শেয়ারঃ
0 0 0

বেশ কিছুদিন ধরে ব্লগে আস্তিক-নাস্তিকদের ডিবেট follow করলাম। এই ডিবেটগুলোতে নাস্তিকরা প্রধানত কোরানের বিভিন্ন অসামন্জস্যতা তুলে ধরেন আর আস্তিকেরা তা খন্ডন করেন। যুক্তি খন্ডনের সময় আস্তিকেরা কোরানের ব্যাপারে কিছু স্বত:সিদ্ধ ব্যক্ত করেন, সেগুলো হলো:

১। কোরানের সব কিছু শাব্দিক অর্থে নেবার কিছু নেই।

২। কোরানে অনেক কিছু রূপক অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে।

৩। বহু বছর ধরে প্রচুর তথাকথিত পন্ডিত কোরানের প্রচুর ভুল বের করার চেষ্টা করেছেন, কিন্তু সফলকাম হন নাই।

৪। কোরান পড়ে এবং তা বুঝে প্রশ্ন করা উচিৎ। কোরান বুঝতে হলে বিভিন্ন তফসীর পড়া বান্ছনীয়। কোরান আরবীতে লেখা। আরবীর সঠিক বাংলা অনুবাদ করা মুশকিল। বাংলায় যে সকল অনুবাদ হয়েছে তার বেশীর ভাগ অনুবাদেই সরাসরি আরবী থেকে বাংলা করা হয় নি, বরং উর্দূ থেকে বাংলায় করা হয়েছে, এ জন্য আরবী জেনে কোরান পড়লে কোন কন্ট্রাডিকশন থাকবে না

বেশীরভাগ আস্তিক/নাস্তিক যদিও টু-দ্য-পয়েন্ট মন্তব্য করার চেষ্টা করেন, কেউ কেউ কন্টেক্সটে বহির্ভূত গালাগালি করেন। যাই হোক, কোরানের অসামন্জস্যতা সম্পর্কে নাস্তিকদের প্রধান যুক্তি এবং আস্তিকদের উত্তরগুলো নীচে দেয়া হলো:

১।
নাস্তিকদের যুক্তি: আয়াত ৭:৫৪, ১০:৩, ১১:৭ অনুসারে পৃথিবী সৃষ্টি হয়েছে ৬ দিনে, কিন্তু আয়াত ৪১:৯, ১০, ১১, ১২ অনুসারে পৃথিবী সৃষ্টি হয়েছে ২+৪+২ = ৮ দিনে

আস্তিকদের উত্তর: মূলত, অনুবাদের সময় যে আরবী শব্দের অর্থ 'দিন' করা হয়েছে, সেই একই শব্দের অর্থ হতে পারে 'period', সুতরাং কোরনে ৬ দিনে পৃথিবী সৃষ্টির কথা বলা হয় নাই, বলা হয়েছে ৬ period এ পৃথিবী সৃষ্টির কথা, আর ২+৪+২ এর শেষ দুই দিন ৪ দিনের সাথেই ধরা আছএ, সুতরাং কোরানে কোন কন্ট্রাডিকশন নাই।

২।
নাস্তিকদের যুক্তি: আয়াত ২২:৪৭ অনুসারে আল্লাহর এক বছর = আমাদের ১০০০ বছর, এবং আয়াত ৭০:৪ অনুসারে আল্লাহর এক বছর = আমাদের ৫০,০০০ বছর। কোনটা ঠিক?

আস্তিকদের উত্তর: দুইটা আয়াত ভিন্ন দুইটা প্রেক্ষাপটে অবতীর্ন হয়েছে, দুইটাই ঠিক।

৩।
নাস্তিকদের যুক্তি: কোরানের ১৮:৮৬ থেকে ১৮:৯০ পর্যন্ত আয়াতে বলা হয়েছে জুলকারনাইন সূর্যকে পঙ্কিল জলাশয়ে ডুবতে দেখেছে, এটা কি বৈজ্ঞানিক?

আস্তিকদের উত্তর: কোরানের এই আয়াতগুলো রূপক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, এগুলোকে শাব্দিক অর্থে নেবার কিছু নেই।

৪।
নাস্তিকদের যুক্তি: ৩৬: ৩৮-৪০; "সূর্য তার নির্দিষ্ট অবস্থানে আবর্তন করে। এটা পরাক্রমশালী, সর্বজ্ঞ, আল্লাহর নিয়ন্ত্রণ। চন্দ্রের জন্যে আমি বিভিন্ন মনযিল নির্ধারিত করেছি। অবশেষে সে পুরাতন খর্জুর শাখার অনুরূপ হয়ে যায়। সূর্য নাগাল পেতে পারে না চন্দ্রের এবং রাত্রি অগ্রে চলে না দিনের প্রত্যেকেই আপন আপন কক্ষপথে সন্তরণ করে।" এই ায়তগুলো কি বিজ্ঞান সম্মত?

আস্তিকদের উত্তর: আয়াতগুলো পুরোপুরি বিজ্ঞান সম্মত। এখানে সূর্যের আহ্নিক ও বার্ষিক গতির কথা বলা হয়েছে, যা বিজ্ঞান সম্মত।

৫।
নাস্তিকদের যুক্তি: আয়াত ৬৭:৫; "আমি সর্বনিম্ন আকাশকে প্রদীপমালা দ্বারা সুসজ্জত করেছি; সেগুলোকে শয়তানদের জন্যে ক্ষেপণাস্ত্রবৎ করেছি এবং প্রস্তুত করে রেখেছি তাদের জন্যে জলন্ত অগ্নির শাস্তি।"
আয়াত ৩৭:৬-৮; নিশ্চয় আমি নিকটবর্তী আকাশকে তারকারাজির দ্বারা সুশোভিত করেছি। এবং তাকে সংরক্ষিত করেছি প্রত্যেক অবাধ্য শয়তান থেকে। ওরা উর্ধ্ব জগতের কোন কিছু শ্রবণ করতে পারে না এবং চার দিক থেকে তাদের প্রতি উল্কা নিক্ষেপ করা হয়।" এগুলো কি বিজ্ঞান সম্মত?

আস্তিক: অবশ্যই, এখানে তারাগুলো থেকে নির্গত গামা রে এর কথা বলা হয়েছে।

৬।
নাস্তিক: আয়াত ৭৮:৬-৭ "আমি কি করিনি ভূমিকে বিছানা এবং পর্বতমালাকে পেরেক?" এটা কি পাহাড় সৃষ্টির বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা?

আস্তিক: অবশ্যই। ভূতত্ত্ববিদদের দৃষ্টিতে পাহাড় সৃষ্টির সাথে এই আয়াতের কোন কন্ট্রাডিকশন নেই।

৭।
নাস্তিক: আয়াত ৬৫:১২; "আল্লাহ সপ্তাকাশ সৃষ্টি করেছেন এবং পৃথিবীও সেই পরিমাণে, এসবের মধ্যে তাঁর আদেশ অবতীর্ণ হয়, যাতে তোমরা জানতে পার যে, আল্লাহ সর্বশক্তিমান এবং সবকিছু তাঁর গোচরীভূত।" সাত আসমান কি?

আস্তিক: এখানে "আসমান" প্রচলিত অর্থে ব্যবহার করা হয় নাই। সুতরাং বিজ্ঞানের সাথে কোন কন্ট্রাডিকশনের প্রশ্নই নাই।

৮।
নাস্তিক: আয়াত ২৩:১৩-১৪; "অতঃপর আমি তাকে শুক্রবিন্দু রূপে এক সংরক্ষিত আধারে স্থাপন করেছি। এরপর আমি শুক্রবিন্দুকে জমাট রক্তরূপে সৃষ্টি করেছি, অতঃপর জমাট রক্তকে মাংসপিন্ডে পরিণত করেছি, এরপর সেই মাংসপিন্ড থেকে অস্থি সৃষ্টি করেছি, অতঃপর অস্থিকে মাংস দ্বারা আবৃত করেছি, অবশেষে তাকে নতুন রূপে দাঁড় করিয়েছি। নিপুণতম সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ কত কল্যাণময়।" এই আয়াতগুলো কি বিজ্ঞান সম্মত?

আস্তিক: অবশ্যই।

৯।
নাস্তিক: আয়াত ৪:১১, ৪:১২, ৪:১৭৬ অনুসারে একজন মৃত ব্যক্তির তিন কন্যা, বাবা, মা এবং স্ত্রী থাকে তাহলে তার সম্পত্তি ভগাভাগির সময়, প্রত্যেকের ভাগে যে সম্পত্তি পড়বে, তা যোগ করলে যোগফল মোট সম্পত্তির চেয়ে বেশী হবে।

আস্তিক: বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন তফসীরকারক এর বহু ব্যাখ্যা দিয়েছেন, এ সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে, সুতরাং এটা dead issue।

১০।
নাস্তিক: আয়াত ৫১: ৪৯; "আমি প্রত্যেক বস্তু জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছি, যাতে তোমরা হৃদয়ঙ্গম কর।" ব্যাক্টেরিয়া, ভাইরাসও কি জোড়ায় জোড়ায়?

আস্তিক: এখানে জড় বস্তুদের বোঝানো হয়েছে, চুম্বকের উত্তর মেরু-দক্ষিন মেরু, ইলেক্ট্রন-প্রোটনের চার্য ইত্যাদি।

১১।
নাস্তিক: কোরানের বিভিন্ন আয়াতে আল্লাহ তার নবীর ব্যক্তিগত সমস্যা সমাধানে আয়াত পাঠিয়েছেন। সেগুলো আমরা কেন এখনো তেলাওয়াত করি?

আস্তিক: মোহাম্মদ হচ্ছেন আমাদের দিশারী। ওনার জীবণ follow করলেই আমাদের মুক্তি।

১২।
নাস্তিক: সুরা লাহাব (১১১ নম্বর সুরা) এ একজন নির্দিষ্ট মানুষকে অভিশাপ দেয়া হয়েছে যে ১৪০০ বছর আগেই মারা গেছে। এই সুরা পড়ে এখনো আমরা কেন সোয়াব পাব?

আস্তিক: আসলে এই সুরাটা সব সময়ের কাফেরদের উদ্দেশ্যে নাজিল হয়েছে।

১৩।
নাস্তিক: আয়াত ২:২৮২; "হে মুমিনগণ! যখন তোমরা কোন নির্দিষ্ট সময়ের জন্যে ঋনের আদান-প্রদান কর, তখন তা লিপিবদ্ধ করে নাও এবং তোমাদের মধ্যে কোন লেখক ন্যায়সঙ্গতভাবে তা লিখে দেবে; লেখক লিখতে অস্বীকার করবে না। আল্লাহ তাকে যেমন শিক্ষা দিয়েছেন, তার উচিত তা লিখে দেয়া। এবং ঋন গ্রহীতা যেন লেখার বিষয় বলে দেয় এবং সে যেন স্বীয় পালনকর্তা আল্লাহকে ভয় করে এবং লেখার মধ্যে বিন্দুমাত্রও বেশ কম না করে। অতঃপর ঋণগ্রহীতা যদি নির্বোধ হয় কিংবা দূর্বল হয় অথবা নিজে লেখার বিষয়বস্তু বলে দিতে অক্ষম হয়, তবে তার অভিভাবক ন্যায়সঙ্গতভাবে লিখাবে। দুজন সাক্ষী কর, তোমাদের পুরুষদের মধ্যে থেকে। যদি দুজন পুরুষ না হয়, তবে একজন পুরুষ ও দুজন মহিলা। ঐ সাক্ষীদের মধ্য থেকে যাদেরকে তোমরা পছন্দ কর যাতে একজন যদি ভুলে যায়, তবে একজন অন্যজনকে স্মরণ করিয়ে দেয়। যখন ডাকা হয়, তখন সাক্ষীদের অস্বীকার করা উচিত নয়। তোমরা এটা লিখতে অলসতা করোনা, তা ছোট হোক কিংবা বড়, নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত। এ লিপিবদ্ধ করণ আল্লাহর কাছে সুবিচারকে অধিক কায়েম রাখে, সাক্ষ্যকে অধিক সুসংহত রাখে এবং তোমাদের সন্দেহে পতিত না হওয়ার পক্ষে অধিক উপযুক্ত। কিন্তু যদি কারবার নগদ হয়, পরস্পর হাতে হাতে আদান-প্রদান কর, তবে তা না লিখলে তোমাদের প্রতি কোন অভিযোগ নেই। তোমরা ক্রয়-বিক্রয়ের সময় সাক্ষী রাখ। কোন লেখক ও সাক্ষীকে ক্ষতিগ্রস্ত করো না। যদি তোমরা এরূপ কর, তবে তা তোমাদের পক্ষে পাপের বিষয়। আল্লাহকে ভয় কর তিনি তোমাদেরকে শিক্ষা দেন। আল্লাহ সব কিছু জানেন।"
এই আয়াতে আল্লাহ যোগ্যতার চেয়ে gender কে financial dealings এ প্রাধান্য দিয়েছেন। এই আয়াত অনুসারে একজন স্ট্যানফোর্ড এর এম বিএ নারী অপেক্ষা ক্লাস ফাইভ পাশ পুরুষ financial dealings এ বেশী প্রাধান্য পাবে। আর নারীরা ভুলে যেতে পারে এইজন্য দুইজন নারী রাখতে বলা হয়েছে। পুরুষরা কি ভুলতে পারে না?

আস্তিক: এর কোন যুৎসই ব্যাখ্যা আমার চোখে পড়ে নি এখনো।

১৪।
নাস্তিক: ৪:১১; "আল্লাহ তোমাদেরকে তোমাদের সন্তানদের সম্পর্কে আদেশ করেনঃ একজন পুরুষের অংশ দু?জন নারীর অংশের সমান।"
৪:৩৪: "পুরুষেরা নারীদের উপর কৃর্তত্বশীল এ জন্য যে, আল্লাহ একের উপর অন্যের বৈশিষ্ট্য দান করেছেন এবং এ জন্য যে, তারা তাদের অর্থ ব্যয় করে। সে মতে নেককার স্ত্রীলোকগণ হয় অনুগতা এবং আল্লাহ যা হেফাযতযোগ্য করে দিয়েছেন লোক চক্ষুর অন্তরালেও তার হেফাযত করে। আর যাদের মধ্যে অবাধ্যতার আশঙ্কা কর তাদের সদুপদেশ দাও, তাদের শয্যা ত্যাগ কর এবং প্রহার কর। যদি তাতে তারা বাধ্য হয়ে যায়, তবে আর তাদের জন্য অন্য কোন পথ অনুসন্ধান করো না। নিশ্চয় আল্লাহ সবার উপর শ্রেষ্ঠ।"
এই আয়াত দুইটি দিয়ে আল্লাহ পুরুষকে নারীর উপরে স্থান দিয়েছেন।

আস্তিক: এ সব আয়াত নিয়ে তফসীরকারকরা অনেক ব্যাখ্যা দিয়েছেন। এখন এসব প্রশ্ন উত্থাপন অবান্তর।

উপসংহারে বলতে চাই, আস্তিকেরা প্রয়োজন মতো কোরানের বিভিন্ন আয়াতকে রূপক অর্থে ধরে নেন, আবার প্রয়োজনে কোরানের অনেক সাধারণ আয়াত থেকেও বিজ্ঞানের অনেক গূঢ় রহস্য উদঘাটন করেন। ১৪০০ বছর আগের লেখা একটা বইয়ের বিভিন্ন বিষয় defend করা বেশ কষ্টসাধ্য কাজ, তাই আস্তিকদের নিজেদের মধ্যেও একই আয়াতের বিভিন্ন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়। পরিশেষে, মুসলিম আস্তিকেরা বলেন, কোরানে সম্পূর্ণ জীবণ বিধান দেয়া আছে। কিন্তু একটা মাত্র বইয়ে কি সম্পূর্ণ জীবণ বিধান দেয়া সম্ভব?

 

সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:১২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:১৯
ত্রিভুজ বলেছেন: যদি নাস্তিক থাকা বেশি আরামদায়ক ও নিরাপদ বোধ করেন তাহলে এগুলো জিজ্ঞেস করার কিছু নেই। আর যদি সত্যিকার অর্থে উত্তরগুলো খুঁজতে চান তাহলে এখানে কিছু দিক্‌নির্দেশনা দিয়েছিলাম- Click This Link


২. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:২০
ঢাকাইয়া টোকাই বলেছেন: আপনাকে ফার্স্ট পেলাস টা দিয়া দিলাম।

তবে হুদাহউদি টাইম লস্ট করলেন।

যে বুঝার হেয় এমনাতেই বুঝে। আর জে না বুঝার হে্রে গিল্লা খাওয়াইলেও বুঝবো না।

বাই দা ওয়ে বাংলাদেশে এত নাস্তিক ( যে নাকি কোন ধর্মেই বিশ্বাস করে না ) মানুশ আসে তা এই ব্লগে আশার আগে জানতাম না।
০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:২২

লেখক বলেছেন: আপনি নিশ্চয়ই লেখাটা না পড়েই প্লাস দিয়ে দিয়েছেন। আপনার আসলে মাইনাস দেয়া উচিৎ ছিল।

৩. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:২৩
কাদা মাটি জল বলেছেন: ভাল লিখেছেন ভাই...

বিশেষতঃ নারী অধিকার খর্ব করার ব্যাখ্যা ইসলামে নেই।
বিপদ কি জানেন, আমাদের ধর্মান্ধ অন্নেক, কিন্তু ধর্মবোদ্ধা নেই...

প্রথম প্লাস দিলাম।
আরো আসছে নিশ্চিত থাকুন...
৪. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:৩৫
ঢাকাইয়া টোকাই বলেছেন: কি জানি ভাই ।

এত রহস্ব কইরা লিখলে কেমনে বুঝুম?
৫. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:৫৪
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: লেখক বলেছেন:

কিন্তু একটা মাত্র বইয়ে কি সম্পূর্ণ জীবণ বিধান দেয়া সম্ভব?

=====================

সাত খন্ড রামায়ন পছন্দ হয় ভাই জান.....???


যে বুজবো হেয় এক খন্ড কোরআন পইরাই বুজবো আর আপানাকে ও আপনার দলভুক্তদের সাত খন্ড কোরাআন পড়ানোর পরেও কইবেন কিছুই বুজলাম না, আমারে কাডাল পাতা আইন্যা দে...............
৭. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:১৫
শরিফুর রহমান সৌরভ বলেছেন: আস্তিকদের কাছে আমার ১টাই প্রশ্নঃ
মানুষ মারা গেলে কোথায় যায়.??
৮. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:১৭
শরিফুর রহমান সৌরভ বলেছেন: sorry....আমার প্রশ্নটা নাস্তিকদের কাছে...
৯. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:২১
স্তব্ধতা' বলেছেন: আস্তিকতা ও নাস্তিকতা বিতর্কে কেনো শুধুমাত্র কোরআন/ইসলাম এবং বিজ্ঞানকে আনতে হবে তাতো বুঝলামনা। আপনার বিতর্কটা মূলত ইসলাম ও বিজ্ঞান। আস্তিকতা ও নাস্তিকতা মূলত ভাববাদ ও বস্তুবাদের বিষয়। এটাকে ছোট পরিসরে না এনে সকল ভাববাদকেই এক সঙ্গে আলোচনার বিষয় বস্তু করে তোলা বাঞ্চনীয়।
১০. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:১৯
পারভেজ আলম বলেছেন: সৌরভ বুয়েট কি আসলেই বুয়েটে পড়ে। বুয়েট পড়ুয়া একটা ছেলে এইরকম একটা নিন্মশ্রেনীর প্রশ্ন কেমনে করে।
আস্তিক/নাস্তিক বিতর্ক হিসেবে লেখক যেই বিতর্ক স্থাপন করেছেন তাকে আমি আস্তিক নাস্তিক বিতর্ক বলা সঠিক মনে করিনা। এটা হতে পারে যুক্তিবাদীদের সাথে যুক্তিহীন গোয়ারদের বিতর্ক। এখানে লেখক আস্তিকদের যে ভাষ্য দিয়েছেন তার পুরোটাই একটা অবস্থানের উপর প্রতিষ্ঠিত, যুক্তিবাদীদের সকল মন্তব্য ও বক্তব্য যুক্তির আর অভিজ্ঞতাবাদী জ্ঞানের যে সাম্প্রতিক বিকাশ তার উপর প্রতিষ্ঠিত। অন্যদিকে অযুক্তিবাদীরা দেখা যাচ্ছে বিতর্ক করতে গিয়ে খরকুটার মতো যা পাচ্ছেন তাই আকড়ে ধরছেন। কখোন পুরোপুরি বিজ্ঞানের আশ্রয় নিচ্ছেন, কখোন রুপকবাদী মিস্টিসিজমের, আবার কখোন নেহায়েত হাস্যকর ধরণের ব্যখ্যা দিচ্ছেন যে ব্যখ্যা যৌক্তিক বিচারে যুক্তিবাদীর প্রশ্নের সামনে দাঁড়ানোর যোগ্যতাও রাখেনা। শ্রেফ লোকবল আর আবেগ দিয়ে শক্তি দেখানো যায় বটে। জেতা যায় না। মক্কার পৌত্তলিকরা যেমন জেতেনি, আজকালকার অন্ধত্ববাদী মুসলমানরাও তেমন জিতবেনা।
১১. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০৬
নীলপদ্দ বলেছেন: নাস্তিকদের কিছু প্রশ্নের উত্তরঃ Click This Link
০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৫৯

লেখক বলেছেন: লিঙ্কটা তো হযরত বাবা আউলিয়া খাস পীর হয়রানপুরির। আমি অনেক আগেই ওনার মুরিদ হয়েছি। বাবার কেরামতি বড়ই তাজ্জব কি বাত!!!!!

১২. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৫
হারান সত্য বলেছেন: আপনি দেখছি নাস্তিকতা নিয়ে খুব সিরিয়াস।
কিন্তু আপনাদের সকল প্রচেস্টা কেবল অন্যের দোষ অন্মেষনে নিয়জিত কেন? নাস্তিকতার ভিত্তিতে একটা আদর্শিক আন্দোলন তৈরী করুন না। মুহাম্মদ (স.) এর অনুসরীরা এত বোকা, অন্ধ, ভীতু হয়েও যদি সেই সময়কার দুই দুটি পরাশক্তিকে পরাজিত করতে পেরে থাকে তাহলে আপনাদেরমত জ্ঞানী, দু:সাহসী, ত্রিকাল দর্শি ব্যাক্তিরা মিলে বাংলাদেশকে কি আর একটু উন্নত করতে পারেন না?

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৯৯৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি একজন স্বপ্নের ফেরিওয়ালা।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই