মুনসুর ভাইয়ের পোষ্টে রামুর (রাতমুজুর) লিংকটা দেখার পর থেকে ভাবছিলাম কখন যাব ইফতার ও আড্ডায়। সকালে অফিসে গেলাম বৃষ্টি মাথায় নিয়ে। ভাবলাম আড্ডা বুঝি আজকে আর হবে না।
বিকাল দিকে যখন বৃষ্টি কমল তখন একটু আশার আলো দেখলাম। যা হোক অফিস থেকে বের হলাম, রিক্সায় যেতে যেতে ভাবলাম সবাই অচেনা কিভাবে মিশবো তারা কিভাবে নেবে আমাকে........... ভাবতে ভাবতে পৌছলাম চারুকলার ছবির হাটে।
রিক্সা থেকে নেমে কাউকে চিনতে পারতেছিনা। সবার আশে ঘুরাঘুরি করার পর রামুকে ফুনাইলাম, দেখি আমার পিছন থেকে কথা বলে উঠল। ফোনটা কেটে দিলাম। পরিচিত হলাম সবার সাথে ......................
রাতমুজুর : ওর মুখ যে রকম চলে হাতও সেই রকম চলে। না মারামারিতে না ব্লগে। সদা হাসোজ্জল মানুষ। ভাল লাগার সব কারন ওর মধ্যে আছে। আমার ফোন পিছন থেকে ধরছে কলের টাকা নেওয়া হয় নাই। পকেট থেকে ৫০/= গেলে কিছু মনে হয় না কিন্তু ফোন থেকে ১/= সহ্য হয় না। এরপরে কলের টাকা নিতে হবে।
ছন্নছাড়া পেন্সিল : ভদ্র টাইপের ছেলে। মনে হল খুব একটা কথা বলে না পরে দেখলাম কেউ কম না।
শান্তির দেবদুত : সেই সেলিব্রেটি। যাকে দেখার খুব ইচ্ছা ছিল। পরিচিত হলাম। উনি কিভাবে যে বুঝছিলেন যে সে শান্তির দেবদুত। এতো ভাল মানুষ !
ক্যামেরাম্যান : আমাদের থেকে বয়সে অনেক বড়। কিন্তু সবার সাথে মিশার আশ্চর্য্য ক্ষমতা উনার আছে। ক্যামেরাম্যান কিন্তু ক্যামেরা নাই।
নীল ভ্রমরা : ভ্রমরার যা কাজ তাই, মধু খেয়ে কেটে পড়া। ইফতার শেষে বিদায় নিয়ে চলে গেলেন। তাই তার সম্পর্কে বেশী জানতে পারলাম। তবে নিপাট একটা ভদ্র লোক।'
রোহান : খুব ভদ্র, স্বাস্থ্যসম্মত ছেলে । কিশোর পত্রিকার মুসা টাইপের। তবে মুসার মতো কালো না।
ভেবে ভেবে বলি : আমার আড্ডা দিতেছি। দেখলাম একজন অনেক ভেবে ভেবে আমাদের কাছে আসল। বল্ল আমি ভেবে ভেবে বলি। তারপর আর কি একটা নুরানী হাসিতে সবার মন জয় করে নিল। আমাদের ২৫ জনের মধ্যে একমাত্র .............. ।
মাতাব্বর : মাতাব্বরের সাথে পরিচিত হলাম। কি রকম মাতাব্বর মাতাব্বর ভাব। মনে হয় মাথায় হেলমেট পড়ে থাকতে বেশী ভালবাসে।
শামীম : পোষ্ট দেখে ভাবছিলাম অনেক বয়স্ক টাইপের কেউ। অথচ মনে হয় সব থেকে বয়সে ছোট। এক মূহূর্তে ইফতার আয়োজন করে ফেলল, বলতেই হয় খুব কাজের ছেলে এবং খুব আড্ডাবাজ।
সাইকেলওয়ালা : যথারীতি সাইকেল নিয়ে হাজির। তার সম্পর্কে আর কি বলব। দারুন মিশুক এক লোক। এক মূহুর্তের মধ্যে সবার মন জয় করে নিল।
শ।মসীর : খুবই ভাল মনের অধিকারী। কিন্তু উনার কর্মস্থালের কথা শুনে উনাকে মারতে ইচ্ছা হল। শেষ পর্যন্ত উনার সাথেই বাসায় ফিরতে হল। খুব কাছাকাছি থাকি আমরা মনে প্রায়ই দেখা হবে।
কালপুরুষ : শেষে আসলেন কালপুরষদা। ব্লগের ছবি দেখে ভাবছিলাম কিন্তু দেখলাম অন্য কাউকে। বয়স্ক লোক । যদিও উনার ভাষ্য মতে উনি কখনো বয়স্ক হবেন না। আশা করি উনি যে চির সবুজ চির নবীন থাকেন।
মুনছুর : সবার শেষে আমাদের মুনছুর সাহেব । যিনি এই আড্ডা সফল করার জন্য রিপোষ্ট করতে করতে ব্লগ জালাইয়া ফেলাইছিলেন মাইনাসও নাকি খাইসে শুনলাম। সবার মারার জন্য উদ্যত হলাম। কিন্তু ইফতারের জন্য বেচেঁ গেলেন।
আরও যারা ছিলেন পারভেজ ভাই, কাকভূসন্ডী, অন্ধদাড়কাক, দূর্ভাষী, মুহিব, মেজবাহ, চাচামিঞা, বৃত্তবন্দী, হাসান মাহবুব, সবার প্রিয় এই মূহুর্তে সবার নাম মনে পড়েছে না। কেউ বাদ গেলে আমি দু:খিত। একদিনেই আসলেই সবাইকে মনে রাখা কঠিন। মাসে নাকী একবার আড্ডা হবে। সবাই এতো ভাল যে লিখে বুজাতে পারবো না। অনেক ছবি থাকার পরও দিতে পারলাম। আড্ডা কর্তৃপক্ষের নিষেধ আছে।
অনেক মজার করা পর ফিরে আসলাম বাসায়। কিন্তু এখনও মন থেকে সরাতে পারছিনা ছবির হাটকে ........... আপনারও আসুন আবার কোন এক আড্ডায় জমিয়ে তুলুন সামু .........................।।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে এপ্রিল, ২০১৫ বিকাল ৪:১৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


